16/06/2025
🕉️ চঞ্চলং হি মনঃ কৃষ্ণ প্রমাথি বলবৎ দৃঢ়ম্।তস্যাহং নিগ্রহং মন্যে বায়োরিব সুদুষ্করম্।। (৬/৩৪ শ্লোক)
আর কেন মন ভ্রমিছ বাহিরে, চলনা আপন অন্তরে। বাহিরে যার তত্ত্ব, কর অবিরত, সেত আজ্ঞাচক্রে বিহরে।মন যে অতি চঞ্চল, বিষয়ে রত কেবল, কেমনে ধরিবে বল, তারে যোগাভ্যাস বিনে।।
হে কৃষ্ণ ! মন অত্যন্ত চঞ্চল, বিক্ষোভকারী, দৃঢ় ও শক্তিশালী। তাই একে বশে রাখা আমি বায়ুকে নিরুদ্ধ করার মত দুষ্কর মনে করি।
এই মনের চঞ্চলতা কেবল আমার আপনার নয়। হিন্দু, শিখ, মুসলমান, বৌদ্ধ, খ্রীষ্ঠানদের নয়। ভারত, বাংলাদেশ নেপাল, চীন, আমেরিকার নয়, এই চঞ্চলতা মনের রোগ সমস্ত বিশ্বের। 'মানুষ মাত্রই'-এই রোগের শিকার।
এই মনকে স্থির করার জন্য বুদ্ধদেব বোধি বৃক্ষের তলায় বসে মন নিয়ন্ত্রণের অভ্যাস করলেন। লাহিড়ী মহাশয় মনকে নিয়ন্ত্রণ করার কৌশল শিখালেন। আচার্য্য শংকর মনকে নিয়ন্ত্রণ করে অনন্ত জ্ঞান প্রাপ্ত করলেন। এই মন তো দুর্যোধন, কংস ও রাবণেরও ছিল। তারা কি করেছে? একটু বিচার করলে দেখা যায় যে বুদ্ধ, বিবেকানন্দ, শংকরাচার্য্য, লাহিড়ী মহাশয় তাঁরা তাদের মনকে মিত্র করেছিল, আর কংস,
দুর্যোধন, রাবণ তাঁরা তাদের মনকে দুম্মন অর্থাৎ শত্রু করেছিল। তাই বলা বাহুল্য নয় যে, আমরা আমাদের মনকে মন ও মনের শান্তি
যেন সাধনার উৎস করি। মনকে কখনো বাসনার উৎস না করি। তার জন্য সৎ পুরুষের সঙ্গ করতে হয়। বিশেষ অভ্যাস প্রক্রিয়া অবলম্বন করতে হয়।
See More https://kriyayogakrishnakatha.blogspot.com/?m=1