01/03/2026
ইসরায়েলের ইরানে হামলার পর পরিস্থিতি কীভাবে এগোবে? ইরানের সামনে মূলত দুটি বিকল্প:
১) যুদ্ধকে আরও তীব্র করা।
২) ট্রাম্পের প্রস্তাবিত পারমাণবিক চুক্তির শর্তগুলো মেনে নেওয়া।যুদ্ধ চালিয়ে গেলে কী হতে পারে?
হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বাড়বে, যা বিশ্বব্যাপী তেল সরবরাহ এবং অর্থনীতিতে বড় ধাক্কা দেবে। বাংলাদেশের মতো দেশও তীব্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে, জ্বালানির দাম বেড়ে জীবনযাত্রার খরচ চড়বে। মধ্যপ্রাচ্যে ব্যাপক ধ্বংসলীলা দেখা দিতে পারে, যা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে ট্রাম্পের উপর চাপ সৃষ্টি করে আলোচনার পথ খুলতে বাধ্য করবে। ইরানের লক্ষ্য হলো এভাবে লড়াই করে টিকে থাকা।কেন যুদ্ধের পথ বেছে নিতে চায় ইরান?
ট্রাম্পের চুক্তি মেনে নিলে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত হয়ে যাবে, যা ইসরায়েলের মতো শক্তির বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষা ক্ষমতা কেড়ে নেবে। এতে ইরান 'কাগজের বাঘ' হয়ে পড়বে এবং রেজিম পরিবর্তনের ঝুঁকি বাড়বে। উপরন্তু, ইরানের প্রক্সি গ্রুপগুলো—যেমন ইয়েমেনের হুথি, হিজবুল্লাহ, হামাস বা সিরিয়ার শিয়া গোষ্ঠী—সমর্থন হারিয়ে ফেলবে। এসব মেনে নেওয়া মানে নিজের শাসনের ভিত্তি দুর্বল করা। তাই ইরান যুদ্ধ করে শেষ চেষ্টা করতে চায়—হারলেও লড়াইয়ের মর্যাদা রেখে।সম্পূর্ণ সংকট ফেটে পড়লে মধ্যপ্রাচ্যের সবাই যুদ্ধবিরতির জন্য চাইবে, যা ইরানের কৌশলের অংশ। তাদের আর বিকল্প নেই।আমরা হৃদয়ের গভীর থেকে প্রার্থনা করি, আল্লাহ ইরানকে গায়েবি সাহায্য দান করুন।
#আন্তর্জাতিক