27/08/2026
কেয়ামতের দিনের কথা যখন কোরআনে বর্ণনা করা হয়, পাহাড়গুলো তুলার মতো উড়ে যাবে, পৃথিবী প্র’ক’ম্পি’’ত হবে, আর মানুষ ছুটবে দিগ্বিদিক—কিন্তু পা’লা’নো’র কোনো জায়গা থাকবে না।
**গতকাল নেপালের রাসুয়া জেলায় যা ঘটল, তা যেন সেই ভয়ংকর দৃশ্যেরই এক ক্ষুদ্র প্রতিচ্ছবি।**
মানুষ তখনও বুঝতে পারেনি, তাদের দিকে কী এগিয়ে আসছে। কেউ স্বাভাবিকভাবে দাঁড়িয়ে, কেউ কাজে ব্যস্ত, হঠাৎ পাহাড়ের দিক থেকে দেখা দিল প্রবল স্রোত।
তারপর সবকিছু ঘটল এত দ্রুত যে **অনেক মানুষ বাঁচার জন্য দৌড় শুরু করার সুযোগটুকুও পাননি।**
যারা বি’প’দ’টা চোখে দেখে ফেলেছিলেন, তারা প্রাণপণে দৌড়াতে শুরু করেন। কেউ উঁচু জায়গার দিকে ছুটেছেন, কেউ আশ্রয় খুঁজেছেন। কিন্তু স্রোতের গতি এত বেশি ছিল যে তাদের অনেকে সেখানেই মা’’রা যান ।**
প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায়, তিমুরে এলাকায় পানির স্রোত প্রায় **১০০ মিটার উঁচু ঢেউয়ের মতো** এগিয়ে আসে। সেখানে থাকা শত শত মানুষ এবং **৩০০-এর বেশি গাড়ি ও ট্রাক** ভয়াবহ স্রোতের মুখে পড়ে।
আরও ভয়ংকর হলো, কিছু এলাকায় মাত্র **আধা ঘণ্টার মধ্যে পানির উচ্চতা প্রায় ৯ মিটার** পর্যন্ত বেড়ে যায়।
নেপালের এই দৃশ্য দেখে সত্যিই মনে হয়—প্রকৃতি যখন হঠাৎ তার ভয়ংকর শক্তি প্রকাশ করে, তখন মানুষের হাতে বাঁচার জন্য অনেক সময় কয়েক মিনিট তো দূরের কথা, **একটি পূর্ণ সেকেন্ডও থাকে না।**
কে’য়া’ম’তের আসল ভয়াবহতা আমরা কেউ জানি না। কিন্তু নেপালের সেই মুহূর্তগুলো দেখে অন্তত এটুকু বোঝা যায়—যেদিন সত্যিই পৃথিবী প্রকম্পিত হবে, সেদিন মানুষের অসহায়ত্ব কতটা ভয়ংকর।
#নেপাল