Rafi Minhaz

Rafi Minhaz আপনি যদি স্টুডেন্টস' ডেভেলপমেন্ট, মার্কেটিং, ব্র‍্যান্ডিং এসব নিয়ে গল্প শুনতে চান আপনাকে স্বাগতম😇

শূন্য থেকে পার্সোনাল ব্র্যান্ড তৈরির যাত্রা শুরু করা আসলে কেমন?প্রথমেই একটা ভুল ধারণা ভাঙা দরকার। পার্সোনাল ব্র্যান্ড ম...
26/11/2025

শূন্য থেকে পার্সোনাল ব্র্যান্ড তৈরির যাত্রা শুরু করা আসলে কেমন?

প্রথমেই একটা ভুল ধারণা ভাঙা দরকার। পার্সোনাল ব্র্যান্ড মানে আগে কিছু 'হয়ে যাওয়া' না। এটা ঠিক উল্টো। আগে শুরু করা, তারপর ধীরে ধীরে হওয়া।
আমি যখন প্রথম অনলাইনে টক শো হোস্ট করেছিলাম, তখন কোনো পরিষ্কার আইডেন্টিটি ছিল না। আমি নিজেও জানতাম না পাঁচ বছর পর নিজেকে কোথায় দেখতে চাই। আমি শুধু একটা জিনিস জানতাম। আমি শিখতে চাই, মানুষকে বুঝতে চাই, আর যেটা শিখছি সেটা বলতে চাই।
এখান থেকেই আসল শুরুটা।

শূন্য থেকে শুরু করার মানে কিন্তু হঠাৎ বড় কিছু করা না। মানে হলো নিজের দিকে একটু পরিষ্কারভাবে তাকানো।
তুমি এখন স্টুডেন্ট। তোমার কাছে হয়তো অভিজ্ঞতার পাহাড় নেই, কিন্তু শেখার পথ জানা আছে আর রিসোর্সও আছে। এই পথটাই তোমার ব্র্যান্ডের র ম্যাটেরিয়াল।

শুরুটা হয় তিনটা সহজ জিনিস দিয়ে।
প্রথমত, তুমি কী শিখছ এখন। ক্লাসে না, বাস্তবে। কোন স্কিলটা চেষ্টা করছ, কোন কাজে স্ট্রাগল করছ, কোন বিষয়টা তোমার মাথা ঘুরাচ্ছে। দ্বিতীয়ত, তুমি কীভাবে ভাবো। দুইজন একই জিনিস শিখলেও তাদের দৃষ্টিভঙ্গি এক হয় না। এই পার্থক্যটাই মানুষ মনে রাখে। তৃতীয়ত, তুমি কোন ধরনের কাজ করতে ভালোবাসো। লিড দেওয়া, প্ল্যান করা, কথা বলা, বিশ্লেষণ করা, নাকি চুপচাপ কাজ করা।
এই তিনটা পরিষ্কার হলে, কনটেন্ট আপনাআপনি আসে।
অনেকেই ভাবে কী লিখব বুঝি না। আসলে 'কী শিখছি' আর 'কীভাবে শিখছি' বলা শুরু করলেই লেখা তৈরি হয়ে যায়। বড় নলেজ শেয়ার করার দরকার নেই। শেখার মুহূর্তগুলোই যথেষ্ট।

আরেকটা জিনিস খুব গুরুত্বপূর্ণ। কোনো একদিন একদম নিখুঁত হয়ে উঠতে হবে এমন ভাবনা বাদ দাও। পার্সোনাল ব্র্যান্ড নিখুঁত মানুষের তৈরি করা কিছু না। এটা তৈরি হয় ধারাবাহিক মানুষের হাত ধরে। আমি নিজে কখনো একদিনে ভাবিনি এটাই আমার কাজ। ছোট ছোট স্টেপ, ছোট স্টেজ, ছোট অডিয়েন্স। সেখান থেকেই পরিচয়টা দাঁড়ায়।

স্টুডেন্টদের ক্ষেত্রে সবচেয়ে কমন ভুল হলো অপেক্ষা করা। ভাবা, আরেকটু শিখি, আরেকটু রেডি হই, তারপর শুরু করব। এই 'তারপর' বেশিরভাগ সময় আর আসে না।
তাই দ্বিতীয় পর্বের মূল কথা খুব সিম্পল। পার্সোনাল ব্র্যান্ড শুরু হয় প্রশ্ন দিয়ে না, কাজ দিয়ে। যেটুকু জানো, যেভাবে ভাবো, সেটা আজ থেকেই বলা শুরু করো।

পার্সোনাল ব্র্যান্ডিং ফর স্টুডেন্টস সিরিজ
পর্ব - ২
Rafi Minhaz

সকালে ঘুম থেকে উঠে ফেসবুক বা লিংকডইন স্ক্রল করতে করতে হঠাৎ দেখলে একজন তোমারই বয়সী ছেলে বা মেয়ে নিজের কাজের বিষয়ে ছোট্ট এ...
23/11/2025

সকালে ঘুম থেকে উঠে ফেসবুক বা লিংকডইন স্ক্রল করতে করতে হঠাৎ দেখলে একজন তোমারই বয়সী ছেলে বা মেয়ে নিজের কাজের বিষয়ে ছোট্ট একটা পোস্ট করেছে।
কমেন্টে সিনিয়ররা তাকে অ্যাপরিশিয়েট করছে, কেউ কেউ তাকে সুযোগও দিচ্ছে।
তখন মাথার ভেতর খুব চেনা একটা প্রশ্ন উঠে আসে, “আমারও তো কাজকর্ম কম না… কিন্তু আমাকে কেউ দেখে না কেন?”

এই প্রশ্নটাই আসলে গল্পের শুরু।

আমার নিজের পথও এমনই ছিল।
২০২০ সালের লম্বা লকডাউনে বসে থাকতে থাকতে মনে হতো, আমি কোথায় যাচ্ছি?
দিনগুলো একঘেয়ে ছিল, মাথায় কোনো স্ট্রাকচার ছিল না। এলোমেলোভাবে অনেক জায়গায় অ্যাপ্লাই করতাম, জানতাম না কী চাই, তবে বুঝে নিতে চাচ্ছিলাম কী আমার জন্য কাজ করে।

সেই অগোছালো খোঁজাখুঁজির মাঝেই একটা ভালো লাগার কাজ আবিষ্কার করলাম আর সেটা হল মানুষের সাথে কথা বলা।

শুরু করি অনলাইন টকশো হোস্ট করা। প্রথমে নার্ভাস ছিলাম, পরে দেখলাম ইন্ডাস্ট্রির বড় বড় মানুষের সাথে কথা বলার সুযোগ পাচ্ছি।
শেখার জন্য করছিলাম, কিন্তু ধীরে ধীরে এটা আমার একটা পরিচয়ে পরিণত হলো।
তারপর ক্লাবে ছোট ছোট টিম লিড করা, ইভেন্টে কাজ করা আর এসব মিলেই একটা “পার্সোনাল ব্র্যান্ড” তৈরি হতে শুরু করল।

তখন বুঝলাম, তুমি কাজ করলেই সবাই দেখে না।
মানুষ দেখে তুমি কীভাবে নিজেকে তুলে ধরছ।

এটাই পার্সোনাল ব্র্যান্ডিং। পার্সোনাল ব্র্যান্ডিং মানে এট্টু বেশি দেখানো না। আবার এটা কারো কাছে নিজের কথা জোরে বলে শোনানোও না।

এটা খুব সাধারণ একটা জিনিস। তুমি কে, তুমি কী শিখছ, তুমি কী ভালোবাসো, তুমি কোন ধরনের কাজে ভ্যালু দাও…এসব জিনিসকে পরিষ্কারভাবে প্রকাশ করা।

এখন প্রশ্ন, স্টুডেন্ট অবস্থায় এটা এত গুরুত্বপূর্ণ কেন?

কারণ বিশ্ববিদ্যালয় জীবনটাই হলো তোমার পরিচয়ের প্রথম ড্রাফট।
এখানেই তুমি কাজ করতে শিখো, টিমে থাকতে শিখো, দায়িত্ব নিতে শিখো, আইডিয়া শেয়ার করতে শিখো।
কিন্তু এগুলো যদি কেউ না জানে, তাহলে তুমি আরেকজন নীরব ট্যালেন্ট হিসেবেই থেকে যাও।

আজকের দুনিয়ায় শুধু ভালো কাজ করাই যথেষ্ট না।
মানুষ জানতে চায় তোমার চিন্তা কী, কাজ করা মানে তুমি কীভাবে দেখো, তুমি কোন বিষয়ে আগ্রহী, তোমারভাবে সমস্যা সমাধান করার অ্যাপ্রোচ কেমন।

যখন তুমি নিয়মিত ছোট ছোট কাজ শেয়ার করা শুরু করবে তখন তোমার নামের পাশে একটা ইমেইজ তৈরি হবে।
আর এই ইমেইজটাই ইন্টার্নশিপের দরজা খুলে দেয়, রেফারেন্স পেতে সাহায্য করে, এমনকি অনেক সময় সুযোগ নিজেই তোমাকে খুঁজে নেয়।

স্টুডেন্ট লাইফে পার্সোনাল ব্র্যান্ড তৈরি করা মানে ‘ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত থাকা’।

পার্সোনাল ব্র্যান্ডিং ফর স্টুডেন্টস
পর্ব - ১
Rafi Minhaz

আজকে ঢাকা শহরে আমাদের যখন ভূমিকম্প অনুভূত হয়, এর মাত্রা হয়তো আল্লাহর অশেষ রহমতে ৬ এর দিকে যায়নাই, কিন্তু এর ইঙ্গিত খুব...
21/11/2025

আজকে ঢাকা শহরে আমাদের যখন ভূমিকম্প অনুভূত হয়, এর মাত্রা হয়তো আল্লাহর অশেষ রহমতে ৬ এর দিকে যায়নাই, কিন্তু এর ইঙ্গিত খুব ভয়ংকর কিছুর দিকেই দিচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা অনেক দিন ধরে বলে আসছেন, বাংলাদেশের উত্তর ও পূর্ব দিকের ফল্ট লাইনে যে চাপ জমছে, তা বড় ধরনের ভূমিকম্পের দিকে এগিয়ে যেতে পারে। অন্য দেশগুলোর অভিজ্ঞতায় দেখা যায়, বড় ভূমিকম্পের আগে ছোট ছোট ভূমিকম্প বাড়তে থাকে। আমাদের ক্ষেত্রেও বিষয়টা এখন পরিষ্কারভাবে দেখা যাচ্ছে। যদিও আজকের ভূমিকম্প মোটেও কম মাত্রার না।

ঢাকার সমস্যা শুধু ভূমিকম্প না। সমস্যা হল ঢাকার গঠন। শহরের ভেতরে ভবনের দূরত্ব খুব কম, অনেক জায়গায় একটি ভবন ভেঙে পড়লে পাশের ভবনও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। পুরোনো এলাকা, সরু রাস্তা, জনসংখ্যার অতিরিক্ত চাপ, এবং ঝুঁকিপূর্ণ বিল্ডিং মিলে একটি অস্বস্তিকর বাস্তবতা তৈরি করেছে। যদি মাঝারি বা বড় মাত্রার ভূমিকম্প ঢাকায় আঘাত হানে, সবচেয়ে বড় সমস্যা হবে উদ্ধার কাজ। রাস্তায় পৌঁছাতে সময় লাগবে, মানুষের আতঙ্ক বাড়বে, এবং বিদ্যুৎ, পানি, নেটওয়ার্ক সবই অচল হয়ে যেতে পারে।

আরেকটি বিষয় হলো অতিরিক্ত জনসংখ্যা। আনুমানিক ২ কোটিরও বেশি মানুষ এখন ঢাকায় বাস করে। এই একটি শহরেই দেশের বড় কর্পোরেট অফিস, হেডকোয়ার্টার, সরকারি অফিস, মিডিয়া, সবকিছু জড়ো হয়ে আছে। যে দেশের ৮টি বিভাগ আছে, সেখানে প্রায় সব চাকরি, সুযোগ এবং ব্যবসা ঢাকাকেন্দ্রিক হয়ে আছে। ফলাফল হচ্ছে একটি শহরের ওপর পুরো দেশের ভার পড়ে থাকা।

যদি কোনো বড় ভূমিকম্প ঢাকায় হয়, দেশের অর্থনীতি কয়েক সপ্তাহ নয়, সম্ভবত কয়েক মাস থেমে যেতে পারে। কারণ ব্যবসার কেন্দ্র ঢাকায়, ব্যাংক ঢাকায়, ম্যানেজমেন্ট ঢাকায়, টেক কোম্পানির অফিস ঢাকায়, ব্র্যান্ডের মূল টিম ঢাকায়। এত কেন্দ্রীকরণ যে কোনো দুর্যোগকে জাতীয় সংকটে পরিণত করে।

ডিসেন্ট্রালাইজেশন মানে উন্নয়ন ভাগ করা। মানে চাকরি শুধু ঢাকায় নয়, প্রতিটি বিভাগে তৈরি হওয়া। যদি বিভাগগুলোতে বড় অফিস থাকে, সম্ভাবনা থাকে, সাপোর্ট থাকে, মানুষ ঢাকায় ঠাসা হয়ে আসবে না। এতে দুইটি সুবিধা পাওয়া যাবে। প্রথমত, ঢাকার ওপর চাপ কমবে, শহর পরিকল্পনার সুযোগ বাড়বে। দ্বিতীয়ত, কোনো দুর্যোগ হলে পুরো দেশ একসাথে থেমে যাবে না। চট্টগ্রাম, রাজশাহী, সিলেট, খুলনা, বরিশাল, রংপুর, ময়মনসিংহ প্রত্যেকটি আলাদা অর্থনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে দাঁড়াতে পারবে।

ভূমিকম্পের মতো একটি প্রাকৃতিক ঘটনা কখনো রোধ করা যায় না। কিন্তু ক্ষতি কমানো যায়। উদ্ধার সহজ করা যায়। ঝুঁকি কমানো যায়। আর সেই জায়গাতেই ডিসেন্ট্রালাইজেশন গুরুত্বপূর্ণ। একটি শহরে ২ কোটি মানুষ, হাজার হাজার ভবন, অসংখ্য অফিস গাদা গাদি করে রাখলে উন্নয়ন হয় না, বরং দুর্যোগের সময়ে বিপদ কয়েকগুণ বাড়ে।

ঢাকায় প্রতিটি ভবনের মধ্যে এত কম ফাঁকা জায়গা যে যদি একটি ভবন ধসে পড়ে, চারপাশের কয়েকটি ভবন পর্যন্ত ঝুঁকিতে পড়ে। মানুষ তাড়াহুড়ায় বের হতে পারে না। শিশু, বৃদ্ধ, নারী; কেউই নিরাপদে বের হওয়ার সুযোগ পাবেন না। এই বাস্তবতা আমরা বহু বছর ধরে দেখছি কিন্তু এখনো শহরকে হালকা করা হয়নি।

এখন আমাদের ভাবার সময় এসেছে। যদি আমরা সবকিছু ঢাকায় রাখি, তাহলে একদিন একটি বড় ধাক্কায় পুরো দেশ একসাথে বিপর্যস্ত হতে পারে। কিন্তু যদি আমরা উন্নয়ন ছড়িয়ে দেই, বিভাগগুলোকে শক্তিশালী করি, বড় বড় কোম্পানি ঢাকার বাইরে হেড অফিস দেয়, সরকারি সেবাগুলো বিভিন্ন বিভাগে ছড়িয়ে দেওয়া হয় তাহলে আমরা ঝুঁকি কমাতে পারব।

কিভাবে প্রায় ২০ মিলিয়ন ডলারের ইলেকশন ক্যাম্পেইনের এগেইনস্টে গিয়ে এই ৩৪ বছর বয়সী ইমিগ্র্যান্ট মুসলিম রাজনীতিবিদ নিউইয...
19/11/2025

কিভাবে প্রায় ২০ মিলিয়ন ডলারের ইলেকশন ক্যাম্পেইনের এগেইনস্টে গিয়ে এই ৩৪ বছর বয়সী ইমিগ্র্যান্ট মুসলিম রাজনীতিবিদ নিউইয়র্কের প্রথম মুসলিম মেয়র হলেন এটা একটা বিশাল কেইস স্টাডি হতে পারে।

মার্কেটিং প্র্যাকক্টিশনারদের জন্য এখানে চিন্তার খোরাক আছে। কিভাবে অর্গানিক কন্টেন্ট তাকে এই পর্যন্ত নিয়ে আসল এগুলো নিয়ে রীতিমত রিসার্চ প্রয়োজন।

এমন একজন ব্যক্তি নিউইয়র্কের মত শহরে মেয়র হলেন যিনি ছিলেন একজন একজন দক্ষিণ এশীয় উগান্ডার ইমিগ্র্যান্ট। উগান্ডা থেকে আমেরিকা আসলেন মাত্র ৭ বছর বয়সে। ২০১৮ সালে নাগরিকত্ব পাওয়া এই ইমিগ্র্যান্ট মুসলিম যুক্ত হন সোশ্যালিস্ট ডেমোক্র্যাট পার্টিতে যার রাজনৈতিক ধ্যান-ধারণার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল সাধারণ জনগণের জীবনমান উন্নয়ন।

কেন আমি এই বিজয়কে অসাধ্য সাধন বলছি তার একটু কনটেক্সট দিই আগে তাহলে আপনাদের বুঝতে সুবিধা হবে। মামদানি নির্বাচন করেন বিলীয়নার মডারেট/সেন্ট্রিস্ট ডেমোক্র্যাট এন্ড্রো কিউমো যার কিনা দীর্ঘ রাজনৈতিক ইতিহাস আর রয়েছে কাড়ি কাড়ি টাকা। তার বিরোধী প্রার্থীরা এবং তাদের সমর্থক ব্যবসায়িক গ্রুপগুলো খরচ করেছে ১৭ মিলিয়ন ডলারের বেশি (কমেন্টে ছবি দেওয়া আছে)। মেইনস্ট্রিম মিডিয়া হাউসগুলো ছিল এন্ড্রু কিউমো এর দখলে। নিউইয়র্কে ১২% ইহুদী বসবাস করে এবং তাদের মধ্যে থেকেই মামদানি বলেছেন নে;তা*নি'য়া/হু নিউইয়র্কে আসলে গ্রেফতার করবেন। তারপরেও তিনি সমর্থন পেয়েছেন নিউইয়র্ক শহরের বাসিন্দাদের।

কিন্তু এত টাকার এবং মেইনস্ট্রিম মিডিয়ার বিপরীতে গিয়ে মামদানি করেন সোশ্যাল মিডিয়া নির্ভর ক্যাম্পেইন। তিনি যাওয়া শুরু করলেন বিভিন্ন পডকাস্টে। একই কাজ আমেরিকার জাতীয় নির্বাচনের আগে ডোনাল্ড ট্রাম্পকেও করতে দেখা যায়।

আমি শুধুমাত্র তিনটা লেসন শেয়ার করি তার এই কেইস থেকে। তিনটা ফলো করে অ্যাপ্লাই করতে পারলে বহুদূর এগিয়ে যাবেন।

মামদানির ইন্সটাগ্রামে রয়েছে প্রায় ৭.১ মিলিয়ন ফলোয়ার এবং ইউটিউবে রয়েছে ২ লাখ ৩৩ হাজার সাবস্ক্রাইবার! মামদানি কনটেন্টকে নিয়ে গেছেন নেক্সট লেভেলে। নিউইয়র্ক শহর এতটাই এক্সপেন্সিভ হয়ে গিয়েছিল যে ২০২০ এর পর থেকে প্রায় ১ মিলিয়ন মানুষ নিউইয়র্ক শহর ছেড়ে অন্যান্য স্টেটে চলে গিয়েছিল। তাই মামদানি তার ক্যাম্পেইনে বারবার বলেছেন, "I am going to make this city affordable" যেটা তার ক্যাম্পেইনের মেসেজকে খুবই অর্থবহ করেছে।

মামদানি ১৫ দিনের "হাঙ্গার স্ট্রাইক" করেছেন ট্যাক্সি ওয়ার্কারদের জন্য। নিউইয়র্কে বাসা ভাড়া তিনি ফ্রিজ করে দিবেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি আরো প্রমিজ করেছেন তিনি বাস ফ্রি করে দিবেন এবং গ্রোসারি সহজলভ্য করবেন। তিনি কাজ করেছেন নিউইয়র্কে বসবাসরত ইমিগ্র্যান্টদের জন্য। তিনি তার প্রমিজে এমন কিছু রাখেননি যা মানুষ কানেক্ট করতে পারবেনা। মার্কেটিংয়ে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হল অডিয়েন্সকে কানেক্ট করতে পারা - সহজ এবং সরল ভাষায়। সেটাই তিনি কন্টেন্টের মাধ্যমে করেছেন।

মার্কেটিংয়ে অথেন্টিসিটির গুরুত্ব অনেক বেশি। মানুষ সেই এডভার্টাইজমেন্টে একশন নেয় যেটা অথেনটিক। মামদানির প্রত্যেকটা কন্টেন্টে অথেনটিসিটি ফুটে উঠেছিল। তার হাস্যোজ্জ্বল চেহেরা এবং আত্মবিশ্বাসী কন্ঠস্বর মানুষকে তার উপর ভরসা করতে বাধ্য করেছে।

আপনার কি মনে হয় মামদানি খুব নিকট ভবিষ্যতে আমেরিকার জাতীয় রাজনীতিতে একজন এমন গুরুত্বপূর্ণ ফিগারে পরিণত হতে যাচ্ছেন যে তিনি প্রেসিডেনশ্যাল ইলেকশানে রিপাবলিকানদেরকে টেক্কা দিবেন?

In today’s rapidly evolving job market, the gap between academic learning and industry expectations is more evident than...
11/02/2025

In today’s rapidly evolving job market, the gap between academic learning and industry expectations is more evident than ever. To address this critical issue, we had a highly productive meeting with bKash Limited at the Chairman’s office, Department of Marketing, CU.

As I close my chapter as 𝐆𝐞𝐧𝐞𝐫𝐚𝐥 𝐒𝐞𝐜𝐫𝐞𝐭𝐚𝐫𝐲 𝐨𝐟 𝐌𝐒𝐋𝐏, I’m overwhelmed with pride and gratitude for what we achieved togeth...
03/12/2024

As I close my chapter as 𝐆𝐞𝐧𝐞𝐫𝐚𝐥 𝐒𝐞𝐜𝐫𝐞𝐭𝐚𝐫𝐲 𝐨𝐟 𝐌𝐒𝐋𝐏, I’m overwhelmed with pride and gratitude for what we achieved together—and 𝐰𝐞 𝐝𝐢𝐝 𝐢𝐭 𝐚𝐥𝐥 𝐢𝐧 𝐣𝐮𝐬𝐭 𝐬𝐢𝐱 𝐦𝐨𝐧𝐭𝐡𝐬!

Despite navigating through a period of national political instability in Bangladesh, our team persevered with unwavering determination. We launched the 𝑪𝒂𝒓𝒆𝒆𝒓𝑪𝒓𝒂𝒇𝒕 𝑩𝒐𝒐𝒕𝒄𝒂𝒎𝒑, empowering 150 𝒎𝒂𝒓𝒌𝒆𝒕𝒊𝒏𝒈 𝒆𝒏𝒕𝒉𝒖𝒔𝒊𝒂𝒔𝒕𝒔, and organized 𝑪𝒉𝒂𝒕𝒕𝒐𝒈𝒓𝒂𝒎’𝒔 𝒍𝒂𝒓𝒈𝒆𝒔𝒕 𝑪𝒂𝒓𝒆𝒆𝒓 𝑭𝒆𝒔𝒕, a groundbreaking event that connected participants to powerful national networks and earned MSLP nationwide media spotlight.

On top of this, we partnered with leading EdTech companies to enrich member learning and welcomed 𝟏𝟓𝟎 𝐧𝐞𝐰 𝐚𝐬𝐬𝐨𝐜𝐢𝐚𝐭𝐞 𝐦𝐞𝐦𝐛𝐞𝐫𝐬 into our community!

This journey has been nothing short of extraordinary, and I’m confident that MSLP’s future shines even brighter. Here’s to pushing boundaries and building legacies!

"Empowering Voices, Connecting Communities, and Sharing Stories That Inspire."
07/06/2024

"Empowering Voices, Connecting Communities, and Sharing Stories That Inspire."


একটা মাইলফলক অর্জন হল আলহামদুলিল্লাহ। এত বড় এবং ইমপ্যাক্টফুল একটা আয়োজন করতে পেরে আমি একইসাথে আনন্দিত এবং গর্বিত 😇আমার ট...
30/05/2024

একটা মাইলফলক অর্জন হল আলহামদুলিল্লাহ। এত বড় এবং ইমপ্যাক্টফুল একটা আয়োজন করতে পেরে আমি একইসাথে আনন্দিত এবং গর্বিত 😇

আমার টিম এর প্রতি কৃতজ্ঞতা যাদেরকে ছাড়া এই ক্যারিয়ার ফেস্ট আয়োজন করা সম্ভব হতোনা 🙏❤️

Thanks to The Daily Star for showcasing our very own initiative Chattogram Career Fest 2024🙏
27/05/2024

Thanks to The Daily Star for showcasing our very own initiative Chattogram Career Fest 2024🙏


সারা বাংলাদেশে ছড়িয়ে পড়েছে মার্কেটিং বিভাগ আর আমাদের ভালোবাসার Marketing Society for Leadership Proliferation - MSLP ...
26/05/2024

সারা বাংলাদেশে ছড়িয়ে পড়েছে মার্কেটিং বিভাগ আর আমাদের ভালোবাসার Marketing Society for Leadership Proliferation - MSLP ♥️

Address

Chattogram
Chattogram

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Rafi Minhaz posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Rafi Minhaz:

Share