02/08/2026
পার্ট–৩
কাঁপা হাতে খামটি খুলল আরিফ।
ভেতরে একটি নিয়োগপত্র…
মাসিক বেতন: ৮৫,০০০ টাকা।
আরিফ অবিশ্বাসের চোখে তাকিয়ে রইল।
সে বলল,�— “আমি তো এই চাকরির যোগ্যই নই… আমাকে কেন?”
তরুণীটি মৃদু হেসে বলল,
— “এই চাকরিটা আপনার দয়ার দাম নয়। আপনার যোগ্যতা দেখেই আপনাকে বেছে নেওয়া হয়েছে। কিন্তু শত শত যোগ্য মানুষের মধ্যে আপনার নামটা আমি আলাদা করে মনে রেখেছিলাম।”
আরিফ চুপ হয়ে গেল।
তরুণীটি ব্যাগ থেকে একটি পুরোনো, ভাঁজ করা ১,২০০ টাকার রসিদ বের করল।
— “মা এই রসিদটা সব সময় নিজের কাছে রাখতেন। তিনি বলতেন, ‘যে মানুষ নিজের শেষ টাকা দিয়ে অন্যকে বাঁচাতে পারে, সে কোনো দিন হেরে যায় না।’”
আরিফের চোখ ভিজে উঠল।
ঠিক তখনই তরুণীর ফোন বেজে উঠল।
ফোন ধরতেই তার মুখের হাসি মিলিয়ে গেল।
সে কাঁপা গলায় বলল,
— “কী! মা… আবার হাসপাতালে?”
আরিফ এক মুহূর্তও দেরি করল না।
সে বলল,
— “চলুন… এবার আপনার মায়ের পাশে আমি থাকব।”
চলবে… (Part 4)