15/02/2026
#কোটিপতির_অহংকারী_মেয়ে
writer: MD Nur ( )
Part: 18 (অন্তিমপর্ব)
- কিহহহহহহ আমি ৩ মণ ওজনের চালের বস্তা? ( রেগে গিয়ে বুকের উপর দুই হাত দিয়ে হাতুড়ির মতো করে যেন ইট ভাঙতে লাগল)
- ওকে ওকে স্যরি বাবা। তুমি চালের বস্তা না তুমি আসলে আটার বস্তা। ( কথাটা বলেই দোলাকে ধাক্কা দিয়ে নুর বিছানা ছেড়ে উঠে চলে যায়।)
- কিহহহহহ বললি আবার আমি আটার বস্তা তুই আজকে শেষ। ( কথাটা শেষ করেই নুরকে ধাওয়া দিলো দোলা)
।
সন্ধ্যায়।
- বাসায় আজকে যাব না। ( কলার ঠিক করে দিতে দিতে)
- কেন?
- আমার শ্বশুর বাড়ি আমি থাকব তাই তোমার কি? ( লজ্জামান)
- তোমার শ্বশুর বাড়ি সেটা ঠিক আছে কিন্তুক আমাদের তো এখনও বিয়ে হয়নি ইসলাম মোতাবেক তাই চাইলে থাকতে পারবে না।
- বন্ধু হিসেবে তো থাকতে পারব?
- হুমম সেটা পারবে কিন্তুক এটা সমাজ মেনে নিবে না তাছাড়া আম্মু আব্বু কি ভাববে বলো?
- আম্মু আব্বু যাহ ভাবার ভাববে।
- পাগলামি কথা বাদ দাও তো।
হঠাৎই নুরের ফোনটা বেজে উঠল। সাদিয়ার বাবার ফোন থেকে ফোন এসেছে।
নুর ফোনটা রিসিভ করল। আর ফোন রিসিভ করেই অপর পাশ থেকে সাদিয়ার আম্মুর চাপা কন্ঠে কান্নার আওয়াজ ভেসে আসল।
- কি হয়েছে আন্টি?
- বাবা সাদিয়া এক্সিডেন্ট করেছে। ( কান্না জড়িত কন্ঠে)
- কখন? কিভাবে ? ( অস্থির হয়ে)
- তোমাদের বাসা থেকে ফেরার পথে একটা গাড়ির সাথে এক্সিডেন্ট করে। ( কান্নার কবলে ভালো ভাবে কথায় বলতে পারছে না।)
- আন্টি আপনারা এখন কোথায় আছেন?
- চট্টগ্রাম মেডিকেল হাসপাতাল।
- হুমম আন্টি আমি আসছি।।
।
- কি হয়েছে? (দোলা)
- সাদিয়া এক্সিডেন্ট করছে। ( কথাটা শেষ করেই চোখ দিয়ে জল গড়িয়ে পড়ল)
- কিহহহহহহ। কিভাবে (কথাটা শুনা মাত্রই কান্না করে বসে দোলা)
- সম্ভবত বড় কোন গাড়ি এক্সিডেন্ট ।
নুর আর দোলা দুজন পাশাপাশি বসে আছে। উদ্দেশ্যে চট্টগ্রাম মেডিকেল হাসপাতাল । দু'জনই প্রচন্ডভাবে কান্নাকাটি করছে। নিজের অজান্তেই চোখ গিয়ে অঝোরে জল গড়িয়ে পড়ছে দুজনের।
কতক্ষণ পড়ে তাঁরা হাসপাতালে পৌঁছে যায়। নুর গাড়ি পার্কিং করে তাড়াতাড়ি ছুটে যায় সাদিয়ার উদ্দেশ্য।
।
- কেমন করে হলো আঙ্কেল এসব ? (সাদিয়ার বাবাকে উদ্দেশ্য করে)
- সাদিয়া সিএনজি থেকে ডান পাশ দিয়ে নেমে ভাড়া মেটাতে গিয়ে হঠাৎই দূরপাল্লার একটি বাসের সাথে ধাক্কা লাগে। ( কাঁদোকাঁদো গলায়)
- ডান পাশ দিয়ে কেন সিএনজি থেকে নামতে হবে? এমনিতেই তো ডান পাশ দিয়ে গাড়ি