ANik's Illuminations

ANik's Illuminations "Everything stacks between mind and matter
If you don't mind, it doesn't matter"
(5)

Expert Educational and Visa Services always trying to make the path of tertiary education, specially abroad education mo...
20/11/2025

Expert Educational and Visa Services always trying to make the path of tertiary education, specially abroad education more easier and comfortable. We are trying to give a clear understanding of abroad educational process to the interested students. In relation to that, we have arranged a seminar in the Barishal Government College, Barishal.

Program details:
Chief guest: The Principal, Barishal Government College, Barishal
Total participant: 133
Total faculty member: 04
Discussion topics:
1. Abroad education process (Simplified)
2. Necessity of IELTS
3. Educational awareness and Career counselling

Thanks to The Honorable Principal, all the faculty members and the students of Barishal Government College, Barishal.

Also thanks to Adrita Rahman (Counselor of Expert Education), Shanta Alam (Admin. Manager of Expert Education) and Md Amir Hossain for their tremendous drive to make the event successful.

Expert Education & Visa Services - Barishal

09/11/2025

“আমি কখনও কোনো বন্য প্রাণীকে নিজের জন্য কাঁদতে দেখিনি।”
— ডি. এইচ. লরেন্স

ঘটনাটি নির্মম।
সে তখন মাত্র আট মাসের এক বাচ্চা শিয়াল। এক অবৈধ ফাঁদে পা দিয়ে হারিয়েছিল নিজের সামনের এক পা। আমি কেঁদেছিলাম— তার ব্যথার জন্য, তার হারানোর জন্য, এই পৃথিবীর অন্যায়ের জন্য।
কিন্তু সে কাঁদেনি।
অপারেশনের পর জেগে উঠেই দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছিল। কয়েক সেকেন্ডেই বুঝে ফেলল— শরীরের ভারসাম্য বদলে গেছে। তারপর নিঃশব্দ দৃঢ়তায় নতুনভাবে দাঁড়িয়ে গেল। সে কষ্টে ডুবে থাকেনি, শুধু নিজেকে বদলে নিয়েছিল।

পরের সপ্তাহগুলোতে সে আবার শিখে নিল কীভাবে দৌড়াতে, শিকার ধরতে, বাঁচতে হয়। তিন পা নিয়েই সে প্রমাণ করেছিল— টিকে থাকা এক মানসিক শক্তি, শারীরিক নয়।

আমরা ভেবেছিলাম আমরা তাকে মুক্ত করছি, কিন্তু আসলে সে-ই আমাদের মুক্ত করেছিল— জীবনের সবচেয়ে বড় পাঠ দিয়ে।

ফিনিক্স আমাকে শিখিয়েছিল, আরোগ্য মানে হারানো ফিরে পাওয়া নয়; বরং যা নেই, তার মাঝেও এগিয়ে যাওয়া।
আমরা আমাদের ক্ষতির দ্বারা নয়, বরং কতবার নতুন করে দাঁড়িয়েছি, তা দিয়েই সংজ্ঞায়িত হই।

Collected

08/10/2025

নার্সিসিস্টদের কিছু ইন্টারেস্টিং ফ্যাক্ট:

১) এরা না একটা শব্দও করবে না, কিন্তু আপনাকে এমন একটা সিচুয়েশন-এ ফেলবে যে আপনি চিৎকার করবেন, shout করবেন, পাগলামি করবেন। এর পর তারাই আপনাকে বুঝায় দিয়ে যাবে যে সব দোষ আপনার ছিল। আপনি যদি বোবা হয়ে থাকেন তো দম বন্ধ feel হবে। আর যদি আপনি চিৎকার করেন তাইলে তো আপনিই অপরাধী।

২) পরিচয়ের শুরুতে এরা আপনাকে অনেক appreciate করবে। অনেক সময় দিবে। রাত দিন আপনার সাথে গল্প করবে। কিন্তু একবার আপনি এদের প্রতি depend হইসেন, এরা তখন আপনাকে silent treatment দিবে। এরা message seen করে reply দিবে না, কথা বলবে না। এর পর আপনাকে বুঝাইবে আপনি desperate, আপনি unstable। অথচ দিনের পর দিন নিজের স্বার্থে এরা যে আপনার সময় নিসে ওইটা কোনো matter না।

৩) এরা আপনাকে বুঝাবে আপনি এদের উপর depend। আপনি যখন একা একা নিজে নিজে heal করতেসেন, এরা ঠিকই group সহ party করতেসে। এর পর আপনাকে এসে বুঝাইবে আপনি independent না। তারা independent যদিও তারা life-এ কখনো কারো support ছাড়া চলতে পারে না।

৪) এরা কোনো promise রাখতে পারে না। এরা যদি ওয়াদা করেও, এরা কখনোই এইটা রাখতে পারে না। এরা অনেক মিথ্যা আশ্বাস দিবে। আপনাকে ঝুলায়ে রাখবে। কিন্তু দিন শেষে এরা just আপনাকে ঠকাবে।

৫) আপনি life-এ ভালো থাকলে এদের মন খারাপ হয়। আপনি যদি খারাপ থাকেন এরা আপনাকে সান্ত্বনা দিয়ে একটা অদ্ভুত আনন্দ পায়।

৬) এরা সবসময় victim card play করবে। নিজেরা ইচ্ছামত আপনার ক্ষতি করবে, কষ্ট দিবে, কিন্তু সবার সামনে এমন একটা ভাব করবে যেন সব অত্যাচার এদের সাথেই হইসে। সব দোষ আপনার উপর চাপিয়ে দিয়ে এরা খুব সহজে মানুষজনের sympathy নিয়ে নিবে।

৭) এরা এমনভাবে মিথ্যা কথা বলবে আর এমনভাবে অস্বীকার করবে যে এক পর্যায়ে আপনার নিজের memory-র উপরেই doubt হওয়া শুরু হবে। আপনার মনে হবে আসলেই হয়তো সমস্যাটা আপনার, আপনি সব ভুল দেখতেসেন বা ভুল বুঝতেসেন। এইটাকে gaslighting বলে।

৮) এদের একটা superiority complex থাকে। এরা সবসময় নিজেকে অনেক বড় আর বাকিদের তুচ্ছ ভাবে। আপনার যেকোনো achievement-কে ছোট করে দেখাবে, আর নিজের সামান্য কাজকেও অনেক বড় করে present করবে। আপনার কথায় কোনো value দিবে না, কারণ তাদের মতে তারাই সবজান্তা।

এই টাইপের অমানুষদের জন্য প্লিজ ডোন্ট চেঞ্জ ইয়োরসেলফ। কখনো নিজেকে doubt করা যাবে না। Once you heal, you will realize you shouldn't change yourself just for them.

23/08/2025

আমরা এমন এক দুনিয়ায় বাস করি, যেখানে চেষ্টা করলেই সব পাওয়া যায়— এই গল্পটা খুবই জনপ্রিয়। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন।

অনেক চেষ্টা, প্রার্থনা, কষ্টের পরেও কিছু জিনিস আমাদের হাতে আসে না। আর সেই না-পাওয়াগুলোকেই আমরা বারবার মনে করি, আঁকড়ে ধরি, কষ্ট পাই।

আসলে আমরা ভুলে যাই—
তকদিরে যা নেই, তা চাইলেও হবে না।

কিন্তু গল্পটা শুধু না-পাওয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়।

অনেক সময় আমরা জীবনে অনেক সুন্দর কিছু পেয়ে যাই— ভালোবাসা, সুযোগ, সম্পর্ক, স্বপ্ন— যা হয়তো আল্লাহর পক্ষ থেকেই ছিল এক ধরনের রহমত।

কিন্তু সেগুলোকেও আমরা অবচেতনে অবমূল্যায়ন করি। অবহেলা করি, কিংবা ভুল সিদ্ধান্তে হারিয়ে ফেলি। তারপর অনেক বছর পর হঠাৎ বুঝি— সেটাকে ধরে রাখা দরকার ছিল।

এখানেই তকদিরের আরেকটা পাঠ!

তুমি যেটা পেয়েও ধরে রাখতে পারোনি, সেটাও তকদিরের অংশ। কারণ, ভুল করাটাও আমাদের ‘লিখে রাখা’ পরীক্ষার মধ্যেই পড়ে।

একজন আল্লাহর ওলী বলেছিলেন—
“ভাগ্যে আছে যা, বুদ্ধিতে আসে তা।”

অর্থাৎ, আজ তুমি যে ভুলটা বুঝোনি— কাল একদিন ঠিকই বুঝবে। তবে তখন সেই উপলব্ধির জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে, আফসোস নয়— শেখার জন্য।

যেমন কুরআনে আল্লাহ বলেন:
"তোমরা এমন কিছু অপছন্দ করতে পারো, যা তোমাদের জন্য ভালো। আর এমন কিছু পছন্দ করতে পারো, যা তোমাদের জন্য খারাপ। আল্লাহ জানেন, আর তোমরা জানো না।” (সূরা বাকারা ২১৬)

আমরা ভাবি, চেষ্টা করলেই ফল পাবো।
কিন্তু অনেক সময়, ফল না পাওয়াটাই হয়তো বড় কোনো ক্ষতির হাত থেকে বাঁচার উপায়। আর কখনো ভুল করাটাই হয়ে দাঁড়ায় ভবিষ্যতের সঠিক জায়গায় পৌঁছানোর পথ।

Sometimes, the delay, the loss, even the mistake— is all part of divine alignment.

আল্লাহ আমাদের সব পরিকল্পনা জানেন। আমরা দেখি শুধু বর্তমান, আর তিনি দেখেন শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পুরো যাত্রা।

তাওয়াক্কুল মানে হাল ছেড়ে দেওয়া নয়— বরং নিজের সর্বোচ্চ দিয়ে চেষ্টা করে ফলাফলের দায়িত্ব আল্লাহর হাতে ছেড়ে দেওয়া।

তুমি আজ যেটা হারিয়েছো— সেটা হয়তো ঠিকই ছিল, কিন্তু তখন তোমার তা ধরে রাখার উপলব্ধি ছিল না। আর যেটা আজ পাওনি, সেটা হয়তো তোমাকে তৈরি করে তুলছে আরও বড় কিছুর জন্য।

তাই অতীতকে শুধু আফসোসের জায়গা বানিও না। সেখানেও আছে শিক্ষা, রহমত— আর কখনো কখনো, মুক্তি।

তোমার যা হবে, তা হবেই। আর যেটা হওয়ার নয়, তা শত চেষ্টা করেও হবে না। এই বিশ্বাসটাই মানুষকে পরিপক্ব করে, শান্ত করে, আর আল্লাহর সাথে কানেকশন তৈরি করে।

Because sometimes, not getting what we want is the best protection from what we can't handle.

#জীবন_চক্র

07/08/2025



জীবনকে নিয়ে কখনই কমপ্লেন করবেন না। যত খারাপ সিচুয়েশনই আসুক না কেন! কমপ্লেন করবেন না। এটা কেন হলো না, ওটা কেন পেলাম না, আমার কি দোষ ছিলো, আমার সাথেই এগুলো কেন ঘটছে, ও কেন এতো উন্নতি করছে (হিংসা),ও কেন ভালো আছে (হিংসা), ওকে সবাই পছন্দ করে কেন! ওর জীবন সুন্দর, আমারটা নয় কেন! - অল আর ভেরী সিলি কোশ্চেনস……সবার জীবনের সবকিছু আপনি জানেন না। বাইরে থেকে অনেক কিছুই বোঝা যায় না। পৃথিবীতে আমিই সবচেয়ে দুঃখী, এ ধারনা খুবই ভুল। জীবনে যা ঘটছে তা হয় আপনার ভুলে অথবা সৃস্টিকর্তার ইচ্ছায়। আপনার ভুলগুলোর কিছু কিছু আপনি আইডেন্টফাই করতে পারবেন, কিছু পারবেন না। যেগুলো আইডেন্টিফাই করতে পারবেন দ্রুত সংশোধন করুন, যেগুলো পারবেন না, সেগুলো খুঁজতে গিয়ে সময় নস্ট করবেন না। আর সৃস্টিকর্তা কেন আপনার সাথে এমন করছেন, তার হিসাব আপনি কোনোদিন মিলাতে পারবেন না- দ্যা ক্রিয়েটর ইজ দ্যা বেস্ট প্লানার। সুতরাং, হিসাব না করাই ভালো।
তাহলে কি করবেন?
যে কোনে পরিস্থিতিতে, যে কোনো অবস্থায় কন্ট্রিবিউট করতে থাকুন-নিজের জীবনে, অন্যের জীবনে, সমাজে, সংসারে, পৃথিবীতে। টাকা ছাড়াও অনেকভাবে কন্ট্রিবিউশন করা যায়।যত ছোটই হোক না কেন-এভরি কন্ট্রিবিউশন কাউন্টস্। জীবনে কোনো না কোনো সময় ফল দেবে ইনশা’আল্লাহ।সব জায়গায় পজেটিভ এনার্জি তৈরী করার চেস্টা করুন। নিজের তৈরী করা যুক্তি দিয়ে বিবেচনা না করে, নিরপেক্ষ জায়গায় নিজেকে বসিয়ে জীবনকে দেখুন। অনেক কিছুই বুঝতে পারবেন আশা করি।
☄️Do good for others, it will come to you in an unexpected way,
☄️Do bad for others, it will also come to you in an unexpected way.
☄️If anyone make any damage in your life, please don’t revenge, pardon him/her. Because both of your level are not the same.

জীবন সব সময় সরল পথে চলে না। কখনও কখনও এমন সময় আসে, যখন আপনি একদম নির্দোষ, তারপরও চারপাশের পরিস্থিতি, মানুষ আর ঘটনাগুলো এ...
27/07/2025

জীবন সব সময় সরল পথে চলে না। কখনও কখনও এমন সময় আসে, যখন আপনি একদম নির্দোষ, তারপরও চারপাশের পরিস্থিতি, মানুষ আর ঘটনাগুলো একের পর এক আপনার বিপক্ষে চলে যায়। এই সময়গুলো এতটাই হতাশাজনক যে মনে হয়, যেন গোটা দুনিয়া আপনার বিরুদ্ধে ষ'ড়য'ন্ত্র করছে।

এই সময়েই প্রকৃত ধৈর্য, সহ্যশক্তি আর মানসিক শক্তির পরীক্ষা হয়। আপনাকে দো'ষারো'প করা হতে পারে এমন কিছুর জন্য, যা আপনি করেননি। আপনার চরিত্র, বিশ্বাস, এমনকি ইচ্ছার সত্যতাও প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে। আশ্চর্যের বিষয় হলো, অনেক সময় আপনাকে খুব কাছের মানুষরাও বুঝতে চায় না, বরং পরিস্থিতিকে আরও কঠিন করে তোলে।
তবে এমন কঠিন সময়ই মানুষকে সবচেয়ে বেশি শিক্ষা দেয়। এই দুঃসময় আপনার সহ্যশক্তিকে বাড়ায়, আপনার চুপ করে থাকা শেখায়, এবং আপনাকে ভরসা করতে শেখায়—নিজের ওপর, আর সৃষ্টিকর্তার ওপর। কারণ, সত্য একদিন ঠিকই প্রকাশ পায়।

পরিশেষে, মনে রাখতে হবে—আপনি যদি সত্যের পক্ষে থাকেন, তবে অন্ধকার যতই দীর্ঘ হোক, আলো একদিন ঠিকই আসবে। এই সময়টা পার করতে হয় মাথা ঠান্ডা রেখে, নিজেকে হারিয়ে না ফেলে। কারণ, ঝড় যতই তীব্র হোক না কেন, সূর্য আবার ঠিকই উদয় হয়।
#জীবন_চক্র

Expert Education & Visa Services - Barishal   always trying to make the path of tertiary education, specially abroad edu...
14/07/2025

Expert Education & Visa Services - Barishal always trying to make the path of tertiary education, specially abroad education more easier and comfortable. We are trying to give a clear understanding of abroad educational process to the interested students. In relation to that, we have arranged a seminar in the Department of Economics, Government BM College, Barishal.

Program details:
Chief guest: Head of the Department, Department of Economics, Government BM College, Barishal.
Total participant: 157
Total faculty member: 07
Discussion topics:
1. Abroad education process (Simplified)
2. Necessity of IELTS
3. Educational awareness and Career counselling

Thanks to honorable Head of the Department, all the faculty members and the students of Department of Economics, Government BM College, Barishal.
Also thanks to Adrita Rahman (Counselor of Expert Education), Shanta Alam (Admin. Manager of Expert Education) and Md Amir Hossain for their tremendous drive to make the event successful.

ANik's Illuminations

03/07/2025

একটি মশার বাচ্চা ডিম থেকে বেরিয়ে উড়তে শিখলো, দশ মিনিট আকাশে ওড়ার পর ফিরে এলো মা'র কাছে।
মা জিজ্ঞেস করল, “কিরে বাবা, কেমন লাগলো উড়তে?”

বাচ্চা উত্তরে বলল, “চমৎকার! সবাই আমাকে দেখে তালি দিয়েছে—দারুণ বাহবা পেয়েছি!”

মা হেসে বলল, “হায়রে বোকা! ওগুলো বাহবা তালি ছিল না, বরং প্রতিটি তালি ছিল তোর মৃ/ত্যুর ফাঁদ।”

মানুষের অবস্থাও অনেকটা এমনই।

যখন কেউ ধ্বংসাত্মক বা হারাম কাজের পথে পা বাড়ায়, তখন শয়তান তা চোখে আকর্ষণীয় করে তোলে, উৎসাহ দেয়, বাহবা দেয়।

বোকা মানুষ ভাবে এটাই হয়তো সফলতা বা বাহবা!
কিন্তু বাস্তবে সেটা হয় জাহা/ন্নামের দিকে একেকটি ধাপ।

আল্লাহ তাআলা কুরআনে বলেন, “শয়তান তাদের কাজকে তাদের চোখে শোভনীয় করে তোলে।” (সূরা আনআম, ৪৩)

আমরাও সেই মশার বাচ্চার মতো ধ্বংসের হাতছানি ভুল করে বাহবা মনে করি, শয়তানের চক্রান্ত বুঝতে না পারাই আমাদের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা।

সংগৃহীত

26/06/2025

একজন অধ্যাপক বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস নিচ্ছিলেন। ক্লাস শুরু হতেই এক ছাত্র শিস দিয়ে বসল।

অধ্যাপক থেমে গিয়ে বললেন:
— "কে শিস দিল?"

কেউ কোনো উত্তর দিল না।

তিনি আবার পাঠ দেওয়া শুরু করলেন। কিছুক্ষণ পর সেই ছাত্র আবার শিস দিল।
অধ্যাপক আবার থেমে জিজ্ঞেস করলেন:
— "কে শিস দিচ্ছে?"

তবুও কেউ উত্তর দিল না।

তিনি আবার ক্লাস শুরু করলেন। কিন্তু এবার যখন তৃতীয়বারের মতো শিস এল,
তিনি কলম বন্ধ করলেন এবং বই গুটিয়ে বললেন:
— "আজকের ক্লাস এখানেই শেষ। তবে আমি তোমাদের একটা গল্প শোনাব।"

ক্লাসে নেমে এলো নিস্তব্ধতা, সবাই মনোযোগ দিল।

অধ্যাপক বললেন:
"এক রাতে ঘুম আসছিল না, অস্থির হয়ে বাসা থেকে বের হয়ে গাড়ি চালিয়ে কোথাও যাচ্ছিলাম। কোনো নির্দিষ্ট গন্তব্য ছিল না।

হঠাৎ দেখি এক বৃদ্ধা মহিলা, হাতে ভারী বোঝা নিয়ে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে আছেন।
আমি গাড়ি থামিয়ে জিজ্ঞেস করলাম, 'মা, কিছু সাহায্য লাগবে কি?'
তিনি খুশি হলেন, গাড়িতে উঠলেন।

চলতে চলতে বুঝলাম, তিনি আমাকে ভালোভাবেই চেনেন।
তিনি আমার চোখের দিকে তাকিয়ে বললেন:

— ‘ডক্টর সাহেব, আমার একটা অবৈধ সন্তান আছে, সে আপনার ইউনিভার্সিটিতেই পড়ে। আমি চাই আপনি তার পাশে থাকুন, তাকে মানুষ হিসেবে গড়ে তুলুন।’

আমি বললাম:
— 'নিশ্চয়ই মা, কিন্তু নামটা বললে তো আমি তাকে চিনতে পারব।'

তিনি হেসে বললেন:
— 'নাম বলার দরকার নেই। আপনি নিজেই তাকে চিনে ফেলবেন — সে খুব দুষ্ট, সব সময় ক্লাসে শিস দেয়।'"

এই কথা শুনে ক্লাসের সব ছাত্র ঘুরে তাকাল সেই শিস দেওয়া ছাত্রের দিকে!

অধ্যাপক তখন বললেন:
"এসো ছোট ভাই, তুমি কি ভাবছ আমি এই পিএইচডি সার্টিফিকেট গাধার হাট থেকে কিনেছি?"

©

30/05/2025

অপ্রত্যাশিত আর্থিক সংকটে পড়েছেন যারা, আপনার আয় কমে গেছে, খরচ কমেনি। আপনি এখন দিশেহারা। কেউ কেউ চিন্তা করবে বলে পরিবারকে এ বিপর্যয়ের কথা বলেননি। পুরো চাপ একা নিয়েছেন। খাবার টেবিলে হেসেছেন, সে হাসির পেছনে যে রক্তবর্ণ বেদনা লুকিয়ে আছে তা কাউকে বুঝতে দেননি।
ভেতরে ভেতরে আপনি শেষ হয়ে গেছেন। চাপ সইতে না পেরে হঠাৎ করে হার্ট অ্যাটাকে মারা যাবেন।

এ মৃত্যুগুলো যে কী ভয়াবহ কষ্টের তা বলার অপেক্ষা রাখেনা। এ ব্যাপারে বাদল সৈয়দের কিছু পরামর্শ এখানে দেয়া হলো। কাজে লাগতে পারে।

১. দয়া করে পরিবারের সাথে সমস্যা শেয়ার করুন। তাঁরা আজ বা কাল ব্যাপারটা জানবেনই। তাই গোপন না করে তাঁদের নিয়েই পরিস্থিতি মোকাবেলা করুন।

২. প্রয়োজনে নাটকীয়ভাবে জীবনযাত্রার খরচ নামিয়ে আনুন। মিডল ক্লাসের প্রচলিত 'ইগো'র কারণে আমরা অযথা অনেক খরচ বাড়িয়েছি। সেগুলো চাইলে বাদ দেয়া যায়। কম দামের বাড়িতে শিফট করুন। গাড়ি বিক্রি করে দিন। অন্যান্য অপ্রয়োজনীয় খরচ বাদ দিন। কে কী বললো সেদিকে পাত্তা দিবেন না, এখন টিকে থাকাটাই মুখ্য।

৩. বাচ্চাদের স্কুল খরচ খুব বেশি হলে তাও বদলে ফেলুন। স্কুলের পরিচয়ে ছাত্রছাত্রীদের আখেরে কোনো লাভ হয় না। কাজ হয় তার রেজাল্টে। সেটা যেকোনো ধরনের স্কুল থেকেই করা যায়। তুলনামূলক কম খরচের স্কুলে বাচ্চাদের শিফট করে নিজে তাদের পড়াশোনা তদারক করুন।

৪. সময়টা খুব খারাপ। তাই কোনো সমস্যা না থাকলেও মাঝে মাঝে ইসিজি করিয়ে ডাক্তারের সাথে আলাপ করুন।

৫. সমস্যা নিয়ে ভাইবোনের সাথে আলাপ করুন। পরিবারের যে ভাই বা বোন বিপদে পড়েছেন, তাঁকে অন্যরা আগলে রাখুন। টাকা গেলে টাকা আসবে। ভাইবোন গেলে আর ফিরে পাওয়া যাবে না। এই কঠিন সময়ে সবাই এক ছাতার নিচে আশ্রয় নিন। একজনের উষ্ণতা দিয়ে আরেকজনকে রক্ষা করুন।

৬. এ দুঃসময়ে পরিবারের সদস্যরা যুথবদ্ধ থাকুন। পরিবারের সবার সম্মিলিত আয় যদি সবার কাজে লাগানো যায় তাহলে সবাই উপকৃত হবেন। স্থায়ী বেদনাকে আমন্ত্রণ জানানোর চেয়ে এটা অনেক ভালো। মনে রাখবেন, যে মেষ শাবক পালছুট হয়, সে-ই বাঘের কবলে পড়ে। আমি মনে করি, পরিবারের সমস্যাগ্রস্ত সদস্যকে রক্ষা করার জন্য যুথবদ্ধ পরিবারের যুথবদ্ধ আর্থিক পরিকল্পনা অনেক বড় ওষুধ হিসেবে কাজ করবে।

৭. দয়া করে সমস্যার কথা বন্ধুদের বলুন। আর যেসব বন্ধুরা ভালো আছেন, তাঁরা বিপদগ্রস্ত বন্ধুকে আগলে রাখুন। প্রয়োজনে তাঁর জন্য 'বেইল আউট' প্ল্যান করুন। সবাই হাত লাগালে বিপন্ন বন্ধুটিকে আবার দাঁড় করিয়ে দেওয়া মোটেও অসম্ভব নয়।

৮. মধ্যবিত্তের যে ইগোর কথা বলছিলাম তা বাদ দিয়ে আয়ের বিকল্প উৎস বের করুন। যেমন, ছাত্রজীবনে যিনি টিউশনি করতেন, তিনি প্রয়োজনে তাতে ফিরে যান। যাদের বাড়িতে জায়গা আছে, তাঁরা কৃষি থেকে আয়ের ব্যবস্থা করুন। পুকুর থাকলে মাছ চাষ করুন, হাঁস-মুরগি পালন করুন। বাড়ির মহিলারা সেলাই কাজ, হোম মেইড ফুড এধরণের ছোটো ছোটো উদ্যোগ নিন।অনলাইন/অফলাইনে বিক্রি করুন। সততাকে পুঁজি করলে ক্রেতার অভাব হবে না।

৯. প্রতি বছর পুনর্মিলনী/ রি-ইউনিয়নের বন্যা আমরা দেখি। লাখ লাখ টাকা এসব অনুষ্ঠানে খরচ হয়েছে। এসব অ্যালামনাই এসোসিয়েশন প্রত্যেক সদস্যের বিপদে পাশে দাঁড়াতে পারেন। নয়ত এসব মিলনমেলা একটি লোক দেখানো মূল্যহীন ব্যাপার বলে প্রমাণিত হবে।

১০. সবশেষে বলি, বাড়ির একমাত্র উপার্জনকারী সদস্য হচ্ছেন নিঃসঙ্গ শেরপা। তাঁকে একাই লড়াই করতে হয়। এ একাকী যোদ্ধাকে বাড়ির সবাই স্বস্তি দিন, যত্ন করুন, মায়ায় ডুবিয়ে রাখুন। তিনি যাতে অযথা চাপে না পড়েন সেদিকে নজর দিন।

দশ মিনিটের বুকে ব্যথায় যিনি মারা যাচ্ছেন, তা আসলে দশ মিনিটের ব্যথা নয়, দিনের পর দিনের ব্যথা। অনিশ্চয়তার এ দীর্ঘ ব্যথার চাপ আসলে তিনি আর নিতে পারেননি। একমাত্র আমাদের সম্মিলিত হাত সে বুকে রাখলেই এ ব্যথা কমবে।
__________________

27/05/2025

জীবনের ৪২টি শিক্ষা
(রেজিনা ব্রেট, ৯০ বছর বয়সে লেখা)

জীবনের অভিজ্ঞতা থেকে পাওয়া এই মূল্যবান শিক্ষা গুলো এমন কিছু, যা আমাদের প্রত্যেকেরই অন্তত সপ্তাহে একবার পড়া উচিত।

১. জীবন সবসময় ন্যায্য হয় না, তবে তারপরও এটা সুন্দর।
২. যখন সিদ্ধান্ত নিতে পারো না, তখন ছোট একটা পদক্ষেপ নাও।
৩. জীবন খুব ছোট – তাই উপভোগ করো।
৪. অসুস্থ হলে তোমার চাকরি পাশে দাঁড়াবে না, পাশে থাকবে পরিবার আর বন্ধু।
৫. প্রতি মাসে ক্রেডিট কার্ডের দেনা শোধ করো।
৬. সব তর্কে জেতা জরুরি নয়। নিজের প্রতি সৎ থাকো।
৭. কারো সঙ্গে কাঁদো – একা কাঁদার চেয়ে তা বেশি প্রশান্তিদায়ক।
৮. প্রথম বেতন থেকেই অবসরকালীন সঞ্চয় শুরু করো।
৯. চকোলেটের প্রতি দুর্বলতা স্বাভাবিক – প্রতিরোধ করতে যেয়ো না।
১০. অতীতকে মেনে নাও, যাতে তা বর্তমানকে প্রভাবিত না করে।
১১. তোমার সন্তানদের সামনে কাঁদা ঠিক আছে।
১২. অন্যের জীবনের সঙ্গে নিজের তুলনা করো না – কারো পথচলা তুমি জানো না।
১৩. সম্পর্ক লুকিয়ে রাখতে হলে, সেটা ঠিক সম্পর্ক নয়।
১৪. গভীর শ্বাস নাও – এটা মনকে শান্ত করে।
১৫. অপ্রয়োজনীয় জিনিস ফেলে দাও – বাড়তি বোঝা জীবনকে ভারী করে।
১৬. যেটা তোমাকে ভাঙে না, সেটাই তোমাকে আরও শক্ত করে তোলে।
১৭. সুখী হতে কখনোই দেরি হয় না – এটা পুরোপুরি তোমার উপর নির্ভর করে।
১৮. যা ভালোবাসো, তার পেছনে লেগে থাকো – “না” শুনে থেমো না।
১৯. বিশেষ দিনের জন্য কিছু রেখে দিও না – আজই বিশেষ।
২০. বেশি প্রস্তুতি নাও, তারপর প্রবাহের সঙ্গে চলো।
২১. অদ্ভুত হও এখনই – বয়সের অপেক্ষা করো না।
২২. সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ 'মন' – সেখানেই সব শুরু।
২৩. তোমার সুখের দায়িত্ব একমাত্র তোমার।
২৪. প্রতিটা বিপর্যয়কে ভেবো – “৫ বছর পর এটা কি গুরুত্বপূর্ণ থাকবে?”
২৫. সবসময় জীবনকেই বেছে নাও।
২৬. ক্ষমা করো, তবে ভুলে যেও না।
২৭. অন্যরা তোমার সম্পর্কে কী ভাবে, সেটা তাদের ব্যাপার – তোমার নয়।
২৮. সময় অনেক কিছু সারিয়ে তোলে – সময়কে সময় দাও।
২৯. ভালো বা খারাপ – সব পরিস্থিতিই বদলাবে।
৩০. নিজেকে খুব বেশি গুরুত্ব দিও না – কেউ দেয় না।
৩১. অলৌকিকতার উপর বিশ্বাস রাখো।
৩২. জীবন হিসাব করে কাটিও না – প্রতিটা মুহূর্তে উপস্থিত থেকো।
৩৩. বেঁচে থেকে বার্ধক্যে পৌঁছানোই সৌভাগ্য।
৩৪. তোমার সন্তানের শৈশব একটাই – সেটা উপভোগ করো।
৩৫. জীবনের শেষে আসলে একটাই ব্যাপার গুরুত্বপূর্ণ – তুমি কতটা ভালোবেসেছিলে।
৩৬. প্রতিদিন বাইরে যাও – অলৌকিকতা চারদিকে ছড়িয়ে আছে।
৩৭. যদি সবাই তার সমস্যাগুলো এক জায়গায় রাখে, তাহলে তুমি তোমারটাই ফেরত নিতে চাইবে।
৩৮. হিংসা করে সময় নষ্ট করো না – যা আছে তাইকে গ্রহণ করো।
৩৯. সামনে আরও ভালো কিছু অপেক্ষা করছে।
৪০. যেমনই মনে হোক, উঠে দাঁড়াও, সাজো, এবং উপস্থিত থেকো।
৪১. কখনো কখনো পথ ছেড়ে দিতে জানতে হয়।
৪২. জীবন উপহারের মতো মোড়ানো না হলেও, এটা এখনো এক অনন্য উপহার।

এই উপদেশগুলো জীবনের পথে বারবার আলো দেখাবে যতবার পড়বে, ততবার নতুন কিছু শিখবে।

Address

C & B Road
Barishal

Telephone

+8801722799799

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ANik's Illuminations posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to ANik's Illuminations:

Share