Tui Tails

Tui Tails Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Tui Tails, Digital creator, Bagerhat Town.
(1)

জন্মতিথিতে শুভেচ্ছা গল্পের জাদুকর। ❤️
13/11/2025

জন্মতিথিতে শুভেচ্ছা গল্পের জাদুকর। ❤️

11/11/2025

���

11/11/2025

"যদি তুমি ফিরে না আসতে পারো তাহলে তোমার ডেডবডি কি দেশে ফেরত পাঠাবার ব্যবস্থা করব? নাহ্‌! কাউকে কিছু বলতে হবে? নাহ্‌! কোনো কিছুই বলার নেই তোমার?"

"জামশেদ মৃদুস্বরে বলল, যদি সম্ভব হয় অ্যানির পাশে একটু জায়গা..."

"এই গল্পের প্রতিটি পরতে জড়িয়ে আছে মানবিক সম্পর্কের টানাপোড়েন, অপরাধের গভীরতা এবং একাকীত্বের যন্ত্রণা।"

"তুপার নিখোঁজ হওয়ার পর পুলিশ তদন্ত শুরু করে এবং বেরিয়ে আসে এমন কিছু ভয়ঙ্কর সত্য, যা মানুষের জীবনের সবচেয়ে অন্ধকার দিকগুলোকে..."

02/11/2025

তোমার চোখেই রহস্য

পর্ব 5

আমেনা রান্নার জন্য জিনিস নামাচ্ছে । তার হয়েছে মহা জালা । অর্ধেক তৈরি বাড়ি বাড়ির রুমা গুলো তেমন বড় না । তবে ,দোতলা বাড়ি । বাড়ির সামনে দিয়ে রাস্তা চলে গেছে । ছোটো খাটো একটা উঠান , তা ও বালি দিয়ে ভর্তি । এই জায়গা প্রথমে মাছ চাষের ঘের ছিলো । বাড়ি বানানোর জন্যই বালি দিয়ে ভর্তি করা হয়েছে প্রতিবার রান্নার আগে সব জিনিস নিয়ে নিচে আসে । আবার রান্না শেষ হলে খাবার নিয়ে দোতলায় যায় ‌, খাওয়ার জন্য।
আমেনা অবশ্য এটা নয় ‌ । তাকে সাহায্য করছে রিমি । রিমি পড়াশোনা করতে চায় না , তবে কাজ কাম সব করতে পারে । আর কাজ করতে তার ভালোই লাগে । তার হাতের রান্না ও চমৎকার । পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের মতো দেখতে , মাথা ভর্তি কোঁকড়া চুল । কেবল মাত্র বয়সন্ধিকালে পা দিয়েছে । সৌন্দর্য তার উপচে পারে ।
মরিচের কৌটা নিয়ে আয় । আমি আর উঠতে পারবো না,সিঁড়ি দিয়ে । বুক ধরফর‌ করছে ।
আম্মু ,দুইটা কৌটা রাখলেই তো পারো ।একটা উপরে গ্যাসের চুলার কাছে রাখবা , আরেকটা নিচে মাটির চুলার কাছে । কথা গুলো বলতে বলতেই রিমি উপরে চলে গেলো , সিঁড়ি দিয়ে ।
কিছুক্ষণ পর এসে বললো , এই যে মরিচ । আর কিছু আনতে হবে ? একবারে বলে দেও , আমার ও এতো বার উঠা নামা করতে ভালো লাগে না ।
তোর ভালো লাগে না কেন ? এই তো বয়স । এখন লাফিয়ে লাফিয়ে কাজ করবি । আমাদের সময়ে ,, আমরা মায়ের সব কাজ করে দিতাম । পানি আনা থেকে শুরু করে কাপড় পর্যন্ত ধুয়ে দিতাম।
তোমাদের সময় আর আমাদের সময় আলাদা । আমি কী তোমার কাজ করি না ?
হ্যা করিস ,,, তবে ,,,,,,,
সে আর কথা শেষ করতে পারলো না । এর মাঝেই ইলমা ডাক দিলো ,, খালাম্মা ।
তুমি নিচে আসলে কেনো ? শুয়ে থাকো । এতো হাঁটাহাঁটি করো না ।
আর শুয়ে থাকতে ইচ্ছে করে না ।
আচ্ছা,,এখানে বসো ।
খালাম্মা কালকে স্কুলে যাবো ।
কালকেই হসপিটাল থেকে বাড়ি আসলো । দুই দিন পরে স্কুলে যেও । এখন কয় দিন একটু শুয়ে বসে থাকো ।
না খালাম্মা স্কুলে যেও ।
আচ্ছা যেও । এই বলা ছাড়া আমেনার আর কোনো উপায় ও নেই। আর না বললেও ইলমা শুনবে না । স্কুল তার খুব পছন্দের জায়গা । সে কখনোই স্কুল বন্ধ দিতে চায় না । ক্লাস 2 এর বাচ্চা । ওর বয়সী বাচ্চাদের স্কুলে দিয়ে আসা লাগে , সাথে বসে থাকে গার্ডিয়ান । আলমারি ক্ষেত্রে এমন কিছুর দরকার নেই। সে একাই স্কুলে যায় । অবশ্যই স্কুল খুব‌ই কাছে । খালাম্মা দের বাড়ির ছাদ থেকে ডাক দিলে স্কুলে শোনা যাবে ।‌
ইলমা নিজের বাড়িতে গিয়েও থাকতে চায় না । বৃহস্পতিবার ক্লাস করে যায় । আর রবিবার ভোরে আবার চলে আসে । তার আব্বু নিয়ে যায় , আবার দিয়ে যায় । 1 ঘন্টা মতো সময় লাগে হয়তো যেতে আসতে‌ ,তার নিজের বাড়িতে ‌ ‌ । ভালোই দুরত্ব,, ।

ইলমা , রাতুল ভাইয়াকে ডেকে নিয়ে উঠাও তো । 12 টায় বেশি বাজে , এখনো উঠলো না। ওর আব্বু আসার সময় হয়ে গেছে । এসে দেখলে , আবার রাগ করবে ।
মিষ্টি স্বরে ইলমা বললো , আচ্ছা খালাম্মা । তারপর সে বাধ্য মেয়ের মতো উপরে চলে গেলো ।
সিঁড়িতে এখনো রেলিং দেওয়া হয় নাই । আমাকে উঠতে দেখে আয়েশার খানিক ভয় হলো । মনে মনে চিন্তা করলো , এই মাসেই ওর আব্বুকে বলে , রেলিং করে দিতে হবে ।
আম্মু , আমি সুমিদের বাড়িতে যাই । রিমি হঠাৎ বলে উঠলো ।
এই দুপুর বেলা ওদের বাড়িতে কী কাজ ?
না ,, এমনিই ,,,
গোসল করে , পড়তে বসো । কয় দিন পরে পরীক্ষা। সারাদিন এভাবে ঘুরে বেড়ানো যাবে না ।
আমি তো শুধু সুমির কাছেই যাই , আর কোথাও তো যাই না ।
বিকেলে যাবে ।এখন না ।
রিমি আর কিছু বলতে পারলো না ।
এর মধ্যেই ইলমাকে‌ কোলে নিয়ে খালি গায়ে , উস্কো খুস্কো চুল , হাফ প্যান্ট পড়া এক সুদর্শন পুরুষ নিচে নেমে আসলো । পাকিস্তানি নায়কদের মতো মোচ রাখছে সে । তাকে দেখতে অবশ্য খুব‌ই আকর্ষণীয় লাগছে । যেকোনো তরুণী তাকে এ অবস্থায় দেখলে , প্রেমে পরে যাবে । তার মুখ দেখেই বোঝা যাচ্ছে , ঘুম থেকে উঠানোয় তার মেজাজ কতোটা খারাপ। আর দুই ঘণ্টা ঘুমোতে পারলেন হয়তো , মেজাজ ভালো থাকতো ।

এখন উঠার সময় হলো ?
এখনো সময় হয় নাই , আরেকটু পরে উঠতে পারলে ভালো লাগতো ।
আমি না ডাকলে তো আপনি , সন্ধ্যায় ঘুম থেকে উঠতেন ,একটু আল্হাদি সুরে ইলমা বললো ।
রাতুল নাকে নাক চেপে তাকে আদর করে ,হাসতে হাসতে বললো ,তাই নাকি , পাকাবুড়ি ।
যা হাত মুখ ধুয়ে আয় , খাবার দিচ্ছি আমি । খেয়ে দোকানে যা । তোর আব্বু বাড়ি আসবে , । সকালে দোকানে গেছে , এখন তুই গেলে খুশি হবে সে । আমেনা বললো ।
তাকে খুশি করার এতো সহজ না । এটা বলেই সে , ব্যায়াম করার ভঙ্গিতে হাত পা ছুড়তে লাগলো ।
আমেনা আর কিছু বললো না ।

#তোমারচোখেইরহস্য

🌸🌸🌸
01/11/2025

🌸🌸🌸

24/10/2025

পর্ব_4

সন্ধ্যায় তাড়াতাড়ি বাড়ি ফিরতে হবে । এতো রাত অবধি তো বাহিরে থাকা যাবে না ‌। আবিরের চাচি বললো । যদি ও আবির তাকে চাচি বলে ডাকে না । কোনো এক অজানা কারন বশত ছোটো বেলা থেকেই আবির তার চাচি কে কুক্কু বলে ডাকে ।
আজকে ফুটবল ম্যাচ ছিলো , তাই দেরি হয়ে গেছে‌। আবির বললো ।
কুক্কু আর কিছু বললো না ।
আবির ঘরে চলে গেলো । চাচা বাড়িতে থাকলে এই এক ঝামেলা , সব নিয়ম মাফিক করতে হয় । সন্ধ্যায় তাড়াতাড়ি বাড়ি ফেরো । আবার, সন্ধ্যার সাথে সাথে পড়তে বসো । এখন কিছু তো করার ও নেই। আম্মু যত দিন ঢাকায় থাকে , তত দিন তার এখানে থাকতে হয় । মাসের অর্ধেক সময় আবির চাচি বাড়িতেই থাকে ।
এখানে থাকার সুবিধা ও আছে ‌ । এই বাড়িতে WiFi আছে । এখানে থাকলে সে চাইলেই মোবাইলে ফ্রি ফায়ার খেলতে পারে ।
কী পড়িস ? পিছন থেকে একটু জোড়েই কথাটা মেধা বললো ।
হঠাৎ করে কথা বলাতে ভয় পেয়েছে আবির , কিন্তু তা আর প্রকাশ করলো না , সহজ ভাবে উত্তর দিলো , ফিজিক্স।
ওহ আচ্ছা। কোনো সমস্যা হলে আমাকে বলিস , আমি বুঝিয়ে দেবো ।
এহহ,,,পড়ে মাত্র আমার থেকে দুই ক্লাস উপরে । সে আমাকে আবার পড়িয়ে দিবে । আবির কিছুটা ব্যাঙ্গ করে কথাটা বললো ।
হ্যা, এটাই । দুই ক্লাস উপরে পড়ি । বিষয়টা মাথায় রাখবি । তোর নাইন ক্লাস আমি পড়া করে এসেছি । আর আমার মার্ক ও ছিলো বারোসো প্লাশ । মেধা ও কিছুটা অহংকার নিয়ে কথা গুলো বললো । কিন্তু আসলে , সে মোটেও অহংকারী না । ঠান্ডা মাথার মানুষ। কোনো সমস্যা সে খুব সাবধানেই সমাধান করতে পারে । গায়ের রঙ যদিও ফর্সা নয় । তবে সুন্দর সোজা সোজা চুল কোমড় অবধি । সুন্দর দুটো মায়া জড়ানো চোখ , মিষ্টি হাসি । যেকোনো মানুষ প্রথম দেখাতে তার মায়ায় পড়তে বাধ্য ।
আজকে স্কুলে গেছি লি ? ক্লাস হয় সব গুলো?জীমরা আসে স্কুলে ? মেধা এক সাথে প্রশ্ন গুলো করলো ।
আবির যদি ও সব গুলোর উত্তর দিলো না । সে জানে সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন কোনটা । আবির শুধু সেই প্রশ্নের উত্তর‌ই দিলো । হ্যা , জীম স্কুলে আসে ।

মেধার মুখ হঠাৎ করে পানসে হয়ে গেলো । বললো ,কতো দিন ওদের দেখি না । আগে তো প্রতিদিন স্কুলে দেখা হতো । কতো মজা করছি এক সাথে। প্রতিদিন বাড়ি ফিরতাম স্কুল ছুটির পরে । সাইকেল চালাতাম এক সাথে। এগুলো এখন আর করতে পারি না। কতো স্মৃতি আমাদের এক সাথে। ধুর , এই জুনিয়র মেয়েদের সাথে ফ্রেন্ডশিপ করতে হয় না । আমি তো কলেজে উঠে গেছি ।ওরা এখনো স্কুলে ।
এই এক কথা , আর কতো বার শুনবো । আবির কিছুটা নিচুস্বরেই বললো ।
কী বললি ?
কিছু না ।
মেধার যদিও কোনো দোষ নেই, । বাচ্চাদের সাথে সে ভালো মিশতে পারে । নিজের থেকে এক দুই ক্লাস নিজের ছেলে মেয়েদের সাথে তার বেশি জমে । কারন হয়তো , মেধার বয়স ও ওদের সমান তাই । পড়াশোনায় ভালো ছিলো , তাই প্রাইমারি স্কুলের হেডমাস্টার তাকে তাড়াতাড়ি উপরের ক্লাসে উঠে গেছে । এখন সে বড় ক্লাসে পড়ে ঠিকিই , কিন্তু মনের দিক থেকে ছোটো দের মতোই ।

#তোমারচোখেইরহস্য

মিথ্যা দুই রকমের আছে । হঠাৎ মুখে এসে যাওয়া মিথ্যা,আর ভেবে চিন্তে বলা মিথ্যা ।হঠাৎ মিথ্যা আপনা আপনি মুখে এসে যায় । কোনো...
23/10/2025

মিথ্যা দুই রকমের আছে । হঠাৎ মুখে এসে যাওয়া মিথ্যা,আর ভেবে চিন্তে বলা মিথ্যা ।হঠাৎ মিথ্যা আপনা আপনি মুখে এসে যায় । কোনো পরিশ্রম করতে হয় না । ভেবে চিন্তে বলাটাই কঠিন । এই মিথ্যা সহজে গলায় আসে না । বার বার মুখে আটকে যায় ।

ব‌ই : বৃষ্টি বিলাশ
লেখক : হুমায়ূন আহমেদ

কী করবে শামা ?ব‌ই : বৃষ্টি বিলাশ লেখক : হুমায়ূন আহমেদ
20/10/2025

কী করবে শামা ?

ব‌ই : বৃষ্টি বিলাশ
লেখক : হুমায়ূন আহমেদ

20/10/2025

তোমার চোখেই রহস্য

পর্ব_3

ডাক্তারের কাছে যাওয়ার ডেট বৃহস্পতিবার, তুমি কী যাবে আমার সাথে?ইরানি সহজ ভাবে প্রশ্ন করলো ।
দুই বার তো গেলাম , এবার কী তুমি একা পারবে না?
তুমি যদি না যাও তাহলে তো পারতেই হবে ।

আজাদ কিছুটা বিরক্তি নিয়ে বললো , এতো ঘুরিয়ে কথা বলল কারন কী ? আমরা কোনো নাটকের মঞ্চে দাঁড়িয়ে ডায়লগ বলছি না। যা বলার সরাসরি বলতে হবে ।

ইরানির চোখ ভিজে উঠলো ।মনে মনে ভাবলো ,যে মানুষের হাত ধরে একদিন সব কিছু ছেড়ে এসে ছিলো , আজ তার এ কেমন ব্যবহার। কোন পাপের শাস্তি তুমি দিচ্ছো , আল্লাহ। এ আর্জি হয়তো আল্লাহ শুনলো , হয়তো বা শুনলো না , কে জানে ।
কী সুন্দর তার চেহারা । দুধ সাদা তার গায়ের রঙ । মেয়ে হিসেবে উচ্চতা ও যথেষ্ট। এমন মানুষকে আল্লাহ , ক্যান্সারের মতো একটা রোগ দিলেন । এক সময় তার মাথায় ছিলো কোমড় অবধি কোঁকড়া চুল । সেই চুল দেখেই তো প্রথম প্রেমে পড়েছিল তার এক শ্যামবর্নের সুদর্শন পুরুষ। কলেজে তাদের প্রথম দেখা হয় । সাধারন নিয়ম অনুযায়ী, পুরুষ মানুষটা আগেই মনের ভাব প্রকাশ করে । সেই ভাবে সারা দেয় , ইরানি ।তখন তো আর মোবাইল ফোন ছিলো না । কতো চিঠি আদান প্রদান হয়েছে তাদের মাঝে । কলেজ ছুটির পরে দেখা করতে যাওয়া। লোকটা মাঝে মাঝে ফুল ও নিয়ে যেতো । কতো সুন্দর হেসে কথা বলতো । দিন গুলো কতোই না সুন্দর ছিলো ।

আর আজকে তার সম্পূর্ণ বিপরীত এক পরিস্থিতিতে এসে দাঁড়িয়েছে তারা । আজাদ তো এখন আর তার সাথে ঠিক ভাবে কথাই বলে না । দুই একটা কথা বলতে গেলে আরো বিরক্ত হয় । তাই ইরানি নিজেও এখন কথা বলে কমিয়ে দিয়েছে । তিন বেলা রান্না করে রাখে , আজাদ এসে খায় । সে চুপ করে বসেই থাকে , আজাদের দিকে তাকিয়ে।
ও আম্মু ,,,,,,
বেশ জোড়েই বাড়ির সামনে থেকে একটা ডাক শোনা গেলো ।
আরো দু চারটা ডাক দিতে দিতে , বাড়ির ভেতরে 15 ,16 বছরের এক ছেলে আসলো । প্রায় 5 ফিট 9 ইঞ্চি লম্বা । তার বয়সী অন্য কেউ এই উচ্চতায় পৌছাতে পারেনি । কিন্তু,সে পৌঁছে গেছে ।এখানে অবশ্য রক্তের ও একটা ব্যাপার আছে । শুধু বাপের দিকে থেকে না , তার মায়ের দিকের সবাই ও যথেষ্ট লম্বা । সেই হিসেবে তার লম্বা হ‌ওয়াটা অস্বাভাবিক কিছু না । কিন্তু, শুধু লম্বা হলেই হয় না , সুদর্শন হ‌ওয়ার জন্য গায়ে একটু মাংশ থাকা প্রয়োজন ছিলো । যা তার গায়ে নেই বললেই চলে ।

কী হ‌ইছে ? আমি তো আর বাড়ি থেকে অন্য কোথাও যাই না । তাহলে , রাস্তা থেকে আমাকে ডাকতে থাকার কারন কী , ? ইরানি বললো ।
আবির হেসে কিছু বলতে যাবে , তখনি দেখলো তার আব্বু খাওয়ার খাচ্ছে , তাই হয়তো আর কিছু বললো না ।
স্কুল ছুটি ?
না , টিফিনে আইছি ।
তাহলে , গোসল করে আসো , আমি ভাত দিচ্ছি ।
অন্য সময় হলে হয়তো সে মুখের উপরেই বলে দিতো ,গোসল করতে পারবো না,খুব ক্ষুদা লেগেছে , খেতে দেও । আব্বু থাকার কারনে সে আর কিছু বলতে পারলো না । সে গোসল করতে চলে গেলো ।

আমি রাতে টিকিট কেটে আসবানি । বুধবার বিকেলে র‌ওনা দিবো । ব্যাগ গুছিয়ে রাখলে হয় , আজাদ বললো ।
কথাটা শুনে ইরানি হয়তো খুশি হলো । কিন্তু,তা মুখ দেখে বোঝা গেলো না। এটা অবশ্য নতুন কিছু না । সে বরাবরই এমন মানুষ। মুখে এক বলে , মনে থাকে আরেক । এই কারনেই তার বড় জা এর সাথে সম্পর্ক সুবিধার না ।
এক হাতে অবশ্য তালি বাজে না । আর জা দের মধ্যে এমন সম্পর্ক স্বাভাবিক। জা দের কখনোই তেমন ভালো সম্পর্ক থাকে না ।
তবে ,এদের মধ্যকার ঝামেলা , বহু দিনের পুরাতন । সামনে থেকে দেখলে বোঝা যায় না , তাদের ভেতর কোনো সমস্যা আছে , তবে মনে মনে কেউ কাউকে পছন্দ করে না ।

#তোমারচোখেইরহস্য

আবার ও নিয়ে নিলাম! 😌
20/10/2025

আবার ও নিয়ে নিলাম! 😌

পীর-এ-কামিল Not just a novel, it’s a journey of soul.
18/10/2025

পীর-এ-কামিল Not just a novel, it’s a journey of soul.

🌸🌸
18/10/2025

🌸🌸

Address

Bagerhat Town

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tui Tails posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share