14/05/2026
চীনে চলছে উইঘুর মুসলিম নি*ধ*নযজ্ঞ,
৩ বছরে জন্মহার কমেছে ৬০ শতাংশ,
৮০% নারীর ওপর জো*রপূ*র্বক বন্ধ্যাকরণ আরোপ :
বেইজিং: চীনের জিনজিয়াং (পূর্ব তুর্কিস্তান) প্রদেশে সংখ্যালঘু উইঘুর মুসলিম জনগোষ্ঠীর জনসংখ্যা কৃত্রিমভাবে হ্রাস করতে ভয়াবহ এবং সুপরিকল্পিত দ*ম*ন-পী-ড়-ন চালাচ্ছে বেইজিং প্রশাসন।
জিনজিয়াংয়ের উইঘুর অধ্যুষিত অঞ্চলগুলোতে মাত্র ৩ বছরের ব্যবধানে জন্মহার আশ*ঙ্কা*জনকভাবে ৬০% হ্রাস পেয়েছে।
গবেষকদের মতে,এটি কোনো স্বাভাবিক জনসংখ্যা পরিবর্তন নয়;বরং উইঘুর মুসলিমদের জাতিগত ও ধর্মীয় অস্তিত্ব সম্পূর্ণ ‘ধ্বংস’ বা ‘মূলোৎপাটন’ করার লক্ষ্যে চীনের এক পরিকল্পিত রাষ্ট্রীয় পদ্ধতি।
জন্মহারে নজিরবিহীন ধস: চীনের নিজস্ব সরকারি পরিসংখ্যান ও 'জিনজিয়াং স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইয়ারবুক'-এর তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, উইঘুর সংখ্যাগরিষ্ঠ হোতান ও কাশগর অঞ্চলে মাত্র ৩ বছরে জন্মহার ৬০%-এর বেশি কমে গেছে,যা আধুনিক বৈশ্বিক ইতিহাসে নজিরবিহীন।
৮০% নারীর ওপর চরম নির্যাতন: ২০১৮ সাল থেকে শুরু হওয়া এক বিশেষ ক্র্যা*ক*ডাউনের আওতায় জিনজিয়াংয়ের উইঘুর নারীদের টার্গেট করা হয়েছে। সন্তান জন্মদানের বয়সী প্রায় ৮০% উইঘুর নারীকে জো*রপূ*র্বক বন্ধ্যাকরণ (Sterilization),বাধ্যতামূলক গর্ভপাত এবং জরায়ুতে কৃত্রিম জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রী (IUD) পরাতে বাধ্য করা হচ্ছে।
ক্যাম্পে পাঠানোর হু**ম**কি: যেসকল উইঘুর পরিবার সরকারের বেধে দেওয়া সন্তান সংখ্যার চেয়ে বেশি সন্তান নেওয়ার চেষ্টা করছে,তাদের ওপর মোটা অংকের জরিমানা আরোপ করা হচ্ছে।জরিমানা দিতে ব্যর্থ হলে বা আইন অমান্য করলে তাদের পাঠানো হচ্ছে কুখ্যাত 'ডিটেনশন ক্যাম্প' বা বন্দিশালায়।
নেপথ্যে প্রধান অনুসন্ধানকারী সংস্থা:
জার্মান গবেষক ড. আদ্রিয়ান জেনজের এই মূল প্রতিবেদনটি ওয়াশিংটনভিত্তিক থিংক-ট্যাংক 'জেমস্টাউন ফাউন্ডেশন' থেকে প্রকাশিত হওয়ার পর বিশ্বজুড়ে একপ্রকার তোলপাড় শুরু হয়।পরবর্তীতে আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা 'অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস' (AP) এবং 'অস্ট্রেলিয়ান স্ট্র্যাটেজিক পলিসি ইনস্টিটিউট' (ASPI) চীনের ফাঁস হওয়া গোপন নথি পর্যালোচনা করে এই বন্ধ্যাকরণ অভিযানের সত্যতা নিশ্চিত করে।
প্রিয় পাঠক!
এটি মূলত ২০২০ সালে প্রকাশিত হওয়া একটি প্রতিবেদন।
এখন ২০২৬ তাহলে ভাবুন এখন উইগুরের অবস্থা কী?
উইগুর এক ভুলে যাওয়া জাতি।
তাদের ব্যাপারে আমরা কী জবাব দেব কেয়ামতের দিন
©