Emran Hossain Miraj

Emran Hossain Miraj Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Emran Hossain Miraj, Digital creator, Bhola, Barishal.

28/09/2025

চতুর্থ ধাপ: শেষ চিঠি

সময় পেরিয়ে গেছে অনেক।
স্কুল শেষ, সবাই যার যার মতো ব্যস্ত হয়ে উঠেছে কলেজে ভর্তি, নতুন বন্ধু, নতুন জীবন।
কিন্তু কিছু সম্পর্ক থাকে, যা সময় থামিয়ে দেয়—সেইরকমই ছিল সাকিব আর মাহাদী দিবার সম্পর্ক।

তারা এখন আর কথা বলে না।
না মেসেজ, না ফোন, না চোখাচোখি।
তবে মাঝে মাঝে ফেসবুকে “Active now” দেখে দুজনেই কিছুক্ষণ চুপ করে তাকিয়ে থাকে।
কিছু বলবে বলে ভাবলেও—কিছুই বলে না।

একদিন হঠাৎ, এক সন্ধ্যায়,
সাকিব তার ডেস্কে বসে একটা চিঠি লিখছিল।
কাগজটা কাঁপছিল, কলম বারবার থেমে যাচ্ছিল,
তবুও সে লিখছিল... হৃদয়ের গভীরতম কষ্ট দিয়ে।

---

> দিবা,

জানি, তুই এখন ব্যস্ত। তোর নিজের জীবন আছে, নতুন মানুষজন আছে।
আমি আর তোর পৃথিবীর কেউ না।

তবুও আজ এই চিঠিটা লিখছি, কারণ তোর সামনে বলার সাহস কোনোদিন হয়নি।

আমি রাগ করেছিলাম, হ্যাঁ।
কারণ তুই ছিলি আমার সবচেয়ে আপন।
আমি ভেবেছিলাম, তুই বুঝবি—আমি কথা কম বলি মানে এই না যে আমার কষ্ট কম।
আমি চাইছিলাম, তুই একটু জিজ্ঞেস কর,
“সাকিব, তুই ঠিক আছিস তো?”

কিন্তু তুই বুঝলি না।
তুই হয়তো ভাবলি, আমি বদলে গেছি।
অথচ আমি শুধু অপেক্ষা করছিলাম—তুই ফিরে আসবি।

এখন বুঝি, আমাদের ভুল ছিল দুইজনের।
তুই তো সত্যি করে চেয়েছিলি পাশে থাকতে।

আমি দোয়া করি, তোর জীবন সুন্দর হোক।
আমি থাকব না, কিন্তু তোর সব স্মৃতি আমার বুকের ভেতর থাকবে—আজীবন।

ভালো থাকিস,

— সাকিব

---

সেই চিঠি সে কখনো পাঠায়নি।
কেবল একটা পুরোনো খাম ভরে রেখে দিয়েছিল ডায়েরির পেছনে পাতায়।

আর অন্যদিকে, মাহাদী দিবাও এক সন্ধ্যায় তার জার্নালে লিখে রেখেছিল:

> "সাকিবকে আমি সত্যিই মিস করি।
কিন্তু কখনও বুঝতেই পারলাম না, সে এতটা কষ্টে ছিল।
শুধু একবার যদি সময়টা ফিরিয়ে আনতে পারতাম…"

---

শেষ লাইন:

এভাবে শেষ হয় একটা গল্প—
যেখানে কেউ কারও প্রতি রাগ রাখে না,
শুধু কিছু না-বলা কথা থেকে যায়…

আর থেকে যায় দুইটা মন,
যারা একে অপরকে ভুলে না কখনো,
তবুও কখনো ফিরে যায় না।❤️

---
নতুন নতুন গল্প পেতে আমাদের সাথেই থাকুন ধন্যবাদ সবাইকে, আবার আগামীকাল দেখা হবে,,,

27/09/2025

তৃতীয় ধাপ: নীরবতার দেয়াল

এরপর কেটে গেল অনেকগুলো দিন।
একদিন, দুইদিন… এক সপ্তাহ… এক মাস…
সাকিব আর মাহাদী দিবা মুখোমুখি হলেও, তাদের মাঝে একটা অদৃশ্য দেয়াল ছিল।
যেখানে একসময় ছিল প্রাণভরা হাসি, সেখানটা এখন নীরবতায় ডুবে গেছে।

সাকিব ক্লাসে চুপচাপ থাকত। সবকিছুতে আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছিল। টিফিনে একা বসত, কাউকে ডাকত না।
মাঝে মাঝে চোখ চলে যেত দিবার দিকে, কিন্তু মুখ ফিরিয়ে নিত সঙ্গে সঙ্গেই।
কিছু বলার ছিল, অনেক কিছু, কিন্তু জিহ্বা যেন পাথর হয়ে গিয়েছিল।

আর মাহাদী দিবা?
সে বাইরে থেকে স্বাভাবিক থাকার অভিনয় করত। হেসে গল্প করত, পড়াশোনা করত, সবার সাথে কথা বলত।
কিন্তু কিছু একটা প্রতিদিন তাকে কুরে কুরে খাচ্ছিল।

একদিন, ক্লাসের শেষে হঠাৎ দু’জন মুখোমুখি হয়ে গেল করিডোরে।
চোখাচোখি হলো।

দুই জোড়া চোখ—যেখানে ছিল অভিমান, ব্যথা আর বোঝা না-পাওয়ার কান্না।
দিবা একটু এগিয়ে এসে বলল:

"সাকিব, আমরা কি এতটা দূরের হয়ে গেছি?"

সাকিব থেমে গেল। চোখের পাতা কাঁপছিল। গলা ভারী হয়ে গিয়েছিল।
কিন্তু উত্তর দিল না।
শুধু নিচের দিকে তাকিয়ে বলল:

"তুই যে বুঝলি না দিবা, আমি তোর কিছুই না…"

এই কথাটা মাহাদী দিবার বুকটা চিরে দিল।
সে কিছুক্ষণ চুপ করে থাকল। চোখে জল এসে গেল, ঠোঁট কাঁপছিল।

"তুই কখনো বলিসনি, তোর কষ্ট আছে। আমি তো তোর ভিতরটা পড়তে পারি না সাকিব…"

সাকিব মুখ তুলে তাকাল না। বলল না, যে প্রতিটা রাতে সে শুধু ভেবেছে—দিবা এসে একবার বলুক "সব ঠিক আছে তো?"
সে বলল না, সে কতবার মেসেজ টাইপ করে আবার ডিলিট করেছে।
সে বলল না, সে এখনো আগের মতই বন্ধু হতে চায়…
কিন্তু সে শুধু বলল:

"তুই তোর মতো থাক, আমি আমার মতো থাকি।"

দিবা আর কিছু বলল না। শুধু চোখে জল নিয়ে চলে গেল।

সেদিন স্কুলের করিডোরে, একটা নরম বিকেলের আলোয়,
একটা বন্ধুত্বের মৃত্যু হয়েছিল।
কেউ কাঁদেনি উচ্চস্বরে,
কিন্তু ভেতরে ভেতরে দুটো মন থেমে গিয়েছিল… একসাথে।❤️

---
নতুন নতুন গল্প পেতে আমাদের সাথেই থাকুন ধন্যবাদ সবাইকে, আবার আগামীকাল দেখা হবে,,,

25/09/2025

দ্বিতীয় ধাপ: ভাঙনের শুরু

শীতকাল পড়ছিল। হালকা কুয়াশা নেমেছে শহরের রাস্তায়, আর স্কুলের করিডোরে সেই চেনা হাসি-ঠাট্টা।
কিন্তু সেদিন সাকিবের মুখে ছিল না চেনা সেই হাসিটুকু।

সকালে বাবার শরীরটা আবার খারাপ হয়েছিল। ঘর থেকে বের হতেই মায়ের মুখটা দেখে বুঝে ফেলেছিল—আজও হয়তো হাসপাতাল যেতে হবে।
তবুও সাহস করে স্কুলে এসেছিল। কারণ জানত, মাহাদী দিবা পাশে থাকলে সব ঠিক হয়ে যাবে।

কিন্তু আজ... আজ মাহাদী দিবা ছিল না সাকিবের পাশে।
আজ সে ব্যস্ত ছিল অন্য বন্ধুদের সাথে।

সেদিন নতুন ক্লাস টিচার এসেছিলেন। পরিচয়ের সময় মাহাদী দিবা সবার সামনে দাঁড়িয়ে একাই কথা বলছিল, হেসে-খেলে পরিবেশটা হালকা করছিল।
সাকিব এক কোণে বসে শুধু দেখছিল—তার বন্ধু আজ কারও সাথে এতটা আপন, অথচ তাকে একবারও এসে জিজ্ঞেস করলো না,
"তুই ঠিক আছিস তো?"

ভেতরে ভেতরে সাকিবের মনে জমে উঠছিল অনিশ্চয়তা, রাগ, আর এক অদ্ভুত অভিমান।
সেই স্নেহভরা বন্ধুকে হঠাৎ করে মনে হচ্ছিল অনেক দূরের কেউ।

দিন গড়াতে থাকল।

একদিন টিফিনে, সাকিব দেখল মাহাদী দিবা আর রাহাত একসাথে বসে গল্প করছে।
দূর থেকে একটা হাসির শব্দ ভেসে এলো। সাকিবের বুকের ভেতরটা মোচড় দিয়ে উঠল।

“তুই কেমন করে পারিস দিবা, আমাকে ফেলে অন্যদের এত আপন করে নিতে?”
এই কথাটা তার ঠোঁট পর্যন্ত এল, কিন্তু বের হলো না।
কারণ সাকিব জানত, যেই মুহূর্তে সে বলবে, তাদের বন্ধুত্বটা বদলে যাবে।

কিন্তু যেটা সে বলতে পারলো না, সেটা মনে মনে এতদিন জমে জমে একদিন বিস্ফোরণ ঘটাল।
একদিন হঠাৎ, মাহাদী দিবা সাকিবকে মেসেজ করলো –

“সাকিব, তুই আজকাল আমার সাথে ঠিকভাবে কথা বলিস না কেন?”

সাকিবের উত্তরটা ছিল ছোট, কিন্তু খুব কঠিন:
“তুই তো আর আগের মত নেই দিবা।”

এটুকু বলেই সাকিব অফলাইন চলে গেল।

দিবা ওই মেসেজের দিকে তাকিয়ে বসে রইল অনেকক্ষণ।
তার চোখে পানি এসে গিয়েছিল, কিন্তু সে বুঝতেই পারছিল না—
সে কী ভুল করল?

অন্যদিকে, সাকিব বিছানায় শুয়ে চোখ বন্ধ করে ফেলল।
তার ভেতরটা কাঁদছিল, অথচ সে কাউকে কিছু বলছিল না।
সে চিৎকার করে বলতে চেয়েছিল,
“তুই আমার বন্ধু, তুই কেন বুঝিস না আমি কষ্টে আছি!”

কিন্তু কেউ কারও কথা বুঝলো না।
শুধু একটুকরো ভুল বোঝাবুঝি এসে দাঁড়াল দুই বন্ধুর মাঝখানে,
এক পাহাড় হয়ে।

23/09/2025

প্রথম ধাপ: সোনালী দিনগুলোর গল্প

সাকিব আর মাহাদী দিবা—তাদের বন্ধুত্ব ছিল যেন আকাশে সূর্য-চাঁদের মতো, আলাদা হলেও একই আকাশে জায়গা করে নেওয়া দুটি হৃদয়।
একজন হাসলে, আরেকজন হেসে উঠত।
একজন কাঁদলে, আরেকজন কাঁদতো তার চোখের পানি লুকিয়ে।

স্কুল জীবনের সেই দিনগুলোতে, যেখানে বইয়ের পাতার চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ ছিল Lunch break-এর আড্ডা, খেলাধুলা, আর বন্ধুদের চুপিচুপি বলা সব গোপন কথা—তাদের বন্ধুত্ব সেখানে ফুলের মতো ফুঁটে উঠেছিল।

সাকিব একটু চুপচাপ, ভেতরের মানুষ। আর মাহাদী দিবা ছিল ঝড়ের মতো প্রাণবন্ত, সবসময় হেসে হেসে চারপাশ আলো করে রাখতো। এই দুই বিপরীত মনের মানুষ কিভাবে এমন বন্ধু হলো—এই প্রশ্নটা কেউ করতে সাহস করতো না, কারণ উত্তর ছিল তাদের চোখে-মুখে।

বন্ধুত্ব মানে যদি হয় কারও পাশে নিঃশব্দে দাঁড়িয়ে থাকা, তবে মাহাদী দিবা ছিল সাকিবের সেই ছায়া।
আর সাকিব ছিল মাহাদীর নির্ভরতার দেয়াল।

একবার স্কুলে সাকিবের বাবা গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। সেদিন পুরো ক্লাস হইহুল্লোড়ে মেতে থাকলেও, মাহাদী দিবা চুপচাপ সাকিবের পাশে বসে ছিল।
একটাও কথা বলেনি—শুধু তার হাতটা চেপে ধরেছিল।
সেই স্পর্শে যেন সাকিব আবার বাঁচার সাহস পেয়েছিল।

তাদের বন্ধুত্ব ছিল নিঃশব্দ প্রতিজ্ঞার মতো—
"তুই থাকিস পাশে, আমি আর কিছু চাই না।"

কিন্তু সময় বদলায়... মানুষ বদলায় না, তবুও ভুল বোঝাবুঝি এসে তার ছায়া ফেলে।
যেখানে ভালোবাসা গভীর হয়, সেখানে এক ফোঁটা ভুল বোঝা কথাও পাহাড় হয়ে দাঁড়ায়...❤️

---
নতুন নতুন গল্প পেতে আমাদের সাথেই থাকুন ধন্যবাদ সবাইকে, আবার আগামীকাল দেখা হবে,,,

21/09/2025

৪র্থ ধাপ: সময়ের পরিবর্তন ও গল্পের উপসংহার

দুই বছর কেটে গেছে।

সায়েম এখন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে অনেক কিছু বদলে গেছে—
নতুন জীবন, নতুন বন্ধু, নতুন ব্যস্ততা।
কিন্তু কিছু শূন্যতা ঠিক যেন একই জায়গায় দাঁড়িয়ে আছে।
যেমন, রাফির জায়গাটা।

হঠাৎ একদিন সায়েম লাইব্রেরির সামনে রাফিকে দেখতে পেল—
চোখে চশমা, মুখে ক্লান্তি, কিন্তু চেনা সেই মুখ।
দুইজনের চোখ মিললো এক মুহূর্তের জন্য।

রাফি একটু থমকে দাঁড়াল, যেন কিছু বলতে চায়।
সায়েম হালকা হাসল, মাথা নিচু করে চলে গেল।

রাফি বুঝল, কিছু জিনিস আর আগের মতো ফিরবে না।
সব সম্পর্ক আর আগের জায়গায় ফিরিয়ে নেওয়া যায় না,
কারণ সময় শুধু মানুষ বদলায় না— সম্পর্কের মূল্যও বদলায়।

---

উপসংহার

বন্ধুত্ব কখনো কখনো এমনই—
একজন যতই ধরে রাখতে চায়,
অন্যজন যদি সরে যায়,
তাহলে সেই বন্ধন কেবল স্মৃতিতে বেঁচে থাকে।

স্মৃতির পাতায় রাফি ছিল, আছে—
কিন্তু সায়েম এখন জানে,
"সব সম্পর্ক রাখা যায় না, কিছু সম্পর্ক শুধু ছেড়ে দিতে হয়।"

20/09/2025

৩য় ধাপ: সায়েমের প্রতিক্রিয়া ও আবেগের প্রকাশ

রাফির মেসেজটা পড়ে সায়েম অনেকক্ষণ চুপচাপ বসে থাকল।
কিছু একটা বুকের ভেতরে মোচড় দিচ্ছিল—
একটা সময় যাকে নিজের ভাইয়ের মতো জানত, সেই মানুষটা এখন "তোরা" বলে দূরে সরিয়ে রাখছে।

সেদিন রাতে ছাদে উঠে আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকল সায়েম।
চোখে পানি এসেছিল, কিন্তু কাঁদেনি।
নিজেকে বোঝানোর চেষ্টা করল—

> "বন্ধুত্ব কি শুধু একসাথে থাকার নাম? না হয়, মানুষ বদলায়। রাফিও বদলেছে।"

তারপর সে নিজের ডায়েরির পাতা খুলে লিখল:

> "বন্ধুত্ব কখনো কখনো একতরফা ভালোবাসার মতো হয়ে যায়।
কিছু মানুষ ছায়ার মতো, রোদ না থাকলে তারা পাশে থাকেও না।
আর কিছু মানুষ? তারা চলে গেলেও স্মৃতির মত থেকে যায়।"

পরদিন থেকে সায়েম আর রাফিকে খোঁজ করার চেষ্টা করেনি।
কিন্তু মাঝে মাঝে রাস্তায় কাউকে দেখে, কিংবা পুরোনো ছবি খুলে একটা দীর্ঘশ্বাস পড়ে—
একটা বন্ধু হারানোর দীর্ঘশ্বাস।❤️

---
নতুন নতুন গল্প পেতে আমাদের সাথেই থাকুন ধন্যবাদ সবাইকে, আবার আগামীকাল দেখা হবে,,,

19/09/2025

২য় ধাপ: পরিবর্তনের শুরু ও ইগনোর করা শুরু

কলেজে উঠার পর রাফি আর সায়েম আলাদা বিভাগে ভর্তি হলো।
রাফি পড়তে লাগল বিজ্ঞান বিভাগে, আর সায়েম মানবিকে।
দুজনেই ব্যস্ত হয়ে পড়ল নিজেদের পড়াশোনা, নতুন ক্লাসমেট, গ্রুপ স্টাডি, নতুন বন্ধুবান্ধব—সব মিলিয়ে একটা নতুন জীবন শুরু হলো।

প্রথমদিকে সায়েম অনেক চেষ্টা করত আগের মতোই যোগাযোগ রাখতে।

"ভাই, বিকেলে দেখা হবে?"

"আজ তো আমাদের স্কুলের মাঠে খেলা আছে, চল?"

রাফি প্রথম দিকে বলত,
– "আজ পড়া আছে রে ভাই, পরের সপ্তাহে হইবো দেখা।"

সপ্তাহ যেতে থাকল মাসে, আর মাস বদলে গেল মৌসুমে।
সায়েম খেয়াল করল, রাফি আর ফোন ধরেনা, মেসেজ সিন করেও রিপ্লাই দেয় না।
স্ট্যাটাসে নতুন বন্ধুদের সাথে ঘোরাঘুরি, গল্প, আড্ডা — কিন্তু তাতে সায়েমের কোনো জায়গা নেই।

একদিন সাহস করে সায়েম সরাসরি বলেই ফেলল: – "কিরে, এমন করিস কেন? আমি কি তোর বন্ধু না?"

রাফি শুধু ছোট্ট একটা রিপ্লাই দিল: – "দোস্ত, সময় পাই না এখন আর। তোরা কেমন আছো জানি না, আমিও ব্যস্ত। লাইফ বদলাইছে রে।"

এই একটা মেসেজ যেন হাজারটা কথা বলে দিল সায়েমের কাছে।
সায়েম বুঝে গেল, তারা এখন একসাথে থাকলেও — আর একসাথে নেই।❤️

নতুন নতুন গল্প পেতে আমাদের সাথেই থাকুন ধন্যবাদ সবাইকে, আবার আগামীকাল দেখা হবে,,,

18/09/2025

গল্পের নাম: "নীরব দূরত্ব"

১ম ধাপ: চরিত্র ও সম্পর্ক গড়ে তোলা

রাফি আর সায়েম — দুইজন ছিল এমন বন্ধু, যাদের সবাই বলে “আত্মার বন্ধু”।
ছোটবেলা থেকেই একসাথে স্কুলে যাওয়া, ক্রিকেট খেলা, একে অপরের বাসায় রাত কাটানো — সবই করত ওরা।
একজনের মুখ দেখে অন্যজন বুঝে যেত সে কেমন আছে।
এসএসসি পাস করার পরও ওদের বন্ধুত্বে কোনো চিড় ধরেনি। বরং আরও ঘনিষ্ঠ হয়।

কিন্তু সময় বদলাতে শুরু করে কলেজে উঠার পর...❤️

---
নতুন নতুন গল্প পেতে আমাদের সাথেই থাকুন ধন্যবাদ সবাইকে, আবার আগামীকাল দেখা হবে,,,

10/09/2025

অনুভূতি প্রকাশ করতে নেই, মানুষ নাটক
মনে করে মজা নেয়......🥺🥹

05/09/2025

একটানা সুখ আমি চাই না মাঝে মাঝে দুঃখের ও প্রয়োজন আছে নইলে সুখের মর্ম বুঝবো কেমন করে.. |

Address

Bhola
Barishal

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Emran Hossain Miraj posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share