Muhammad Tahmid

Muhammad Tahmid লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ সাঃ

হে আমাদের রব, আপনি আমাদেরকে এমন স্ত্রী ও সন্তানাদি দান করুন, যারা আমাদের চক্ষু শীতল করবে। আর আপনি আমাদেরকে মুত্তাকীদের নেতা বানিয়ে দিন।

— সূরা আল-ফুরকান, আয়াত : ৭৪

https://youtu.be/xZs1ZlYA_OM?si=2YTzr0pQD1w3XyEy
18/07/2025

https://youtu.be/xZs1ZlYA_OM?si=2YTzr0pQD1w3XyEy

📌 ভিডিও সম্পর্কে:আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ।আপনি দেখছেন Tahmid Story — হৃদয়স্পর্শী ইসলামিক কনটেন্টের একটি বিশ...

29/03/2025
19/02/2025

এক. سُبْحَانَ اللَّهِ : সুবহানাল্লাহ: আর আল্লাহ তাআলা অতি পবিত্র।
দুই. اَلْحَمْدَ لِلَّهِ : আলহামদুলিল্লাহ: সব প্রশংসা আল্লাহ তাআলার জন্য।
তিন. لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ : লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু: আর আল্লাহ তাআলা ছাড়া সত্য কোনো মাবুদ নেই।
চার. وَاللَّهُ أَكْبَرُ : ওয়াল্লাহু আকবার: এবং তিনি অতি মহান।

07/02/2025

মে'রাজের সংক্ষিপ্ত ঘটনাঃ ইমাম ইবনে কাসীর তার তাফসীর গ্রন্থে আলোচ্য আয়াতের তাফসীর এবং সংশ্লিষ্ট হাদীসসমূহ বিস্তারিত বর্ণনা করার পর বলেনঃ সত্য কথা এই যে, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইসরা সফর জাগ্রত অবস্থায় করেন; স্বপ্নে নয়। মক্কা মোকাররমা থেকে বাইতুল মোকাদ্দাস পর্যন্ত এ সফর বোরাকযোগে করেন। তারপরের সংক্ষিপ্ত ঘটনা হলো, বায়তুল-মোকাদ্দাসের দ্বারে উপনীত হয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বোরাকটি অদূরে বেঁধে দেন এবং বায়তুল মোকাদ্দাসের মসজিদে প্রবেশ করেন এবং কেবলার দিকে মুখ করে দুরাকাআত সালাত আদায় করেন। অতঃপর সিঁড়ি আনা হয়, যাতে নীচ থেকে উপরে যাওয়ার জন্য ধাপ বানানো ছিল। তিনি সিঁড়ির সাহায্যে প্রথমে প্রথম আসমানে, তারপর অবশিষ্ট আসমানসমূহে গমন করেন।

এ সিঁড়িটি কি এবং কিরূপ ছিল, তার প্রকৃতস্বরূপ আল্লাহ্ তাআলাই জানেন। প্রত্যেক আসমানে সেখানকার ফেরেশতারা তাকে অভ্যর্থনা জানায় এবং প্রত্যেক আসমানে সে সমস্ত নবী-রাসূলদের সাথে সাক্ষাত হয়, যাদের অবস্থান কোন নির্দিষ্ট আসমানে রয়েছে। যেমন, ষষ্ঠ আসমানে মূসা আলাইহিস সালাম এবং সপ্তম আসমানে ইবরাহীম আলাইহিস সালামের সাথে সাক্ষাৎ হয়। তারপর তিনি পয়গম্বরগণের স্থানসমূহও অতিক্রম করে এবং এক ময়দানে পৌছেন, যেখানে তাকদীর লেখার শব্দ শোনা যাচ্ছিল। তিনি ‘সিদরাতুল-মুনতাহা’ দেখেন, যেখানে আল্লাহ্ তাআলার নির্দেশে স্বর্ণের প্রজাপতি এবং বিভিন্ন রঙ এর প্ৰজাপতি ইতস্ততঃ ছোটাছুটি করছিল। ফেরেশতারা স্থানটিকে ঘিরে রেখেছিল। এখানে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জিবরীলকে তাঁর স্বরূপে দেখেন। তাঁর ছয়শত পাখা ছিল। তিনি বায়তুল-মামুরও দেখেন।

বায়তুল-মামুরের নিকটেই কা'বার প্রতিষ্ঠাতা ইবরাহীম আলাইহিস সালাম প্রাচীরের সাথে হেলান দিয়ে উপবিষ্ট ছিলেন। এই বায়তুল মামুরে দৈনিক সত্তর হাজার ফেরেশতা প্রবেশ করে। কেয়ামত পর্যন্ত তাদের পুর্নবার প্রবেশ করার পালা আসবে না। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্বচক্ষে জান্নাত ও জাহান্নাম পরিদর্শন করেন। সে সময় তার উম্মতের জন্য প্রথমে পঞ্চাশ ওয়াক্তের সালাত ফরয হওয়ার নির্দেশ হয়। তারপর তা হ্রাস করে পাঁচ ওয়াক্ত করে দেয়া হয়। এ দ্বারা ইবাদতের মধ্যে সালাতের বিশেষ গুরুত্ব ও শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণিত হয়। এরপর তিনি বায়তুল-মোকাদ্দাসে ফিরে আসেন এবং বিভিন্ন আসমানে যেসব পয়গম্বরের সাথে সাক্ষাত হয়েছিল তারাও তাকে বিদায় সম্বর্ধনা জানাবার জন্য বায়তুল-মোকাদ্দাস পর্যন্ত আগমন করেন। তখন নামাযের সময় হয়ে যায় এবং তিনি পয়গম্বরগণের সাথে সালাত আদায় করেন।

সেটা সেদিনকার ফজরের সালাতও হতে পারে। ইবনে-কাসীর বলেনঃ নামাযে পয়গম্বরগণের ইমাম হওয়ার এ ঘটনাটি কারও মতে আসমানে যাওয়ার পূর্বে সংঘটিত হয়। কিন্তু বাহ্যতঃ এ ঘটনাটি প্রত্যাবর্তনের পর ঘটে। কেননা, আসমানে নবী-রাসূলগণের সাথে সাক্ষাতের ঘটনায় একথাও বর্ণিত রয়েছে যে, জিবরীল সব পয়গম্বরগণের সাথে তাঁকে পরিচয় করিয়ে দেন। ইমামতির ঘটনা প্ৰথমে হয়ে থাকলে এখানে পরিচয় করিয়ে দেয়ার কোন প্রয়োজন ছিল না। এছাড়া সফরের আসল উদ্দেশ্য ছিল উর্ধ্ব জগতে গমন করা। কাজেই একাজটি প্রথমে সেরে নেয়াই অধিকতর যুক্তিসঙ্গত মনে হয়। আসল কাজ সমাপ্ত হওয়ার পর সব পয়গম্বর বিদায় দানের জন্যে তার সাথে বায়তুল-মোকাদ্দাস পর্যন্ত আসেন এবং জিবরীলের ইঙ্গিতে তাকে সবাই ইমাম বানিয়ে কার্যতঃ তার নেতৃত্ব ও শ্রেষ্ঠত্বের প্রমাণ দেয়া হয়। এরপর তিনি বায়তুল মোকাদ্দেস থেকে বিদায় নেন এবং বোরাক সওয়ার হয়ে অন্ধকার থাকতেই মক্কা মোকার্‌রমা পৌঁছে যান।

৬. জাবের ইবনে আব্দুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছেন, মিরাজের ব্যাপারে কুরাইশরা যখন আমাকে মিথ্যা প্ৰতিপন্ন করতে চেষ্টা করল তখন আমি কাবার হিজর অংশে দাঁড়ালাম। আর আল্লাহ বাইতুল মাকদিসকে আমার সামনে উদ্ভাসিত করলেন। ফলে আমি তার দিকে তাকিয়ে তার চিহ্ন ও নিদর্শনগুলো তাদেরকে বলে দিতে থাকলাম। [বুখারীঃ ৩৮৮৬]

31/01/2025

আনাস ইবনু মালিক (রা.) হতে বর্ণিত আছে, তিঁনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন—

যে ব্যক্তি ফজরের সালাত জামাআতে আদায় করে, তারপর সূর্য উঠা পর্যন্ত বসে বসে আল্লাহ তা’আলার যিকর করে, তারপর দুই রাকাআত সালাত আদায় করে- তার জন্য একটি হজ্জ ও একটি উমরার সওয়াব রয়েছে।

আনাস (রা.) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন— পূর্ণ, পূর্ণ, পূর্ণ (হজ্জ ও উমরার সাওয়াব)।

— সুনান আত তিরমিজী, হাদিস : ৫৮৬; মিশকাতুল মাসাবীহ, হাদিস : ৯৭১।

29/01/2025

সুরা ফাতিহা কুরআন তিলাওয়াত! #কুরআন_তিলাওয়াত

28/01/2025

যেহেতু আল্লাহ্ জানেন যে যারা আল্লাহকে চায় তাদের মন আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ না হলে প্রশান্ত হবেনা, সেহেতু তিনি তাদের অন্তরকে প্রশান্ত করতে দেখা করার একটা সময় নির্ধারণ করেছেন।
তিনি বলেছেন,
مَنْ كَانَ يَرْجُو لِقَاءَ اللَّهِ فَإِنَّ أَجَلَ اللَّهِ لَآتٍ

"যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে সাক্ষাতের আকাংক্ষা করে (সে জেনে রাখুক যে) আল্লাহর (সাথে সাক্ষাৎ এর) নির্ধারিত সময় অবশ্যই আসবে।" [১] [২]

— ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম (রাহ.)
[১] সূরা আনকাবূত : ৫
[২] রাউদ্বাতুল মুহিব্বীন, পৃষ্ঠা : ৫৮৯, দারু ইবনি হাযম, বৈরুত, ২০১৯ ঈ., পৃষ্ঠা : ৯৩৭

27/01/2025

যে বেশি গুনাহ করে, তার অন্তর কঠিন হয়ে যায়। তাওবা, ইস্তেগফার আর আল্লাহর যিকিরই এই কঠিনতা দূর করতে পারে।

— ইবনে তাইমিয়্যাহ (রহ.)
[সুত্র : মাজমুউল ফাতাওয়া, ১০ম খণ্ড, পৃ. ৫৪৫]

27/01/2025

কুরআন পড়ার সময় মৌলিক পাঁচটা উদ্দেশ্য একজন পাঠকের সামনে থাকা দরকার—

১. ইলম অর্জন,
২. কুরআন অনুযায়ী আমল,
৩. রবের সাথে কথোপকথন,
৪. সাওয়াব লাভ,
৫. রোগ থেকে শিফা লাভ।

বই : কুরআন অনুধাবন (পদ্ধতি ও সতর্কতা) | পৃষ্ঠা : ৪০

Address

Bagerhat

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Muhammad Tahmid posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share