25/09/2026
১৯৮০: বাংলাদেশের রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ১১তম অধিবেশনে ভাষণ রেখেছিলেন প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান।
সেই ভাষণের মূল বিষয়বস্তু ছিল- ধনী ও দরিদ্র দেশগুলোর মধ্যকার অর্থনৈতিক বৈষম্য দূর করতে উদ্যোগ গ্রহণ করা, ক্ষুধা-দারিদ্র্য বিমোচনে কাজ করা, উন্নয়নশীল দেশগুলোর আত্মনির্ভরশীলতা এবং পারস্পরিক অংশীদারিত্বে মাধ্যমে একটি ন্যায়সংগত প্যারালাল বিশ্বব্যবস্থা গড়ে তোলা।
১৯৯৩: বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ৪৮তম অধিবেশনে ভাষণ রেখেছিলেন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া।
সেই ভাষণের মূল বিষয়বস্তু ছিল- দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের পুনরুত্থান, টেকসই উন্নয়ন, পানি ও খাদ্যের অধিকার, ছোট অর্থনীতির রাষ্ট্রগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং শিশু ও নারীদের আর্থসামাজিক উন্নয়নে বিশ্বনেতাদের সচেষ্ট হতে আহবান। পাশাপাশি তার সরকারের উদ্যোগগুলোকে সবার সামনে প্রেজেন্ট করেছেন।
আজকে ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ৮১তম অধিবেশনে ভাষণ দিলেন তাদের সন্তান বাংলাদেশ সরকারের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
এই ভাষণের মূল বিষয়বস্তু ছিল- বাংলাদেশের নতুন করে গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রার চিত্র তুলে ধরা, মানুষের ভাগ্যান্নয়নে তার সরকারের কর্মপরিকল্পনা প্রেজেন্ট করা।
জলবায়ু পরিবর্তন প্রভাব নিয়ে সোচ্চার হওয়া, ন্যায়বিচার ও অর্থায়ন, দীর্ঘস্থায়ী রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানে কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়া, প্রযুক্তিগত সমতা এবং একটি কার্যকর ও রিফর্মে বৈশ্বিক বহুপাক্ষিক ব্যবস্থার রূপরেখা প্রণয়ন করতে উদ্যোগ নিতে বিশ্বনেতাদের আহবান করা।
রাষ্ট্রপ্রধান হয়ে একই পরিবারের স্বামী ও স্ত্রী এবং তারা গত হওয়ার পর, দ্বিতীয় প্রজন্মের তাদের সন্তান প্রধানমন্ত্রী হয়ে জাতিসংঘে সাধারণ পরিষদ বক্তব্য রাখার ঘটনা ইতিহাসে বিরল।
এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক এমনই এক সময়ে বক্তব্য রেখেছেন যখন তার ক্যাবিনেট মেম্বার জাতিসংঘের এই অধিবেশনের প্রেসিডেন্টের আসনে বসে অধিবেশন পরিচালনা করছেন।
অনন্য মুহুর্ত!