BD Girl in Sharjah

BD Girl in Sharjah � Bangladeshi soul | � Sharjah life
Vlogs • Experiences • Daily moments �

12/08/2026

কিছু মানুষ সম্পর্কের সীমারেখা বুঝতে শেখে না, অথবা বুঝেও না বোঝার ভান করে। সামান্য পরিচিতি বা আলাপচারিতাকে তারা এমন এক আন্তরিকতায় নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে, যার কোনো প্রয়োজন নেই, অথচ এই বেহুদা কাজটা তারা করেই যায়।

অন্যের স্বামী অথবা স্ত্রীর শরীর, পোশাক, চেহারা কিংবা ব্যক্তিগত কোনো বিষয় নিয়ে অকারণে মন্তব্য করার মধ্যে এমন কী বিশেষত্ব আছে, আমি জানি না। কথার তো অভাব নেই পৃথিবীতে তবু কিছু মানুষের কথা বলার জন্য বারবার সেই মানুষটিকেই বেছে নিতে হয়, যে আসলে তাদের এসব গায়েপড়া কথা শোনার কেউ নন।

আমি বরাবরই বিশ্বাস করি, সম্পর্ক যেটাই হোক কিছু দূরত্ব সুন্দর। নিজের জায়গাটা আসলে কোথায় তা মাথায় রেখে কিছু সম্বোধন, কিছু কথা, কিছু আন্তরিকতা দেখানো বা করা উচিত তাহলে পুরো ব্যাপারটা মার্জিত ও সুন্দর থাকে।

কারও সঙ্গে বহুদিনের পরিচয় থাকতেই পারে। বন্ধুত্বও থাকতে পারে। কিন্তু সেই পরিচয়ের ইতিহাস কখনোই আপনাকে এমন অধিকার দেয় না, যাতে মনে হয় আপনি মানুষটিকে তার জীবনসঙ্গীর চেয়েও বেশি আপন করে চেনেন। সবচেয়ে সুন্দর মানুষ তারাই, যারা জানে কোথায় থামতে হয়। কারণ ভদ্রতা শুধু সুন্দর করে কথা বলার নাম নয়; ভদ্রতা হলো কোন কথাটা বলা উচিত নয়, সেটাও বুঝতে পারা।

11/08/2026

আমার ​বাবা ছিলেন অসম্ভব হিসেবি মানুষ। সেকেন্ডের কাঁটার মতো কাঁটায় কাঁটায় মেপে চলতেন পুরো জীবন। আমাদের বাড়িতে আবেগের কোনো স্থান ছিল না। কিন্তু এই নিয়ম শৃঙ্খলার বাইরে একজন মানুষ ছিলেন। তিনি আমার ফুফু, নাম সুরঞ্জনা।

​ফুফু বিবাহিত ছিলেন, কিন্তু বাবার বাড়িতেই থাকতেন। ফুফুর স্বামী সেনাবাহিনীতে ছিলেন, জাতিসংঘের শান্তি মিশনে গিয়ে গত চব্বিশ বছর ধরে নিখোঁজ। কোনো খবর নেই, জীবিত না মৃত তাও কেউ জানে না। বাড়ির সবাই ধরে নিয়েছিল ফুফু বিধবা, কিন্তু ফুফু কোনোদিন সাদা শাড়ি পরেরনি। আবার কোনোদিন কেঁদে কেটে বাড়িও মাথায় তোলেননি।

​ফুফুর ঘরে কোনো ঘড়ি ছিল না। ফুফু বলতেন, "যে সময়ের মধ্যে আমার মানুষটা নেই, সেই সময় মেপে আমি কী করবো রে সোহেল?"

​আমি যখন চারুকলার শেষ বর্ষে পড়ি, তখন একদিন হঠাৎ খেয়াল করলাম ফুফুর একটা অদ্ভুত অভ্যাস হয়েছে। প্রতিদিন বিকেল চারটে বাজলেই ফুফু বারান্দার কোণে গিয়ে দাঁড়াতেন। রোদের আলো ঘরের উত্তর দেওয়ালের যে কোণে গিয়ে পড়তো। ফুফু একটা মার্কার দিয়ে সেই আলোর শেষ সীমায় দাগ কেটে দিতেন। আর তার ঠিক পাশে একটা ছোট্ট অঙ্ক লিখতেন।

​একদিন কৌতুহল সামলাতে না পেরে জিজ্ঞেস করলাম, "ফুফু, দেওয়াল জুড়ে এসব কীসের হিসেব রাখছো?"

​ফুফু হেসে আমার মাথায় হাত বুলিয়ে বললেন, "এটা একটা ছায়াসময়, সোহেল। তোর বাবা তো নিয়ম শৃঙ্খলার হিসেব মাপে। আর আমি মাপি মানুষের অপেক্ষার সময়। রোদটা যখন ঐ কোণে পৌঁছায়, তখন বুঝতে পারি আরও একটা দিন চলে গেল, অথচ আমার সময়ের কাটাটা সেখানেই আটকে আছে।"

​আমি সেদিন বুঝেছিলাম, ফুফুর এই দাগ কেটে যাওয়াটা কোনো মানসিক ব্যাধি নয়, এটা হলো বেঁচে থাকার একটা অবলম্বন। আশা আর নিরাশার মাঝখানে ঝুলতে থাকা এক বিশ্বাস।

​কিন্তু ধাক্কাটা এলো তার কয়েক মাস পর। বাবা হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লেন। হাসপাতালে যাওয়ার আগে বাবা আমাকে ডেকে দোকানের চাবিটা দিয়ে বললেন, "সোহেল, কাউন্টারে যে কালো চামড়ায় বাঁধানো ডায়রিটা আছে, ওটা কাউকে দেখতে দিবি না। আমার জীবনের সব ভুলত্রুটির জমা খরচ ওখানে আছে।"

​বাবা মারা যাওয়ার পরদিন রাতে সেই ডায়রিটা খুলে বসলাম। ভেবেছিলাম হয়তো দেনাপাওনার হিসেব পাবো। কিন্তু পাতা উল্টাতেই আমার বুকটা ধপ করে উঠলো।

​১৯৯৮ সালের একটা চিঠির প্রতিলিপি রয়েছে সেখানে। সেনাবাহিনীর তরফ থেকে আসা সরকারি চিঠি। ফুফুর স্বামী সিয়াচেনের বরফে ধসে মারা গেছেন এবং তার শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়েছে। চিঠিটা বাবার কাছেই এসেছিল। কিন্তু বাবা সেই চিঠিটা কোনোদিন ফুফুকে জানাননি।

​নিচে বাবার হাতে লেখা একটা ছোট্ট নোট-

"সুরঞ্জনাকে যদি সত্যটা বলে দিই, ও বেঁচে থাকার শেষ আশাটুকু হারিয়ে ফেলবে। শোক মানুষকে মেরে ফেলে, কিন্তু অপেক্ষা মানুষকে বাঁচিয়ে রাখে। আমি ওকে মিথ্যা একটা আলো দিলাম, যাতে ও অন্ধকারকে জয় করতে পারে।"

​আমি স্তব্ধ হয়ে বসে রইলাম। আমার বাবার মতো এত নির্মমভাবে কঠোর, নীতিবাদী মানুষটা নিজের বোনের জন্য চব্বিশ বছর ধরে একটা মহাজাগতিক মিথ্যা লালন করে গেছেন!

​পরের দিন বিকেলে আমি ফুফুর ঘরের দরজায় গিয়ে দাঁড়ালাম। বিকেল চারটে বাজে। রোদ এসে দেওয়ালের সেই কোণটায় পড়েছে। ফুফু মার্কার হাতে তুলে নিয়েছেন দাগ কাটার জন্য।

​আমার খুব ইচ্ছে হলো ফুফুকে জড়িয়ে ধরে সত্যটা বলে দিই। বলি, "ফুফু, আর দাগ কেটো না। আর অপেক্ষা কোরো না। যাকে তুমি খুঁজছো, সে চব্বিশ বছর আগেই বরফের নিচে ঘুমিয়ে গেছে।"

​কিন্তু যখন ফুফুর মুখের দিকে তাকালাম, আমার গলা শুকিয়ে এলো। আমি উপলব্ধি করলাম, কিছু সত্য মানুষকে মুক্তি দেয় না, শুধু নিঃশ্বাস বন্ধ করে দেয়। আর কিছু মিথ্যা মানুষকে আস্ত একটা জীবন বাঁচিয়ে রাখার শক্তি দেয়।

​আমি ফুফুর কাছে গেলাম। ফুফুর হাত থেকে মার্কারটা আলতো করে কেড়ে নিলাম।

​ফুফু অবাক হয়ে বললো, "কী করছিস সোহেল?"

​আমি ফুফুর দিকে তাকিয়ে একটা হালকা হাসি দিয়ে বললাম, "ফুফু, প্রতিদিন শুধু দাগ কাটলে তো হিসেব মিলবে না। আজ থেকে আমি আর তুমি মিলে এই দেওয়ালে একটা বড় দেওয়ালচিত্র আঁকবো। যেই চিত্রে একটা বিশাল বরফের পাহাড় থাকবে, আর সেই পাহাড়ের উপর একটা আলো এসে পড়বে। রোদ যেখানটায় শেষ হবে, আমরা পাহারটাকে ততদূর পর্যন্ত টেনে নিয়ে যাবো।"

​ফুফু আমার দিকে কিছুক্ষণ একদৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলেন। তারপর তার বয়সের ভারে ঝুলে যাওয়া চোখ দুটো দিয়ে দু ফোঁটা জল গড়িয়ে পড়লো। ফুফু ফিসফিস করে বললেন, "তুই বুঝতে পেরেছিস, না রে সোহেল?"

​আমি চমকে উঠলাম, "কী বুঝতে পেরেছি ফুফু?"

​ফুফু দেওয়ালের দিকে তাকিয়ে শান্ত গলায় বললেন, "তোর বাবা ভেবেছিল আমি কিছু জানি না। কিন্তু ভাইয়ের হাতের লেখা তো আমি চিনি! ঐ চিঠিটা চব্বিশ বছর আগেই আমি তোর বাবার বাক্সে দেখে ফেলেছিলাম।"

​আমার পায়ের তলা থেকে মাটি সরে গেল। থমকে গিয়ে বললাম, "তাহলে... তাহলে এই যে প্রতিদিন দাগ কাটাকাটি? কেন এই মিথ্যে অপেক্ষা ফুফু?"

​ফুফু আমার হাতটা জড়িয়ে ধরে মৃদু হেসে বললেন, "তোর বাবা আমাকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য সত্যিটা লুকিয়েছিল। আর আমি তোর বাবাকে তার এই অপরাধবোধ থেকে মুক্তি দেওয়ার জন্য না জানার ভান করেছিলাম।"

​বাইরে তখন বিকালের রোদ আস্তে আস্তে ফিকে হয়ে আসছে। দেওয়ালের গায়ে আলোর শেষ চিহ্নটুকু মুছে যাচ্ছে।

​আমি আর কথা বাড়ালাম না। বাবা সারাজীবন নিয়ম শৃঙ্খলার কথা বলে গেছেন, কিন্তু মানুষের মনের ভেতরের এই অনিয়ন্ত্রিত ছায়াঘড়ি, কোনো নিয়ম শৃঙ্খলা মানে না। তা শুধু নিঃশব্দ ভালোবাসায় চলতে থাকে, মৃত্যুর শেষ সেকেন্ড পর্যন্ত!

- 🖋️সোহেল রানা

08/08/2026

My Altime Fav!
The Original Version of 'Toh Phir Aao' ♥️

06/08/2026

মানুষকে সাহায্য করার সময় ক্যামেরা অন রাখা কি ভুল? নাকি সেই ভিডিও দেখে আরও দশজন মানুষ সাহায্য করতে উদ্বুদ্ধ হলে সেটাও মানবসেবা❓

সোশ্যাল মিডিয়াতে প্রায়ই হুসেইন মানসুরির মানবসেবার ভিডিও দেখে আমি আপ্লূত হই। তিনি একজন ইন্ডিয়ান মুসলিম স্বেচ্ছাসেবক। তার অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মত এমন মহৎ কাজকে আমি মন থেকে অ্যাপ্রিশিয়েট করি। তবুও মাথায় উপরের প্রশ্নটা ঘুরছে।

এই প্রশ্নের উত্তর হয়তো সবার কাছে এক হবে না। কেউ বলবেন, দান-সদকা বা সাহায্য গোপনে হওয়াই উচিত। আবার কেউ বলবেন, ভালো কাজ প্রকাশ পেলে অন্যরাও অনুপ্রাণিত হয়। মানসুরির ভিডিওগুলোতে দেখা যায় তিনি কখনো অসুস্থ মানুষের চিকিৎসার ব্যবস্থা করছেন, কখনো পথে পড়ে থাকা মানুষকে খাবার খাওয়াচ্ছেন, পথশিশুদের পরম যত্নে খাইয়ে দিচ্ছেন, জামা-কাপড় জুতো কিনে দিচ্ছেন, আবার কখনো কোনো অসহায় পরিবারকে ব্যবসা শুরু করার জন্য টাকা দিচ্ছেন। এই সমস্ত ভিডিওগুলোতে একটা কমন বিষয় চোখে পড়ে- তিনি শুধু টাকা দিয়ে চলে যান না, মানুষের পাশে বসে কথা বলেন, তাদের সময় দেন, তাদের গল্পটা শোনেন, অনেক সময় তাদের সাথে বসে একসাথে খাবার খান অর্থাৎ তাদের সম্মান দেওয়ার চেষ্টা করেন।

কৌতুহল থেকেই তাকে নিয়ে টুকটাক স্টাডি করলাম। হুসেইন মানসুরির নিজের শৈশবও খুব একটা সহজ ছিল না। বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, ছোটবেলায় দারিদ্র্যের কারণে না খেয়ে থাকার অভিজ্ঞতা হয়েছে, অন্যের ফেলে দেওয়া কাপড়ও পড়তে হয়েছে। হয়তো সেই কষ্টই তাঁকে অন্যের কষ্ট অনুভব করতে শিখিয়েছে।

তবে তাঁর কাজ নিয়ে সমালোচনাও কম নয়। অনেকের প্রশ্ন—মানুষের দুঃসময়কে ক্যামেরাবন্দি করা কতটা নৈতিক?
প্রশ্নটা একেবারেই অযৌক্তিক নয়। আবার অন্য দিকটাও আছে। যদি একটি ভিডিও দেখে একজন মানুষও অনুপ্রাণিত হয়ে কারও পাশে দাঁড়ায়, যদি সেই ভিডিওর মাধ্যমে আরও মানুষের জন্য অর্থ সংগ্রহ হয়, তাহলে সেটাকে কি আমি বা আপনি পুরোপুরি খারাপ বলতে পারবো? আমার মনে হয় ক্যামেরা মুখ্য বিষয় নয়, ইনটেনশন বা উদ্দেশ্যটাই আসল। লোকদেখানো কাজ করাটা হয়তো ব্যক্তিভেদে ভিন্ন হয়। কারো ইনটেনশনের উপর তো আর আমাদের কারো এখতিয়ার নেই।

যদি উদ্দেশ্য হয় মানুষের কষ্টকে ব্যবহার করে নিজের পরিচিতি বাড়ানো, তাহলে সেটা অবশ্যই প্রশ্নের মুখে পড়বে। কিন্তু যদি উদ্দেশ্য হয় মানুষকে সাহায্য করা, অন্যদেরও সেই কাজে যুক্ত করা এবং প্রকৃত উপকার নিশ্চিত করা, তাহলে বিষয়টা ইতিবাচকভাবে দেখা যেতে পারে।

আজকাল সোশ্যাল মিডিয়ায় আমরা প্রতিদিন অসংখ্য ভিডিও দেখি। কেউ নিতান্তই ভিউ পাওয়ার জন্য যা তা কনটেন্ট বানাচ্ছে এবং ওসব ভাইরালও হচ্ছে। তাহলে যদি কোনো ভিডিও একজন অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটায়, আর তা দেখে আরও কয়েকজন সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন তবে ভিউসর্বস্ব যাচ্ছেতাই কনটেন্ট থেকে বহুগুণে ভালো।

হুসেইন মানসুরিকে নিখুঁত মানুষ বলা যাবে না। তাঁর কাজ নিয়ে মতভেদ থাকতেই পারে। কিন্তু একটি বিষয় অস্বীকার করা কঠিন—তিনি অন্তত এমন একটি আলোচনা শুরু করতে পেরেছেন, যেখানে তার কত টাকা আছে তার চেয়ে বেশি কথা হচ্ছে তিনি কতজনের পাশে দাঁড়াতে পারছেন তা নিয়ে।
আপনার কী মনে হয়?
মানবসেবা কি ক্যামেরার বাইরে থাকাই উচিত, নাকি ক্যামেরা যদি আরও মানুষকে ভালো কাজে অনুপ্রাণিত করে, তাহলে সেটাও গ্রহণযোগ্য?

কথাগুলো সত্যি ✅
04/08/2026

কথাগুলো সত্যি ✅

কিছু মানুষ আছে যারা 'ভালো থাকার চেয়ে ভালো আছি' এটা দেখাতেই বেশি ব্যস্ত। কারও কাছে সেটা নিজের সফলতা দেখানোর আনন্দ, কারও কাছে নিজেকে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ করার চেষ্টা। কিন্তু যা সত্যিই মূল্যবান, তার শব্দ আদতে কম।

যে সত্যিকার অর্থেই ভালো আছে, সে তা প্রতি মুহূর্তে প্রমাণ করে বেড়ানোর প্রয়োজন অনুভব করে না। আর যে নিজের মূল্য জানে সে কেন অন্যের মনোযোগ আকর্ষণের জন্য অনর্থক চেষ্টা করে যাবে? শো-অফে কিছু সময়ের জন্য মানুষের মনোযোগ পাওয়া যায় ঠিকই, কিন্তু সম্মান পাওয়া যায় বিনয়, ব্যবহার এবং চরিত্র দিয়ে তবে তার মধ্যে কতখানি কৌশল আর কতখানি সততা সেটাও একটা বিষয়।

যে জিনিসটা স্বাভাবিকভাবে উপভোগ করার কথা সেটাকে যখন বারবার অন্যকে দেখানোর প্রয়োজন পড়ে, তখন সেটা অর্জনের চেয়ে প্রদর্শনীই বেশি মনে হয়। স্ট্যাটাস, ব্র্যান্ড বা টাকা এসবে কোনো সমস্যা নেই। সমস্যাটা শুরু হয় তখনই যখন এসব অন্যকে ইমপ্রেস করার হাতিয়ার হয়ে যায়। আসল ক্লাস কখনো নিজেকে ঘোষণা দিয়ে বেড়ায় না।

শো-অফ করা যদি অভ্যাসে পরিণত হয় তবে দিন শেষে মানুষ আপনার দামি হওয়ার প্রবণতাকেই আপনার ব্যক্তিত্ব হিসেবে মনে রাখবে। লাইনটা আবার পড়ুন। কথাটা ভারী লাগলে আপনি সঠিক পথেই আছেন। শুভ সকাল!

ক্লিয়ার হওয়া জরুরী
03/08/2026

ক্লিয়ার হওয়া জরুরী

ইউএইতে বাংলাদেশিদের ভিসা নিয়ে আসলে কী হচ্ছে?
গত কয়েকদিন ধরে নিউজফিড খুললেই একটাই খবর- হাজার হাজার বাংলাদেশির ভিসা ক্যানসেলড্‼️

এতে অনেকেই ভয় পেয়ে যাচ্ছেন। বিশেষ করে যাদের নতুন ভিসা হয়েছে বা ফ্যামিলি নিয়ে ইউএইতে আসার পরিকল্পনা করছেন। আমি যেহেতু এখন ইউএইতে আছি তাই বিষটা নিয়ে ঘাটাঘাটি করলাম। আপনাদের একটু সহজ করে বলি-

প্রথম কথা, "হাজার হাজার" ভিসা ক্যানসেল হয়েছে এমন কোনো সরকারি তথ্য এখন পর্যন্ত প্রকাশ হয়নি। বাংলাদেশ সরকারের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ৬২৬ জন বাংলাদেশির ভিসায় অটো ক্যানসেলেশনের ঘটনা শনাক্ত করা হয়েছে। তাই সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন সংখ্যা যাচাই না করে বিশ্বাস করা ঠিক হবে না।

একটা জিনিস খেয়াল করলাম, দুবাই থেকে ইস্যু হওয়া ভিসা তেমন একটা রিজেক্ট করা হচ্ছে না তাই এই প্রশ্ন অনেকেই করছেন দুবাইয়ের ভিসা সেইফ কি না?
আসলে এটা নিয়েও এখন পর্যন্ত কোনো সরকারি ঘোষণা নেই। অর্থাৎ, "দুবাইয়ের ভিসা ক্যানসেল হচ্ছে না, শুধু অন্য আমিরাতের ভিসা হচ্ছে" এমন কথা নিশ্চিতভাবে বলা যাবে না। তবে দেখা যাচ্ছে, ICP-এর আওতাভুক্ত কিছু আমিরাতের ভিসায় তুলনামূলক বেশি ক্যানসেলেশনের রিপোর্ট এসেছে। কিন্তু এটি এখনো কোনো অফিসিয়াল নীতি হিসেবে নিশ্চিত করা হয়নি। আপনার ভিসা নিয়ে যদি দুশ্চিন্তা থাকে, তাহলে সবচেয়ে বেটার অপশন হলো নিজেই ভিসার স্ট্যাটাস চেক করা।
Sharjah, Abu Dhabi, Ajman, Ras Al Khaimah, Fujairah, Umm Al Quwain-এর ভিসা হলে ICP App বা ICP Smart Services থেকে স্ট্যাটাস দেখতে পারবেন।
আর Dubai থেকে ইস্যু হওয়া ভিসা হলে GDRFA Dubai-এর মাধ্যমে স্ট্যাটাস চেক করতে পারবেন।

ভিসা রিজেক্ট করার সম্ভাব্য কারণ-
⚠️ সাম্প্রতিক সময়ে ছুটিতে থাকা কোনো কোনো প্রবাসীর ভিসা কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ ছাড়াই বা প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে বাতিলের ঘটনা ঘটছে বলে আবুধাবিতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস জানিয়েছে।
⚠️ এছাড়া ভিসা আবেদনে ভুল তথ্য বা জাল কাগজপত্রের প্রমাণ পাওয়া গেলে কর্তৃপক্ষ ভিসা বাতিল বা আবেদন রিজেক্ট করে।
⚠️ কোম্পানি বন্ধ হয়ে গেলে বা তাদের ট্রেড লাইসেন্স বা কোটা বাতিল হলে অথবা কোম্পানির ফাইন থাকলে কর্মচারীর ভিসা জটিলতা হতে পারে।

সুতরাং সামাজিক মাধ্যমে যা দেখছেন, সবকিছু সত্য নাও হতে পারে। তাই আতঙ্কিত না হয়ে অফিসিয়াল তথ্য অনুসরণ করুন, আর যেকোনো খবর বিশ্বাস করার আগে অন্তত একবার যাচাই করে নিন। সচেতন থাকুন, গুজব নয় সঠিক তথ্য নিশ্চিত করুন।

Exactly
02/08/2026

Exactly

আমি কিছু পাকিস্তানি ভ্লগারদের কনটেন্ট প্রায়ই দেখি। সকালে ঘুম থেকে উঠে আগে সাজগোজ, তারপর রান্না। খুব সুন্দর পরিবেশন, আন্তরিকতার সাথে অতিথি আপ্যায়ন সবই একদম গল্পের মত গোছানো। আবার হাজবেন্ড বাসায় ফেরার আগে কম্পালসরি টাচ-আপ, যেন বউয়ের ক্লান্ত-শ্রান্ত চেহারা দেখে হাজবেন্ড বোরড্ ফিল না করে। দেখতে খুব সুন্দর লাগে, নান্দনিকও লাগে। ওকে, আই অ্যাপ্রিশিয়েট দ্য থট!

একদিন দেখলাম এক পাকিস্তানি আপু তার ভ্লগে বলছিলো, সে নাকি প্রতিদিন রান্না শুরুর আগে ফ্রেশ হয়ে মেকআপ নিয়ে ভারী এমব্রয়ডারির ড্রেস পড়ে। তারপর রান্না করতে শুরু করে। এটা তার প্রতিদিনের রুটিন! শুধু সে-ই না, আরও কয়েকজনকে দেখলাম অলমোস্ট সেইম। কিন্তু আমার প্রশ্ন হলো, এটা কি সত্যিই প্রতিদিনের বাস্তব জীবনে সম্ভব? নান্দনিকতার বিষয় যথার্থ কিন্তু তাই বলে এমন ভারী ড্রেস পড়ে রান্না?

প্রতিটা স্ত্রীই ক্লান্ত হয়, অগোছালো থাকে, চুল এলোমেলো করে ঘুরে বেড়ায়, রান্নাঘরও সব সময় ঝকঝকে থাকে না। আমরা যা দেখি, সেটা অনেক সময় কয়েক মিনিটের জন্য সাজিয়ে তোলা একটি মুহূর্ত হতে পারে কিন্তু নিত্যদিনের গল্প হওয়া আমার কাছে অন্তত স্বাভাবিক না।

একজন স্ত্রীকে সব সময় নিখুঁত দেখাতেই হবে এমন কোনো নিয়ম নেই। ভালোবাসা যদি শুধু সাজগোজের ওপর নির্ভর করে, তাহলে সেটা ভালোবাসার চেয়ে প্রত্যাশার বোঝা বেশি। বাস্তব সংসারে কখনো সাজ থাকবে, কখনো থাকবে এলোমেলো চুল, ক্লান্ত চোখ, তাড়াহুড়ো করে তৈরি করা খুব সহজ পদের রান্না আর আমার মতে সেটাই আসল দৈনন্দিন জীবন।

আসলে সোশ্যাল মিডিয়ার নানারকম সুন্দর মুহূর্তগুলো উপভোগ করলেও কিন্তু সেগুলোকে নিজের প্রতিদিনের জীবনের মাপকাঠি বানানো হয়তো রূপকথার গল্পের মত- অলীক ভাবনা!

শকুনের নজর পড়েছে সংজ্ঞা আপুর পেইজের উপর!Satwik's Family - গেদার মা আইডিটা হ্যাক হয়ে গেছে! দীর্ঘ ৮ বছর পর তিনি বাংলাদেশে ...
01/08/2026

শকুনের নজর পড়েছে সংজ্ঞা আপুর পেইজের উপর!
Satwik's Family - গেদার মা আইডিটা হ্যাক হয়ে গেছে! দীর্ঘ ৮ বছর পর তিনি বাংলাদেশে এসেছেন। খুশি মনে নিজের ফ্যামিলির সবাইকে সাথে নিয়ে কনটেন্ট মেইক করছিলেন। এই সুখ আর মানুষের সহ্য হলো না। এতো হিংসা নিয়ে কিভাবে মানুষ থাকে তা উপরওয়ালাই জানেন! সংজ্ঞা আপু আমার খুব প্রিয় একজন কনটেন্ট ক্রিয়েটর। আশা করি আপু খুব শীগ্রই তার পেইজ ফিরে পাবেন।

26/07/2026

Ameen 🥹🤲

Address

Al Naba
Sharjah

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when BD Girl in Sharjah posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share