06/10/2025
১৩ বছরের বাচ্চার হাতে তার ক্লাসমেট খু*ন
আপনার বাচ্চা সকালে ঘুমিয়ে আছে তখন সকাল ৬টা হবে,তখন হুট করে দরজা দরজা ভেঙ্গে কেউ ডুকে গেলো আপনি দেখলেন তারা পুলিশ। কিছু না বুঝতেই তারা সারা রুম খুঁজলো এবং আপনার তেরো বছরের বাচ্চার রুমে গিয়ে বলল অপরাধী এখানে এবং তারা আপনার ছোট বাচ্চাকে আসামির মতো করে নিল আপনার বাচ্চা শুধু বলল আমি কিছু করিনি আমি আমার বাবাকে চাই।তারপর থানা, শুরু হল খু*নের ইনভেস্টিগেট আপনার বাচ্চার ক্লাসমেটকে খু* ন করার।তারপর তার অনেক হেলথ টেষ্ট নেয়া হল ইভেন আপনার সামনে আপনার ১৩ বছরের বাচ্চার জামা কাপড় খু*লে দেখা হলো খু*নের কোন চিহ্ন পায় কিনা। আপনার বাচ্চা শুধু আপনাকে বলল ও নির্দোষ আপনি নিরুপায় কি করবেন বুঝতে পারছেন না। তারপর আসল উকিল শুরু হল জিজ্ঞাসাবাদ বাচ্চাকে শিখানো হলো কোনটার উত্তর দিবে কোনটার উত্তর দিবে না..
পুলিশ: কাল রাতে কোথায় ছিলা?
বাচ্চা: No comment.
পুলিশ : তোমার ইনস্টাগ্রাম দেখলাম অনেক মডেল ফলো করো তোমার Expectation কি এমন মেয়ে তোমার গার্লফ্রেন্ড হবে?
বাচ্চা: তারা বয়সে আমার থেকে অনেক বড়।
পুলিশ: এটা তো তোমার ছবি বাকি দুইজন তোমার ফ্রেন্ড ওদের নাম কি?
বাচ্চা : no comment.
পুলিশ : একটা মেয়ের ছবি দেখিয়ে এই মেয়েকে চেনো;
ওর সাথে সম্পর্ক কি?
বাচ্চা: খু*ন কি ও হয়েছে?
পুলিশ: তুমি বুঝলা কিভাবে খু*ন কি তুমি করছো?
বাচ্চা: ওরে জাস্ট চিনি ক্লাসের বাইরে কখনও কথা হয় নি।
পুলিশ: তোমার ইনস্টাগ্রামের প্রতিটি পোষ্টে ওর কমেন্ট কেনো?
বাচ্চা: no comment.
পুলিশ: তুমি কি সেই রাতে ওরে ফলো করছো?
বাচ্চা : না। আমি জানি না কিছু।
পুলিশ : কিছু সিসিটিভি ফুটেজ দেখিয়ে বলল এটা কি তুমি?
বাচ্চা: চুপ
পুলিশ: জামা কাপড় তো ফেলে দিছো সেগুলা খুজে পাই নাই কিন্তু Nike AiR Jordan জুতা অনেক এক্সপেন্সিভ তাই ফেলে দেও নাই আর সেটায় প্রমাণ পাওয়া গেছে।
বাচ্চা: আমি কিছু করি নাই।
পুলিশ: একটা ভিডিও দেখালো যেখানে আপনি স্পষ্ট দেখলেন আপনার বাচ্চা সেই মেয়েকে বারবার চা*কু ঢুকিয়ে মা*রতেছে।
আপনি আপনার চোখকে বিশ্বাস করতে পারলেন না বা বিশ্বাস করতে চাইলেন না। তারপর কয়েক সেকেন্ড অন্যদিকে তাকিয়ে পরে ছেলেকে বুকে নিয়ে কাঁদলেন। বাচ্চা যত বড় ভুল করুক সন্তান তো আপনার নিজেরই।
তারপর বাচ্চা সংশোধানাঘরে তাকে বিভিন্ন psychiatrist আসে তার মানসিকতা বোঝার জন্য দীর্ঘ সময় পর জানা যায় সেই খু*ন হওয়া মেয়ে তাকে ইনস্টাতে যত কমেন্ট করত সেগুলা কোন ভালোবাসাময় কমেন্ট ছিল না ওর জে*ন্ডার ছোট করার জন্য উল্টাপাল্টা কমেন্ট করত,বু*লিং করত আর ক্লাসের অন্যরা সেখানে লাইক দিতেো বাট যেটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল ওই বাচ্চা ছেলে এসব দেখে নিজেকে পৃথিবীর সবথেকে অসু*ন্দর ছেলে ভাবত নিজেকে এবং দিনের পর দিন নিজে মানসিক হতশায় ডুবে যেতো। আপনার ছোট বাচ্চা জে*ল খাটতেছে আর সেটা এখন talk of the town। সো আপনি যতই কষ্ট থাকুন আপনার প্রতিবেশীদের কাজ হলে সেটা বাড়ানো তারা আপনাদের জীবন অতিষ্ঠ করে দিতে একবিন্দু ছা*ড় দিবে না। তারা এটা ভাববে নস কোন বাবা মা তার বাচ্চাকে Cri*me করতে শিখিয়ে দেয় না।
একটা ভুল বাচ্চার আর তার পরিবারের প্রতিটা মানুষের জীবন নরক করে দিলো।
#আপনার বাচ্চার খেয়াল রাখুন কার সাথে মিশছে কি করছে তাকে তার ফ্রেন্ডরা কিভাবে ট্রিট করুন সেটা খেয়াল রাখুন। বাচ্চাকে সময় দিন বাচ্চাকে Laptop and Phone আবদ্ধ রাখা ছাড়ুন!