M for Meerab

M for Meerab Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from M for Meerab, Digital creator, Barishal.
(25)

হিজাব পড়ে ড্রাম বাজানোর সেই ভাইরাল মেয়েটার কথা মনে আছে??  তার নাম  নাজিয়া সামন্ত। হিজাব পরে আবার ড্রাম বাজাচ্ছে এটা নিয়ে...
02/06/2026

হিজাব পড়ে ড্রাম বাজানোর সেই ভাইরাল মেয়েটার কথা মনে আছে?? তার নাম নাজিয়া সামন্ত।

হিজাব পরে আবার ড্রাম বাজাচ্ছে এটা নিয়ে প্রচুর সমালোচনা তো হয়েছে।
তবে এবার নাজিয়া নিজেই জানিয়েছেন, ২০২৫ সালে তিনি হজ করেছেন। হজের পর নিজের লাইফস্টাইলে বড়সড় বদল এনেছেন তিনি।

নাচগানসহ অনেক কিছুই লাইফ থেকে বাদ দিয়েছেন, কিন্তু ড্রামসের স্টিকটা হাত থেকে ছাড়তে পারেননি। কারণ? মিউজিকের প্রতি তার ভালোবাসাটা একদম ছোটবেলার।

​তার এই মিউজিকে আসার পেছনে মেইন কারিগর কিন্তু তার বাবা। ছোটবেলায় বাবার কাছেই তার মিউজিকের হাতেখড়ি।
বাবা তাকে শুধু ড্রামসই না গিটার, বেহালাসহ হরেক রকমের বাদ্যযন্ত্র বাজানো শিখিয়েছেন।

রিসেন্টলি তার ভাইয়ের ব্যান্ড 'নবজাত'-এর একটা লাইভ শো ছিল। সেখানে কোনো পূর্বপ্রস্তুতি ছাড়াই হুট করে স্টেজে উঠে ড্রামস বাজিয়ে বসেন নাজিয়া। ব্যস! ওই কয়েক সেকেন্ডের ধামাকা পারফরম্যান্সই এখন নেট দুনিয়ার হট টপিক।

হিজাব পরে ড্রাম বাজানোয় একদল মানুষ তো স্বভাবসুলভভাবে সমালোচনা আর ট্রোলিং শুরু করে দিয়েছে। কিন্তু নাজিয়া এসব নেতিবাচক কমেন্টকে পাত্তাই দিচ্ছেন না।
তার সোজা সাপটা কথা হিজাব পরা যেমন তার পার্সোনাল চয়েস, ড্রাম বাজানোটাও তেমনি তার নিজের সিদ্ধান্ত। এখানে অন্য কারও নাক গলানোর কিছু নেই!🤷‍♀️

​দিনশেষে ফ্যামিলির, বিশেষ করে বাবার ফুল সাপোর্টই তাকে এতদূর নিয়ে এসেছে। সব সমালোচনাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে নিজের প্যাশনকে এভাবে ধরে রেখেছে নাজিয়া।

ছবিতে যেই লোককে দেখছেন, তার নাম হুসাইন মানসুরি। বর্তমানে সে ভারতের একজন জাঁদরেল বিজনেসম্যান আর বড় মাপের হিউম্যানিটারিয়ান...
02/06/2026

ছবিতে যেই লোককে দেখছেন, তার নাম হুসাইন মানসুরি। বর্তমানে সে ভারতের একজন জাঁদরেল বিজনেসম্যান আর বড় মাপের হিউম্যানিটারিয়ান।

​ এই লোকটার ছোটবেলা কেটেছে মুম্বাইয়ের চরম নোং-রা আর ঘিঞ্জি এক বস্তিতে। অভাব কাকে বলে, দুমুঠো ভাতের জন্য কেমন হাহাকার করতে হয় সেটা সে হাড়েহাড়ে টের পেয়েছে।
সেখান থেকে জিরো স্ক্র্যাচ থেকে নিজের দমে আজকে কোটি কোটি টাকার সাম্রাজ্য খাড়া করেছে সে।

​সবচেয়ে জোস ব্যাপার কী জানেন?
টাকা-পয়সা আর স্ট্যাটাস হলে আমাদের মতো সাধারণ মানুষেরই যেখানে মাটিতে পা পড়ে না, সেখানে হুসাইন মানসুরি পুরো উল্টো! কোটিপতি হয়েও সে কিন্তু তার অতীত ভুলে যায়নি।
এই যে দেখেন রাস্তার পাশে ফুটপাতে একদম সাধারণ মানুষের সাথে মাটিতে বসে, কাদা-ধুলার তোয়াক্কা না করে কীভাবে খাচ্ছে!
কোনো অহংকার নেই, কোনো শো-অফ নেই। জাস্ট পিওর হার্ট!❤️

​ফুটপাতের ক্ষুধার্ত মানুষকে খাওয়ানো, ফ্রি মেডিকেল সাপোর্ট দেওয়া, কিংবা পকেট থেকে লাখ লাখ টাকা বিলিয়ে দেওয়া এটাই তার ডেইলি রুটিন।

​আসলে লাইফে রিয়েল হ্যাপিনেস আর ব্লেসিংস যে গাড়ি-বাড়িতে না, বরং অন্যকে হেল্প করার মাঝেই লুকিয়ে আছে সেটা এই লোকটাকে না দেখলে বিশ্বাসই হতো না। চরম ইন্সপায়ারিং একটা ক্যারেক্টার!❤️

সাতটা দিন ধরে একটা মানুষ ম**  পচে গলে পড়ে থাকলো, অথচ কেউ টেরও পেল না! অথচ এই মায়ের পেট থেকেই জন্ম নিছে  সচিব, ভার্সিটির ...
02/06/2026

সাতটা দিন ধরে একটা মানুষ ম** পচে গলে পড়ে থাকলো, অথচ কেউ টেরও পেল না!
অথচ এই মায়ের পেট থেকেই জন্ম নিছে সচিব, ভার্সিটির প্রফেসর আর কানাডা প্রবাসী! ভাবা যায়?🙂

​যে মা একসময় পুরো সংসার একহাতে সামলাইছেন, শেষ বয়সে তার নিজের ফ্ল্যাটটা নাকি ময়লার স্তূপ হয়ে আছিল। খাট থেকে নামার শক্তিটুকুও ছিল না বেচারির। ম**র সময় এক ফোঁটা পানি মুখে দেওয়ার মতো একটা মানুষও পাশে ছিল না।

তোরা এত বড় বড় ডিগ্রি নিলি, এত টাকা কামাইলি, নিজেরা দেখতে না পারিস চব্বিশ ঘণ্টার জন্য একটা কেয়ারটেকার রাখার মতো পয়সাও কি আছিল না? নাকি সেটাও তোদের "স্ট্যাটাসে" বাঁধছিল?

​লিখে রাখেন, বাপ-মায়ের আত্মা কাঁদানো এই কু-লা-ঙ্গা-রগু-লা কোনোদিন শান্তিতে ম* তে পারে না। প্রকৃতি কাউকে ছাড়ে না। আজ তোরা যা করলি, কাল তোদের সাথেও ঠিক এই জিনিসটাই রিপিট হবে।
জাস্ট ওয়েট অ্যান্ড সি!🙂

দীপিকা যখন কথা বলে, রণবীর সিং যেভাবে ওর দিকে তাকিয়ে থাকে খেয়াল করেছেন কখনো? মনে হয় যেনো, ওই মুহূর্তে ওর পুরো পৃথিবীজুড়ে ...
02/06/2026

দীপিকা যখন কথা বলে, রণবীর সিং যেভাবে ওর দিকে তাকিয়ে থাকে খেয়াল করেছেন কখনো?
মনে হয় যেনো, ওই মুহূর্তে ওর পুরো পৃথিবীজুড়ে যেন শুধুই দীপিকা।

​অথচ আমাদের বাঙালি সমাজের চিত্রটা ঠিক উল্টো।
​এখানে একজন পুরুষ সফল হোক বা অসফল, স্ত্রীর কথাকে বেশির ভাগ সময়ই মনে করা হয় ‘বকবকানি’ বা ‘ফাউ আলাপ’।
কোনো সিরিয়াস টপিকে কথা বলতে গেলেই মাঝপথে থামিয়ে দিয়ে বলা হয়,"তুমি এসবের কী বোঝো?" কিংবা কথা বলার মাঝেই স্বামী পরম নিশ্চিন্তে ফোন স্ক্রল করে যান।

সামনের মানুষটাকে যে এভাবে প্রতিনিয়ত ছোট করা হচ্ছে, অবহেলা করা হচ্ছে, সেটা তারা বিন্দুমাত্র টের পান না। বা পেলেও কেয়ার করেন না। 🙂

​সাইকোলজিতে একটা দারুণ টার্ম আছে, "Bids for Connection"।
স্ত্রী যখন সারাদিনের টুকটাক গল্প বা কোনো তুচ্ছ বিষয় নিয়ে কথা বলতে আসেন, তিনি আসলে স্বামীর মনোযোগ চান, একটু কানেক্ট করতে চান।

রণবীর সিং যেভাবে আই-কন্টাক্ট করে শুনছিল, ওটাকে বলে ‘Turning Towards’....যা সম্পর্কে ভরসা বাড়ায়।

আর আমাদের দেশে বউ কথা বলতে আসলেই স্বামীরা যে ফোন টেপা বা ‘হু-হা’ করে পার পেয়ে যেতে চায়, ওটাকে বলে ‘Turning Away’। এই ছোট ছোট অবহেলাই কিন্তু একটা সময় বড় মানসিক দূরত্ব বা ডিভোর্সের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

​আমাদের সমাজটা বড্ড অদ্ভুত! মেয়েদের ছোটবেলা থেকেই শেখানো হয় স্বামীর সাথে কীভাবে কথা বলতে হবে, কীভাবে মানিয়ে নিতে হবে।
কিন্তু কয়টা পরিবার তাদের ছেলেকে শেখায় যে,
​স্ত্রীকে ছোট ছোট বিষয়ে স্পেশাল ফিল করানোও একটা দায়িত্ব?
​তার কথাগুলো মন দিয়ে শোনা জরুরি?
​অফিস থেকে ফিরে শুধু সোফায় পা তুলে বসা নয়, স্ত্রীর মানসিক ক্লান্তির খোঁজ নেওয়াটাও আসল পুরুষত্ব?

​এখানেই আমাদের মস্ত বড় গলদ। এই মেল-শভিনিস্ট মেন্টালিটির কারণে প্রতিদিন হাজার হাজার নারী নিজের ঘরেই চরম একা ফিল করেন।
তারা হয়তো তিন বেলা ভালো খাবার পাচ্ছেন, দামি শাড়ি পাচ্ছেন; কিন্তু দিনশেষে যেটা সবচেয়ে দামী,‘মনোযোগ আর সম্মান’ সেটাই পাচ্ছেন না। 🙂

যখন আমি 'ইয়ো ইয়ো হানি সিং' ছিলাম, নামের পাশে উপচে পড়া খ্যাতি, তখন ২৪ ঘণ্টা আমাকে ঘিরে থাকতো অন্তত ৪০ জন বন্ধু। অথচ যখন ক...
01/06/2026

যখন আমি 'ইয়ো ইয়ো হানি সিং' ছিলাম, নামের পাশে উপচে পড়া খ্যাতি, তখন ২৪ ঘণ্টা আমাকে ঘিরে থাকতো অন্তত ৪০ জন বন্ধু।
অথচ যখন কঠিন অসুস্থতায় পড়লাম, কাজ হারিয়ে বিছানায় গেলাম....তখন ওই ৪০ জনের ভিড় মুহূর্তেই গায়েব! পাশে ছিল কেবল একজন মাত্র বন্ধু।"

​এক সাক্ষাৎকারে জীবনের সবচেয়ে বড় ট্রুথটা শেয়ার করলেন হানি সিং। উনার ডি-ভো-র্স আর ক্যারিয়ারের ওই অন্ধকার সময়টা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে বলেন, "আমরা একই বাড়িতে থাকতাম, তারপর হঠাৎ দ্বন্দ্ব আর ছাড়াছাড়ি। তখন বুঝলাম, জীবনটা আসলে একার সফর। এই যাত্রায় যতো প্রিয় মানুষই হোক না কেন, যেকোনো মুহূর্তে যে কেউ হাত ছেড়ে দিতে পারে।"

হানি সিং যখন বাইপোলার ডিজঅর্ডার আর তীব্র ডিপ্রেশনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলেন, তখন উনি এতটাই একা হয়ে পড়েছিলেন যে দিনের পর দিন ঘরের আলো জ্বালানোর সাহস পেতেন না।
অথচ সেই সময় উনার পাশে উনার পরিবার ছাড়া ইন্ডাস্ট্রির প্রায় কেউই খোঁজ নেয়নি।

এখন হানি সিং আবার কামব্যাক করেছেন, পুরোদমে কাজ করছেন। আর ম্যাজিকের মতো চারপাশের মানুষের ভিড়টাও আবার ফিরে এসেছে!

​কিন্তু হানি সিং এখন বদলে গেছেন। উনার ভাষায়,"এখন আমি একা থাকতেই স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি। কারণ জীবনের এই ট্রেলারটা আমি আগেই দেখে ফেলেছি। তাই এখন মাঝপথে কেউ হাত ছেড়ে দিলে আমি আর অবাক হই না।"

দিনশেষে হিসাবটা খুব সহজ দুনিয়ায় সবাই আপনার 'সফলতা'র বন্ধু, আপনার 'অন্ধকার সময়ে'র সঙ্গী কেবল আপনি নিজেই! 🖤


চিত্ত মিডিয়ার জুয়েল ভাইকে আমরা সবাই ওনার কাজের জন্য ভালোবাসি। 'সেরাদের সেরা' পুরস্কার পাওয়ার পর আজ উনি মাননীয় প্রধানমন্ত...
01/06/2026

চিত্ত মিডিয়ার জুয়েল ভাইকে আমরা সবাই ওনার কাজের জন্য ভালোবাসি।
'সেরাদের সেরা' পুরস্কার পাওয়ার পর আজ উনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথেও দেখা করলেন। প্রধানমন্ত্রী নিজেই উনাকে ডেকে পাঠিয়েছিলো।

​তবে জুয়েল ভাই শুধু দেখাই করতে যাননি, আমাদের মতো হাজারো কনটেন্ট ক্রিয়েটর আর ফ্রিল্যান্সারদের একটা বড় দুশ্চিন্তা দূর করে এসেছেন।

​কথার একপর্যায়ে জুয়েল ভাই তরুণদের ওপর ৭.৫% ভ্যাট আরোপের আশঙ্কার বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর সামনে তুলে ধরেন। উনি বলেন, এই তরুণরা টাকা পা' চা' র করে না, মেধা দিয়ে দেশে বৈদেশিক মুদ্রা আনে।

​আর সাথে সাথেই ম্যাজিক! মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তাৎক্ষণিকভাবে কর্মকর্তাদের ডেকে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে ফোন করালেন এবং সরাসরি নির্দেশ দিলেন যেন ফ্রিল্যান্সিং বা কনটেন্ট ক্রিয়েশনের ওপর কোনো ভ্যাট না দেওয়া হয়।

প্রধানমন্ত্রী অভয় দিয়ে বললেন, "আপনারা কোনো টেনশন ছাড়াই নিশ্চিন্তে কাজ করে যান, আপনাদের ওপর কোনো বাড়তি চাপ আসবে না, ইনশাআল্লাহ।"

​দেশের সর্বোচ্চ পদে থেকে এমন তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত এবং তরুণদের প্রতি এই আন্তরিকতা সত্যিই প্রশংসনীয়। জুয়েল ভাইয়ের জন্য অনেক শুভকামনা। 🌼

রামিসার বাবা মেয়ের শোকে স্ট্রোক করে  হাসপাতালে ভর্তি।হাতে  স্যালাইন লাগানো, শরীর এবং মুখ দেখলেই বোঝা যাচ্ছে তিনি অনেক অস...
01/06/2026

রামিসার বাবা মেয়ের শোকে স্ট্রোক করে হাসপাতালে ভর্তি।হাতে স্যালাইন লাগানো, শরীর এবং মুখ দেখলেই বোঝা যাচ্ছে তিনি অনেক অসুস্থ। একদম ভেঙে পরেছে শরীর। বৃদ্ধ মানুষের মতো অবস্থা হয়ে গিয়েছে মাত্র কয়েক দিনেই।

বিরোধী দলীয় নেতা আজকে তাকে দেখতে গিয়েছিলেন।
এই দেশে বিচার পাবে নাকি তার কোনো নিশ্চয়তা নাই! নাই! নাই!

#রামিসা

রামিসার ঘটনার ভয়াবহতা দেখে ঢাকা বারের কোনো আইনজীবী কিন্তু স্বেচ্ছায় এই ন* প* সোহেলের পক্ষে দাঁড়াতে রাজি হননি। সবাই একযোগ...
01/06/2026

রামিসার ঘটনার ভয়াবহতা দেখে ঢাকা বারের কোনো আইনজীবী কিন্তু স্বেচ্ছায় এই ন* প* সোহেলের পক্ষে দাঁড়াতে রাজি হননি। সবাই একযোগে এই বিচার চেয়েছেন। কিন্তু আইনের একটা নিয়ম আছে কখনো একপাক্ষিক বিচার করা যায় না। আসামির পক্ষে যদি কোনো ডিফেন্স বা উকিল না থাকে, তবে সেই বিচারকে আইনত ত্রুটিপূর্ণ ধরা হয়।

যদি কোনো ডিফেন্স ছাড়াই এই ন*প* সোহেল ফাঁ*র রায় হয়ে যেত, তাহলে পরবর্তীতে হাইকোর্টে গিয়ে এই রায় আটকে যাওয়ার ১০০% চান্স থাকত। আসামিপক্ষ তখন গ্রাউন্ড তুলত যে, "আদালতে তো আমাদের কোনো বক্তব্য শোনাই হয়নি, আমাদের ডিফেন্স লয়ার ছিল না।" এই আইনি ফাঁকফোকর বন্ধ করতেই আইন মন্ত্রণালয় থেকে সরকারি খরচে একজন আইনজীবী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এটা স্রেফ নিয়ম রক্ষার খাতিরে। উনি উনার ওপর অর্পিত রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালন করছেন মাত্র।🙂

আমাদের দেশের ইতিহাসের অন্যতম নৃ--শং--স ঘটনা 'ফেনীর নুসরাত হ** মামলা' কিংবা **'সিলেটের রাজন হ** মামলা' র কথা নিশ্চয়ই মনে আছে? সেখানেও কিন্তু একপর্যায়ে আসামিদের পক্ষে কেউ দাঁড়াতে চাচ্ছিল না। কিন্তু বিচার প্রক্রিয়াকে একদম নিরেট ও পোক্ত করতে, যাতে ভবিষ্যতে কোনো আপিল বা টেকনিক্যাল কারণে অপরাধী পার পেয়ে না যায়, স্টেট ডিফেন্স বা সরকারি আইনজীবী নিয়োগ দিতে হয়েছিল। ওই আইনি প্রসিডিউর মেনেই কিন্তু শেষ পর্যন্ত অপরাধীদের ফাঁ*** নিশ্চিত করা গেছে।
​এখানেও ঠিক তাই হচ্ছে। আসামির পক্ষে এই আইনজীবী দাঁড়িয়েছেন। যাতে ফারদার এই বিচার নিয়ে আর কোনো প্রশ্ন তোলার সুযোগ থাকবে না।

​তাই আইনজীবীকে গা** দিয়ে লাভ নেই, উনি আইনের প্রসিডিউরটাই ফলো করছেন। নিশ্চিত থাকেন, সব তথ্য-প্রমাণ আর ডিএনএ রিপোর্টের চুলচেরা বিশ্লেষণ শেষে এই মামলার মূল আসামি, ন*প* সোহেলের সর্বোচ্চ শাস্তি অর্থাৎ মৃ**দণ্ড হবেই ইনশাল্লাহ!🙂

#রামিসা

⚠️ইনি রামিসা মামলার আসামি পক্ষের উকিল।উনার বক্তব্যগুলো একটু শুনুন।🔺প্রশ্ন: আজকে আপনাদের আর্গুমেন্ট (Argument) বা যুক্তি ...
01/06/2026

⚠️ইনি রামিসা মামলার আসামি পক্ষের উকিল।
উনার বক্তব্যগুলো একটু শুনুন।

🔺প্রশ্ন: আজকে আপনাদের আর্গুমেন্ট (Argument) বা যুক্তি কী ছিলো?

​উত্তর (আইনজীবী): আজকে যেহেতু চার্জ গঠনের দিন ছিল, আমরা আসামির ডিসচার্জ চেয়ে শুনানি করেছি। আমাদের মূল যুক্তি হলো যেহেতু এটি একটি ধ*** মা-ম-লা এবং ধ**** অ--ভিযোগ আনা হয়েছে, কিন্তু আসামির যে ডিএনএ টেস্ট করা হয়েছে, তাতে ভিকটিমের ভ্যাজাইনাল সোয়াবের ভেতরে কোনো বী/ র্যে/ র উপস্থিতি শনাক্ত হয়নি। এটি এই মামলার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
​তাছাড়া, এই মামলায় কোনো চাক্ষুষ সাক্ষী ছিলো না। তাই আমরা আসামির অব্যাহতি চেয়েছি। এই ডিএনএ রিপোর্টে আসামির সাথে কোনো 'ক্রস মিসিং' হয়েছে কি না বা আসামির বিরুদ্ধে কোনো আলামত পাওয়া গেছে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে আমি বলবো, আমার কাছে যে রেকর্ড আছে, সেই রেকর্ড অনুযায়ী বী/ র্যে/র কোনো উপস্থিতি শনাক্ত হয়নি।

🔺​প্রশ্ন: আচ্ছা, আসামি তো বারবার বলছেন যে তিনি খু* বা ধ-** করেননি। 'ডলার' নামে এক ব্যক্তি এই ধ*** ও খু*** করেছে। এই বিষয়ে আপনার বক্তব্য কী?

​উত্তর (আইনজীবী): আসামি আমার সাথে এমন কিছু বলেনি। তবে আসামি আমাকেও বলেছে যে সে নির্দোষ। এখন 'ডলার' বা অন্য কারো নাম সে যদি বলে থাকে এবং সে যদি আসলেই নির্দোষ হয়, তবে তাকে কে বা কারা ফাঁসিয়েছে বা আসল ঘটনা কী সেটা তো আদালতে বিচার ও তথ্য-প্রমাণ বিশ্লেষণের পরেই প্রমাণিত হবে।

🔺​প্রশ্ন: তদন্ত কর্মকর্তা যে তদন্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেছেন, সেটা কি সঠিক আছে বলে আপনি মনে করেন?

​উত্তর (আইনজীবী): এটা এখনই বলার সুযোগ আসেনি, ট্রায়াল (Trial) বা বিচার শুরু হলে তখন বোঝা যাবে।

🔺​প্রশ্ন: আচ্ছা, সোহেলের স্ত্রীর আসলে কী দোষ? এ বিষয়ে আপনারা কী জানেন? এই ঘটনায় সোহেলের স্ত্রীর কতটুকু সংশ্লিষ্টতা আছে? তিনি নির্দোষ নাকি দোষী?

​উত্তর (আইনজীবী): তিনি নির্দোষ কি না, এটা যদি আমাদের জিজ্ঞেস করেন!! আমি তো মনে করি সোহেলের স্ত্রী আসলে তার হাজব্যান্ডকে বাঁচাইতে গিয়ে হয়তো এই মামলায় ফেঁসে গেছেন বা জড়িত হয়ে পড়েছেন।

🔺​প্রশ্ন: আসামির জন্য কি আজকে কোনো জামিনের আবেদন করা হয়েছিল?

​উত্তর (আইনজীবী): আসামির জন্য আজকের দিনে আমরা কোনো জামিনের আবেদন করিনি। আমরা পরবর্তীতে জামিনের আবেদন করব।

🔺​প্রশ্ন: আপনি বলছেন যে আসামি নির্দোষ, তাহলে তিনি বাসা থেকে কেন পালালেন? বাসা থেকে জানালার গ্রিল কেটে কেন পালালেন?

​উত্তর (আইনজীবী): আসলে আপনি যে প্রশ্নটা করলেন সে কেন পালিয়েছে, সেটা তো আসলে সাক্ষ্য-প্রমাণের বিষয়। আমি আসামির পক্ষে আছি এবং আসামি নিজেকে নির্দোষ দাবি করছে। আসামি আদালতকে যে সাক্ষ্য-প্রমাণ দেবে, আমি আদালতে সেটাই প্রমাণ করার চেষ্টা করব। এর বাইরে সে কেন পালিয়েছে, তা এই মুহূর্তে আমি বলতে পারব না।

#রামিসা

কোর্টরুমে আজকে সোহেলের মুখে "ডলার ভাইয়ের ২ লাখ টাকার" গল্প শুনে যারা অবাক হয়েছেন, তাদের সরলতা দেখে আমি সত্যি স্তব্ধ!😅 ভা...
01/06/2026

কোর্টরুমে আজকে সোহেলের মুখে "ডলার ভাইয়ের ২ লাখ টাকার" গল্প শুনে যারা অবাক হয়েছেন, তাদের সরলতা দেখে আমি সত্যি স্তব্ধ!😅

ভাইরে ভাই, এটা তো জাস্ট ট্রেইলার.... সিনেমা তো সামনে আরও বাকি আছে। ওর পেছনে যে বা যারা আইনজীবী হিসেবে দাঁড়িয়েছেন, তারা সামনে এমন এমন ক্রিপ্টোগ্রাফিক নাটক আর স্ক্রিপ্ট লিখে এই খু**কে মুখস্থ করাবে, যা শুনলে মনে হবে দুনিয়ার সবচেয়ে নিষ্পাপ ও ভুক্তভোগী মানুষটাই হলো এই সোহেল!

আর আমরা সাধারণ মানুষরা হা করে চেয়ে চেয়ে দেখবো কীভাবে আইনের ফাঁকফোকর গলে একেকটা ন*প* পার পেয়ে যায়।🙂

​একটা সহজ প্রশ্ন করতে চাই, আজকে যে উকিল সাহেব "পেশাদারিত্বের" দোহাই দিয়ে এই খু**-ধ****র পক্ষে আদালতে গলা ফাটাচ্ছেন, লজিক দেখাচ্ছেন; কালকে যদি উনার নিজের মেয়ের সাথে ঠিক এই ঘটনাটাই ঘটতো, উনি কি তখনও এই একই "প্রফেশনালিজম" দেখাতেন?

তখনও কি পারিশ্রমিকের চেকটা পকেটে পুরে ওই জান*****টার পক্ষে এভাবে সাফাই গাইতেন?
​না, তখন পারতেন না। কারণ তখন বিবেকটা টাকার নোটে চাপা পড়ে থাকতো না, তখন পিতৃসত্তা জেগে উঠতো।
​তাহলে রামিসার বেলায় কেন এই দ্বিচারিতা?🙂

#রামিসা

Address

Barishal

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when M for Meerab posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share