Ummah Barta

Ummah Barta তাওবার দরজা খোলা আছে, ফিরে আসার এখনই সময়!"

* আগামী ১০ দিনের মধ্যে বিশ্বজুড়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের তীব্র সংকট দেখা দিতে পারে বলে সতর্ক করেছেন শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয...
13/04/2026

* আগামী ১০ দিনের মধ্যে বিশ্বজুড়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের তীব্র সংকট দেখা দিতে পারে বলে সতর্ক করেছেন শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক এবং আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ রবার্ট পেপ।

* দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে বিভিন্ন দেশের ওপর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা এবং নৌ-অবরোধের প্রভাব নিয়ে গবেষণাকারী এই অধ্যাপক বলেন, "আমি বিষয়টি হালকাভাবে বলছি না। বর্তমান বিশ্ববাজার এই পরিস্থিতির জন্য মোটেও প্রস্তুত নয়।"

* হরমুজ প্রণালীতে সম্ভাব্য অবরোধ এবং এর ফলে সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার আশঙ্কায় তিনি এই উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

* রবার্ট পেপ মূলত আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও সন্ত্রাসবাদ বিষয়ক গবেষণার জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত এবং তিনি 'শিকাগো প্রজেক্ট অন সিকিউরিটি অ্যান্ড থ্রেটস' (CPOST)-এর প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক।

সূত্র: ব্লুমবার্গ / শিকাগো ট্রিবিউন

হাম নিরাময়ে রুকইয়া শারঈয়া চিকিৎসা গ্রহণ করুন,টিকা, ভ্যাকসিন বর্জন করুন। বিস্তারিত:হাম কী?হাম বা Measles হলো একটি ভাইরাসজ...
12/04/2026

হাম নিরাময়ে রুকইয়া শারঈয়া চিকিৎসা গ্রহণ করুন,টিকা, ভ্যাকসিন বর্জন করুন। বিস্তারিত:

হাম কী?
হাম বা Measles হলো একটি ভাইরাসজনিত, অত্যন্ত সংক্রামক রোগ। এটি বাতাসের মাধ্যমে ছড়ায় এবং সাধারণত শিশুদের বেশি আক্রান্ত করে। আক্রান্ত হলে জ্বর, কাশি, চোখ লাল হওয়া এবং লাল ফুসকুড়ি দেখা দেয়।

যদিও হামের জন্য অনেকেই টিকা সাজেস্ট করেছেন, কিন্তু টিকা বা ভ্যাকসিন মানুষের শরীরের জন্য উপকারী নয়। টিকা দেওয়ার ফলে শরীরে দীর্ঘমেয়াদি ভাইরাস ঢুকে যায়, যা বয়স বাড়ার সাথে সাথে তার লক্ষণ প্রকাশ করতে থাকে, একটা পর্যায়ে মানুষ আর নিজের শরীর, মন,মস্তিষ্কের ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারে না। আশা করি, এর আর ব্যাখ্যার প্রয়োজন নেই। যারা করোনার টিকা নিয়েছেন, তারা নিজেরাও অনেক ক্ষেত্রে এর ভুক্তভোগী।

প্রাকৃতিক সাপ্লিমেন্ট
হাম নিরাময়ের জন্য ঘরোয়াভাবে কিছু সাপ্লিমেন্ট ব্যবহার করুন:

নারিকেলের পানি
পিওর মধু
কিসমিস
কালোজিরা
আজওয়া খেজুর
অলিভ অয়েল / অ্যালোভেরা জেল
আদা, তুলসী পাতা
প্রোটিন ও পুষ্টিজাতীয় খাবার

এই খাবারগুলোতে রুকইয়ার আয়াত পড়ে ফুক দিন। সম্ভাব্য যে আয়াতগুলোতে অধিক উপকার পাওয়া যেতে পারে:
রুকইয়ার আয়াত ও দোয়া

সুরা ফাতিহা
আয়াতুল কুরসী
বাকারাহের প্রথম পাঁচ আয়াত এবং শেষ দুই আয়াত
বাকারাহ ১০৯
সুরা আনআম ১০৩
সুরা আম্বিয়া ৬৯
সুরা কাহাফ ৩৯
সুরা ইসরা ৮২
সুরা ইয়াসিন ৮২
সুরা শুয়ারা ৮০
সুরা ইখলাস, ফালাক্ক, নাস
পুর্ন ইয়াকিনের সাথে আয়াতগুলো কয়েকবার পাঠ করুন।এরপর এইসব সাপ্লিমেন্টে হালকা থুথু মিশ্রিত করে ফুক দিন। চাইলে আরও বেশি আয়াত পড়তে পারেন রোগ থেকে মুক্তি লাভের উদ্দেশ্যে।

হাদিসে বর্ণিত দোয়া:
রোগ নিরাময়ের জন্য হাদিসে বর্ণিত দোয়া এবং মাসনুস আমলগুলো নিয়মিত করুন, সকাল সন্ধা নিয়মিত ঝারফুক করুন।আপনারা চাইলে হাদিসে বর্নিত দোয়াগুলো এড করে দিতে পারবো।

সতর্কতা ও পরামর্শ:
হামের জন্য টিকা বা ভ্যাকসিন দিয়েন না। শুধু জ্বরের ঔষধেই কাজ হবে না,, আবার টিকা দিলেও দীর্ঘমেয়াদি ভাইরাস ঢুকবে শরীরে।
আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল, সঠিক যত্ন, দেখাশোনা, কেয়ারিং এবং সাপ্লিমেন্টের যথাযথ ব্যবহার শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারে, ইনশাআল্লাহ।

রুকইয়া পানি তৈরি করে গোসল করাতে পারেন বা শরীর মুছতে পারেন; এতে শরীরের সমস্ত নেগেটিভ এনার্জি চলে যাবে, ইনশাআল্লাহ।

আমরা শেষ জামানার শেষ ভাগে পৌঁছে গিয়েছি , শেষ জামানার নবী মুহাম্মদ সা. আখেরি পয়গম্বর হাদিস থেকে প্রমাণিত তার জন্ম / মৃত...
07/04/2026

আমরা শেষ জামানার শেষ ভাগে পৌঁছে গিয়েছি , শেষ জামানার নবী মুহাম্মদ সা. আখেরি পয়গম্বর হাদিস থেকে প্রমাণিত তার জন্ম / মৃত্যু থেকেই শেষ জামানার শুরু এর মানে হলো শেষ জামানা শুরু হয়েছে আজ থেকে ১৪০০ বছর আগেই , রাসূল সাঃ বলেছেন তার উম্মতের হায়াত ১৫০০ বছর বা এর একটু বেশি
- ( নুআইম বিন হাম্মাদ কিতাবুল ফিতান , জালালউদ্দিন সুয়ূতী আল হাভি লিল ফাতাওয়া )

উম্মতের হায়াত আর কিয়ামত কিন্তু এক জিনিস নাহ বিষয়টি আগে বুঝতে হবে , উম্মতের কিয়ামত কাকে বলে জানতে আমার অন্য একটি পোস্ট আছে সেটি দেখুন লিংক কমেন্ট দেওয়া থাকবে ...

অথচ অসংখ্য আলেম ও মুসলমান দাবিদার ভাইয়েরা বলেন শেষ জামানা এখনও অনেক দূর , দেরি আছে কিন্তু বাস্তব এটাই যে আমরা একদম শেষ দরজায় দাঁড়িয়ে আছি....

উম্মতের এক অংশ মানুষের কৃষিকাজ শিখে লাভ আছে আবার আরেক অংশের নাইও । হাদিসে শেষ জামানার দুর্ভিক্ষের বিষয়ে বলা আছে সেই সময় মানুষের খাদ্য হবে আল্লাহর জিকীর ।

দাজ্জালের এক হাতে থাকবে রুটির পাহাড় আরেক হাতে থাকবে পাণির নহর ।

দুর্ভিক্ষ তেলের কারনে আসন্ন । এভাবেও হতে পারে যে সে হাতে রুটির পাহাড় নিয়ে রিজিকের মালিক হিসেবে , এক্ষেত্রে কৃষিকাজ শিখে লাভ আছে ।

তবে সবচে খারাপ কেইস হতে পারে নিউক্লিয়ার উইন্টারে । যেসব যায়গায় পারমানবিক বোমা পড়বে সেগুলা আউট অফ সিলেবাস। বাকি সারা দুনিয়ার উপর ধুলার স্তর জমবে। ফলে সূর্যের আলো ঢুকবেনা । ফসল ফলবেনা । এইখেত্রে কৃষিকাজ শেখা কোন কাজে আসবেনা । হাদিস দেখলে দেখবেন সেই সময় মানুষের খাদ্য হবে আল্লাহর জিকীর । এমন একটা টাইম যখন খাদ্যই থাকবেনা ।

চাইলেও ফসল ফলবেনা । এটা নিউক্লিয়ার উইনটারে আরও বেশি মানানসই । তবে এটা জাস্ট একটা থিওরি । দুর্ভিক্ষ তেলের মাধ্যমেও হতে পারে , পারানবিক বোমার মাধ্যমেও হতে পারে , আবার দুটা একসাথে মিলিয়ে হতে পারে । আল্লাহই ভাল জানেন।

আমার প্যারা নাই । আমি বহুকাল আগেই মরছি । আনুষ্ঠানিক জানাজা বাদ আছে খালি । জানাজা ছাড়া বোমা খাইয়া ভ্যানিস হইলেও কিছু যায় আসেনা । এই হিউজ ইউনিভারসাল টাইমলাইনে আমি কেবল সময়ের হারিয়ে যাওয়া স্মৃতি মাত্র , যেমন ধুলাবালি হঠাত ঝড় বাতাসে হারিয়ে যায় । এটা যখন থেকে বুঝছি , সুখ দুঃখের ফিলিংস ম্যাটার করেনা ।

এই প্রকৃতির কাছে কে রাজা কে ফকির , কে ভালো কে মন্দ , কে পেলো কে হারাল কিছুই ম্যাটার করেনা । সে সব্বাইকে গিলে খায় । যেই তেলের কারনে দুর্ভিক্ষ সেই তেল তৈরি হতে লাগে জীবাশ্ম , জীব জন্তুর উদ্ভিদের মৃতদেহ পচে গলে ৫/১০ কোটি কিংবা শতকোটি বছরে তৈরি হয় এই তেল । কোথায় সেই সব জন্তুরা , তাদের ভালো লাগা বিষাদ লাগা ফিলিংস ?

মহাবিশ্বের নিউট্রন স্টারের সংঘর্ষে তৈরি হওয়া ইউরেনিয়াম ধুলার মেঘ আঁকারে ছিল যেখান থেকে গ্রহরা তৈরির সময় কিছু ইউরেনিয়াম পৃথিবীতেও ঢুকে যায় । েই ইউরেনিয়াম যার পকেটে সে নিজেকে মহাশক্তিধর ভাবতে থাকে । মহাবিশ্বে বিলিয়ন বছরে কত সৃষ্টি প্রাণী জাতি ভালোবাসা আবেগ ক্রোধ প্রতিশোধের খেলায় লিপ্ত ছিল আজ সেগুলি কেবলি অতিত কেবলি শূন্যতা । অথচ এই তুচ্ছ সময়ে একটু প্রতারণা করতে পারলে , একটু জয় পরাজয়ের খেলায় জড়ালে কতই না তৃপ্তি ।

জীবনের প্রকৃত বোধ আসলে কি ? আমরা কেউই কিছুনা রিয়েলাইজ করা । সবাই রিয়েলাইজ করে ভাবে , কিন্তু রিয়েলাইজ ডিপ্লি করেনা । কেঁউ রিয়েলাইজ করলে সে অনাসক্ত হয়ে যেত , জীবন তার কাছে ফালতু হয়ে যেত । পদবান হবার , মানুষের চোখে কিছু একটা হবার , লোক দেখানো হিপোক্রেসিগুলো থাকতনা । ভয়ানক ব্যধিগ্রস্থ মানুষরা দরবেশ সেজে বসে থাকতনা , তারচে বেশি ব্যধিগ্রস্থরা তাদের সমর্থক হতনা । প্রকৃত সফলতা আল্লাহর সন্তুষ্টির ভেতর কিংবা আল্লাহর কাছে ফিরে যাবার ভেতর । সে ম্রিত্যুর জন্য অপেক্ষা করত । তার অন্তর সাক্ষী দিত আমি কেঁউনা , আমি কিছুনা ।

তবে কোন শিক্ষাই অমূলক না , কৃষিশিক্ষা হতে পারে বা যেকোন শিক্ষাই , যেকোন সময় কাজে লাগে । তবে সবচে ইম্পরট্যান্ট হল অন্তরের শুদ্ধতা । একে আল্লাহপাক সাহায্য করেন ।

শেষ জামানা নিয়ে মানুষ কত কথাই বলে । বহু প্রস্তুতি নিয়ে ফেলতেছে । এটা মন্দ নয় । তবে কাজে কর্মে অন্তরের অসত্যতা আয়নার মত প্রতিফলিত হয় । অন্তর যার শুদ্ধ তার জিকির তার দুয়া কাজে লাগবে । তাঁকে আল্লাহ ব্যবহার করবেন । বাইরের লেবাস বাইরের দরবেশি বেকুব মানুষরে ধোঁকা দিতে পারে । কিন্তু অন্তরের খবর অনুযায়ী ফয়সালা আসমান থেকে হয় ।
হাশরের ময়দানে ফেরেশতাদের লেখা বহু আমলনামা পাল্লায় রাখা হবে । মানুষের চোখে দ্যাখা পাহাড়সমান সেই আমলনামার দরবেশের পাল্লা নড়বেনা , কোন ওজন নাই । মানুষের সামনে বিখ্যাত বুজুর্গ দরবেশ পদবান বনতে চাওয়া লোকটা সেদিন জনসম্মুখে লাঞ্ছিত হবে , সবাই জেনে ফেলবে তার উদ্দেশ্য কি , আজ যা কেউ জানেনা ।

আজকের এই বিপদ , দুনিয়া ধ্বংস হয়ে যাওয়া এগুলা কোন বিপদ না । আসল বিপদ আখিরাতে । অনেক সাইকোলজিস্ট এভাবে কনফিউশন ঢুকায় যে পূর্বেকার মানুষ আখিরাতের কথা মানুষরে ভাল বানানর জন্য বলত । আসলে আখিরাত বলতে কিছুনাই । বাস্তবতা হল আল্লাহ সত্য আখিরাত সত্য , এটা নিছক বিশ্বাস নয় । আল্লাহ যার কল্যাণ চান তাকে দেখিয়ে দিবেন ।

এটা কোন কঠিন বিষয়না । যাদের কাছে প্রকাশিত হবে তাদের অন্তরের ভেতরে ভয় থাকবে , যে আমি আমন করলে খতিগ্রস্থ হব , বিপদে আল্লাহকে পাবনা । সঠিক কাজ করলে আল্লাহ সাহায্য করলে আনন্দ হবে । এইভাবে আল্লাহর সাথে সম্পর্কের ভেতর দিতে চলা যা অন্তয়ালের জগতে চলতে থাকবে । যত প্রক্রিয়া আছে যত প্রস্তুতি আছে সবকিছুর মুলে সবার আগে হল আল্লাহর সাথে সম্পর্ক । '

আমার অন্তর আল্লাহ দেখতেছে , এটা হল তাকওয়া । আমি যদি চালাকি করি মানুষ নাদেখলেও আল্লাহ দেখতেছে । ফয়সালা তাই হবে যা আল্লাহ চায় , আমার কোন চালাকি আর মানুষের কোন সমত্রথন কাজে আসবেনা । শয়তান সাত আসমানের উপরে এক দরবেশ । ফেরেশতাদের সমর্থন পাওয়া লোক ।

একদিন আরশের নিচে এই লেখা ভেসে উঠল অচিরেই খুব উচ্চস্তরের বান্দার পতন হবে । ফেরেশতারা জানেনা , শয়তানও জানেনা সে কে । ওইদিকে শয়তানের মনের খবর আল্লাহ জানে । ফয়সালা করে ফেলছে ।

এই ধ্বংস , আখিরাতে নাকাম হওয়া পারমানবিক বোমার চাইতে বড় ধ্বংস । পারমানবিক বোমার মরলে তো ভ্যানিশ , ধরার কেঁউ থাকবেনা । আর আখিরাতে ধরবে , পালানর রাস্তা থাকবেনা ।

শেষ জামানা নিয়ে কথা বলতে বলতে হয়ত শেষ সময়ে চলে আসছি । একসময় ইন্টারনেট থাকবেনা । পৃথিবীর কোন প্রান্তে অচেনা একাকী নিঃস্ব অবস্থায় আমারও হায়াত শেষ হয়ে যাবে । শেষ জামানা , প্রথম জামানা যত জামানা আছে শুরুর কথা শেষের কথা সর্বাবস্থার কথা হল তাকওয়া । আল্লাহ্‌র ভয় । এটা না থাকলে কোন আমল কাউকে আখিরাতে বাঁচাতে পারবেনা । দুনিয়াতেওনা , শেষ জামানায়ও না , হাশরেও নাহ .....!

বিষয় হচ্ছে—আপনারা কি জানেন, নেংটানিয়াহু জীবিত থাকা অবস্থায় তার অফিসে একটি করোনা ভ্যাকসিনের সিরিঞ্জ ট্রফি হিসেবে প্রদর্শন...
06/04/2026

বিষয় হচ্ছে—আপনারা কি জানেন, নেংটানিয়াহু জীবিত থাকা অবস্থায় তার অফিসে একটি করোনা ভ্যাকসিনের সিরিঞ্জ ট্রফি হিসেবে প্রদর্শনী করে রাখা আছে!

গণ্ডুদের মতে, সেটি নাকি তার দেশের জনগণকে করোনা ভ্যাকসিন গ্রহণে উৎসাহিত করার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে। কিন্তু বাস্তবতা হলো—ডিপপুলেশন ভ্যাকসিন এজেন্ডা বাস্তবায়নে তার বড় ভূমিকার কারণেই তাকে সেই ট্রফি প্রদান করা হয়েছে…!

World best seller book Jerusalem in the Quran আল কোরআনে জেরুজালেম written by Sheikh Imran Nazar Hossain বই এর pdf link c...
06/04/2026

World best seller book Jerusalem in the Quran আল কোরআনে জেরুজালেম written by Sheikh Imran Nazar Hossain বই এর pdf link comment section এ দেয়া রয়েছে

নতুন সিনেমা আসিতেছে।
05/04/2026

নতুন সিনেমা আসিতেছে।

''এটা শেষ জামানা ''এই জামানায় সত্য মিথ্যা হয়ে গেছে। মিথ্যা সত্য হয়ে গেছে। এই জামানায় কথায় কথায় রেফারেন্স চাইলে আপনি শেষ।...
02/04/2026

''এটা শেষ জামানা ''

এই জামানায় সত্য মিথ্যা হয়ে গেছে। মিথ্যা সত্য হয়ে গেছে। এই জামানায় কথায় কথায় রেফারেন্স চাইলে আপনি শেষ। এই জামানা খিযির (আ) এর চোখে দেখতে হবে৷

আজ ভ্যাক্সিন নিয়ে কেমন আছেন আপনারা?
এখন আপনাদের শরীরের অবস্থা কেমন?
এলার্জি,স্টোক,রক্তচাপ,হৃৎপিণ্ডের অবস্থা কেমন আপনাদের?

গর্ভের বাচ্চাদের ত ধ্বং*স করছেন ভ্যাক্সিন দিয়ে।
বেশি আধুনিক হয়ে গেছেন⁉

সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান যখন আন্তর্জাতিক মঞ্চে ইসলামি বিশ্বের নেতা হিসেবে নিজেকে উপস্থাপন করেন, তখন...
02/04/2026

সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান যখন আন্তর্জাতিক মঞ্চে ইসলামি বিশ্বের নেতা হিসেবে নিজেকে উপস্থাপন করেন, তখন তার নেতৃত্বাধীন সামরিক জোটের হামলা ও অবরোধে ইয়েমেন বিশ্বের সবচেয়ে ভয়াবহ অমানবিক নির্য|তনের ও গণহত্য|য় লিপ্ত।!

জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী ২০১৫ সাল থেকে প্রায় ৩,৭৭,০০০ মানুষ মা*রা গেছেনযার ৭০ শতাংশই শিশু।
যদিও সংখ্যাটা হয়তো ৮ লাখের বেশী এবং এখনো ইয়েমেনে প্রতি ১০ মিনিটে ১টি করে শিশু খাদ্যের অভাবে মা**রা যাচ্ছে বা সৌদি মে*রে ফেলছে।

২০২৪ সালের তথ্য অনুযায়ী ৬ লাখের বেশি পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশু তীব্র পুষ্টিহীনতায় ভুগছে। পঁয়তাল্লিশ লাখ শিশু শিক্ষার বাইরে। প্রতি দুই ঘণ্টায় একজন নারী গর্ভাবস্থা বা প্রসবকালীন জটিলতায় মা**রা যাচ্ছে।

সৌদির বিমান হামলার চেয়েও মারাত্মক ছিল নৌ অবরোধ। ইয়েমেনের ৯০ শতাংশ খাদ্য আমদানিনির্ভর যা আসতো নৌপথে । অবরোধের ফলে বন্দরগুলোতে খাদ্য ও ওষুধ আটকে যায়। যারফলে ইয়েমেনের পঁচাত্তর শতাংশ শিশু দীর্ঘমেয়াদি অপুষ্টিতে ভুগছে।
এর চাইতে আর নি*কৃ*ষ্ট উদাহরন আর কি হতে পারে যে কীভাবে একটি দেশকে ইচ্ছাকৃতভাবে ক্ষুধার্ত রাখা যায় ?

২০২৩ সালের অক্টোবরে গা**জা যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর হু*তিরা লোহিত সাগরে ই*স*রা*য়েল সংশ্লিষ্ট জাহাজে হামলা শুরু করে এবং ই*স*রা*য়েলে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে ফি*লি*স্তিনের প্রতি সংহতি জানিয়ে। কিন্তু সৌদি আরব নিজেদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা (মার্কিন প্যাট্রিয়ট ও থাড) ব্যবহার করে সেই
ক্ষে*পণ|স্ত্রগুলো আটকায়। একটি ইসলামি দেশ যার অধীনে মক্কা-মদিনা সে কীভাবে ই*স*রা*য়েলের আকাশ রক্ষা করছে। যে ৳সর|য়েল ফি*লি*স্তিনে গ&ণহ*ত্যা চালাচ্ছে?

এখানেই প্রশ্ন জাগে ইসলামি বিশ্বের রক্ষক মোহাম্মদ বিন সালমান আসলে কার নিরাপত্তা রক্ষা করছেন?
সৌদি আরব শুধু ইয়েমেনের ভেতরে হ*ত্য|যজ্ঞ চালায়নি বরং ইয়েমেনিদের ই*স*রা*য়েলের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের সুযোগও কেড়ে নিয়েছে।

সাম্প্রতিক সময়ে ই*স*রা*য়েল কর্তৃক সোমালিল্যান্ড স্বীকৃতি দেওয়ার ঘটনাকেও বিশ্লেষকরা লোহিত সাগরে ইস*রা*য়েল,সৌদি,ইউএই জোটের অংশ হিসেবে দেখছেন।

ইয়েমেনের ধ্বং*সস্তূপ আর গ|জ|র চিৎকারই বলে দিচ্ছে এই নেতৃত্ব কার প্রতিনিধিত্ব করে।

আসসালামু আলাইকুম, আমি জুনায়িদ। আজ আপনাদের বলবো প্রায় ২ মাস আগে প্রকাশিত হওয়া এপিস্টাইন ফাইল নিয়ে।কল্পনা করুন এমন একটি আই...
02/04/2026

আসসালামু আলাইকুম, আমি জুনায়িদ। আজ আপনাদের বলবো প্রায় ২ মাস আগে প্রকাশিত হওয়া এপিস্টাইন ফাইল নিয়ে।

কল্পনা করুন এমন একটি আইল্যান্ডের ব্যাপারে যেখানে কিছু মানুষ ভেকেশনের জন্য নয় বরং নিজের কুৎসিত নোংরা চিন্তাভাবনাকে বাস্তবায়ন করার জন্য এবং নিজের পৈশাচিক চিন্তাভাবনাকে আঞ্জাম দেয়ার জন্য একত্র হয়।

​সেটি হলো এফস্টিন আইল্যান্ড, যার অরিজিনাল নাম লিটিল সেইন্ট জেমস এবং এটি ইউনাইটেড স্টেটস এর অন্তর্ভুক্ত।

জেফ্রি এফস্টিন একজন স্কুল টিচার থেকে পরবর্তীতে ব্যাংকে ফাইন্যান্সার হিসেবে কাজ শুরু করেন। তবে তাকে সাধারণ বিজনেসম্যান ভাবলে ভুল হবে; বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপতি, পলিটিশিয়ান, সায়েন্টিস্ট এবং হলিউড অ্যাক্টররা তার ফ্রেন্ড লিস্টে ছিল।১৯৯৮ সালে এফস্টিন প্রায় ৮ মিলিয়ন ডলার দিয়ে এই আইল্যান্ডটি কিনে নিয়েছিলেন এবং এমনভাবে ডেভেলপ করেছিলেন যেন সেটি এলিটদের জন্য দুনিয়ার মধ্যে এক টুকরো স্বর্গ মনে হয়।সেখানে আলিশান প্যালেসকে ঘিরে দিন-রাত পাহারা দিত অসংখ্য সিকিউরিটি গার্ড। সরাসরি নিজেদের প্রাইভেট জেট দিয়ে ক্ষমতাশীলরা এই আইল্যান্ডে প্রবেশ করত।

এই জায়গাটিকে এফস্টিন তৈরি করেছিল এলিটদের জন্য গোপনে রিচুয়াল করার একটি স্থান হিসেবে। হ্যা আপনি ঠিকই পড়েছেন, আবার বলছি রিচুয়াল করার জন্য। ২০০০ সালের আগে মানুষ জানত না পৃথিবীতে এরকম কোনো কিছুর অস্তিত্ব আছে।২০০০ সালে প্রথমবারের মতো অ্যালেক্স জোন্স নামে একজন ব্যক্তি ক্যালিফোর্নিয়ায় একটি গভীর জঙ্গল থেকে তাদের একটি আস্তানার ভিডিও ধারণ করে প্রকাশ করেন, যা আজকে আমরা 'বোহিমিয়ান গ্রোভ' নামে চিনি।এরপর ২০২২-২৩ সালের দিকে আমেরিকান কিক বক্সার রায়ান গার্সিয়া পুরো দুনিয়ার মানুষের সামনে এসে বলেন যে, হলিউড সেলিব্রিটি ও পলিটিশিয়ানরা সেখানে অল্পবয়সী হোমো সেপিয়েন্সদের উৎসর্গ করার উৎসবে মেতে ওঠে।

২০০৬ সালে জেফ্রি এফস্টিনের ওপর অভিযোগ ওঠে যে, সে হলিউড সেলিব্রিটি ও বিখ্যাত পলিটিশিয়ানদের তার আইল্যান্ডে একত্র করত এবং অল্পবয়সী মেয়েদের লাক্সারিয়াস লাইফস্টাইলের প্রলোভন দেখিয়ে সেখানে আনত।
​আইনের চোখে ফাঁকি দিয়ে এফস্টিন একজন সাধারণ স্কুল শিক্ষক ছিল। সেখান থেকে ডিসমিস হওয়ার পর সে এমন এক পথ বেছে নেয় যাতে রাতারাতি বিলিয়নিয়ারে পরিণত হয়। সে ছিল মূলত এলিটদের একজন ডিলার। এফস্টিনের আসল টার্গেট ছিল পলিটিশিয়ান বা সেলিব্রিটিরা। সে তার প্যালেসের বিভিন্ন রুমে গোপনে ক্যামেরা ফিট করে রাখত এবং ওই নির্যাতনের চিত্রগুলো রেকর্ড করত তাদের পরবর্তীতে ব্ল্যাকমেইল করার জন্য।

এফস্টিন এখানে জাস্ট একজন ফ্রন্ট ম্যান হিসেবে কাজ করেছে। বিতাড়িত জিন / ইবলিশ জানে লোভ সবসময় কাজ করে না, তাই তাদের দিয়ে গোপন রিচুয়াল করিয়ে সেগুলো ব্ল্যাকমেইলের কাজে ব্যবহার করা হতো।খ্রিস্টান পলিটিশিয়ানরা কেন দাবার পুতুলের মতো কাজ করে, তা এখান থেকে বোঝা যায়। এমনকি আমাদের পাশের দেশও পলিটিশিয়ানদের নিয়ন্ত্রণ করার জন্য একই কাজ করে চলেছে। খ্রিস্টান পলিটিশিয়ান বা সেলিব্রেটিরা ডামি পুতুলের মতো অবৈধ রাষ্ট্রের সমর্থন কেন দিয়ে যায়, তা এখান থেকে বোঝা যায়। পলিটিশিয়ানদের ব্ল্যাকমেইল করে পুরো একটি রাষ্ট্রকে নিয়ন্ত্রণ করার এই পদ্ধতি কেবল ওয়েস্ট বা ইউরোপের দেশেই সীমাবদ্ধ নয়।

আমাদের পাশের দেশ (র) -এর এজেন্টদেরকে কাজে লাগিয়ে একই কাজ করে চলেছে আমাদের সাথে বাংলাদেশের পলিটিশিয়ানদের নিয়ন্ত্রণ করার জন্য।এফস্টিন আইল্যান্ড বিতাড়িত জিনের জন্য একটি গোপন রিচুয়ালের স্থান ছিল, তা এফস্টিনের তৈরি সেখানকার কিছু সিম্বল দেখলে বোঝা যায়। যেমন— ডোম (গম্বুজ)।আমরা সাধারণত গম্বুজ দেখলে সেটিকে মসজিদ মনে করি, কিন্তু ডোম কখনোই মুসলিমদের বা ইসলামের সিম্বল ছিল না। এটি পৌত্তলিকদের কাছ থেকে এসেছে। গ্রিক এবং রোমানদের সমস্ত দেবতাদের মূর্তি একসাথে করে একটি ভবন তৈরি করা হয় যেটিকে 'প্যান্থিওন' বলা হয়েছিল এবং তার ওপরে তারা গম্বুজ তৈরি করে, যা পরবর্তীতে মুসলিমরা অ্যাডপ্ট করে নেয়।পৌত্তলিকরা গম্বুজকে ইউনিভার্সের পাওয়ার রিসিভার বা অ্যান্টেন হিসেবে বিশ্বাস করত, যা বর্তমান সময়ের গোপন সংস্থার সদস্যরাও বিশ্বাস করে। যার কারণে এফস্টিন এখানে এই গম্বুজ বানিয়েছিল।সেই গম্বুজের পাশেই একটি প্যাঁচার মূর্তি ছিল।
এফস্টিন আইল্যান্ড কি তবে দ্বিতীয় বোহিমিয়ান গ্রোভ?
মেসনরা বিশ্বাস করে আউল বা প্যাঁচা হলো জ্ঞানের একটি উৎস। তাদের একটি ডায়লগ হলো—'নলেজ ইজ পাওয়ার'।

এফস্টিন, পলিটিশিয়ানদের গোপন মুহূর্তের ভিডিও ধারণ করে এমন একটি নলেজ হাসিল করেছিল যার দ্বারা সে ক্ষমতাকে আদায় করতে পারবে। কিন্তু সামহাউ তার নিজের কুকর্মের ব্যাপারগুলো রিভিল হতে থাকে।

২০১৯ সালে ট্রায়ালের জন্য এফস্টিনকে বন্দি করা হয়। জেলে থাকাকালীন কোনো এক রাতে সে নিজের জীবন কেড়ে নেয়। নেটিজেনরা তার এই আত্মহত্যার ঘটনা এখনো বিশ্বাস করে না।
মানুষ বিশ্বাস করে যাদের তথ্য এফস্টিনের কাছে ছিল, হয়তো তারা তাকে দুনিয়া থেকে বিদায় করেছে অথবা তার পেছনে থাকা ব্যক্তিদের মুখোশ উন্মোচন হয়ে যাওয়ার ভয়ে তার মুখ চিরদিনের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার আগে এফস্টিন ফাইল নিয়ে তদন্ত করার আশ্বাস দিয়েছিলেন। কিন্তু ট্রাম্পের নিজের নামও এই ফাইলে রয়েছে এবং সে মুক্ত বাতাসে ঘুরে বেড়াচ্ছে।সম্প্রতি ইলন মাস্কের বিরুদ্ধে এফস্টিন ফাইলে নাম থাকার কথা প্রকাশ করা হয়, যা তিনি প্রত্যাখ্যান করেন। তবে এই ফাইল নিয়ে কেবল তামাশাই হবে, সঠিক কোনো তদন্ত সামনে আসবে না কারণ গোপন সংস্থা তা হতে দিবে না।

এই পুরো ঘটনা কোনো সিনেমার গল্প নয়, বরং আমাদের দুনিয়ার এক কঠিন ভয়ানক বাস্তবতা। এটি প্রমাণ করে যে একটি অপশক্তি দুনিয়াতে ক্ষমতা কায়েম করার চেষ্টা করে যাচ্ছে এবং এটি কেবল কনস্পিরেসি থিওরি না।

তাই সময় থাকতে সতর্ক হন।

আল্লাহ হাফেজ।

#ডার্ক_রিয়েলিটি #রহস্য_ফাঁস

সময় ফুরিয়ে আসছে। আমি আবারও বলছি—সময় শেষ হওয়ার আগেই জেগে ওঠার সময় এখনই। ঐক্যবদ্ধ হতে ডাক দেওয়ার আগে আপনাকে একটি সহজ প্রশ্...
01/04/2026

সময় ফুরিয়ে আসছে। আমি আবারও বলছি—সময় শেষ হওয়ার আগেই জেগে ওঠার সময় এখনই। ঐক্যবদ্ধ হতে ডাক দেওয়ার আগে আপনাকে একটি সহজ প্রশ্ন করি।

প্রতিদিন স্ক্রল করতে করতে আপনি যে মিমগুলো দেখে হাহা রিঅ্যাক্ট দিচ্ছেন, আপনি কি জানেন সেগুলো আসলে কারা বানাচ্ছে?
যে আপনার বন্ধু হিসেবে শেয়ার করল সে নয়, কিংবা যে বড় বড় পেজ নিজের ওয়াটারমার্ক বসালো তারাও নয়। তবে এই নিখুঁত মিমগুলোর আসল জাদুকর কে?
আমি অনেক খুঁজেছি, কিন্তু তাদের হদিস কেউই পায় নি। এগুলো হুট করে ইন্টারনেটে 'সুনামি'র মতো চলে আসে—একেবারে সঠিক সময়ে, সঠিক শব্দে। আপনার মস্তিষ্ক কিছু বুঝে ওঠার আগেই সেটি আপনার মনে একটি বিশেষ অনুভূতির জন্ম দেয়। আপনি ভাবছেন এটা স্রেফ কৌতুক? কিন্তু আমি যদি বলি, এগুলো এ পর্যন্ত তৈরি করা ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়ংকর এবং উন্নত মনস্তাত্ত্বিক অস্ত্র?

নবী মুহাম্মদ (সা.) বলেছিলেন, কেয়ামতের আগে জ্ঞান উঠে যাবে এবং মূর্খতা চারদিকে ছড়িয়ে পড়বে।

এখন নিজেকে প্রশ্ন করুন, ২০২৬ সালে দাঁড়িয়ে জ্ঞানের ছদ্মবেশে মূর্খতা ছড়ানোর সবচেয়ে বড় হাতিয়ার কোনটি? নিউজ? না।
আমরা এখন অনেক স্মার্ট। আমরা ভাবি—"আরে ভাই, বিবিসি-সিএনএন তো এজেন্ডা চালায়, ওগুলো আমি দেখিই না!" অভিনন্দন! আপনি একটা বুলেট এড়িয়ে সরাসরি একটি মাইনফিল্ডে পা রেখেছেন। কারণ আপনি যখন নিউজ দেখা ছাড়লেন, তখন আপনার খবরের জায়গা দখল করে নিয়েছে 'মিম'। প্রোপাগান্ডা আগে আসত গম্ভীর গলায়, সুট-টাই পরা মানুষের বক্তৃতায় আর এখন আসে মিমস হয়ে!
আপনি প্রশ্ন তুলতে পারতেন।

কিন্তু আপনি এমন কিছুর সাথে লড়াই করবেন কীভাবে যা আপনাকে হাসায়? আপনার মস্তিষ্ক যখন কোনো কিছু দেখে আনন্দ পায়, তখন সেটার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ার ক্ষমতা সে হারিয়ে ফেলে। আর এটাই হলো আসল ট্র্যাপ।

আপনার মস্তিষ্কের সাথে আসলে কী ঘটছে জানেন? একে বলে 'ডিসেনসিটাইজেশন' বা অনুভূতিহীনতা।
মনে আছে যখন 'এপস্টাইন ফাইল' ফাঁস হলো? দুনিয়া জানতে পারল উচ্চবিত্তদের ভয়াবহ শিশু পাচার আর লালসার কথা। এটা নিয়ে মানুষের রাজপথে নামার কথা ছিল। কিন্তু ইন্টারনেট কী করল? এগুলো নিয়ে মজার ভিডিও আর মিম বানাতে শুরু করল। নরকের মতো ভয়াবহ একটি সত্যকে তারা স্রেফ 'কৌতুক' বানিয়ে আপনার নিউজফিডে ছেড়ে দিল।
ফলাফল? আপনি ভয়ংকর কিছু দেখলেন, কিছুটা শিউরে উঠলেন, তারপর মিম দেখে হেসে ফেললেন। ভয়টা চলে গেল। বারবার দেখার পর আপনি নিজেই সেটা নিয়ে জোকস বানানো শুরু করলেন। এভাবেই একটি জঘন্য অপরাধ স্রেফ 'কন্টেন্ট' হয়ে গেল।
কুরআনের সূরা আন-আম (আয়াত ৬৮) আমাদের পরিষ্কার বলেছে—যখন দেখবে মানুষ আল্লাহর আয়াত নিয়ে উপহাস করছে, তখন সেখান থেকে সরে যাও। আল্লাহ বিতর্ক করতে বলেননি, সরে যেতে বলেছেন। কারণ কিছু আলোচনা আলোচনা নয়, সেগুলো আসলে 'দূষণ'।

মানুষ মনে করে মিমগুলো বুঝি আপনা-আপনি ভাইরাল হয়। না, ভাই! অ্যালগরিদম আপনার হাতে নেই। এই সিস্টেম সত্যকে নয়, বরং 'এনগেজমেন্ট'কে পুরস্কৃত করে। আর রাগ, ভয়, লালসা আর উপহাসের চেয়ে বেশি এনগেজমেন্ট আর কিছুতে হয় না।
ইসলাম যে আবেগগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করতে বলেছে, সেই রাগ আর প্রবৃত্তিকে আজ আপনার বিরুদ্ধেই অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।

৫ বছর আগেও ফেমিনিজম ছিল তাত্ত্বিক বিষয়। আজ মিমের কল্যাণে মুসলিম ছেলে-মেয়েরা একে অপরের প্রতিপক্ষ। একজন 'আলফা মেল' সাজার নেশায় নারীকে পণ্য ভাবছে, অন্যজন 'ক্যারিয়ার' এর নামে সংসার বিমুখ হচ্ছে। দুজনেই ভাবছে এটা তাদের 'স্বাধীন চিন্তা'। কিন্তু আসলে একটি মিম আপনাকে শিখিয়েছে কী অনুভব করতে হবে। আপনি স্রেফ একটি স্ক্রিপ্ট অনুসরণ করছেন।

রোমানরা ২,০০০ বছর আগেই ফর্মুলা দিয়ে গিয়েছিল—"Bread and Circuses"। মানুষকে স্রেফ পেট ভরা খাবার আর বিনোদনে ডুবিয়ে রাখো, তারা কখনোই প্রশ্ন করবে না কে তাদের শাসন করছে। আজ সেই খাবার হলো আপনার ফোনের 'ডোপামিন' আর বিনোদন হলো আপনার 'For You Page'।

দাজ্জালের ফিতনা কেন এত শক্তিশালী হবে জানেন?

কারণ সে আপনাকে জোর করবে না। মানুষ তাকে স্বেচ্ছায় অনুসরণ করবে। তারা মিথ্যাকে সত্য বলবে, মন্দকে বিনোদন ভাববে। মিম কালচার একটি পুরো প্রজন্মকে তৈরি করছে যাতে তারা চিন্তা না করে কেবল 'ট্রেন্ড' অনুসরণ করে। আজ নাচের ট্রেন্ড, কাল বিশ্বাসের ট্রেন্ড। এই ট্রেন্ডে হাঁটতে হাঁটতে যখন বড় প্রতারণাটি সামনে আসবে, তখন আপনার বিচারবুদ্ধি আর অবশিষ্ট থাকবে না।আমি আপনাকে অ্যাপ ডিলিট করে পাহাড়ে যেতে বলছি না। ইসলাম চোখ বুজে থাকার ধর্ম নয়। কিন্তু প্রতিবার কোনো মিম শেয়ার করার আগে ভাবুন—আপনি কার হয়ে কাজ করছেন? যখন কোনো সিরিয়াস বিষয় কৌতুক হয়ে যায়, তখন বুঝবেন লাভটা আপনার হচ্ছে না, অন্য কারো হচ্ছে।

নবীজি (সা.) বলেছিলেন—"ইসলাম শুরু হয়েছিল অপরিচিত হিসেবে এবং এটি আবার অপরিচিত হয়ে যাবে। তাই সেই অপরিচিতদের জন্য সুসংবাদ।" সেই ব্যক্তি হোন যে সবাই হাসলেও হাসে না, সবাই যখন স্ক্রল করে সে তখন চিন্তা করে।

ধোঁকা আসছে কি না সেটা বড় কথা নয়; বড় কথা হলো যখন ধোঁকা আপনার চোখের সামনে আসবে, তখন আপনি সেটা চিনতে পারবেন তো? নাকি হাহা রিঅ্যাক্ট দিয়ে স্ক্রল করে চলে যাবেন?

সিদ্ধান্ত আপনার।




#দাজ্জাল #ফিতনা #ইসলামিক_ভিডিও #সতর্কবার্তা #মস্তিষ্ক_ধোলাই #শেষ_জমানা #মিম #ইসলামিক_সচেতনতা

মাহদির আগমন অতিসন্নিকটে: হয়তবা ইরান- আমে/রিকার এই যুদ্ধের মাধ্যমে দীর্ঘ দিনের দানব পরাশক্তিটির পরাজয় হতে যাচ্ছে৷ সেই সাথ...
22/03/2026

মাহদির আগমন অতিসন্নিকটে:

হয়তবা ইরান- আমে/রিকার এই যুদ্ধের মাধ্যমে দীর্ঘ দিনের দানব পরাশক্তিটির পরাজয় হতে যাচ্ছে৷ সেই সাথে পরাজিত হচ্ছে ইসরা/ইলও।

তবে, ইরান জয়ী হলেও আনন্দিত হবার কিছু থাকবে না। ইরান জয়ী হওয়ার মাধ্যমেই পৃথিবীতে নতুন একটি সমন্বিত পরাশক্তির আবির্ভাব হবে। যে শক্তির কেন্দ্রে থাকবে রাশিয়া, চীন ও উত্তর কোরিয়া।

এরপরেই বাঁধবে মহাযুদ্ধ বা মালহামা। হাদিসের বর্ণনা অনুযায়ী, ইমাম মাহদির আভির্ভাবের পূর্বে মুসলিমদের একটি অংশ কাফেরদের কিছু অংশের সাথে মিলে অপর একটি কাফের বাহিনীকে পরাজিত করবে। এরপর বিজয়ীদের মধ্যে কাফেররা বলবে ক্রুশের বিজয় হয়েছে, আর মুসলিমরা বলবে কালিমার বিজয় হয়েছে। তখন আবার সকল কাফেররা মিলে মুসলিমদের বিরুদ্ধে সামষ্টিকভাবে ১২ টি পতাকা তলে একত্রিত হবে। শুরু হবে চূড়ান্ত মালহামা।

আর হয়ত তখনই কাফেররা ইরানের বিশাল অংশ দখল করে নিবে। এর মাঝে ইস্ফাহান অন্যতম। ইস্পাহানের অংশটি তখন ইসরা/ইলকে দিয়ে দেওয়া হবে। এদিকে ইসরাইল তাদের মাসিহের জন্য থার্ড টেম্পল সহ সব কিছু রেডি করে ফেলবে। বাইতুল মোকাদ্দাসে চূড়ান্ত যুদ্ধ বাঁধাবে। মালহামার তীবর্তায় মুসলিমরা নেতৃত্বশূন্য হয়ে পড়বে। তাছাড়া কোটি কোটি মুসলিমরা তখন কাফেরদের সাথে জোট বাঁধবে। ঠিক তখনই আবির্ভাব হবে হজরত মাহদি রা.-এর।

হজরত মাহদির আগমানের পূর্বে পুরা বিশ্বের অর্থনৈতিক অবস্থা খুবই করূণ থাকবে৷ আর বিশ্বযুদ্ধ শুরু না হলে এবং মুসলিমরা নেতৃত্ব শূন্য না হলে মাহদির আগমন হবে না।

বিশ্বযুদ্ধে হয়তবা জাপান, কোরিয়া পূর্ণরূপে অবস্থান নেবে না। বরং জাপান, কোরিয়া ও চীন এরাই হবে ভবিষ্যতের ইয়াজুয ও মাজুয। এরা বিশ্বযুদ্ধে ইমাম মাহদি ও হজরত ঈসা আ.-এর বিজয়ের পর ও দাজ্জালের মৃত্যুর পর চূড়ান্ত শক্তি নিয়ে মুসলিমদের বিরুদ্ধে মাঠে নামবে। এদের ট্যাকনোলজি ও আধুনিকায়নের অবস্থা দেখে তাই মনে হচ্ছে। আল্লামা আনওয়ার শাহ কাশ্মেরি রহ সহ অনেকেই এমন মন্তব্য করেছেন। চীন, জাপান, কোরিয়া ও রাশিয়াকেই ইয়াজুয, মাজুয বলেছেন। এদের ছোট ছোট চোখ ও দৈহিক গঠনও তাই বলে। বাকি, আল্লাহ ভালো জানেন।

(এটা হাদিসের আলোকে নিছক ধারণানির্ভর লেখা।
তবে, এতটুকু নিশ্চিত বলা যায়, সামনের দিনগুলোতে মুসলিমদের জন্য এক মহাবিপদ অপেক্ষা করছে! বিস্তারিত জানতে কমেন্টের লিংকের লেখাটি পড়ুন!)

Address

Barishal

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ummah Barta posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share