Alajul Quran

Alajul Quran Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Alajul Quran, Digital creator, ফরিদগঞ্জ, পৌরসভা, ওয়াপদা কলোনী, এফ ১৩, দ্বিতীয় তলা।, Chandpur.

আমরা যাদের জন্য সময় নষ্ট করি তারা আমাদের জন্য এক মুহূর্ত ও ভাবে না বিশিষ্ট লেখক, গবেষক, মুদাব্বির, চিকিৎসক, জয়নাল আবেদীন চাঁদপুরী হুজুরের কাছ থেকে বই সংগ্রহ ও কুরআন সুন্নাহর আলোকে চিকিৎসা নেওয়ার জন্য হোয়াটস্যাপে মেসেজ করুন ✆ 01725174377

29/12/2025

সুখবর রাকী ও রোগীদের জন্য সুখবর

23/12/2025

পাঁচই জানুয়ারি থেকে শুরু হতে যাচ্ছে রূহানি চিকিৎসা শিক্ষা কোর্স

তাদেরকে বলে দিও সকল মুসলিম নারী পুরুষের জন্য প্রযোজ্য ! কাল হাশরের মাঠে বাবা-মা-ভাই-বোন-স্ত্রিরী-সন্তান কেউ কাউকে চিনবে ...
16/12/2025

তাদেরকে বলে দিও সকল মুসলিম নারী পুরুষের জন্য প্রযোজ্য ! কাল হাশরের মাঠে বাবা-মা-ভাই-বোন-স্ত্রিরী-সন্তান কেউ কাউকে চিনবে না!"
আল্লাহর নাফরমানিতে লিপ্ত থাকা অবস্থায়ও মৃত্যু আসতে পারে!"
দুনিয়ার এই জীবন কি'আমত পর্যন্ত দীর্ঘ হলেও তা একদিন শেষ হয়ে যাবে!"
দুনিয়ার জীবনের কষ্ট সর্বোচ্চ মাত্র ৬০/৭০ বছর। আখিরাতের জীবন অনন্তকাল!"
দুনিয়ার জীবন বেহুদা খেল-তামাশা ছাড়া কিছুই নয়!"
মৃত্যু অনিবার্য, সুতরাং তা যেন হয় আল্লাহরই পথে!"
ইসলাম বিজয়ী হওয়ার জন্য দুনিয়াতে এসেছে, বিজয়ী হয়েই থাকবে!"
আমরা কখনোই পরাজিত হই না। হয়তো জিতি নয়তো মরি (শহীদ হই)!"
জাহান্নামের অধিবাসী বেশিরভাগই নারীরা!"
দাজ্জালের বেশি অনুসারী হবে নারীরা!"
জাহান্নামের আগুন দুনিয়ার আগুনের চেয়ে ৬৯ গুণ বেশি শক্তিশালী!"
জাহান্নাম দুনিয়ার জেলখানার মত নয়। সেখানের কষ্ট মানুষের অনুমানেরও বাইরে!"
শহীদদের কোনো মৃত্যু কষ্ট নেই। সামান্য পিপড়ার কামড়ের অনুভূতি!"
শহীদরা মৃত্যুর পর থেকেই জান্নাতের নি'আমত ভোগ করতে থাকবে!"
শহীদের রুহ সবুজ পাখিদের ভেতর দিয়ে দেয়া হবে। কি'আমত পর্যন্ত তারা জান্নাতের বাগানে ঘুরে বেড়াবে!"
জান্নাতে প্রথম পা রাখতেই দুনিয়ার সব কষ্ট ভুলে যাবে!"
কারাগার কারো জন্য লাশ কাটা ঘর, জাহান্নাম। আর কারো জন্য জান্নাত, নবী ইউসূফের পাঠশালা!"
কখনও ঝড়ে যেও না। আল্লাহর হুকুমের উপর শক্ত হয়ে জমে থেকো। যদিও হাতে জ্বলন্ত আঙ্গার রাখার মত হয়!
যে জীবন ফড়িঙের, যে জীবন জোনাকি পোকার, সে জীবন যেন তাদের না হয়!"
আল্লাহ তা‘আলা আমাদের সবাইকে সঠিক এবং পরিপূর্ণ ভাবে জানার, বোঝার ও মেনে চলার তাওফীক দান করুন এবং আমাদের সবাইকে কবুল ও হিফাযত করুন এবং মৃত্যুর আযাব, কবর আযাব ও জাহান্নামের আযাব থেকে হিফাযত করে জান্নাতুল ফিরদাউস দান করুন(আমীন)

15/12/2025

মাওলানা শরিফুল ইসলাম সাহেবের মন্তব্য ও অভিমত

13/12/2025

সুখবর সুখবর সুখবর না শুনলে ভুল করবেন

04/12/2025

সতর্ক বার্তা

وجعلنا لمهلكهم موعداআমি তাদের ধ্বং-সের জন্য একটি সময় ঠিক করে রেখেছি জালিম ধ্বং-স হবেই। (সূরা: কাহফ ৫৯)
02/12/2025

وجعلنا لمهلكهم موعدا
আমি তাদের ধ্বং-সের জন্য একটি সময় ঠিক করে রেখেছি জালিম ধ্বং-স হবেই। (সূরা: কাহফ ৫৯)

ওবাদা ইবনু ছামেত রাদিআল্লাহু আনহু বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি বলেছেন,আল্লাহ তা'আলা পাঁচ ওয়াক্ত ছালাত ফরয করছেন। যে ...
01/12/2025

ওবাদা ইবনু ছামেত রাদিআল্লাহু আনহু বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি বলেছেন,
আল্লাহ তা'আলা পাঁচ ওয়াক্ত ছালাত ফরয করছেন। যে ব্যক্তি ছালাত আদায়ের জন্য উত্তমরূপে ওযু করবে এবং ঠিক সময়ে ছালাত আদায় করবে এবং পূর্ন ভয়-ভীতি নিয়ে বিনয়ের সাথে তার রুকু পূর্ণ করবে, তার জন্য আল্লাহর প্রতিশ্রুতি রয়েছে, আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দিবেন। আর যে এভাবে আদায় করবে না, তার জন্য আল্লাহর উপর কোন প্রতিশ্রুতি নেই। ইচ্ছা করলে আল্লাহ তাকে মাফ করবেন, ইচ্ছা করলে তাকে শাস্তি দিবেন'।
(আবু দাউদ হা/৪২৫; নাসাঈ, ইবনে মাজাহ হা/১৩০১; মুসনাদে আহমাদ হা/২২৭০৪; হাদীছ ছহীহ(

ওয়াদা ভঙ্গ নিয়ে মহানবী (সা.)-এর কঠোর হুঁশিয়ারিওয়াদা করে তা পূর্ণ করাই ইসলামের বিধান এবং সাওয়াবের কাজ। আর ওয়াদা করে তা...
30/11/2025

ওয়াদা ভঙ্গ নিয়ে মহানবী (সা.)-এর কঠোর হুঁশিয়ারি
ওয়াদা করে তা পূর্ণ করাই ইসলামের বিধান এবং সাওয়াবের কাজ। আর ওয়াদা করে তা ভঙ্গ করা গোনাহের কাজ।
পবিত্র কোরআন ও হাদিসে এ প্রসঙ্গে অনেক গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘আর অঙ্গীকার পূর্ণ করো। অবশ্যই অঙ্গীকার সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।’ -(সুরা বনি ইসরাঈল, আয়াত: ৩৪)
অন্যত্র মহান আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘হে মুমিনরা! তোমরা অঙ্গীকারগুলো পূর্ণ করো।’-(সুরা মায়েদা, আয়াত: ১)
মহান আল্লাহ বলেন, ‘আর তোমরা আল্লাহর নামে অঙ্গীকার করার পর সেই অঙ্গীকার পূর্ণ করো। তোমরা পাকাপোক্ত অঙ্গীকার করার পর তা ভঙ্গ করো না এবং প্রকৃতপক্ষে তোমরা তো নিজেদের জন্য আল্লাহকে জিম্মাদার বানিয়েছো, নিশ্চয়ই আল্লাহ জানেন, যা তোমরা করো।’-(সুরা নাহল, আয়াত : ৯১)
প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করা এবং কাউকে কথা দিয়ে কথা না রাখা বিবেকবহির্ভূত এবং মারাত্মক অন্যায়। ইসলামী শরিয়তে যেসব কাজ জঘন্য এবং নিকৃষ্ট ওয়াদা ভঙ্গ করা তেমনই একটি গর্হিত এবং পাপকাজ।
আল্লাহ বলেন, ‘হে ঈমানদাররা, তোমরা কেন এমন কথা বলো! যা কাজে পরিণত করো না, এটা আল্লাহর কাছে অত্যন্ত জঘন্য ও ঘৃণিত কাজ যে তোমরা বলবে এমন কথা যা করবে না।’-(সুরা : সফ, আয়াত : ২-৩)
অন্য আয়াতে বলেন, ‘হে ঈমানদাররা! তোমরা নিজেদের সন্ধিচুক্তি পালন করো।’-(সুরা : সফ, আয়াত : ০১)
অন্যত্র মহান আল্লাহ তাআলা ওয়াদা ঠিক রাখা-না রাখা উভয় বিষয়ের লাভ ও ক্ষতির বিষয়টি সুস্পষ্টভাষায় তুলে ধরেছেন। আল্লাহ তাআলা বলেন-بَلَى مَنْ أَوْفَى بِعَهْدِهِ وَاتَّقَى فَإِنَّ اللّهَ يُحِبُّ الْمُتَّقِينَ - إِنَّ الَّذِينَ يَشْتَرُونَ بِعَهْدِ اللّهِ وَأَيْمَانِهِمْ ثَمَنًا قَلِيلاً أُوْلَـئِكَ لاَ خَلاَقَ لَهُمْ فِي الآخِرَةِ وَلاَ يُكَلِّمُهُمُ اللّهُ وَلاَ يَنظُرُ إِلَيْهِمْ يَوْمَ الْقِيَامَةِ وَلاَ يُزَكِّيهِمْ وَلَهُمْ عَذَابٌ أَلِيمٌ ‘যে লোক নিজ (ওয়াদা) প্রতিজ্ঞা পূর্ণ করবে এবং পরহেজগার হবে, অবশ্যই আল্লাহ পরহেজগারদেরকে ভালবাসেন। যারা আল্লাহর নামে কৃত অঙ্গীকার এবং প্রতিজ্ঞা সামান্য বিনিময়ে বিক্রয় করে, আখেরাতে তাদের কোনো অংশ নেই। আর তাদের সঙ্গে কেয়ামতের দিন আল্লাহ কথা বলবেন না। তাদের প্রতি (করুণার) দৃষ্টিও দেবেন না। আর তাদের পরিশুদ্ধও করবেন না। বস্তুত তাদের জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক আজাব। (সুরা ইমরান : আয়াত ৭৬-৭৭)
আয়াতের সার সংক্ষেপআল্লাহ তাআলা এ দুই আয়াতের একটিতে ওয়াদা ঠিক রাখার ফজিলত এবং অন্যটিতে ভঙ্গ করার নিন্দা ও শাস্তির বিবরণ বর্ণনা করেছেন। আগের কিছু আয়াতে ইয়াহুদিদের প্রতারণা ও মিথ্যা দাবির কিছু বিষয় তুলে ধরা ধরেছেন।
প্রকৃতপক্ষে নৈতিক উন্নতি ও উত্তম আচরণের মূলভিত্তি হচ্ছে তাকওয়া। আর তাকওয়া বা আল্লাহর ভয়ই মানুষকে প্রতিজ্ঞা পূর্ণ করতে আগ্রহী করে তোলে। তাই ওয়াদা তথা প্রতিজ্ঞা সৃষ্টির সঙ্গে হোক আর স্রষ্টার সঙ্গে হোক তা পূর্ণ করা আবশ্যক ও ফজিলতপূর্ণ কাজ। আল্লাহ তাআলা এদের বেশি ভালোবাসেন।
পক্ষান্তরে মহান আল্লাহ তাআলা দুনিয়ার স্বার্থে ওয়াদা ভঙ্গকারীদের নিন্দা ও ধিক্কার জানিয়েছেন। দুনিয়ার সামান্য স্বার্থের কাছে পরাজয় বরণ করে ওয়াদা ভঙ্গ করলে এর ক্ষতিও মরাত্মক। এ আয়াতে ৫ ধরনের ক্ষতির ইঙ্গিত পাওয়া যায়। আর তাহলো-- ওয়াদা ভঙ্গকারীর জান্নাতের নেয়ামতে কোনো অংশ নেই। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি মিথ্যা শপথ দ্বারা কোনো মুসলমানের অধিকার নষ্ট করে, সে নিজের জন্য জাহান্নামের শাস্তিকে অপরিহার্য করে নেয়। বর্ণনাকারী বলেন, যদি বিষয়টি সামান্য হয় তবুও কি জাহান্নামের শাস্তি অপরিহার্য? তিনি বললেন, ‘তা গাছের একটা তাজা ডালই হোক না কেন।’ (মুসলিম)
- ওয়াদা ভঙ্গকারীর সঙ্গে আল্লাহ অনুকম্পাসূচক কথা বলবেন না।- কেয়ামতের দিন আল্লাহ তাআলা ওয়াদা ভঙ্গকারীর দিকে রহমতের দৃষ্টিতে তাকাবেন না।- আল্লাহ তআলা ওয়াদা ভঙ্গকারীর গোনাহ ক্ষমা করবেন না। কেননা অঙ্গীকার ভঙ্গের কারণে বান্দার হক নষ্ট হয়। আর বান্দার হক আল্লাহ ক্ষমা করবেন না।- ওয়াদা ভঙ্গকারীর জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি। (তাফসিরে জালালাইন ও মারেফুল কুরআন)
আয়াত নাজিলের প্রেক্ষাপটখোলাসাতুত তাফসিরের তথ্য মতে, একবার মদিনায় ভীষণ দুর্ভিক্ষ দেখা দেয়। কয়েকজন ইয়াহুদি সে সময় মুসলমান হয়ে যায়। তারা কাব ইবনে আশরাফের কাছে যায়। সে ছিল ইয়াহুদিদের সরদার। তারা তার কাছে সাহায্যের আবেদন করে।কাব ইবনে আশরাফ বলল, যে লোকটি নবুয়তের দাবি করছে, তার ব্যাপারে তোমাদের মন্তব্য কী? তারা উত্তরে বলল, তিনি আল্লাহর নবি এবং তাঁর বান্দা।কাব ইবনে আশরাফ এ কথা শুনে বলল, তোমরা আমার কাছে কিছুই পাবে না।নব মুসলিম ইয়াহুদিরা বলল, এ কথা আমরা এমনিতেই বলেছিলাম। আপনি আমাদের অবকাশ দিন; আমরা ভেবে-চিন্তে জবাব দেব।কিছু সময় পর তারা এসে জানাল, ‘মুহাম্মাদ শেষ নবি নয়। কাব ইবনে আশরাফ তাদের শপথ করতে বললে তারা এ ব্যাপারে শপথ করতে দ্বিধাবোধ করল না।তারপর কাব ইবনে আশরাফ তাদের প্রত্যেককে ৫ সা যব এবং ৮ গজ করে কাপড় দেয়। উল্লেখিত আয়াতটি এ ঘটনার প্রেক্ষিতে নাজিল হয়।
কেয়ামতের দিন আল্লাহ তায়ালা প্রতিশ্রুতি ভঙ্গকারীর ওপর রাগান্বিত থাকবেন। আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণিত হয়েছে, রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘কোনও মুসলিমের সম্পদ আত্মসাৎ করার জন্য অথবা তার ভাইয়ের সম্পদ আত্মসাৎ করার জন্য যে ব্যক্তি মিথ্যা কসম করবে, আল্লাহর সঙ্গে তার সাক্ষাৎ এমন অবস্থায় ঘটবে যে, আল্লাহ তার ওপর রাগান্বিত থাকবেন। এ কথার সত্যতার জন্য আল্লাহতায়ালা অবতীর্ণ করেন, নিশ্চয়ই যারা আল্লাহর সঙ্গে কৃত অঙ্গীকার এবং নিজেদের শপথকে তুচ্ছমূল্যে বিক্রি করে, তারা আখিরাতের নেয়ামতের কোনো অংশই পাবে না।’ (বুখারি, হাদিস : ৬৬৫৯)
হজরত আবু উমামা বাহেলি রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি মিথ্যা শপথের মাধ্যমে কোনো মুসলমানের অধিকার বিনষ্ট করে আল্লাহ তাআলা তার ওপর বেহেশত হারাম করে দেন আর তার জন্য জাহান্নাম অবধারিত। কেউ কেউ আরজ করল, যদি তা খুব সামান্য পরিমাণ হয়? তিনি জবাবে বললেন, যদিও তা পেলু গাছের শাখাও হয়।’ (মুসলিম)
দুর্ভাগ্য ও আফসোসের বিষয় আমরা মুসলমান দাবী করি কিন্তু ওয়াদা ঠিক রাখি না একজন মুসলমানের ওয়াদা রক্ষা করা কত গুরুত্বপূর্ণ তা
আমরা জানিনা ও জানার চেষ্টাও করি না
যেই কাজ আমার পক্ষে নির্দিষ্ট সময় করা সম্ভব নয় দুনিয়ার সামান্য স্বার্থের জন্য আপনি ওয়াদা বোরকাপ করবেন কিন্তু পরকালের আজাবের কথা কি আমি একটু চিন্তা করছেন
মুসলিমদের জন্য সতর্কতাকোনো অবস্থাতেই ওয়াদা ভঙ্গ করা যাবে না। তা হোক কোনো ব্যক্তির সঙ্গে কিংবা আল্লাহর সঙ্গে। কেননা ওয়াদা ভঙ্গকারীর পরিণতি মারাত্মক ও ভয়াবহ।আর যত কষ্টই হোক ওয়াদা রক্ষা করার উপকারিতা অনেক বেশি। এর মাধ্যমে বান্দার অন্তরে আল্লাহর ভয় তৈরি হয়। আর যে ব্যক্তি মহান আল্লাহকে ভয় করেন; আল্লাহ তাআলা ওই ব্যক্তিকে ভালোবাসেন।
আল্লাহ তাআলা সবাইকে ওয়াদা রক্ষা করার তাওফিক দান করুন। ওয়াদা ভঙ্গের মারাত্মক ক্ষতি থেকে বেঁচে থাকার তাওফিক দান করুন। আমিন।

23/11/2025

তিব্বে রূহানী বই কোথায় পাবেন কার কাছে পাবেন

21/11/2025

জিনের ও এলার্জি চিকিৎসা

17/11/2025

নাঈমুল হাসানের সফলতার গল্প

Address

ফরিদগঞ্জ, পৌরসভা, ওয়াপদা কলোনী, এফ ১৩, দ্বিতীয় তলা।
Chandpur
3650

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Alajul Quran posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share