21/08/2026
মতিউর রহমান নিজামী,আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদদের মতো জিয়া পরিবারকে চাটাচাটি করে সম্ভবত তথ্য মন্ত্রালয় লুফে নিয়েছেন আন্দালিব রহমান পার্থ।
১৯৯৬ সালে একক ভাবে নির্বাচন করে নিজামী মুজাহিদরা মাত্র ৩ সিট পেয়েছে,১২০+ সিটে জামানত হারাইছে কিন্তু নিজামী-মুজাহিদরা ধুরন্ধর ছিলেন।
যখন বুঝতে পেরেছেন ২০০১ সালে বিএনপির ক্ষমতায় আসা সুনিশ্চিত,তখনই ১৯৯৯ সাল থেকে জিয়া পরিবারকে চাটাচাটি শুরু করছে নিজামী মুজাহিদরা;পরবর্তীতে চাটাচাটির পুরস্কার হিসেবে দুইটা মন্ত্রালয়ও পেয়েছে।
অবশ্য মতিউর রহমান নিজামী,আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদদের সাথে আন্দালিব রহমান পার্থের বিস্তর পার্থক্য আছে।
নিজামী-মুজাহিদরা সবসময়ই লাভের ভাগ খেতে চাইতো,লসের সময়ে বেঈমানী করতো;এ-ই কারণেই ১-১১ তে বেগম খালেদা জিয়া আর তারেক রহমান আটক হওয়ার পর মুজাহিদ বলেছিলো,
"বেগম খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমানের দায় তারা (নিজামী-মুজাহিদ) নিবে না"।
কিন্তু এক্ষেত্রে আন্দালিব রহমান পার্থ সবসময়ই আলাদা ছিলেন,বঙ্গবন্ধু পরিবারের এতো ঘনিষ্ঠ আত্মীয় হওয়ার পরও জিয়া পরিবারের সে-ই দুঃসময়ে অতন্দ্রপ্রহরী হয়ে পাশে ছিলেন।
যেসময় তারেক রহমানের নাম নেওয়া কিংবা তারেক রহমানের সাথে দেখা করা বিশাল অপরাধ ছিলো,সেসময় দিব্যি লন্ডন গিয়ে তারেক রহমানের সাথে দেখা করে সেই ছবি আবার সোশ্যাল মিডিয়ায় আপলোড করতেন।
পৃথিবীর সবচেয়ে ভয়াবহ স্বৈরাচারের মন্ত্রীদের সামনেই সকল রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে পার্লামেন্টে পার্থ বলেছেন," তারেক রহমান যেদিন ঢাকায় নামবে,সেদিন বাংলাদেশের মানুষ তারেকের পরিণতি ঠিক করবে"।
হ্যা তারেক রহমান এসেছেন,বাংলাদেশের মানুষের বিপুল জনসমর্থন নিয়ে প্রধানমন্ত্রীও হয়েছেন এবং সে-ই সরকারের সম্ভবত তথ্য মন্ত্রী হচ্ছেন আন্দালিব রহমান পার্থ।
অভিনন্দন আন্দালিব রহমান পার্থ❤️
পার্লামেন্টে আপনার সে-ই গগনবিদারী বক্তব্যগুলো শুনে এদেশের একটা প্রজন্ম রাজনীতিতে এসেছে,এটা আজকের দিনে স্বীকার করতে আমার কোনো দ্বিধা নেই....