CharmonaiVS

CharmonaiVS খেদমতে খল্-ক্ব এ সতত উৎসর্গিত । Devoted to Serve the Creations of Almighty.

www.CharmonaiVS.Net, খেদমতে খল্-ক্ব এ সতত উৎসর্গিত । Devoted to Serve the Creations of ALMIGHTY

খন্দকার গোলাম মাওলা সাহেবের ইন্তেকালে চরমোনাই ভিএস-এর শোকইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর প্রেসিডিয়াম সদস্য, বাংলাদেশ মুজাহিদ...
21/05/2025

খন্দকার গোলাম মাওলা সাহেবের ইন্তেকালে চরমোনাই ভিএস-এর শোক

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর প্রেসিডিয়াম সদস্য, বাংলাদেশ মুজাহিদ কমিটির সেক্রেটারি জেনারেল আলহাজ্ব খন্দকার গোলাম মাওলা সাহেব আজ ২১ মে ২০২৫, বুধবার রাত ২:১৫ মিনিটে রাজধানীর নিজ বাসভবনে ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

তার ইন্তেকালে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন চরমোনাই ভিএস এর সকল পরিচালক ও সদস্য গন

“আলহাজ্ব খন্দকার গোলাম মাওলা সাহেব একজন সৎ ও নিবেদিতপ্রাণ দ্বীনি সংগঠক ছিলেন। তাঁর ইন্তেকালে জাতি দ্বীনের একজন একনিষ্ঠ খাদেম হারাল। চরমোনাই ভিএস, তাঁর অবদানকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছে। চরমোনাই ভিএস এর সকল দায়িত্বশীলগণ তাঁর ইন্তেকালে গভীরভাবে শোকাহত। আল্লাহ্ তায়ালা মরহুমকে জান্নাতে সুউচ্চ মাকাম দান করুন, আমীন।”

মরহুমের নামাজে জানাজা আজ ২১ মে, বুধবার সকাল ৯:৩০ টায় রাজধানীর বাইতুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের উত্তর গেইটে অনুষ্ঠিত হবে। জানাজায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম (পীর সাহেব চরমোনাই), সিনিয়র নায়েবে আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম (শায়খে চরমোনাই), কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ, সহযোগী সংগঠনসমূহের দায়িত্বশীলগণসহ মরহুমের সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা উপস্থিত থাকবেন।

বার্তা প্রেরক:
মুহাম্মাদ তরিকুল ইসলাম
চরমোনাই ভিএস

বাংলাদেশ মুজাহিদ কমিটির সেক্রেটারি জেনারেল,ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর প্রেসিডিয়াম সদস্য, আল কারীম জেনারেল হাসপাতালের নির...
17/05/2025

বাংলাদেশ মুজাহিদ কমিটির সেক্রেটারি জেনারেল,ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর প্রেসিডিয়াম সদস্য, আল কারীম জেনারেল হাসপাতালের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান খন্দকার গোলাম মাওলা হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে CCU তে ভর্তি আছেন।

তার শারীরিক অবস্থা উন্নতির দিকে। তিনি সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের পক্ষ থেকে মাদ্রাসা-মসজিদে বিশেষ দোয়া আয়োজনের আহবান করা হচ্ছে।

আজ আমার কালো মানিক চলে যাওয়ার ১৮ তম বছর--------------------------------------আজ ২৫ নভেম্বর। আমার প্রাণপ্রিয় কালো মানিক...
25/11/2024

আজ আমার কালো মানিক
চলে যাওয়ার ১৮ তম বছর
--------------------------------------
আজ ২৫ নভেম্বর। আমার প্রাণপ্রিয় কালো মানিক আজ থেকে ১৮ বছর পূর্বে এই দিনে আমাদের ছেড়ে দুনিয়ার সফর শেষ করে রব্বে কাবার সান্নিধ্যে চলে যান। মনে হয় এইতো সেদিন একত্রে সফর করলাম, মিটিং-মিছিল করলাম, অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে দীর্ঘদিন সেবা করলাম। এখনো এমন রাত খুব কমই আছে যেদিন তার সাথে স্বপ্নে মোলাকাত হয় না।
"ও নেছার আছো কেমন" "নেছার আছো ভালো" এই শব্দগুলো যেন এখনো প্রতিদিন কানে বাজে।
কোন এক সম্মেলনে নাম ঘোষণাকালে আমার নামের শেষাংশে যুক্ত থাকা পারিবারিক নাম "সুমন" ধমক দিয়ে মুছে যাওয়ার ঘটনাটি মনে হয় এইতো সেদিন সংঘটিত হল। এমন আরো কত কি। হিসাব মেলালে অবাক হই এরই মধ্যে ১৮টি বছর কোথা থেকে কেটে গেল।
ঘুরেফিরে প্রতিবছর এই দিনটি আসে। অসহ্য এক কষ্ট ও বেদনার মধ্য দিয়ে দিনটি অতিবাহিত করি। এই কষ্ট ও বেদনার কারণ নিতান্ত-ই ব্যক্তিগত।
অজপাড়া গাঁয়ের ধর্মানুরাগী এক সাধারণ পরিবারের সন্তান আমি। ধর্ম চর্চার দীক্ষা ছোটবেলায় বাবা-মার কাছ থেকে পরিপূর্ণভাবেই পেয়েছিলাম। বাবার ইচ্ছাতেই বংশের প্রথম মাদ্রাসা পড়ুয়া ছাত্র আমি। তবে প্রিয় শায়খ ও মোর্শেদ রহ:-এর সান্নিধ্য না পেলে আমি নেছার উদ্দিনের হয়তো আজকে ভিন্ন রুপ, ভিন্ন পরিচয় থাকতো।
দৃঢ়তার সাথেই বলছি, আমার বাহ্যিক অবয়ব ও ব্যক্তিগত জীবনে সুন্নতের আমল, একজন পরিপূর্ণ মুসলমান হওয়ার চেষ্টা এবং দ্বীনি আন্দোলনের সাথে জড়িয়ে থাকার নেপথ্য কারিগর আমার শায়খ ও মুরশিদ মাওলানা সৈয়দ ফজলুল করিম রহ:।

ক্ষণজম্মা এই মহাপুরুষের বর্ণাঢ্য কর্মময় জীবন নিয়ে আলোচনা শুরু করা যাবে কিন্তু শেষ হবে কোথায় গিয়ে তা নির্ধারণ করা কঠিন।
ভালোবাসার গভীরতার কারণে আমি শায়েখকে নিয়ে কখনোই কথা বলতে পারি না। কান্নায় চোখ অশ্রুসজল হয়, কন্ঠ স্তব্দ হয়ে যায়।
রব্বে কাবার দরবারে ফরিয়াদ, তিনি যেন আমার প্রাণাধিক প্রিয় শায়খ ও মুর্শিদকে জান্নাতে আ'লা মাকাম দান করেন।
আমরাও যেন তার দেখানো পথে জীবন পরিচালনা করে আল্লাহ ও রাসূল সা:-এর সন্তুষ্টি নিয়ে দুনিয়ার সফর শেষ করতে পারি।

-মাওলানা নেছার উদ্দিন ( কেন্দ্রীয় সভাপতি, ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ )
২৫-১১-২০২৪

পীর সাহেব চরমোনাই'র উদ্বোধনী বয়ানের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলো ঐতিহাসিক চরমোনাই'র বার্ষিক মাহফিল ফাল্গুন ১৪৩০।ছবি:...
28/02/2024

পীর সাহেব চরমোনাই'র উদ্বোধনী বয়ানের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলো ঐতিহাসিক চরমোনাই'র বার্ষিক মাহফিল ফাল্গুন ১৪৩০।

ছবি:
চরমোনাই মাহফিল-এর প্রথম মাঠ।
২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

শরীফ শরীফার গল্পটিতে হিজড়ার প্রসঙ্গ এলেও বাস্তবে এটি ট্রান্সজেন্ডার আইডিওলজিকে নরমালাইজ করার জন্যেই উদ্দেশ্যমূলকভাবে লেখ...
23/01/2024

শরীফ শরীফার গল্পটিতে হিজড়ার প্রসঙ্গ এলেও বাস্তবে এটি ট্রান্সজেন্ডার আইডিওলজিকে নরমালাইজ করার জন্যেই উদ্দেশ্যমূলকভাবে লেখা হয়েছে।

📝 ডাঃ মাওলানা মুহাম্মাদ মাসীহ উল্লাহ ( Muhammad Masih Ullah)

ভালো করে খেয়াল করুন, হিজড়াদের থাকে জন্মগত শারীরিক ত্রুটি, জননাঙ্গ সুগঠিত থাকে না, অনেক সময় মিক্সড থাকে। প্রকৃত হিজড়ার বাবা মাও তা জানে, সেও তা জানে। কিন্তু ট্রান্সজেন্ডারদের যে সমস্যা তা শরীরে নয়, মনে। শরীর পুরোটাই ঠিক। তারা শারীরিকভাবে সম্পূর্ণ সুস্থ পুরুষ কিংবা সুস্থ নারী। কিন্তু মনের দিক দিয়ে তাদের সমস্যা। নিজের প্রকৃত লিঙ্গকে মেনে নিতে সমস্যা। ফলে তারা নারী হয়ে পুরুষের বেশ ধরতে চায়, আর পুরুষ হলে নারী। নিজের লিঙ্গ নিয়ে তারা খুশি নয়।

শরীফ শরীফার গল্পটিতে শরীফের সমস্যাটা হিজড়ার নয়, সেটি তার কথাতেই পরিস্কার। সে বলছে, " ছোটবেলায় সবাই আমাকে ছেলে বলতো। কিন্তু আমি নিজে একসময় বুঝলাম, আমার শরীরটা ছেলেদের মতো হলেও মনে মনে আমি একজন মেয়ে। আমি মেয়েদের মতো পোষাক পরতে ভালোবাসতাম। "

একইভাবে লেখাটির শেষে এ ধরণের মানুষদের মধ্য থেকে সফল মানুষের উদাহরণ দিতে গিয়ে হিজড়া এবং ট্রান্সজেন্ডার উভয় ধরণের মানুষের উদাহরণ দেয়া হয়েছে। ঋতু চেয়ারম্যান হিজড়া হলেও বাকী দু'জন শাম্মী রানী চৌধুরী ও বিপুল বর্মন ট্রান্সজেন্ডার, উভয়েই সার্জারী করে লিঙ্গ পরিবর্তন করেছেন।

এখানে দেখার বিষয় হচ্ছে ভাষার কৌশলি প্রয়োগ, দুটি ভিন্ন বিষয়কে কৌশলে একই দেখানো, ইচ্ছেমতো পরিভাষার কাটছাঁট। কখন কোন পরিভাষা ব্যবহার করা হচ্ছে তা বুঝা গুরুত্বপূর্ণ। পরিভাষার পরিবর্তন বুঝতে পারাটাও গুরুত্বপূর্ণ। যেকোনো মতবাদকে প্রতিষ্ঠিত করতে গেলে অনেক পরিভাষা, সংজ্ঞার পরিবর্তন করতে হয়। এই ট্রান্সজেন্ডার ইস্যুতেও আমরা দেখবো কিভাবে বিভিন্ন সংজ্ঞা এবং পরিভাষাকে পাল্টে দেয়া হচ্ছে।

জেনেটিক বা হরমোনগত সমস্যার কারণে সৃষ্ট সমস্যা হলো হিজড়া। তা বাহ্যিক গঠনগত কিছু ত্রুটি, যা বর্তমানে কারেকশন করা সম্ভব এবং এই কারেকশনটা শরঈ ও সামাজিক সর্বদিক বিবেচনায় যৌক্তিক, আর তা সম্পন্ন করার পর তার নারী বা পুরুষ যে কোন একটা সহজেই প্রতিষ্ঠিত হয়ে যায়। এই হিজড়া যাদেরকে ইন্টারসেক্সও( intersex) বলা হয়, যাদের অপর নাম হার্মাপ্রোডাইট, তাও একদম ট্রু-হার্মাপ্রোডাইট বিরলের চেয়েও বিরল। ট্রু-হার্মাপ্রোডাইট বলতে বুঝায়, যার শরীরে একইসাথে টেস্টিসও আছে, আবার ওভারীও। অন্যভাষায় বলতে গেলে উভয়লিঙ্গ, এটি মানুষের ক্ষেত্রে বিরল। দুয়েকটা কেইসের কথা বলা হলেও তা সন্দেহপূর্ণ। বস্তুত মানুষের মাঝে যারা হিজড়া, তারা ফল্স হার্মাপ্রোডাইট। এর অর্থ হলো তাদের হয়তো শুক্রাশয় বা ডিম্বাশয় যে কোন একটা আছে, কিন্তু বাহ্যিক জননাঙ্গ অসম্পূর্ণ, সুগঠিত নয় বা মিক্সড। তাদের চিকিৎসা খুবই ক্লিয়ার, গোনাডাল সেক্স নির্ণয় করে, তাদের বাহ্যিক জননাঙ্গ ঠিক করে দেয়া। একে জেন্ডার চেইঞ্জ বলা হয় না, বরং জেন্ডার কারেকশন বলা হয়। তার আসল গোনাডাল সেক্স অনুযায়ী তার বাহ্যিক জননাঙ্গকে ঠিক করে দেয়া। আর গোনাডাল সেক্স নির্ণয় সহজ, অনেকগুলো টেস্ট এর জন্য রয়েছে। পরীক্ষা নিরীক্ষার মাধ্যমে একদম শতভাগ নিশ্চিত হয়ে তার চিকিৎসা সম্পন্ন করা হয়। আর এই হিজড়া সমস্যা একটা কমন সমস্যা যা দশ হাজার শিশু জন্মগ্রহণ করলে একজনের মাঝে তা দেখা যায়। তবে ট্রান্সজেন্ডাররা কিন্তু হিজড়া নয়, ভুলে কেউ তাদের হিজড়া বলে ডাকলেও। যারা প্রকৃত হিজড়া তাদের তো আসলেই শারীরিক সমস্যা আছে, তা সার্জিক্যালি কারেকশন করে দিয়ে চিকিৎসা করানো, এরপর তাদের প্রকৃত গোনাডাল সেক্স অনুযায়ী সমাজে তাদেরকে গ্রহণ করে নিতে না সামাজিকভাবে কোন বাধা আছে, না শরঈ? কিন্তু যাদের আদৌ কোন শারীরিক সমস্যা নেই, মনে মনে সমস্যা, তাদের মানসিক চিকিৎসা হোক, সাইকোথেরাপি দেয়া হোক, আর সেটিই তো যৌক্তিক। তা না করে কেবল তারা যেমন মনে করে তেমনটাই মেনে নাও, তাদের সুস্থ,সক্ষম শরীরটা কেটেকুটে অক্ষম ও বিকৃত করে দাও, ক্রস হরমোন দিয়ে অকালে আঁতুড় ও মৃত্যুর দিকে ঠেলে দাও, এই অযৌক্তিক কাজ কোন পাগলে সমর্থন করবে?

সেক্স ও জেন্ডার দুইটি শব্দ, একটি S*x আরেকটি Gender। এই শব্দগুলোর মারপ্যাঁচ বুঝতে হবে। একটা কথা মনে রাখা প্রয়োজন, যাদের কাছে বেশি দলিল থাকে না তাদের কাছে শব্দের মারপ্যাঁচ থাকে বেশি। তারা শব্দের মারপ্যাঁচ দিয়ে অনেক কিছু আদায় করে নেয় এবং জনসাধারণকে তারা এভাবে বিভ্রান্ত করে। আমরা S*x এবং Gender এই দুই শব্দের মধ্যে কোনো পার্থক্য জানি না। যেহেতু আমরা একটি ইসলামী চিন্তাধারা বা প্রাচীন কাল থেকে চলে আসা চিন্তাধারার উপর প্রতিষ্ঠিত আছি। আমাদের কাছে Biological S*x এবং Gender এর মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই। প্রথমেই এই বিষয়টা পরিষ্কার যে, এই শব্দদ্বয়ের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই। এবং বিংশ শতাব্দীর আগে পৃথিবীর ইতিহাসে এই শব্দদ্বয়ের মধ্যে কোনো পার্থক্য ছিল না।বরং Gender শব্দটি আগে কেউ ব্যবহার ই করতো না।

আজকাল যে হঠাৎ করে নারী পুরুষের সংজ্ঞা পাল্টে ফেলতে হচ্ছে, এতদিন ধরে যে সেক্স ও জেন্ডার শব্দদুটি synonym হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে, হঠাৎ করে দুটিকে আলাদা করতে হচ্ছে, ফলে ডিকশোনারীগুলো বিভিন্ন শব্দের সংজ্ঞা পাল্টে ফেলছে, রাতারাতি ঝড়ের মতো সবকিছু উল্টে দেয়ার মতো পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা চলছে তা কাদের নিয়ে?
প্রকৃত ট্রান্সজেন্ডার যারা তাদের সমস্যা জেন্ডার ডিসফোরিয়া, যাকে আগে বলা হতো জেন্ডার আইডেন্টিটি ডিজঅর্ডার।

২০১২ সালের আগে সাইকিয়াট্রিক অসুখগুলোর একটিকে বলা হলো Gender Identity Disorder। ২০১৩ সালে আমেরিকান সাইকিয়াট্রিক এসোসিয়েশন এর ডায়াগনস্টিক এন্ড স্ট্যাটিস্টিক্যাল ম্যানুয়াল অব মেন্টাল ডিজঅর্ডারস (DSM 5) এ মানসিক রোগটির নাম পাল্টে গেলো। নতুন নাম হলো জেন্ডার ডিসফোরিয়া(Gender Dysphoria)। শব্দ দুটি খেয়াল করলেই এ পরিবর্তনের কারণ আঁচ করা যাবে। ডিজঅর্ডার শব্দটি দ্বারা বুঝা যায় এটি একটি প্যাথোলজি, সমস্যা রোগীর মাঝে। আর ডিসফোরিয়া মানে অতৃপ্তি, অস্বস্তি। আর তা কেন? তা হচ্ছে তার যে জেন্ডার তা সমাজ, পরিবার, চারপাশের মানুষ মেনে নিচ্ছে না, ফলে তার অস্বস্তিবোধ হচ্ছে, কষ্ট হচ্ছে, সে তার জেন্ডার নিয়ে পেরেশান। আরও স্পষ্ট কথায় এ লোকগুলো রোগী নয়, তাদের মাঝে কোন প্যাথোলজি নেই, তারা একটা মাইনোরিটি, তারা মানবজাতির একটা স্বাভাবিক ভ্যারাইটি, কিন্তু সমস্যা তার চারপাশে সবাই তাকে মেনে নিচ্ছে না বলে সে অতৃপ্ত, সীমাহীন কষ্টে আছে। সোজাকথায় সে রোগী নয়। সমস্যার জন্য দায়ী চারপাশ, সমাজ। তাকে মেনে নিলেই হয়ে যায়। তার কি কোন অধিকার নেই? এভাবে পরিভাষা পরিবর্তন করে একটা বিষয়কে নরমালাইজ করার চেষ্টা।

বস্তুত এটি একটি মানসিক রোগ। এ ধরণের সমস্যা যাদের হয় অনেক সময় তাদের কোন মানসিক আঘাতের হিস্টরী থাকে। ছোটবেলায় কোন ধরণের নির্যাতন বা এবিউজের হিস্টরী থাকে। এর ভিত্তি একটি ভুল বিশ্বাস। যাকে ডিলিউসন বলা হয়। এ ধরণের কাছাকাছি মানসিক সমস্যা আরও আছে। যেমন এনোরেক্সিয়া নার্ভোসা( anorexia nervosa)। কোন মেয়ে হঠাৎ করে মনে করতে থাকে যে সে অনেক মোটা হয়ে গেছে। বাস্তবে সে মোটা নয়। খেলেই মোটা হয়ে যাবে এই ভয়ে সে খায় না, খেতে পারে না। শুকিয়ে সে কাঠ হয়ে যাচ্ছে, অথচ সে খায় না। সমস্যা জিহবায় নয়, পেটে নয়, ডাইজেস্টিভ সিস্টেমে নয়, সমস্যা তার মাথায়। এটি একটি মানসিক সমস্যা।

মানসিক রোগের চিকিৎসা এবং এ সংক্রান্ত বিষয়াবলী নিয়ে যারা কাজ করেন, গাইডলাইন তৈরি করেন, তাদের গাইডলাইন তা অনুযায়ী ২০১২ সালের আগ পর্যন্ত এই সমস্যাকে বলা হতো Gender Identity Disorder।
সেটা কি জিনিস? তা হলো একজন মানুষের গোনাডাল স্যাক্স পুরুষ। অর্থাৎ তার জননাঙ্গ পুরুষের এবং বাহ্যিকভাবেও শরীরের প্রতিটি বৈশিষ্ট্যই পুরুষের। কিন্তু সে নিজের এই পুরুষ হওয়া নিয়ে সে সন্তুষ্ট নয়, তার এটা ভালো লাগে না। এ নিয়ে তার মানসিক অস্থিরতা। আবার ধরা যাক, একজন মহিলা সবদিক দিয়েই সে মহিলার বৈশিষ্ট্য ধারণ করে কিন্তু নিজেকে মহিলা হিসেবে পরিচয় দিতে পছন্দ করে না। সে নিজেকে মনে করে পুরুষ।।একটা ভুল শরীরে সে আটকা পড়েছে।

বস্তুত এটি একটি মানসিক সমস্যা। কিন্তু ২০১৩ থেকে তার নাম পাল্টে রাখা হয় জেন্ডার ডিসফোরিয়া।
হঠাৎ করে নামের এই পরিবর্তন কেন? কারণ ইতিমধ্যেই নতুন এক থিওরি এসে গেছে, যা হচ্ছে জেন্ডার থিওরি। তা হলো একজন মানুষের পেনিস থাকলেই সে পুরুষ কিংবা একজন মহিলার যোনিদ্বার থাকলেই সে মহিলা এমনটি আর সত্য নয়, বরং একজন পুরুষ তার পেনিস নিয়েই মহিলা হতে পারে, আর মহিলা তার যোনিদ্বার নিয়েই পুরুষ। কারণ এটি তার জেন্ডার আইডেন্টিটির বিষয়। সে নিজেকে যা মনে করে সেটিই তার জেন্ডার আইডেন্টিটি। তো তার এই অস্বস্তি,এই অতৃপ্তি দূর করার জন্য কি করতে হবে? সে যেহেতু নিজেকে নারী মনে করে তাকে নারী হয়েই চলতে দিতে হবে, কিংবা পুরুষ মনে করলে পুরুষ হিসেবেই চলতে দিতে হবে। এটি তার অধিকার, রাইট। কারণ মানুষ জন্মগতভাবে নারী বা পুরুষ হয় না, সমাজ তাকে নারী বা পুরুষ বানায়।

মোটকথা জেন্ডার আইডিওলজির নামে এ-কথা চালানো হচ্ছে একজন মানুষের লিঙ্গ(জেন্ডার) তাই, যা সে অনুভব করে থাকে। সে যদি নিজেকে নারী মনে করে তাহলে সে নারী, আর যদি সে নিজেকে পুরুষ মনে করে তাহলে সে পুরুষ। এক্ষেত্রে তার যৌনাঙ্গ কি তা বিবেচ্য নয়। বরং এমন পরিস্থিতিতে এ-কথাই মনে করতে হবে একজন নারী বা পুরুষ ভুল শরীরে আটকা পড়েছে, কিংবা একটা নারী মস্তিষ্ক আটকা পড়েছে একটা পুরুষের শরীরে। মোটকথা সে নিজেকে যা মনে করছে সে তাই। এক্ষেত্রে তার বায়োলজিক্যাল সেক্স বিবেচ্য নয়। বরং বায়োলজিক্যাল সেক্স তো জন্মের সময় বরাদ্দকৃত লিঙ্গ(sex assigned at birth) । এই যে জন্মের সময় চাপিয়ে দেয়া বা জন্মের সময় বরাদ্দকৃত লিঙ্গ বলে এমন এক মিথ্যাকে প্রতিষ্ঠিত করা হচ্ছে যা সম্পূর্ণ বিজ্ঞান ও বাস্তবতা বিরোধী।

বিজ্ঞানের কল্যাণে আমরা জানি, কোন ব্যক্তি পুরুষ হবে না নারী হবে তা নির্ধারণ করে তার ক্রোমোজোমাল বিন্যাস। তার তেইশ জোড়া ক্রোমোজোমের সেক্স ক্রোমোজোমের বিন্যাস যদি হয় ‘XY’ তবে সে হবে ছেলে, আর তার সেক্স ক্রোমোজোমের বিন্যাস যদি হয় ‘XX’ তবে সে হবে মেয়ে। তার শরীরের প্রতিটি কোষ ঠিক এই ক্রোমোজোম বিন্যাসই বহন করে। এমনকি তার ব্রেইন কোষও। তার প্রতিটি কোষের ক্রোমোজোম বিন্যাস, তার শরীরের হরমোনাল সিক্রেশন, তার বহিঃ ও আভ্যান্তরিন জননাঙ্গ একযোগে বলছে সে পুরুষ কিংবা সে নারী, অথচ তার মনের উপলদ্ধি বলছে সে এর বিপরীত, আর তার এই উপলদ্ধিই তার জেন্ডার আইডেন্টিটি, এটিই তার আসল জেন্ডার। সবাইকে এটিই মানতে হবে। এমনকি তার থাকবে হরমোনাল থেরাপি বা সার্জিক্যাল অপারেশনের মাধ্যমে তার উপলদ্ধি অনুযায়ী নারী বা পুরুষে পরিণত হওয়ার অধিকার। আর বাধ্যগত অন্য সবাইকে ঠিক তাই মনে করতে হবে এবং তার ধারণা অনুযায়ী সর্বত্র তাকে দিতে হবে তার জেন্ডার অনুযায়ী বিচরণের অধিকার। দেখুন তো কেমন অযৌক্তিক দাবী?

শরীফ শরীফার গল্পের পর ছেলেদের জিনিস মেয়েদের জিনিস বলে যা শেখানোর চেষ্টা হচ্ছে তা হলো তাদের তথাকথিত জেন্ডার আইডিওলজি গেলানোর টেকনিক। অবশেষে শেষে লিঙ্গ বৈচিত্র্য ও জেন্ডারের ধারণা লিখে তা খাইয়েই দিলো।
মগজ এভাবেই ধোলাই করা হয়। কাজেই কনফিউজড না হই। জানি, বুঝি, সচেতন হই।

( যাদের এ পোস্টের বক্তব্য মেনে নিতে কষ্ট হচ্ছে, তারা কষ্ট করে এই বইয়ের টিচার'স গাইড দেখে নেন। ওখানে আরও স্পষ্টভাবে হিজড়া এবং ট্রান্সজেন্ডারের কথা উল্লেখ আছে। সংযুক্ত টিচার'স গাইডের ছবি দেখুন)

اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الأَرْبَعِ مِنْ عِلْمٍ لَا يَنْفَعُ وَمِنْ قَلْبٍ لَا يَخْشَعُ وَمِنْ نَفْسٍ لَا تَش...
07/01/2024

اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الأَرْبَعِ مِنْ عِلْمٍ لَا يَنْفَعُ وَمِنْ قَلْبٍ لَا يَخْشَعُ وَمِنْ نَفْسٍ لَا تَشْبَعُ وَمِنْ دُعَاءٍ لَا يُسْمَعُ

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) বলেন,
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলতেনঃ
হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে চারটি বস্তু হতে আশ্রয় চাইঃ
এমন জ্ঞান যা উপকারে আসে না,
এমন হৃদয় যা ভীত হয় না,
এমন আত্মা যা তৃপ্ত হয় না এবং
এমন দু’আ যা কবুল হয় না।

সুনান আবূ দাউদ #১৫৪৮, নাসায়ী #৫৪৮২, ইবনু মাজাহ #৩৮৩৭, আহমাদ #৮৪৬৯

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি কোনো জালিমের শক্তি বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে তার সঙ্গে চলে অথচ সে জানে যে ওই ব্যক্তি জালিম...
06/01/2024

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি কোনো জালিমের শক্তি বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে তার সঙ্গে চলে অথচ সে জানে যে ওই ব্যক্তি জালিম, তখন সে ইসলাম থেকে বের হয়ে গেল’ (মেশকাত : ৪৯০৮)।

الَّذِينَ آمَنُوا وَتَطْمَئِنُّ قُلُوبُهُم بِذِكْرِ اللَّهِ ۗ أَلَا بِذِكْرِ اللَّهِ تَطْمَئِنُّ الْقُلُوبُএরা সেই সব লো...
20/11/2023

الَّذِينَ آمَنُوا وَتَطْمَئِنُّ قُلُوبُهُم بِذِكْرِ اللَّهِ ۗ أَلَا بِذِكْرِ اللَّهِ تَطْمَئِنُّ الْقُلُوبُ

এরা সেই সব লোক, যারা ঈমান এনেছে এবং যাদের অন্তর আল্লাহর যিকিরে প্রশান্তি লাভ করে। জেনে রেখো, কেবল আল্লাহর যিকির দ্বারাই অন্তরে প্রশান্তি লাভ হয়। (সূরা রা'দ: ২৮)

আগামী ২২, ২৩ ও ২৪ নভেম্বর-২০২৩ বুধবার, বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার অনুষ্ঠিতব্য বিশ্বের অন্যতম ঐতিহাসিক চরমোনাই বার্ষিক মাহফিল (অগ্রহায়ণ)
সফল ও কবুল হোক।

20/11/2023
11/06/2023

১২ তারিখ সারাদিন হাতপাখায় ভোট দিন

Address

Charmonai
Barishal

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when CharmonaiVS posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to CharmonaiVS:

Share

Category