Sultana Nil

Sultana Nil "People say nothing is impossible but I do nothing everyday"

14/06/2026

সূরা সাজদাহ আমার কাছে একটা সিন্দুকের মত, যেই সিন্ধুক এমন কল্যাণে ভরপুর, এমন ফুল দ্বারা পরিপূর্ণ ঝুড়ির মত যেই ঝুঁড়িতে কি ফুল আছে তা তো দেখা যায় না, কিন্তু এর সুবাস আমাদের বলে দেয়, ক্ষতি নেই ফুলগুলো পাবার জন্য যদি হাজার কষ্টও করতে হয়।

হয়ত ভাবছেন, সূরা সাজদাহ এর কোন ফজীলত তো উল্লেখিত নেই, তাহলে এতকিছু কিভাবে ভাবছি! আসলে, এর ফজীলত উল্লেখিত না থাকাই এত সুন্দর ভাবনাটার পিছনের মূল কারণ। বিষয়টা খুলে বলছি,

আমাদের বেশিরভাগ আমলের ফজীলত কিন্তু নবী করীম ﷺ আমাদের জানিয়ে দিয়ে গেছেন, দুয়েকটা বাদে, তাইনা? যেমন, সাওম। সাওমের প্রতিদান কি দেবেন তা আল্লাহ তা'আলা নিজ অবধিই সীমাবদ্ধ রেখেছেন। এতটাই পছন্দের এ আমল তার কাছে যে তিনি প্রতিদান দিবসেই কেবল তা বান্দাদের সামনে হাজির করবেন। আবার সূরা সাজদাহ এর আমলটাও কিন্তু এমনই এক আমল। আমরা কিছু জানিনা এর ফজীলত সম্পর্কে, নবীজী ﷺ কিছু জানিয়ে যাননি, জানামতে । কেমন হয় যদি আখিরাতে গিয়ে দেখতে পাই যে এর প্রতিদান এমন সুন্দর কিছু যা আমাদের কল্পনায়ও আসেনি?? এমন কিছু যা আমাদের চাওয়া পাওয়ারও অনেক উপরে! আল্লাহ তা'আলাই ভালো জানেন, হতেই পারে এই আমলের প্রতিদান না জানানোটাও আল্লাহ তা'আলার এক পরীক্ষা যে, না জেনেই কারা এ আমলটা ধরে রাখে এটা দেখা!

আবার, এইযে আমরা এর ফজীলত সম্পর্কে কিছুই জানিনা, আমরা যদি এটা নিয়মিত আমল করি তবে আমরা এমন একটি সুন্নাহ পালন করলাম যার পুরষ্কার অজানা, যা আসবে নবী ﷺ এর সুন্নাহ এর প্রতি নিখাঁদ ভালোবাসা থেকে। আখিরাতে তাঁর সাথে সাক্ষাৎ এর সময় আমরা হাসিমুখে বলতে পারব,

হে আল্লাহর রাসুল ﷺ, আমরা এ আমলের ফজীলত সম্পর্কে ছিলাম বেখবর, কেবল আল্লাহ এবং তাঁর রাসুলের ভালোবাসায় প্রতিরাতে এ আমল করে এসেছি, আলহামদুলিল্লাহ, আমরা আপনার সুন্নাহকে ভালোবেসে আঁকড়ে ধরেছি। না পড়ার সুযোগ আছে বলে বাদ দিয়ে দেইনি বরং আপনি তা করতে ভালোবাসতেন বলে আমরাও ভালোবেসে এসেছি।

কত সুন্দর হবে সেই সময়টা একবার চিন্তা করুন, ভাবলেই কি আজ থেকেই এ আমলের সাথে নিজেকে জুড়ে দিতে ইচ্ছে করে না? আল্লাহ তা'আলা আমাদের সকলের জন্য উত্তম আমলকে সহজ করে দিন, নিচের আয়াতটা নিয়ে কতশত জল্পনা কল্পনা করা যায় তাইনা?

فَلَا تَعۡلَمُ نَفۡسٌ مَّاۤ اُخۡفِیَ لَہُمۡ مِّنۡ قُرَّۃِ اَعۡیُنٍ ۚ جَزَآءًۢ بِمَا کَانُوۡا یَعۡمَلُوۡنَ

কেউ জানে না তার জন্যে কৃতকর্মের কি কি নয়ন-প্রীতিকর প্রতিদান লুক্কায়িত আছে।

14/06/2026

"যিকিরকারীর জন্য রয়েছে চমকপ্রদ প্রতিদান"!

ইমাম ইবনুল কায়্যিম (রাহিমাহুল্লাহ) বলেছেন:

"নিশ্চয়ই যিকির হলো যিকিরকারীর জন্য ইহকালে একটি নূর (আলো), তার কবরে একটি নূর এবং পরকালে তার পুনরুত্থানের দিনে একটি নূর যা পুলসিরাতের ওপর তার সামনে পথ দেখিয়ে নিয়ে যাবে। অন্তরসমূহ এবং কবরসমূহ আল্লাহর যিকিরের মতো অন্য কোনো কিছুর মাধ্যমেই এমন আলোকিত হয় না।"

আল্লাহ তাআলা বলেন:
"যে ব্যক্তি মৃত ছিল, অতঃপর আমি তাকে জীবিত করেছি এবং তাকে এমন একটি নূর দান করেছি যা নিয়ে সে মানুষের মাঝে চলাফেরা করে সে কি ঐ ব্যক্তির মতো হতে পারে যে অন্ধকারে নিমজ্জিত এবং সেখান থেকে বের হতে পারছে না?" (সূরা আল-আন'আম: ১২২)

প্রথম ব্যক্তি হলেন সেই মুমিন, যিনি আল্লাহর প্রতি ঈমান, তাঁর ভালোবাসা, তাঁর পরিচয় লাভ এবং তাঁর যিকিরের মাধ্যমে আলোকিত হয়েছেন। আর দ্বিতীয় ব্যক্তি হলেন সেই গাফেল (বিস্মৃত), যে আল্লাহ তাআলা থেকে বিমুখ এবং তাঁর যিকির ও ভালোবাসা থেকে বঞ্চিত।

সারকথা, সমস্ত বিষয়ই নির্ভর করে এই আলোর ওপর, সফলতা সম্পূর্ণভাবে এতে নিহিত, আর দুর্ভাগ্য সম্পূর্ণভাবে এর অভাবে।

📕 [আল-ওয়াবিলুস সাইয়্যিব, পৃষ্ঠা ১১৪–১১৫]

14/06/2026

ঘুম থেকে উঠে এই দোয়া টি করবেন....২১—দিন টানা এই আমল গুলো করুন।
উত্তম জায়গায় বিয়ের ফয়সালা হবে ইনশা আল্লাহ।

১. ফজরের পর—حسبي الله لا اله الا هو عليه توكلت وهو رب العرش العظيم

বাংলা উচ্চারণ:
হাসবিয়াল্লাহু লা-ইলাহা ইল্লা হুয়া, আলাইহি তাওয়াক্কালতু, ওয়া হুয়া রব্বুল আরশিল আযীম।

৭বার পড়া।

২. لا اله الا انت سبحانك اني كنت من الظالمين

বাংলা উচ্চারণ:
লা-ইলাহা ইল্লা আনতা সোবহানাকা ইন্নী কুনতু মিনাজ-জালিমীন।

৪০বার পড়া।

৩. মাগরিবের পর ১১-বার এই দোয়া পাঠ করুন।
ربنا هب لنا من ازواجنا وذرياتنا قرة اعين وجعلنا للمتقين اماما،
উচ্চারণ:
রব্বানা হাব-লানা মিন আযওয়াজিনা ও যুররিয়্যাতিনা কুররতা আ'ইউনিওঁ ওয়াজাআলনা লিল মুত্তাকীনা ইমামা।

আরবি টা দেখে পড়লে ভালো হবে।

৪. হযরত মুসা (আঃ) এর দোয়া ১০০ বার পড়া।

দোয়াটি—ربي اني لما انزلت الي من خير فقير

বাংলা উচ্চারণ:
রব্বী ইন্নী লিমা আনজালতা ইলাইয়্যা মিন খায়রিন ফাকীর।

আরবি দেখা পড়বেন।

৫. তাহাজ্জুদের সময় ১০০বার ইয়া ওয়াহহাবু পাঠ করা।

এরপর দোয়া করুন—হে আল্লাহ! আমার জন্য এমন জীবনসঙ্গী নির্ধারণ করুন, যে আমার দ্বীন, ও দুনিয়ার জন্য কল্যাণকর হবে।।

এভাবেই নিয়মিত টানা 21 দিন আমলটি করুন।
অলৌকিকভাবে আপনার ভাগ্য পরিবর্তন হবে।
এবং উত্তম জায়গায় বিয়ের ফয়সালা হবে।
ইনশা আল্লাহ।

নিজেও আমল করুন। এবং সর্বোচ্চ প্রচার করে অন্যান্য প্রিয় ভাই-বোনদের আমলের সুযোগ করে দিন।

13/06/2026

মৌখিক যত আমল আছে নামাজ, জিকির, তিলাওয়াত সব আমলে মুখের উচ্চারণ জরুরি। তাও সেটা শুদ্ধ উচ্চারনে হতে হবে, ভুল হতে পারবে না মোটেও।শুধু দুআই এর ব্যতিক্রম...কী অদ্ভূত তাই না!

এরকম কত সময় হয়, আল্লাহর কাছে হাত তুলে আল্লাহর বান্দা বলার মতো ভাষা পায় না, চাওয়ার মতো শব্দ পায় না। গুছিয়ে প্রকাশ করার মতো তার কাছে কোনো বাক্য থাকে না। চোখের পানি ফেলে শুধু একটি কথাই সে আওড়াতে থাকে, "ও আল্লাহ! আপনি তো সবই জানেন।" বান্দার না‌ বলা‌ কথাগুলো তারপরও সাত আসমান ভেদ‌ করে চলে যায় আরশে আযিমে। দুর্বল বান্দার রব বুঝে নেন‌ তার সবটুকুই।

যদি বলা হতো, মুখে না বললে দুআ কবুল হবে না। ভাষার শুদ্ধতা লাগবে, লাগবে সঠিক শব্দ ও শুদ্ধ উচ্চারণের, কি হতো তখন আমাদের অবস্থা।

"আর কে আছে আল্লাহ ছাড়া, যখন কোন অসহায় ব্যক্তি তার কাছে ফরিয়াদ জানায়, তিনি তার ডাকে সাড়া দেন আর তার কষ্টগুলোকে দূর করে দেন।" - [সুরা নামল, আয়াত ৬২।]

13/06/2026

এলোমেলো জীবনটাকে কিছুটা সহজ করতে পারে কিছু কাজঃ

১) নির্ধারিত সময়ে সালাত আদায় করা। সালাতে যথাসম্ভব খুশু-খুযু ধরে রাখার চেষ্টা করা।

২) সকাল-সন্ধ্যা ও ঘুমানোর পূর্বের আমল বাদ না দেওয়া।

৩) সকালে ঘুম থেকে উঠে কিংবা রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে সারাদিনের কাজ ও ব্যক্তিগত আমলের টু-ডু লিস্ট করে রাখা।

৪) দুআ কবুলের সময়গুলোকে ফোকাস করে দুআ করা। অবশ্যই নিজের ব্যক্তিগত একটা দুআ লিস্ট রাখা।

৫) দুরুদ ও ইস্তেগফারের টার্গেট নেওয়া। এতে করে জীবনের প্রতিটা ক্ষেত্রে সহজতা আসে।

৬) ব্যস্ততার মাঝেও কুরআনের জন্য সময় রাখা। বিশেষ করে রাতে সূরা মূলক তিলাওয়াত এবং প্রতিদিন সূরা বাকারাহর অন্তত কিছু আয়াত পড়া। হায়েজের সময় শুনতে পারেন।

৭) সেল্ফ কেয়ার করা। প্রতিদিন গোসল, চুল আঁচড়ানো, গোসলের পর শরীরে জয়তুন তেল দেওয়া, সপ্তাহে অন্তত একবার হেয়ার প্যাক লাগানো_এসব মনকে চাঙ্গা রাখে। বাসায় আতর বা সুন্দর খুশবু ব্যবহারও প্রশান্তি দেয়। পাশাপাশি শাকসবজি, ফলমূল ও পর্যাপ্ত পানি খাওয়ার চেষ্টা করা উচিত। ফিজিক্যাল এক্সারসাইজ ফিটনেস ধরে রাখার পাশাপাশি অলসতা দূর করে, কাজের গতি বাড়ায়।

৮) মানুষের সাথে অপ্রয়োজনীয় মেলামেশা কমানো। প্রয়োজনের বাইরে সোশ্যাল মিডিয়ায় অতিরিক্ত এক্টিভ না থাকা। অধিক মানুষের সাথে অকারণ কথাবার্তা অন্তরকে ক্লান্ত করে ফেলে।

৯) জ্বিন-জাদু ও বদনজরের সমস্যা এখন অনেক ঘরে ঘরে দেখা যায়। তাই প্রতি সপ্তাহে অন্তত একবার বদনজর ও জাদুর জন্য রুকইয়াহ গোসল করা যেতে পারে। রুকইয়াহ পানি রেডি করে প্রতিদিন খেতে পারেন। এ বিষয়ে বিস্তারিত পরে লিখবো ইনশাআল্লাহ।
আপাতত এটুকুই।

12/06/2026

কিয়ামতের সময়। হাশরের ময়দানে সকলে থরথর করে কাঁপছে। অনেককে ইতোমধ্যে টেনে হিঁচড়ে ভয়ংকর জাহান্নামের দিকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে আবার অনেকে প্রফুল্ল চিত্তে এগিয়েছে জান্নাতের দিকে। আপনার শিরা-উপশিরা বয়ে আতঙ্ক ছুটোছুটি করছে। হুট করে আপনার নাম ডাকা হলো। হৃদয়ে খামচি দিয়ে উঠলো। এখন আপনার হিসাব নিকাশ হবে।

আপনি দেখছেন মিজানের পাল্লা একবার ডান দিকে ভারী হচ্ছে আবার বাম দিকে ভারী হচ্ছে। ডান দিক ভারী হলে অন্তরে ক্ষীণ আশা জাগে, জান্নাতে বুঝি একটু ঠাঁই পাওয়া যাবে। আবার বাম দিক ভারী হলে ভয়ার্ত চোখে জাহান্নামের দিকে তাকান। রাগে ফেটে পড়তে থাকা জাহান্নামকে দেখে আপনার রুহ আরেকবার বেরিয়ে যেতে চায়।

শেষমেশ ভারী হলো বাম দিকের পাল্লা। আপনি কান্নায় ভেঙ্গে পড়লেন। শেষ! শেষ! সবশেষ! ফেরেশতারা নিয়ে যাওয়ার জন্য আপনাকে ধরবে অমনি দয়ার নবি সাঃ ছুটে আসলেন। ফেরেশতারা থেমে গেল। নবিজি আকুতি ভরা কণ্ঠে রবের কাছে সুপারিশ করলেন, "আমার এ উম্মত আমাকে না দেখে ভালোবেসেছে, আমার উপর দরুদ পাঠ করেছে। তুমি তোমার দয়ায় তাকে ক্ষমা করে দাও।"

প্রবল তৃষ্ণার্ধ সময় একটু ঠান্ডা পানি যেমন হৃদয়ে শান্তি দেয় আপনার হৃদয়েও তেমন শান্তির ধারা বইতে লাগল। কারণ আপনি এখন জানেন আপনার রব আপনার নবিজি সাঃ এর সুপারিশ ফেরাবেন না৷ আপনাকে জান্নাতে দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হলো। আপনি আবারও কাঁদছেন। কিন্তু এ কান্না হচ্ছে খুশির কান্না। নবিজি আপনার দিকে মুচকি হাসি দিয়ে আবার ছুটে গেলেন হাউজে কাউসারে তৃষ্ণার্ধ উম্মতের দিকে। আর আপনি চোখ মুছতে মুছতে ধীর পায়ে যাচ্ছেন জান্নাতের দিকে।

কিয়ামতের দিন যে নবি ছাড়া আর কেউ আপন হবে না, যার সুপারিশ ছাড়া কোনো উপায় রইবে না সেই নবির উপরে দরুদ পাঠ করতে কি আলসেমি করবেন?

12/06/2026

জীবনে প্রচুর বারাকাহ দরকার..

বারাকাহ থাকলে জীবন সহজ হয়, সুন্দর হয়। বারাকাহ আনার জন্য এই কাজগুলো অবশ্যই আমলে রাখবেন ইনশাআল্লাহ।

১। ঘরে প্রবেশ করলে সবসময় সালাম দিবেন। তিরমিজির হাদীসে আছে, তুমি যখন তোমার পরিবারের কাছে প্রবেশ করো, তখন সালাম দাও। এতে তোমার এবং তোমার পরিবারের উপর বরকত নাযিল হবে। এমনকি ঘরে কেউ না থাকলেও সালাম দিয়ে ঢুকবেন। এটাও সুন্নাহ।

২। বিসমিল্লাহ বলে ঘরে ঢুকবেন। রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, আল্লাহর নাম নিয়ে ঘরে ঢুকলে শয়তান তখন তার সাথীদের বলে এখানে তোমাদের আর জায়গা নেই। এভাবে শয়তান দূরে সরে যায় ঘর পবিত্র থাকে, অশান্তি কমে।

৩। আত্মীয়তার সম্পর্ক ঠিক রাখতে হবে। মায়েদের ফুপুদের সাথে সম্পর্ক খারাপ তো বাবাদের চাচা/মামাদের সাথে রেশারেশি থাকে। বলে কয়ে মিটমাটের চেষ্টা করবেন। রিজিক আটকে থাকার জন্য এটা অনেক বড় একটা কারণ।

৪। বাজার থেকে কিছু কিনে আনলে সবাই একসাথে ভাগাভাগি করে খাবেন। উপার্জনের অর্ধেক চলে যায় খাবার যোগান দিতে এজন্য খাবারে পিছনে অতিরিক্ত ব্যয় কমাতে এবং বরকত চাইলে একসাথে খাওয়া জরুরি। আল্লাহর নবী বলেছেন, তোমরা একসাথে খাও তাহলে তোমাদের খাবারে বরকত হবে।

৫। স্বামী ভালো তো শ্বশুরবাড়ির লোকজন ভালোনা। আবার শ্বশুরবাড়ির সবাই ভালো হলে স্বামীর দোষ থাকে। কখনো সব ঠিক কিন্তু সংসারের টানাপোড়েন এমন সব অবস্থাতেই বুক ভরে আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করবেন। সূরা ইব্রাহিমে আল্লাহর কালাম আছে এব্যাপারে, যদি তোমরা কৃতজ্ঞ হও, আমি অবশ্যই তোমাদের আরও বাড়িয়ে দেব।

৬। বাচ্চাকাচ্চা, স্বামী-সংসার সবকিছুর উর্ধ্বে ফরজ আমল যথাসময়ে পালন করার প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে এইটা মোস্ট ইম্পর্ট্যান্ট।

৭। গুনাহ থেকে বেঁচে থাকা। কারণ গুনাহের কারণে আল্লাহর রাগ, আযাব পতিত হয়। একজনের গুনাহের কারণে পরিবারের সবার উপর পরীক্ষা চলে আসে। এজন্য কখনো অভাব দেখা দিলে সবাইকে নিয়ে তাওবা করা ও আমল বাড়িয়ে দেওয়া।

৮। ইস্তেগফার কোনোভাবেই বাদ দেওয়া যাবেনা। দৈনিক কমপক্ষে ১০০ বার ইস্তেগফার পড়বেন। ইস্তেগফারের ফজিলত বলে শেষ করা যাবেনা। এর উসিলায় সম্পদ, সন্তান, রহমত বর্ষন হয়। বালা-মুসিবত, দুশ্চিন্তা দূর হয়, গুনাহ মাফ হয়। রিজিকেও বরকত আসবে ইনশাআল্লাহ।

৯। প্রত্যেকদিন সামান্য হলেও দান করার অভ্যাস করবেন। দানে সম্পদ কমেনা বরং সম্পদ পবিত্র হয়। তখন সম্পদে প্রচুর বারাকাহ আসবে অল্প সম্পদই যথেষ্ট হয়ে যাবে। তাছাড়া প্রতিদিন সকালে দুইজন ফেরেশতা নেমে আসেন তারা বলতে থাকেন, হে আল্লাহ! যে দান করে তাকে আরও দাও। আর ফেরেশতারা হলেন নিষ্পাপ তাদের দুআ মাকবুল।

১০। ফজরের পর ঘুমাবেন না এই সময়টায় প্রচুর বরকত। রিজিক, কাজ, পড়াশোনা সবকিছুতে। কারণ রাসূল (সাঃ) বিশেষভাবে দোয়া করেছেন এভাবে যে, হে আল্লাহ! আমার উম্মতের জন্য তাদের সকালবেলায় বরকত দান করুন।

বারাকাহ মানে শুধু টাকা-পয়সার প্রাচুর্য নয়। বারাকাহ হলো কম থাকলেও তাতে তৃপ্তি পাওয়া, কঠিন কাজও সহজে সম্পন্ন হয়ে যাওয়া, আর অল্প জিনিসেই হৃদয়ের প্রশান্তি খুঁজে পাওয়া।

তাইতো জীবন সহজ করতে হলে প্রচুর বারাকাহ দরকার। এ জন্য আমলগুলো ছাড়বেন না ইনশাআল্লাহ

11/06/2026

islam

11/06/2026

পরপর দুই ম্যাচে দাপুটে পারফরম্যান্সে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথমবার সিরিজ জিতল বাংলাদেশ...

২১ বছর পর বাংলাদেশ অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজ জিতলো।

11/06/2026

আজ কিন্তু বৃহস্পতিবার। জুমু‘আর দিন।আলহামদুলিল্লাহ! আমাদের জন্য যেন একসাথে দুটো খুশির দিন এসে ধরা দিয়েছে।

কিন্তু এই আনন্দের মাঝে যেন আমরা দরুদ পড়তে ভুলে না যাই। ভুলে না যাই সূরা কাহফ পড়তে। কারণ জুমু‘আর দিন মানেই তো প্রিয় নবিজী ﷺ–কে আরও বেশি মনে পরার দিন। তাইনা? আজও তাঁকে ﷺ খুব মিস করে করে, খুব মুহাব্বাতের সাথে দরুদ পড়তে পড়তে আল্লাহর কাছে এমন একটা দু‘আ করতে পারেন ইন শা আল্লহ।

জানেন তো? নবিজী ﷺ ছাগলের কাঁধের গোশত পছন্দ করতেন। আজ যখন ঘরে কোরবানির গোশত রান্না হয়েছে,তখন মনে হচ্ছিলো, ইশ! আজ যদি নবিজী ﷺ দুনিয়াতে থাকতেন। আজ যদি তাঁকে নিজের ঘরে দাওয়াত দিতে পারতাম! নিজের হাতে খাবার পরিবেশন করতে পারতাম! ইশশশ! প্রিয় নবিজী ﷺ তৃপ্তি ভরে মাংস খেতেন আর আমি যদি তার ﷺ সামনে বসে তৃপ্তি ভরে নবিজী ﷺ কে দেখতে পারতাম!

এইযে নবিজী ﷺ কে ঠিক এইভাবেই মিস করতে করতে দরুদ পড়তে পড়তে দু'আ করে ফেলুন–“ইয়া আল্লহ...আজ আমার প্রিয় নবিজী ﷺ–কে খুব মনে পড়ছে। তিনি যদি আজ দুনিয়াতে থাকতেন, তাহলে আমি তাঁকে আমার ঘরে দাওয়াত দিতাম। নিজের সবচেয়ে প্রিয় খাবারটা তাঁর সামনে তুলে দিতাম। ইয়া রব্ব! দুনিয়াতে সেই সৌভাগ্য না হলেও অন্তত জান্নাতে যেন প্রিয় নবিজী ﷺ আমার বাড়ির মেহমান হন। জান্নাতে যেন নবিজী ﷺ কে তার পছন্দ মত সব ধরনের রান্না তার ﷺ সামনে পরিবেশন করে তাকে তৃপ্তির সাথে খাওয়াতে পারি। ইয়া রব্ব, আপনি এমনভাবে কবুল করে নিন, যেন একদিন জান্নাতে তাঁর ﷺ কাছাকাছি বসে তাঁকে মন ভরে দেখতে পারি। ইয়া রব্ব আমাকে জান্নাতে আপনার এবং নবিজীর ﷺ পাশেই একটা ঘর বানিয়ে দিন!”

اللهم صل وسلم وبارك على سيدنا محمد النبي الامي الحبيب العالي القدر العظيم الجاه وعلى آله وصحبه وسلم تسليما كثيرا

~উম্মে_আদন

Address

Chandpur

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sultana Nil posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Sultana Nil:

Share