23/11/2025
বাংলার হাজার বছরের সংস্কৃতি বাউল, লালন, ওরস-মেলা, নাট্যকলা আর সংগীত এগুলো আমাদের অস্তিত্বের আত্মা। অথচ আজকাল দেখা যাচ্ছে, এই ঐতিহ্যের বাহক মানুষগুলোর ওপর উস্কানি, হামলা, ভয়ভীতি আর নির্যাতন উদ্বেগজনকভাবে বেড়ে চলছে।
কারা এদের টার্গেট করছে?
যারা সমাজে অরাজকতা ছড়াতে চায়, যারা বিভ্রান্তিকর মতবাদ দিয়ে আমাদের সংস্কৃতি ধ্বংস করতে চায়, যারা মুক্তচিন্তা, শিল্প-সাহিত্য আর মানবতার শক্তিকে ভয় পায়—তাদেরই অপতৎপরতার ফল এই নোংরা আক্রমণ।
বাউলরা কি দোষ করেছে?
শত শত বছর ধরে মানবতা, প্রেম আর শান্তির গান গেয়ে এসেছে—তাই?
এদের উপর হামলা মানে বাংলা সংস্কৃতির বুকে ছুরি মারা।
লালনভক্ত আর সাধকদের উপর আঘাত?
এটা শুধু অন্যায় না এটা সভ্যতার বিরুদ্ধে ঘোষিত যুদ্ধ।
মেলা, ওরস, নাট্যকার, সংগীতশিল্পীদের বাধা?
এরা রাত-দিন পরিশ্রম করে সমাজকে আলোকিত করে। এদের দমিয়ে রাখতে চাওয়া মানে অন্ধকারকে পক্ষে নেওয়া।
সংখ্যালঘুদের টার্গেট করা?
যারা ধর্মের নামে অন্যের উপর হামলা চালায়, তারা মানবতার শত্রু।
বাংলাদেশ কারও ব্যক্তিগত সম্পত্তি না এটা সবার দেশ, সবার অধিকার।
একটা বিষয় স্পষ্ট বুঝে রাখুন
সংস্কৃতি আক্রমণের শিকার হলে দেশ দুর্বল হয়।
শিল্পীকে দমন করলে সমাজ অন্ধ হয়ে যায়।
সংখ্যালঘুকে ভয় দেখালে রাষ্ট্রের শিকড় নড়ে যায়।
যারা ভাবছে তারা চুপিসারে এমন নোংরা কাজ করে পার পেয়ে যাবে
স্পষ্ট করে বলছি: সময় বদলাবে, সত্য সামনে আসবে, আর ইতিহাস কাউকে ক্ষমা করে না।
বাংলাদেশের মাটি সহিংসতা, উগ্রতা বা দমননীতি মেনে নেবে না।
এই দেশ লালন‐রবীন্দ্র‐নজরুলের দেশ।
এখানে সংস্কৃতি দমিয়ে রাখার চেষ্টা করা মানে জাতির শিকড়ে আঘাত করা।