25/03/2026
পারিবারিকভাবে এক মাস ১৯ দিন আগে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে নববধূর সাজে স্বামীর ঘরে পা রেখেছিলেন মোছা. ঝুমা আক্তার (১৯)। হাতের মেহেদির রঙ শুকানোর আগেই স্বামীর বাড়ি থেকে তার লা'শ উ'দ্ধার করেছে থানা পু'লিশ।
মৃ'তের পরিবারের অভিযোগ, ঝুমাকে পর'কীয়ার বলি হতে হয়েছে। তার স্বামীর সঙ্গে এক মেয়ের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। পা'ষণ্ড স্বামীর মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনে ঝুমার মৃ'ত্যু হয়েছে।
ওই ঘটনায় রোববার (২২ মার্চ) নি'হত ঝুমার পিতা মো. শাহাআলম বাদী হয়ে চট্টগ্রামের হাটহাজারী মডেল থানায় একটি মামলা করেছেন। এর আগে গত ১৯ মার্চ দুপুরে উপজেলার আমান বাজার এলাকার পশ্চিমে চসিক ১নং দক্ষিণ পাহাড়তলী ওয়ার্ডের করিম বেকারী বাড়ির আমিন ভিলার দ্বিতীয় তলার শয়ন কক্ষের বেড থেকে ঝুমার ম'রদে'হ উদ্ধা'র করে থানা পু'লিশ।
এ ঘটনায় ঝুমার স্বামী ওই এলাকার আজগর আলীর পুত্র মো. নেওয়াজ শরীফ প্রকাশ বাবু (৩১) থানা পুলিশের হাতে গ্রে'ফতার হয়েছে। এছাড়া নববধূর লা'শ উ'দ্ধার করে পুলিশ ময়'নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালের ম'র্গে পাঠিয়েছিল।
ঝুমা আক্তার উপজেলার চিকনদণ্ডী ইউনিয়নের কারকনের পাড়া এলাকার চাঁন মিয়া টেন্ডল বাড়ির মো. শাহআলমের কনিষ্ঠ কন্যা।
এদিকে ওয়াশরুমের ভেন্টিলেশনের গ্রিলের সঙ্গে ওড়না দিয়ে গ/লায় ফাঁ/স লাগিয়ে আ/ত্মহ/ত্যা করেছে বলে ঝুমার স্বামীর পরিবারের সদস্যরা পুলিশ ও গণমাধ্যমকে জানিয়েছে।
তবে ঝুমার পরিবারের দাবি, ঝুমাকে পর"কীয়ার ব/লি হতে হয়েছে। তার স্বামী মো. নেওয়াজ শরীফের সঙ্গে এক মেয়ের পর/কীয়ার সম্পর্ক রয়েছে।
ঝুমার বড় ভাই তৌহিদুল আলম বলেন, আমি প্রবাসে থাকি। প্রবাস থেকে এসে অনেকটা জাঁকজমকপূর্ণভাবে আমার শান্তশিষ্ট ছোট বোন ঝুমা আক্তারের বিয়ে দিয়েছিলাম। বিয়ের এক মাস ১৯ দিন যেতে না যেতেই ছোট বোনকে লা/শ হতে হলো। আমার বোন আ/ত্মহ/ত্যা করেনি। তাকে তার স্বামী মানসিক ও শারীরিক নির্যা/তন করে পরিকল্পিতভাবে হ/ত্যা করেছে। যদিও তার স্বামীর পরিবারের লোকজন বলছে, ঝুমা আ/ত্মহ/ত্যা করেছে; অথচ পু"লিশ তার শয়ন কক্ষের বেড থেকে উ/দ্ধার করেছে। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রশাসনের কাছে দোষীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন মৃ/তের বড় ভাই।
অন্যদিকে মৃ/ত নববধূর ঝুমার বড় বোন শামীমা আক্তার রুমি জানান, আমার ছোট বোনের সঙ্গে বিয়ের পর থেকে তার স্বামী নেওয়াজ শরীফ স্বাভাবিক কোনো আচরণ করেনি। এসব বিষয় আমার ছোট বোন আমাকে প্রতিনিয়ত জানাত। আমি তাকে ধৈর্য ধারণ করতে বলতাম, তবে এসব বিষয় আমি আমার পরিবারের অন্য কারো সঙ্গে শেয়ার করিনি। এর মধ্যে গত ৬ ফেব্রুয়ারি রাত ৯টায় আমার ছোট বোন আমাকে তার স্বামীর একটা ভয়েস রেকর্ড পাঠায়। ওই কল রেকর্ডটিতে তার (ঝুমা) স্বামী একটা মেয়েকে বলতে শুনা গেছে, আমিতো বলছি, তোমাকে বিয়ে করব; সমস্যা নাই। এরপরও যদি এরকম কর তাহলেতো আর কিছু করার নাই। মানুষ মানুষকে এভাবে অবিশ্বাস করা যায় না। তুমি অনলাইনে আছো; আমি কল দিচ্ছি, অথচ তুমি বলতেছো এমবি নাই।
হাটহাজারী মডেল থানার ওসি মো. জাহিদুর রহমান বলেন, নববধূ ঝুমার পিতা বাদী হয়ে তার স্বামীকে আ/সামি করে একটি মাম/লা করেছেন। নববধূর স্বামীকে গ্রেফ/তার করা হয়েছে। এ ব্যাপারে পুলিশি তদ/ন্ত অব্যাহত রয়েছে।
ঘটনা চলমান,,,,,সবাই শেয়ার করুন