M for Meerab

M for Meerab Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from M for Meerab, Digital creator, Barisal.
(24)

নায়িকা ববিতার স্বামী ইফতেখার আলমকে বিয়ের পর ববিতার সামনে আলমের কিছু ডার্ক সাইড উন্মোচন হয়ে গেলে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে তুম...
05/09/2026

নায়িকা ববিতার স্বামী ইফতেখার আলমকে বিয়ের পর ববিতার সামনে আলমের কিছু ডার্ক সাইড উন্মোচন হয়ে গেলে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে তুমুল অশান্তি শুরু হয়।
তাদের দাম্পত্য জীবনের আয়ূ ছিল সাত বছর।

ববিতার সামনে কঠিন এক রূঢ় বাস্তব এসে দাঁড়ালো। বিয়ের আগে আলম নিজেকে ববিতার কাছে কোটিপতি হিসেবে জাহির করেন। সিনেমা থেকে ববিতা অঢেল টাকা পয়সা উপার্জন করেছেন। তাঁর নিজের প্রোডাকশন হাউজ "ববিতা মুভিজ" প্রতিষ্ঠিত করেছেন। তাই স্বাভাবিকভাবে তিনি ধনবান পছন্দ করবেন। আলমকে নিজের জীবনসঙ্গী হিসেবে বাছাই করেছেন।

কিন্তু কঠিন সত্যিটা হলো ইফতেখার কখনো কোটিপতি ছিলেন না। কথিত আছে তিনি বন্ধুর ব্যবসা বাণিজ্য দেখাশোনা করতেন। যা ববিতার কাছে তিনি নিজের ব্যবসা বলে চালিয়ে দিয়েছেন। ঝগড়া মনোমালিন্য যখন তুমুল পর্যায়ে তখন ববিতার গায়ে হা* ত তুলতে শুরু করেন ইফতেখার। এমনকি সহনায়ক পরিচালক প্রযোজকদের সঙ্গে ববিতার অনৈতিক সম্পর্ক আছে বলে চরম অসহিষ্ণু হয়ে উঠেছিলেন ইফতেখার। ববিতার গায়ে হা* ত তুলতে লাগলেন। অশ্রাব্য ভাষায় ববিতাকে গা*গালাজ করতেন। ববিতার মা বাবা ভাই বোনদের নিয়ে অশোভন উক্তি করতেন। ববিতা প্রতিবাদ জানালে তাঁর উপর চড়াও হতেন ইফতেখার।

স্বামী স্ত্রীর অশান্তি ঝগড়াঝাটি ববিতার ভাইবোনদের কানে গেলে তারাও ইফতেখারকে তিরস্কার করেন। ববিতার তিনভাই- বড়ভাই শহীদুল ইসলাম পেশায় ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার, মেজোভাই ইকবাল ইসলাম পেশায় বৈমানিক, এবং ছোটভাই ফেরদৌস ইসলাম আমেরিকা প্রবাসী।

ববিতার উপর ইফতেখার যখন মানসিক নিপীড়ন চালিয়েছেন তখন বড়বোন সুচন্দা চম্পা প্রতিবাদ করলে ইফতেখার তাদেরকেও অপমান করেছেন- এই তথ্য ববিতার ঘনিষ্ঠ সূত্র থেকে জানা যায়।
ববিতার অভিযোগ ছিল, ইফতেখার হররোজ বিদেশি ম*পান করতেন। সন্ধ্যায় টিভিতে মাগরিবের আযান হলে ববিতা ভলিউম বাড়িয়ে দিতেন। কিন্তু ইফতেখার ক্ষিপ্ত হয়ে ছুটে এসে টিভির সুইচ অফ করে দিতেন। দেশি বিদেশি বান্ধবীদের নিয়ে তিনি ম*পান করতেন। কাকরাইলে অবস্থিত ববিতা মুভিজের ট্রেড লাইসেন্স জাল করে মালিক সাজার চেষ্টা করেছেন। বিয়ের আগে আলম যে মার্সিডিজ বেঞ্জ গাড়িটি নিজের বলে চালিয়েছিলেন আদতে সেই গাড়ির মালিক তিনি ছিলেন না। বন্ধুর মার্সিডিজ বেঞ্জকে নিজের বলে চালিয়ে দিয়েছেন। আলমের ঋণের পাহাড় দেখে ববিতা প্রচন্ড হতাশ হন। ববিতাকে ইমপ্রেস করার জন্য তিনি ঋণ করে বড়লোকির ফুটানি দেখিয়েছেন। স্বামীর সাথে দাম্পত্য সম্পর্ক চালিয়ে অসম্ভব বলে ববিতা ১৯৮৭ সালের ২৪ মে তাকে প্রথম তা-লাক দেন।

কিন্তু তালাকের বিষয়টা আলম হজম কর‍তে পারেননি। তিনি ববিতার কাছে মাফ চেয়ে নিজের স্বভাব চরিত্র শোধরানোর প্রতিশ্রুতি দেন। ববিতার কাছ থেকে একটা চান্স চান। আত্মীয়দের পরামর্শে ববিতা তাকে সেই সুযোগ দিয়েছিলেন।
ঠিক দুইদিন পর ২৬ মে ববিতা আলমকে পুনরায় বিয়ে করেন। এখানে ইসলামি রীতি অনুযায়ী হিল্লা বিয়ের সম্পন্ন করার নিয়ম। কিন্তু ববিতা এক্ষেত্রে ইসলামি রীতি অনুসরণ করেননি। তাই তার পুনরায় বিয়ের ব্যাপারটা আইনসিদ্ধ হয়নি বলে সেসময় আলোচনা সমালোচনা হয়েছিল। কিন্তু একমাস যেতে না যেতে আবার সংসারে অশান্তি শুরু হয়। একই ছাদের নিচে দু'জনের বসবাস থাকলেও তারা মুলত আলাদা রুমে ঘুমাতেন। লোক দেখানো স্বামী স্ত্রীর সম্পর্ক চালিয়ে গেলেন।
সাংবাদিকদের সামনে হাসিমুখে পোজ দিয়ে ছবি তোলার ফর্মালিটিজ চালিয়ে গেলেন। সবাই ভাবতে লাগলো ববিতা-আলম সুখে আছেন। আলম ববিতা মুভিজের অফিসে গিয়ে বসতে লাগলেন। কিন্তু ববিতা চাননি আলম তাঁর ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করুন। তিনি অনেক বুঝালেন যে এতে তাঁর সম্মানহানি হয়। কিন্তু আলম নির্বিকার উত্তর দিলেন, "কেন?ওয়াহিদ সাদিক (শাবানার স্বামী) যদি এসএস প্রোডাকশনের অফিসে বসতে পারেন তিনি কেন পারবেন না"?

ববিতার বিরুদ্ধে প্রতারণার একটি মামলা হয়। ইফতেখার মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের ভুয়া লাইসেন্স বানিয়ে ববিতা মুভিজের কর্ণধার সেজে ইন্দো সুয়েজ ব্যাংকে ববিতা মুভিজের নামে একটি ব্যাংক একাউন্ট খোলেন। তিনি এই একাউন্ট থেকেই ববিতা মুভিজের টাকা পয়সা লেনদেন করতেন। সিলেটের দিলশাদ সিনেমাহলের প্রাপ্য ৫০ হাজার টাকার চেক ওই একাউন্ট থেকেই ইস্যু করা হয়। কিন্তু চেক ডিক্লাইন্ড হয়। আর তখন ববিতার বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা দায়ের করা হয়।
ববিতার মাথায় যেন আকাশ ভেঙে পড়লো। ইফতেখার ববিতা মুভিজের অফিস থেকে ববিতার বিশ্বস্ত কর্মচারীদের বের করে দিয়ে তার অনুগতদের চাকরি দেন। কিন্তু এটা ববিতা মেনে নিতে পারেননি। তিনি ববিতা মুভিজের অফিসে চিরুনি অভিযান চালিয়ে ইফতেখারের সকল শঠতা জাতিয়াতি প্রতারণার প্রমাণ পান। এসব দেখে ববিতা মুভিজের অফিসে তালা ঝুলিয়ে দেন ববিতা। পাঁচদিন কোনো শ্যুটিং ডাবিংয়ে যাননি। অনেক ভেবে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হন এবং জীবনের কঠিন সিদ্ধান্তটি নেন। ইফতেখারকে ডিভোর্স না দিয়ে আর উপায় নেই। এরমধ্যে ইফতেখার ববিতাকে না জানিয়ে তাঁর গাড়ি বিক্রি করে ফেলেন। ববিতা তখন শ্যুটিংয়ে ব্যাংকক ছিলেন। রাগে অগ্নিশর্মা হন ববিতা। গাড়িটি ছিল তাঁর শখের । এবার ববিতা আইনের পথে হাঁটার সিদ্ধান্ত নেন।

ব্যারিস্টার রাবেয়া ভুঁইয়া ববিতাকে আইনগতভাবে সহায়তা করেন। স্বামীর বিরুদ্ধে কিছু স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ জারির জন্য আদালতে আবেদন করেন। ইফতেখার যেন কখনো ববিতার গুলশানের বাড়িতে ঢুকতে না পারেন। তিনি ববিতা মুভিজের বৈধ মালিক নন। তাই তিনি ববিতার প্রতিষ্ঠানে ঢুকতে পারবেন না। একদিন ইফতেখার ববিতার গুলশানের বাড়ি ছেড়ে চলে যান। শিশু অনীককে একাই মানুষ করেন ববিতা।

তবে ডিভোর্সের পর ইফতেখার মিডিয়ার কাছে ববিতা সম্পর্কে কিছু অভিযোগ করেন। তার মতে,ববিতার আগে একটা বিয়ে হয়েছিল মরহুম নায়ক ফারুকের সাথে। সে খবর বড়বোন সুচন্দার কানে যাওয়া মাত্র সুচন্দা ক্ষুব্ধ হন ববিতার উপর। বড়বোনের শাসনের চোখ এড়িয়ে ববিতা গোপনে ফারুককে বিয়ে করার পর একটা সিনেমার লোকেশনে খুব সম্ভবত ঢাকার বাইরে মানিকগঞ্জের দিকে কোথাও ছিলেন। সুচন্দা সেখানে ছুটে যান। গিয়ে ববিতাকে চ* ড় থা* প্পড় দিয়ে সাথে নিয়ে ঢাকায় ফিরে আসেন।

তারপর ববিতার উপর জোর খাটিয়ে ফারুককে ডিভোর্স দেন। তবে জাফর ইকবালের সঙ্গেও ববিতার তুমুল প্রেমের সম্পর্ক ছিল। একসময় ববিতার কাছে প্রত্যাখ্যাত হয়ে ম*-এর নেশায় ডুবে যান জাফর। স্ত্রী সোনিয়ার সঙ্গে জাফরের ভালো সম্পর্ক ছিলনা। লিভার সিরোসিসে জাফর ইকবালের অকাল মৃ* ত্যু হয়। শোনা যায়, ইফতেখার আলমের মৃ*:ত্যুর পর ববিতা গিয়েছিলেন প্রাক্তন স্বামীর লা*দেখতে। সেখানে ইফতেখারের আত্মীয়রা ববিতাকে দেখেই ক্ষেপে যায়। তাঁরা ইফতেখারের মৃ* ত্যুর জন্য ববিতাকে দায়ী করেন। ববিতার সঙ্গে তারা দুর্ব্যবহার করলে ববিতা বিমর্ষ মুখে শোকবাড়ি থেকে বেরিয়ে যান।💔

শ্রেয়া ঘোষাল ও তার স্বামী শিলাদিত্যর পরিচয় তাঁদের স্কুল জীবনে। তাঁরা বহু বছরের দীর্ঘদিনের বন্ধু ছিলেন। সেখান থেকে প্রে...
05/09/2026

শ্রেয়া ঘোষাল ও তার স্বামী শিলাদিত্যর পরিচয় তাঁদের স্কুল জীবনে। তাঁরা বহু বছরের দীর্ঘদিনের বন্ধু ছিলেন। সেখান থেকে প্রেম এবং দীর্ঘ প্রেমের সম্পর্কের পর ২০১৫ সালে তাঁরা বাঙালি ঐতিহ্যবাহী রীতিতে এক ঘরোয়া অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিয়ে করেন।
শিলাদিত্য মুখোপাধ্যায় টেকনোলজি সেক্টরের একজন উদ্যোক্তা এবং টেক-ইঞ্জিনিয়ার। যদিও দুজনের কাজের ক্ষেত্র সম্পূর্ণ আলাদা, তবুও শ্রেয়া প্রায়ই উল্লেখ করেন যে তাঁদের কাজের মধ্যকার পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও বোঝাপড়া তাঁদের সম্পর্ককে মজবুত করেছে।

​২০২১ সালে তাঁদের কোল আলো করে আসে তাঁদের পুত্রসন্তান 'দেবানিয়া'....
​সন্তান হওয়ার পর শ্রেয়া যখন আবার কাজে ফেরেন সঙ্গীত রেকর্ডিং, কনসার্ট এবং দেশ-বিদেশের ট্যুর ইত্যাদি। তখন শিলাদিত্য নিজের কাজের পাশাপাশি বাবার দায়িত্ব অত্যন্ত সাবলীলভাবে পালন করা শুরু করেন।

​ ভারতীয় বা দক্ষিণ এশীয় সমাজব্যবস্থায় ঘরের কাজ বা সন্তান লালন-পালনকে কেবল মায়ের দায়িত্ব হিসেবে দেখার যে মানসিকতা রয়েছে, শিলাদিত্য সেটির একদম বিপরীত। রান্নাঘরের টুকটাক কাজ বা নিজের ব্যবহার করা বাসন ধোয়ার মতো ছোট ছোট কাজ তিনি নিজ থেকেই করেন।

শ্রেয়া বহুবার হাসিমুখে বলেছেন যে, দেবানের কাছে শিলাদিত্য শুধু একজন বাবা নন, তাঁর মাঝে এক ধরনের 'মাতৃসুলভ' মমতাও রয়েছে। মাঝরাতে সন্তান জেগে উঠলে শ্রেয়ার ঘুম না ভাঙিয়ে নিজে উঠে সন্তানকে কোল নেওয়া বা ঘুম পাড়ানোর মতো কাজগুলো শিলাদিত্য অত্যন্ত স্বতঃস্ফূর্তভাবে করেন।

একজন পারফর্মিং আর্টিস্ট হিসেবে শ্রেয়াকে প্রায়ই লাইভ শো ও ট্যুরের জন্য মাসের পর মাস ঘরের বাইরে থাকতে হয়। শিলাদিত্য কখনোই "কেন ঘরে সময় দিচ্ছ না" বা "কোথায় আছ" ধরনের প্রশ্ন তুলে তাঁকে অপরাধবোধে ফেলেন না।

শ্রেয়ার এই কথাগুলো কেবল নিজের স্বামীর প্রশংসা নয়, বরং সমাজের জন্য একটি বার্তা। প্যারেন্টিং বা সন্তান প্রতিপালন যে একা মায়ের কাজ নয়, এটি যে মা ও বাবা দুজনের সমান অংশীদারিত্বের বিষয়, শিলাদিত্য ও শ্রেয়ার যৌথ জীবন তার একটি বাস্তব উদাহরণ।
​শ্রেয়া ঘোষালের এই মন্তব্যটি সোশ্যাল মিডিয়ায় এবং নারী মহলে ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়, কারণ এটি বর্তমান কর্মজীবী নারীদের জন্য একটি সুস্থ মানসিক স্বস্তির পরিবেশ বা 'কমফোর্ট জোন'-এর গুরুত্বকে তুলে ধরে।❤️

কাজল এবং অজয় দেবগনের বড় মেয়ে নিয়াসা দেবগন। নিয়াসার বয়স যখন ১২ বছর, তখন টিনএজ বয়সের জেদ ও হরমোনের পরিবর্তনের কারণে মা-...
05/09/2026

কাজল এবং অজয় দেবগনের বড় মেয়ে নিয়াসা দেবগন। নিয়াসার বয়স যখন ১২ বছর, তখন টিনএজ বয়সের জেদ ও হরমোনের পরিবর্তনের কারণে মা-মেয়ের মধ্যে প্রচুর তর্কাতর্কি হতো।

কাজলের দেওয়া এক সাক্ষাৎকারের তথ্য অনুযায়ী, টানা ৬ মাস ধরে তাদের মধ্যে তুচ্ছ বিষয় নিয়ে ঝামেলা হচ্ছিল। একদিন এক তুমুল ঝগড়ার মুখে কাজল এতটাই রেগে যান যে নিয়াসাররএকবারে নতুন আইফোনটি টেনে আছাড় মেরে ভেঙে ফেলেন!

কাজলের মা, বর্ষীয়ান অভিনেত্রী তনুজা সবসময় কাজলকে বলতেন, "ঈশ্বর যেন তোমাকেও একদম তোমার মতো একটা মেয়ে দেয়!" বড় হয়ে কাজল যখন নিয়াসাকে হাসতে হাসতে এই একই কথাটি বলেন, নিয়াসা সঙ্গে সঙ্গে জবাব দেন, "না মা, আমি শুধু ছেলে বাচ্চা জন্ম দেব, কারণ আমার মতো কোনো মেয়েকে সামলানো আমার পক্ষে অসম্ভব!"

কাজল নিজেই স্বীকার করেছেন, নিয়াসার টিনএজ বয়সে তাদের দুজনের বন্ডিং তৈরি করতে প্রায় ৩ বছর লড়াই করতে হয়েছিল। কারণ দুজনেই মাঝেমধ্যে অযৌক্তিক জেদ ধরতেন। পরে কাজল সিদ্ধান্ত নেন যে তিনি মা হিসেবে তর্ক থামিয়ে শুধু মেয়ের কথা শুনবেন, আর তাতেই আস্তে আস্তে তাদের সম্পর্কের বরফ গলে।❤️

গায়ের রং 'কালা'! ১২ বছর বয়স থেকে গায়ের রং নিয়ে বুলিংয়ের শিকার হতে হয়েছে  সুহানা খানকে!!🙂​২০২০ সালের সেপ্টেম্বর মাসে সুহা...
05/09/2026

গায়ের রং 'কালা'! ১২ বছর বয়স থেকে গায়ের রং নিয়ে বুলিংয়ের শিকার হতে হয়েছে সুহানা খানকে!!🙂

​২০২০ সালের সেপ্টেম্বর মাসে সুহানা খান তাঁর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে ট্রোলারদের একটি উপযুক্ত জবাব দেন। সেখানে তিনি বেশ কিছু কটূ মন্তব্যের স্ক্রিনশট শেয়ার করেন, যেখানে অনেকেই তাঁকে "কালা" , "কালি বিল্লি" বা "চুড়েল" বলে মন্তব্য করেছিল।

​নিজের একটি ছবি শেয়ার করে সুহানা লেখেন,
১২ বছর বয়স থেকেই তাঁকে গায়ের রং নিয়ে মানুষের কটূ কথা শুনতে হয়েছে। প্রাপ্তবয়স্কদের মনমানসিকতার কারণে একটি ছোট বাচ্চাকে হীনম্মন্যতায় ভুগতে হয়েছিল।

তিনি উল্লেখ করেন যে, দক্ষিণ এশীয় সমাজে নিজের রক্তের সম্পর্কের মানু্য়ের গায়ের রং ফর্সা না হলে তাঁদের প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণ করা হয়।

সুহানা অত্যন্ত স্পষ্টভাবে লেখেন, "আমি ৫ ফুট ৩ ইঞ্চি এবং শ্যামলা । আমি এটা নিয়ে ভীষণ খুশি ও গর্বিত। আপনারও উচিত নিজের গায়ের রং নিয়ে সন্তুষ্ট থাকা।"

​তারকা সন্তান হওয়ায় ছোটবেলা থেকেই সুহানা পাপারাজ্জি ও নেটিজেনদের নজরে ছিলেন। কিন্তু তিনি সিনেমায় পদার্পণ করার আগেই কেবল গায়ের রঙের কারণে অনলাইনে ব্যাপক ট্রোলিংয়ের মুখোমুখি হন। ভারতীয় সমাজে দীর্ঘদিনের প্রচলিত "ফর্সা গায়ের রঙই সৌন্দর্যের একমাত্র মাপকাঠি" এই সংকীর্ণ মানসিকতাই ছিল তাঁর প্রতি আক্রমণের মূল কারণ।

​শাহরুখ খান সবসময়ই তাঁর মেয়েকে নিয়ে গর্ববোধ করেছেন এবং গায়ের রং কেন্দ্রিক এই সমালোচনাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়েছেন।
​একটি সাক্ষাৎকারে শাহরুখ খান বলেছিলেন, "আমার মেয়ে কিছুটা শ্যামলা ম, কিন্তু সে পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দরী মেয়ে। আমি কোনোদিন সৌন্দর্যের তথাকথিত নিয়ম মানি না।"
​শাহরুখ সবসময় জোর দিয়ে বলেছেন যে, প্রতিভা ও ব্যক্তিত্ব মানুষের আসল পরিচয়, গায়ের রং নয়।

​ভারতে সৌন্দর্য চর্চায় ফর্সা করার ক্রিম ও বর্ণবাদী মানসিকতার বিরুদ্ধে যে আলোচনা শুরু হয়েছিল, সুহানার এই পোস্ট তাতে নতুন মাত্রা যোগ করে।সুহানার এই সাহসী পদক্ষেপটি সেই সময়ে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছিল।
আলিয়া ভাট, জয়া বচ্চন, শ্বেতা বচ্চনসহ বলিউডের অনেক তারকা সুহানার এই সোচ্চার ভূমিকাকে সমর্থন জানিয়েছিলেন।
​বর্তমানে সুহানা খান বলিউডে নিজের অভিনয় ক্যারিয়ার শুরু করেছেন এবং গায়ের রং বা বাহ্যিক রূপ নিয়ে চলা প্রচলিত সামাজিক কুসংস্কারের বিরুদ্ধে একজন আত্মবিশ্বাসী ব্যক্তিত্ব হিসেবে নিজেকে তুলে ধরেছেন।❤️

এক মেয়ে গেছে নায়িকা পূর্ণিমার সাথে ছবি তুলতে। পূর্ণিমা প্রথমে পারমিশনও দিলো। কিন্তু ছবি তোলার সময় মেয়েটা যখন একটু ক্লোজ ...
05/09/2026

এক মেয়ে গেছে নায়িকা পূর্ণিমার সাথে ছবি তুলতে। পূর্ণিমা প্রথমে পারমিশনও দিলো। কিন্তু ছবি তোলার সময় মেয়েটা যখন একটু ক্লোজ হয়ে সুন্দর একটা ফ্রেমের জন্য মাথাটা হালকা কাছে নিয়েছে, অমনি পূর্ণিমা খেপে লাল!

রীতিমতো মেয়েটাকে অপমান করে বললেন, "আমার কোলে এসে বসে ছবি তোলেন! কোলে বসে ছবি তোলেন!"
ভয়ে, লজ্জায় আর অপমানে মেয়েটা মুখ অন্ধকার করে ওখান থেকে চলে গেল।

ভাই, আমার প্রশ্ন হলো এই তথাকথিত নায়ক-নায়িকারা নিজেদের ভাবেনটা কী? মানুষ আপনাদের ভালোবাসে বলেই তো আপনাদের সাথে ছবি তুলতে চায়। একটু কাছে ঘেঁষলেই যদি আপনাদের জাত চলে যায়, তবে ছবি তোলার পারমিশন দেন কেন?
আর আমাদের দেশের সাধারণ মানুষের প্রতিও আমার একটাই অনুরোধ নিজেদের আত্মসম্মান বোধটা এত সস্তা করবেন না। এরা পর্দার বাইরে আর ১০ জন সাধারণ মানুষের মতোই মানুষ, কোনো এলিয়েন না! এদের পেছনে ছুটে নিজেদের ছোট করার কোনো মানে হয় না। যে আপনার সম্মানের মূল্য দিতে জানে না, তাকে বয়কট করতে শিখুন।
নিজের সেলফ-রেসপেক্ট সবার আগে। ✋🔥

এ জীবনে যতটুকু চেয়েছি , মন বলে তারও বেশি পেয়েছি। আল্লাহ আমাকে অনেক অনেক দিয়েছেন। আমি যা পেয়েছি তা নিয়ে সন্তুষ্ট , পরিতৃপ...
05/09/2026

এ জীবনে যতটুকু চেয়েছি , মন বলে তারও বেশি পেয়েছি।
আল্লাহ আমাকে অনেক অনেক দিয়েছেন। আমি যা পেয়েছি তা নিয়ে সন্তুষ্ট , পরিতৃপ্ত। আলহামদুলিল্লাহ !

হবো নাই বা কেন ? চুরাশি সালে যখন আমাদের বিয়ে হয় তখন মেজর সাহেবের (আমার কর্তা) বেতন মাত্র চার হাজার দুইশত টাকা। অনেকেই বলবেন ওই সময় চার হাজার দুইশত টাকার অনেক মূল্যও ছিল। নারে ভাই , ওই টাকা দিয়ে সারা মাসের বাজার, মেহমানদারি, কাপড় চোপড়, বিয়ে শাদী, জন্মদিনের দাওয়াত, অন্যান্য খরচ চালাতে হিমসিম খেয়েছি। বিয়ের তিন মাস পর বুদ্ধিমান মেজর সাহেব যখন আমার হাতে পুরো বেতনের টাকা দিয়ে বললেন, 'এই আমার বেতন, এ দিয়েই সারা মাস চালাতে হবে। তুমি কেমন করে চালাবে আমি জানিনা '। আমি তো হতভম্ব ! এই লোক বলে কী ? এত কম টাকা দিয়ে আমি কিভাবে চালাবো ?

আর্মিতে ফুল ফার্নিশড বাসা , রেশন , ফ্রি চিকিৎসা।সারা মাসের লন্ড্রি করতে নামে মাত্র টাকা দিতে হতো। মাসে এক দু'বার অন পেমেন্ট( '৫০ টাকা প্রতি মাইল) এ গাড়িও পেতাম। তারপরও এত কম টাকা দিয়ে সংসার চালানো আমার কাছে বিশাল সমস্যা মনে হয়েছিল। হিসেব করা চলা আমি শিখিনি। সচ্ছল পরিবারের সবার ছোট, আব্বার অত্যন্ত আদরের মেয়ে। চাওয়ার আগেই সব হাজির। আমি কেমন করে কী করবো ?

বিয়ের পর সংসার শুরু হয় খিলগাঁও চৌধুরীপাড়া ভাড়া বাসায়। শাশুড়ি সাথে ছিলেন।কি দিয়ে কি হচ্ছে টের পাইনি। নতুন অবস্থায় ঘন ঘন বাবার বাড়ি আর এদিক সেদিক দাওয়াত খেয়েই কিছুদিন কেটে গেল।

তিন মাস পর পিলখানায় সরকারি কোয়ার্টার পেলাম। মেজর সাহেবের স্ত্রী হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু সুবিধা পাওয়া শুরু হল। যেমন, চিকিৎসা ও রেশন। আহা, এই রেশনের চালের ভাত কিছুতেই গিলতে পারতাম না। বাবার বাড়িতে সারাজীবন বরিশালের এক নম্বর বালাম চালের ভাত খেয়েছি। আমাদের বাড়িতে সাহায্যকারী ৮/১০ জন থাকলেও কখনো আলাদা করে তরকারি আর মোটা চাল বা রেশনের চালের ভাত রান্না হতোনা। আমরা যা খেতাম,ওরাও তাই খেত। বিয়ের পর রেশনের চালের ভাত দেখলেই কান্না পেত। আমার একটাই কথা। তরকারি যেমন তেমন ভাতটা যেন ভাল চালের হয়। ঝরঝরা হয়।

একদিন মেজর সাহেবকে খুব সাহস করে বল্লাম, পাশের বাসার ভাবীরা রেশনের পুরো চাল বিক্রি করে প্রয়োজনমত ভালো চাল কিনে আনেন। আমি বাকিটুকু বলার আগেই উনি খুব শক্ত গলায় বলে দিলেন ' আমার বাসায় এটা হবেনা '। বেলুনের মত আমি চুপসে গেলাম। সেই থেকে বুঝলাম আমাদের সংসারে কর্তার ইচ্ছাতেই কর্ম। পারি বা না পারি রেশনের চালের ভাত, আটারুটি খেতে হয়েছে অনেকদিন। একসময় সরকার রিটায়ার্ড অফিসারদের রেশন বন্ধ করে দিল। ততদিনে আমি অভ্যস্ত। এখন নাজিরশাইল, মিনিকেট, কাজললতা আরো কত কী ?

বিয়ের বছর খানেক বাদেই প্রথম ছেলের , সাড়ে তিন বছরের মাথায় মেজ ছেলের জন্ম। সংসার বড় হয়েছে, বেতন তেমন বাড়েনি। ঈদে মেজর সাহেব ভাল একটা শাড়ি কেনার কথা বললে দশবার ভাবতাম। শাড়ি কিনলে বাকি মাস কিভাবে চালাবো ? পরপর দুই ছেলে হওয়াতে একজনের কাপড়, কাঁথা, খেলনা, বই দিয়েই আরেকজনকে চালিয়েছি। বাচ্চাদেরকে গিফট হিসেবে কেউ কিছু টাকা দিলে জমিয়ে রাখতাম। দুই ঈদে বোনাস পেলে যাকাত আর কুরবানীর জন্য বাজেট করতে হতো। আমার অনেক গহনা ছিল। বাবার বাড়ি থেকে গহনা পেয়েছি। কিন্তু যাকাত দেয়ার টাকা তো আর পাইনি। ঈদে বাচ্চাদেরকে কেউ না কেউ নতুন কাপড়,খেলনা দিত।

বিয়ের পর ভাবতেই পারিনি কোনদিন আমাদের নিজের বাড়ি হবে, গাড়ি হবে। ছেলেরা বিদেশে লেখাপড়া করতে পারবে।

আল্লাহ উত্তম পরিকল্পনাকারী। আল্লাহ আমাদের জন্য সবকিছু সহজ করে দিয়েছেন। নাহ, আলাউদ্দিন এর কোন চেরাগ পাইনি।পাইনি ধনী বাবার সম্পদও।

পঁচিশ বছর আর্মির চাকরির পর উনি আরো পনের বছর প্রাইভেট জব করেছেন। বিয়াল্লিশ'শ থেকে একসময় ওনার বেতন হয়েছে বিয়াল্লিশ হাজার টাকা। সৌভাগ্যক্রমে বারিধারায় প্লট পেয়েছি। এ্যাপ্লাই করার পঁয়তাল্লিশ দিনের মাথায় হাউসবিল্ডিং এর লোন পেয়ে গেছি। খুব সাধারণভাবে মাথা গোঁজার একটা ঠাঁই করেছি। বাড়িতে দামি টাইলস, দামি ফিটিংস লাগাবার দুঃস্বপ্ন কখনো দেখিনি। এখনো দেখিনা।

আমার বাসায় দামি আসবাব নেই, দামি পর্দা নেই, নেই দামি টিভি, ফ্রিজ। চোর চুরি করতে এসে নির্ঘাত হতাশ হয়ে ফিরে যাবে।

আমি কখনোই বেহিসেবী ছিলাম না। চাইলেই বিলাসী জীবন যাপন করতে পারতাম। কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় এ সাধারণ তাঁতের শাড়ি, কাঁচের চুড়ি পড়তাম।

আমার ছেলেদের সবসময় ভাল স্কুল কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখাপড়া করানোর বাসনা ছিল। আল্লাহর অশেষ কৃপায় যখন যেখানে ভর্তি করাতে চেয়েছি সেখানেই করাতে পেয়েছি কোনরকম তদবির ছাড়াই। আল্লাহ আমার কোন আশাই অপূর্ণ রাখেননি।

সময়মত আমার অত্যন্ত সৎ স্কুল মাস্টার শ্বশুরের কাছ থেকে সামান্য কিছু সম্পদ পেয়েছিলাম। প্রয়োজনের সময় সঠিক মূল্যে বিক্রিও করতে পেরেছি। যখন যে কাজটা করার পরিকল্পনা করেছি সেই কাজটা করতে গিয়ে কখনোই বাঁধাপ্রাপ্ত হইনি। আমি অত্যন্ত ভাগ্যবান। শ্বশুরের কাছ থেকে পাওয়া টাকা দিয়ে আমি হজ্জ্ব করেছি।

সবচাইতে বড় কথা সবসময় বুঝে শুনে চলেছি। আর সন্তুষ্ট থেকেছি। হাতে টাকা পেয়ে ব্যাংকক সিঙ্গাপুর নিদেনপক্ষে কোলকাতা যাওয়ার কথা ভাবতে পারতাম। কারণ সব মানুষেরই বিদেশে বেড়ানোর সখ থাকে। বিয়ের আটাশ বছর পর আমি প্রথম দেশের বাইরে যাই সাউদি আরব এ হজ্জ্ব করতে।

আমাদের দুজনের রুচি, পছন্দ অপছন্দ, খাওয়া দাওয়া, চাল চলন ছিল একেবারেই ভিন্ন। দুইজন দুই মেরুর। কিন্তু বিয়ের পর আমি হয়ে গেলাম অন্য এক মানুষ। আমার মত চঞ্চল , উচ্ছ্বল , প্রাণবন্ত মানুষ নিজেকে সম্পূর্ণ বদলে ফেললাম। আমার জীবনসঙ্গী মানুষ হিসেবে অত্যন্ত ভাল ছিলেন বলেই হয়তো সব সম্ভব হয়েছে। পুড়ে পুড়ে আমাকে বানিয়েছেন খাঁটি সোনা (নকলও হতে পারে)।

আমি গান পছন্দ করতাম, বেড়াতে পছন্দ করতাম। বন্ধু বান্ধব নিয়ে হৈচৈ করা, একসাথে সিনেমা দেখা, নাটক দেখা, বই মেলায় যাওয়া, স্টেডিয়াম এ ক্রিকেট খেলা দেখা ছিল আমার সখ। খুবই রোমান্টিক ছিলাম। আর আমার উনি গুরুগম্ভীর। অন্যদিকে অসম্ভব দায়িত্ববান একজন স্বামী। নিজের জন্য কখনোই ভাবেননি। সর্বক্ষেত্রে সন্তানদের জন্য উজার করে দিয়েছেন। বাবা হিসেবে উনি এককথায় অনন্য।

এমন কঠিণ হৃদয়ের একজন মানুষ যিনি আমাকে সারাক্ষণ দৌড়ের উপর রেখেছেন তাঁকে নিয়ে ঊনচল্লিশ বছর কাটিয়ে দেয়ার পর মনে হয় আমি একটা সোনার মেডেল পেতেই পারি।

এখন আর কোন অভিযোগ নেই ,অভিমান নেই। সামান্য যেটুকু আছে তা মনের সিন্দুকে তালা দিয়ে রেখেছি। মাঝে মাঝে খুলি, দেখি, আবার বন্ধ করে রাখি।

দিন বদলেছে। ছেলেরা যে যার মত লেখাপড়া শেষ করে চাকরি করছে। বাচ্চাদের পেছনে আর খরচ করতে হয়না। আর্থিক স্বচ্ছলতা এসেছে। চাইলেই নিজের জন্য খরচ করতে পারি , কাউকে মনমতো কিছু দিতে পারি। কোথাও বেড়াতে যেতে পারি।

আগের মত সংসারের ব্যস্ততা নেই। আমার বয়স তেষট্টি , মেজর সাহেবের প্রায় পঁচাত্তর। আমাদের দাম্পত্য জীবনের ঊনচল্লিশ বছর। তিন পুত্র, দুই পুত্রবধূ, দুই নাতি নাতনি। এখন আমাদের সুখের সংসার। সুস্থভাবে আরো কিছুদিন বাঁচতে ইচ্ছে করে।

ছেলেদের নিজেদের সংসার হয়েছে। ওদের ব্যস্ততা বেড়েছে। শুরুতে যেমন দুজন ছিলাম শেষ জীবনে এসে আবার সে---ই দুজন। তাই অন্তরে বেজে ওঠে -

এই তো হেথায় কুঞ্জছায়ায় স্বপ্ন মধুর মোহে। এ জীবনে যেক'টি দিন পাবো , তোমায় আমায় হেসে খেলে কাটিয়ে দেবো দোঁহে ,স্বপ্ন মধুর মোহে।

লেখা-লতা

মালাইকা আরোরা নিজের যোগ্যতায় ক্যারিয়ার গড়েছেন। আজ তিনি পঞ্চাশোর্ধ্ব একজন নারী, এক ২৩ বছরের সন্তানের মা, এবং তিনি নিজের শ...
04/09/2026

মালাইকা আরোরা নিজের যোগ্যতায় ক্যারিয়ার গড়েছেন। আজ তিনি পঞ্চাশোর্ধ্ব একজন নারী, এক ২৩ বছরের সন্তানের মা, এবং তিনি নিজের শর্তে স্বাধীন ও সানন্দ জীবনযাপন করছেন। নিজের উপার্জনে বিলাসবহুল জীবন কাটানো, ফিটনেস বজায় রাখা, ফ্যাশনেবল পোশাক পরা বা নিজের পছন্দের মানুষের সঙ্গে সম্পর্কে থাকা এর কোনোটিই কোনো অপরাধ নয়।🙂

​অথচ ফেসবুকসহ অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়ায় তাকে নিয়ে প্রতিনিয়ত কুরুচিকর মন্তব্য করা হয়। কারণটা খুব স্পষ্ট... আমাদের সমাজ এখনো একজন স্বাধীন, সফল এবং বয়সের তোয়াক্কা না করে জীবনকে উপভোগ করা নারীকে সহজভাবে গ্রহণ করতে পারে না।

​ একজন পুরুষ যদি বয়সে অনেক ছোট কোনো নারীকে বিয়ে করেন বা তার সঙ্গে প্রেম করেন, সমাজ তাকে ‘নায়ক’ বা ‘পুরুষত্ব’ বলে বাহবা দেয়। কিন্তু কোনো নারী যদি নিজের চেয়ে বয়সে ছোট পুরুষকে সঙ্গী হিসেবে বেছে নেন, তবে তাকে মুহূর্তের মধ্যে ‘চরিত্রহীন’ বা ‘অসামাজিক’ বানিয়ে দেওয়া হয়।

​আমাদের সমাজে প্রচলিত ধারণা হলো ডিভোর্স হলে বা একা থাকলে একজন নারীকে সবসময় বিষাদগ্রস্ত ও লোকচক্ষুর অন্তরালে থাকতে হবে। মালাইকা সেই তথাকথিত সামাজিক ছক ভেঙেছেন। তিনি দেখিয়েছেন, সম্পর্কের ইতি টানা মানে জীবনের ইতি নয়।

ট্রলকারীদের একটা বড় অংশ নিজের জীবনে অসফল বা হতাশ। যারা মালাইকাকে নিয়ে বাজে মন্তব্য করেন, তাদের অনেকেই ব্যক্তিগত বা পেশাগত যোগ্যতায় মালাইকার ট্রলি ব্যাগ টানারও সক্ষমতা রাখেন না। কিন্তু পর্দার ওপাশে বসে অন্যকে নিচু করে কথা বলা তাদের জন্য সহজ।

​ একজন নারী মা হওয়ার পরও নিজের আলাদা অস্তিত্ব বজায় রাখতে পারেন, গর্জিয়াস থাকতে পারেন মালাইকা তার বড় উদাহরণ। একটা কথা কি জানেন? যে সমাজ নিজের যোগ্যতা বাড়াতে পারে না, সে সমাজ সফল ও স্বাধীন মানুষকে টেনে নিচে নামাতেই বেশি আনন্দ পায়। মালাইকা অরোরা সেই সব ট্রলকে তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিয়ে যেভাবে নিজের জীবন বাঁচছেন, সেটাই এই সংকীর্ণ মানসিকতার মুখে সবচেয়ে বড় জবাব।❤️

ভারতের আলোচিত প্রতারক সুকেশ চন্দ্রশেখর এবং ২০০ কোটি রুপির অর্থপাচার মামলাকে কেন্দ্র করে বলিউড অভিনেত্রী জ্যাকলিন ফার্নান...
04/09/2026

ভারতের আলোচিত প্রতারক সুকেশ চন্দ্রশেখর এবং ২০০ কোটি রুপির অর্থপাচার মামলাকে কেন্দ্র করে বলিউড অভিনেত্রী জ্যাকলিন ফার্নান্দেজ ও নোরা ফাতেহি-র মধ্যকার নাম জড়ানোর ঘটনাটি ভারতের বিনোদন জগৎ ও আইনি অঙ্গনে অন্যতম আলোচিত স্ক্যান্ডাল।

​সুকেশ চন্দ্রশেখর তামিলনাড়ুর একজন উচ্চাকাঙ্ক্ষী প্রতারক, যে নিজেকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বা কোনো বড় বিজনেস টাইকুনের কর্মকর্তা হিসেবে পরিচয় দিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিত।

তিহার জেলে বন্দী থাকা অবস্থাতেই ভার্চুয়াল নম্বর, স্পুফিং অ্যাপ এবং প্রযুক্তি ব্যবহার করে সে সাবেক রানব্যাক্সি প্রমোটার শিবিন্দর সিংয়ের স্ত্রী অদিতি সিংয়ের কাছ থেকে ২০০ কোটি টাকার বেশি হাতিয়ে নেয়।

​প্রতারণার অর্থ দিয়ে সে বিলাসবহুল জীবনযাপন করত এবং নিজেকে প্রযোজক বা শিল্পপতি পরিচয় দিয়ে বলিউডের একাধিক অভিনেত্রীকে নিজের জালে ছক কষে ফেলেছিল।

​২০০ কোটি রুপির অর্থপাচার মামলায় জ্যাকলিন ফার্নান্দেজের নাম সবচেয়ে জোরালোভাবে আসে।
​ তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট -এর তথ্যমতে, সুকেশ জ্যাকলিনকে ৫ কোটিরও বেশি মূল্যের হিরের গহনা, ৪টি পার্সিয়ান বিড়াল, মেক্সিকান ঘোড়া, ডিজাইনার ব্যাগ, জামাকাপড় এবং চার্টার্ড ফ্লাইটে ভ্রমণের সুবিধা দেয়। এমনকি জ্যাকলিনের পরিবারের সদস্যদেরও কোটি কোটি টাকা ও গাড়ি পাঠায়।

ইডি জ্যাকলিনকে এই মামলায় অন্যতম অভিযুক্ত হিসেবে চিহ্নিত করে, কারণ সংস্থাটির মতে, জ্যাকলিন জানতেন যে সুকেশ অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত, তবুও তিনি সুবিধা গ্রহণ অব্যাহত রেখেছিলেন। জ্যাকলিনের কয়েক কোটি টাকার সম্পত্তিও বাজেয়াপ্ত করা হয়।

​নোরা ফাতেহির নামও এই তদন্তে উঠে আসে, তবে নোরার দাবি ও ভূমিকা জ্যাকলিনের থেকে ভিন্ন।

সুকেশের স্ত্রী লীনা মারিয়া পল আয়োজিত একটি চ্যারিটি ইভেন্টে অংশ নিয়েছিলেন নোরা। সেখানে সুকেশ তাঁকে একটি বিএমডব্লিউ গাড়ি উপহার দিতে চায়। ইডির মুখোমুখি হয়ে নোরা জানান, উপহারটি তিনি সরাসরি নেননি, বরং সুকেশ তাঁর দুলাভাইয়ের মাধ্যমে গাড়িটি পাঠায়।
​নোরা শুরু থেকেই দাবি করে আসছেন যে তিনি এই চক্রের একজন ভুক্তভোগী। সুকেশের আসল পরিচয় সম্পর্কে তিনি কিছুই জানতেন না এবং তার সাথে নোরার কোনো ব্যক্তিগত বা প্রেমের সম্পর্ক ছিল না।
মামলা চলাকালীন জ্যাকলিন অভিযোগ তোলেন যে নোরাকেও একই ধরনের উপহার দেওয়া হয়েছিল, অথচ তাকে আসামি করা হয়নি। এর জবাবে নোরা জ্যাকলিন ফার্নান্দেজের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেন।

​সম্প্রতি নোরা ফাতেহি একটি পডকাস্টে নিজেকে কেবলই পরিস্থিতির শিকার বা ভুক্তভোগী হিসেবে দাবি করার পর, তিহার জেল থেকে সুকেশ চন্দ্রশেখর তার আইনজীবীর মাধ্যমে একটি খোলা চিঠি জারি করে। সেই চিঠিতে সুকেশ নোরার বিরুদ্ধে একাধিক দাবি উত্থাপন করে।

সুকেশ দাবি করে যে নোরা মোটেই নির্দোষ নন। তিনি নিজ ইচ্ছায় সুকেশের কাছ থেকে আর্থিক সুবিধা নিয়েছেন।
​ চিঠিতে বলা হয়, নোরাকে মরক্কোয় একটি বিলাসবহুল বাড়ি কেনার জন্য কোটি কোটি টাকা দেওয়া হয়েছিল।

সুকেশের দাবি অনুযায়ী, নোরা নাকি জ্যাকলিন ফার্নান্দেজের ওপর প্রচণ্ড ঈর্ষান্বিত ছিলেন। জ্যাকলিনকে যেন সুকেশ ছেড়ে দেন এবং কেবল নোরার দিকেই মনোযোগ দেন এমন দাবি নিয়ে নোরা সুকেশকে নিয়মিত চাপ দিতেন ও অনুনয় করতেন।
​সুকেশ চিঠিটির শেষে নোরাকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলে, তিনি যেন জনসমক্ষে এমন মিথ্যা দাবি করা বন্ধ করেন। তা না হলে তাদের মধ্যবর্তী চ্যাট, কল রেকর্ড এবং আর্থিক লেনদেনের সমস্ত প্রমাণ জনসমক্ষে প্রকাশ করে দেওয়া হবে, যা নোরার ক্যারিয়ার ও ভাবমূর্তি ধ্বংস করে দিতে পারে।
​বর্তমানে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট এবং দিল্লি পুলিশ পুরো বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। সুকেশের একের পর এক চিঠি এবং নোরা ও জ্যাকলিনের মধ্যকার আইনি যুদ্ধ পুরো ঘটনাটিকে আদালত থেকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি বড় বিতর্কে পরিণত করেছে।🙂

এক পডকাস্টে তাপসীরপান্নু জানান, ক্যারিয়ারের একদম শুরুর দিকে ইন্ডাস্ট্রির প্রযোজক, পরিচালক এবং কাস্টিং ডিরেক্টরা তাকে প্র...
04/09/2026

এক পডকাস্টে তাপসীরপান্নু জানান, ক্যারিয়ারের একদম শুরুর দিকে ইন্ডাস্ট্রির প্রযোজক, পরিচালক এবং কাস্টিং ডিরেক্টরা তাকে প্রায়ই ডিমিশ ডিম্পলড চিয়ারফুল গার্ল অর্থাৎ প্রীতি জিন্টার বিকল্প বা নতুন সংস্করণ হিসেবে দেখতেন।
তাপসী জানান, প্রীতি জিন্টা ৯০ ও ২০০০-এর দশকে যে ধরনের প্রাণবন্ত, চঞ্চল চরিত্রে অভিনয় করে মানুষের মন জয় করেছিলেন, আমার মধ্যেও সবাই সেই একই এনার্জি খুঁজতো। আমাকে বলা হতো আমাদের প্রীতি জিন্টার মতো একজন দরকার।এতে আমার ওপর একটা অদৃশ্য চাপ তৈরি হয়েছিল, কারণ প্রীতি জিন্টা যে স্ট্যান্ডার্ড তৈরি করে গেছেন, তার সাথে মানিয়ে নেওয়া সহজ ছিল না।

প্রীতি জিন্টার সেই হাসিখুশি অথচ বলিষ্ঠ যে অন-স্ক্রিন ইমেজ ছিল, তাপসীর শুরুর দিকের চরিত্রগুলোতে সেই ছাপটা রাখার চেষ্টা করা হয়েছিল।
​সত্যি বলতে, চেহারার কাঠামোর দিক থেকে প্রীতি জিন্টা এবং তাপসী পান্নুর মিল বেশ কম। প্রীতি জিন্টার সিগনেচার ছিল গালের গভীর টোল , গোলগাল ফেসকাট এবং চোখ-মুখের বিশেষ অভিব্যক্তি। অন্যদিকে তাপসীর ফেসকাট বেশ শার্প এবং তার কোঁকড়ানো চুল তার চেহারার প্রধান বৈশিষ্ট্য।

তার চেয়ে বরং সিআইডি ধারাবাহিক খ্যাত 'ডক্টর তারিকা'-র ফেস কাটিং, স্ট্রাকচার এবং বিশেষ করে কোঁকড়ানো চুল ও হেয়ারস্টাইলের কারণে দূর থেকে তাপসীর সাথে একটা অদ্ভুত ভিজ্যুয়াল মিল তৈরি হয়। বিশেষ করে তাপসীর শুরুর দিকের কিছু লুকে তাকে ডক্টর তারিকার মতোই বেশ গম্ভীর ও ইন্টেলিজেন্ট ভাইব দিতে দেখা যেত!
আপনাদের কী মতামত? তাপসীকে কি প্রীতি জিন্টা লাগে, নাকি ডক্টর তারিকা? নাকি অন্য কেউ?

বিগ বসের ঘরে  নিরঞ্জনের মতন বিষধর সাপ ঘরে কেউ নেই!আমার বিশ্বাসই হচ্ছেনা ওর কন্টেন্ট আমার এত ভালো লাগত, আর পর্দার আড়ালে ...
04/09/2026

বিগ বসের ঘরে নিরঞ্জনের মতন বিষধর সাপ ঘরে কেউ নেই!
আমার বিশ্বাসই হচ্ছেনা ওর কন্টেন্ট আমার এত ভালো লাগত, আর পর্দার আড়ালে এরম নাগিন টাইপের পার্সোনালিটি! এত্ত Manipulative , এত্ত কুটনি, এত্ত কথা লাগাতে জানে লোকের মাঝে! সবার মুখের সামনে ভালো সেজে নমিনেট করে ভালো কথা, পরে সেটা আবার কভার আপ দেওয়ার জন্যে ইচ্ছা করে বাথরুম এ এসে জোর করে কান্না করার নাটক করলো!
নাটক শেষ আবার সবার কাছে গিয়ে চুগ্লি করে কথা লাগায়!

সেদিন জয়িতার সাথে তরমুজ ঠিক মত কাটতে বলার নাম করে এমনভাবে অ্যাটাক করলো , One Kind of Passive Aggressiveness বলে যেটাকে! পরে জয়িতা বলে কেমনে কাটতে হয় বলে দাও তারপর রীতিমত তিনবার লম্বা টান দিয়ে রিপিট করে বলে , "আমি ঝগড়া করতে চাইনা"!🙄

কি ক্রীপি লাগছিল! মানে মিষ্টি গলায় অ্যাটাক টোনে কথা বলে লোকেদের উত্তেজিত করে ভিকটিম সাজা! সৃজলার সামনে কি নাটকটা কাল করলো, ইচ্ছা করে অকারণে বারবার কেদে ভিকটিম সাজতে যায়! ডেইলি মনামির নামে চুগ্লি করে বলে মনামি ঝগড়া লাগানোর চেষ্টা করছে, মনামীর নাকি ওকে নিয়ে সমস্যা অথচ মণামির এখন পর্যন্ত ঝগড়াও লাগেনি উল্টে ওর জন্যে স্ট্যান্ড নিয়েছে, ওকে নিয়ে একটা আওয়াজ ও বের করে না! গাছের ও খাবে তলার ও কুড়াবে, দুই সাইড ভয়ানক ভাবে মেইনটেইন করে চলবে!

ডেইলি এপিসোড দেখে ওর উপর হেট আমার বেড়েই চলছে, খুবই নেগেটিভ! ভয়ংকর এই নিরঞ্জন, আর কখনো ওকে ভালো লাগবে কিনা সন্দেহ!

#সংগৃহীত

Address

Barisal

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when M for Meerab posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share