World history & cultural beauty

World history & cultural beauty Hi, this page has lot of picture & news of world the day before. so support me. thanks

বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় এমন একটি জায়গা রয়েছে যেটি দীর্ঘদিন ধরে রহস্যে ঘেরা।এই জায়গাটির নাম সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড। এটি বঙ্...
20/07/2025

বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় এমন একটি জায়গা রয়েছে যেটি দীর্ঘদিন ধরে রহস্যে ঘেরা।

এই জায়গাটির নাম সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড। এটি বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত একটি আংশিকভাবে সংরক্ষিত জায়গা এবং পৃথিবীর বৃহত্তম পানিতে নিমজ্জিত গিরিপথ।

এটি পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম খাদ, অথচ এটির গভীরতা নির্ণয় করা অসম্ভব। এই অঞ্চলটি রয়েছে বিলুপ্ত হওয়ার পথে থাকা ডলফিন ও আট ধরনের তিমি মাছ।

ব্রিটিশরা অনেক আগেই ধারণা করেছিল যে, এটির গভীরতার কোনো সীমা নেই। অনেক বিশেষজ্ঞের মতে, এই অঞ্চলটিতে ধনরত্নে ভরা কিছু জাহাজ লুকিয়ে রয়েছে।

এটি কিন্তু সুন্দরবন থেকে খুব বেশি দূরেও নয়, দুবলার চর থেকে মাত্র ৩০ কিলোমিটার দূরে!

উত্তরে কাস্পিয়ান সাগর, দক্ষিণে পারস্য উপসাগর ও পারস্য উপত্যকা, পশ্চিমে তুর্কমেনিস্তান ও ইরাক, পূর্বে আফগানিস্তান—এই বিস...
19/07/2025

উত্তরে কাস্পিয়ান সাগর, দক্ষিণে পারস্য উপসাগর ও পারস্য উপত্যকা, পশ্চিমে তুর্কমেনিস্তান ও ইরাক, পূর্বে আফগানিস্তান—এই বিস্তীর্ণ ভূখণ্ডে গড়ে উঠেছিল ইসলামী ইতিহাসের এক শক্তিশালী শিয়া সাম্রাজ্য, যার নাম সাফাভী সাম্রাজ্য।

সাফাভী সাম্রাজ্য (১৫০১–১৭৩৬) প্রতিষ্ঠা করেন শাহ ইসমাইল প্রথম, যিনি ছিলেন পূর্ব তুর্কিস্তানের (আজকের আজারবাইজান ও ইরানের সীমান্তবর্তী অঞ্চল) সাফাভী সন্ন্যাসী ঘরানার নেতা। তাঁর নেতৃত্বে এটি রূপ নেয় এক আধুনিক রাজত্বে, যা তৎকালীন মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক ও ধর্মীয় মানচিত্রে বিপ্লব ঘটায়।

শাহ ইসমাইল ১৫০১ সালে তেহরান থেকে শুরু করে তেহরান, ইসফাহান, তাবরিজ ও কাশানের মতো নগর জয় করে শিয়া ইসলামকে রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি পর্তুগিজ, ওসমানীয় এবং উত্তর আফ্রিকার ফাতেমীদের থেকে আলাদা করে শিয়া ইমামতের চেতনা ছড়িয়ে দেন।

সাফাভী সাম্রাজ্য ছিল ঐতিহাসিকভাবে ইরানভিত্তিক, এবং তাদের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল সূন্নি উসমানীয় সাম্রাজ্য , যাদের সঙ্গে শিয়া-সুন্নি মতবাদের দ্বন্দ্ব রাজনৈতিক-সামরিক সংঘাতে রূপ নেয়।

শাহ আব্বাস মহান (১৫৮৮–১৬২৯) সাফাভী সাম্রাজ্যের সবচেয়ে উজ্জ্বল শাসক ছিলেন। তাঁর আমলে রাজধানী ইসফাহান হয়ে ওঠে শিল্প, স্থাপত্য ও শিক্ষার কেন্দ্রে। বিখ্যাত "ইসফাহান-নামাহ" গ্রন্থ এবং বিশাল মসজিদ ও সেতু নির্মাণের কাজ সেদিনের ঐশ্বর্যের নিদর্শন।

সাফাভী সাম্রাজ্যের সামরিক কৌশল ছিল শক্তিশালী, বিশেষ করে গুলিবর্ষণায় দক্ষ। এছাড়া তাঁরা পারস্য ভাষা ও সংস্কৃতিকে সমৃদ্ধ করেন, যা আজও ইরানের জাতীয় সাংস্কৃতিক পরিচয়ের মূল।

এক কথায়—সাফাভী সাম্রাজ্য ছিল ইসলামী ইতিহাসের সেই অধ্যায়, যেখানে রাজনীতি, ধর্ম ও সংস্কৃতির সমন্বয়ে গড়ে ওঠে পারস্যের আধুনিক রাষ্ট্র। তাদের শাসনামলে শিয়া ইসলাম বিস্তৃত হয় এবং মধ্যপ্রাচ্যের ভৌগোলিক ও সাংস্কৃতিক রূপান্তর ঘটে।

নীল নদের পশ্চিম তীরে, মিশরের লুক্সর শহরের কাছে দাঁড়িয়ে আছে দুই বিশাল পাথরের মূর্তি কলোসি অব মেমন। প্রাচীন মিশরের অন্যতম ...
27/05/2025

নীল নদের পশ্চিম তীরে, মিশরের লুক্সর শহরের কাছে দাঁড়িয়ে আছে দুই বিশাল পাথরের মূর্তি কলোসি অব মেমন। প্রাচীন মিশরের অন্যতম বিস্ময় এই স্থাপনাগুলো তৈরি করা হয়েছিল আজ থেকে তিন হাজার বছরেরও বেশি আগে, আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ১৩৫০ সালে, ফেরাও ৩য় আমেনহোটেপ-এর শাসনামলে। প্রতিটি মূর্তির উচ্চতা প্রায় ৬০ ফুট। মূর্তিগুলোতে ফেরাউনকে দেখা যায় সিংহাসনে বসা অবস্থায়, হাঁটুর উপর হাত রেখে পূর্ব দিকে সূর্যোদয়ের দিকে তাকিয়ে।

এই দুই মূর্তি নির্মিত হয়েছিল এক বিশাল মন্দিরের প্রবেশপথের প্রহরী হিসেবে। দুর্ভাগ্যবশত, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ভূমিকম্প ও বন্যায় মন্দিরটির বেশিরভাগ অংশ ধ্বংস হয়ে যায়, কিন্তু এই দুটি মূর্তি আজও দাঁড়িয়ে আছে—প্রাচীন মিশরের স্থপতি ও ভাস্করদের অসাধারণ দক্ষতার জীবন্ত প্রমাণ হিসেবে।

মূর্তিগুলো তৈরি হয়েছিল দূরবর্তী খনিগুলো থেকে আনা কোয়ার্টজাইট পাথর দিয়ে। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও ক্ষয়ের পরও, এখনো মূর্তিগুলোর কিছু অংশে ফেরাউনের মুখাবয়ব, পোশাকের ছাপ, এমনকি তার পায়ের কাছে খোদাই করা ছোট ছোট মূর্তির অস্তিত্ব স্পষ্ট—যেগুলো সম্ভবত তাঁর পরিবার বা দেবতাদের প্রতিনিধিত্ব করে।

প্রাচীন যুগে এই মূর্তিগুলোর একটি নিয়ে ছড়িয়ে পড়ে রহস্যময় এক কাহিনি। প্রতিদিন ভোরে মূর্তিটি এক অদ্ভুত শব্দ করত, যা মানুষ বিশ্বাস করত গ্রিক পুরাণের বীর মেমননের কণ্ঠস্বর। এই ‘গান’ রোমানদের সংস্কারে বন্ধ হয়ে যায়, তবে সেই কাহিনি একে পরিণত করে একটি ঐতিহাসিক তীর্থস্থানে। দূরদূরান্ত থেকে পর্যটকরা আসত এই বিস্ময়কর মূর্তি দেখতে।

ভেনিস: পানির নিচে বনভূমির ওপর ভাসমান এক শহর৪২১ খ্রিস্টাব্দ থেকে ভেনিস শহরটি কোটি কোটি কাঠের খুঁটির ওপর দাঁড়িয়ে আছে। ইস্প...
04/05/2025

ভেনিস: পানির নিচে বনভূমির ওপর ভাসমান এক শহর

৪২১ খ্রিস্টাব্দ থেকে ভেনিস শহরটি কোটি কোটি কাঠের খুঁটির ওপর দাঁড়িয়ে আছে। ইস্পাত বা কংক্রিট নয়, বরং মূলত এল্ডার কাঠ এবং কিছু ওক কাঠ দিয়ে পুরো শহরটি তৈরি করা হয়েছে।

লবণাক্ত পানির সংস্পর্শে এসব কাঠের খুঁটি পাথরের মতো শক্ত হয়ে গেছে। শুধুমাত্র সেন্ট মার্কস ক্যাম্পানাইল তৈরিতে ব্যবহৃত হয়েছে ১ লক্ষ কাঠের খুঁটি, আর বিশাল বাসিলিকা ডেলা সালুতে গড়তে লেগেছে ১০ লাখের বেশি খুঁটি! সেই সময়ের দক্ষ নির্মাণশ্রমিকরা এগুলো সমুদ্রের তলায় পুঁতে দিয়ে এক বিস্ময়কর ‘জলমগ্ন বন’ তৈরি করেছিলেন।

এই কাঠামো প্রায় তিন মিটার গভীর পর্যন্ত বিস্তৃত, যেখানে খুঁটিগুলো অর্ধ মিটার ব্যবধানে বসানো হয়েছে। পানির স্তর থেকে ১.৬ মিটার নিচে এই অসাধারণ মধ্যযুগীয় প্রকৌশল ১,৫০০ বছর পরও ভেনিস শহরকে দৃঢ়ভাবে ধরে রেখেছে, যা পৃথিবীর অন্যতম বিস্ময়কর নগরী।

Address

Barishal

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when World history & cultural beauty posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share