Mishkat - Books & Facts

Mishkat - Books & Facts দর্শন | রাজনীতি | ইতিহাস | সুফিজম
https://youtube.com/?si=8T7I2-7EqdvLyK7C
(1)

বিষয়গুলো আকর্ষণীয়।
12/09/2026

বিষয়গুলো আকর্ষণীয়।

১১ সেপ্টেম্বর মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর ওফাত বার্ষিকী আয়োজন নিয়ে বিতর্ক দেখা গিয়েছে বাংলাদেশে। বাঙালি বরাবরই প্রতিক্রিয়াশীল।...
12/09/2026

১১ সেপ্টেম্বর মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর ওফাত বার্ষিকী আয়োজন নিয়ে বিতর্ক দেখা গিয়েছে বাংলাদেশে। বাঙালি বরাবরই প্রতিক্রিয়াশীল। যেখানে দরকার সেখানে তারা চুপ।

ক্যালেন্ডার কথা বলে...
11/09/2026

ক্যালেন্ডার কথা বলে...

দরবারে মীর থেকে বই এসেছে আজ।আগেরবার অনেকে জানতে চেয়েছিলেন কি বই ছিল প্যাকেটে। তাই এবার বইয়ের ছবিও দিলাম। ভালো সার্ভিস,  ...
06/09/2026

দরবারে মীর থেকে বই এসেছে আজ।আগেরবার অনেকে জানতে চেয়েছিলেন কি বই ছিল প্যাকেটে। তাই এবার বইয়ের ছবিও দিলাম।
ভালো সার্ভিস, তবে এবার প্রচ্ছদটাতে কালার একটু কম মনে হয়েছে। আরেকটু ভালো হতে পারতো বইয়ের কভার। তবে বাইন্ডিং বরাবরই দারুণ।

গতকাল বরিশাল শহরে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল দিনব্যাপী বিজ্ঞান উৎসব। সকালে ছবি আঁকা, কুইজ এবং বিকালে বিজ্ঞান বক্তৃতা। বিষয়: নিয়ান্...
05/09/2026

গতকাল বরিশাল শহরে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল দিনব্যাপী বিজ্ঞান উৎসব। সকালে ছবি আঁকা, কুইজ এবং বিকালে বিজ্ঞান বক্তৃতা।
বিষয়: নিয়ান্ডারথাল থেকে হোমো সেপিয়েন্স।

কসমিক কালচারের উদ্যোগে প্রোগ্রামটি আয়োজিত হয় বনলতা বুক ক্যাফে, তে।

❝দেশ তো রাজনৈতিকভাবে ভাগ হয়ে গেছে। কিন্তু আমাদের সংস্কৃতি অখণ্ড ও অবিভাজ্য। গঙ্গার পানির অধিকার যেমন দুই বাংলার মানুষ চা...
05/09/2026

❝দেশ তো রাজনৈতিকভাবে ভাগ হয়ে গেছে। কিন্তু আমাদের সংস্কৃতি অখণ্ড ও অবিভাজ্য। গঙ্গার পানির অধিকার যেমন দুই বাংলার মানুষ চায়, তেমনি বাংলা সংস্কৃতির অধিকারও দুই বাংলার মানুষের।❞

বনলতার বুকমার্ক কালেকশন। 🔖🪄

আজ ৩ সেপ্টেম্বর। ১৯৩৯ সালের এই দিনে ব্রিটেন জার্মানির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে, আর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ভারতও সেই যুদ্ধে ...
03/09/2026

আজ ৩ সেপ্টেম্বর। ১৯৩৯ সালের এই দিনে ব্রিটেন জার্মানির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে, আর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ভারতও সেই যুদ্ধে ঢুকে যায়। অথচ কোনো ভারতীয়কে একবারও জিজ্ঞেস করা হয়নি তারা যুদ্ধ চায় কি-না।

দুই দিন আগে, ১ সেপ্টেম্বর, হিটলারের জার্মানি পোল্যান্ড আক্রমণ করেছিল। ব্রিটেন-ফ্রান্স যুদ্ধ থামানোর আলটিমেটাম দিয়েছিল কিন্তু কাজ হয়নি। ৩ সেপ্টেম্বর ব্রিটেন যুদ্ধ ঘোষণা করে, আর সেদিনই ব্রিটিশ ভারতের ভাইসরয় লর্ড লিনলিথগো ঘোষণা করে দেন ভারতও জার্মানির সঙ্গে যুদ্ধে আছে। India is also at war with Germany. এখানেই আসল সংকটটা। ১৯৩৭ সালের নির্বাচনের পর ভারতের বিভিন্ন প্রদেশে কংগ্রেসের নির্বাচিত সরকার ছিল, মানে ভারতীয় রাজনীতিবিদরাই তখন প্রশাসনের একটা বড় অংশ চালাচ্ছিলেন। কিন্তু দেশের সবচেয়ে বড় সিদ্ধান্তে তাদের মতামতের কোনো জায়গাই ছিল না। নেহরু ও কংগ্রেসের নথিতেও স্পষ্ট অভিযোগ আছে, যুদ্ধরত দেশ ঘোষণার আগে আইনসভা বা প্রধান রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে কোনো পরামর্শই করা হয়নি।

আইনি দিক থেকে অবশ্য ব্যাপারটা এত সহজ না। ভারত তখনও স্বাধীন রাষ্ট্র না, আর Government of India Act, 1935-এর অধীনে ভাইসরয়ের হাতেই এমন ক্ষমতা ছিল যে তিনি যুদ্ধকালীন জরুরি ব্যবস্থা ঘোষণা করতে পারতেন। ব্রিটিশ পার্লামেন্টের পরবর্তী আলোচনায়ও এই ঘোষণাকে আইনসঙ্গত হিসেবেই দেখানো হয়েছিল। কিন্তু ভারতীয় জাতীয়তাবাদীদের প্রশ্নটা ছিল অন্যরকম — আইনসঙ্গত হলেই কি সেটা রাজনৈতিকভাবে ন্যায্য হয়ে যায়?

নেহরুর প্রশ্ন ছিল — ব্রিটেন যদি সত্যিই স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র রক্ষার জন্য লড়ছে, তাহলে ভারতকে স্বাধীনতার নিশ্চয়তা না দিয়ে যুদ্ধে টেনে নেয়া হচ্ছে কেন?
১৪ সেপ্টেম্বর ওয়ার্কিং কমিটির রেজুলেশনে এই দাবিই তোলা হয়। যুদ্ধের উদ্দেশ্য স্পষ্ট করতে হবে, আর ভারতকে নিজের সংবিধান নিজেরই তৈরি করার অধিকার দিতে হবে। কিন্তু ব্রিটিশ সরকার রাজি হয়নি। ফলাফলটা এলো ক্ষমতা ছাড়ার মধ্য দিয়ে। ১৯৩৯-এর অক্টোবর-নভেম্বরে কংগ্রেসের প্রাদেশিক মন্ত্রিসভাগুলো একে একে পদত্যাগ করে।

কিন্তু এই সিদ্ধান্তের একটা অন্য পরিণতিও হয়েছিল। কংগ্রেস সরে দাঁড়ানোর পর মুসলিম লীগের সামনে নতুন সুযোগ তৈরি হয়। জিন্নাহ ব্রিটিশ সরকারের সঙ্গে সহযোগিতার পথ নেন, আর কংগ্রেস মন্ত্রিসভার পদত্যাগকে ব্যবহার করেন রাজনৈতিক প্রচারে। ডিসেম্বরে তিনি ২২ ডিসেম্বরকে "Day of Deliverance" হিসেবে পালনের ডাক দেন। এরপর মাত্র কয়েক মাসের মধ্যেই, মার্চ ১৯৪০-এ, লাহোরে মুসলিম লীগের অধিবেশনে গৃহীত হয় সেই ঐতিহাসিক Lahore Resolution — যা পরে পাকিস্তান প্রস্তাব নামে পরিচিত।

মানে ৩ সেপ্টেম্বর ১৯৩৯-এর ওই একটা সিদ্ধান্তের প্রভাব শুধু যুদ্ধকালীন রাজনীতিতে আটকে থাকেনি। যুদ্ধঘোষণা থেকে কংগ্রেসের পদত্যাগ, সেখান থেকে মুসলিম লীগের উত্থান, আর তা থেকে লাহোর প্রস্তাব — এই পুরো ধারাবাহিকতাকে ইতিহাসবিদরা দেখেন ১৯৪০-এর দশকের সংকট আর শেষমেশ ১৯৪৭-এর স্বাধীনতা-বিভাজনের একটা গুরুত্বপূর্ণ পটভূমি হিসেবে।

ব্রিটেন তখন বলছিল স্বাধীনতা রক্ষার জন্য লড়ছে, অথচ নিজের উপনিবেশের স্বাধীনতার প্রশ্নে একই যুক্তি খাটাতে রাজি ছিল না। যে যুদ্ধ সাম্রাজ্য রক্ষার জন্য শুরু হয়েছিল, সেটাই কয়েক বছরের মধ্যে সাম্রাজ্যের ভিত্তিটাকে আরও নড়বড়ে করে দিল। ইতিহাসের পরিহাস এটাই।

—আওলাদ হোসেন মিশকাত
(Mishkat-Books & Facts)

#ইতিহাসে_আজকের_দিন #ব্রিটিশ #দেশভাগ #বিশ্বযুদ্ধ

আজ ২ সেপ্টেম্বর। একই দিনে ইতিহাসে ঘটেছিল দুটো একেবারে বিপরীত ঘটনা। একদিকে একটা সাম্রাজ্যের আত্মসমর্পণ, অন্যদিকে একটা জাত...
02/09/2026

আজ ২ সেপ্টেম্বর। একই দিনে ইতিহাসে ঘটেছিল দুটো একেবারে বিপরীত ঘটনা। একদিকে একটা সাম্রাজ্যের আত্মসমর্পণ, অন্যদিকে একটা জাতির স্বাধীনতার ঘোষণা।

১৯৪৫ সালের এই দিনে টোকিও উপসাগরে জাপানের যুদ্ধজাহাজ USS Missouri-র ডেকে বিজয়ী মিত্রশক্তির সামনে দাঁড়িয়ে জাপানি প্রতিনিধিরা আত্মসমর্পণের দলিলে স্বাক্ষর করেন, সকাল ৯টা ৮ মিনিটে। এর মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হয় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ।
কিন্তু একই দিনে পৃথিবীর অন্য প্রান্তে, ভিয়েতনামের হ্যানয়ে, হাজার হাজার মানুষের সামনে দাঁড়িয়ে হো চি মিন ঘোষণা দেন — ভিয়েতনাম আর কোনো সাম্রাজ্যের উপনিবেশ নয়।

এই দিন স্কয়ারে সেদিন তিনি Democratic Republic of Vietnam প্রতিষ্ঠার কথা জানান, যা পরে দেশটির আধুনিক ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হয়ে ওঠে।
ওনার ঘোষণায় শুধু ভিয়েতনামের কথাই ছিল না, একটা আন্তর্জাতিক বার্তাও ছিল। মানুষের স্বাধীনতা আর সমতার কথা বলতে গিয়ে তিনি টেনে আনেন ১৭৭৬ সালের আমেরিকান Declaration of Independence-এর প্রসঙ্গ। বিশ্বের শক্তিধর রাষ্ট্রগুলোকেই প্রশ্ন করছিলেন — মানুষ যদি স্বাধীন হওয়ার অধিকার রাখে, তাহলে ভিয়েতনাম কেন রাখবে না।
বাস্তবতা অবশ্য অতটা সহজ ছিল না। যুদ্ধ শেষ হলেও ভিয়েতনামের ওপর ফরাসি ঔপনিবেশিক নিয়ন্ত্রণের প্রশ্নটা তখনও মেটেনি। ফ্রান্স আবার ইন্দোচীনে নিজের কর্তৃত্ব ফিরে পেতে চেষ্টা করে, ফলে সেই ২ সেপ্টেম্বরের স্বাধীনতার ঘোষণা শেষ পর্যন্ত আরেকটা দীর্ঘ সংঘাতের সূচনা করে দেয়।
তাই ২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৫ শুধু যুদ্ধের শেষের দিন না — একই সাথে একদিকে একটা সাম্রাজ্য অস্ত্র নামাচ্ছিল, অন্যদিকে একটা জাতি নিজের ভবিষ্যতের দাবি জানাচ্ছিল। হো চি মিনের সেদিনের ঘোষণা ঐতিহাসিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ছিল ঠিকই, কিন্তু ভিয়েতনামের সবচেয়ে কঠিন অধ্যায়টা তখনও সামনে বাকি ছিল।

—আওলাদ হোসেন মিশকাত
(Mishkat-Books & Facts)

#ইতিহাসে_আজকের_দিন #ভিয়েতনাম #বিশ্বযুদ্ধ

আজ ১ সেপ্টেম্বর। ৫৭ বছর আগের এই দিনে লিবিয়াতে একটা রাজতন্ত্র উল্টে গিয়েছিল, আর তার পেছনে ছিলেন মাত্র ২৭ বছর বয়সী এক ক...
01/09/2026

আজ ১ সেপ্টেম্বর। ৫৭ বছর আগের এই দিনে লিবিয়াতে একটা রাজতন্ত্র উল্টে গিয়েছিল, আর তার পেছনে ছিলেন মাত্র ২৭ বছর বয়সী এক ক্যাপ্টেন — যিনি পরে ৪২ বছর ধরে দেশ শাসন করেছেন।

সময়টা ১৯৬৯ সাল। লিবিয়া তখন রাজতন্ত্র, শাসক রাজা ইদ্রিস। দেশটা তখন তেলসমৃদ্ধ হয়ে উঠছে, কিন্তু রাজনীতিতে অসন্তোষও বাড়ছিল সমানতালে। তরুণ সেনা কর্মকর্তাদের একটা অংশ মনে করত রাজতন্ত্র দুর্নীতিগ্রস্ত ও পশ্চিমা শক্তির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীল আর আরব জাতীয়তাবাদের ঢেউ থেকে তারা অনেকটাই বিচ্ছিন্ন। লিবিয়ার মাটিতে ব্রিটিশ-মার্কিন সামরিক ঘাঁটির উপস্থিতিটাও তাদের কাছে ছিল বড় একটা আপত্তির জায়গা। মার্কিন নথিতেও পরে লেখা হয়েছিল, নতুন বিপ্লবী নেতৃত্ব রাজতন্ত্রকে দেখত দুর্নীতি, বিদেশি ঘাঁটি আর অতিরিক্ত পশ্চিমাপন্থী অবস্থানের প্রতীক হিসেবে। এই অসন্তোষ থেকেই জন্ম নেয় Free Officers Movement নামে একটা গোপন সামরিক সংগঠন। যার সদস্যদের একজন ছিলেন ক্যাপ্টেন মুয়াম্মার গাদ্দাফি।

১ সেপ্টেম্বর, ১৯৬৯। রাজা ইদ্রিস তখন দেশের বাইরে, তুরস্কে চিকিৎসাধীন। তরুণ সেনা কর্মকর্তারা যেন এই সুযোগেরই অপেক্ষায় ছিলেন। ভোরবেলা সেনাবাহিনীর একটা অংশ ত্রিপোলি আর বেনগাজির গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার নিয়ন্ত্রণ নিতে শুরু করে, যোগাযোগব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন করে দেয়, রাজপ্রাসাদ ও সামরিক স্থাপনা ঘিরে ফেলে। রাজতন্ত্রের পক্ষ থেকে বড় কোনো প্রতিরোধ গড়েই ওঠেনি। কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সব শেষ। প্রায় ৭০ জন তরুণ অফিসার এই অভিযানে যুক্ত ছিলেন বলে ঐতিহাসিক সূত্র বলে, আর পুরো ঘটনাটা ছিল কার্যত রক্তপাতহীন।

মজার ব্যাপার হলো, ক্ষমতা যে আসলে কাদের হাতে গেল, সেটা প্রথম দিকে স্পষ্ট ছিল না। সাধারণ মানুষ তো দূরের কথা, বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থাগুলোও নিশ্চিত ছিল না। মার্কিন গোয়েন্দা নথিতে coup-এর কয়েকদিন পরও লেখা ছিল, নতুন শাসকদের পরিচয় আর রাজনৈতিক লক্ষ্য নিয়ে তখনও অনিশ্চয়তা কাটেনি। এই অস্পষ্টতার মধ্য দিয়েই ধীরে ধীরে সামনে চলে আসেন সেই তরুণ ক্যাপ্টেন। গাদ্দাফি হয়ে ওঠেন Revolutionary Command Council-এর চেয়ারম্যান, পরে কর্নেল পদে উন্নীত হয়ে সশস্ত্র বাহিনীর কমান্ডার-ইন-চিফ। রাজতন্ত্র উৎখাতের পেছনে তাদের যুক্তি ছিল দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই, সামাজিক সংস্কার আর বিদেশি প্রভাব থেকে মুক্তি। আরব জাতীয়তাবাদও তাদের বড় একটা প্রেরণা ছিল — মিশরের নাসের ছিলেন গাদ্দাফির আদর্শ। তাদের কাছে স্বাধীনতা মানে শুধু পতাকা বদল না, বিদেশি ঘাঁটি থেকে মুক্তি আর দেশের সম্পদের ওপর নিজেদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা।

কিন্তু রাজতন্ত্র সরে যাওয়ার পর কি গণতন্ত্র এলো? আসেনি। বরং ক্ষমতা ধীরে ধীরে আরও বেশি করে গাদ্দাফির একার হাতে কেন্দ্রীভূত হতে থাকে। ১৯৭০ সালে মার্কিন-ব্রিটিশ সামরিক ঘাঁটি সরিয়ে দেয়া হয়, বিদেশি তেল কোম্পানির ওপর সরকারি নিয়ন্ত্রণ বাড়ে, তেলের আয় দিয়ে ব্যাপক সামাজিক-অবকাঠামোগত কর্মসূচি নেয়া হয়। অন্যদিকে রাজনৈতিক বিরোধিতা দমন করা হয় কঠোরভাবে। যে তরুণ সেনারা রাজতন্ত্র উৎখাত করেছিলেন, তারাই শেষমেশ এমন একটা শাসনব্যবস্থা গড়ে তোলেন যেখানে সবকিছুর কেন্দ্রে থেকে যান একজন মানুষ।

এরপরের গল্পটা মোটামুটি সবারই জানা। আশির দশকে পশ্চিমাদের সাথে সংঘাত তীব্র হয়, ১৯৮৬তে যুক্তরাষ্ট্র বিমান হামলা চালায়, ১৯৮৮-র Lockerbie bombing-এর পর আসে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা। পরে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার চেষ্টাও হয়। কিন্তু ২০১১ তে আরব বসন্তের ঢেউ লিবিয়াতেও পৌঁছায়, বিদ্রোহ ও গৃহযুদ্ধ শুরু হয়। আর NATO সমর্থিত অভিযানের মধ্যে পতন ঘটে তার ৪২ বছরের শাসনের। ২০ অক্টোবর ২০১১, সির্তের কাছে ধরা পড়ার পর গা/দ্দা/ফি নিহত হন।

একজন ২৭ বছরের তরুণ যেভাবে একটা রাজতন্ত্র ফেলে দিয়েছিলেন, ৪২ বছর পর সেই একই মানুষের গড়া কাঠামোও একইভাবে ভেঙে পড়ল। তবে একজন স্বৈরশাসককে উৎখাত করলেই কি একটা দেশ আসলেই স্থিতিশীল হয়ে যায়, না-কি তাকে স্থিতিশীল থাকতে দেয়া হয়?

—আওলাদ হোসেন মিশকাত
(Mishkat-Books & Facts)

#ইতিহাসে_আজকের_দিন #লিবিয়া #গাদ্দাফি #বিপ্লব

মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি কর্ণেল এম এ জি ওসমানীর জন্মদিন আজ।
01/09/2026

মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি কর্ণেল এম এ জি ওসমানীর জন্মদিন আজ।

Address

Barishal

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mishkat - Books & Facts posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category