13/03/2026
হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজার শরীফ
১৪শ শতাব্দীর সুফি সাধক হযরত শাহজালালের সমাধি। এটা সিলেটের সবচেয়ে পবিত্র ও ঐতিহাসিক স্থান। ১৩০৩ সালে তিনি এখানে এসে ইসলাম প্রচার করেন। মাজারের চারপাশে মসজিদ, পুকুর (পবিত্র মাছের জন্য বিখ্যাত) আর শান্ত পরিবেশ। লক্ষ লক্ষ মানুষ প্রতি বছর আসে।
হযরত শাহপরান (রহ.) মাজার শরীফ
শাহজালালের ভাগ্নে শাহপরানের মাজার। শহর থেকে খুব কাছে (দরগাহ থেকে ৭-৮ কিমি)। এটাও খুব প্রাচীন ও শান্তিপূর্ণ জায়গা, সুফি ঐতিহ্যের অংশ।
আলী আমজাদের ঘড়ি (Ali Amjad Clock Tower)
বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরনো ঘড়ির টাওয়ার (১৮৭৪ সালে নির্মিত)। সুরমা নদীর উত্তর তীরে, সার্কিট হাউসের কাছে। ব্রিটিশ-ইন্ডিয়ান ও ঐতিহ্যবাহী স্থাপত্যের মিশেল। শহরের প্যানোরামিক ভিউ পাওয়া যায়।
শাহী ঈদগাহ (Sylhet Shahi Eidgah)
মুঘল যুগে (১৬৬০-এর দশকে) নির্মিত। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ঈদগাহগুলোর একটা, ১ লাখেরও বেশি মানুষ একসাথে নামাজ পড়তে পারে। ঐতিহাসিক ও স্থাপত্যের দিক থেকে অসাধারণ।
ওসমানী মিউজিয়াম (Osmani Museum)
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার জেনারেল এম এ জি ওসমানীর পূর্বপুরুষের বাড়ি। এখন মিউজিয়াম, যেখানে তার জীবন, যুদ্ধের স্মৃতি ও ঐতিহাসিক জিনিসপত্র দেখা যায়।
ক্বীন ব্রিজ (Keane Bridge)
১৯৩৬ সালে নির্মিত, সুরমা নদীর উপর। সিলেট শহরের প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত। ব্রিটিশ আমলের ঐতিহ্য।
জিতু মিয়ার বাড়ি
লোককথায় বিখ্যাত "চাঁদনী ঘাটের সিড়ি, আলী আমজাদের ঘড়ি, বন্ধু বাবুর দাড়ি আর জিতু মিয়ার বাড়ি"। শেখঘাট এলাকায়, ঐতিহাসিক বাড়ি ও লোকগাঁথার স্থান।
মালনীছড়া চা বাগান
ভারতীয় উপমহাদেশের সবচেয়ে পুরনো বাণিজ্যিক চা বাগান (১৮৫৪ সালে শুরু)। ঐতিহাসিক ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের মিশেল।