29/12/2025
“এই শহর ভাবে…
মেয়েরা শুধু ভয় পায়।
কিন্তু ওরা জানে না—
রিন্তির হাতে পিস্তল আছে,
আর চোখে আছে আগুন।
গুলি চলে সাহস থেকে,
ট্রিগার টানে আত্মসম্মান।
---
শেষ গুলির আগে
রাত তখন ঠিক ২টা। বগুড়ার পুরনো গুদাম এলাকায় হালকা কুয়াশা। চারপাশ নিস্তব্ধ, শুধু দূরে কোথাও কুকুরের ডাক। হঠাৎ একটি কালো SUV নীরবে এসে থামল।
গাড়ি থেকে নামল " রিন্তি "—স্পেশাল ফোর্স কমান্ডো। চোখে ঠান্ডা দৃঢ়তা, হাতে সাইলেন্সার লাগানো পিস্তল। আজ তার একটাই লক্ষ্য—দেশের সবচেয়ে ভয়ংকর সন্ত্রাসী কে থামানো।
" রিন্তি " জানত, গুদামের ভেতরে ঢুকলেই মৃত্যু হাতছানি দেবে।
সে দেয়াল বেয়ে এগোতেই প্রথম গার্ডের ছায়া চোখে পড়ল। এক সেকেন্ডের সিদ্ধান্ত—
থাপ!
নীরব গুলি। গার্ড মাটিতে লুটিয়ে পড়ল।
ভেতরে ঢুকেই গুলির শব্দে আকাশ ফেটে গেল।
ড্যাং! ড্যাং!
" রিন্তি " লাফ দিয়ে কন্টেইনারের আড়ালে আশ্রয় নিল। বুলেট লোহার গায়ে লেগে আগুনের ফুলকি ছড়াচ্ছিল। সে গ্রেনেড ছুঁড়ে দিল ভিড়ের মাঝে—
বুম!
ধোঁয়া আর চিৎকারে এলাকা কেঁপে উঠল।
ধোঁয়ার ভেতর দিয়ে ছুটে বেরিয়ে এল "রিন্তি "। হাতে কেবল একটি ম্যাগাজিন বাকি। সামনে বিশাল ছায়া এক সন্ত্রাসী।
“তুমি একা?” সন্ত্রাসী হেসে বলল।
“একাই যথেষ্ট,” ঠান্ডা স্বরে জবাব দিল " রিন্তি "।
দুজন একসাথে গুলি ছুঁড়ল।
ক্লিক!
" রিন্তির " পিস্তল খালি।
সন্ত্রাসী এগিয়ে এলো, হাতে ছুরি। ঠিক তখনই "রিন্তি" কোমর থেকে বের করল শেষ অস্ত্র— দুজনের সংঘর্ষে গুদাম কেঁপে উঠল। ঘুষি, লাথি, রক্ত।
শেষ মুহূর্তে "রিন্তি" গুলি করে মেরে ফেলে দিলো সন্ত্রাসী কে।
সব শেষ।
সাইরেনের শব্দ দূরে ভেসে এলো।
"রিন্তি" ক্লান্ত শরীরে দাঁড়িয়ে রইল। রাতের অন্ধকারে এক নতুন ভোরের ইঙ্গিত।
゚viralシ