18/05/2023
বৈদ্যুতিক আবিষ্কারক বিজ্ঞানী টমাস আলভা এডিসন।তিনি পড়াশোনায় বেশ দূর্বল ছিলেন। একবার পরিক্ষার রেজাল্ট খুব খারাপ হয়েছিল। তাই, স্কুল কর্তৃপক্ষ তার হাতে একটা চিঠি ধিরিয়ে দিয়ে বলেছিলেন, "চিঠিটা যেন না খলা হয়।সোজা মায়ের হাতে দেবে।"
এডিসন তার মায়ের হাতে চিঠিটা দিলেন এবং চিঠিতে কি লেখা কৌতুহলবশত মায়ের কাছে জানতে চাইলেন।
তার মা বললেন," আপনার ছেলে খুব মেধাবী, এই স্কুলটি তার জন্য অনেক ছোট এবং এখানে তাকে পড়াবার মতো ভালো প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষক নেই । দয়া করে আপনি নিজেই তার শিক্ষার ব্যবস্থা করুন। "
(সবাই পেজটি ফলো দিবেন)
তার পর থেকে তিনি মায়ের কাছে থেকে শিক্ষা নিতে শুরু করেন। দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হওয়ার পর টমাস আলভা এডিসন হয়ে উঠেন বিশ্ববিখ্যাত বিজ্ঞানী,শিল্পপতি, এবং মার্কেটিং জগতের সফল উদ্যোক্তা।কিন্তু তার মা সে সময় বেঁচে ছিলেন না। হঠাৎ একদিন পুড়ানো কাগজ নারতে নাড়তে ভাঁজ করা এক কাগজের দিকে চোখ যায় তার। কাগজটি তুলে আবেগতারিত হন, মনে পরে এটা তো সেই স্কুলের পাঠানো চিঠি। মনের ভেতর ভেসে ওঠে সেই পুড়ানে দিনগুলার কথা। সেই চিঠিতে লেখা ছিল - "আপনার সন্তান স্থুলবুদ্ধিসম্পন্ন, সে এই স্কুলের উপযুক্ত নয়, আমরা কোন ভাবেই তাকে আর স্কুলে আসতে দিতে পারি না। "
তার পর এডিসনের চোখ ভিজে যায়! মায়ের কথা তার ভীষণ মনে পড়ে। তাই নিজের ডাইরিতে লেখে রাখলেন তখন, " টমাস আলভা এডিসন একজন মানসিক অসুস্থ শিশু ছিলেন , কিন্তু তার মা তাকে শতাব্দীর সেরা প্রতিভাবান মানুষ হিসাবে গড়ে তুলেছেন;"
মায়ের থেকে বড় কিছু পৃথিবীতে আছে কি-না তা আমার জানা নাই । তবে জানা আসে মায়ের অকৃত্রিম ভালোবাসার কথা। নিজ সন্তানকে গড়তে মায়ের ভালোবাসা আর সংগ্রামের কথা। মায়েরা সন্তানকে এভাবে গড়ে তোলেন।
একজন সাহসী, মমতাময়ী, সংগ্রামি সকল মায়েদেরকে জানাই, আামার মন থেকে
স্যালুট💖💖💖💖💖💖💖💖💖
লেখক : মোঃ মুনিরুল হাসান