16/04/2026
অবশেষে সৌদির জ্ঞান চক্ষু খুলেছে বলা যায়। তারা সরাসরি ইরানের পাশে থাকার বার্তা দিয়ে প্রেস ব্রিফিং করেছে। এই মুহূর্ত টি বেশ ঐতিহাসিকও বটে। তবে জানতে ইচ্ছে করে _ বাঙলার জনপ্রিয় কয়েকজন সহি হাদীসের বক্তা বুক ফুলিয়ে বলেছিলেন - ইরান কে সমর্থন কারী ব্যক্তি বা দেশ মুসলিম হতে পারে না?
এর পর তাদের অবস্থান কি হবে??
আমাদের সুন্নি বীর আব্বাসী হুজুর ই বা এর পর কি বলবেন? সে বিতর্ক থাক আজ, অন্য প্রসঙ্গে এগোয়।
মনে রাখতে হবে গতকাল মার্কিনীদের ক্ষমতার দাম্ভিকতা ও আগ্রাসী নীতির কবর রচিত হয়ে গেছে ,,,, চর্চিত হরমুজের বাকে।
-কিভাবে?
মার্কিন শক্তি বলয়ের দুর্গ ভেদ করে , তেল ভর্তি একাধিক চিনা জাহাজ ডঙ্কা বাজাতে বাজাতে বেইজিং অভিমুখে রওনা দিয়েছে,,,
কিন্ত আমেরিকা তাদের একটি পশম ও ছুতে পারেনি? এখানেই স্পষ্ট হয়ে গেছে,, মার্কিনী ক্ষমতার সূর্য অস্তমিত,,,,।।।।।
দুই,,, সৌদি কাতার কুয়েত ওমান সহ তেল গ্যাস বিক্রি করে রাজ্য চালানো দেশের জুবরাজরা বুঝে গেছেন? মার্কিন বাহিনী তেল ভর্তি জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দিলে,, তাদের আর্থিক ক্ষমতা শেষ হয়ে যাবে। শেষ হয়ে যাবে আভিজাত্য।
সুতরাং তারা আর মার্কিন সুরক্ষা চাই না,, চাই তেল বিক্রি করে কাড়ি কারি অর্থ ও সম্পদ। সেখানে ইরানকে যদি বন্ধু হিসাবে মেনে নেওয়া হয়,, তাতে ক্ষতি কি,, আমাদের নিরপত্তাও থাকবে, আরামে হরমুজ দিয়ে জাহাজ ও ছুটবে?
তিন,,, ইরানের ৮০% তেল ও গ্যাস বেইজিং মুখে রতিদিন প্রবাহিত হয় বিনা বাঁধায়। সেই সস্তা তেল ও গ্যাস পেয়ে চিন ভীষণ ভাবে উপকৃত ও সমৃদ্ধ হচ্ছে দিন কে দিন।।।।
ইরানের এই তেল ভর্তি জাহাজ চিনের পথে যেতে যদি, মার্কিন যুদ্ধ জাহাজের বাঁধায় পড়ে? তবে ইরান আমেরিকা যুদ্ধ আর হরমুজের বাকে আটকে থাকবে বলে মনে হয় না?
পরিস্থিতি সেই দিকেই যাচ্ছে,,, আজ মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট বলেছেন, চীন যেন ইরান থেকে তেল নিতে না পারে, সে জন্য পদক্ষেপ নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।
ওয়াশিংটনে সাংবাদিকদের তিনি জানান, হরমুজ প্রণালিতে ইরানের তেল বহনকারী চীনা ট্যাংকারগুলোকে যুক্তরাষ্ট্র বাধা দেবে।
মা*নে পরিষ্কার?
এক নম্বর হওয়ার দৌড়ে চিন অনেকটাই এগিয়ে গেছে। তারা আরব দেশ গুলোকে বোঝাতে চাইছে,,, আমেরিকার এই অবরোধে আপনারা সব থেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন অর্থনৈতিক ভাবে। কাজেই আপনারা আমেরিকার সঙ্গ ত্যাগ করে ব্রিকস জোটের সারিতে দাঁড়িয়ে যান। ভয় নেই আপনাদের নিরাপত্তা আমরা দেব।
মনে রাখবেন ইরানের পাশে আপনারা থাকলে?
,,, সেই অর্থে আর দুশমন থাকলো কে??
সেই বোধোদয় থেকেই আজ সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয় প্রকাশ্যে ঘোষণা দিয়েছে,, আর আমেরিকা নয়,, আমরা ইরানের পাশে আছি,,,,
তার্কি বলেছে,, ইরানে ফের হামলা হলেই,,, আমরা ইরানের পাশে দাঁড়িয়ে যাবো।
কারণ?
টার্কির এক আধিকারিকের ভাষায় -ইরানের পর সম্ভত আমরা তাদের দুশমনের লিস্টে পড়ে যাবো। কেনোনা ইস*রা*য়েল শত্রু ছাড়া বাঁচতে পারে না।
আর মোনাফেক আসিফ মুনির ও শাহবাজ? দুটানায় পড়ে গেছে।।।
কি করবে তা বুঝে উঠতে পারছে না।
আমার বিশ্বাস,, আর কয়েক দিনের মধ্যেই আরবের বেশ কিছু দেশ ইরানের কাতারে দাঁড়িয়ে যাবে।
তবে ভয় হয়,,,, চিন মুখী ইরানি জাহাজে যদি আমেরিকান নেভি হামলা করে দেয়??
তবে,, এশিয়ার কালো নরম মাটি পর্যন্ত পুড়ে ছাই হয়ে যেতে পারে,, ,,,
সেই সঙ্গে পুড়ে যেতে পারে আমেরিকার অনেক শহর।
এখন দেখার আগামী দুই তিন দিনের মধ্যে আমেরিকা কি স্টেপ নেয়।
তবে আমার বিশ্বাস,,,শান্তি চুক্তি আর হবে না,, ই*স্রায়ে*ল
তা কখনোই হতে দেবে না।।
তাদের অখন্ড ইস*রায়ে*ল গঠনের লোভ ই,, হয়তো, একদিন সম্পুর্ন ধ্বংস ডেকে আনবে,,,,
_"১৪০০ শো বছর পূর্বে এমনি বার্তা দিয়ে গেছেন আমাদের প্রিয় রসূল সা:!
সেই পথেই এগোচ্ছে যুদ্ধের পথ,,,,
সেই সঙ্গে আমরা।
কলমে মা হা হৃদয়।
এশিয়া প্রেমী।
ইন্ডিয়া।