Rashed

Rashed ঘরের কাজ, মাঠের গল্প ❤️
“From sunrise to sunset — a homemaker’s farming journey.”
নতুন নতুন ভিডিও পেতে পেজে ফলো দিয়ে সাথে থাকবেন 😍

৩ বছর সৌদি জেলে, দেশে ফিরেই সেলুনে নতুন ভোগান্তি! 😔 এই ভদ্রলোক সৌদি আরবের জেলে ছিলেন টানা ৩ বছর।অভিযোগ, তাঁর কফিল টাকা-প...
13/08/2026

৩ বছর সৌদি জেলে, দেশে ফিরেই সেলুনে নতুন ভোগান্তি! 😔 এই ভদ্রলোক সৌদি আরবের জেলে ছিলেন টানা ৩ বছর।

অভিযোগ, তাঁর কফিল টাকা-পয়সা নিয়ে তাঁর নামে মিথ্যা মামলা দিয়েছিল। জীবনের মূল্যবান তিনটি বছর হারিয়ে, সবকিছু পেছনে ফেলে অবশেষে দেশে ফিরেছেন তিনি।

দেশে ফিরে আশকোনা হাজি ক্যাম্পের কাছে একটি ছোটখাটো নন-এসি সেলুনে যান সেভ ও হালকা ফেসিয়াল করাতে। কাজ শেষে বিল শুনে তিনি রীতিমতো হতবাক—সাড়ে ৪ হাজার টাকা!

তিন বছর দেশের বাইরে ছিলেন। তাই স্বাভাবিকভাবেই হয়তো তাঁর ধারণা ছিল, বড়জোর ৫০০ টাকার মতো বিল হবে। কিন্তু সাড়ে ৪ হাজার টাকা কেন—তা তিনি বুঝতেই পারছিলেন না।

একপর্যায়ে শুরু হয় কথা কাটাকাটি। ঝামেলা এড়াতে শেষ পর্যন্ত বাড়িতে ফোন করে বিকাশে টাকা আনেন এবং সেই টাকা দিয়েই সেলুনের বিল পরিশোধ করেন।

পরে বিষয়টি স্থানীয় থানায় জানালে পুলিশ সেখানে যায়। অভিযোগ রয়েছে, ওই সেলুনে নাকি প্রতিদিনই এভাবে অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হয়।

ভাবুন তো, একজন মানুষ তিন বছর বিদেশের জেলে কাটিয়ে, জীবনের সব হারিয়ে যখন নিজের দেশের মাটিতে ফিরে আসেন—তখন তাঁর সঙ্গে যদি এমন অভিজ্ঞতা হয়, তাহলে তিনি যাবেন কোথায়?

প্রবাসীরা আমাদের দেশের সম্পদ।
তাদের কষ্টের উপার্জনের টাকা কিংবা দেশে ফিরে আসার অসহায় মুহূর্তকে পুঁজি করে কেউ যেন প্রতারণা করতে না পারে।

এ ধরনের অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত হোক, সত্যতা প্রমাণিত হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
নিজের দেশে ফিরে অন্তত মানুষ যেন নিরাপদে বাঁচতে পারে—এইটুকু অধিকার সবারই আছে। 😔🇧🇩

চুল-দাড়ি কাটাতে বেরিয়েছিলেন হাবিবুর, ফিরে এসে দেখলেন আগুনে পুড়ে ছাই ১৬ বন্ধু! 💔সৌদি আরবের রিয়াদের মুসা শিল্প এলাকায় একটি...
13/08/2026

চুল-দাড়ি কাটাতে বেরিয়েছিলেন হাবিবুর, ফিরে এসে দেখলেন আগুনে পুড়ে ছাই ১৬ বন্ধু! 💔

সৌদি আরবের রিয়াদের মুসা শিল্প এলাকায় একটি সোফা কারখানায় কাজ করতেন ১৭ জন বাংলাদেশি শ্রমিক। তাদের মধ্যে ১৬ জনই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রাণ হারিয়েছেন। নিহতদের ১৩ জনই নওগাঁর আত্রাই উপজেলার বাসিন্দা।

কারখানাটিতে বৈধ কাগজপত্রের ঘাটতি ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। শ্রমিকদের থাকার ঘর ছিল বদ্ধ ও জানালাবিহীন। দিনের বেলায় দরজা বন্ধ থাকায় শ্রমিকরা ঘুমাতেন, আর রাতে শুরু হতো কাজ।

দুপুর দেড়টার দিকে যখন আগুন লাগে, তখন বেশিরভাগ শ্রমিক ঘুমিয়ে ছিলেন। মুহূর্তেই ধোঁয়ায় ভরে যায় বদ্ধ ঘর। বের হতে না পেরে অনেকেই ধোঁয়ায় শ্বাসরুদ্ধ হয়ে মারা যান, আর কেউ কেউ আগুনে পুড়ে প্রাণ হারান।

সেই ১৭ জনের একজন ছিলেন নওগাঁর আত্রাই উপজেলার গন্ডগোহালী গ্রামের ২৬ বছর বয়সী হাবিবুর রহমান। কিন্তু সেদিন তিনি কারখানায় ছিলেন না। চুল-দাড়ি কাটাতে কাছের একটি সেলুনে গিয়েছিলেন। তিনি বের হওয়ার কিছুক্ষণ পরই কারখানায় আগুন লাগে।

খবর পেয়ে ছুটে এসে নিজের চোখের সামনে দেখেন—ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে। কিন্তু ভেতরে ঢোকার কোনো সুযোগ ছিল না। একে একে হারিয়ে গেলেন তার সহকর্মী, বন্ধু ও পরিচিত মুখগুলো।

আজ হাবিবুর বেঁচে আছেন, কিন্তু সেই বেঁচে থাকা যেন এক ভয়াবহ স্মৃতি নিয়ে। বন্ধুর বাসায় আশ্রয় নিয়ে তিনি বলছেন, তার বেঁচে যাওয়াটা নিছকই কাকতালীয়।

সবচেয়ে কষ্টের বিষয়, আগুনে নিহতদের পাসপোর্টসহ গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র পুড়ে গেছে। মরদেহ শনাক্ত করে দেশে পাঠানোর প্রক্রিয়ায় এখন পাসপোর্টের ফটোকপি প্রয়োজন হচ্ছে। ফলে স্বজনদের অপেক্ষার সঙ্গে যোগ হয়েছে নতুন এক অনিশ্চয়তা।

হাবিবুরের বন্ধু হেলাল প্রামাণিকের দাবি, তিনি নিজেও প্রায় পাঁচ বছর আগে একই কারখানায় কাজ করেছেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, কারখানাটির বৈধ কাগজপত্র না থাকায় নিরাপত্তাব্যবস্থাতেও ছিল বড় ধরনের ঘাটতি।

যদি তদন্তে এসব অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হয়, তাহলে প্রশ্ন থেকেই যায়—শ্রমিকদের থাকার জন্য এমন বদ্ধ, জানালাবিহীন ঘর কীভাবে ব্যবহার করা হচ্ছিল?

১৬টি পরিবারের ঘরে আজ শোকের মাতম। প্রবাসে গিয়ে যারা পরিবারের স্বপ্ন পূরণের জন্য জীবন বাজি রেখেছিলেন, তাদের অনেকেই আর কোনোদিন দেশে ফিরবেন না—ফিরবেন নিথর দেহ হয়ে।

আল্লাহ নিহত ১৬ বাংলাদেশির মাগফিরাত দান করুন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলোকে এই শোক সহ্য করার শক্তি দিন। 🤲💔

প্রবাসী শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি।

একবেলা ভাত খাওয়ার চেয়েও কি এখন মানুষ খু করা সহজ হয়ে গেছে? 🙂💔*বাংলাদেশে একের পর এক নৃশংসতার খবর শুনতে শুনতে যেন আমরা অনুভ...
13/08/2026

একবেলা ভাত খাওয়ার চেয়েও কি এখন মানুষ খু করা সহজ হয়ে গেছে? 🙂💔*

বাংলাদেশে একের পর এক নৃশংসতার খবর শুনতে শুনতে যেন আমরা অনুভূতিহীন হয়ে যাচ্ছি। কিন্তু সিলেটের এই ঘটনাটি সত্যিই হৃদয় কাঁপিয়ে দেওয়ার মতো।

সিলেটের ৯০ বছর বয়সী এম আব্দুস সাত্তার, তাঁর ৭২ বছর বয়সী স্ত্রী সুরাইয়া এবং তাঁদের বাসায় কাজ করা গৃহকর্মী তাহমিনা—একসঙ্গে তিনটি প্রাণ ঝরে গেল নির্মম এক ঘটনায়।

সাত্তার দম্পতির চার সন্তানই প্রবাসে থাকেন। বৃদ্ধ বাবা-মায়ের দেখাশোনার জন্য তাঁদের সঙ্গে থাকতেন গৃহকর্মী তাহমিনা। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি শুধু একজন গৃহকর্মী ছিলেন না; দীর্ঘদিনের সম্পর্কের কারণে অনেকটা পরিবারের সদস্য, এমনকি মেয়ের মতোই ছিলেন।

সিসিটিভি ফুটেজ ও পুলিশের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, বাবুল মিয়া নামের এক ব্যক্তি ওই বাসায় প্রবেশ করেন। তাহমিনার সঙ্গে তাঁর আগে থেকেই পরিচয় ও ঘনিষ্ঠতা ছিল বলে জানা গেছে। একপর্যায়ে তাঁদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। এরপরই ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাহমিনার ওপর হামলা করা হয়।

তাহমিনার চিৎকার শুনে বৃদ্ধা সুরাইয়া এগিয়ে এলে তাঁকেও হামলার শিকার হতে হয়। পরে স্ত্রীকে বাঁচাতে এগিয়ে আসেন ৯০ বছরের বৃদ্ধ এম আব্দুস সাত্তার। তিনিও রক্ষা পাননি।

কয়েক মুহূর্তের মধ্যেই একটি ঘর নিস্তব্ধ হয়ে গেল।
শেষ হয়ে গেল তিনটি জীবন। 💔

ঘটনার পর অভিযুক্ত পালিয়ে গেলেও প্রযুক্তির সহায়তায় কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তাঁকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বিদ্যুৎ না থাকায় সিসিটিভির কিছু অংশে পুরো ঘটনা ধরা না পড়লেও আশপাশের ফুটেজ ও অন্যান্য তথ্য তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলে জানা গেছে।

এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—এই নৃশংসতার প্রকৃত কারণ কী?
তাহমিনার সঙ্গে অভিযুক্তের সম্পর্কের বিষয়টি কতটা গুরুত্বপূর্ণ? ঘটনার পেছনে ব্যক্তিগত বিরোধ, ক্ষোভ নাকি অন্য কোনো কারণ ছিল? আর এই ঘটনায় আরও কেউ জড়িত কি না—এসব প্রশ্নের উত্তর তদন্তেই বেরিয়ে আসবে।

তবে যে কারণেই হোক, কোনো বিরোধের সমাধান কখনোই একটি মানুষের জীবন কেড়ে নেওয়া হতে পারে না।

আজ তিনটি পরিবার শোকের সাগরে। প্রবাসে থাকা সন্তানরা হারালেন তাঁদের বৃদ্ধ বাবা-মাকে। আর তাহমিনার স্বজনরা হারালেন আপন একজনকে।

একটা সমাজ তখনই ভয়ংকর হয়ে ওঠে, যখন মানুষের জীবনের মূল্য কমে যায়। আমরা এমন বাংলাদেশ চাই না—যেখানে ঘরের ভেতরেও বৃদ্ধ বাবা-মা, নারী কিংবা সাধারণ মানুষ নিরাপদ বোধ করবেন না।

সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত হোক। প্রকৃত ঘটনা সামনে আসুক। আর দোষী প্রমাণিত হলে প্রচলিত আইনে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হোক।

আল্লাহ নিহত তিনজনকে ক্ষমা করুন, তাঁদের কবরকে শান্তিময় করুন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলোকে এই অপূরণীয় ক্ষতি সহ্য করার শক্তি দিন।
আমিন। 🤲🖤

এই দুই অসহায় মানুষের পরিচয় কি কেউ জানেন? কেউ কি তাদের পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিতে পারবেন ? 😭😭💔ছবির মানুষ দুজন দীর্ঘদিন ধরে...
13/08/2026

এই দুই অসহায় মানুষের পরিচয় কি কেউ জানেন? কেউ কি তাদের পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিতে পারবেন ? 😭😭💔

ছবির মানুষ দুজন দীর্ঘদিন ধরে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালের সামনের গেটে চিকিৎসার অভাবে পড়ে আছেন। তাদের পাশে নেই কোনো স্বজন, নেই পরিচয়ের কোনো কাগজপত্র। সবচেয়ে কষ্টের বিষয়—তারা নিজেদের পরিচয়ও দিতে পারছেন না, ঠিকমতো কথাও বলতে পারছেন না। 😢

হয়তো কোনো মা তার সন্তানের অপেক্ষায় আছেন…
হয়তো কোনো সন্তান তার বাবা-মাকে খুঁজে বেড়াচ্ছেন…
হয়তো কোনো পরিবার জানেই না, তাদের আপনজন কোথায় পড়ে আছেন। 💔

🙏 ছবিটি একটু ভালো করে দেখুন।
আপনার পরিচিত কেউ হতে পারেন। কেউ যদি তাদের চিনে থাকেন বা তাদের সম্পর্কে কোনো তথ্য জানেন, দয়া করে দ্রুত ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালের সামনে যোগাযোগ করুন অথবা আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।

আর যদি কোনো হৃদয়বান ব্যক্তি, সংগঠন বা প্রতিষ্ঠান তাদের চিকিৎসার দায়িত্ব নিতে চান, তাহলে দয়া করে এগিয়ে আসুন। চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় যত্ন পেলে হয়তো এই অসহায় মানুষ দুটির জীবন আবারও একটু স্বাভাবিক হতে পারে। ❤️

আপনার একটি শেয়ার হয়তো তাদের পরিবারের কাছে পৌঁছে দিতে পারে।
আপনার সামান্য সহযোগিতা হয়তো তাদের জীবনে নতুন আশার আলো জ্বালাতে পারে।

মানবতার খাতিরে পোস্টটি বেশি বেশি শেয়ার করুন। 🙏😢

মেয়েটির করুণ আকুতি—আমরা কি সত্যিই নীরব থাকব? 😢💔ময়মনসিংহে এক স্কুলছাত্রীকে রাস্তায় পথরোধ করে কয়েকজন কিশোরের উত্ত্যক্ত করা...
13/08/2026

মেয়েটির করুণ আকুতি—আমরা কি সত্যিই নীরব থাকব? 😢💔

ময়মনসিংহে এক স্কুলছাত্রীকে রাস্তায় পথরোধ করে কয়েকজন কিশোরের উত্ত্যক্ত করার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, মেয়েটি ভয়ে ও অসহায় হয়ে পড়েছেন। তার চলার পথ আটকে তাকে নানা ধরনের হয়রানি করা হচ্ছে।

সবচেয়ে কষ্টের বিষয়—ঘটনাটি প্রকাশ্য রাস্তায় ঘটলেও ভয়ে আশপাশের অনেকেই প্রতিবাদ করতে পারছেন না। একজন শিক্ষার্থীকে যদি স্কুলে যাওয়া-আসার পথেও এমন আতঙ্কের মধ্যে থাকতে হয়, তাহলে আমরা তাকে নিরাপদ সমাজ কীভাবে দেব?

ইভটিজিং কোনো ‘দুষ্টুমি’ নয়। কারও পথ আটকে হয়রানি করা অপরাধ। আজ একজন স্কুলছাত্রীর সঙ্গে এমন ঘটনা ঘটছে, কাল একই পরিস্থিতির শিকার হতে পারে আপনার-আমার পরিবারের কেউ।

ভিডিওটি যদি সত্যিই ময়মনসিংহের এই ঘটনার হয়ে থাকে, তাহলে সংশ্লিষ্ট কিশোরদের দ্রুত শনাক্ত করে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

তবে কেউ যেন আইন নিজের হাতে তুলে না নেন।
প্রয়োজনীয় তথ্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে দিন।

একটি মেয়ের ভীতসন্ত্রস্ত মুখ আর করুণ আকুতি যেন আমাদের বিবেককে নাড়া দেয়।
নীরবতা নয়—অন্যায়ের বিরুদ্ধে সচেতন ও আইনসম্মত প্রতিবাদই হোক আমাদের অবস্থান। 😢

ভারতে গোমূত্রের দাম লিটারপ্রতি ২০ টাকা—গরুর কদর এবার অন্য লেভেলে! 😂ভারতের উত্তরপ্রদেশে কৃষকদের কাছ থেকে গোমূত্র সংগ্রহ ক...
12/08/2026

ভারতে গোমূত্রের দাম লিটারপ্রতি ২০ টাকা—গরুর কদর এবার অন্য লেভেলে! 😂

ভারতের উত্তরপ্রদেশে কৃষকদের কাছ থেকে গোমূত্র সংগ্রহ করবে সরকার—প্রতি লিটার সর্বোচ্চ ২০ টাকা! 😱😂

মানে এতদিন গরু দুধ দিত, এখন থেকে গোমূত্রও ইনকাম করবে!
গরুটা হয়তো মনে মনে বলছে—
“দুধ দেওয়া বন্ধ করলেও চিন্তা নাই, আমার বিকল্প ইনকাম তো চালু আছে!” 🤣

প্রতিদিন যদি ৫০০ লিটার সংগ্রহ হয়, তাহলে বোঝাই যাচ্ছে—
গরু এখন শুধু গোয়ালের প্রাণী নয়, গ্রামের অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার! 🐄💰

আর নারীরাও গোমূত্র সংগ্রহে সহযোগিতা করে প্রতি লিটারে ২ টাকা কমিশন পাবেন।
অর্থাৎ—
দুধে মা, গোমূত্রে বোন—গোটা পরিবারই স্বনির্ভর! 😂

সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো, এই গোমূত্র নাকি কৃষিকাজে কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার হবে।
এখন শুধু অপেক্ষা—
কবে গোময় সংগ্রহের জন্যও সরকারি রেট ঘোষণা হয়! 🤣

তখন হয়তো বাজারে নতুন সাইনবোর্ড দেখা যাবে—
👉 দুধের দোকান
👉 গোমূত্র ক্রয়কেন্দ্র
👉 গোময় সংগ্রহ কেন্দ্র

ভারতের গরু এখন আর শুধু গরু নয়—পুরোদস্তুর বহুমুখী শিল্প! 🐄😂

তবে মজা বাদ দিলে, প্রকল্পটি সফল হলে কৃষকদের অতিরিক্ত আয় ও কৃষিতে জৈব উপকরণের ব্যবহার বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে।

শেষ বিদায়ের নির্মমতা স্বামীর জানাজা হওয়ার মাত্র ৫ মিনিট আগে স্ত্রীও চলে গেলেন না ফেরার দেশে! 😢💔একজনকে শেষবারের মতো বিদায়...
12/08/2026

শেষ বিদায়ের নির্মমতা স্বামীর জানাজা হওয়ার মাত্র ৫ মিনিট আগে স্ত্রীও চলে গেলেন না ফেরার দেশে! 😢💔

একজনকে শেষবারের মতো বিদায় জানাতে যখন সবাই প্রস্তুত, ঠিক তখনই আরেকটি মৃত্যু—কী নির্মম নিয়তি!
একই সময়ে জানাজা, একই সঙ্গে দাফন—দুজন মানুষের জীবনের গল্প যেন এক মুহূর্তেই থেমে গেল।

যে মানুষটির পাশে থাকার কথা ছিল সারাজীবন, শেষ বিদায়েও যেন ভাগ্য তাদের আলাদা হতে দিল না।
স্বামী-স্ত্রীর এমন একসঙ্গে বিদায় সত্যিই হৃদয় ভেঙে দেওয়ার মতো।

আল্লাহ তাদের দুজনকেই ক্ষমা করুন, কবরকে নূরে ভরে দিন এবং জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন।

আমিন। 🤲😢

ভিসা হয়নি, তবুও পায়ে হেঁটে হজের উদ্দেশ্যে বেরিয়ে পড়লেন দুলাল ভাই! 😅🤣 পায়ে হেঁটে হজ—নিয়তটা সুন্দর, কিন্তু পথটা কি এত সহজ?...
12/08/2026

ভিসা হয়নি, তবুও পায়ে হেঁটে হজের উদ্দেশ্যে বেরিয়ে পড়লেন দুলাল ভাই! 😅🤣 পায়ে হেঁটে হজ—নিয়তটা সুন্দর, কিন্তু পথটা কি এত সহজ? 🐸

ইন্ডিয়ার ভিসা এখনো হয়নি, অথচ পায়ে হেঁটে হজ করার স্বপ্ন নিয়ে নাটোরের দুলাল ভাই নাকি আগেই বাসা থেকে বের হয়ে পড়েছেন। শুনছি, হজে যাওয়ার আগেই হাঁটতে হাঁটতে পায়ের ছাল উঠে যাওয়ার অবস্থা! 🐸

আপাতত তার যাত্রা থেমে আছে—কারণ ভারত হয়ে যেতে হলে ভিসা প্রয়োজন, আর সেই ভিসার জন্য নাকি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলার বিষয়ও এসেছে।

ভাবুন তো, ভাইয়ের কাছে ভারত যাওয়ার মতো সামর্থ্য নেই, অথচ প্রতিদিন ৪০ কিলোমিটার হাঁটার টার্গেট নিয়ে সৌদির উদ্দেশ্যে রওনা! 🫡
কিন্তু নিজের জেলাটাই এখনো হেঁটে শেষ করতে পারেননি।

আরে ভাই, পায়ে হেঁটে হজ করা কি এতই সহজ?
এটা শুধু আবেগ বা ইচ্ছার বিষয় নয়। পথে একের পর এক দেশ পার হতে হবে, ভিসা-ইমিগ্রেশন, খাবার, থাকার ব্যবস্থা, শারীরিক সক্ষমতা—সবকিছুর প্রস্তুতি দরকার। দীর্ঘ এই পথ পাড়ি দিতে হলে প্রচণ্ড মানসিক শক্তি, শারীরিক সক্ষমতা এবং বাস্তব পরিকল্পনা প্রয়োজন।

আরেকটা বিষয় চোখে পড়ছে—রাস্তায় মানুষ তাকে ১০০/২০০ টাকা করে সাহায্য করছেন, অনেকে তাকে নিয়ে কনটেন্টও বানাচ্ছেন। মানুষ ভালোবেসে সাহায্য করছে, এটা অবশ্যই মানবিকতার সুন্দর দৃষ্টান্ত। ❤️

কিন্তু প্রশ্ন হলো—যাকে আমরা সাহায্য করছি, সে কি সত্যিই এই কঠিন যাত্রা শেষ করার মতো প্রস্তুত?
শুধু মানুষের সাহায্য আর ভাইরাল হওয়া দিয়ে তো এত দীর্ঘ পথ পাড়ি দেওয়া সম্ভব নয়।

কিছু মানুষ হয়তো ভাইরাল হওয়ার আশায় বড় কোনো উদ্যোগ নিয়ে ফেলেন। আবার কারও নিয়ত সত্যিই ভালো হতে পারে, কিন্তু বাস্তবতার কঠিন দিকগুলো সম্পর্কে হয়তো ধারণা নেই। তাই সমালোচনা না করে আগে বাস্তবতা বুঝতে হবে।

যাই হোক, শেষ পর্যন্ত কী হয়—সেটা সময়ই বলে দেবে।
তবে একটা কথা সত্যি—হজ মুসলমানদের জীবনের অন্যতম বড় স্বপ্ন। যারা হজ করার নিয়ত করেছেন, আল্লাহ যেন তাদের সবাইকে সামর্থ্য দেন, সঠিক পথে সহজ করে দেন এবং কবুল হজের তৌফিক দান করেন। 🤲❤️

নিয়ত সুন্দর হোক, আর সেই নিয়তের সঙ্গে থাকুক সঠিক প্রস্তুতি ও বাস্তব পরিকল্পনা।

12/08/2026

আমার দাতে নাকি পোকা হয়েছে বানিতে ড: লাম 😅🤣😍

12/08/2026

একটি মায়ের আকুতি—সন্তানের ভবিষ্যৎ বাঁচাতে সাহায্য করুন। 💔

ভিডিওর ছোট্ট মেয়েটির জন্মগতভাবে ঠোঁটে সমস্যা রয়েছে। সময়মতো অপারেশন না করলে ভবিষ্যতে তাকে নানা সমস্যার মুখোমুখি হতে হতে পারে।

অপারেশনের জন্য প্রয়োজন ২৭–৩০ হাজার টাকা, কিন্তু অসহায় বাবা-মায়ের পক্ষে এই টাকা জোগাড় করা সম্ভব নয়।

তাই শিশুটিকে সঙ্গে নিয়ে মা ট্রেন, স্টেশন ও বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে ঘুরে মানুষের কাছে ১০–২০ টাকা করে সাহায্য চাইছেন।

আপনার সামান্য সহযোগিতাই পারে এই শিশুটির ভবিষ্যৎ বদলে দিতে। ❤️
দয়া করে পাশে দাঁড়ান এবং পোস্টটি শেয়ার করুন।

Address

Bangladesh Rajshahi Bagmara
Bagmara
6250

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Rashed posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Rashed:

Shortcuts

Share