SEBA Shanti Foundation

SEBA Shanti Foundation Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from SEBA Shanti Foundation, Bhola.

সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়াতে আপনার অনুদান দিন।

আপনার সামান্য অনুদান অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে এবং তাদের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সহায়তা করবে।

অনুদান পাঠানোর মাধ্যম:

বিকাশ | নগদ | উপায়

নম্বর: 01319698408

10/09/2026

যুবাইর ইবনু মুত’ইম (রা.) হতে বর্ণিত, রাসূল ﷺ ইরশাদ করেন: আমি মুহাম্মাদ (প্রশংসিত), আমি আহমাদ (অত্যধিক প্রশংসাকারী), আমি আল-মাহী (বিলুপ্তকারী) এমন ব্যক্তি যার মাধ্যমে কুফুরকে নিঃশেষ করা হবে। আমি আল-হাশির (একত্রকারী) এমন ব্যক্তি যার পিছনে কিয়ামতের দিন লোকেদের একত্রিত করা হবে। আমি আল-আকীব (সর্বশেষ); এমন ব্যক্তি যার পর আর কোনো নবি নেই। [সহিহ মুসলিম : ২৩৫৪]

“নদীর বুকে নৌকা, হাতে পরিশ্রম—রিজিকের মালিক একমাত্র আল্লাহ। ‘যাতে তোমরা তাঁর অনুগ্রহ অনুসন্ধান করতে পারো এবং তাঁর প্রতি ...
10/09/2026

“নদীর বুকে নৌকা, হাতে পরিশ্রম—রিজিকের মালিক একমাত্র আল্লাহ।

‘যাতে তোমরা তাঁর অনুগ্রহ অনুসন্ধান করতে পারো এবং তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞ হও।’
— সূরা আন-নাহল: ১৪”

09/09/2026

মদিনার ব্যস্ত বাজারে প্রিয়নবী (সা.) একবার এক দরিদ্র সাহাবির পেছন থেকে দুই বাহু চেপে ধরেছিলেন।

আমরা কখনো কখনো দুষ্টুমির ছলে পেছন থেকে যেভাবে বন্ধুর চোখ চেপে ধরি, নবীজির এই ঘটনাও ছিল অনেকটা তেমন।

সেই সাহাবির নাম জাহির (রা.)। দেখতে তিনি সুদর্শন ছিলেন না। তিনি ছিলেন গ্রামের সাহাবি। গ্রামে নানা ধরনের ফল-ফসল উৎপাদন করে তিনি মদিনার বাজারে বিক্রি করতে আসতেন।

তিনি যখন মদিনায় আসতেন, নবীজির জন্য গ্রাম থেকে হাদিয়া আনতেন। আবার নবীজিও (সা.) তাকে শহুরে হাদিয়া দিতেন।

নবীজি (সা.) তাকে বলতেন, জাহির আমাদের গ্রাম আর আমরা জাহিরের শহর।

বোঝাই যায়, দুজনের মাঝে চমৎকার এক ভালোবাসার সম্পর্ক ছিল।

একবার নবীজি (সা.) মদিনার বাজারে গিয়ে জাহিরকে পণ্য বিক্রি করতে দেখলেন। গ্রাম থেকে আসা এই সহজ-সরল সাহাবির সাথে স্নেহময় রসিকতা ইচ্ছা করল নবীজির।

তিনি পেছন থেকে দুই বাহু আকড়ে ধরলেন জাহিরের। এমনভাবে ধরলেন, জাহির নবীজিকে দেখতে পান না। ব্যস্ত বাজারে পণ্য বিক্রির সময় এমন রসিকতা কারই ভালো লাগে! জাহির (রা.) খানিকটা বিরক্ত হলেন—কে তুমি? আমাকে ছাড়ো!

ঠিক তখনই জাহিরের হৃদয়ে কাঁপন ধরিয়ে বেজে উঠল নবীজির কণ্ঠ—কেউ কি আছ, আমার এই গোলামটাকে ক্রয় করবে?

নবীজির (সা.) কণ্ঠ শুনে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়লেন জাহির। নিজের কানকে যেন তিনি বিশ্বাস করতে পারছেন না।

এই ব্যস্ত বাজারে তার মতো সাধারণ এক গ্রাম্য লোকের সাথে এমন রসিকতা করছেন নবীজি! মদিনার রাষ্ট্রপ্রধান! কী অবিশ্বাস্য ঘটনা!

এই মুহূর্তে ঠিক কী করা যায়? হঠাৎ তার মস্তিষ্কে ঝিলিক দিয়ে উঠল এক অভিনব ভাবনা।

নবীজির পবিত্র দেহের সঙ্গে তার সাধারণ শরীর ছোঁয়ানোর এই তো অপূর্ব সুযোগ! এমন সুযোগ হয়তো আর কোনোদিন আসবে না ভবিষ্যতে।

জাহির (রা.) আর দেরি করেন না। নিজের পিঠটাকে তিনি নবীজির বুক ও পেটের দিকে ঠেলতে থাকেন।

এরপর বলেন, হে আল্লাহর রাসুল, আমার মতো সামান্য এক গ্রাম্য মানুষকে বিক্রি করে আপনি কতইবা মূল্য পাবেন!

নবীজি (সা.) তখন মমতামাখা কণ্ঠে বলেন, মানুষের কাছে তোমার মূল্য সামান্য হতে পারে, কিন্তু আল্লাহর কাছে তোমার দাম অনেক বেশি।

প্রিয় পাঠক, চোখ বন্ধ করে জাহির রাদিয়াল্লাহু আনহুর সঙ্গে ঘটে যাওয়া মদিনা বাজারের ওই দৃশ্যটা কল্পনা করুন। আপনি অশ্রু সংবরণ করতে পারবেন না।

এমনই ছিলেন আমাদের নবীজি (সা.)। পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ মানব হওয়া সত্ত্বেও তার জীবন ও চরিত্র ছিল সহজ, আড়ম্বরহীন, লৌকিকতামুক্ত।

এই অকৃত্রিম চরিত্র-মাধুর্য দিয়ে তিনি সাহাবিদেরকে এমনভাবে ভালোবেসেছেন, আপন করে নিয়েছেন, প্রত্যেক সাহাবিই ভাবতেন, নবীজি (সা.) বোধহয় তাকেই সবচেয়ে বেশি ভালোবাসেন।

আজকের পৃথিবীর বড় অসুখের নাম কৃত্রিমতা। কৃত্রিমতার এই অসুস্থ সময়ে নবীজি (সা.)-এর অকৃত্রিম জীবনের পাঠ আজ অনেক বেশি প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে। লৌকিকতামুক্ত সুস্থ সমাজ গড়তে আমাদেরকে সেই মহাজীবনের কাছেই ফিরে যেতে হবে বারবার।

মাত্র তেইশ বছরের নবুওয়াতি জীবনে তিনি ইতিহাসের গতিপথ বদলে দিয়েছেন। এই সাফল্যের অন্যতম শক্তি ছিল ভালোবাসা।

অনুপম চরিত্র-মাধুর্য এবং ভালোবাসার শক্তি দিয়ে তিনি পৃথিবীবাসীকে এমনভাবে আপন করে নিয়েছেন, কেয়ামত পর্যন্ত পৃথিবীর সবচেয়ে জনপ্রিয় ও আপন মানুষ হয়ে থাকবেন তিনি।

“তিনিই তোমাদের জন্য পৃথিবীকে সুগম করে দিয়েছেন। অতএব তোমরা এর পথে-প্রান্তরে বিচরণ করো এবং তাঁর রিজিক থেকে আহার করো; আর ত...
09/09/2026

“তিনিই তোমাদের জন্য পৃথিবীকে সুগম করে দিয়েছেন। অতএব তোমরা এর পথে-প্রান্তরে বিচরণ করো এবং তাঁর রিজিক থেকে আহার করো; আর তাঁর কাছেই পুনরুত্থান।”

— সূরা আল-মুলক, ৬৭:১৫

হাদিস
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:

“দুনিয়াতে এমনভাবে থাকো যেন তুমি একজন অপরিচিত ব্যক্তি অথবা একজন পথিক।”

— সহিহ আল-বুখারি, ৬৪১৬

“দুনিয়াটা পথিকের পথ—গন্তব্যটা আল্লাহর কাছে।
তাই পথ যত দীর্ঘই হোক, ফিরে যেতে হবে সেই রবের কাছেই।”

“সৎকর্ম ও তাকওয়ার কাজে তোমরা একে অপরকে সহযোগিতা করো।”— সূরা আল-মায়িদাহ ৫:২
08/09/2026

“সৎকর্ম ও তাকওয়ার কাজে তোমরা একে অপরকে সহযোগিতা করো।”
— সূরা আল-মায়িদাহ ৫:২

06/09/2026

আমরা কেন মানুষকে সাহায্য করবো?
১. পবিত্র কুরআনের আয়াত
মজলুমের সাহায্যে এগিয়ে আসা (সূরা আন-নিসা, আয়াত ৭৫):

"তোমাদের কী হয়েছে যে, তোমরা আল্লাহর পথে লড়াই করছ না সেসব দুর্বল পুরুষ, নারী ও শিশুদের জন্য, যারা প্রার্থনা করছে 'হে আমাদের পালনকর্তা! আমাদের এই জনপদ থেকে উদ্ধার করুন যার অধিবাসীরা জালেম এবং আমাদের জন্য আপনার পক্ষ থেকে একজন অভিভাবক ও সাহায্যকারী পাঠান'।"



এক মুমিনের কষ্টে অন্য মুমিনের দায়িত্ব (সূরা আল-হুজুরাত, আয়াত ১০):

"নিশ্চয়ই মুমিনরা পরস্পর ভাই ভাই..." (ভাইয়ের বিপদে এগিয়ে আসা ভাইয়ের কর্তব্য)।



অন্যায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান (সূরা আশ-শুরা, আয়াত ৩৯):

"এবং তারা যখন আক্রান্ত হয়, তখন তারা প্রতিশোধ গ্রহণ করে (অর্থাৎ রুখে দাঁড়ায়)।"



২. হাদিস শরীফের বাণী
মুসলিম উম্মাহ একটি দেহের মতো:

রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: "মুমিনদের পারস্পরিক দয়া, ভালোবাসা ও সহমর্মিতার উদাহরণ হলো একটি দেহের মতো। দেহের কোনো একটি অঙ্গ আক্রান্ত হলে পুরো শরীর অনিদ্রা ও জ্বরে আক্রান্ত হয়।" (সহীহ বুখারী ও মুসলিম)



মজলুমের পাশে দাঁড়ানো:

নবী করীম (সা.) বলেছেন: "তোমরা ভাইকে সাহায্য করো, সে জালেম হোক বা মজলুম।" সাহাবারা জিজ্ঞেস করলেন, মজলুমকে সাহায্য করা বুঝলাম, কিন্তু জালেমকে কীভাবে সাহায্য করব? তিনি বললেন, "তাকে জুলুম থেকে বিরত রাখার মাধ্যমে।" (সহীহ বুখারী)



বিপদের সময় সাহায্য করার সওয়াব:

"যে ব্যক্তি কোনো মুমিনের দুনিয়াবী বিপদসমূহের মধ্য থেকে একটি বিপদ দূর করে দেবে, আল্লাহ কিয়ামতের দিন তার একটি বড় বিপদ দূর করে দেবেন।" (সহীহ মুসলিম)



৩. গাজা ও শামের মর্যাদা নিয়ে বিশেষ হাদিস
শাম (ফিলিস্তিন এলাকা) অঞ্চলের বরকত:

রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: "শাম অঞ্চলের জন্য শুভকামনা।" আমরা বললাম, কেন ইয়া রাসূলাল্লাহ? তিনি বললেন, "কেননা আল্লাহর রহমতের ফেরেশতারা এই অঞ্চলের ওপর ডানা মেলে দিয়ে রাখে।" (সুনানে তিরমিজি)

06/09/2026

.

“আর মানুষ যা চেষ্টা করে, সে তাই পায়।”— সূরা আন-নাজম, ৫৩:৩৯“পথ যত কঠিনই হোক, চেষ্টা থেমে থাকে না।‘মানুষ যা চেষ্টা করে, স...
06/09/2026

“আর মানুষ যা চেষ্টা করে, সে তাই পায়।”
— সূরা আন-নাজম, ৫৩:৩৯“

পথ যত কঠিনই হোক, চেষ্টা থেমে থাকে না।
‘মানুষ যা চেষ্টা করে, সে তাই পায়।’ — আল-কুরআন, সূরা আন-নাজম: ৩৯ ”

সূরা আল-ইনশিরাহ ৯৪:৫-৬—
“নিশ্চয়ই কষ্টের সাথে স্বস্তি রয়েছে। নিশ্চয়ই কষ্টের সাথে স্বস্তি রয়েছে।”

লোকেশন: কাঁচিয়া

05/09/2026

"তোমরা আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না"
(সূরা আয-যুমার, আয়াত: ৫৩)

Address

Bhola

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when SEBA Shanti Foundation posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share