16/07/2026
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (IRGC) কর্তৃক পরিচালিত 'অপারেশন নাসর-২' (Operation Nasr 2)-এর আওতাধীন ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার ক্ষয়ক্ষতির প্রভাব নিয়ে দুই পক্ষের পক্ষ থেকে দুই ধরণের দাবি ও বিবরণ পাওয়া গেছে।
মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ও তাদের সহযোগী সামরিক ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্য করে চালানো এই হামলায় ক্ষয়ক্ষতির বিবরণ নিচে তুলে ধরা হলো:
১. ইরানের সামরিক বাহিনীর (IRGC) দাবি ও বিবরণ ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ও IRGC-এর দেওয়া বিবৃতি অনুযায়ী, এই হামলাটি ছিল অত্যন্ত "নিখুঁত ও ব্যাপক"।
তাদের দাবি অনুসারে হামলার মূল প্রভাবগুলো হলো:ঘাঁটি ও অবকাঠামো ধ্বংস: জর্ডানের মুওয়াফফাক সালতি ও আজরাক বিমানঘাঁটি, বাহরাইন এবং কুয়েতের মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়।
ইরান দাবি করেছে, তাদের ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে মার্কিন المقাতলা বিমানের হ্যাঙ্গার (F-15, F-16, F-35), এমকিউ-৯ (MQ-9) ড্রোন সুবিধা এবং উপগ্রহ যোগাযোগ কেন্দ্র ধ্বংস হয়েছে। প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অচল করা: হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের প্যাট্রিওট এয়ার ডিফেন্স রাডার, নৌবহরের এয়ার কন্ট্রোল রাডার এবং সি-র্যাম (C-RAM) প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা ধ্বংস বা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে আইআরজিসি দাবি করে। জ্বালানি ডিপো ও রসদ: পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের মার্কিন ঘাঁটিগুলোর বেশ কয়েকটি জ্বালানি সংরক্ষণাগার এবং অস্ত্র সহায়তা ডিপোতে এই হামলার ফলে আগুন ধরে যায়।
সার্বিকভাবে, ইরান এই হামলাকে মার্কিন ও ইসরায়েলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে একটি বড় কৌশলগত ও বিধ্বংসী বিজয় হিসেবে দেখছে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র ও তার সহযোগীরা ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণকে অত্যন্ত সীমিত এবং তাদের সামরিক কার্যক্ষমতার ওপর তেমন কোনো দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব ফেলেনি বলে উল্লেখ করেছে।