10/02/2025
মেয়েদের ফুটবল শুধুমাত্র একটা খেলা নয়, এটা একটা কালচারাল ওয়ার। নিচের কার্টুনটি এঁকে তা বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।
বিদেশে সি বিচে মেয়েদের বিকিনি পরে ভলিবল খেলার প্রতিযোগিতা হয়, এই খেলা পুরুষ দর্শকদের মাঝে ব্যাপক জনপ্রিয়। পুরুষদের উদ্দাম নারীদেহ দেখতে ভালো লাগে। আর সেটাকেই পূজি করে চলে এই খেলা।
এখন ক্রিকেটেও চলে এসেছে নারীদেহের উদ্দাম নাচ, চিয়ার্স লিডার নাম দিয়ে ছোট পোশাকে মেয়েরা পুরুষ দর্শকদের মনোরঞ্জন করতে থাকে।
খেলা এখন শুধু বিনোদন নয়, এটা ব্যবসা। এখানে জুয়ার আসর বসে, চিয়ার্স লিডার নামে টাকায় কেনা সস্তা মেয়েরা মাঠ জুড়ে নেচে গেয়ে দর্শক বাড়ায়।
এসব খেলা নিয়ে মুসলিমদের এত মাতামাতি কেন?
ধর্মের বেসিক জ্ঞান আমাদের শূণ্যের কোঠায় নেমেছে। মেয়েরা বেপর্দা হয়ে খেলা ধূলা করছে, তা নিয়ে আমরা এখন গর্বিত হই !
পর্দা নিয়ে এই যে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করে কার্টুন আঁকছে, মেয়েদের ফুটবল জয়কে ধর্মের বিধানের সাথে প্রতিপক্ষ হিসেবে দাঁড় করানোর সাহস পেয়েছে এটা আমাদের ধর্মহীনতার ফল।
কার্টুনে বুঝানো হয়েছে, হুজুরেরা পর্দা নিয়ে বলে, তাই মেয়েরা ফুটবল দিয়ে লাথি মেরে বুঝিয়েছে আমরা পারি! এই লাথিটা আসলে কাকে দিয়েছে?
কোনো হুজুর এই পর্দার বিধান দেয়নি, এটা আল্লাহ সুবহানা তায়ালার বিধান। তিনি এই বিধানের মাধ্যম নারীদের সস্তা হতে দেননি। হাজার পুরুষের মনোরঞ্জনের জন্য নারীদেহ উম্মুক্ত রাখার বিধান দেননি। পর্দার মাধ্যমে নারীদের সম্মানিত করেছেন। অথচ অধিকাংশই তা বুঝি না।
আসুন, নিজেদের পরিবারে, আত্মীয়স্বজন, বন্ধু বান্ধবের মাঝে বেশি বেশি দাওয়াতি কাজ করি।