Tech Point Bangladesh

Tech Point Bangladesh Welcome To Tech Point Bangladesh Welcome To Tech Point Bangladesh. We are promising to Provide our service more professionally and Qualityfull. Thank You

Stay with us and take any kind of tech service.

15/03/2016

বি নেগেটিভ রক্তের খুব ই দরকার।

দুই ঘন্টা মধ্যে রক্ত না পেলে রোগী বাঁচবে না। অনেক চেষ্টা করেও রক্ত পাওয়া যাচ্ছে না।
প্রয়োজনে টাকা দেয়া হবে। দয়া করে যোগাযোগ করুন

সোহরোয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
মোবাইল: +8801554200967

10/02/2016

ঢাকায় অবস্থানরত সকলের দৃষ্টি আকর্ষন করছি।।।
জরুরী ভিত্তিতে একজম মুমূর্ষ রোগির হার্টের অপারেশনের জন্য আজ #দুপুর_২_টার ভেতর ১ ব্যাগ A+(ve) (পজেটিভ) গ্রুপের রক্ত দরকার।

যোগাযোগ:
আব্দুর রহিম (রোগীর বাবা)
মোবাইল: 01734840052
বার্ডেম হাসপাতাল, শাহবাগ, ঢাকা।

:/
27/01/2016

:/

17/01/2016

@বিবাহ@
-
বেশ কিছুদিন হল নতুন বাসায় উঠেছি, বাসায় ঘরের সংখ্যা চারটা মানুষ মাত্র দুইজন আমি আর একটা কাজের ছেলে। ছেলেটা আমার সাথে আছে প্রায় আজ চার বছর হল। আসলে কাজের ছেলে বলা ঠিক হচ্ছে না তাকে আমার নিঃসঙ্গ জীবনের একমাত্র সঙ্গী বলা চলে। বাড়িতে কোন মেয়ে মানুষ নাই মাঝে মাঝেই বাড়িটা কেমন যেন মরুভূমি মনে হয়। তাই রাফি বহুত চিন্তা করে ঠিক করেছে আমার বিয়ে দিতে হবে। রাফি আমার কাজের ছেলে, বয়স খুব বেশি না মাত্র ১৫। তবে তার মানসিক বয়স মাঝে মাঝে আমার থেকেও বেশি মনে হয়। এই যেমন আমার নিঃসঙ্গ জীবনে যে একজন নারীর উপস্থিতি দরকার সেটা কখনই আমার মাথায় আসেনি( মাথায় আসেনি বলা যাবে না আমি এটা আসলে ভাবতে চাইনি) । কিন্তু সে সেটা বের করে ফেলেছে। বের করেই ক্ষান্ত হয়নি সে আমার জন্য পাত্রি খোঁজার কাজও শুরু করে দিয়েছে। আমি ব্যপারটা বুঝতে পেরেছি অনেক পরে। আমি তাকে কিছুই বলিনি, সে খুঁজছে খুঁজুক। এতে যদি তার মনে শান্তি পায় তাহলে তাই পাক। যদিও আমি শিওর আমার জন্য সে তার পছন্দমত পাত্রি খুঁজে পাবে না। আমার বয়স ৪০ পেরিয়েছে তাও প্রায় তিন বসন্ত হবে। আর সে আমার জন্য মেয়ে খুঁজছে কলেজ পড়ুয়া। আগের দিনে হলে হয়ত পেয়েও যেত কিন্তু আজকের দিনে পাওয়টা একটু কঠিনই হবে। কারন আগে বাল্যবিবাহ আর বাচ্চা মেয়ের সাথে বুড়োদের বিয়ে হরহামেশাই হত। দিন বদলেছে এখন আর আগের মত বয়সের ব্যবধানে বিয়ে হয় না। এখন সবাই সমবয়সী বা দু পাচঁ বছরের বড়দের মাঝেই বিয়ের কাজটা সেরে ফেলে। তাই রাফি যদি আমার বিয়ে দিতেই চায় তাহলে তাকে খুঁজতে হবে আইবুড়ি বা বিধবা কিংবা ডিভোর্সি মহিলা। কিন্তু সেটা সে করতে পারবে না কারন আমি তাকে স্বর্ত দিয়েছি আমি বিয়ে করব শুধু কলেজ পড়ুয়া মেয়ে হলেই। আমি এই স্বর্ত দিয়েছি যাতে সে আমার বিয়ে দিতে না পারে। কিন্তু তার আগ্রহ দেখে মনে হচ্ছে সে খুঁজে বের করবেই এমন মেয়ে।
রাফির কর্মকাণ্ডগুলোর মাঝে একটা হল প্রতিদিন কলেজের সামনে গিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা আর কলেজে আসা মেয়েদের দিকে তাকিয়ে থাকা। সে এ পর্যন্ত তিন চারটা মেয়ের বাসায় যোগাযোগও করেছে কিন্তু ফলাফল আশানুরূপ না। যদিও সে বেছে বেছে একটু অর্থসংকটে ভুগতে থাকা পরিবারের সাথে যোগাযোগ করেছে তবুও তার উদ্দেশ্য হাসিল হয়নি। তার ধারনা ছিল যে কন্যাদায়গ্রস্ত গরীব পরিবার হলে হয়ত রাজি হবে কিন্তু সেটা হয়নি। সে তাতে কিছুটা হতাশ হয়েছে কিন্তু আশা ছাড়েনি। সে চেষ্টা করেই যাচ্ছে, তার ধারনা এক সময় না এক সময় সে মেয়ে খুঁজে পাবেই। আমিও তাকে আশা দিয়েছি যে সে মেয়ে খুঁজে পাওয়া মাত্রই আমি বিয়ের পিড়িতে বসে যাব। সে আমার কথায় মলিন একটা হাসি দিয়েছে। তার হাসিই বলে দিচ্ছে যে কাজটা সে যতটা সহজ ভেবেছিল ততটা সহজ না।
কিছুদিন যাবত তার কর্মকাণ্ড স্থগিত। তাকে আর আগ্রহ নিয়ে কিছুই করতে দেখছিনা। সে মনে হয় আশা ছেড়ে দিয়েছে। আমি তার এই নির্বিকার অবস্থা দেখে কিছুটা হতাশ। সে এত তাড়াতাড়ি হাল ছেড়ে দেবে আমি ভাবিনি। আমি ভেবেছিলাম সে অন্তত আমার জন্য একটা কানা,খোঁড়া বা বোবা মেয়ে হলেও যোগাড় করে ফেলবে। কিন্তু সে মনে হয় আমার জন্য তাদেরকে কখনও চিন্তা করেনি। করলে হয়ত এতদিনে পাত্রি নিয়ে হাজির হয়ে যেত। যাই হোক তার অবস্থা জানার জন্য আমি তাকে ডাকলাম। কিন্তু সে কিছুই বলল না, তবে বোঝা গেল সে কিছু একটা নিয়ে বড্ড বেশি চিন্তিত। সেটা হয়ত আমার বিয়ে থেকেও গুরুতর কিছু। কিন্তু আমি কিছুই আন্দাজ করতে পারলাম না। । কয়েকদিন পর সে নিজেই আমার কাছে এল,
-কি রে কিছু বলবি?
-আচ্ছা রাতে রাস্তায় যে মেয়েগুলো দাঁড়ায় তারা সবাই কি খারাপ মেয়ে মানুষ?
-তা হবে কেন, কত পথচারীই তো রাতে রাস্তায় বাসের জন্য দাঁড়ায়।
-আমি তাদের কথা বলছি না, আমি অন্যদের কথা বলছি। যারা পথচারীদের ডাকে, সাথে যেতে চায়।
-হঠাৎ এই কথা জিজ্ঞেস করছিস যে?
-নাহ সেদিন রাতে দেখলাম একটা মেয়ে দাঁড়িয়ে আছে অনেক সাজগোজ করে।
-হুম তাতে কি?
-মেয়েটাকে আমি কলেজে দেখেছিলাম।
-কোন রাস্তায় দেখেছিস? দেখে কি তোর খারাপ লেগেছে?
-হুম লেগেছে।
আমি আর কিছু না বলে হাতের বইটা পড়ায় মনোযোগ দিলাম। রাফি উঠে চলে গেল।
রাতের বেলা আমি রাফিকে নিয়ে সেই মেয়ের সন্ধানে বের হলাম। খুঁজে পেতে একটু কষ্ট হল কিন্তু খুজে পেলাম। আমি রাফির দিকে তাকিয়ে বললাম কি রে এই মেয়েই তো নাকি? রাফি কিছুটা লজ্জা পেয়ে গেল, আমার কথায় মেয়েটাও কিছুটা অবাক হয়ে গেল। ভয়ে ভয়ে আমাদের দিকে তাকাচ্ছে। আমি বললাম এই মেয়ে গাড়িতে ওঠ, মেয়েটা হা হয়ে আছে। আমি ধমক দিয়ে মেয়েটাকে গাড়িতে তুললাম। আমার আচারনে রাফি আর মেয়েটা দুজনেই হতবাক গয়ে গেছে। আমি মেয়েটার দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করলাম থাক কই আর বাসায় কে কে আছে? মেয়েটা ভয়ে ভয়ে বলল সে হোস্টেলে থাকে আর তার বাবা মা কেউ বেচে নেই। আমি কিছুটা নির্ভার হয়ে গাড়ি চালাতে মনযোগী হলাম।
রাত ১২টা, মেয়েটা আমার সামনে বসে আছে। শুধু শুশু বসে নেই, বসে আছে বউ সেজে চোখে পানি আর ঠোঁটে চাপা হাসি নিয়ে। আমি রাফিকে ডেকে বললাম
-কি বলেছিলাম না পাত্রী পেলে সাথে সাথেই বিয়ের পিড়িতে বসে পড়ব।
রাফির চোখে পানি, আমি সেটা না দেখার ভান করে বললাম যাহ শেষ পর্যন্ত আমার বিয়েটা তাহলে দিয়েই ছাড়লি। রাফি চোখ ভর্তি পানি নিয়েই ফিক করে হেসে ফেলল।

লেখক: Shahin Akhteruzzaman

16/01/2016

গল্পের নামঃ বেনামী অনুভূতি..তখনটা ছিল খুব ভোর।
আকাশ কালো করে ঝিরঝিরে বৃষ্টি হচ্ছে। জবাপাতার সবুজী অহংকারী বুকে বৃষ্টির ফোটারা ভেঙেচুড়ে একাকার হয়ে যাচ্ছে।
আমি দাড়িয়ে আছি একটি বেগুনী ছাতার নিচে।
আর আমার সামনে মেয়েটি।
ছাতার বাইরে। ঠোঁটগুলো তার মৃদু মৃদু কাঁপছে। এখন এই ঠোঁট কাপার কারণ কি বৃষ্টির শীতলতা নাকি বুকের ভেতরকার জমাট বাদা কান্নার উত্থালপাথাল ঢেউ-তা আমার এখনো পুরোপুরি বোধগম্য হচ্ছে না। আমি মেয়েটির দিকে তাকিয়ে বললাম,"তুমি ছাতার নিচে আসো।"
মেয়েটি বললল,"তুমি কি অন্য কাউকে ভালবাসো?"
"না।"
"তাহলে?"
"ঐ ভালবাসা-বাসি আমার দ্বারা আর হবে না।"
"এতটা ঘৃণা করো আমায়!"
"তোমাকে ঘৃণা করার অনুভূতি আজ অব্দি আমার হাইপোথ্যালাম তৈরী করতে পারেনি।"
সে কতকটা আকূল হয়ে বলল,"তুমি তো এমন ছিলে না!"
আমি মুচকি হেসে জবাব দিলাম,"তুমিও তো এমন ছিলে না।"
"আমি আমার ভুল বুঝতে পেরেছি।"
"সম্ভবত আমিও।"
সে নিষ্পলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে আমার দিকে। আমি তাাকিয়ে আছি নিচের দিকে,যেন তার দিকে তাকালেই বুকের ভেতর কিছু একটা হয়ে যাবে। আর আমি আরো একবার মরে যাবো।
"তুমি কি বুঝতে পারছো আমি কাঁদছি?"
"হুম।"
"এক সময়কার যে তুমি আমার চোখে-মুখে পড়ন্ত বিকেলের বিষণ্ণতা দেখলেই দিকবিদিক দিশেহারা হয়ে পড়তে সেই তোমারই সামনে আজ আমি কাঁদছি,আর তুমি কিনা...!"
"জানো কি মিহির,"একটা সময়কার সেই 'আমি' আর আজকের 'আমি'র মধ্য দিয়ে বিশাল এক স্রোতস্বিনী নদী বয়ে গেছে। সে নদীর জোয়ার-ভাটার খেলায় অনেক কিছু বদলে গেছে। অনেক অনেক প্রাণবন্ত দ্বীপ ভেঙেচুড়ে নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। সেদিনকার সেই 'আমি'র অস্তিত্ব আজ আর নেই মিহির। ঐ আমির স্থলে আজ শুধু রাতের মেঘনার শো শো শব্দের মতো হাহাকার।"
"কিন্তু আমি যে আজ সব হারিয়ে নিঃস্ব! আমি এখন কি করব?"
"তুমি বরং এখন বাড়ি গিয়ে গরম কাপড় পরে কড়া করে এককাপ কফি খেয়ে ফ্রেশ একটা ঘুম দাও। দেখবে পরের সকালটায় সবকিছু বদলে গেছে।"
"আমি মরে যাবো ব্যস্।"
"মৃত্যু এত সহজ না মিহির।"
"তুমি একটা পাথর।"
"এটা সময়োপযোগী।"
"কিন্তু তোমাকে ছাড়া যে আমার চলবে না!"
"হাটের দোকানে লাভের ব্যবসা করেরে সন্ধ্যার চূড়ান্ত সীমানায় এসে সবসময়ই যে শেষের ট্রেনটা পেয়ে যাবে-এমন তো কোনো কথা নেই মিহির।"
হঠাৎ করেরে চারদিকে ছন্নছাড়া নীরবতা নেমে এলো। যেন ঝরা বৃষ্টিও টুপ করে গম্ভীর হয়ে গেল।
বৃষ্টি বাড়ছে।
সেই সাথে বেলাও।
"তুমি বাড়ি চলে যাও মিহির।"
মিহির কাঁদো কাঁদো গলায় বলল,"তোমাকে কি শেষবারের মতো একটাবার জড়িয়ে ধরতে পারি?"
"উহু,তুমি যে পুরোপুরি ভিজে গেছ,এখন আমাকে জড়িয়ে ধরলে আমিও যে ভিজে যাবো!"
দুচোখে ভীষণ অবাক হয়ে মিহির আমার দিকে তাকালো। এপর্যায়েয়ে আমিও তাকালাম ওর দিকে। একবারে চোখের দিকে। তারপর শীতল গলায় বললাম,"একটা সময় যখন শুকনো ছিলে তখন ছাতার নিচে এসে পাশাপাশি দাড়াতে বলেছিলাম। কিন্তু তুমি সাড়া দাও নি। সময়ের কাজ সময়ে করে নিতে হয় মিহির। ঘড়ির কাঁটা ঘুরতে ঘুরতে আগের জায়গায় ফিরে এলেও সময় কিন্তু কখনো আগের জায়গায় ফিরে আসে না। বরং বদলে যায় এবং বদলে যেতে থাকে। তুমি এখন আর আমাকে জড়িয়ে ধরতে পারো না।"
ভেবেছিলাম শেষোক্ত কথাগুলোর মর্মার্থ মিহির ধরতে পারবে না।
কিন্তু না।
সে আজ আমার প্রতিটি কথার অর্থ বর্ণে বর্ণে বুঝে গেছে।
তাইতো আর কোনো প্রত্যুত্তর করেনি। নিঃশব্দে হাটু গেড়ে মাটিতে বসে পড়ে দারুণ কান্নায় ভেঙে পড়ল।
আমি আর দাড়িয়ে থাকি নি। ঘুরে হাঁটা দিয়েছি বাড়ির পথে।
বৃষ্টি পড়ছে আগের মতোই।
আমি হাঁটছি আর ভাবছি।
যাওয়ার পথে রাজুর দোকান থেকে একটা বলপয়েন্ট কলম কিনে নিয়ে যেতে হবে। ট্রাঙ্ক থেকে আজ ডায়েরীটা বের করব।
অনেকদিন পর।
অনেকদিন পর আজ ডায়েরীতে আবেগের ঝর উঠবে। কেেউ কাঁদবে না,শুধু কলমের কালিগুলো লেপ্টে যাবে ডায়েরীর পাতায় পাতায়।
একটা সময় যাকে হৃদয় উজাগ করে ভালোবেসে স্রেফ বিক্রি হয়ে যেতে চেয়েছিলাম তার হাটে,সেই তাকেই আজ এতটা নিষ্ঠুরভাবে ফিরিয়ে দিলাম!
এমুহূর্তে যতটা পৈশাচিক আনন্দ পাবার কথা ছিল তার বিন্দুমাত্রও আমার মধ্যে খেলা করছে না। অনুভূতিরা আমার বড্ড নিথর আছে। সূর্যের প্রথম আলোয় প্রস্ফুটিত সত্যিকারের ভালবাসার গুরুত্ব যে দেয় নি তার পরিণতি এভাবেই চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়য়ে মাটিতে মিলিয়ে যাবে-এটাই স্বাভাবিক। এবং এ স্বাভাবিক ব্যাপারটা খুব স্বাভাবিকভাবেই মেনে নিয়েছে আমার হৃদয়। তাইতো হৃদয়ের কোথাও হহৃদস্পন্দনের উত্থালপাথাল নেই। নেইই কোথাও উন্মত্ত হাহাকার।
শুধু বুকের বামপাশটায় কেমন যেন চিনচিনে ব্যথা হচ্ছে।
বোধ করি ওটাই ভালবাসার সর্বশেষ ধ্বংসাবশেষ।
এবং ঐ ভালবাসাটাই আমার প্রাণেরও সর্বশেষ ধ্বংসাবশেষ।
ভালো থেকো মিহির।
সত্যি বলছি,ডায়েরীর পাতায় পাতায় আজও শুধু তোমাকেই ভালবাসি....
*
*
*
লেখকঃ প্রান্তিক সৌরভ

16/01/2016

ছেলেটি,,,,,,

ছেলেটি ছোটবেলা থেকেই একা থাকতে ভালবাসে। বন্ধুবান্ধবছিল তার হাতে গোনা। বাবা মানুষের সাথে মিশতে দিত না। তাই সে একাই একাই নিজের সাথে কথা বলতো। সে এখন একাই থাকা শিখে গেছে। তার মধ্যে একটা বদ্ধমূল ধারনাই জন্মে গেছে। একাই ধাকাই বুঝি জীবনের অনেক বড় সুখ।

ছেলেটি খেলতে ভালবাসতো। কিন্তু বাবা মা তাকে খেলতে দিতে চাইতো না। সময় নষ্ট হবে বলে। তাই সে সুযোগ পেলেই চুরি করে খেলতে চলে যেত। কিন্তু হ্যায়, বাবা তাকে খেলার মাঠ থেকে ধরে আনতো। তাই সে এখন একাই খেলে। নিজে নিজেই নিজের সাথে দৌড়ঝাঁপ করে খেলার আনন্দ মেটায়।

ছেলেটি পড়তে ভালবাসতো। ছেলেবেলার একজনকে তার ভাল লাগতো। তার ধারনা ছিল। ভাল লেখাপড়া করলে, ভাল রেজাল্ট করলে তাকে হয়তো পাওয়া যাবে। তাই সে শুধু পড়াশুনাই করতো। বাবা মা এর কোন কূল কিনারা খুঁজে পেত না। ছেলে আমাদের এত পড়াশুনা করে কেন। কিন্তু জীবনে ভাল রেজাল্ট করলেও সে কখনো
মেয়েটিকে পায় না। মেয়েটি এখন অন্যের ঘরের ঘরনী।

ছেলেটি বাড়িতে সবসময় বাবার ভয়ে থাকতো। বাবা নামটাই তার জীবনে ছিল এক ভয়ের নাম। মা'র সাথে যদিও সে খুঁনশুটি করতো, আনন্দে থাকতো কিন্তু বাবা বাড়িতে আসলেই সে মায়ের আঁচলের নীচে লুকিয়ে যেত। যেন বাড়িতে এখনি নিঝুম সন্ধ্যা নামলো। যেখানে পাখিদের কোন কলরব নেই। বাড়িটা কেমন জানি শান্ত নীরব হয়ে যেত।

ছেলেটি ছোটবেলা থেকেই কথা কম বলতো। কিছুটা গম্ভীর টাইপের, কথাবলার সাহস পেত না। তার নিজের কখনো ইচ্ছা, স্বাধীনতা, চাহিদা ছিল না। যা খেতে বলতো, তাই খেত। যা পরতে বলতো, তাই পরতো। তার নিজের ইচ্ছা, মনের কথা কেউ কখনো জানার চেষ্টা করতো না। তার মনকে সে এই বলে সান্ত্বনা দেয়, তার কোন চাহিদা থাকতে নেই। তাকে এভাবেই বড় হতে হবে।

ছেলেটি বাবা'র কাছে কোনদিন কিছু চাইতো না। যা চাওয়া পাওয়া মাকে'ই সব খুলে বলতো। মা'ই ছিল তার একমাত্র আপনজন। যদি কোন একসময় বাবার কাছে ভয়েভয়ে কিছু চাইতো। বাবার কাছ থেকে সে কখনো হ্যা, শোনেনি। সারাজীবন সে একটি কথাই শুনে এসেছে। নাই এখন। তোমার এত চাওয়া পাওয়া কেন।

জীবনের চড়াই উৎরাই পেরিয়ে ছেলেটি এভাবেই বেড়ে ওঠে। কলেজ পাশ করে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়। জীবন থেমে থাকে না, জীবন চলে জীবনের নিয়মে। জীবন এখন তো স্বাধীন। মন যা চায় তাই করছে, বাঁধা দেওয়ার কেউ নেই, ভাল মন্দ বলার মত কেউ নেই। এখন আর কোনকিছু করতে কোন বাঁধা নেই। মাঝেমাঝে মনেহয় বাবার কঠিন শাসনই তো ভাল ছিল।

যে ছেলেটি বাবা'র শুধু কঠিনত্বই দেখেছে, ভালবাসা বুঝতে পারে নি। সেই ছেলেটিই এখন বাবা'র আদরের সন্তান। বাবা মাথায় হাত বুলিয়ে বলে দেখিস, তুই একদিন অনেক বড় হবি। বাবা-মা কখনো খারাপ হয় না। বাবা-মা মাঝেমাঝে অনেক কঠিন হয় কিন্ত সেটা সন্তানের ভালোর জন্যই, এটা বুঝতে ছেলেদের অনেক বেশিই সময় লেগে যায়।

বাবা'রা ভাল থাকুক সবসময়।

-শামসুজ্জোহা বিপ্লব,
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।

Address

Agailjhara
Barisal
8241

Telephone

+8801683546013

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tech Point Bangladesh posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Tech Point Bangladesh:

Share

Category