Open Search Media

Open Search Media Be Truth
Always Truth

পোষ্টের থেকে কমেন্টে যখন রিয়েকশন বেশি হয়....!!Tushar Emran কি আর বলবো যাইহোক 😁😁😁😁
31/03/2026

পোষ্টের থেকে কমেন্টে যখন রিয়েকশন বেশি হয়....!!
Tushar Emran কি আর বলবো যাইহোক 😁😁😁😁

25/03/2026

পাঞ্জাবী বিক্রি করতে গিয়ে
আমার জীবন দিতে পারবো না

16/03/2026

ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীকে রাষ্ট্রপতি বানাইছেন, এইটা তো হবেনা #পাটোয়ারী

15/03/2026

এখনো ভাবলে বুকের ভেতরটা ছ্যাঁত করে উঠছে, আতঙ্কে হাত-পা ঠান্ডা হয়ে আসছে! চোখের সামনে সাক্ষাৎ সর্বনাশের হাত থেকে গতকাল কীভাবে যে বেঁচে ফিরেছি, তা শুধু উপরওয়ালাই জানেন।

[ একজনের গল্প শেয়ার করলাম, পুরোটা পড়ুন ও সতর্ক থাকুন! মেয়েদের দিয়েই কাবু করছে, লুটে নিচ্ছে সবকিছু! - Mridha ]

ঢাকায় সারাদিন আমি বাসাতেই একা থাকি। চারদিকের যা অবস্থা, অপরিচিত কেউ নক করলে ভয়ে দরজা খোলার সাহসই পাই না। কিন্তু গতকাল কী মনে করে যেন আব্বু বাসায় ছিলেন। আর ঠিক ওই দিনই দুপুরবেলা দরজায় কড়া নাড়লো এক বিশাল বিপদ!

দরজা খুলতেই দেখি তিনজন ছিমছাম, অত্যন্ত ভদ্র চেহারার মেয়ে দাঁড়িয়ে আছে। দেখে বোঝার কোনো উপায়ই নেই যে এই নিরীহ চেহারার আড়ালে কী ভয়ংকর রূপ লুকিয়ে আছে! খুব মিষ্টি হেসে তারা বললো, "বাড়িওয়ালা আঙ্কেল পাঠালেন, পাঁচ তলার ফ্ল্যাটটা খালি হবে তো, উনারা বাসায় নেই। তাই আঙ্কেল বললেন আপনাদের ফ্ল্যাটের লেআউটটা একটু দেখে যেতে। ভেতরের ডিজাইন নাকি একই রকম।"

আমি একটু অবাক হয়ে বললাম, "কিন্তু আমাদের ফ্লোর তো টাইলস করা না, আর পাঁচ তলা তো পুরো টাইলস করা ফ্ল্যাট।" ওরা মুহূর্তের মধ্যে এমনভাবে কথা ঘুরিয়ে দিলো যে আমি কিছু ভাবার বা সন্দেহ করার সুযোগই পেলাম না। হাসিমুখে বললো, "আরে আপু সমস্যা নেই, শুধু রুমের সাইজটা আর জানালাগুলো দেখলেই হবে..."

এরপর শুরু হলো তাদের আসল সাইকোলজিক্যাল খেলা। তিনজন মিলে আমাকে এমন কথার জালে, এমন ধাঁধায় আটকে ফেলল যে আমি যেন একপ্রকার সম্মোহিত হয়ে গেলাম। একজন এটা জিজ্ঞেস করে, তো আরেকজন ওটা। আমাকে টুঁ শব্দ করার বা স্বাভাবিকভাবে চিন্তা করার কোনো সুযোগই তারা দিচ্ছিল না। একটানা কথার ঘোরের মধ্যেই তারা আমাকে ঠেলে ভেতরের রুমের দিকে নিয়ে যেতে চাইলো। আমি সরল মনে বললাম, "আচ্ছা আসুন, ভেতরে আসুন।"

কিন্তু ভেতরের রুমে পা রাখতেই ওদের চোখ ছানাবড়া! কারণ খাটের ওপর আব্বু বসে ছিলেন। আব্বুকে দেখে মুহূর্তের মধ্যে ওদের মুখের সেই মিষ্টি হাসি মিলিয়ে গিয়ে মুখটা ফ্যাকাশে হয়ে গেল। চরম থতমত খেয়ে, তোতলে গিয়ে কোনোমতে বললো, "অ্যাঁ... আচ্ছা ঠিক আছে, আমরা বাড়িওয়ালা আঙ্কেলের সাথেই কথা বলে নেবো।" বলেই একপ্রকার পড়িমরি করে দ্রুতপায়ে বাসা থেকে বেরিয়ে গেল তারা।

তখনো আমি ঘটনার ভয়াবহতা কিছুই বুঝিনি। বিকেলে বাড়িওয়ালা আঙ্কেলের সাথে দেখা হতে ক্যাজুয়ালি জিজ্ঞেস করলাম, "আঙ্কেল, মেয়েগুলোকে পাঠিয়েছিলেন যে ফ্ল্যাট দেখতে?"

আঙ্কেল যেন আকাশ থেকে পড়লেন! বললেন, "কই মা, আমি তো কাউকেই পাঠাইনি!"

কথাটা শোনার পর আমার পায়ের নিচ থেকে যেন মাটি সরে গেল। বুকটা ধড়ফড় করে উঠলো। কিন্তু আসল ধাক্কাটা খেলাম আজ সকালে।

শুনতে পেলাম, ঠিক আমাদের পাশের বাসাতেই গতকাল ওই একই তিন মেয়ে ঢুকেছিল। একই বাড়িওয়ালার রেফারেন্স, একই ফ্ল্যাট দেখার বাহানা, একই কথার জাল। আর সেই সুযোগে পাশের বাসার মানুষদের বোকা বানিয়ে তাদের সর্বস্ব—নগদ টাকা, সোনার গহনা, দামি মোবাইল সব লুট করে নিয়ে পালিয়েছে!

খবরটা শোনার পর থেকে আমি বাকরুদ্ধ হয়ে বসে আছি। গতকাল যদি আব্বু বাসায় না থাকতেন? প্রতিদিনের মতো যদি আমি একা থাকতাম? আমার আব্বুর তিল তিল করে জমানো ব্যবসার পুরো টাকা, আর মায়ের রেখে যাওয়া শেষ সম্বল গহনাটুকু... সব, সব নিয়ে যেত ওরা! বাধা দিতে গেলে হয়তো আমাকে বড় কোনো শারীরিক আঘাত করতেও তারা পিছপা হতো না। আমরা এক নিমিষেই পথে বসে যেতাম! আল্লাহ নিজ হাতে গতকাল আমাদের এই মহাবিপদ থেকে রক্ষা করেছেন।

ঢাকার পরিস্থিতি এখন ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। চোর-ডাকাতেরা এখন আর রাতের অন্ধকারে গ্রিল কেটে আসে না, দিনের আলোয় ভদ্রবেশে আমাদের ড্রয়িংরুমে ঢুকে পড়ছে। আপনাদের সবার কাছে আমার হাত জোড় করে অনুরোধ, বাসায় একা থাকলে চেনা মানুষ ছাড়া ভুলেও কাউকে দরজা খুলে দেবেন না। বাড়িওয়ালার নাম বললেও আগে বাড়িওয়ালাকে ফোন দিয়ে কনফার্ম হয়ে নিন।

দয়া করে এই পোস্টটি যতটা সম্ভব শেয়ার করে আপনার পরিচিতদের সতর্ক করুন। আপনার একটি শেয়ার হয়তো কোনো নিরীহ পরিবারকে পথে বসার হাত থেকে, কিংবা কোনো বড় বিপদের হাত থেকে বাঁচিয়ে দিতে পারে। সবাই খুব সাবধানে থাকবেন।

15/03/2026

কি আর বলবো, যাইহোক 😁😁😁

#সংসদ

12/03/2026

Hasnat Abdullah ভাই একটা জিনিস রেহ..
#হাসনাত #হাসনাতআব্দুল্লাহ

12/03/2026

স্বৈরাচারের দালালেরা, হুঁশিয়ার সাবধান!"
"ফ্যাসিবাদ আর গণতন্ত্র একসাথে চলবে না।"
#রাজনীতি #স্বৈরাচার #দালাল

বিশ্বাস করেন, এতদিন আমরা যে চরম অন্ধকারের মধ্যে ছিলাম, সেটা ভাবলে এখন নিজের ওপরই করুণা হয়। গত ৫৬ বছরে কতগুলো রমজান এলো, ...
12/03/2026

বিশ্বাস করেন, এতদিন আমরা যে চরম অন্ধকারের মধ্যে ছিলাম, সেটা ভাবলে এখন নিজের ওপরই করুণা হয়। গত ৫৬ বছরে কতগুলো রমজান এলো, কতগুলো ঈদ চলে গেল—কিন্তু আমরা কি কখনো ঘুণাক্ষরেও জানতাম যে, আমাদের এই ক্ষুধার্ত জনপদের সাধারণ মানুষের হকের জন্য হাজার কোটি টাকার খেজুর বরাদ্দ আসে? আমাদের কি জানানো হয়েছিল যে, প্রান্তিক মানুষের ইফতারের সেই সামান্য আনন্দটুকু নিয়েও পর্দার আড়ালে এক বীভৎস লুটপাটের মহোৎসব চলে?
​আজ হাসনাত, আল-আমিন, হান্নান মাসুদ কিংবা এনসিপির সেই তরুণ প্রতিনিধিরা যখন প্রথমবারের মতো বরাদ্দের সেই গোপন তালিকা জনসমক্ষে নিয়ে এলেন, তখন পুরো দেশের মানুষের চোখ যেন কপালে উঠেছে। এটি কেবল একটি তালিকা নয়, এটি মূলত কয়েক দশকের সিস্টেমিক দুর্নীতির একটি জীবন্ত দলিল। এখন পাড়া-মহল্লায় সাধারণ মানুষ তাদের তথাকথিত 'অভিজাত' জনপ্রতিনিধিদের কলার চেপে ধরে জিজ্ঞেস করার সাহস পাচ্ছে— "ভাই, আমাদের খেজুরগুলো গেল কোথায়?"
​রাজনীতির এই 'এলিটিজম' বনাম মানুষের অধিকার
​আসলে সমস্যাটা গোড়াতেই ছিল। আমাদের এই পুরনো ধারার চতুর রাজনীতিবিদরা খুব সুকৌশলে একটি তথ্যহীন সমাজ তৈরি করে রেখেছিলেন। তারা জানতেন, মানুষ যদি জানতেই না পারে কী আসছে, তবে তারা অধিকার দাবি করতে পারবে না। তারা এই 'তথ্য গোপন' করার পদ্ধতিটাকে একটি শিল্পে পরিণত করেছিলেন। একদিকে তারা বাইরে সফেদ পাঞ্জাবি পরে জনসেবার বুলি আওড়াতেন, আর অন্যদিকে খুব নিপুণভাবে গরীবের জন্য আসা সামান্য খেজুরটুকু পর্যন্ত নিজেদের পকেটে চালান করে দিয়েছেন।
​একবার ভাবুন তো, যাদের নৈতিকতা এতটাই নিচে নেমে গেছে যে তারা মানুষের ইফতারের ফলটুকু পর্যন্ত চুরি করে খায়, তাদের আমরা কোন সংজ্ঞায় সংজ্ঞায়িত করবো? এরা আসলে জননেতা নন, এরা জনগণের আমানতে খেয়ানতকারী এক একটি সিন্ডিকেট।
​২৬ বছরের তারুণ্য বনাম ৫৬ বছরের স্থবিরতা
​আজ এই ২৬-২৭ বছরের তরুণগুলো যদি সংসদে না যেত, তবে হয়তো আগামী আরও ৫৬ বছর আমরা এই তছরুপের খবর জানতেই পারতাম না। তারা প্রমাণ করে দিয়েছেন যে, রাজনীতি মানে গদি দখল বা পকেট ভারী করা নয়; রাজনীতি মানে হচ্ছে জনগণের কাছে প্রতিটি কড়ায়-গন্ডায় জবাবদিহি করা। তাদের এই স্বচ্ছতা দীর্ঘদিনের জং ধরা রাজনৈতিক ব্যবস্থায় একটি প্রচণ্ড ধাক্কা।
​এখন কেবল খেজুর নয়, চাই পূর্ণাঙ্গ হিসাব
​তবে এই লড়াই যেন কেবল খেজুরের হিসেবেই থেমে না যায়। আমরা চাই চাল, ডাল, টিসিবি-র পণ্য, ভিজিডি কার্ড থেকে শুরু করে জনকল্যাণে আসা প্রতিটি পয়সার হিসাব। এই ৬ জন বীর এমপি যেভাবে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন, বাকি ২৯৪ জনকেও সেই একই আয়নার সামনে দাঁড় করাতে হবে। তাদেরকেও বাধ্য করতে হবে তাদের এলাকার বরাদ্দের তালিকা সোশ্যাল মিডিয়ায় এবং নোটিশ বোর্ডে টাঙিয়ে দিতে।
​আমাদের পরিষ্কার বার্তা: যারা মানুষের হক মেরে খায়, তারা আর যাই হোক আমাদের 'নেতা' হতে পারে না। তাদেরকে এখন থেকে সরাসরি 'চোর' হিসেবেই চিহ্নিত করা হবে।
​প্যান্ডোরার বাক্স এবার পুরো খুলে যাক!
​হাসনাত ভাইসহ আপনাদের ৬ জন এমপির কাছে আমাদের সবিনয় অনুরোধ—আপনারা থামবেন না। এই শোষক শ্রেণির মুখোশগুলো একদম মাঝখান থেকে টেনে ছিঁড়ে ফেলুন। দেশের মানুষ জানুক, তাদের কতটা পরিকল্পিতভাবে অভাবী করে রাখা হয়েছে শুধুমাত্র গুটিকয়েক বাটনপারের উদরপূর্তির জন্য।
​আগামীকাল থেকে সংসদ শুরু হচ্ছে। আমরা চাই আপনারা এই চোরদের বিরুদ্ধে রাজপথের মতো সংসদেও গর্জে উঠবেন। জনগণের টাকা যারা হজম করেছে, তাদের মুখে চুনকালি মাখিয়ে দেওয়ার এটাই সময়। প্যান্ডোরার বাক্সটা এবার পুরো খুলে যাক, বের হয়ে আসুক ৫৬ বছরের সব জঞ্জাল।

ছবিতে কি দেখতে পাচ্ছেন? ৫০০ মি.লি পানির একটা বোতল? সঠিক দেখেছেন। কিন্তু এই হাফ লিটার পানির বোতল আপনার দৃষ্টিভঙ্গি পাল্টে...
11/03/2026

ছবিতে কি দেখতে পাচ্ছেন? ৫০০ মি.লি পানির একটা বোতল?
সঠিক দেখেছেন। কিন্তু এই হাফ লিটার পানির বোতল আপনার দৃষ্টিভঙ্গি পাল্টে দিতে পারে। কিছুক্ষণ সময় থাকলে পড়তে পারেন।

-----

৬মাস আগেও আপনি কখনো ভাবেননি ডিজেল/তেল এর জন্য লাইন দিতে হবে পাম্পে ঘন্টার পর ঘন্টা। কিন্তু এখন দিতে হচ্ছে। ক্রাইসিস নেই হয়তো, তাও কিন্তু সাফারিংস চলছে। ইরান-আমেরিকা যু%দ্ধ দীর্ঘ হলে এই সাফারিংস আরো বাড়বে।

ঘাটাঘাটি করলে জানবেন ইরানের জ্বালানি খাতে আঘাত করেছে তারা, একযোগে হামলা চালিয়েছে তেল এর ডিপোতে। সংকটে আছে দেশের পরিস্থিতি। একইসাথে জানবেন তারা আরো একটা জায়গায় হামলা করেছে - তা হচ্ছে,

"পানি শোধনাগার"

আমাদের আলাপটা পানি নিয়েই।

------

সুপেয় পানি আল্লাহর অনেক বড় নেয়ামত। মধ্যপ্রাচ্য যেখানে অনেক স্থানে পানি ডিস্যালিনেশন প্ল্যান্টের উপর নির্ভরশীল , সেখানে আপনি বিভিন্ন স্থানে সুপেয় পানি পাচ্ছেন।

ইনফ্যাক্ট আমি সাভারে থাকি, এখানে আমরা ডিপ টিউবওয়েল এর পানি সরাসরি খাই এবং এই পানি অনেকটা পরিশোধিত মিনারেল ওয়াটারের চেয়েও স্বাদু! আলহামদুলিল্লাহ!

এই যে একটা অসম্ভব বড় নেয়ামত , এটার কি অপব্যবহার করছি আমরা একবার ভেবে দেখেছেন?

-------

গার্মেন্টস শিল্পে- ১ কেজি ডেনিম কাপড় প্রসেসিং এ প্রায় ২০০-২৫০ লিটার পানি খরচ হয়। এটা একটা অনুপাত জাস্ট। কিছু অপরিহার্য ক্ষেত্র আছে যেগুলোতে পানির অপচয় আছেই - যেমন:

1. কৃষিখাত (প্রায় ৭০% পানি অপচয় এখানে)
2. বিদ্যুৎ উৎপাদন
3. খাদ্য বা পানীয় শিল্প
4. গৃহস্থালি ব্যবহার
5. শহরে পানি সরবরাহ অব্যবস্থাপনা

এগুলো বাদে, অযু করতে গিয়ে অনেককে দেখি এত স্পিডে কল ছাড়ে। ১০/১২ লিটার পানি ইজিলি সে খরচ করে অযু করতে। অথচ যখন বাসায় পানি না থাকে, ঠিকই এক মগ পানি দিয়ে অযু হয়ে যায়!

গোসলের সময় ঝর্ণা ছেড়ে গান তুলে দিই, বালতির পর বালতি ঢালতে থাকি অপ্রয়োজনে। অথচ যেদিন টাংকি পরিস্কার এর আগে পানি জমাতে বলে বাড়িওয়ালা , তখন ঠিকই অল্প পানিতে গোসল সেরে নিই।

আরেকটা হেয়ালি হচ্ছে, টাংকি ফিলআপ এর জন্য মোটর ছেড়ে এরপর ভুলে যাওয়া! পানি ভরে গিয়ে কত শত লিটার বাইরে পড়ে যাচ্ছে খবরও রাখেনা অনেকে।

তারমানে এটা স্পষ্ট যে আমরা
"আছে দেখে অপচয় করছি।"
"কম থাকলে মিতব্যয়ী হচ্ছি।"

তারমানে "না থাকলে হাহাকার করবো..." স্বাভাবিক।

আমাদের একটুখানি অপচয় কিন্তু ছোট করে হলেও প্রভাবিত করছে পরিবেশকে। ভূগর্ভস্থ পানির স্তর দ্রুত নিচে নামছে এটা একটু ঘাটাঘাটি করলেই জেনে যাবেন।

------

আমাদের নবী, এক সা’ (৪ মুদ*) থেকে পাঁচ মুদ (৩ লিটার আনুমানিক ) পর্যন্ত পানি দিয়ে গোসল করতেন এবং উযূ (ওজু/অজু/অযু) করতেন এক মুদ (৬০০ গ্রাম আনুমানিক) দিয়ে। - বুখারী শরীফের ২১০ নং হাদীস।

"পানি অপচয় করো না, যদিও তুমি প্রবহমান নদীর তীরে বসে অযু করো" (ইবনে মাজাহ) [৮]"

অনেকে ভাবতে পারেন মুসলমানদের জন্যই হয়তো অপচয় না করা উচিত। অন্য ধর্মাবলম্বীরা করবে! এরকম না বিষয়টা।

ভাগভত গীতা-তে বলা হয়েছে যে মানুষের জীবন হওয়া উচিত মিতব্যয়ী ও ভারসাম্যপূর্ণ। অতিরিক্ত ভোগ বা অপচয় আত্মিক উন্নতির পথে বাধা।

গৌতম বুদ্ধ - শিখিয়েছেন যে প্রকৃতির সম্পদ অযথা ব্যবহার করা উচিত নয়।

বাইবেল-এ পানিকে প্রায়ই ঈশ্বরের আশীর্বাদ ও জীবনের প্রতীক হিসেবে দেখানো হয়েছে।

--------

ফিরে আসি হাফ লিটার পানির বোতলে।

আপনি জুলাইয়ের আন্দোলনে রাস্তায় অবস্থান করেছিলেন? মনে আছে কিছু মায়েরা রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থেকে পানি, জুস দিচ্ছিল? মনে হচ্ছিল না এগুলো অমূল্য?

আমাদের বিল্ডিং থেকে অলমোস্ট ৫০ লিটার পানি সাপ্লাই দিয়েছিলাম রাস্তায় অবস্থান করা মানুষদের জন্য।

প্রখর রোদে জনমানবহীন পরিবেশে এই এক বোতল পানির জন্য কেমন উদ্বিগ্ন হতে পারেন আপনি? ভাবেন।

পানি ছাড়া আপনি ৩ দিন সর্বোচ্চ বেঁচে থাকতে পারেন। মৃত্যু যন্ত্রণা হবে অস্বাভাবিক।

মৃত্যু পথযাত্রী একজন মানুষের জন্য ৫০০ এম এল না, ৫ ফোঁটা পানিও হয়ে উঠতে পারে সর্বশেষ আকাঙ্ক্ষা।

এই সেই ৫০০ এম.এল পানির বোতল। যা আমি মাত্র এক ঢোকে শেষ করলাম লেখার মাঝে। রোজা রেখে সারাদিন পানিশূন্যতায় আমি ক্লান্ত। সিচুয়েশন অনুযায়ী অমূল্য হয়ে উঠতে পারে এই অল্পেকটু পানি!

তাই পানির অপচয় রোধ করে দিন আজকে থেকেই। প্রয়োজন অনুযায়ী বা যতটুকু সম্ভব সেভ করার চেষ্টা করুন। নিজে ভালো থাকুন, পৃথিবীকে ভালো রাখুন।

সংগৃহীত:
ভাইটি ভালো লিখেছে..

11/03/2026

ফ্যামিলি কার্ড পেয়ে জয়ের বাংলা স্লোগান 🤣🤣🤣🤣
#ফ্যামিলিকার্ড #ফ্যামিলি_কার্ড #বিএনপি

07/03/2026

ফ্রিতে কলা না দেয়ায়, বিক্রেতাকে থাপ্পর মারে পুলিশ😬😬😬 বলি যে, বেটা কলা লাগলে প্রধানমন্ত্রীর কাছে চাও দিবেনে


#পুলিশ #অবৈধ #দুর্নীতি

05/03/2026

সবাই কি ফ্যামিলি কার্ড পাবে-যা বললেন তারেক রহমান | Tareq Rahman | BNP | Open Search Media Open Search Media Part 19

Address

Bangladesh
Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Open Search Media posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Open Search Media:

Shortcuts

Share