Kriya Yoga Krishna Katha

Kriya Yoga Krishna Katha Kriya Yoga Krishna Katha
Awaken your spirit with Krishna’s divine stories and the power of Kriya Yoga for inner peace and self-realization.

🕉️ চঞ্চলং হি মনঃ কৃষ্ণ প্রমাথি বলবৎ দৃঢ়ম্।তস্যাহং নিগ্রহং মন্যে বায়োরিব সুদুষ্করম্।। (৬/৩৪ শ্লোক) আর কেন মন ভ্রমিছ বাহির...
16/06/2025

🕉️ চঞ্চলং হি মনঃ কৃষ্ণ প্রমাথি বলবৎ দৃঢ়ম্।তস্যাহং নিগ্রহং মন্যে বায়োরিব সুদুষ্করম্।। (৬/৩৪ শ্লোক)
আর কেন মন ভ্রমিছ বাহিরে, চলনা আপন অন্তরে। বাহিরে যার তত্ত্ব, কর অবিরত, সেত আজ্ঞাচক্রে বিহরে।মন যে অতি চঞ্চল, বিষয়ে রত কেবল, কেমনে ধরিবে বল, তারে যোগাভ্যাস বিনে।।
হে কৃষ্ণ ! মন অত্যন্ত চঞ্চল, বিক্ষোভকারী, দৃঢ় ও শক্তিশালী। তাই একে বশে রাখা আমি বায়ুকে নিরুদ্ধ করার মত দুষ্কর মনে করি।
এই মনের চঞ্চলতা কেবল আমার আপনার নয়। হিন্দু, শিখ, মুসলমান, বৌদ্ধ, খ্রীষ্ঠানদের নয়। ভারত, বাংলাদেশ নেপাল, চীন, আমেরিকার নয়, এই চঞ্চলতা মনের রোগ সমস্ত বিশ্বের। 'মানুষ মাত্রই'-এই রোগের শিকার।
এই মনকে স্থির করার জন্য বুদ্ধদেব বোধি বৃক্ষের তলায় বসে মন নিয়ন্ত্রণের অভ্যাস করলেন। লাহিড়ী মহাশয় মনকে নিয়ন্ত্রণ করার কৌশল শিখালেন। আচার্য্য শংকর মনকে নিয়ন্ত্রণ করে অনন্ত জ্ঞান প্রাপ্ত করলেন। এই মন তো দুর্যোধন, কংস ও রাবণেরও ছিল। তারা কি করেছে? একটু বিচার করলে দেখা যায় যে বুদ্ধ, বিবেকানন্দ, শংকরাচার্য্য, লাহিড়ী মহাশয় তাঁরা তাদের মনকে মিত্র করেছিল, আর কংস,
দুর্যোধন, রাবণ তাঁরা তাদের মনকে দুম্মন অর্থাৎ শত্রু করেছিল। তাই বলা বাহুল্য নয় যে, আমরা আমাদের মনকে মন ও মনের শান্তি
যেন সাধনার উৎস করি। মনকে কখনো বাসনার উৎস না করি। তার জন্য সৎ পুরুষের সঙ্গ করতে হয়। বিশেষ অভ্যাস প্রক্রিয়া অবলম্বন করতে হয়।
See More https://kriyayogakrishnakatha.blogspot.com/?m=1

দশম অধ্যায়বিভূতি যোগওঁ শ্রী পরমাত্মনে নমঃশ্রীভগবানুবাচমহর্ষয়ঃ সপ্ত পূর্ব্বে চত্বারো মনবস্তথা। মদ্ভাবা মানসা জাতা যেষাং ল...
14/06/2025

দশম অধ্যায়
বিভূতি যোগ
ওঁ শ্রী পরমাত্মনে নমঃ
শ্রীভগবানুবাচ

মহর্ষয়ঃ সপ্ত পূর্ব্বে চত্বারো মনবস্তথা।
মদ্ভাবা মানসা জাতা যেষাং লোক ইমাঃ প্রজাঃ।। (৬ শ্লোক)

ভৃগুপ্রভৃতি সাতজন মহর্ষি, অভিধান মতে- সাত মহর্ষি অর্থে মরীচি - অত্রি - অঙ্গিরাঃ - পুলস্ত্য - পুলহ - ক্রুতু ও বশিষ্ঠ। এই সাতজন উপাধিবিশিষ্টকে সপ্তর্ষি বলা হইয়াছে।ভগবান এখানে হস্তপদ বিশিষ্ট ঋষির কথা বলিতেছেন না। এই সকল নাম প্রণেরই উপাধি মাত্র। [ প্রমাণ ছান্দোগ্য উপনিষদ ২য় খন্ড ] আকাশে যে সপ্তর্ষি মন্ডল রূপ নক্ষত্র দেখা যায়, এধরণের আরো বহুবিধ নক্ষত্র জীবের কূটস্থ স্থান রূপ হৃদয় আকাশেও রহিয়াছে,[অর্জুন বিশ্বরূপ দর্শনযোগে এই সকল নিজ শরীরের অভ্যন্তরে কূটস্থের মধ্যে দেখেছিলেন] ইহারা সপ্ত বায়ুরূপে দেহরূপ ক্ষুদ্র ব্রহ্মান্ডে ব্যাপ্ত রহিয়াছে। এই সাত বায়ু হল ৪৯ বায়ুর একত্রীভূত রূপ অবস্থা। অর্থাৎ এই সপ্ত প্রধান বায়ু হইতেই (৭×৭) = ৪৯ বায়ুর প্রকাশ পাইয়াছে। সপ্ত বায়ুর ক্রিয়াযোগের দ্বারা ৪৯ বায়ুর প্রকাশ হইতেছে বলিয়া ঐ বায়ুই ৪৯ বায়ুর একত্রীভূতরূপ অবস্থা।

সপ্তবায়ুর নাম গুলো কি জেনে নিই -->>
★ প্রবহ ---->> প্রাণ বায়ু
★ সংবহ --->> অপান বায়ু
★ বিবহ ---->> সমান বায়ু
★ উদ্বহ ---->> ব্যান বায়ু
★ আবহ ---->> উদান বায়ু
★ পরিবহ --->>স্থির বায়ু( গান্ধারী নাড়ীস্থ)
★ পরাবহ---->> স্থির বায়ু( হস্তিনী নাড়ীস্থ)

ইহারা প্রত্যকে সপ্ত প্রকার কার্যকারিতা রূপে প্রত্যকেই সাত উপাধি বিশিষ্ট এবং প্রত্যকেই সাত বায়ু বিশিষ্ট হইয়াছেন ( ৭×৭)= ৪৯ বায়ু।
যেমন অপানবায়ুর সপ্ত উপাধি -- >>
★ সংবহ
★ সমীর
★ অজগৎ প্রাণ
★ সকম্পন
★ আবক
★ চঞ্চল
★ পৃষতাং পতি

এই রূপে প্রধান সপ্ত বায়ুগণ প্রত্যকেই সপ্তগুণ ও সপ্ত উপাধি বিশিষ্ট।
এই সাত বায়ুই সপ্ত মহর্ষি - পদবাচ্য !
শাস্ত্র মতে প্রাণ অপেক্ষা মহৎ আর কিছুই নাই। প্রাণই মহর্ষি। হস্ত-পদ বিশিষ্ট ঋষিগণ সাধনা দ্বারা মহৎ প্রাণকেই লাভ করিয়া ঋষি উপাধি প্রাপ্ত হইয়াছিলেন। ছান্দোগ্য উপনিষদে উক্ত আছে যে -- শতার্চ্চি নামক ঋষি শত বৎসর প্রাণের উপাসনা দ্বারা শতার্চ্চি নাম- বিশিষ্ট হইয়াছিলেন। গীতাতেও ভগবান বলিতেছেন যে " অহং ক্রতুঃ" এবং " মরীচির্মরুতামস্মি " ইত্যাদি। অতএব প্রাণই সপ্ত বায়ুরূপে সাত মহর্ষি পদবাচ্য।
"চত্বারো মনবস্তথা" -->> প্রাণই "চত্বারো মনবঃ" বা চারি মনু। মনু অর্থাৎ মন বোধ করা। এই মনই স্বয়ম্ভু -- কারণ মনের উৎপত্তি প্রাণ হইতে, প্রাণের চঞ্চলাবস্থায় চঞ্চল মনের উৎপত্তি হয়।প্রাণ স্থির হলেই বর্তমান মনও স্থির হয়ে যায়। সাত মহর্ষি ও চারি মনু আমার ভাব হইতে মনেতে জাত। মনোরূপ মনু ৪ যুগেই উৎপন্ন হন বলিয়া চত্বারো মনবঃ উক্ত হইতেছে। অজপারূপ কাল যাহা চলিতেছে, -- এই কাল কখনো স্বত্বগুণে কখনো রজোগুণে, কখনো তমোগুণে এবং কখনো রজস্তমো দুই গুণে থাকে, কালের মিলন অবস্থার নামই যুগ। রজস্তমোরূপ ঈড়া ও পিঙ্গলার কাল যাহা চলিতেছে ঐ ঈড়া পিঙ্গলার গতি সুষুন্মায় মিলিত হইয়া যখন গতি স্থির অবস্থা রূপ স্থিতি হয় সেই ( ঈড়া-পিঙ্গলার মিলন) অবস্থার নামই প্রকৃত যুগ। উহাই সত্য যুগের অবস্থা। ইহার পর যে ত্রেতা, দ্বাপর ও কলি, সেই সকল ইহারই ভাবান্তররূপ অবস্থা মাত্র। এই যুগের ভাবান্তর হইতে অপর তিন যুগের প্রকাশ হইয়াছে। উক্ত সত্য যুগে স্থির মনোরূপ মনের উৎপত্তি। পরে অজপারূপ কাল যখন স্বত্বগুণ(সুষুন্মা) হইতে রজোগুণে (পিঙ্গলায়) আসিয়া চঞ্চল গতি বিশিষ্ট হয়, তখন উপরিউক্ত যুগের ভাবান্তর হইয়া পিঙ্গলার গতি বিশিষ্ট রূপ ত্রেতা যুগের প্রকাশ অবস্থা হয়। এ অবস্থায় চঞ্চল মনোরূপ মনু উৎপন্ন হয়।[ কেননা প্রাণ চঞ্চল হইলে মনও চঞ্চল ] আবার এই পিঙ্গলার গতি স্থিরে লয় হইলে সেই ( প্রলয়) অবস্থার পর কাল যখন পুনঃ রজোস্তম ( পিঙ্গলা ু ঈড়া) দু য়েতে চলিতে থাকে, তখন দ্বাপর যুগের অবস্থা হয়। এ অবস্থাতেও চঞ্চল মনোরূপ মনু উৎপন্ন হয়। তাহার পর ঐ ঈড়া পিঙ্গলা উভয়েরই গতি স্থিরে লয় প্রাপ্ত হইয়া সে অবস্থার পর আবার যখন কেবলমাত্র তমোগুণরূপ ঈড়ার কাল চলিতে থাকে, তখন কলিযুগের অবস্থা হয়। এ অবস্থাতেও চঞ্চল মনোরূপ মনু উৎপন্ন হয়। একইরূপে দেহরূপ ক্ষুদ্র ব্রহ্মান্ডে চারি যুগে মনুর উৎপত্তি হয়।মনোরূপি চারি মনু এবং বায়ুরূপি সপ্তঋষি ইহারা আমার ভাব হইতে ( আত্মভাব হইতে) আত্মভাবের ভিন্ন ভিন্ন অবস্থা রূপে মনেতে জাত! মন না থাকিলে কিছুই নাই --- সবই লয়প্রাপ্ত। সমুদয় যতলোক দেখিতেছ, সব ইহাদেরই প্রজারূপ সন্তান। অর্থাৎ প্রজা প্রকৃষ্ট রূপে জাত হইয়া ঐ সপ্ত বায়ু ও চারি মনু ইহারাই প্রকৃষ্ট রূপে উৎপন্ন হইয়া সন্তান বিস্তার রূপ অবস্থায় লোক সৃষ্টির প্রকাশ। সন্তান অর্থাৎ সম - সম্যকরূপে, ত= বিস্তার করা, ৭ বায়ু হইতে ৪৯ বায়ুর বিস্তার হইয়া লোক সৃষ্টি হইতেছে এবং সৃষ্টি স্থিতি, সব মন কতৃক বোধ হইতেছে।[ ইহাই স্থির প্রাণরূপ আত্মার বিভূতি ]একারণে ভগবান বলিতেছেন যে, সপ্ত মহর্ষি ও চারি মনু ইহারা আমরই ভাব হইতে মানসে জাত অর্থাৎ মানসপুত্র লোক সকল যাহা দেখিতেছ, সব ইহাদেরই প্রজারূপ সন্তান। Read More https://kriyayogakrishnakatha.blogspot.com/

ক্রিয়া যোগে কৃষ্ণ কথা   !পত্রং পুষ্পং ফলং তোয়ং যো মে ভক্ত্যা প্রযচ্ছতি। তদহং ভক্ত্যুপহৃতম্ অশ্মামি প্রযতাত্মনঃ ।।       ...
12/06/2025

ক্রিয়া যোগে কৃষ্ণ কথা !

পত্রং পুষ্পং ফলং তোয়ং যো মে ভক্ত্যা প্রযচ্ছতি।
তদহং ভক্ত্যুপহৃতম্ অশ্মামি প্রযতাত্মনঃ ।। (২৬/৯ শ্লোক )

তাৎপর্য >> যিনি আমাকে ভক্তি--সককারে পত্র, পুষ্প, ফল ও জল প্রদান করেন, আমি সেই সংযতাত্মা ব্যক্তি কতৃক ভক্তি পূর্বক উপহার-রূপে প্রদত্ত পত্রপুষ্পাদি গ্রহন করি।
ভক্তি সাধনের ধন, জ্ঞান ও ভক্তিতে কোন প্রভেদ নেই। যাঁহার প্রকৃত জ্ঞান হয়, তাঁহার শরীর ভক্তিরসে আপ্লুত হয়। ভগবান দ্বাদশ অধ্যায়ে ১৩--২০ শ্লোক পর্যন্ত ভক্তির যে লক্ষণ বলিয়াছেন বিনা সাধনে তাহা কখনোই হইবার নহে। প্রযতাত্মা অর্থাৎ সংযাত্মা হইয়া প্রকৃত ভক্তির সহিত যিনি পত্র পুষ্পাদি আমাকে দেন তাঁহাদেরই পুষ্পাদি আমি গ্রহন করি। প্রযতাত্মা হইতে গেলে যোগসাধন অবলম্বন করিতে হয়, কিন্তু আমরা তাহা করি কই ? সংযতাত্মা ছাড়া অন্যব্যক্তি যথার্থ পুজা বা ধ্যান জানেই না। একারনেই অন্যের দ্বারা প্রকৃত পুজা পুষ্পাদি অর্পণ হয় না( ১৭২৮টি উত্তম প্রাণকর্ম্মের দ্বারা ধ্যান হইয়া থাকে, কেবল মাত্র মন্র উচ্চারণ করেলে ধ্যান হয় না) এজন্যই ব্রাহ্মণের দ্বারা পজা পদ্ধতির বিধি আছে। অর্থাৎ সংযতাত্মাই প্রকৃত ব্রাহ্মণ। এইরূপ সংযতাত্মা হইয়া পত্র পুষ্পাদি প্রদান করিতে পারিলেই ভগবান তা গ্রহন করিয়া থাকেন, নচেৎ নয়।
See More https://kriyayogakrishnakatha.blogspot.com/

Kriya Yoga Krishna Katha ওঁ শ্রী পরমাত্মনে নমঃ শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা পড়ুন এবং আধ্যাত্মিক তত্ত্ব জানুন। সুখী হোন ! (যুদ্ধ ক্ষে...
11/06/2025

Kriya Yoga Krishna Katha
ওঁ শ্রী পরমাত্মনে নমঃ
শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা পড়ুন এবং আধ্যাত্মিক তত্ত্ব জানুন।
সুখী হোন !
(যুদ্ধ ক্ষেত্রে -- যোগবার্তা)
See More
https://shorturl.at/XN3EK

Address

Chattogram
Chattogram
CHATTOGRAM4000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Kriya Yoga Krishna Katha posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share