Enter10ment

Enter10ment আমরা সবাই হাদি হব, ইনসাফের লড়াই চালিয়ে যাব, সত্যকে সমুন্নত রাখব।

প্রথম টেস্টে দুই ইনিংসে জোড়া অর্ধ-শতক করে ভ্যালুয়েবল বাংলাদেশী ক্রিকেটার হিসেবে ই-বাইক পুরস্কার জিতেছেন মুমিনুল হক
12/05/2026

প্রথম টেস্টে দুই ইনিংসে জোড়া অর্ধ-শতক করে ভ্যালুয়েবল বাংলাদেশী ক্রিকেটার হিসেবে ই-বাইক পুরস্কার জিতেছেন মুমিনুল হক

১৯৫০ সালের এক রহস্যময় বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা যে ঘটনাটি আজ ও আমাদের জীবনের এক নগ্ন সত্য আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়। এএই গল্প পড়ার পর...
12/05/2026

১৯৫০ সালের এক রহস্যময় বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা যে ঘটনাটি আজ ও আমাদের জীবনের এক নগ্ন সত্য আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়। এএই গল্প পড়ার পর হয়তো আপনি কিছুক্ষণ চুপ করে বসে থাকবেন, আর নিজের জীবনের দিকে তাকিয়ে হঠাৎ আঁতকে উঠবেন।

গল্পটি শুরু হয় একটি কাঁচের খাঁচা দিয়ে...

১৯৫০ সাল, আমেরিকা

বিজ্ঞানীরা একটি ইঁদুরকে রাখলেন একটি বিশেষ কাঁচের খাঁচায়। খাঁচার ভেতরে বসানো হলো একটি লাল বোতাম।

ব্যবস্থা এমন ইঁদুরটি যখনই বোতামটি চাপবে, তার মস্তিস্কে পৌঁছে যাবে একটি ইলেকট্রিক সিগন্যাল। আর সঙ্গে সঙ্গে নিঃসৃত হবে প্রচুর পরিমাণে ডোপামিন অর্থাৎ, প্রবল সুখের অনুভূতি

সহজ ভাষায় বললে, বোতাম চাপলেই ইঁদুরটির ভীষণ ভালো লাগবে-যেমনটা আমাদের প্রিয় কোনো কাজ করলে হয়।

শুরু হলো সেই মরণনেশা

শুরুতে ইঁদুরটি খাঁচার ভেতরে ঘুরে বেড়াচ্ছিল। একদিন ভুল করে তার পা পড়ে গেল লাল বোতামের ওপর।

মুহূর্তেই তার শরীর ভরে গেল এক অদ্ভুত সুখে। ইঁদুরটি থমকে গেল "এই সুখ এলো কোথা থেকে?"

সে আবার বোতাম চাপল। আবারও সেই অনুভূতি।

এবার সে বুঝে গেল এই লাল বোতামই আনন্দের উৎস।

তারপর? তারপর শুরু হলো এক ভয়ংকর পাগলামি।

ইঁদুরটি বারবার... শুধু বোতামহ চাপতে লাগল।

যখন সুখ জীবনের চেয়েও বড় হয়ে দাঁড়ায়

বিজ্ঞানীরা পরীক্ষাকে আরও কঠিন করলেন।

খাঁচায় রাখা হলো দামী খাবার।

ইঁদুরটির নিঃসঙ্গতা দূর করতে ছাড়ানো হলো একটি স্ত্রী ইঁদুর।
এখন আপনার কী মনে হয়?

সে কি খাবার ফেলর নাকি সঙ্গিনীর কাছে গেল?

না।

সে কিছুই করল না।

খাবার পড়ে রইল যে তাকাল না। সঙ্গিনী ডাকল সে সাড়া দিল না।

দিন-রাত, নাওয়া-খাওয়া ভুলে যে শুধু একটাই কাজ করতে লাগল লাল বোতাম চাপা।

কারণ,

খাবার বা সঙ্গ থেকে যে আনন্দ পাওয়া যায়, তার চেয়েও হাজার গুণ বেশি আনন্দ এই কৃত্রিম সুখে।

শেষ পরিণতি

এক দিন... দুই দিন... তিন দিন...

ইঁদুরটির শরীর শুকিয়ে গেল। শক্তি ফুরিয়ে এলো। কিন্তু বোতাম চাপা থামল না।

শেষ পর্যন্ত ইঁদুরটি মারা গেল।

সবচেয়ে ভয়ংকর ব্যাপার জানেন? মৃত্যুর সময়ও তার হাতটি ছিল লাল বোতামের ওপর।

মরার আগের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত সে ওই কৃত্রিম সুখটাই চেয়েছিল।

? এই পরীক্ষা কি সত্যিহ শেষ?

আপনি ভাবতে পারেন ১৯৫০ সালের সেই পরীক্ষা তো অনেক আগেই শেষ!

বিন্তু ভয়ংকর সত্য হলো পরীক্ষাটি আজও চলছে।

শুধু ইঁদুর বদলেছে।

__আজ সেই খাঁচার ইঁদুর আপনি... আর আমি।

লাল বোতাম বদলে গেছে

১৯৫০ সালের সেই লাল বোতাম ২০২৬ সালে এসে নি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক সাইফুদ্দীন গতকাল পদত্যাগ করেছেন আর আজ পদত্যাগ করলেন সহকারী প্রক্টর শেহরীন আমিন মোন...
11/05/2026

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক সাইফুদ্দীন গতকাল পদত্যাগ করেছেন আর আজ পদত্যাগ করলেন সহকারী প্রক্টর শেহরীন আমিন মোনামী।

পদত্যাগের পর অধ্যাপক সাইফুদ্দীন আহমদ জানিয়েছিলেন, ‘ব্যক্তিগত কারণে আমি প্রক্টর পদ থেকে পদত্যাগ করেছি। এখন হালকা লাগছে। এই মুহূর্তে আমি বিশ্রামে থাকতে চাই।’

আর আজ সহকারী প্রক্টর শেহরীন আমিন মোনামী পদত্যাগ করে ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে নিজের অনুভূতি ও অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে একটি আবেগঘন পোস্ট দিয়েছেন।



দায়িত্বকালীন সময়ের সাফল্য-ব্যর্থতা নিয়ে বিস্তারিত মূল্যায়নে না গিয়ে তিনি এটিকে একটি 'অসাধারণ অভিজ্ঞতা' হিসেবে অভিহিত করেন এবং পুরো টিমের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

এমন এক পরিস্থিতিতে ঢাবিতে একের পর এক কর্মকর্তা পদত্যাগ করার বিষয়টি স্বাভাবিকভাবে কেউ নিচ্ছেন না। জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপির মনিরা শারমীন ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বর্তমান সরকারের আমলে দলীয়করণকে দায়ী করে বলেছেন- “ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সফলভাবে দলীয়করণ সম্পন্ন করার জন্য তারেক সরকারকে ধন্যবাদ জানাই! What a Plan! ”


Rezaur Rahman নামে একজন মন্তব্য করেছেন- “বিএনপি হলো হাফ বিএনপি হাফ আওয়ামী লীগ, বিপদের মূহুর্তে এদের অনেক কে এরা পাশে পাবেনা নিশ্চিত! আমরা ২০০৬ সালে দেখেছি তাদের বিপদের মূহুর্তে বিএনপির দলীয় বাহিনী তাদের মন্ত্রীদের কথাও শুনেনি।“


জুলাই বিপ্লবে ছাত্রদের নিরাপত্তায় ঢাল হয়ে দাঁড়ানো ঢাবির এই শিক্ষক ডাকসু নির্বাচনের দিন কারচুপি কিংবা অবৈধ হস্তক্ষেপ ঠেকাতে শক্ত ভূমিকা রেখেছিলেন।

Md Sowrov Islam নামে একজন মন্তব্য করেছেন- “মোনামী ম্যামকে নিয়ে অনেক বিতর্ক আছে হয়তো। কিন্তু তিনি আমার দেখা অন্যতম একজন সাহসী ও সংগ্রামী নারী। যিনি নিজে ঝুকি নিয়েও জুলাইয়ে হাজারো ছাত্রকে আগলে রেখেছিলেন।“


তিনি বলেন- দেশটাকে সঠিক পথে রাখতে হলে মোনামী ম্যামসহ আরো অনেক শিক্ষক,সুশীল সমাজকে তাদের দায়িত্ব পালন করতে হবে কোন ধরনের বাধাবিপত্তি ছাড়াই। তার জন্য শুভ কামনা রইলো।“

11/05/2026
১. উনি আমার পরিচিত একজন মানুষ। সবসময় হাসিখুশি ও প্রাণবন্ত।রাস্তা পার হওয়ার সময় বাইক এক্সিডেন্টের শিকার হন। উনার পকেটে তখ...
11/05/2026

১. উনি আমার পরিচিত একজন মানুষ। সবসময় হাসিখুশি ও প্রাণবন্ত।

রাস্তা পার হওয়ার সময় বাইক এক্সিডেন্টের শিকার হন। উনার পকেটে তখন কিছুই ছিল না, শুধুমাত্র একটি মোবাইল ছাড়া।

প্রবাসী ছেলের পক্ষ থেকে ঘরের সবার জন্য মোটামুটি ভালো মানের একটি মোবাইল ছিল।

মোবাইলের কথা কেন বললাম, পরে বলছি।

বাইকার ছিল এক চ্যাংড়া যুবক। রাস্তাঘাটে তারা কী করে সবাই তো দেখেন‌ই।

রাস্তা পার হওয়ার সময় বাইক এসে পেছন থেকে সজোরে ধাক্কা দেয়।

উনার মা*রাত্ম*ক জ*খম হয়। মাথায়, পায়ে ও কোমরে গুরুতর আঘাত লাগে।

আশপাশের কিছু মানুষ সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসে। ধরাধরি করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।

হাসপাতালে নেওয়ার পর যখন উনি কিছুটা স্বাভাবিক হন, তখন দেখেন উনার মোবাইল গায়েব।

যে মানুষগুলো সাহায্য করতে এগিয়ে এসেছিল, তাদের মধ্য থেকেই কেউ একজন বিনিময় হিসেবে সেটি নিয়ে গেছে।

২. কিছুদিন আগে সিলেট থেকে ঢাকাগামী একটি বাস এক্সিডেন্টের ঘটনাও দেখলাম। সেখানে অনেক মহিলা ও শিশু হতাহত হয়েছিলেন।

সেই ঘটনাতেও দেখলাম, এক ব্যক্তি একজন আহত মহিলাকে উদ্ধার করতে গিয়ে তার স্পর্শকাতর স্থানে অপ্রয়োজনীয়ভাবে হাত দিচ্ছেন।

এতে করে মহিলা স্পষ্টতই বিব্রতবোধ করছিলেন, কিন্তু কিছুই করার ছিল না। কারণ তিনি তখন নিতান্তই অসহায় অবস্থায় ছিলেন।

এই হলো আমাদের সমাজের সাহায্যের বাস্তব কিছু চিত্র।

তাই বলি,
বর্তমান সময়ে বিপদে কেউ সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলে, আগে অন্তত তিনবার চিন্তা করতে হবে,

সে সত্যিই সাহায্য করতে এসেছে, নাকি সুযোগের সদ্ব্যবহার করতে এসেছে।


#বাইক #বাইকার #এক্সিডেন্ট

বিএনপির রবীন্দ্র প্রেমের বিপরীতে কি করছে নেপালে বালেন্দ্র!নেপালের বালেন শাহ বয়স মাত্র ত্রিশের কোঠায়। কিন্তু সাহসটা? সেটা...
11/05/2026

বিএনপির রবীন্দ্র প্রেমের বিপরীতে কি করছে নেপালে বালেন্দ্র!

নেপালের বালেন শাহ বয়স মাত্র ত্রিশের কোঠায়। কিন্তু সাহসটা? সেটা বয়স মানে না।

ভারতের মতো আঞ্চলিক পরাশক্তি যে দেশকে অনেকেই সমীহ করে কথা বলে- সেই দেশের সামনেই বিন্দুমাত্র দ্বিধা না রেখে ‘না’ বলতে পেরেছেন তিনি।

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব কাঠমান্ডুতে এলেন, কিন্তু বৈঠক না করেই ফিরে যেতে হলো। কারণ বালেন শাহ স্পষ্ট বার্তা দিয়ে জানিয়ে দিয়েছেন, “ ভারতের কোন সচিব পর্যায়ের প্রতিনিধির সাথে আলোচনা আমার জন্য যথেষ্ট নয়। প্রধানমন্ত্রী-টু-প্রধানমন্ত্রী কথা হবে। আলোচনা করতে চাইলে নরেন্দ্র মোদীকেই আসতে হবে।”

এটা শুধু একটি ‘না’ নয়। এটা একটি দৃঢ় অবস্থান। একটি ছোট দেশ, কিন্তু আত্মসম্মানে বড়। এটাই দেখিয়ে দিল নেপাল।

যে নেপালকে একসময় চাপে ফেলে হাটু গেড়ে বসানো যেত, আজ সেই নেপাল চোখে চোখ রেখে বলে “সম্মান দিলে সম্মান পাবেন, নয়তো নয়।”

কিছুক্ষণ আগে বাংলাদেশের আকাশে যে বিরল আলোর দৃশ্যটি দেখা গিয়েছে, এটি ভারতের অগ্নি সিরিজের ব্যালিস্টিক মিসাইল পরীক্ষা ছিল।...
08/05/2026

কিছুক্ষণ আগে বাংলাদেশের আকাশে যে বিরল আলোর দৃশ্যটি দেখা গিয়েছে, এটি ভারতের অগ্নি সিরিজের ব্যালিস্টিক মিসাইল পরীক্ষা ছিল। ভারতের প্রতিরক্ষা বিভাগ মিসাইলটি বাংলাদেশের বঙ্গোপসাগরে পরীক্ষা চালিয়েছে। মোদি সরকার সম্ভবত বাংলাদেশকে সতর্ক করেছে, চলমান যুক্তরাষ্ট্র ও পাকিস্তানের সাথে সামরিক চুক্তি বিষয়ক আলোচনা নিয়ে।

মিসাইলটি পারমাণবিক ওয়ারহেড বহনে সক্ষম। মিসাইলটির পরীক্ষা চালানোর জন্য বঙ্গোপসাগরের আকাশ পথে ৩৫৬০ কিলোমিটারের NOTAM জারি করা হয়েছিল। NOTAM মানে Notice for air Missions.

বাংলাদেশ কি আদৌও এমন মিসাইল তৈরির স্বপ্ন দেখে? যে দেশের সেরা প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ছাত্ররা বিসিএস ক্যাডার হওয়ার পেছনে দৌড়ে সে দেশে এসব চিরকাল স্বপ্নই থেকে যাবে।

খুবই হতাশাজনক একটি ছবি। মাদরাসার ছাত্রদের জন্য এভাবে দল বেধে স্টেডিয়ামে খেলা দেখা কিছুতেই শোভা পায় না। তার চেয়েও বেশি হত...
08/05/2026

খুবই হতাশাজনক একটি ছবি। মাদরাসার ছাত্রদের জন্য এভাবে দল বেধে স্টেডিয়ামে খেলা দেখা কিছুতেই শোভা পায় না।

তার চেয়েও বেশি হতাশাজনক এবং ভয়ংকর যে বিষয়টি সামনে এসেছে, তা হচ্ছে এই দেশের একটি বিশেষ মহলের সেই পুরনো বিষাক্ত মানসিকতা। ছবিটির কমেন্ট সেকশনে চোখ রাখলে দেখা যায়, মাদরাসা ছাত্রদের ঢালাওভাবে ‘পাকিস্তানি’ বা ‘রাজাকার’ বলার সেই পুরনো ও জঘন্য ন্যারেটিভ এখনো কতটা জীবন্ত! একটি নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীকে অবলীলায় 'ডিহিউম্যানাইজ' করা বা না মানুষ হিসেবে তুলে ধরার এই প্রবণতা সেই তথাকথিত প্রগতিশীলদের মন ও মজ্জা থেকে এখনো বিদায় নেয়নি। তারা আজও মাদরাসা ছাত্রদের এদেশের নাগরিক হিসেবে গ্রহণ করতে কুন্ঠাবোধ করে।

এই ছাত্ররাই তো সেই তরুণ, যারা গত জুলাইয়ের উত্তাল রাজপথে বুক পেতে দিয়েছিল। কোনো রাজনৈতিক স্বার্থ বা প্রাপ্তির আশায় নয়, বরং খাঁটি দেশপ্রেম আর ইনসাফ প্রতিষ্ঠার তাগিদে তারা বুলেটের সামনে দাঁড়িয়েছিল। মাদরাসায় তাদের দেশদ্রোহিতা শেখানো হয় না, বরং দেশপ্রেমে উদ্ধুদ্ধ করা হয়।

আজ যারা তুচ্ছ অজুহাতে মাদরাসার কোমলমতি ছাত্রদের দিকে আঙুল তুলছেন, তাদের প্রতি আমাদের প্রশ্ন, যাদের রক্তের বিনিময়ে আজকের এই নতুন বাংলাদেশ, তাদের গায়ে 'রাজাকার' তকমা সেঁটে দেওয়ার স্পর্ধা আপনারা কোথায় পান? এই যে চরিত্র হননের নোংরা খেলা, এটি আপনাদেরই আদর্শিক দেউলিয়াত্ব প্রমাণ করে। আপনাদের এই নোংরা ও সংকীর্ণ মানসিকতার প্রতি জানাচ্ছি তীব্র প্রতিবাদ ও চূড়ান্ত ঘৃণা।

মাদরাসার ছাত্রদের প্রতি আহ্বান থাকবে, এভাবে দল বেধে স্টেডিয়ামে বসে খেলা ইলমে দীনের ধারক-বাহক হিসেবে কখনোই আমাদের জন্য শোভা পায় না। আমাদের চালচলন ও আচার-আচরণ সাধারণ মানুষের কাছে এক একটি ‘দলিল’ বা উদাহরণ হিসেবে গণ্য হয়। তাই এমন কিছু করা থেকে আমাদের বিরত থাকা উচিত, যা আমাদের মর্যাদাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে। এমন কোনো কাজে আমাদের লিপ্ত হওয়া উচিত নয়, যা অন্যদের সমালোচনার সুযোগ করে দেয়।

আর বিদ্বেষীদের প্রতি স্পষ্ট বার্তা—মাদরাসা ছাত্ররা এদেশের মাটির সন্তান; তারা এদেশকে ভালোবেসে লড়তে জানে, আর আপনাদের এই মিথ্যে ন্যারেটিভ ভেঙে চুরমার করার সাহসও তারা রাখে।

মোহাম্মদ আব্বাসের বিপক্ষে বাংলাদেশের দুই ব্যাটসম্যানের দুইরকম টেকনিক্যাল এপ্রোচ!নাজমুল শান্ত (উপরের ছবিতে) আব্বাসকে খেলছ...
08/05/2026

মোহাম্মদ আব্বাসের বিপক্ষে বাংলাদেশের দুই ব্যাটসম্যানের দুইরকম টেকনিক্যাল এপ্রোচ!

নাজমুল শান্ত (উপরের ছবিতে) আব্বাসকে খেলছেন ক্রিজ থেকে বাইরে বেরিয়ে এসে, ফ্রন্টফুটে। যাতে আব্বাস সুইং বা সীম মুভমেন্ট করানোর সুযোগই না পান। অপরদিকে মমিনুল হক (নিচের ছবিতে) থাকছেন ডিপ ইন দা ক্রিজে, বলের মুভমেন্ট দেখে যথাসম্ভব লেটে খেলে বলকে গাইড করছেন।

দুজন দুরকম ভাবে খেলার ফলে আব্বাসের বল ফেলার লাইন লেংথ এলোমেলো হচ্ছে! ভেরী গুড ট্যাকটিকস কারণ বাংলাদেশকে আসলে শাহীন বা হাসানের চেয়ে আব্বাসই বেশি ঝামেলায় ফেলার কথা এই পিচে!

সবচে বড় কথা আমাদের দুজন ব্যাটারই সহজাত স্ট্রোক খেলছেন। শান্ত স্কোর করছেন ফ্রন্টে, মিড উইকেট টু কভার৷ অন্যদিকে মমিমুল স্কোর করছেন বিহাইন্ড দা স্কয়ার! এরকম পিচে আপনি ডিফেন্স করে টিকে থাকতে পারবেন না! ইউ হ্যাভ টু টেক দা ফাইট টু দা পেসারস! যেটা ওপেনাররা করেননি!

পোস্ট লেখতে লেখতে শান্ত ফিফটি পেলেন... ওয়েল প্লেইড ক্যাপ্টেন!

অবাক দৃশ্য!এই তো সেই তাসনীম আফরোজ ইমি!আজ কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন।সাথে দাঁড়ি, টুপি আর সুন্নতী লেবাসের বাবাআর বোরখা-নে...
08/05/2026

অবাক দৃশ্য!
এই তো সেই তাসনীম আফরোজ ইমি!
আজ কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন।
সাথে দাঁড়ি, টুপি আর সুন্নতী লেবাসের বাবা
আর বোরখা-নেকাবে আবৃতা মা।

অথচ ইনিই তো মন্তব্য করেছিলেন-
"দাড়ি-টুপি দেখলে আমরা এখন বলব রাজাকার। যারা প্রগতিশীলতার বিরোধিতা করে, তাদের অবয়ব দেখেই বোঝা যায় তারা রাজাকার"!
এর ব্যাখ্যা কী?

আসলে, এদেশের রাজনীতি আমার এন্টেনার উপর দিয়ে যায়!
Mohammad Salimullah

খর্বকায়, কুৎসিত একটা লোককে মেয়েটি বিয়ে করেছিল। কি দেখে? নিশ্চয়ই ভেবেছিল ইসলামী বক্তা, দ্বীনদার স্বামী। আর তাই বাহ্যিক সৌ...
08/05/2026

খর্বকায়, কুৎসিত একটা লোককে মেয়েটি বিয়ে করেছিল। কি দেখে? নিশ্চয়ই ভেবেছিল ইসলামী বক্তা, দ্বীনদার স্বামী। আর তাই বাহ্যিক সৌন্দর্য দেখেনি।

তাদের বিয়ের দেনমোহর শোধ করা হয়েছে নাকি বিয়ের রাতেই মাফ চেয়ে নেয়া হয়েছে, সেটাও প্রশ্ন। কারন এটা এদের জাতীয় বৈশিষ্ট্য!

তিম বছর জেলে ছিল। তার স্ত্রী কিন্তু ফিতনা থেকে বাঁচতে, শারীরিক চাহিদা মেটাতে বিয়ে করেনি আরেকটা।
কিন্তু মেয়েটার বাচ্চা জন্ম দেবার আগে যখন স্বামীর সাহচর্য সবচেয়ে বেশী দরকার - তখন সেই বক্তা আরেকটি বিয়ে করে ফেলেছে।

কেন? কারন গুনাহ হতে বাঁচতে।

যার কিনা একমাত্র চিন্তা হবার কথা স্ত্রীর শারীরিক সুস্থতা আর যে শিশুটি আসছে তার জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেয়া, সে সময়ে তার মনের ভিতরে চিন্তা - সেক্স, নতুন নারী শরীর।

ইনার গুরু তো আবার ব্রোথেল খুলে রেখেছে। একের পর এক বিয়ে আর তার ক্যাম্পেইন ফেসবুক জুড়ে।

এই কামার্ত কুকুরগুলোর সংসারে কোনো ভালোবাসা থাকেনা। এরা মেয়েদের শুধু জৈবিক চাহিদা মেটানোর জিনিস ভাবে।

যেই সংসার গুলোয় ভালোবাসা থাকে সেই সংসারে স্বামীরা এই সময়ে স্ত্রীর ভালোমন্দ খেয়াল রাখে। তাদের মাথায় সেক্স ঘুরেনা, বরং অনাগত সন্তান আর তার মায়ের চিন্তাই থাকে সর্বক্ষণ।

বিয়ের সময় মানুষকে বিয়ে করুন, কামার্ত কুকুরদের নয়।

Address

Chandpur
3601

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Enter10ment posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share