Faridganj TV

Faridganj TV ফরিদগঞ্জ টেলিভিশন

25/08/2026
24/08/2026

১২টি কাজ করবেন—জীবনের গতি ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে যাবে, ইনশাআল্লাহ!
জীবনে কখনো এমন সময় আসে, যখন মনে হয়—কিছুই ঠিকঠাক চলছে না। চেষ্টা করছি, কিন্তু ফল পাচ্ছি না; দোয়া করছি, কিন্তু পরিস্থিতি বদলাচ্ছে না; চারপাশে মানুষ আছে, তবুও ভেতরে একাকিত্ব। এমন অবস্থায় একজন মুমিনের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো—আল্লাহর দিকে ফিরে যাওয়া এবং নিজের জীবনকে কুরআন-সুন্নাহর আলোকে নতুন করে সাজানো।
আল্লাহ তাআলা বলেন,“নিশ্চয়ই আল্লাহ কোনো জাতির অবস্থা পরিবর্তন করেন না, যতক্ষণ না তারা নিজেদের অবস্থা নিজেরা পরিবর্তন করে।”—সূরা আর-রাদ, ১৩:১১।
অর্থাৎ শুধু পরিবর্তনের আশা করলেই হবে না; নিজের বিশ্বাস, আমল, অভ্যাস ও জীবনযাপনে পরিবর্তন আনতে হবে। নিচের ১২টি বিষয়কে জীবনের নিয়ম বানানোর চেষ্টা করলে—আল্লাহর ইচ্ছায় আপনার চিন্তা, চরিত্র, সময় ব্যবস্থাপনা, ইবাদত ও জীবনের লক্ষ্য অনেকটাই বদলে যেতে পারে।
১. ✅পাঁচ ওয়াক্ত নামাজকে জীবনের প্রথম অগ্রাধিকার দিন
জীবন পরিবর্তনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হলো নামাজ। কাজ, ব্যবসা, পড়াশোনা, মোবাইল কিংবা বিনোদন—কোনোটিই নামাজের ওপর অগ্রাধিকার পেতে পারে না।
নামাজ শুধু একটি ইবাদত নয়; এটি একজন মুমিনের সঙ্গে আল্লাহর নিয়মিত সম্পর্কের মাধ্যম। তাই নামাজ সময়মতো আদায় করার অভ্যাস করুন।
আল্লাহ বলেন,“নিশ্চয়ই নামাজ অশ্লীলতা ও মন্দ কাজ থেকে বিরত রাখে।”—সূরা আল-আনকাবুত, ২৯:৪৫।
আপনি যদি জীবনে বড় পরিবর্তন চান, তাহলে প্রথম সিদ্ধান্ত হতে পারে—“নামাজ আর কোনোভাবেই ছাড়ব না।”
২. ✅প্রতিদিন কুরআনের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করুন
প্রতিদিন অল্প হলেও কুরআন পড়ুন। শুধু তিলাওয়াত নয়—অর্থ বোঝার চেষ্টা করুন এবং নিজের জীবনের সঙ্গে মিলিয়ে দেখুন।
অনেক সময় আমরা সমস্যার সমাধান পৃথিবীর মানুষের কাছে খুঁজি, অথচ আল্লাহর কিতাবের সঙ্গে সম্পর্ক দুর্বল থাকে। কুরআন মানুষের হৃদয়কে পথ দেখায়, সান্ত্বনা দেয় এবং সত্য-মিথ্যার পার্থক্য বুঝতে সাহায্য করে।
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, আল্লাহর ঘরসমূহের কোনো ঘরে মানুষ একত্র হয়ে কুরআন তিলাওয়াত ও অধ্যয়ন করলে তাদের ওপর প্রশান্তি নেমে আসে, রহমত তাদের ঢেকে ফেলে এবং ফেরেশতারা তাদের ঘিরে রাখেন। —সহিহ মুসলিম, ২৬৯৯।
তাই প্রতিদিন অন্তত কয়েক আয়াত হলেও কুরআনের জন্য সময় রাখুন।
৩. ✅বেশি বেশি ইস্তিগফার করুন
জীবনের অস্থিরতা, গুনাহ ও ভুলের বোঝা থেকে মুক্তির অন্যতম পথ হলো তওবা ও ইস্তিগফার।
শুধু মুখে “আস্তাগফিরুল্লাহ” বলাই যথেষ্ট নয়; গুনাহের জন্য অনুতপ্ত হওয়া, গুনাহ ছেড়ে দেওয়া এবং আবার না করার দৃঢ় সংকল্পও জরুরি।
রাসুলুল্লাহ ﷺ ‘সাইয়্যিদুল ইস্তিগফার’-কে ক্ষমা চাওয়ার শ্রেষ্ঠ পদ্ধতি হিসেবে শিক্ষা দিয়েছেন। —সহিহ বুখারি, ৬৩০৬।
তাই প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময় ইস্তিগফারের জন্য রাখুন। নিজের ভাষাতেও আল্লাহর কাছে ক্ষমা চান।
৪. ✅গুনাহকে ছোট মনে করা বন্ধ করুন
অনেক মানুষ বড় গুনাহ থেকে বাঁচতে চায়, কিন্তু ছোট ছোট গুনাহকে গুরুত্ব দেয় না। অথচ বারবার করা ছোট ভুলও মানুষের হৃদয়কে দুর্বল করে দিতে পারে।
মিথ্যা, গীবত, পরনিন্দা, অহংকার, হারাম দৃষ্টি, অন্যের হক নষ্ট করা—এসব থেকে নিজেকে দূরে রাখুন।
রাসুল ﷺ-এর একটি হাদিসে কুদসিতে এসেছে, আল্লাহ তাআলা বলেছেন—বান্দারা রাত-দিন গুনাহ করে, আর তিনি গুনাহ ক্ষমা করেন; তাই তাঁর কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। —সহিহ মুসলিম, ২৫৭৭।
তাই পরিবর্তন শুরু করুন নিজের গোপন জীবন থেকে।
৫. ✅হালাল রিজিকের ব্যাপারে আপস করবেন না
জীবনে যত কষ্টই আসুক, হারাম পথে দ্রুত সফল হওয়ার চেষ্টা করবেন না। হারাম উপার্জন বাহ্যিকভাবে সম্পদ বাড়াতে পারে, কিন্তু একজন মুমিনের জন্য আসল সফলতা হলো হালাল ও বরকতময় রিজিক।
নিজের পেশা, ব্যবসা ও লেনদেনে সততা রাখুন। কারো অধিকার নষ্ট করবেন না। প্রতারণা করবেন না।
মনে রাখবেন, রিজিকের মালিক আল্লাহ। আপনার দায়িত্ব হলো বৈধ উপায়ে চেষ্টা করা এবং ফলাফলের জন্য আল্লাহর ওপর ভরসা করা।
৬.✅ মানুষের হক আদায় করুন
অনেক সময় আমরা নফল ইবাদত নিয়ে ব্যস্ত থাকি, কিন্তু মানুষের অধিকার ভুলে যাই। অথচ কারো টাকা আটকে রাখা, অন্যায় করা, অপমান করা কিংবা প্রতারণা করা অত্যন্ত গুরুতর বিষয়।
আল্লাহ তাআলা হাদিসে কুদসিতে জুলুমকে নিজের জন্যও হারাম করেছেন এবং বান্দাদের মধ্যেও তা হারাম করেছেন। —সহিহ মুসলিম, ২৫৭৭।
তাই কারো হক নষ্ট করে থাকলে সম্ভব হলে তা ফিরিয়ে দিন, ক্ষমা চান এবং সম্পর্ক সংশোধনের চেষ্টা করুন।
৭. ✅মা-বাবার সঙ্গে উত্তম আচরণ করুন
জীবনে বরকতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হলো মা-বাবার প্রতি সদাচরণ।
তাদের সঙ্গে উচ্চস্বরে কথা বলা, অবহেলা করা বা প্রয়োজনের সময় পাশে না থাকা থেকে বিরত থাকুন। তারা জীবিত থাকলে তাদের খেদমত করার সুযোগকে সৌভাগ্য মনে করুন।
কুরআনে আল্লাহ তাআলা নিজের ইবাদতের নির্দেশের সঙ্গে মা-বাবার প্রতি সদাচরণের নির্দেশ দিয়েছেন—সূরা আল-ইসরা, ১৭:২৩।
আপনি যদি জীবনের পরিবর্তন চান, তাহলে আজ থেকেই মা-বাবার জন্য সময় বের করুন, তাদের খোঁজ নিন এবং তাদের জন্য দোয়া করুন।
৮. ✅প্রতিদিন দোয়া করার অভ্যাস করুন
দোয়া শুধু বিপদের সময়ের বিষয় নয়। সুখে-দুঃখে, সফলতায়-ব্যর্থতায়—সব অবস্থায় আল্লাহর কাছে চাইতে হবে।
নিজের ভাষায় আল্লাহকে নিজের কথা বলুন। আপনার ভয়, কষ্ট, স্বপ্ন, ব্যর্থতা, ভবিষ্যৎ—সব তাঁর কাছে তুলে ধরুন।
তবে দোয়ার সঙ্গে বৈধ চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। শুধু দোয়া করে দায়িত্ব ছেড়ে দেওয়া সুন্নাহসম্মত পদ্ধতি নয়।
আল্লাহর ওপর ভরসা করুন, কিন্তু নিজের দায়িত্বও পালন করুন।
৯. ✅নিয়মিত সদকা করুন
সদকা শুধু ধনী মানুষের জন্য নয়। সামর্থ্য অনুযায়ী অল্প হলেও দান করুন।
কারো ক্ষুধা মেটানো, অসহায়কে সাহায্য করা, দরিদ্র আত্মীয়ের পাশে দাঁড়ানো, কাউকে প্রয়োজনীয় জিনিস দেওয়া—এসবও নেক কাজ।
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, যে ব্যক্তি কোনো মুমিনের দুনিয়ার একটি কষ্ট দূর করে, আল্লাহ কিয়ামতের দিনের তার একটি কষ্ট দূর করবেন। আর যে ব্যক্তি কোনো অসচ্ছল ব্যক্তির জন্য সহজ করে, আল্লাহ তার জন্য দুনিয়া ও আখিরাতে সহজ করবেন। —সহিহ মুসলিম, ২৬৯৯।
তাই প্রতিদিন বা প্রতি সপ্তাহে ছোট একটি সদকার লক্ষ্য নির্ধারণ করুন।
১০. ✅সময়ের অপচয় বন্ধ করুন
জীবন বদলাতে হলে সময়ের ব্যবহার বদলাতে হবে।
অতিরিক্ত সোশ্যাল মিডিয়া, অপ্রয়োজনীয় ভিডিও, অহেতুক আড্ডা, অন্যের জীবন নিয়ে আলোচনা—এসব আপনার মূল্যবান সময় নষ্ট করছে কি না, নিজেকে প্রশ্ন করুন।
প্রতিদিনের জন্য একটি ছোট পরিকল্পনা করুন। নামাজ, কুরআন, কাজ/পড়াশোনা, পরিবার, বিশ্রাম—সবকিছুর জন্য সময় নির্ধারণ করুন।
মনে রাখবেন, জীবন আসলে সময়ের সমষ্টি। সময় চলে গেলে টাকা দিয়ে সেটি ফেরত কেনা যায় না।
১১. ✅ভালো কাজ অল্প হলেও নিয়মিত করুন
অনেকে একদিন অনেক আমল শুরু করেন, কয়েকদিন পর সব ছেড়ে দেন। এটি পরিবর্তনের স্থায়ী পথ নয়।
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয় আমল হলো যা নিয়মিত করা হয়, যদিও তা অল্প হয়। —সহিহ বুখারি, ৬৪৬৪।
তাই একদিনে বিশাল পরিবর্তনের চেষ্টা না করে ছোট ছোট অভ্যাস গড়ে তুলুন।
যেমন—
• প্রতিদিন ৫ ওয়াক্ত নামাজ।
• প্রতিদিন কয়েক আয়াত কুরআন।
• নিয়মিত ইস্তিগফার।
• প্রতিদিন কিছু দরুদ।
• সপ্তাহে নির্দিষ্ট পরিমাণ সদকা।
• নিয়মিত মা-বাবার খোঁজ নেওয়া।
• প্রতিদিন নিজের ভুলের হিসাব করা।
ছোট আমল যখন দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকে, তখন সেটিই জীবনের বড় পরিবর্তনের কারণ হতে পারে।
১২. ✅আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল করে নিজের সর্বোচ্চ চেষ্টা করুন
সবশেষে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—চেষ্টা করবেন, কিন্তু ফলাফলের মালিক হিসেবে আল্লাহকে বিশ্বাস করবেন।
আপনার দায়িত্ব চেষ্টা করা। ফল কখন, কীভাবে এবং কতটুকু আসবে—তা আল্লাহর হাতে।
সূরা আর-রাদের ১১ নম্বর আয়াত আমাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা দেয়—আল্লাহ কোনো জাতির অবস্থা পরিবর্তন করেন না, যতক্ষণ না তারা নিজেদের ভেতরের অবস্থা পরিবর্তন করে।
তাই শুধু “আমার জীবন বদলে যাক” বলবেন না। বরং প্রশ্ন করুন—“আমাকে কী পরিবর্তন করতে হবে?”
একটি সহজ দৈনিক রুটিন
আপনি চাইলে এই ১২টি বিষয়কে একটি দৈনিক রুটিনে পরিণত করতে পারেন—
সকাল:ফজর, কুরআন, ইস্তিগফার ও দিনের পরিকল্পনা।
দিন:হালাল উপার্জনের চেষ্টা, মানুষের হক আদায়, সময়ের সঠিক ব্যবহার এবং প্রয়োজনমতো সদকা।
সন্ধ্যা:নিজের দিনের ভুলগুলো পর্যালোচনা, তওবা ও পরিবারের খোঁজখবর।
রাত:ইশার নামাজ, কুরআন/জিকির, আল্লাহর কাছে দোয়া এবং পরের দিনের পরিকল্পনা।
শেষ কথা
“জীবনের গতি ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে যাবে”—এটি কোনো যান্ত্রিক বা নিশ্চিত প্রতিশ্রুতি নয়। ইসলাম আমাদের শেখায়, পরিবর্তন আসে আল্লাহর তাওফিক, সঠিক ঈমান, তওবা, আমল এবং বৈধ প্রচেষ্টার মাধ্যমে।
আল্লাহর কাছে ফিরে আসুন। নামাজ ঠিক করুন। গুনাহ ছাড়ুন। হালাল রিজিকের চেষ্টা করুন। মানুষের হক আদায় করুন। কুরআনের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ুন। ইস্তিগফার করুন। নিয়মিত দোয়া করুন। ভালো কাজ অল্প হলেও নিয়মিত করুন।
আর মনে রাখুন—আল্লাহর রহমত থেকে কখনো নিরাশ হওয়া যাবে না।
আপনার আজকের একটি আন্তরিক সিদ্ধান্তই হয়তো আগামী দিনের সম্পূর্ণ জীবনকে নতুন পথে নিয়ে যেতে পারে।আল্লাহর জন্য একটি গুনাহ ছেড়ে দিন, একটি ভালো আমল শুরু করুন এবং সেটি নিয়মিত ধরে রাখুন।
ইনশাআল্লাহ, আল্লাহ আপনার অন্তরকে পরিবর্তন করুন, আপনার জীবনে হালাল রিজিক, প্রশান্তি, বরকত ও কল্যাণ দান করুন এবং দুনিয়া ও আখিরাতে সফল করুন। আমিন।

17/08/2026

রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এর ভবিষ্যদ্বাণী
আমরা দেখেছি যে, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রচার মাধ্যমের মিথ্যাচার ও অপপ্রচার ‘‘ইসলামী জঙ্গিবাদ’’-কে যেভাবে চিত্রিত করছে তা কখনোই সত্য নয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রে তা মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ, কখনো তা মুসলিম জনগোষ্ঠীর স্বাধীকার আদায়ের সংগ্রাম বা আগ্রাসন বিরোধী জিহাদ। তারপরও আমরা দেখি যে, কোনো কোনো মুসলিম ইসলাম প্রতিষ্ঠার নামে সন্ত্রাসে লিপ্ত হচ্ছে।

পাশ্চাত্য রাজনীতিবিদ ও গবেষকগণ এদের কর্মকান্ডকে ‘‘ইসলামী জঙ্গিবাদ’’ ও ‘‘সভ্যতার সংঘাত’’-এর পক্ষে প্রমাণ হিসেবে পেশ করেন। পক্ষান্তরে মুসলিম নেতৃবৃন্দ এদেরকে ইসলাম বিরোধী ষড়যন্ত্রের অংশ ও অমুসলিমদের ক্রীড়ানক বলে দাবি করেন। কিন্তু আমাদের বুঝতে হবে যে, তাদের মধ্যে কেউ অমুসলিমদের ক্রীড়ানক বা এজেন্ট হলেও সাধারণ অনেক যুবক শুধু ইসলামের আবেগেই এদের সাথে যোগ দিয়েছে। ইসলামের কিছু শিক্ষা তারা বিকৃতভাবে উপস্থাপন করে অনেককে আকৃষ্ট করতে সক্ষম হয়েছে। এ সকল বিৃকতি তাত্ত্বিকভাবে আমাদের পর্যালোচনা করা প্রয়োজন। ধর্মীয় অনুভূতি ও আবেগ কখনো অবহেলা, গালি বা কঠোর শাস্তি দিয়ে অবদমিত করা যায় না। ধর্মীয়ভাবে এগুলির বিকৃতি উপলব্ধি করানোই এরূপ প্রবণতা থামানোর অন্যতম পথ। ইসলামের নামে উগ্রতার উদ্ভবের একটি কারণ ইসলামের প্রকৃত শিক্ষা সম্পর্কে অজ্ঞতা ও বিকৃত ধারণা। এ পথে প্রাচীন ও মধ্যযুগেও ইসলামের নামে সন্ত্রাসী সংগঠনের জন্ম ও প্রসারের ঘটনা ঘটেছে। এগুলির অন্যতম ছিল প্রথম হিজরী শতকে আলী (রা)-এর শাসনামলে আবির্ভুত খারিজী দল, ৫ম হিজরী শতকে আবির্ভুত বাতিনী হাশাশীন সম্প্রদায় এবং আধুনিক মিসরের ‘‘জামাআতুল মুসলিমীন’’ সংগঠন। জঙ্গি কর্মকান্ডে লিপ্ত মানুষদের কথাবার্তা ও দাবিদাওয়ার সাথে উপর্যুক্ত সন্ত্রাসী সংগঠনগুলির বিশ্বাস, তত্ত্ব ও কর্মের অদ্ভুত মিল দেখা যায়। জঙ্গিবাদের প্রেক্ষাপট বুঝতে এ সকল গোষ্ঠীর ইতিহাস, বিশ্বাস ও কর্মকান্ড পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।

২. ১. রাসুলুল্লাহ (ﷺ) এর ভবিষ্যদ্বাণী
মুসলিম উম্মাহর মধ্যে উগ্রতার আবির্ভাবের বিষয়ে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন। আবূ সাঈদ খুদরী (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন,

يَخْرُجُ فِيكُمْ قَوْمٌ تَحْقِرُونَ صَلاَتَكُمْ مَعَ صَلاَتِهِمْ، وَصِيَامَكُمْ مَعَ صِيَامِهِمْ، وَأَعْمَالَكُمْ مَعَ أَعْمَالِهِمْ، ويَقْرَؤُونَ الْقُرْآنَ وَلاَ يُجَاوِزُ حَنَاجِرَهُمْ، يَمْرُقُونَ مِنَ الدِّينِ كَمَا يَمْرُقُ السَّهْمُ مِنَ الرَّمِيَّةِ

‘‘তোমাদের মধ্যে এমন একটি সম্প্রদায় বের হবে, যাদের সালাতের পাশে তোমাদের সালাত তোমাদের কাছেই নগণ্য বলে মনে হবে, যাদের সিয়ামের পাশে তোমাদের সিয়াম তোমাদের কাছেই নগণ্য বলে মনে হবে, যাদের নেককর্মের পাশে তোমাদের কর্ম তোমাদের কাছেই নগণ্য ও অপছন্দনীয় বলে মনে হবে, যারা কুরআন পাঠে রত থাকবে, কিন্তু কুরআন তাদের কণ্ঠনালী অতিক্রম করবে না। তীর যেমন শিকারের দেহের মধ্যে প্রবেশ করে অন্য দিক দিক দিয়ে বেরিয়ে যায় (তীরের দেহে শিকারকৃত প্রাণীর কোনো মাংস লেগে থাকে না), তেমনিভাবে তারা দীনের মধ্যে প্রবেশ করে আবার বেরিয়ে যাবে (তাদের মধ্যে দীনের কিছুই থাকবে না।)’’[1]

এ অর্থে ১৭ জন সাহাবী থেকে প্রায় ৫০টি পৃথক সূত্রের হাদীস বর্ণিত হয়েছে। এ সকল হাদীস প্রমাণ করে যে, বাহ্যিক আকর্ষণীয় ধার্মিকতা, সততা ও ঐকান্তিকতা সত্ত্বেও অনেক মানুষ উগ্রতার কারণে ইসলাম থেকে বিচ্যুত হবে। রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর এ সকল- প্রায় অর্ধশত- হাদীস থেকে আমরা এদের বিভ্রান্তির কারণ ও এদের কিছু বৈশিষ্ট্য জানতে পারি। আবূ সাঈদ খুদরী (রা) বলেন, ইয়ামান থেকে আলী (রা) মাটি মিশ্রিত কিছু স্বর্ণ প্রেরণ করেন। তিনি উক্ত স্বর্ণ ৪ জন নওমুসলিম আরবীয় নেতার মধ্যে বণ্টন করে দেন। তখন বসা চক্ষু, উচু গাল, বড় কপাল ও মুন্ডিত চুল, যুল খুওয়াইসিরা নামক এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বলে:

يا رسولَ اللهِ ! اتَّقِ اللهَ (ما عدلت). قال : ويلك ! أو لستُ أحقَّ أهلِ الأرضِ أن يتقى اللهَ (من يطع الله اذا عصيت؟ من يعدل اذا لم أعدل؟ أيأمننى الله على أهل الأرض فلا تأ منوني) قال : ثم ولَّى الرجلُ قال خالدُ بنُ الوليدِ : يا رسولَ اللهِ ! ألا أضربُ عنقَه ؟ فقال لا . لعله أن يكون يصلي . فقال خالدٌ : وكم من مُصلٍّ يقول بلسانِه ما ليس في قلبه . فقال رسولُ الله ِصلَّى اللهُ عليه وسلَّمَ : " إني لم أُومرْ أن أنقِّبَ عن قلوبِ الناسِ . ولا أشقَّ بطونَهم " قال : ثم نظر إليه وهو مُقفٍ فقال : إنه يخرج من ضِئضئِ هذا قومٌ يتلون كتابَ اللهِ . رطبًا لا يجاوزُ حناجرَهم . يمرُقون من الدِّينِ كما يمرُق السهمُ من الرَّميَّةِ " . قال : أظنُّه قال : " لئن أدركتُهم لأقتلنَّهم قتلَ ثمودَ

হে আল্লাহর রাসূল, আল্লাহকে ভয় করুন, আপনি তো বে ইনসাফি করলেন! তিনি বলেন, দুর্ভোগ তোমার! পৃথিবীর বুকে আল্লাহকে ভয় করার সবচেয়ে বড় অধিকার কি আমার নয়? আমি যদি আল্লাহর অবাধ্যতা করি বা বে-ইনসাফি করি তবে আল্লাহর আনুগত্য এবং ন্যায় বিচার আর কে করবে? আল্লাহ আমাকে পৃথিবীবাসীর বিষয়ে বিশ্বস্ত বলে গণ্য করলেন, আর তোমরা আমার বিশ্বস্ততায় আস্থা রাখতে পারছ না! এরপর লোকটি চলে গেল। তখন খালিদ ইবনুল ওয়ালিদ (রা) বলেন, হে আল্লাহর রাসূল, আমি কি লোকটিকে (রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর প্রতি অবিশ্বাস পোষণ করে ধর্মত্যাগ ও কুফরী করার অপরাধে) মৃত্যুদন্ড প্রদান করব না? তিনি বলেন, না। হয়তবা লোকটি সালাত আদায় করে। খালিদ (রা) বলেন, কত মুসল্লীই তো আছে যে মুখে যা বলে তার অন্তরে তা নেই। তখন রাসুলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, আমাকে নির্দেশ দেওয়া হয় নি যে, আমি মানুষের অন্তর খুঁজে দেখব বা তাদের পেট ফেড়ে দেখব। অতঃপর তিনি গমনরত উক্ত ব্যক্তির দিকে দৃষ্টিপাত করে বলেন, এ ব্যক্তির অনুগামীদের মধ্যে এমন একদল মানুষ বের হবে যারা সদাসর্বদা সুন্দর-হৃদয়গ্রাহীভাবে কুরআন তিলাওয়াত করবে, অথচ কুরআন তাদের কণ্ঠনালী অতিক্রম করবে না। তীর যেমন শিকারের দেহ ভেদ করে বেরিয়ে চলে যায়, এরাও তেমনি ইসলামের মধ্যে প্রবেশ করে আবার বেরিয়ে চলে যাবে। তারা ইসলামে অনুসারীদের হত্যা করবে এবং প্রতিমা-পাথরের অনুসারীদের ছেড়ে দেবে। আমি যদি তাদেরকে পাই তবে সামূদ সম্প্রদায়কে যেভাবে নির্মুল করা হয়েছিল সেভাবেই আমি তাদেরকে হত্যা করে নির্মুল করব।[2]

মুহাদ্দিস ও ঐতিহাসিকগণ উল্লেখ করেছেন যে, যুল খুওয়াইসিরা বা হুরকূস নামক এ ব্যক্তি খারিজীদের গুরুজনদের একজন ছিল।[3] এখানে এ ব্যক্তি ও তার অনুসারীদের বিভ্রান্তির মূল কারণটি প্রতিভাত হয়েছে। তা ছিল ইসলামকে বুঝার ক্ষেত্রে নিজের বুঝকে একমাত্র সঠিক বলে মনে করা এবং এ বুঝের বিপরীত সকলকেই অন্যায়কারী বলে মনে করা। এখানে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) রাষ্ট্রীয় সম্পদ বণ্টনের ক্ষেত্রে সাধারণ নিয়মের ব্যতিক্রম করেছেন। তিনি সকল যোদ্ধার মধ্যে তা বণ্টন না করে অল্প কয়েকজনকে তা দিয়েছেন। এতে মনের মধ্যে প্রশ্ন জাগা স্বাভাবিক। এক্ষেত্রে মুমিন সহজেই বুঝতে পারেন যে, নিশ্চয় কোনো বিশেষ কারণে আল্লাহর বিশেষ নির্দেশেই রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তা করেছেন। অথবা তিনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে এর কারণ সম্পর্কে প্রশ্ন করতে পারেন। কিন্তু তিনি কখনোই রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে অন্যায়কারী বলে কল্পনা করতে পারেন না বা তাঁকে ‘ন্যায়ের আদেশ ও অন্যায়ের নিষেধ’ করতে পারেন না। কিন্তু এ ব্যক্তি দীন বুঝার ব্যাপারে নিজের জ্ঞানকেই চূড়ান্ত মনে করেছে। সে তার জ্ঞান দিয়ে অনুভব করেছে যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইসলামের নির্দেশ লঙ্ঘন করেছেন এবং তৎক্ষণাৎ সে ‘সত্য ও দীন প্রতিষ্ঠা’-র লক্ষ্যে স্বয়ং রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে আল্লাহকে ভয় করতে ও ন্যায় প্রতিষ্ঠা করতে নির্দেশ দিয়েছে!
এখানে ইসলামের নামে সন্ত্রাসী কর্মের একটি বৈশিষ্টের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তা হলো, এরা এদের সন্ত্রাসী কর্ম মূলত ‘মুসলিমদের’ বিরুদ্ধে পরিচালিত করে। ‘মুরতাদ’, ‘কাফির’ ইত্যাদি অভিযোগে এরা মুসলিমদেরকে হত্যা করে। এ বিষয়ে আব্দুল্লাহ ইবনু উমার (রা) বলেন:

انهم انطلقوا الى ايات نزلت فى الكفار فجعلوها على المؤمنين

‘‘কাফিরদের বিষয়ে যে সকল আয়াত নাযিল হয়েছে এরা সেগুলিকে নিয়ে মুসলিমদের উপর প্রয়োগ করে।’’[4]
আলী (রা) এবং আব্দুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রা) থেকে বিভিন্ন সহীহ সনদে বর্ণিত হাদীসে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন,

يخرج فيكم (في هذه الأمة في اخر الزمان) قومٌ حُدَثاءُ (أحدث) الأسنانِ ، سُفَهاءُ الأحلامِ يقولونَ مِن خيرِ قولِ البريةِ (يقولون من قول خير البرية) (يتكلمون الحق) يمرُقونَ منَ الإسلامِ (من الحق) كما يمرُقُ السهمُ منَ الرميةِ ، لا يُجاوِزُ إيمانُهم حناجرَهم ، فإذا (فأينَما) لَقيتُموهم فاقتُلوهم ، فإنَّ قتلَهم أجرٌ لِمَن قتَلهم عند الله يومَ القيامةِ

‘‘এ উম্মাতের মধ্যে (তোমাদের মধ্যে, শেষ যুগে) এমন একটি সম্প্রদায় আগমন করবে যারা বয়সে তরুণ এবং তাদের বুদ্ধিজ্ঞান অপরিপক্কতা ও প্রগভতায় পূর্ণ। মানুষ যত কথা বলে তন্মধ্যে সর্বোত্তম কথা তারা বলবে (সর্বোত্তম মানুষের কথা বলবে, সত্য-ন্যায়ের কথা বলবে)। কিন্তু তারা সত্য, ন্যায় ও ইসলাম থেকে তেমনি ছিটকে বেরিয়ে যাবে, যেমন করে তীর শিকারের দেহ ভেদ করে ছিটকে বেরিয়ে যায়। তাদের ঈমান তাদের কণ্ঠনালী অতিক্রম করবে না। তোমরা যখন যেখানেই তাদেরকে পাবে তখন তাদেরকে হত্যা করবে; কারণ তাদেরকে যারা হত্যা করবে তাদের জন্য কিয়ামতের দিন আল্লাহর নিকট পুরস্কার থাকবে।’’[5]

এখানে ইসলামের নামে বা সত্য, ন্যায় ও হক্ক প্রতিষ্ঠার নামে সন্ত্রাসীকর্মে লিপ্ত মানুষদের দুটি বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করা হয়েছে: প্রথমত, এরা অপেক্ষাকৃত তরুণ বয়সের। ‘যুল খুওয়াইসিরা’র মত দুচার জন বয়স্ক মানুষ এদের মধ্যে থাকলেও এদের নেতৃত্ব, সিদ্ধান্তগ্রহণের ক্ষমতা ইত্যাদি সবই যুবক বা তরুণদের হাতে। সমাজের বয়স্ক ও অভিজ্ঞ আলিম ও নেতৃবৃন্দের নেতৃত্ব বা পরামর্শ এরা মূল্যায়ন করে না।
দ্বিতীয়ত, এদের বুদ্ধি অপরিপক্ক ও প্রগলভতাপূর্ণ। আমরা আগেই দেখেছি যে, সকল সন্ত্রাসই মূলত রাজনৈতিক পরিবর্তন অর্জনের লক্ষ্যে পরিচালিত হয়। আর রাজনৈতিক পরিবর্তনের জন্য অস্থিরতা ও অদুরদর্শিতা সন্ত্রাসী কর্মের অন্যতম কারণ। অপরিপক্ক বুদ্ধি, অভিজ্ঞতার অভাব ও দূরদর্শিতার কমতির সাথে নিজের জ্ঞান ও বুদ্ধির অহঙ্কার এ সকল সত্যান্বেষী ও ধার্মিক যুবককে ইসলাম থেকে বিচ্যুত করেছিল।

[1] বুখারী, মুহাম্মাদ ইবনু ইসমাঈল (২৫৬ হি), আস-সহীহ ৪/১৯২৮, ৬/২৫৪০; মুসলিম ইবনুল হাজ্জাজ (২৬১ হি), আস-সহীহ ২/৭৪৩।

[2] বুখারী আস-সহীহ ৩/১২১৯, ১৩২১, ৪/১৫৮১, ১৭১৪, ৫/২২৮১, ৬/২৫৪০, ২৮০১; মুসলিম , আস-সহীহ ২/৭৪১-৭৪৪।

[3] ইবনু কাসীর (৭৭৪ হি.), আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়াহ ৫/৪০৫।

[4] বুখারী, আস-সহীহ ৬/২৫৩৯।

[5] বুখারী, আস-সহীহ ৩/১৩২১, ৪/১৯২৭; মুসলিম, আস-সহীহ ২/৭৪৬; তরমিযী, মুহাম্মাদ ইবনু ঈসা (২৭৯ হি.), আস-সুনান ৪/৪৮১; নাসাঈ, আহমদ ইবন শু’আয়ব (৩০৪ হি.), আস-সুনানুল কুবরা ৪/১৬১।

জিপিএ-৫ কেলেঙ্কারি, কাদির মোল্লা স্কুলকে শিক্ষা বোর্ডের শোকজচলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষায় নরস...
17/08/2026

জিপিএ-৫ কেলেঙ্কারি, কাদির মোল্লা স্কুলকে শিক্ষা বোর্ডের শোকজ
চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষায় নরসিংদীর নাছিমা কাদির মোল্লা হাই স্কুল অ্যান্ড হোমসের শতভাগ জিপিএ-৫ অর্জনের ঘটনা ঘিরে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। বিভিন্ন গণমাধ্যমে এ সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর বিষয়টি শিক্ষা বোর্ডের নজরে আসে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সার্বিক সত্যতা যাচাই ও ব্যাখ্যা চেয়ে প্রতিষ্ঠানটিকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ পাঠিয়েছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড।
রোববার (১৬ আগস্ট) ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের এক অফিস আদেশে এই তথ্য জানানো হয়।
অফিস আদেশে বলা হয়, চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পর নরসিংদীর নাসিমা কাদির মোল্লা হাই স্কুল এন্ড হোমস্ এর শতভাগ জিপিএ-৫ অর্জনের জন্য নিয়মবহির্ভূত কৌশল অবলম্বনের অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে। এ লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠানটিতে ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীর তথ্য, ৯ম শ্রেণিতে নিবন্ধিত শিক্ষার্থীর তথ্য, এসএসসির নির্বাচনী পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীর তথ্য এবং এসএসসি পরীক্ষায় ফরমপূরণকৃত শিক্ষার্থীর তথ্যসহ প্রয়োজনীয় নথিপত্র সশরীরে উপস্থিত হয়ে আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে উত্থাপিত অভিযোগের কারণ ব্যাখ্যার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অত্যন্ত জরুরি এই নির্দেশনা অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জবাব না দিলে বিধি অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।
See less

SSC বিভিন্ন বোর্ডের পাশের হার জেনে নিন
10/08/2026

SSC বিভিন্ন বোর্ডের পাশের হার জেনে নিন

Address

Faridgonj, Chittagong
Chandpur
3600

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Faridganj TV posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Faridganj TV:

Shortcuts

Share