Enter10ment

Enter10ment আমরা সবাই হাদি হব, ইনসাফের লড়াই চালিয়ে যাব, সত্যকে সমুন্নত রাখব।

তারা নাকি রোনালদোকে চিনে না, ইলন মাস্ক বা অন্যান্য যত নামিদামি মানুষ আছে তাদের চিনে না। এমনকি এরা নাকি এনড্রয়েড ফোন ও ইউ...
30/08/2026

তারা নাকি রোনালদোকে চিনে না, ইলন মাস্ক বা অন্যান্য যত নামিদামি মানুষ আছে তাদের চিনে না। এমনকি এরা নাকি এনড্রয়েড ফোন ও ইউস করে না! ক্যামেরা আছে শুধু ছবি তোলার জন্য ভিডিও ও করা যায় না!

"Ruhicent বাংলা" উনার করা এই ইহুদীরে নিয়ে একটা ডকুমেন্টারি দেখলাম৷ দেখে তো মনে হচ্ছে আমরা ধ্বংসের খুব কাছাকাছি আছি সব মুসলমানদের এইটা দেখা উচিচ৷

বিখ্যাত ট্রাভেল ডকুমেন্টারি ব্লগার রুহি চেনেট এর এই ডকুমেন্টারি দেখে অনেক অজানা তথ্য জানতে পারলাম।

ভিডিওতে উঠে আসা কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো৷

১. তারা নিচের একটি কক্ষে দিনে তিনবার প্রার্থনা করে এবং সারাদিন গবেষণা ও পড়াশোনা করে। তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, তারা প্রতিদিন ১০ ঘণ্টারও বেশি পড়াশোনা করে। সেখানে প্রায় ৫০০ জন ছেলে রয়েছে, যাদের বেশিরভাগই ইসরাইল থেকে এসেছে। তারা বলছিল, একজন মা যেমন সন্তান প্রসবের সময় নয় মাসের মধ্যে শেষ মাসে সবচেয়ে বেশি কষ্ট করেন, তেমনি পৃথিবীও এখন শেষ সময়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। তাদের বিশ্বাস, খুব শিগগিরই মাসীহ (দাজ্জাল) আসবেন এবং পবিত্র ভূমিতে তৃতীয় মন্দির নির্মাণ করে তারা সেখানে ফিরে যাবেন।

২. তারা কেউ মোবাইল, ইন্টারনেট ইত্যাদি ব্যবহার করে না। কারণ, তারা বিশ্বাস করে এসব তাদের রুহানিয়াত ও ঈশ্বরের প্রতি মনোযোগ নষ্ট করে দেয়। সুতরাং, এসব থেকে বিরত না থাকলে ইবাদতের স্বাদ নষ্ট হবে এবং তাদের মধ্যে আধ্যাত্মিকতা অবশিষ্ট থাকবে না।

৩. তাদের আয়-রোজগার ও ক্যারিয়ার নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তারা বলে, এসব নিয়ে এত চিন্তা করার কিছু নেই; ঈশ্বরই ব্যবস্থা করে দেবেন।

৪. তারা ইবাদতের শুরুতেই দান করে এবং জেরুজালেমের দিকে মুখ করে ইবাদত করে। তাদের ইবাদতখানায় স্কুল, কলেজসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের দান বাক্স রয়েছে। তারা সেসব বাক্সে দান করে।

৫. তারা বারবার জিজ্ঞেস করছিল, ‘আপনি ইহুদি কি না?’ কারণ, তারা ইহুদি ছাড়া অন্যদের সঙ্গে কথা বলতে পছন্দ করে না। এমনকি যোগাযোগের জন্য তাদের আলাদা মোবাইলও রয়েছে। তারা ভিডিও ক্যামেরা পছন্দ করে না; প্রয়োজন হলে ছবি তোলে। ইন্টারনেটের কথা তো বাদই দিলাম — টিভি, সিনেমা ইত্যাদি সম্পর্কেও তাদের তেমন কোনো ধারণা নেই। কোনো খেলোয়াড় বা সেলিব্রিটির নামও তারা জানে না। তারা জানে কেবল তাদের রাব্বি বা ধর্মগুরু কী বলেছেন এবং তিনি কোথায় থাকেন।

৬. তারা সাধারণত ১০ জনের কম সন্তান নেয় না; অর্থাৎ তাদের পরিবারে সন্তানসংখ্যা অনেক বেশি। সন্তান নেওয়া বা সন্তান নেওয়া বন্ধ করার মতো বিষয়েও তাদের রাব্বি বা প্রধান ধর্মগুরুর কাছে যেতে হয়। কারণ, তারা তাঁর কথাকে ঈশ্বরের নির্দেশের মতোই বিশ্বাস করে। তাদের দাবি অনুযায়ী, প্রতি ২০ বছর পরপর তাদের জনসংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ হয়ে যায়।

৭. তাদের নিজস্ব বিচারব্যবস্থা রয়েছে, যেখানে তারা তাওরাত অনুযায়ী বিচার করে। এমনকি তারা নিজেদের মধ্যে একে অপরকে খুবই সহযোগিতা করে। নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ ও পরস্পরকে সাহায্য করতে তারা খুব পছন্দ করে। তাদের নিজস্ব পুলিশবাহিনীও রয়েছে, যারা টহল দেয় এবং কোনো ইহুদি নারী অশালীন পোশাক পরেছেন কি না বা মাথা ঢেকে চলছেন কি না, সেদিকেও খেয়াল রাখে। তাদের নিজস্ব অ্যাম্বুলেন্সও রয়েছে। এক কথায়, তাদের নিজস্ব ব্যবস্থাপনার প্রায় সবকিছুই রয়েছে।

৮. তাদের নারীরা বেশি সন্তান নেওয়া কিংবা টিভি-সিনেমা দেখতে না পারা নিয়ে কোনো অভিযোগ করে না। তারাও শালীন পোশাক পরেন এবং ইবাদতের জন্য ইবাদতগাহে যান। তবে ইবাদতগাহে তাঁদের জন্য আলাদা জায়গা রয়েছে, যেখানে কাঁচ দিয়ে ঘেরা পৃথক অংশে তাঁদের ইবাদত করতে হয়।

এখন একবার আমাদের কথা চিন্তা করেন? আমরা তাহলে কতটা ধোঁকার মধ্যে পড়ে আছি?
আর এদের মূল উদ্দেশ্য কি?
#কালেক্টেড #ইহুদি

23/08/2026
জামায়াত নেতা মরহুম কাদের মোল্লার মেয়ে আমাতুল্লাহ শারমীন অত্যন্ত আক্ষেপের সাথে পক্ষপাতদুষ্ট মিডিয়াকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন,...
21/08/2026

জামায়াত নেতা মরহুম কাদের মোল্লার মেয়ে আমাতুল্লাহ শারমীন অত্যন্ত আক্ষেপের সাথে পক্ষপাতদুষ্ট মিডিয়াকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন, তাঁর বাবার মৃত্যুর দিন পুলিশ তাঁর দুই ভাইসহ পরিবারের ১১ জনকে চরম নিষ্ঠুরতায় আটক করেছিল। অথচ আজ দীপু মনিদের মতো মানুষের জন্য এই মূর্খ ও চাটুকারী মিডিয়াগুলোর নির্লজ্জ মায়াকান্না দেখে জাতি আজ হতবাক।

তিনি বেদনাহত কণ্ঠে জানান, সেদিন তাঁর বাবাকে শুধু মেরেই ফেলা হয়নি, বরং বেহায়া ছাত্রলীগ তাঁদের পুরো পরিবারের ওপর বর্বরোচিত হামলা চালিয়েছিল।

দুনিয়ার বুকে তাঁরা হয়তো এই নির্মম অবিচারের কোনো বিচার পাবেন না, কিন্তু তাঁদের বুকফাটা আর্তনাদ কখনোই বৃথা যাওয়ার নয়। পরম করুণাময় আল্লাহ যেন এই সমস্ত জুলুমের পাই টু পাই হিসাব সবার কাছ থেকে বুঝিয়ে নেন, এটাই তাঁর চূড়ান্ত প্রার্থনা।

চেনা যায়? ছাত্রলীগ কর্মী ১৬ বছর বয়সী শাকিলের কথা মনে আছে? 👦 ২০১২ সালে শিবির সন্দেহে ঢাকার পথে বিশ্বজিৎ দর্জিকে কু'পিয়...
20/08/2026

চেনা যায়?
ছাত্রলীগ কর্মী ১৬ বছর বয়সী শাকিলের কথা মনে আছে? 👦 ২০১২ সালে শিবির সন্দেহে ঢাকার পথে বিশ্বজিৎ দর্জিকে কু'পিয়ে হ/ত্যা করেছিল। 🩸 তখন কিন্তু শিবির হত্যা করা জায়েজ ছিল। ⚖️ শাকিল তখন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় এর অনার্স সেকেন্ড ইয়ারের ছাত্র ছিল। 📚 সামনে ছিল উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ। 🌟
তখন চলছিল ছাত্রলীগ কর্তৃক শিবির নিধন কর্মসূচি। 🛑 যে যত শিবির মারতে পারবে তার প্রমোশন তত দ্রুত হবে। 🚀 মুখে দাড়ি টাখনুর উপরে প্যান্ট পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে তার আর কোন রেহাই নাই। 🕌 তখন যাকে তাকে শিবির ট্যাগিংয়ে হ*ত্যা করা হতো। ⚠️ হত্যা করে নেতাদের খুশি করে বড় বড় পদ ভাগিয়ে নিত। 🪑
কিন্তু পাপ বাপকেও ছাড়ে না। 🔄 প্রকৃতি কাউকে ক্ষমা করে না। 🌿 সম্ভবত মায়ের জানাজায় প্যারোলে মুক্তি পেয়েছে ছাত্রলীগের কর্মী শাকিল। 🕊️ অশ্রু সিক্ত চোখে মায়ের লাশ ছেলের কাঁধে আর হাতে হ্যান্ডকাফ পরানো এর থেকে কষ্টের কিছু হতে পারেনা। 😭💔 ১৪ বছর যাবত জেলে বন্দী আছে। ⛓️ কোন নেতা কিন্তু জামিনের ব্যবস্থা করতে পারল না। 📉
ছাত্রদল কে বলবো, ক্ষমতার দাপট বেশি দিন থাকেনা। ⏳ ছাত্রলীগের এই শাকিলের কাছ থেকে শিক্ষা গ্রহণ করুন। 📖 নেতার কথামত কাউকে হত্যা করবেন তো বিপদে পড়বেন আপনি। ⚠️ যাবজ্জীবন কারাদন্ড হবে আপনার। ⚖️⛓️

নেতারা কেউ থাকবে লন্ডনে আবার কেউ যাবে শিলংয়ে। ✈️ তারা সেখানে নেতা গিরি করে বেড়াবে। 👔 আপনাকে কিন্তু সাথে করে নিয়ে যাবেনা। 🚶‍♂️ আপনি কিন্তু দেশেই থাকবেন। 🇧🇩 সো মাইন্ড ইট। 🧠 এন্ড চেঞ্জ ইয়োর পলিটিক্স। 🔄

🇧🇩✊_ইনকিলাব জিন্দাবাদ_✊🇧🇩

নারীদের পরিচালিত এই বাসটির চালক ফাহিমা সানজান ফ্লাইওভারের ঢাল বেয়ে বাসটি ওপরে তুলতে চেষ্টা করেন। তবে বাসটি উঠতে ব্যর্থ হ...
19/08/2026

নারীদের পরিচালিত এই বাসটির চালক ফাহিমা সানজান ফ্লাইওভারের ঢাল বেয়ে বাসটি ওপরে তুলতে চেষ্টা করেন। তবে বাসটি উঠতে ব্যর্থ হলে তিনি নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে সেটি থামিয়ে দেন।

পরিস্থিতি জটিল হওয়ার আগেই একজন পুরুষ চালক এগিয়ে আসেন। পরে তার সহায়তায় বাসটি নিরাপদে ফ্লাইওভারে তোলা হয়।

— প্রথম দিনেই বখাটে হানিফের ধাক্কায় — খাদে পড়ে গেল গোলাপী ||🙂🐸
19/08/2026

— প্রথম দিনেই বখাটে হানিফের ধাক্কায়
— খাদে পড়ে গেল গোলাপী ||🙂🐸

সিনিয়র হাম্বাদিক
19/08/2026

সিনিয়র হাম্বাদিক

নতুন দিগন্ত. ছাত্রশিবির  এদেশে মূল  নেতৃত্ব ও কাঠামোতে আসবে ইনশাআল্লাহ সেদিন বেশি দূরে নয়  চীনের ৪০টি কোম্পানির প্রতিনি...
19/08/2026

নতুন দিগন্ত. ছাত্রশিবির এদেশে মূল নেতৃত্ব ও কাঠামোতে আসবে ইনশাআল্লাহ সেদিন বেশি দূরে নয়

চীনের ৪০টি কোম্পানির প্রতিনিধিকে ঢাবিতে এনে ৪৩০ শিক্ষার্থীর জন্য সরাসরি চাকরির সুযোগ তৈরি—আমার জানা মতে, এটি সত্যিই অনন্য ও প্রশংসনীয় একটি উদ্যোগ। 🔥

চীন সফরের সাফল্য শুধু সফরেই সীমাবদ্ধ থাকেনি; তার বাস্তব প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ারে। ক্যাম্পাসেই পরীক্ষা ও নিয়োগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানে কাজের সুযোগ তৈরি হওয়া নিঃসন্দেহে বড় অর্জন।

যে শিক্ষার্থীরা হয়তো কখনো ভাবেনি ঢাবিতে বসেই আন্তর্জাতিক কোম্পানিতে চাকরির সুযোগ পেতে পারে, আজ সেই সম্ভাবনাই তাদের সামনে বাস্তব হয়ে এসেছে।

ছাত্ররাজনীতি যদি মিছিল-মিটিংয়ের গণ্ডি পেরিয়ে শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থান, দক্ষতা ও ভবিষ্যৎ গড়ার জন্য কাজ করে—তাহলেই সেটি সত্যিকারের ওয়েলফেয়ার পলিটিক্স। 👏

ইনশাআল্লাহ, সাদিক কায়েমের নেতৃত্বে ডাকসুর এই উদ্যোগের মতোই ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনেও নতুন ইতিহাসের সূচনা হবে।

রুশ সাহিত্যিক লিও তলস্তয়ের এক অমর সৃষ্টি—‘হাউ মাচ ল্যান্ড ডাজ আ ম্যান নিড’ (একজন মানুষের কতটুকু জমি দরকার?)। মানুষের অতৃ...
18/08/2026

রুশ সাহিত্যিক লিও তলস্তয়ের এক অমর সৃষ্টি—‘হাউ মাচ ল্যান্ড ডাজ আ ম্যান নিড’ (একজন মানুষের কতটুকু জমি দরকার?)। মানুষের অতৃপ্ত লোভ আর জীবনের পরম সত্যকে এক সুতোয় বেঁধে দেয় এই গল্প।
পাহোম ছিলেন একজন সাধারণ ও পরিশ্রমী কৃষক। ছোটখাটো এক টুকরো জমি আর নিজের ছোট্ট সংসার নিয়ে দিন ভালোই কাটছিল তার। কিন্তু মনের কোণে একটা চাপা ক্ষোভ সবসময় খচখচ করত—‘যদি আমার আরেকটু বেশি জমি থাকত, তবে স্বয়ং শয়তানকেও আমি ভয় পেতাম না!’
ধীরে ধীরে পাহোম জমি কিনতে শুরু করলেন, সচ্ছলতাও এলো। কিন্তু জমির লোভ কমাল না, বরং দিন দিন তা নেশার মতো চেপে বসল। একদিন তিনি খবর পেলেন দূর প্রান্তরের ‘বাশকির’ সম্প্রদায়ের কথা। তাদের কাছে অগাধ উর্বর জমি রয়েছে, যা তারা নামমাত্র মূল্যে দিয়ে দেয়।
লোভ সামলাতে না পেরে পাহোম হাজির হলেন বাশকিরদের গ্রামে। তাদের প্রধান পাহোমকে এক অদ্ভুত প্রস্তাব দিলেন—মাত্র এক হাজার রুবলের বিনিময়ে পাহোম সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত হেঁটে যতটুকু জমি নিজের সীমানায় ঘিরতে পারবেন, পুরো জমিটাই তার হয়ে যাবে। তবে শর্ত একটাই: সূর্য ডোবার আগেই তাকে ঠিক যেখান থেকে হাঁটা শুরু করেছিলেন, সেখানে ফিরে আসতে হবে। অন্যথায় টাকা ও জমি—দুটোই বাজেয়াপ্ত।
পরদিন ভোরে পাহাড়ের চূড়ায় একটি টুপি রেখে শুরু হলো দৌড়। সকালের স্নিগ্ধ বাতাসে পাহোম দ্রুত পা চালালেন। যত দূর যান, ততই চোখ জুড়ানো সবুজ ঘাস আর উর্বর মাটি তার লোভ বাড়িয়ে দেয়। ‘আর একটুখানি ঘুরে যাই, ওই জমিটার মাটি দারুণ!’—এই ভেবে তিনি সীমানা বড় করতেই থাকলেন।
দুপুর গড়িয়ে যখন সূর্য পশ্চিমে হেলতে শুরু করল, পাহোমের সম্বিৎ ফিরল। তিনি বুঝতে পারলেন, লোভের বশে অনেক দূর চলে এসেছেন। শরীরে আর শক্তি নেই, পা ভেঙে আসছে, বুক কামারের হাপরের মতো ওঠানামা করছে। জুতো-জামা সব ছুড়ে ফেলে দিয়ে তিনি পাগলের মতো ফিরতি দৌড় শুরু করলেন।
সূর্য তখন দিগন্তে ডুবুডুবু। পাহোমের চোখ ঝাপসা হয়ে আসছে, হৃৎপিণ্ড যেন ফেটে যাবে। পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে বাশকির প্রধান হাত নেড়ে তাকে ডাকছেন। শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে এক বুকফাটা চিৎকার দিয়ে শেষ মুহূর্তে পাহোম গিয়ে আছড়ে পড়লেন সেই টুপির ওপর।
তিনি জয়ী হলেন! কিন্তু মাটি স্পর্শ করার সাথে সাথেই পাহোমের মুখ দিয়ে রক্ত বেরিয়ে এলো। অতিরিক্ত পরিশ্রমে তার নিথর দেহটি মাটিতে লুটিয়ে পড়ল—পাহোম মারা গেছেন।
পাহোমের চাকরটি একটি কোদাল হাতে তুলে নিল। ঠিক যতটুকু জায়গায় তার মনিবের নিথর দেহটি আঁটবে, ততটুকুই মাটি খুঁড়ে তাকে কবর দিল।
মাথা থেকে পায়ের পাতা পর্যন্ত—ঠিক ছয় ফুট বা সাড়ে তিন হাত জমি। এই ছিল একজন মানুষের জীবনের আসল প্রয়োজন।

Address

Chandpur
3601

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Enter10ment posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share