22/01/2026
ঢাকা-১৭ আসনের রাজনীতি এখন খুব স্বচ্ছভাবে একটা জিনিস দেখাচ্ছে—
যে প্রার্থী মাঠে শক্ত অবস্থানে থাকে, তার বিরুদ্ধেই আগে ন্যারেটিভ বানানো হয়।
ডা. খালেদ সাহেবকে ঘিরে সাম্প্রতিক তৎপরতা সেটারই প্রমাণ। জনপ্রিয়তা যখন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়, তখন রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা মাঠ ছেড়ে প্রশাসনিক ও প্রোপাগান্ডা ফ্রন্টে সরে যায়—এটাই বাস্তবতা।
ডা. এস. এম. খালেদুজ্জামান কেবল একজন প্রার্থী নন।
শিক্ষাগত যোগ্যতা, আর্থিক সক্ষমতা এবং সামাজিক ওয়েলফেয়ারের জায়গা থেকে তিনি এই আসনের সবচেয়ে শক্ত প্রোফাইলগুলোর একটি। বিদেশ থেকে Embryology-এর মতো উচ্চমান ও ব্যয়বহুল বিষয়ে ডিগ্রি নেওয়া এমনিতেই সাধারণ ঘটনা নয়।
এই আসনে বিএনপির প্রথম দফার কৌশল ইতোমধ্যেই ব্যর্থ হয়েছে। এখন যা চলছে, সেটা মূলত কনফিউশন তৈরি করার রাজনীতি।
“অনুমোদন নেই” আর “ভূয়া”—এই দুই শব্দকে ইচ্ছাকৃতভাবে এক করে দেখানোর চেষ্টা হচ্ছে, যেন সাধারণ মানুষ বিভ্রান্ত হয়।
বাস্তবতা হলো—বাংলাদেশে বহু আন্তর্জাতিক মানের ডিগ্রি আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতির তালিকায় নেই, এতে ডিগ্রির অস্তিত্ব বা বৈধতা প্রশ্নবিদ্ধ হয় না। কিন্তু এই সাধারণ সত্যটুকু আড়াল করেই ন্যারেটিভ তৈরি করা হচ্ছে।
সবচেয়ে কৌতূহলোদ্দীপক দিক হলো—যারা নিজেরা শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে কখনো প্রশ্নের মুখে পড়েনি, তারাই আজ যোগ্যতা নিয়ে সবচেয়ে বেশি কথা বলছে।
সব মিলিয়ে ঢাকা-১৭ আসনে লড়াইটা এখন আর কেবল প্রার্থী বনাম প্রার্থী নয়—
এটা হয়ে উঠেছে জনসমর্থন বনাম পরিকল্পিত প্রোপাগান্ডার মুখোমুখি অবস্থান।
সময়ই বলবে শেষ কথা।
ইনশাআল্লাহ।
#ঢাকা১৭
#ভোট২০২৬
#বাংলাদেশরাজনীতি
#জনতারকথা