29/10/2025
শ্রমিক আন্দোলন
কামাড়পাড়া মেইন রোড অবরোধ
দাবি সমূহ।
এত দ্বারা গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারিং এন্ড এসেম্বলিং লিমিটেড এর শ্রমিকগণের নিম্নোক্ত দাবী গুলি বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ ও বিজিএমই এর আইন অনুযায়ী প্রদত্ত হইবে।
১. নির্বিচারে কর্মী ছাঁটাই আমরা কোনোভাবেই মেনে নিবো না। যদি কোনো কর্মীকে ছাঁটাই করতে হয়, তাহলে ১২০ দিনের বেতন ও ভাতা প্রদান করে তবেই তাকে অব্যাহতি দিতে হবে। (উঃ বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ ও বিজিএমই এর আইন অনুযায়ী প্রদত্ত হইবে)
২. অপরিচিত কোনো নতুন মুখ ফ্লোরে আসলে তার পরিচয় নিশ্চিত করে, মার্জিত আচরণে কথা বলার জন্য অনুরোধ জানানো হচ্ছে। (উঃ কর্তৃপক্ষ এই ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।)
৩. হাবীব আমাদের সামনে বসের সঙ্গে খারাপ আচরণ করেছে। আমরা এর ন্যায়বিচার চাই এবং হাবীবের অপসারণ নিশ্চিত করতে হবে। (উঃ কর্তৃপক্ষ এই ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।)
৪. হেলপার থেকে শুরু করে কোনো শ্রমিকের তার ন্যায্য পাওনা বুঝিয়ে না দেওয়া পর্যন্ত গেটের বাহিরে বের করা যাবে না। (উঃ বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ ও বিজিএমই এব আইন অনুযায়ী প্রদত্ত হইবে)
৫. আমাদের মধ্যে যেসব মা-বোন গর্ভবর্তী আছেন, তাদের জন্য চিকিৎসা সেবা ও মাতৃত্বকালীন ভাতা সহ প্রয়োজনীয় সুবিধা প্রদান করতে হবে। (উঃ বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ ও বিজিএমই এর আইন অনুযায়ী প্রদত্ত হইবে)
৬. যেসব কর্মীকে জোরপূর্বক অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে, তাদের পর্যায়ক্রমে পুনরায় কর্মক্ষেত্রে ফিরিয়ে আনতে হবে। (উঃ কাজ কম থাকায় তাদের পুনরায় কর্মক্ষেত্রে ফিরিয়ে আনতে সম্ভব না হলে বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ ও বিজিএমই এর আইন অনুযায়ী পাওনাদী প্রদত্ত হইবে)
৭. আন্দোলনে জড়িত কারো বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ, মামলা বা হামলা করা যাবে না। (উঃ শ্রমিকগণকে বিনা শর্তে ক্ষমা করে, ভবিষ্যৎ এ ধরনের আন্দোলন করবে না মর্মে লিখিত দিতে হবে।)
৮. চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়ার পূর্বে সার্ভিস বেনিফিট ও ছুটির টাকা যা হাতে রাখা হয়, তা বাধ্যতামূলক ভাবে প্রদান করতে হবে। (উঃ বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ ও বিজিএমই এর আইন অনুযায়ী প্রদত্ত হইবে)
৯. আমাদের এ্যডমিনের বিরুদ্ধে সকল শ্রমিক অসন্তুষ্ট। তারা শ্রমিকদের সমস্যায় সহযোগিতা না করে, বরং হয়রানি করে। তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে। (উঃ কর্তৃপক্ষ এই ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে)
১০. সর্বশেষ, উপরে উল্লিখিত দাবি গুলো নিয়ে আমাদের মাথাব্যথা ছিল না। আপনাদের বর্তমান কাজকর্ম আমাদের বাধ্য করেছে এই অবস্থায় আসতে। সুতরাং, ভবিষ্যতে যেন এমন ঘটনা পুনরায় না ঘটে, তা প্রতিরোধে কর্তৃপক্ষকে সতর্কতা ও কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। (উঃ কাজ বন্ধ না করে কর্তৃপক্ষকের সাথে আলোচনা করে সমস্যা সমাধান করতে হবে।)