15/07/2026
কিছু পরিবারে এমন চাচি আছে, চাচি নামের কলঙ্ক এই জালিমের কঠিন শাস্তির দাবি করছি, তাকে এমন শান্তি দেওয়া হোক, যাতে ভবিষ্যতে এমন জঘন্য কাজ কেউ করার সাহস না করে। যা দেখে আর কেউ যেন এরকম দুই মাসের শিশুর পা মুছে দেওয়ার আগে এই মহিলার কথা যেন মনে পড়ে। পা মোচড় দেয়াও পা ভেংেগ ফেলার সমান অন্যায়।
ঘটনাটা নরসিংদীর। বাচ্চাটার মা বেশ কিছুদিন ধরেই খেয়াল করছিলেন, উনি বাচ্চাকে রেখে একটু বাইরে গেলেই ফিরে এসে দেখেন বাচ্চাটা একদম চিল্লাইয়া কান্নাকাটি করতেছে। শরীরের বিভিন্ন জায়গায় লাল লাল দাগও দেখতেন।
মায়ের মন তো, খটকা লেগেছিলে। কিন্তু প্রমাণ ছাড়া তো আর ঘরের মানুষকে সন্দেহ করা যায় না, উল্টো সবাই তাকেই পাগল বলবে। তাই উনি বুদ্ধি করে ঘরের এক কোণায় মোবাইলের ক্যামেরা অন করে রেখে ওয়াশরুমে যান।
আর তাতেই বেরিয়ে আসে সেই শিউরে ওঠার মতো সত্যি!
ভিডিওতে দেখা যায়, মা ঘর থেকে বের হতেই সেখানে ঢোকে বাচ্চাটার আপন বড় চাচি।
কোনো দ্বিধাদ্বন্দ্ব ছাড়া, একদম ঠান্ডা মাথায় বিছানায় শোয়া ওই ছোট্ট বাচ্চার পা-টা উল্টো দিকে মুচড়ে জোরে চাপ দেয়। বাচ্চার হা/ ড় ভে/ ঙে যাওয়ার সাথে সাথে সে য/ন্ত্রণা/য় চিৎকার করে ওঠে, আর ওই মহিলাও কাজ সেরে দৌড়ে পালায়।
ভাইরে ভাই, একটা মানুষ এতটা নিচে কীভাবে নামতে পারে? একটা মেয়ে মানুষ হয়ে আর একজন মা বা চাচি হয়ে কীভাবে একটা ২ মাসের নবজাতকের সাথে এই অমানুষিক কাজটা করতে পারলো?
ভিডিওটা না দেখলে আসলেই বিশ্বাস করা কঠিন হতো।
এই ঘটনা আমাদের চোখ আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিলো যে শত্রু শুধু বাইরের রাস্তায় থাকে না, অনেক সময় ঘরের ভেতরেই আত্মীয়তার মুখোশ পরে ঘুরে বেড়ায়।
এই মা যদি সেদিন ক্যামেরাটা অন না রাখতেন, তবে হয়তো কোনোদিন জানাই যেত না বাচ্চাটার এই অবস্থা কেন হচ্ছিলো। সবাই ভাবতো বাচ্চার কোনো রোগ হয়েছে বা খাট থেকে পড়ে ব্যথা পেয়েছে।
এই নরপিশাচ মহিলার এমন শাস্তি হওয়া উচিত যাতে আর কোনো বাচ্চার ওপর এভাবে হাত তোলার সাহস কেউ কোনোদিন না পায়।
নিজের বাচ্চাদের চোখে চোখে রাখুন। আজকাল কাকে বিশ্বাস করবেন আর কাকে করবেন না সেটাই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।