Abu Taher

Abu Taher A Simple Man.

05/10/2021

#নির্ধারিত_মেক_আপ_কোর্স_সমূহ

আসসালামুয়ালাইকুম, আপনাদের সকলের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, ইলেকট্রনিক্স এর জন্য নির্ধারিত কোর্স গুলো কি কি তা সকলেই জানতে চেয়েছেন।

আজকে বোর্ডে গিয়েছিলাম, ইলেকট্রনিক্স এর জন্য নির্ধারিত মেক-আপ কোর্স হলো ৪ টি এবং মোট ১৫ ক্রেডিট। কোর্স সমূহ হলো :

১। এসি মেশিন-১
২। টিডি-১
৩। ইলেকট্রিক্যাল ইন্সটলেশন & ইস্টিমেটিং
৪। রিনিউএব্যল এনার্জি

প্রাথমিকভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে বিভাগীয় পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট সমূহে এই কোর্স গুলো করতে হবে। তবে আজকে রিকুয়েষ্ট করেছি যাতে যেখানে ইলেকট্রিকাল আছে সেই সকল পলিটেকনিক এ যাতে কোর্স করার সুযোগ দেওয়া হয়। তবে নিয়মিত ক্লাস করতে হবে(ক্লাস শিথিল রাখতে অনুরোধ করা হয়েছে) এটাই তাদের সিদ্ধান্তঃ।

সকলেই প্রস্তুতি নিয়ে রাখুন যাতে মেক-আপ ক্লাস শুরু হতেই অংশগ্রহণ করতে পারেন। সকলের সর্বাত্মক মঙ্গল কামনা করছি।

বিঃদ্রঃ কারো আরও অধিক তথ্য জানার থাকলে কমেন্ট করবেন।

(((সংগৃহিত)))

ধন্যবাদান্তে,
ইমতিয়াজ আহমেদ মানিক
সাধারণ সম্পাদক
আইডিইবি ইইএ

পরিশ্রমী ব্যক্তিরা সফল হবে-ই হবেঃ(ইনশা আল্লাহ)অনেকে-ই ভাবেন আমার রেজাল্ট তো মোটামুটি খুব-ই ভাল সুতরাং আমার জন্য জব পাওয়া...
19/08/2021

পরিশ্রমী ব্যক্তিরা সফল হবে-ই হবেঃ(ইনশা আল্লাহ)

অনেকে-ই ভাবেন আমার রেজাল্ট তো মোটামুটি খুব-ই ভাল সুতরাং আমার জন্য জব পাওয়া সহজ/আমি তো বেশ মেধাবী!আমার CGPA তো মাশা আল্লাহ! এটা ভেবে প্রথম প্রথম অনেকে টুকটাক লেখাপড়া করে পরীক্ষার হলে গিয়ে সবার আগে পরীক্ষা দিয়ে বসে থাকেন,পরীক্ষার হল থেকে বের হয়ে গল্প ছুঁড়েন প্রশ্ন অনেক সহজ হয়েছে! এত সহজ প্রশ্ন করা উচিত হয়নি! ধুরঃ! সবাই তো ৯০+ পাবে!

এই সব মেধাবীরা কিন্তু ১০০ মার্কসের মধ্যে ৪০ মার্কসও পান না! পরীক্ষা দিয়ে-ই ঐ মেধাবী শ্রেণীর লোকগুলোর মুখে বোমা ফুঁটলেও রেজাল্ট দিলে তাদের রোল নং খুঁজে পাওয়া যায় না! আসলে একটা কথা হলো মেঘ ডাকলে-ই কিন্তু বৃষ্টি হয় নাহ্ আর প্রকৃত মেধাবীরা কখনও পরীক্ষা দিয়ে এসে ঐ রকম গাল-গল্পও করেন না৷

আপনি পলিটেকনিক লাইফে স্টুডেন্টস ভাল নাকি খারাপ ছিলেন সেটি ভুলে যেতে হবে৷ আপনি রেফার্ড দিয়ে পাশ করেছেন নাকি কম CGPA পেয়েছেন এই সব কথাও মন থেকে ডিলিট করে দিতে হবে৷ জব প্রস্তুতি নেওয়ার সময় নিজেকে জবের জন্য যোগ্য প্রার্থী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে৷

অমুক অনেক ভাল স্টুডেন্টস ছিলেন অথচ জব পাচ্ছেন না! অথবা অমুকের রেজাল্ট বড্ড ভাল তারপরও জব পেতে লেট হচ্ছে এই সব চিন্তা কখনও করা যাবে না৷ আপনাকে ভাবতে হবে প্রতি নিয়োগে অনেকে তো জব পেয়ে যাচ্ছে তাহলে আমি কেন জবটা পাবো না;!?

পড়া-লেখার সময় মনোযোগী হতে হবে,কি পড়ছেন সেটি নিয়ে ভাবতে হবে৷ লেখাপড়ার মধ্যে ফেইসবুক/নেটে থাকার বদ অভ্যাস ত্যাগ করতে হবে৷ যতটুকু পড়বেন ততটুকু খুবই গুরুত্বের সাথে-ই পড়তে হবে,সর্বদা নিজে অনেক কিছুই জানেন না/পারেন না এটা ভেবে জানা ও শেখার জন্য ব্যাকুল হতে থাকতে হবে৷

আপনি যে বিষয়টা বুঝেন না সেটি নিয়ে কখনও লজ্জা/ভয় পাওয়া যাবে না! যারা বুঝেন তাদের থেকে শিখে নিতে হবে৷ অনেকে-ই ডিপার্টঃ এর বেসিক কিছু নিয়ম/ফর্মূলা বুঝেন না যে কারণে পরীক্ষার হলে সহজ ম্যাথ ভুল করে আসেন! এই সমস্যাটা দূর করতে হবে৷

অনেকে-ই আবার একদিন ভাল পড়লে দুই দিন আবার মোটেও পড়েন না! আপনাকে প্রতিনিয়ত অল্প হলেও পড়তে হবে৷ একদিন ১০ ঘণ্টা পড়ে পর পর দুই দিন না পড়ার চেয়ে প্রতিদিন ২ টা পড়াও অনেক ভাল৷

লেখাপড়ায় আপনাদেরও রেগুলার হতে হবে, লেখাপড়ায় সিরিয়াস হতে হবে৷ সামনে যে পরীক্ষা গুলো আছে প্রতিটি পরীক্ষায় আপনার জীবনের শেষ পরীক্ষা/শেষ সুযোগ এমন মেন্টালিটি থেকে-ই লেখাপড়ায় গুরুত্ব বাড়িয়ে দিতে হবে৷

জব পাওয়ার পরে যে যতই গল্প বলুক, প্রতিটা সফলতার পেছনে প্রতিটি ব্যক্তির অনেক ত্যাগ ও পরিশ্রম রয়েছে এটি মাথায় রাখতে হবে৷ পরিশ্রমী ব্যক্তি সফল হবেন-ই, হোক সেটা দুই দিন আগে/পরে৷

অনেকে এমন আছেন যারা নিজেদের দূর্বলতা/অলসতা কে ঢাকতে হরেক-রকম উদাঃ পেশ করেন! তার টাকা পয়সার সমস্যা/অর্থনৈতিক অবস্থা ভাল না!/মামা-খালু না হলে জব হবে না ইত্যাদি! এই গুলো নিছক বাহানা ছাড়া কিছু-ই না!

আসলে প্রতিটি ব্যক্তির-ই নানা রকম পারিবারিক প্রতিবন্ধকতা আছে/থাকবে-ই! সমস্যা/ঝামেলা বিহীন লোক এই দুনিয়ায় কে আছে বলুন তো? অনেকে আছেন যারা শত কষ্ট মনে চাপা রেখে হাসি মুখে সামনের দিকে এগিয়ে যান,নিজের দুঃখ গুলো মানুষের নিকট শেয়ার করেন না৷

লেখাপড়ার জন্য যারা বিভিন্ন জায়গায়/মেসে অবস্থান করছেন প্রতিটি ব্যক্তির-ই বিভিন্ন ধরনের সমস্যা আছে৷ কেউ হয়তঃ ভাল মত তিন বেলা মিল খেতে পারছেন/কেউ দুই বেলা খেয়ে দিনানিপাত করছেন! আল্টিনেটলি সবার দিন কিন্তু পার হয়ে যাচ্ছে! কারও হয়ত একটু সুখে দিন যাচ্ছে আর কারও হয়তঃ একটু দুঃখে দিন যাচ্ছে,পার্থক্য এতটুকু-ই৷

জব প্রত্যাশীদের মধ্যে সর্বদা হতাশা বিরাজ করে এটা একটা বাস্তব কথা৷ আসলে বেকার/অসহায় লাইফে হতাশা কাজ করা একটা স্বাভাবিক ঘটনা তবে হতাশা নিয়ে বসে থাকলে চলবে না৷ হতাশা কে দূর করতে আপনাদের পরিশ্রমী হতে হবে৷ অন্ধকার রাতে যেমন জ্যোৎস্নার আলো চারদিকে আলোকিত করে ঠিক আপনার এই পরিশ্রম একদিন চারিদিকে জ্যোৎস্নার ন্যায় আলোকিত করবে ইন্সাল্লাহ৷

তাই হতাশা নিয়ে দুঃশ্চিন্তা নয় সেটিকে পূঁজি করে আপনাদের স্বপ্ন দেখতে হবে৷ আপনি যদি নিজেকে নিয়ে স্বপ্ন দেখতে পারেন আর সেই স্বপ্নকে লালন করে যদি পরিশ্রম চালিয়ে যেতে পারেন তবে একদিন আপনিও সফল ব্যক্তিদের কাতারে নিজেকে দাঁড় করাতে সক্ষম হবেন৷

জব প্রত্যাশীদের নিয়ে আমিও স্বপ্ন দেখি প্রতিনিয়ত,জব প্রত্যাশীরা কবে আমাকে ইনবক্সে/ম্যাসেঞ্জারে চাকরির সংবাদ দিবে সেই আশায় প্রতিনিয়ত চেয়ে থাকি৷ ইতোঃমধ্যে অনেকে-ই তাদের চাকরি পাওয়ার খবর জানিয়েছেন আলহামদুলিল্লাহ৷

আপনার/আপনাদের চাকরির সু-সংবাদে আমার থেকে হাজার লক্ষ গুণ বেশী আপনাদের পিতা-মাতা বা আপনজন খুশী হবে৷ তাই সকলের প্রতি আহবান জানাবো সব কিছু ভুলে গিয়ে আপনি পড়ার টেবিলে বসুন,পরিশ্রম করুন,ধৈয্য ধরুন, আপনিও সফল হবেন ইন্সাল্লাহ৷

শুভেচ্ছান্তেঃ
আনিছুর রহমান
উপ-সহকারী প্রকৌশলী(NWPGCL)
ইলেকট্রিক্যাল টেকনোলজি
যশোর পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট৷

NTRCAবিশেষ গনবিজ্ঞপ্তি-২০২১শুধুমাত্র ডিপ্লোমা নিবন্ধনধারীদের জন্যআবেদনের শেষ সময়-৩১/০৮/২০২১
05/08/2021

NTRCA
বিশেষ গনবিজ্ঞপ্তি-২০২১
শুধুমাত্র ডিপ্লোমা নিবন্ধনধারীদের জন্য
আবেদনের শেষ সময়-৩১/০৮/২০২১

বিশ্বমানের হচ্ছে পলিটেকনিক শিক্ষা: চাকরির বাধা কাটছেবদলে যাচ্ছে চার বছরমেয়াদি ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষা। আধুনিক ও ...
30/06/2021

বিশ্বমানের হচ্ছে পলিটেকনিক শিক্ষা: চাকরির বাধা কাটছেবদলে যাচ্ছে চার বছরমেয়াদি ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষা। আধুনিক ও বিশ্বমানের হচ্ছে চার বছরমেয়াদি এ কারিগরি শিক্ষা। দেশীয় ও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের চাহিদার সঙ্গে মিল রেখে চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের চ্যালেঞ্জ উপযোগী কারিকুলাম প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ। ১০টি মূল টেকনোলজিগুলোকে (ট্রেড) ভেঙে ৩৩টি ইমার্জিং টেকনোলজিতে (সাব ট্রেড) ভাগ করায় শিক্ষার্থীরা লেখাপড়া শেষে চাকরিতে আবেদনের ক্ষেত্রে নানা সমস্যার শিকার হচ্ছেন। মূল টেকনোলজিগুলোর সিলেবাসের সঙ্গে ইমার্জিং টেকনোলজির ৬৫ শতাংশ মিল থাকলে আলাদা সনদ দেওয়া হবে। এর কম মিল থাকলে মেকআপ কোর্স পড়তে হবে। এসব শিক্ষার্থীর সনদে বিশেষ যোগ্যতা উল্লেখ করে দেওয়া হবে। এছাড়া শিক্ষক, ল্যাবরেটরি, যন্ত্রপাতির সমস্যায় ধুঁকছে পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটগুলো। কারিগরি শিক্ষার সঙ্গে শিল্প সংযুক্তির সুযোগ নেই। কারিগরি শিক্ষাকে কর্মসংস্থান শিক্ষা হিসেবে রূপান্তরের লক্ষে এসব সমস্যা সমাধানেরও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে দেশে মূল টেকনোলজি আছে ১০টি আর ইমার্জিং টেকনোলজি রয়েছে ৩৩টি। ইমার্জিং টেকনোলজিতে উত্তীর্ণ ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষার্থীদের সরকারি-বেসরকারি চাকরিতে আবেদনের সুযোগ নেই। বিভিন্ন টেকনোলজি হতে উত্তীর্ণ ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার সুযোগ সীমিত। কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষাকে একটি কর্মসংস্থান ও আত্মকর্মসংস্থানমুখী শিক্ষা হিসেবে রূপান্তরের লক্ষ্যে এটিভিকিউএফ এলিগেন্ট নেই। বিভিন্ন ইমার্জিং টেকনোলজির এটিভিকিউএফএ অন্তর্ভুক্ত করতে সমস্যা রয়েছে। ইমার্জিং টেকনোলজিতে শিক্ষক, ল্যাবরেটরি, যন্ত্রপাতির সংকট রয়েছে। ফলে কারিগরি শিক্ষায় শিল্প সংযুক্তির সুযোগ কম।
সংশ্লিষ্টরা জানান, বর্তমানে ৩৩টি ইমার্জিং টেকনোলজি (বিষয়) ডিপ্লোমা ডিগ্রি দেওয়া হয়। ডিগ্রি দেওয়া হলেও চাকরির বাজারে পদ সৃষ্টি করা হয়নি। যেমন হাসপাতালে যেসব যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হয় সেগুলো মেরামত করবেন ইলেকট্রো মেডিকেল বিষয়ে ডিগ্রিধারীরা। কিন্তু কোনো হাসপাতালে এই পদ সৃষ্টি করা হয়নি। ফলে একদিকে ডিগ্রিধারীদের চাকরি হচ্ছে না, আরেকদিকে যন্ত্র নষ্ট হলে পড়ে থাকে। কারিগরি শিক্ষার সঙ্গে জড়িতদের মতামত নিয়ে এসব সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নিয়েছে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ। গত ২৪ মে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির সভাপতিত্বে একটি সভা হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. মহসিন আজকালের খবরকে বলেন, কারিগরি শিক্ষাকে যুগোপযোগী করার জন্য অনেক ট্রেড ভেঙে একাধিক নতুন ট্রেড করা হয়েছে। আমাদের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের চাকির বিধি অনেক পুরনো। চাকরি বিজ্ঞপ্তিতে নতুন ট্রেডগুলো উল্লেখ না থাকায় শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারেন না। আবেদন করলেও পিএসসি থেকে ব্যাখ্যা জানতে চায়। নতুন ট্রেডের শিক্ষার্থীদের আবেদনের সুযোগ দিলে পুরনো মূল ট্রেডের চাকরি প্রত্যাশীরা বিরোধিতা করেন। নতুন ট্রেডের পাস করা শিক্ষার্থীদের সুযোগ না দিলে তারা আন্দোলন করেন। উভয় সমস্যা সমাধানের জন্য ডিপ্লোম-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষাক্রমের বিদ্যমান ইমার্জিং টেকনোলজিগুলোকে মূল টেকনোলজির সঙ্গে সমন্বয় করে পুনর্বিন্যস্তকরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শিক্ষামন্ত্রীর সভাপতিত্বে একবার সভা হয়েছে। শিগগিরই চূড়ান্ত করা হবে।
অতিরিক্ত সচিব মো. মহসিন উদাহরণ দিয়ে বলেন, পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং ট্রেড ভেঙে এনভায়রনমেন্ট ট্রেড আর ইলেকট্রনিক্সে ভেঙে ইলেকট্রো মেডিকেল ট্রেড চালু করা হয়েছে। মূল ট্রেডের সিলেবাস একই। ইলেকট্রো মেডিকেল এবং এনভায়রনমেন্ট ট্রেডের শিক্ষার্থীদের মূল ট্রেডের বাইরে নিজের বিষয়ে বাড়তি পড়তে হয়। কিন্তু চাকরির সার্কুলারে চাওয়া হয় সিভিল বা ইলেকট্রনিক্স ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং পাস। তখন ইলেকট্রো মেডিকেল এবং এনভায়রনমেন্ট ট্রেড এই দুই বিষয়ের ডিগ্রিধারীরা আবেদন করতে পারেন না। ইমার্জিং টেকনোলজিগুলোকে মূল টেকনোলজির সঙ্গে সমন্বয় করা হলে এই সমস্যা থাকবে না। ইমার্জিং টেকনোলজিতে পাস করা শিক্ষার্থীদের সনদে বিশেষ যোগ্যতা লিখে দেওয়া হবে। ইলেকট্রো মেডিকেল ট্রেড থেকে পাস করা শিক্ষার্থীরা হাসপাতালের সিটি স্ক্যান, ইসিজি, এক্সরে মেশিনসহ যন্ত্রাংশ মেরামত করার জন্য চাকরির সুযোগ পাবেন।

ইমার্জিং টেকনোলজিগুলোকে মূল টেকনোলজির সঙ্গে অ্যালাউড গ্রুপে বিন্যস্তকরতে একটি রোড ম্যাপ তৈরি করেছে মন্ত্রণালয়। তাতে বলা হয়েছে, মূল টেকনোলজি সিভিলের সমতুল্য অ্যালাইড গ্রুপের টেকনোলজি হবে সিভিল, সিভিল (উড), কন্সট্রাকশন ও এনভায়রনমেন্টাল। মূল টেকনোলজির সঙ্গে ইমার্জিং টেকনোলজির সিলেবাসের শতকরা মিল রয়েছে যথাক্রমে সিভিলের শতভাগ, সিভিল (উড) ৮৪ দশমিক ৮৩ শতাংশ, কন্সট্রাকশনের ৮৯ দশমিকর ৪১ শতাংশ ও এনভায়রনমেন্টালের ৬৬ দশমিক ৯০ শতাংশ।
আর্কিটেকচার টেকনোলজিকে দুটি ইমার্জিং টেকনোলজিতে ভাগ করা হয়েছে। এগুলো হলো আর্কিটেকচার ও আর্কিটেকচার অ্যান্ড ইন্টেরিয়র ডিজাইন। আর্কিটেকচার টেকনোলজির সঙ্গে আর্কিটেকচার অ্যান্ড ইন্টেরিয়র ডিজাইনের সিলেবাসের ৬৫ শতাংশ মিল রয়েছে। যে কারণে আর্কিটেকচার অ্যান্ড ইন্টেরিয়র ডিজাইনের শিক্ষার্থীদের বাড়তি মেকআপ কোর্স করতে হবে।
ইকেট্রিক্যাল টেকনোলজিকে পাঁচটি ইমার্জিং টেকনোলজিতে ভাগ করা হয়েছে। এগুলো হলো ইকেট্রিক্যাল, ইলেকট্রনিক্স ইলেক্টোমেডিক্যাল, টেলিকমিউনিকেশন ও ইনস্টুমেন্টেশন অ্যান্ড প্রসেস কন্টোল। মূল টেকনোলজি ইকেট্রিক্যালের সঙ্গে ইলেকট্রনিক্সের ৫৬ দশমিক ৭৬ ভাগ, ইলেক্টোমেডিক্যালের ৫২ দশমিক ৭০ ভাগ, টেলিকমিউনিকেশনের ৫০ ভাগ ও ইনস্টুমেন্টেশন অ্যান্ড প্রসেস কন্টোলের ৭২ দশমিক ৭৯ ভাগ। ইলেকট্রনিক্স, ইলেক্টোমেডিক্যালের ও টেলিকমিউনিকেশনের শিক্ষার্থীদের বাড়তি মেকআপ কোর্স পড়তে হবে।
কম্পিউটার টেকনোলজিকে পাঁচটি ইমার্জিং টেকনোলজিতে ভাগ করা হয়েছে। এগুলো হলো কম্পিউটার, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি, গ্রাফিক্স ডিজাইন, প্রিন্টিং, ডাটা টেলিকমিউনিকেশন অ্যান্ড নেটওয়ার্কিং। মূল টেকনোলজি কম্পিউটারের সঙ্গে ইমার্জিং টেকনোলজির কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির ৮১ দশমিক ৬৩ ভাগ, গ্রাফিক্স ডিজাইনের ৪৩ দশমিক ৪৩ দশমিক ৫৪ ভাগ, প্রিন্টিং এর ৪২ দশমিক ৮৬ ভাগ ও ডাটা টেলিকমিউনিকেশন অ্যান্ড নেটওয়ার্কিংয়ের ৭২ দশমিক ৭৯ ভাগ মিল রয়েছে। মূল টেকনোলজির সঙ্গে ইমার্জিং টেকনোলজির ৬৫ ভাগের কম মিল থাকায় গ্রাফিক্স ডিজাইন ও প্রিন্টিং টিকনোলজির শিক্ষার্থীদের বাড়তি মেকআপ কোর্স পড়তে হবে।
মেকানিক্যাল টেকনোলজিকে ভেঙে ছয়টি ইমার্জিং টেকনোলজি করা হয়েছে। এগুলো হলো মেকানিক্যাল, মেকাট্রনিক্স, পাওয়ার, রেফ্রিজারেশন অ্যান্ড এয়ারকমিন্ডশনিং, অটোমোবাইল ও মাইনিং অ্যান্ড মাইন সার্ভে। মূল টেকনোলজি মেকানিক্যালের সঙ্গে মেকাট্রনিক্সের ৭০ দশমিক ৪৭ ভাগ, পাওয়ারের ৫১ দশমিক শূন্য এক ভাগ, রেফ্রিজারেশন অ্যান্ড এয়ারকমিন্ডশনিং এর ৪৮ দশমিক ৯৯ ভাগ, অটোমোবাইল ও মাইনিং অ্যান্ড মাইন সার্ভের ৬৩ দশমিক শূন্য নয় ভাগ। মূল টেকনোলজির সঙ্গে ৬৫ শতাংশের কম মিল থাকায় পাওয়ার, রেফ্রিজারেশন অ্যান্ড এয়ারকমিন্ডশনিং, অটোমোবাইল ও মাইনিং অ্যান্ড মাইন সার্ভের শিক্ষার্থীদের মেকআপ কোর্স পড়তে হবে।
মেরিন টেকনোলজিকে তিনটি ইমার্জিং টেকনোলজিতে ভাগ করা হয়েছে। এগুলো হলো মেরিন, শিপবিল্ডিং ও নটিক্যাল অ্যান্ড মাইন সার্ভে। শিপবিল্ডিংয়ের সঙ্গে মূল টেকনোলজির ৭২ দশমিক ৪৮ ভাগ মিল রয়েছে। আর নটিক্যাল অ্যান্ড মাইন সার্ভের সিলেবাস তৈরির কাজ চলছে।
কেমিক্যাল টেকনোলজিকে ভেঙে চারটি ইমার্জিং টেকনোলজিতে ভাগ করা হয়েছে। এগুলো হলো কেমিক্যাল, গ্লাস, সিরামিক্স ও ফুড। এর মধ্যে মূল টেকনোলজির সঙ্গে গ্লাসের ৪১ দশমিক ৬১ ভাগ, সিরামিক্সের ৪৩ দশমিক শূন্য পাঁচ ভাগ ও ফুডে র ৫২ দশমিক শূন্য এক ভাগ। গ্লাস, সিরামিক্স ও ফুড টেকনোলজির শিক্ষার্থীদের মেকআপ কোর্স বাড়তি পড়তে হবে।
এয়ারক্রাপ্ট মেইনটেন্যান্স টেকনোলজিকে দুটি ইমার্জিং টেকনোলজিতে ভাগ করা হয়েছে। এগুলো হলো এয়ারক্রাপ্ট মেইনটেন্যান্স (এরাস্পেস) ও এয়ারক্রাপ্ট মেনইনটেন্যান্স (এভিয়োনিক্স)। মূল টেকনোলজির সঙ্গে ইমার্জিং টেকনোলজি দুটির যথাক্রমে শতভাগ ও ৭০ ভাগ মিল রয়েছে।
লেদার টেকনোলজিকে ভেঙে লেদার, লেদারপ্রডাক্ট অ্যান্ড এক্সেসরিজ ও ফুটওয়্যার ইমার্জিং টেকনোলজিতে ভাগ করা হয়েছে। এর মধ্যে শুধু ফুডওয়্যার টেকনোলজিটি চালু রয়েছে। বাকিগুলোর শিক্ষাকার্যক্রম এখনো চালু হয়নি।
সার্ভেয়িং টেকনোলজিকে পাঁচটি ইমার্জিং টেকনোলজিতে ভাগ করা হয়েছে। এগুলো হলো সার্ভেয়িং, ল্যান্ড রিসোর্স অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট সাইন্স, ফটোগ্রাফি অ্যান্ড ডিজিটাল ইমেজিং, ল্যান্ডস্কেপ আর্কিটেকচার, ল্যান্ডস্কেপ ডিজাইন ইনিঞ্জিনিয়ারিং। এর মধ্যে সার্ভেয়িং টেকনোলজির সিলেবাস তৈরি করা হলেও অন্য টেকনোলজির সিলেবাস তৈরির কাজ চলমান আছে।
ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি টেকনোলজিকে যথাক্রমে তিনটি ইমার্জিং টেকনোলজিতে ভাগ করা হয়েছে। এগুলো হলো ফুড অ্যান্ড বেভারেজ, রুম সার্ভিসেস ও ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম। এই তিনটি টেকনোলজি ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটির অধীনে পরিচালিত হবে।
ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষার বর্তমান সমস্যা সমাধান করে বিশ্বমানে উন্নীত করতে কারিগরি শিক্ষার সঙ্গে জড়িতরা বিভিন্ন সুপারিশ করেছেন। সেগুলো আমলে নিয়ে মন্ত্রণালয় ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষাকে আধুনিক করার উদ্যোগ নিয়েছে। সুপারিশগুলো হলো মূল টেকনোলজির সঙ্গে অ্যালাইড গ্রুপের টেকনোলজির পঠিত বিষয়গুলোর সিলেবাস ৬৫ শতাংশ মিল থাকলে সমতুল্য সনদ প্রদান। এরই মধ্যে ডিপ্লোমা পাস করা শিক্ষার্থীদের সমমানের সনদায়নের ক্ষেত্রে অ্যালাইড গ্রুপের টেকনোলজির পঠিত বিষয়গুলো ৬৫ শতাংশের কম মিল থাকলে আগ্রহী শিক্ষার্থীদেরকে মেকআপ বিষয় অধ্যায়নের সুযোগ এবং পুনর্মূল্যায়ন করে সমতুল সনদ প্রদান। বর্তমান শিক্ষাক্রমের সংশ্লিষ্ট টেকনোলজিতে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের প্রযোজ্য ক্ষেত্রে মেকআপ বিষয় অন্তর্ভুক্ত করে প্রয়োজনীয় পাঠদান ও মূল্যায়ন করে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের সমতুল সনদ প্রদান। মূল টেকনোলজিগুলোকে এনটিভিকিউএফ-এ সমন্বিতকরণ। মূল টেকনোলজির সঙ্গে অ্যালাইড গ্রুপের টেকনোলজির (সাইন্স, ম্যাথমেটিক্স, কমিউনিকেশন অ্যান্ড সোশ্যাল স্কিলস, কোর ইঞ্জিনিয়ারি ও শিল্প-কারখানার বাস্তব প্রশিক্ষণ) অন্তত ৭০ শতাংশ মিল রেখে কারিকুলাম প্রণয়ন। নতুন ২৩টি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট স্থাপন প্রকল্প, চারটি মহিলা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট স্থাপন প্রকল্প শেষে এবং ভবিষ্যতে যেসব কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপন করা হবে অ্যালাইড গ্রুপে সমন্বয় করে টেকনোলজি নির্ধারণ করার সুপারিশ করা হয়েছে। শিক্ষার্থীর আনুপাতিক হার বিবেচনা করে প্রতিষ্ঠানের টেকনোলজিভিত্তিক ল্যাব, ক্লাস রুম, যন্ত্রপাতির সংখ্যা বাড়তে হবে।
ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষাক্রমে ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি নিশ্চিতকরণ ও পরবর্তিতে আগ্রহী শিক্ষার্থীদের মাইগ্রেশনের মাধ্যমে বিভাগ/আঞ্চলিক পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে তাদের ভর্তির সমন্বিতকরণ, ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারি শিক্ষাক্রমের ব্যবহারিক ক্লাস কার্যকর করার লক্ষ্যে সর্বোচ্চ ২০-২৫ জন শিক্ষার্থী নিয়ে গ্রুপ তৈরি করতে হবে।
ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং প্রবিধান-২০২২ প্রণয়নের সময় মেশিন লার্ণিং টেকনোলজির সঙ্গে অটোশেন কোড ল্যাঙ্গুয়েজ ও আইআর:৪.০ এর চাহিদা এবং চ্যালেঞ্জের ভিত্তিতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ কর্তৃক নির্ধারিত ১০টি টেকনোলজিক্যাল অ্যাডভ্যান্স বিষয়কে প্রস্তাবিত পাঠ্যক্রমের কোর্স স্ট্রাকচারে সন্নিবেশিতকরণ। কারিকুলাম ও সিলেবাস প্রণয়নের আগে বিশেষজ্ঞদের প্রশিক্ষণ। আউটক্যাম বেইসড এডুকেশন (ওবিই) পদ্ধতিতে সিলেবাস প্রণয়ন এবং কারিকুলাম বাস্তবায়ন ম্যানুয়াল প্রস্তুত করা। ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সে পর্যাপ্ত শিক্ষক, টেকনোলজিভিত্তিক প্রয়োজনীয় ল্যাব, ওয়ার্কশপ, ক্লাস রুম ও পর্যাপ্ত আধুনিক যন্ত্রপাতিসহ সকল সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিতকরণসহ একটি পূর্ণাঙ্গ সম্ভব্যতা যাচাই।
বর্তমানে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে পাস করা শিক্ষার্থী ছাড়াও ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স এ ভর্তি করা হয়। এক্ষেত্রে লার্নিং গ্যাপ (শিখন ঘাটতি) পূরণে এ ধরনের ভর্তিচ্ছুদের কারিগরি শিক্ষাবোর্ড কর্তৃক বাধ্যতামূলক ২-৩ মাসের ক্যাসটোমাইজড কোর্স শেষ করতে হবে। বর্তমানে প্রথম থেকে তৃতীয় সেমিস্টারের শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা মূল্যায়ন করেন। এ মূল্যায়ন পদ্ধতি প্রশ্নবিদ্ধ। প্রথম সেমিস্টার থেকেই কারিগরি শিক্ষাবোর্ড কর্তৃক মূল্যায়নের প্রস্তাব করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের শিল্প সংযুক্তি কার্যক্রম ফলপ্রসূ করার মত দিয়েছেন কারিগরি শিক্ষার অংশীজনরা।
এসব বিষয়ে জানতে চাইলে অতিরিক্ত সচিব মো. মহসিন আজকালের খবরকে বলেন, কারিগরি শিক্ষার মানোন্নয়নে আমরা তিনটি বিষয়কে গুরুত্ব দিচ্ছি। এক. আধুনিক সিলেবাস প্রণয়ন, দুই. শিক্ষক নিয়োগ দিয়ে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ করে গড়ে তোলা, তিন. ল্যাবগুলোকে আধুনিক করা। তিনটি বিষয়ে কাজ চলছে। এনএমএস।

আলহামদুলিল্লাহ। এবার আমাদের নিয়োগ বৈষম্যতা দূর হবে ইনশাআল্লাহ।  সকল সহযোদ্ধাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি, মহান আল্লাহ ...
30/06/2021

আলহামদুলিল্লাহ।
এবার আমাদের নিয়োগ বৈষম্যতা দূর হবে ইনশাআল্লাহ।

সকল সহযোদ্ধাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি, মহান আল্লাহ তায়ালা আপনাদের উত্তম প্রতিদান করবেন।
Details in 1st comment.

 #জুনিয়র_ইন্সট্রাকটর:আমরা মোটামুটিভাবে জানতে পেরেছি যদি সব কিছু স্বাভাবিক থাকে তাহলে জুলাই মাসে জুনিয়র ইন্সট্রাকটর এর বি...
28/06/2021

#জুনিয়র_ইন্সট্রাকটর:
আমরা মোটামুটিভাবে জানতে পেরেছি যদি সব কিছু স্বাভাবিক থাকে তাহলে জুলাই মাসে জুনিয়র ইন্সট্রাকটর এর বিশাল বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।বিজ্ঞপ্তিটি প্রকাশিত হবে বিপিএসসির মাধ্যমে।আজ আমরা বিপিএসসি তে উপসহকারী প্রকৌশলী পদের জন্য নির্ধারিত সিলেবাস সম্পর্কে জানব।
#প্রিলি:সার্কুলারে আবেদন সংখ্যা যদি ১০০০ এর উপরে হয় তাহলে ১০০ নম্বরের যাচাই বাছাই পরিক্ষা হয়।আর যদি প্রার্থী ১০০০ এর নিচে হয় তাহলে সরাসরি লিখিত পরিক্ষা হয়।এই ১০০ নম্বরে প্রিলি পরিক্ষার সিলেবাস হলো:
িপার্টমেন্ট ৬০ নম্বর থাকে।
#বাংলা:২০
#ইংলিশ:২০
#সাধারণ_জ্ঞান:২০
এই মোট ৬০ নম্বর।
#ডিপার্টমেন্ট ৪০ নম্বর থাকবে।
এই নিয়ে মোট ১০০ নম্বর।
#এখন আসা যাক এই প্রিলির জন্য আমরা কি কি বই পড়ব।
িপার্টমেন্ট:এই অংশের জন্য আপনাকে টেবিলে ২ টা বই রাখতে হবে।
#ডাইজেস্ট:এই বই থেকে শুধু মাত্র বিভিন্ন সালে আসা প্রশ্ন গুলো পড়বেন।এর বাহিরে পড়ার দরকার নেই।
ুশন।
এই বই থেকে প্রথমে বিসিএস প্রশ্ন গুলো ব্যাখ্যা সহ পড়তে হবে।তারপর বিপিএসসির সর্বশেষ ৫ বছরের সালের প্রশ্ন সমাধান করতে হবে।এর বাহিরে আর কিছুই পড়ার দরকার নেই।
#মনে রাখবেন চাকরির বাজারে যত বই পড়বেন পরিক্ষার হলে তত ভুল দাগাবেন।
#আশা করা যায় এই বই গুলো থেকে ৬০ এর ভিতর ৫০+ কমন পাবেন ইনশাআল্লাহ।
#ডিপার্টমেন্ট(ইলেকট্রনিক):এর জন্য ও আপনাকে শুধু ইলেকট্রনিক এর বই টেবিলে রাখতে হবে।
#বাজারের যেকোন একটা ডিপার্টমেন্ট বই সেখানে সব বিষয় ব্যাখ্যা সহ দেওয়া থাকবে।

এই বই গুলো থেকেও ৪০ এর ভিতর ২৫-৩০ নম্বর কমন পাওয়া যাবে ইনশাআল্লাহ।
#মনে রাখবেন চাকরির বাজারে পড়ালেখা করতে হয় টেকনিক খাটিয়ে।
কম সংখ্যক বই পড়ে যদি আপনি চাকরি পান তাহলে এক গাদি বই পড়ে আপনার লাভ কি?
#বিপিএসসির প্রতিটি পরিক্ষায় ৬০% নম্বর হচ্ছে ৯৯.৯% সেভ জোন।উপরোক্ত বই গুলো সঠিক ভাবে পড়লে আশা করা যায় ৮০-৮৫% নম্বর কমন পাবেন ইনশাআল্লাহ।
যা আপনার প্রিলি পাশের ক্ষেত্রে যথেষ্ট।
#পরবর্তী পোস্টে প্রিলির জন্য কিভাবে পড়ালেখা শুরু করবেন এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করার চেস্টা করব।
#পরবর্তী পোস্ট পেতে চোখ রাখুন
এই পেইজে লাইক দিয়ে এক্টিভ থাকুন
#ধন্যবাদ_সবাইকে।

'''জুনিয়র ইন্সটাক্টর'''  পদেBPSC এর অধীনে সম্ভাব্য আগামী মাসে একটি বড় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হতে পারে । উক্ত নিয়োগ ব...
28/06/2021

'''জুনিয়র ইন্সটাক্টর''' পদে
BPSC এর অধীনে সম্ভাব্য আগামী মাসে একটি বড় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হতে পারে । উক্ত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি তে পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের সকল ডিপার্টমেন্টেই জুনিয়র ইন্সটাক্টর নেওয়া হবে ।
পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট থেকে পাসকৃত সকলেই স্ব স্ব ডিপার্টমেন্টে আবেদন করতে পারবে ।

তাই এখন থেকেই প্রস্তুতি নিতে শুরু করুন ।
ছবিতে দেখে নিন, নিয়োগ নীতিমালা এবং প্রস্তুতি শুরু করে দিন ।

সূত্র : trusted leak news

08/03/2021

''BTRC is responsible for regulating all matters related to telecommunications of Bangladesh''

https://www.prothomalo.com/bangladesh/capital/%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A4%...
05/01/2021

https://www.prothomalo.com/bangladesh/capital/%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%A2%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%97%E0%A6%B0%E0%A6%BF-%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A7%80%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%AC%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A6%A8

নিজেদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট চার দফা দাবিতে মানববন্ধন করেছেন দেশের কারিগরি শিক্ষার্থীদের একটি অংশ। দাবি পূরণ না হল...

কুইজ খেলো পুরস্কার পাও।
31/12/2020

কুইজ খেলো পুরস্কার পাও।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রাজবন্দি হিসেবে কারাগারে থাকা অবস্থায় তিনটি গ্রন্থ রচনা করেছেন। গ্রন্থগুলোতে একদি....

BPDB তে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ।আবেদনের শেষ তারখ ও সময় ৩১/১২/২০১৯ বিকাল ৫:০০ ঘটিকা
27/11/2019

BPDB তে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ।
আবেদনের শেষ তারখ ও সময় ৩১/১২/২০১৯ বিকাল ৫:০০ ঘটিকা

Address

Shadar
Bogura
5800

Telephone

+8801787639910

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Abu Taher posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Abu Taher:

Share

Category