24/03/2024
💠 ২৫০০ মন গম চুরি 🌾 ও এতিম আনোয়ারের জীবন বৃত্তান্ত এই প্রজন্মের জানা উচিত!
🥶 মজার ব্যাপার হলো সংবাদ সম্মেলনে চোর স্বীকারক্তি দেয়ার সময়, নিজের আঙ্গুলের কর নিজেই গুনেই, তারপর চুরি করা গমের পরিমাণ বলেছিল🥶
💠 এতিম আনোয়ার পর্ব ১ ( বাল্যকাল, শিক্ষা ও অপকর্মের হাতে খড়ি)
💠 হাঁস-মুরগি চুরি💠 জুয়া খেলা 💠 যুবতী মেয়েদের ইজ্জত লুণ্ঠন 💠 মদের নেশা 💠 ২৫০০ মণ পরিষদের গম চুরি💠 রাস্তা পরিষ্কারের কাজে সৌদি যাওয়া💠
মোঃ গফুর 🧓 বালীর চার সন্তানের মধ্যে আনোয়ার হোসেন বালী তৃতীয় সন্তান। আনোয়ার হোসেন বালীর বয়স যখন ১০ বছর তখন থেকে মারামারি হানাহানি ও জুয়া খেলার সাথে ব্যাপক ভাবে জড়িয়ে পড়েন।
সাতলা ইউনিয়নে অনেক বছর পূর্ব থেকে বেল বা গুড়ি খেলার ব্যাপক প্রচারণা ছিল। এলাকার মুরাব্বিগণের কাছে জিজ্ঞাসা করলে জানা যায়- তখনকার সময়ে অনেকই বেল বা গুড়ি দিয়ে জুয়া খেলায় মদ্ধ ছিলো। তাদেও মধ্যে আনোয়ার হোসেন বালী ছিলেন অন্যতম জুয়ারি।
ছোটকাল থেকে বিভিন্ন অপকর্ম যেমন- হাস, মুরগী, পুকুরের মাছ খেজুরের রস, ডাব ও নারকেল চুরি সাথে জড়িয়ে শিক্ষা জীবন বেশি দূর অগ্রসর হতে পারেন নাই। নাম মাত্র ক্লাস তৃতীয় শ্রেণীর মধ্যে শিক্ষা জীবন শেষ করেন।
১৮-২০ বছর বয়সে তার বিভিন্ন অপকর্মের মাত্রা যুক্ত এর মধ্যে অন্যতম যুবতী মেয়েদের ইজ্জত নিয়ে ছিনিমিনি খেলা ছিল তার নেশা এবং পেশা। তার অপকর্মের ক্ষুদ্ধ হয়ে এলাকার লোকজন তাকে আনু / আইনগা নামে ডাকত। মদ গাজা জুয়া চুরি ডাকাতি সব ধরনের অপকর্মের সাথে যুক্ত ছিলেন আইনগা বালী।
তৎকালীন ০১ সাতলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মরহুম ফজলুল হাওলাদার তার সম্পর্কে আত্মীয় হওয়ার কারণে তার অনুপস্থিতে ইউনিয়ন পরিষদে বসে তিনি নানান অপকর্মে লিপ্ত হয়েছেন।
তার অপকর্মে ক্ষীপ্ত হয়ে তার পরিবার থেকে তাকে দেশ ত্যাগ করতে বলে। কিন্তু অসচ্ছল আর্থিক অভাব অনটনে ঢাকা পরিবার ( যাদের দৈনিক ১ বেলা খাবার জুটত না) তাদের পক্ষে তার প্রবাসে যাওয়ার খরচ দেয়া সম্ভব ছিল না।
একদিন রাতে মরহুম চেয়ারম্যান ফজলুল হক হাওলাদারের বাড়িতে এসে পা জড়িয়ে ধরে কান্না, ও আহাজারি করতে থাকে, আমি এতিম, আপনি ছাড়া আমার এ জগতে কোন অভিভাবক নাই, আমাকে যেভাবেই হোক আপনি প্রবাসে পাঠানোর সকল খরচের ব্যবস্থা করেন।
মরহুম চেয়ারম্যান মো ফজলুল হক হাওলাদার তার প্রবাসে যাওয়ার যাওয়ার খরচ বহনে অস্বীকৃতি জানালে , তিনি রাতের আঁধারে তার দলবল নিয়ে সঙ্ঘবদ্ধ হয়ে ইউনিয়ন পরিষদের খাদ্য গুদামের তালা ভেঙে চুরি করে ২৫০০ মণ গম বিক্রি করে দিয়েছিলেন।
গম বিক্রির টাকা দিয়ে তিনি সৌদি আরব পালিয়ে গিয়েছিলেন ক্লিনারের ভিসায়। এবং এই গম বিক্রির অভিযোগে মরহুম চেয়ারম্যান ফজলুল হক হাওলাদার এর বিরুদ্ধে তখন মামলা ও হয়েছিল। তিনি তখন তার ছোট বোনের মুখের দিকে তাকিয়ে এই এতিম আনোয়ারের সকল অপকর্ম মেনে নিয়েছিলেন।
সৌদি আরব গিয়ে তিনি রাস্তা পরিষ্কারের কাজ করতেন। এর কয়েক বছর পরে তিনি আবার দেশে ফিরে আসেন। এরপর থেকে শুরু হয় আইনগা বালীর রাজনৈতিক ও ধান্দাবাজির নতুন গল্প কাহিনী।
চলবে............. আসছে দ্বিতীয় পর্ব