28/03/2026
ঢাকায় ফিরছিলেন আবুল কালাম। দৌলতদিয়া টার্মিনাল থেকে তিনি ডুবে যাওয়া সৌহার্দ্য বাসে উঠেছিলেন। গন্তব্য রাজধানীর বাড্ডা। বাড্ডায় তিনি বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন।
আবুল কালাম বাসে উঠে ১০-১৫ মিনিট বসে ছিলেন। ফেরিঘাটের আগে যানজটের কারণে দুর্ঘটনার দুই মিনিট আগে বাস থেকে নেমে পড়েন। বাস থেকে নামলেও তার কাঁধে থাকা ব্যাগটি ছিল বাসের মধ্যেই।
কালাম জাগো নিউজকে বলেন, আমার সামনেই বাসটি ধীরে ধীরে নদীতে তলিয়ে যায়। তখন আমি মোবাইল বের করে ভিডিও করবো, না কী করবো বুঝতে পারছিলাম না।
তখন অনেকটা হতভম্ব হয়ে পড়েন কালাম।
তিনি বলেন, আমার ব্যাগে ছিল জীবনের সবচেয়ে বড় সম্পদ—মূল সার্টিফিকেট, এনআইডি, কোরিয়া যেতে প্রস্তুতি নেওয়ার কাগজপত্র ও নগদ সাড়ে ৪ হাজার টাকা।
বাস ডুবে যাওয়ার পর ঢাকায় ফেরা হয়নি কালামের। অপেক্ষা করছিলেন তার ব্যাগের জন্য। অবশেষে তার ব্যাগটি বাস থেকে উদ্ধার হয়। এমন অন্তত ২৫ জন বা তার বেশি যাত্রীর ব্যাগ উদ্ধার করা হয়েছে। ব্যাগগুলো দৌলতদিয়া নৌ পুলিশ ফাঁড়িতে রাখা হয়েছে। যথাযথ প্রমাণ দিলে ব্যাগ ফেরত দিচ্ছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকালে দৌলতদিয়া নৌ পুলিশ ফাঁড়িতে ব্যাগের খোঁজ পান কালাম। পুলিশের মাধ্যমে ব্যাগটি ফেরত পান তিনি।
কালাম বলেন, যখন যাত্রীসহ বাস ডুবে গেল, আমি ভাবতে পারিনি ব্যাগ ফেরত পাবো। তারপরও আশা করেছিলাম, হয়তো পাবো। আমি বাসে থাকলে হয়তো আজকে মারা যেতাম।
©️