23/01/2024
শরীফ শরীফার গল্পটিতে হিজড়ার প্রসঙ্গ এলেও বাস্তবে এটি ট্রান্সজেন্ডার আইডিওলজিকে নরমালাইজ করার জন্যেই উদ্দেশ্যমূলকভাবে লেখা হয়েছে।
📝 ডাঃ মাওলানা মুহাম্মাদ মাসীহ উল্লাহ ( Muhammad Masih Ullah)
ভালো করে খেয়াল করুন, হিজড়াদের থাকে জন্মগত শারীরিক ত্রুটি, জননাঙ্গ সুগঠিত থাকে না, অনেক সময় মিক্সড থাকে। প্রকৃত হিজড়ার বাবা মাও তা জানে, সেও তা জানে। কিন্তু ট্রান্সজেন্ডারদের যে সমস্যা তা শরীরে নয়, মনে। শরীর পুরোটাই ঠিক। তারা শারীরিকভাবে সম্পূর্ণ সুস্থ পুরুষ কিংবা সুস্থ নারী। কিন্তু মনের দিক দিয়ে তাদের সমস্যা। নিজের প্রকৃত লিঙ্গকে মেনে নিতে সমস্যা। ফলে তারা নারী হয়ে পুরুষের বেশ ধরতে চায়, আর পুরুষ হলে নারী। নিজের লিঙ্গ নিয়ে তারা খুশি নয়।
শরীফ শরীফার গল্পটিতে শরীফের সমস্যাটা হিজড়ার নয়, সেটি তার কথাতেই পরিস্কার। সে বলছে, " ছোটবেলায় সবাই আমাকে ছেলে বলতো। কিন্তু আমি নিজে একসময় বুঝলাম, আমার শরীরটা ছেলেদের মতো হলেও মনে মনে আমি একজন মেয়ে। আমি মেয়েদের মতো পোষাক পরতে ভালোবাসতাম। "
একইভাবে লেখাটির শেষে এ ধরণের মানুষদের মধ্য থেকে সফল মানুষের উদাহরণ দিতে গিয়ে হিজড়া এবং ট্রান্সজেন্ডার উভয় ধরণের মানুষের উদাহরণ দেয়া হয়েছে। ঋতু চেয়ারম্যান হিজড়া হলেও বাকী দু'জন শাম্মী রানী চৌধুরী ও বিপুল বর্মন ট্রান্সজেন্ডার, উভয়েই সার্জারী করে লিঙ্গ পরিবর্তন করেছেন।
এখানে দেখার বিষয় হচ্ছে ভাষার কৌশলি প্রয়োগ, দুটি ভিন্ন বিষয়কে কৌশলে একই দেখানো, ইচ্ছেমতো পরিভাষার কাটছাঁট। কখন কোন পরিভাষা ব্যবহার করা হচ্ছে তা বুঝা গুরুত্বপূর্ণ। পরিভাষার পরিবর্তন বুঝতে পারাটাও গুরুত্বপূর্ণ। যেকোনো মতবাদকে প্রতিষ্ঠিত করতে গেলে অনেক পরিভাষা, সংজ্ঞার পরিবর্তন করতে হয়। এই ট্রান্সজেন্ডার ইস্যুতেও আমরা দেখবো কিভাবে বিভিন্ন সংজ্ঞা এবং পরিভাষাকে পাল্টে দেয়া হচ্ছে।
জেনেটিক বা হরমোনগত সমস্যার কারণে সৃষ্ট সমস্যা হলো হিজড়া। তা বাহ্যিক গঠনগত কিছু ত্রুটি, যা বর্তমানে কারেকশন করা সম্ভব এবং এই কারেকশনটা শরঈ ও সামাজিক সর্বদিক বিবেচনায় যৌক্তিক, আর তা সম্পন্ন করার পর তার নারী বা পুরুষ যে কোন একটা সহজেই প্রতিষ্ঠিত হয়ে যায়। এই হিজড়া যাদেরকে ইন্টারসেক্সও( intersex) বলা হয়, যাদের অপর নাম হার্মাপ্রোডাইট, তাও একদম ট্রু-হার্মাপ্রোডাইট বিরলের চেয়েও বিরল। ট্রু-হার্মাপ্রোডাইট বলতে বুঝায়, যার শরীরে একইসাথে টেস্টিসও আছে, আবার ওভারীও। অন্যভাষায় বলতে গেলে উভয়লিঙ্গ, এটি মানুষের ক্ষেত্রে বিরল। দুয়েকটা কেইসের কথা বলা হলেও তা সন্দেহপূর্ণ। বস্তুত মানুষের মাঝে যারা হিজড়া, তারা ফল্স হার্মাপ্রোডাইট। এর অর্থ হলো তাদের হয়তো শুক্রাশয় বা ডিম্বাশয় যে কোন একটা আছে, কিন্তু বাহ্যিক জননাঙ্গ অসম্পূর্ণ, সুগঠিত নয় বা মিক্সড। তাদের চিকিৎসা খুবই ক্লিয়ার, গোনাডাল সেক্স নির্ণয় করে, তাদের বাহ্যিক জননাঙ্গ ঠিক করে দেয়া। একে জেন্ডার চেইঞ্জ বলা হয় না, বরং জেন্ডার কারেকশন বলা হয়। তার আসল গোনাডাল সেক্স অনুযায়ী তার বাহ্যিক জননাঙ্গকে ঠিক করে দেয়া। আর গোনাডাল সেক্স নির্ণয় সহজ, অনেকগুলো টেস্ট এর জন্য রয়েছে। পরীক্ষা নিরীক্ষার মাধ্যমে একদম শতভাগ নিশ্চিত হয়ে তার চিকিৎসা সম্পন্ন করা হয়। আর এই হিজড়া সমস্যা একটা কমন সমস্যা যা দশ হাজার শিশু জন্মগ্রহণ করলে একজনের মাঝে তা দেখা যায়। তবে ট্রান্সজেন্ডাররা কিন্তু হিজড়া নয়, ভুলে কেউ তাদের হিজড়া বলে ডাকলেও। যারা প্রকৃত হিজড়া তাদের তো আসলেই শারীরিক সমস্যা আছে, তা সার্জিক্যালি কারেকশন করে দিয়ে চিকিৎসা করানো, এরপর তাদের প্রকৃত গোনাডাল সেক্স অনুযায়ী সমাজে তাদেরকে গ্রহণ করে নিতে না সামাজিকভাবে কোন বাধা আছে, না শরঈ? কিন্তু যাদের আদৌ কোন শারীরিক সমস্যা নেই, মনে মনে সমস্যা, তাদের মানসিক চিকিৎসা হোক, সাইকোথেরাপি দেয়া হোক, আর সেটিই তো যৌক্তিক। তা না করে কেবল তারা যেমন মনে করে তেমনটাই মেনে নাও, তাদের সুস্থ,সক্ষম শরীরটা কেটেকুটে অক্ষম ও বিকৃত করে দাও, ক্রস হরমোন দিয়ে অকালে আঁতুড় ও মৃত্যুর দিকে ঠেলে দাও, এই অযৌক্তিক কাজ কোন পাগলে সমর্থন করবে?
সেক্স ও জেন্ডার দুইটি শব্দ, একটি S*x আরেকটি Gender। এই শব্দগুলোর মারপ্যাঁচ বুঝতে হবে। একটা কথা মনে রাখা প্রয়োজন, যাদের কাছে বেশি দলিল থাকে না তাদের কাছে শব্দের মারপ্যাঁচ থাকে বেশি। তারা শব্দের মারপ্যাঁচ দিয়ে অনেক কিছু আদায় করে নেয় এবং জনসাধারণকে তারা এভাবে বিভ্রান্ত করে। আমরা S*x এবং Gender এই দুই শব্দের মধ্যে কোনো পার্থক্য জানি না। যেহেতু আমরা একটি ইসলামী চিন্তাধারা বা প্রাচীন কাল থেকে চলে আসা চিন্তাধারার উপর প্রতিষ্ঠিত আছি। আমাদের কাছে Biological S*x এবং Gender এর মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই। প্রথমেই এই বিষয়টা পরিষ্কার যে, এই শব্দদ্বয়ের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই। এবং বিংশ শতাব্দীর আগে পৃথিবীর ইতিহাসে এই শব্দদ্বয়ের মধ্যে কোনো পার্থক্য ছিল না।বরং Gender শব্দটি আগে কেউ ব্যবহার ই করতো না।
আজকাল যে হঠাৎ করে নারী পুরুষের সংজ্ঞা পাল্টে ফেলতে হচ্ছে, এতদিন ধরে যে সেক্স ও জেন্ডার শব্দদুটি synonym হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে, হঠাৎ করে দুটিকে আলাদা করতে হচ্ছে, ফলে ডিকশোনারীগুলো বিভিন্ন শব্দের সংজ্ঞা পাল্টে ফেলছে, রাতারাতি ঝড়ের মতো সবকিছু উল্টে দেয়ার মতো পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা চলছে তা কাদের নিয়ে?
প্রকৃত ট্রান্সজেন্ডার যারা তাদের সমস্যা জেন্ডার ডিসফোরিয়া, যাকে আগে বলা হতো জেন্ডার আইডেন্টিটি ডিজঅর্ডার।
২০১২ সালের আগে সাইকিয়াট্রিক অসুখগুলোর একটিকে বলা হলো Gender Identity Disorder। ২০১৩ সালে আমেরিকান সাইকিয়াট্রিক এসোসিয়েশন এর ডায়াগনস্টিক এন্ড স্ট্যাটিস্টিক্যাল ম্যানুয়াল অব মেন্টাল ডিজঅর্ডারস (DSM 5) এ মানসিক রোগটির নাম পাল্টে গেলো। নতুন নাম হলো জেন্ডার ডিসফোরিয়া(Gender Dysphoria)। শব্দ দুটি খেয়াল করলেই এ পরিবর্তনের কারণ আঁচ করা যাবে। ডিজঅর্ডার শব্দটি দ্বারা বুঝা যায় এটি একটি প্যাথোলজি, সমস্যা রোগীর মাঝে। আর ডিসফোরিয়া মানে অতৃপ্তি, অস্বস্তি। আর তা কেন? তা হচ্ছে তার যে জেন্ডার তা সমাজ, পরিবার, চারপাশের মানুষ মেনে নিচ্ছে না, ফলে তার অস্বস্তিবোধ হচ্ছে, কষ্ট হচ্ছে, সে তার জেন্ডার নিয়ে পেরেশান। আরও স্পষ্ট কথায় এ লোকগুলো রোগী নয়, তাদের মাঝে কোন প্যাথোলজি নেই, তারা একটা মাইনোরিটি, তারা মানবজাতির একটা স্বাভাবিক ভ্যারাইটি, কিন্তু সমস্যা তার চারপাশে সবাই তাকে মেনে নিচ্ছে না বলে সে অতৃপ্ত, সীমাহীন কষ্টে আছে। সোজাকথায় সে রোগী নয়। সমস্যার জন্য দায়ী চারপাশ, সমাজ। তাকে মেনে নিলেই হয়ে যায়। তার কি কোন অধিকার নেই? এভাবে পরিভাষা পরিবর্তন করে একটা বিষয়কে নরমালাইজ করার চেষ্টা।
বস্তুত এটি একটি মানসিক রোগ। এ ধরণের সমস্যা যাদের হয় অনেক সময় তাদের কোন মানসিক আঘাতের হিস্টরী থাকে। ছোটবেলায় কোন ধরণের নির্যাতন বা এবিউজের হিস্টরী থাকে। এর ভিত্তি একটি ভুল বিশ্বাস। যাকে ডিলিউসন বলা হয়। এ ধরণের কাছাকাছি মানসিক সমস্যা আরও আছে। যেমন এনোরেক্সিয়া নার্ভোসা( anorexia nervosa)। কোন মেয়ে হঠাৎ করে মনে করতে থাকে যে সে অনেক মোটা হয়ে গেছে। বাস্তবে সে মোটা নয়। খেলেই মোটা হয়ে যাবে এই ভয়ে সে খায় না, খেতে পারে না। শুকিয়ে সে কাঠ হয়ে যাচ্ছে, অথচ সে খায় না। সমস্যা জিহবায় নয়, পেটে নয়, ডাইজেস্টিভ সিস্টেমে নয়, সমস্যা তার মাথায়। এটি একটি মানসিক সমস্যা।
মানসিক রোগের চিকিৎসা এবং এ সংক্রান্ত বিষয়াবলী নিয়ে যারা কাজ করেন, গাইডলাইন তৈরি করেন, তাদের গাইডলাইন তা অনুযায়ী ২০১২ সালের আগ পর্যন্ত এই সমস্যাকে বলা হতো Gender Identity Disorder।
সেটা কি জিনিস? তা হলো একজন মানুষের গোনাডাল স্যাক্স পুরুষ। অর্থাৎ তার জননাঙ্গ পুরুষের এবং বাহ্যিকভাবেও শরীরের প্রতিটি বৈশিষ্ট্যই পুরুষের। কিন্তু সে নিজের এই পুরুষ হওয়া নিয়ে সে সন্তুষ্ট নয়, তার এটা ভালো লাগে না। এ নিয়ে তার মানসিক অস্থিরতা। আবার ধরা যাক, একজন মহিলা সবদিক দিয়েই সে মহিলার বৈশিষ্ট্য ধারণ করে কিন্তু নিজেকে মহিলা হিসেবে পরিচয় দিতে পছন্দ করে না। সে নিজেকে মনে করে পুরুষ।।একটা ভুল শরীরে সে আটকা পড়েছে।
বস্তুত এটি একটি মানসিক সমস্যা। কিন্তু ২০১৩ থেকে তার নাম পাল্টে রাখা হয় জেন্ডার ডিসফোরিয়া।
হঠাৎ করে নামের এই পরিবর্তন কেন? কারণ ইতিমধ্যেই নতুন এক থিওরি এসে গেছে, যা হচ্ছে জেন্ডার থিওরি। তা হলো একজন মানুষের পেনিস থাকলেই সে পুরুষ কিংবা একজন মহিলার যোনিদ্বার থাকলেই সে মহিলা এমনটি আর সত্য নয়, বরং একজন পুরুষ তার পেনিস নিয়েই মহিলা হতে পারে, আর মহিলা তার যোনিদ্বার নিয়েই পুরুষ। কারণ এটি তার জেন্ডার আইডেন্টিটির বিষয়। সে নিজেকে যা মনে করে সেটিই তার জেন্ডার আইডেন্টিটি। তো তার এই অস্বস্তি,এই অতৃপ্তি দূর করার জন্য কি করতে হবে? সে যেহেতু নিজেকে নারী মনে করে তাকে নারী হয়েই চলতে দিতে হবে, কিংবা পুরুষ মনে করলে পুরুষ হিসেবেই চলতে দিতে হবে। এটি তার অধিকার, রাইট। কারণ মানুষ জন্মগতভাবে নারী বা পুরুষ হয় না, সমাজ তাকে নারী বা পুরুষ বানায়।
মোটকথা জেন্ডার আইডিওলজির নামে এ-কথা চালানো হচ্ছে একজন মানুষের লিঙ্গ(জেন্ডার) তাই, যা সে অনুভব করে থাকে। সে যদি নিজেকে নারী মনে করে তাহলে সে নারী, আর যদি সে নিজেকে পুরুষ মনে করে তাহলে সে পুরুষ। এক্ষেত্রে তার যৌনাঙ্গ কি তা বিবেচ্য নয়। বরং এমন পরিস্থিতিতে এ-কথাই মনে করতে হবে একজন নারী বা পুরুষ ভুল শরীরে আটকা পড়েছে, কিংবা একটা নারী মস্তিষ্ক আটকা পড়েছে একটা পুরুষের শরীরে। মোটকথা সে নিজেকে যা মনে করছে সে তাই। এক্ষেত্রে তার বায়োলজিক্যাল সেক্স বিবেচ্য নয়। বরং বায়োলজিক্যাল সেক্স তো জন্মের সময় বরাদ্দকৃত লিঙ্গ(sex assigned at birth) । এই যে জন্মের সময় চাপিয়ে দেয়া বা জন্মের সময় বরাদ্দকৃত লিঙ্গ বলে এমন এক মিথ্যাকে প্রতিষ্ঠিত করা হচ্ছে যা সম্পূর্ণ বিজ্ঞান ও বাস্তবতা বিরোধী।
বিজ্ঞানের কল্যাণে আমরা জানি, কোন ব্যক্তি পুরুষ হবে না নারী হবে তা নির্ধারণ করে তার ক্রোমোজোমাল বিন্যাস। তার তেইশ জোড়া ক্রোমোজোমের সেক্স ক্রোমোজোমের বিন্যাস যদি হয় ‘XY’ তবে সে হবে ছেলে, আর তার সেক্স ক্রোমোজোমের বিন্যাস যদি হয় ‘XX’ তবে সে হবে মেয়ে। তার শরীরের প্রতিটি কোষ ঠিক এই ক্রোমোজোম বিন্যাসই বহন করে। এমনকি তার ব্রেইন কোষও। তার প্রতিটি কোষের ক্রোমোজোম বিন্যাস, তার শরীরের হরমোনাল সিক্রেশন, তার বহিঃ ও আভ্যান্তরিন জননাঙ্গ একযোগে বলছে সে পুরুষ কিংবা সে নারী, অথচ তার মনের উপলদ্ধি বলছে সে এর বিপরীত, আর তার এই উপলদ্ধিই তার জেন্ডার আইডেন্টিটি, এটিই তার আসল জেন্ডার। সবাইকে এটিই মানতে হবে। এমনকি তার থাকবে হরমোনাল থেরাপি বা সার্জিক্যাল অপারেশনের মাধ্যমে তার উপলদ্ধি অনুযায়ী নারী বা পুরুষে পরিণত হওয়ার অধিকার। আর বাধ্যগত অন্য সবাইকে ঠিক তাই মনে করতে হবে এবং তার ধারণা অনুযায়ী সর্বত্র তাকে দিতে হবে তার জেন্ডার অনুযায়ী বিচরণের অধিকার। দেখুন তো কেমন অযৌক্তিক দাবী?
শরীফ শরীফার গল্পের পর ছেলেদের জিনিস মেয়েদের জিনিস বলে যা শেখানোর চেষ্টা হচ্ছে তা হলো তাদের তথাকথিত জেন্ডার আইডিওলজি গেলানোর টেকনিক। অবশেষে শেষে লিঙ্গ বৈচিত্র্য ও জেন্ডারের ধারণা লিখে তা খাইয়েই দিলো।
মগজ এভাবেই ধোলাই করা হয়। কাজেই কনফিউজড না হই। জানি, বুঝি, সচেতন হই।
( যাদের এ পোস্টের বক্তব্য মেনে নিতে কষ্ট হচ্ছে, তারা কষ্ট করে এই বইয়ের টিচার'স গাইড দেখে নেন। ওখানে আরও স্পষ্টভাবে হিজড়া এবং ট্রান্সজেন্ডারের কথা উল্লেখ আছে। সংযুক্ত টিচার'স গাইডের ছবি দেখুন)