06/07/2026
কারবালার প্রান্তরে শাহাদাত বরণকারী ৭২জন মহান ব্যক্তির নাম মুবারক।
===============================
নামে পাক তেলওয়াতের ওছিলায় সমস্ত বিপাদাপদ মুক্ত করে দিও!
-আল্লাহুম্মা আমিন!.........................................................................
১।সৈয়্যদুসশোহাদা হযরত সৈয়্যদেনা ইমাম হোসাইন ইবনে আলী(রাদিআল্লাহু তা'য়ালাআনহু)।
২।হযরত আব্বাস বিন আলী(রঃ)।
৩।হযরতসৈয়্যদেনা আলী আকবর বিন হোসাইন(রাঃ)।
৪।হযরত সৈয়্যদেনা আলী আসগর বিন হোসাইন(রাঃ)।
৫।হযরত সৈয়্যদেনা আব্দুল্লাহ বিন আলী (রাঃ)।
৬।হযরত সৈয়্যদেনা জাফর বিন আলী(রাঃ)।
৭।হযরত সৈয়্যদেনা উসমান বিনআলী(রঃ)।
৮।হযরত সৈয়্যদেনা আবু বকরবিন আলী(রঃ)।
৯।হযরত সৈয়্যদেনা আবু বকর বিন হাসান( রঃ)।
১০।হযরত সৈয়্যদেনা কাসিম বিন হাসান( রঃ)।
১১। হযরত সৈয়্যদেনা আব্দুল্লাহ বিন হাসান(রঃ)।
১২।হযরত সৈয়্যদেনা আওন বিন আব্দুল্লাহ বিন জাফর (রঃ)।
১৩।হযরত সৈয়্যদেনা মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন জাফর(রঃ)।
১৪।হযরত সৈয়্যদেনা আব্দুল্লাহ বিন মুসলিম বিনআকীল(রঃ)।
১৫।হযরত সৈয়্যদেনা মুহাম্মদ বিন মুসলিম (রঃ)।
১৬।হযরত সৈয়্যদেনা মুহাম্মদ বিন সাঈদ বিন আকীল (রঃ)।
১৭।হযরত সৈয়্যদেনা আব্দু রহমান বিন আকীল(রঃ)।
১৮।হযরত সৈয়্যদেনা জাফর বিন আকীল(রঃ)।
১৯।হযরত ওনস বিন হাস'আসাদী (রঃ)।
২০।হযরত হাবিব বিন মাজাহির আসাদী(রঃ)।
২১। হযরত মুসলিম বিন আওসাজা আসাদী(রঃ)।
২২।হযরত কাইস বিন মাসহার আসাদী(রঃ)।
২৩।হযরত আবু সামামা উমরবিন আব্দুল্লাহ(রঃ)।
২৪।হযরত বুরির হামদান(রঃ)।
২৫।হযরত হানালাবিন আসাদ(রঃ)।
২৬।হযরত আবিস শাকরি (রঃ)।
২৭।হযরত আব্দু রহমান রাহবি(রঃ)।
২৮।হযরত সাইফ বিন হাস(রঃ)।
২৯।হযরত আমির বিন আব্দুল্লাহ হামদানি(রঃ)
৩০।হযরত জুনাদা বিন হাস(রঃ)।
৩১।হযরত মাজমা বিন আব্দুল্লাহ(রঃ)।
৩২।হযরত নাফে বিন হালাল (রঃ)।
৩৩।হযরত হাজ্জাজ বিন মাসরুক (রঃ)মুয়াজ্জিন এ কাফেলা।
৩৪।হযরত ওমর বিন কারজা (রঃ)।
৩৫।হযরত আব্দু রহমান বিন আবদে রব(রঃ)।
৩৬।হযরত জুনাদা বিন কাব(রঃ)।
৩৭।হযরত আমির বিন জানাদা(রঃ)।
৩৮।হযরত নাঈম বিন আজলান(রঃ)।
৩৯।হযরত স্বাদ বিন হাস(রঃ)।
৪০।হযরত জুহায়ের বিন কাইস(রঃ)।
৪১।হযরত সালমান বিন মাজারাইব(রঃ)।
৪২।হযরত সাঈদ বিন ওমর (রঃ)।
৪৩।হযরত আব্দুল্লাহ বিন বাসির(রঃ)।
৪৪।হযরত ইয়াজিদবিন জাঈদ কানদি(রঃ)।
৪৫।হযরত হারব বিন ওমর উল কাইস(রঃ)।
৪৬।হযরত জাহির বিন আমির(রঃ)।
৪৭।হযরত বাসির বিন আমির(রঃ)।
৪৮।হযরত আব্দুল্লাহ আরওয়াহ গাফফারি(রঃ)।
৪৯।হযরত জন(রঃ)।
৫০।হযরত আব্দুল্লাহ বিন আমির(রঃ)।
৫১।হযরত আব্দুল আলা বিন ইয়াজিদ(রঃ)।
৫২।হযরত সেলিম বিন আমির(রঃ)আজদী।
৫৩।হযরত কাসিম বিন হাবীব(রঃ)।
৫৪।হযরত জায়েদ বিন সেলিম (রঃ)।
৫৫।হযরত নোমান বিন ওমর(রঃ)আবদী।
৫৬।হযরত ইয়াজিদ বিন সাবিত(রঃ)।
৫৭।হযরত আমির বিন মুসলিম (রঃ)।
৫৮।হযরত সাইফ বিন মালিক (রঃ)।
৫৯।হযরত জাবির বিন হাজ্জজি(রঃ)।
৬০।হযরত মাসুদ বিন হাজ্জজি (রঃ)।
৬১।হযরত আব্দু রহমান বিন মাসুদ(রঃ)।
৬২।হযরত বাকের বিন হাই(রঃ)।
৬৩।হযরত আম্মার বিন হাসান তাই(রঃ)।
৬৪।হযরত জুরঘামা বিন মালিক(রঃ)।
৬৫।হযরত কানানা বিন আতিক(রঃ)।
৬৬।হযরত আকাবা বিন স্লাট(রঃ)।
৬৭।হযরত হুর বিন ইয়াজিদ তামিমি (রঃ)।
৬৮।হযরত আকাবা বিন স্লট (রঃ)।
৬৯।হযরত হাবালা বিন আলী শিবানী(রঃ)।
৭০।হযরত কানাবা বিন ওমর(রঃ)।
৭১।হযরত আব্দুল্লাহ বিন ইয়াকতার(রঃ)।
৭২।হযরত গোলাম এ তুরকি (রঃ)।
১৫৪। নবীজী উম্মতের প্রাণের চাইতে ও নিকটে ঃ মিশকাত শরীফ ২৬৩ পৃঃ হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) ((বুখারী ও মুসলিম শরীফ)।
১৫৫। নামাজ ছেড়ে নবীজীর ডাকে সাড়া দিলে নামাজ ভঙ্গ হয়না বরং উত্তম নামাজ হয় ঃ মিশকাত শরীফ ১৮৪ পৃঃ ৭ নং হাশিয়া, হযরত আবু সাঈদ ইবনে মুয়াল্লাহ (রাঃ) (বুখারী শরীফ) ।
১৫৬। নবীজী সামনে পেছনে একসমান ভাবে দেখতেন ঃ ৭৭ পৃঃ হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) (মুসনাদে আহমদ), ৯৮ পৃঃ হযরত আনাস (রাঃ) (বুখারী ও মুসলিম শরীফ)।
১৫৭। আল্লাহু ওয়ারাসূলুহু আ’লামু বলা জায়েজ ঃ মিশকাত শরীফ ১৩ পৃঃ হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) (বুখারী ও মুসলিম শরীফ), ৩৬/ ৩৭ পৃঃ হযরত আনাস (রাঃ) (বায়হাকী শরীফ), ৮৩ পৃঃ হযরত নূ’মান ইবনে মুরওয়াতা (রাঃ) (মালেক ও দারেমী শরীফ), ৪৫০ পৃঃ হযরত আবু সাঈদ খুদুরী (রাঃ) (শরহে সুন্নাহ), ৪৭২ পৃঃ হযরত আবু যর গিফারী (রাঃ), (বুখারী ও মুসলিম শরীফ), ৪৭৫ পৃঃ হযরত ফাতেমা (রাঃ) (মুসলিম শরীফ), ৪৮৪ পৃঃ হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ), ৫৩৭ পৃঃ হযরত আনাস (রাঃ)।
১৫৮। “ইয়া রাসূলাল্লাহ” বলা জায়েজ শির্ক নয় ঃ মিশকাত শরীফ ৪২ পৃঃ হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) (মুসলিম শরীফ), ১৭৫ পৃঃ হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) (বুখারী ও মুসলিম শরীফ), ৫৩৫ পৃঃ হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) (মুসলিম শরীফ), ৫৪২ পৃঃ হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) (বুখারী ও মুসলিম শরীফ), ১৫৩ পৃঃ আবু সাঈদ খুদুরী (রাঃ) (বুখারী শরীফ), ৫৩০ পৃঃ হযরত ইবনে আজীব (রাঃ) (বুখারী ও মুসলিম শরীফ), ৫৩১ পৃঃ হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) (বুখারী শরীফ), ৫৪৩ পৃঃ হযরত আনাস (রাঃ) (মুসলিম শরীফ), ৫৮২ পৃঃ হযরত ইবনে ওমর (রাঃ) (বুখারী শরীফ), ৪৫৫ পৃঃ হযরত মুয়ায ইবনে জাবাল (রাঃ) (মুসনাদে আহমদ), ২৯২ পৃঃ হযরত আবু বকর (রাঃ) (ইবনে মাজাহ শরীফ), ৪৫০ পৃঃ হযরত আবু বকর (রাঃ) (মুসনাদে আহমদ, তিরমিযী ও দারেমী শরীফ), ২৬০/ ২৬১ পৃঃ নূ’মান ইবনে বশীর (রাঃ) (বুখারী ও মুসলিম শরীফ), ২৯৩ পৃঃ হযরত হেলাল ইবনে উসামাহ (রাঃ) (ইবনে মাজাহ শরীফ), ৯৮ পৃঃ হযরত জাবের ইবনে সামুরাহ (রাঃ) (মুসলিম শরীফ), ১৮১ পৃঃ হযরত আজেব (রাঃ) (আবু দা্উদ ও ইবনে মাজাহ শরীফ), ১০১ পৃঃ হযরত উসমান ইবনে আবুল আস (রাঃ) (মুসলিম শরীফ), ৪২০ পৃঃ হযরত আবু সাঈদী (রাঃ) (আবু দাউদ শরীফ), ৮৩ পৃঃ হযরত নু’মান ইবনে মুরওয়াতা (রাঃ)।
১৫৯। রবিয়া ইবনে আবি কা’ব আসলামী নবীজী থেকে যা পেলেন ঃ মিশকাত শরীফ ৮৪ পৃঃ রবিয়া ইবনে কা’ব (রাঃ) (মুসলিম শরীফ)। আবু দাউদ শরীফের ১৯৪পৃঃ বুখারী শরীফ ১০৫৭পৃঃ মিশকাত শরীফ ৮৪ ), মুসলিমশরীফ ১ম খন্ড ১৯৩ পৃঃ
১৬০ । নবীজী ইচ্ছা করলে পাহাড়কে স্বর্ণে রূপান্তরিত করতে পারতেন ঃ মিশকাত শরীফ ৫২১ পঃ হযরত আয়েশা সিদ্দিকা (রাঃ) (শরহে সুন্নাহ ও ) মিশকাত শরীফ ৪৪২ পৃঃ হযরত আবু উমামাহ বাহেলী (রাঃ) আহমদ ও তিরমিযী শরীফ)।
১৬১। আওলিয়ায়ে কেরামদের ব্যবহৃত জীনিস তাবরুক হিসেবে কবরে দেওয়া জায়েজ- এর প্রমাণ ঃ মিশকাত শরীফ ১৪৩ পৃঃ ৭নং ও ৮ নং হাশিয়ায় হযরত উম্মে আতিয়া (রাঃ) (বুখারী ১ম খন্ড ১৬৮ও ১ম ১৭০ পৃঃ পৃঃ ও মুসলিম শরীফ ১ম খন্ড ৩০৫ পৃঃ, ইবনে মাজাহ শরীফ ২৬২ পৃঃ) নাসায়ী শরীফ ১ম খন্ড ২০৮পৃঃ ।
১৬২। নবীজীর কদম মোবারকের অনুকরনে হাশরে মানুষদেরকে সমবেত করবেন ঃ মিশকাত শরীফ ৫১৫ পৃঃ হযরত জুবাইর ইবনে মুতরিম (রাঃ) (বুখারী ও মুসলিম শরীফ), ৫১৫ পৃঃ হযরত আবু মুসা আশয়ারী (রাঃ) (মুসলিম শরীফ)।
১৬৩। খায়বার যুদ্ধে হযরত আলী (রাঃ)- এর শৌর্যবীর্য প্রদর্শন ঃ মিশকাত শরীফ ৫৬৩ পৃঃ হযরত সাহাল ইবনে সায়াদ (রাঃ) (বুখারী ও মুসলিম শরীফ)।
১৬৪। নবীজীর কাছে ৩টি জিনিস প্রিয় ঃ মিশকাত শরীফ ৪৪৯ পৃঃ হযরত আনাস (রাঃ) (মুসনাদে আহমদ ও নাসাঈ শরীফ)।
১৬৫। গরীবদের উসিলায় আল্লাহ তায়ালা ধনীদেরকে সহযোগিতা করেন ঃ মিশকাত শরীফ ৪৪৭ পৃঃ হযরত আবু দারদাহ (রাঃ) (আবু দাউদ শরীফ)।
১৬৬। হজ্জের ব্যাপারে নবীজী আমাদের উপর বড় ইহসান করেছেন ঃ মিশকাত শরীফ ২২০/ ২২১ পৃঃ হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) (মুসলিম শরীফ)।
১৬৭। নবীর প্রেমিক ৪০টি হাদীসে পাক মুখস্থকরলে নবীজী সুপারিশ করবেন ঃ মিশকাত শরীফ ৩৬ পৃঃ হযরত আবু দারদাহ (রাঃ) (বায়হাকী শরীফ)।
১৬৮। নবীজীর দাড়ি ও চুল মোবারকে ধুলায় দূসরিত হওয়ার ঘটনা ঃ মিশকাত শরীফ উম্মে সালমা ৫৭২ পৃঃ হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) (বায়হাকী ও আহমদ শরীফ)।
১৬৯। আমার মুহাব্বতের কারনে আহলে বাইয়াতকে ভালবাসতে হবে ঃ মিশকাত শরীফ ৫৭৩ পৃঃ হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ), (১নং ও ৩ নং হাশিয়া ‘তিরমীযি শরীফ’)।
১৭০। হযরত উম্মে হারাম বিনতে মিলহানের ঘটনায় নবীজীর ইরমে গায়েবের খবর প্রকাশ পায় ঃ মিশকাত শরীফ ৫২৫ পৃঃ হযরত আনাস (রাঃ) (বুখারী, মুসলিম ও আবু দাউদ শরীফ)।
১৭১। নবীজীর হাত মোবারকের ফজিলত, হযরত উম্মে মাবাদের ছাগল থেকে দুধের পোয়ায়রা ঃ মিশকাত শরীফ ৫৪৪ পৃঃ হযরত হিবাম ইবনে হিশাম (রাঃ) (শরহে সুন্নাহ), ৫৬০ পৃঃ বুখারী ও মুসলিম শরীফ- এর কিতাবুল ওয়াফা ও ইসতিয়াব।
১৭২। নবীজী মক্কা শরীফ ও মদীনা শরীফের মুমিনদেরকে নিয়ে একসাথে হাশরে উঠবেন ঃ মিশকাত শরীফ ৫৫ পৃঃ হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) (তিরমীযি শরীফ)।
১৭৩। ইহুদী নেতা আবু রাফেকে যে ভাবে হত্যা করলেন সাহাবীরা ঃ মিশকাত শরীফ ৫৩১ পৃঃ বারা ইবনে আজিব (রাঃ) (বুখারী শরীফ ২য় খন্ড ৫৭৭ পৃঃ)।
১৭৪। আযানের পরে দরূদ ও সালাম ঃ মিশকাত শরীফ ৬৪ পৃঃ হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আস (রাঃ) (আবু দাউদ শরীফ ৭৭ পৃষ্ঠায় কিতাবুল আযান), ওরওয়া ইবনে নোবাইর (রাঃ) (ফতোয়ায়ে শামী ১ম খন্ড ৫১৮ পৃঃ ও আল ফিকহুল মাযাহিবুল আলাল আরবায়া ১ম খন্ড ৩২৬ পৃষ্টা, মুসলিম শরীফ ১ম খন্ড ৩৯০ পৃঃ)।
১৭৫। কুরআন শরীফের হাফিজদের পিতা- মাতাকে নূরের টুপি পরাবেন আল্লাহ তায়ালা ঃ মিশকাত শরীফ ১৮৬ পৃঃ মুয়াজজুহানী (রাঃ) (মুসনাদে আহমদ ও আবু দাউদ শরীফ)।
১৭৬। কুরআন শরীফের হাফিজগন ‘দশজন জাহান্নামীকে বেহেস্তে নিয়ে যাবে ঃ মিশকাত শরীফ ১৮৭ পৃঃ হযরত আলী (রাঃ) (মুসনাদে আহমদ, আবু দাউদ, তিরমীযি, ইবনে মাজাহ ও দারেমী শরীফ)।
১৭৭। একটার চাইতে আরেকটি শক্তিশালী ঃ মিশকাত শরীফ ১৭০ পৃঃ হযরত আনাস (রাঃ) (তিরমীযি শরীফ)।
১৭৮। সাহাবীদের ঈমান পাহাড়ের চাইতে বেশি মজবুত ঃ মিশকাত শরীফ ৪০৬ পৃঃ হযরত কাতাদাহ (রাঃ) (শরহে সুন্নাহ)।
১৭৯। নবীজী কারা কারা জান্নাতে যাবে তার নাম, পিতার নাম, এবং গোত্রের নামসহ জানেন ঃ মিশকাত শরীফ ২১ পৃঃ হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর (রাঃ) (তিরমীযি শরীফ)।
১৮০। হযরত আলী (রাঃ) সমস্যার কারনে চুর মুন্ডন করেছিলেন, নিজের ইচ্ছার কারনে নয় ঃ মিশকাত শরীফ ৪৮ পৃঃ হযরত আলী (রাঃ) (আবু দাউদ, আহমদ ও দারেমী শরীফ)।
১৮১। নবীজী অন্ধকার রজনীতে দুইজন সাহাবীকে ১টি লাঠি ভেঙ্গে দিলেন বাতি হিসেবে ব্যবহার করার জন্য ঃ মিশকাত শরীফ ৫৪৪ পৃঃ হযরত আনাস (রাঃ) (বুখারী শরীফ)।
১৮২। হাতিব ইবনে বালতায়ার চিঠির ঘটনা ঃ মিশকাত শরীফ ৫৭৭ পৃঃ হযরত আলী (রাঃ) (বুখারী ও মুসলিম শরীফ)।
১৮৩। মদীনার ঈমান মদীনায় ফিরে যাবে ঃ মিশকাত শরীফ ২৯ পৃঃ হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) (বুখারী ও মুসলিম শরীফ)।
১৮৪। মদীনায় ইনত্দেকাল করলে নবীজীর সুপারিশ করবেন ঃ মিশকাত শরীফ ২৪০ পৃঃ হযরত ইবনে ওমর (রাঃ) (আহমদ, তিরমীযি শরীফ)।
১৮৫। নবীজী কখনো কখনো বাবরী চুল রাখতেন ঃ (মেশকাত শরীফ ৩৮৪ পৃঃ)
১৮৬। ইক্বামতে হাইয়া আলাস সালাহ বললে দাড়ানো সুন্নাত ঃ মিশকাত শরীফ ৬৭ পৃঃ হযরত কাতাদাহ (রাঃ) (বুখারী ও মুসলিম শরীফ), তিরমীযি শরীফ ১ম খন্ড ৭৬ পৃষ্ঠায় হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে কাতাদাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত ও কিতাবুল ফিকহে আলাল মাযাহিবুল আরবায়া ১ম খন্ড ২২৩ পৃষ্ঠা ও শরহে বেকায়া ১ম খন্ড ১৩৬ পৃঃ উল্লেখ রয়েছে, (ফতোওয়ায়ে আলমগীরি ১ম খন্ড ৭৭ পৃঃ)।
১৮৭। বিতিরের নামাজ ৩ রাকআত ঃ মিশকাত শরীফ ১১২ পৃঃ হযরত আব্দুল আজিজ বিন জুরাইজ (রাঃ) (তিরমীযি ও আবু দাউদ শরীফ)।
১৮৮। জান্নাতে দুনিয়ার ১০০ জন ব্যক্তির শক্তি দেওয়া হবে ঃ মিশকাত শরীফ ৪৯৭ পৃঃ হযরত আনাস (রাঃ) (তিরমীযি শরীফ)।
১৮৯। হযরত আবু বকর (রাঃ) বলেন, আমি যদি (নবীজীর) আপনার সাথে থাকতাম তাহলে জান্নাত ঘুরে ঘুরে দেখতে পারতাম ঃ মিশকাত শরীফ ৫৫৬ পৃঃ হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) (আবু দাউদ শরীফ)।
১৯০। ১০০ বছরের মাথায় একজন মুজাদ্দিদ আসেন ঃ মিশকাত শরীফ ৩৬ পৃঃ হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) (আবু দাউদ শরীফ)।
১৯১। মানুষের আকল অনুযায়ী শাস্তি হবে ঃ মিশকাত শরীফ ৪৩০ পৃঃ হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) (বায়হাকী শরীফ)।
১৯২। নবীজী আসমানের দিকে ইশারা করলে ‘খানা’ ডেসকির মধ্যে এসে যেত ঃ মিশকাত শরীফ ৫৪১ পৃঃ হযরত সামুরাতা ইবনে জুনদুব (রাঃ) (বুখারী শরীফ)।
১৯৩। নবীজীর ওফাতের পর যারা ফাসাদ সৃষ্টি করবে, তাদের নাম, পিতার নাম, বংশের নাম পর্যন্ত নবীজী বলে দিলেন ঃ মিশকাত শরীফ ৪৬৩ পৃঃ হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ)।
১৯৪। নবীজীর দরবারে দোয়ার জন্যে হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) আসলে, নবীজী বলে দিলেন তোমাকে এবং তোমার মাকে আল্লাহ আসার আগেই ক্ষমা করে দিয়েছেন ঃ মিশকাত শরীফ ৫৭১ পৃঃ হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) (তিরমীযি শরীফ২য় ২২২পৃঃ)।
১৯৫। তারাবীর নামাজ ২০ (বিশ) রাকয়াত (ইহা উত্তম বিদয়াত ঃ মিশকাত শরীফ ১১৫ পৃঃ হযরত আবদুর রহমান (রাঃ) (বুখারী শরীফ ১ম খন্ড ২৬৯ পৃঃ)।
১৯৬। নবীজী ঈমানের মূল ঃ মিশকাত শরীফ ১২ পৃঃ হযরত আনাস (রাঃ) (বুখারী ও মুসলিম শরীফ), ৪২৬ পৃঃ হযরত আনাস (রাঃ) (বুখরী ও মুসলিম শরীফ)।
১৯৭। আহলে বায়াতের ভালবাসা ছাড়া ঈমান কলবে প্রবেশ করেনা ঃ মিশকাত শরীফ ৫৭০ পৃঃ হযরত আব্দুল মুত্তালিব ইবনে রাবিয়া (রাঃ) (তিরমীযি শরীফ ২য় খন্ড ২০৪।
১৯৮। নবীজী হালওয়া ও মধু ভালবাসতেন ঃ মিশকাত শরীফ ৩৬৪ পৃঃ হযরত আয়েশা সিদ্দিকা (রাঃ) (বুখারী শরীফ ২য় খন্ড ৮৪৮ পৃঃ ও ১ম খন্ড ১০৪ পৃঃ, আবু দাউদ শরীফ ৫২২ পৃঃ)।
১৯৯। পাহাড় পরিবর্তন হওয়া বিশ্বাসযুগ্য তবে মানুষের চরিত্র পরিবর্তন হওয়া সম্ভব নয় ঃ মিশকাত শরীফ ২৪ পৃঃ হযরত আবু দারদাহ (রাঃ) (মুসনাদে আহমদ)।
২০০। নবীজী বলেন আমার উপর ঈমান এনেছে অথচ আমাকে দেখিনি তাদের প্রতি সু-সংবাদ সাত বার ঃ মিশকাত শরীফ ৫৮৪ পৃঃ হযরত আবু উমামাহ (রাঃ) (আবু দাউদ শরীফ)।
২০১। ইমাম হুসাইন (রাঃ) জন্মের পরে আযান দেওয়া হয়েছিল ঃ মিশকাত শরীফ ৩৬৩ পৃঃ হযরত আবু রাফে (রাঃ) (তিরমীযি ও আবু দাউদ শরীফ)।
২০২। নবীজির হাত মোবারকের লাঠি আলোকিত হল :- মিশকাত শরীফ ৫৪৪পৃ. হযরত আনাস (রা.)।
২০৩। শুক্রবার নবীজীর উপর দরূদ শরীফ বেশি পড়ার দিন ঃ মশকাত শরীফের ১২০ ।আবু দাউদ শরীফ ১ম খন্ডের ১৫৭ পৃষ্ঠায় হযরত আউস বিন আউস (রাঃ) ।
২০৪। শহীদগন বেহেস্তে সবুজ পাখির আকারে থাকে বা আছে ঃমেশকাত শরীফের ৫৩৫ পৃষ্ঠায় ইবনে আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত হয়েছে।
২০৫। নবীজী হাত দিয়ে বলে দিলেন সা’ফ তুমি হৃদ রোগী ঃ
‘আবু দাউদ শরীফ’ থেকে হযরত সা’ফ (রাঃ) সূত্রে ‘মেশকাত’ শরীফের ৩৬৬ পৃষ্ঠায় বর্ণিত
২০৬। ওলী গনের নিকট ইন্তেকালের পর ও সাহায্য চাওয়া জায়েজ ঃমিশকাত’ শরীফের ১৫৪ পৃষ্ঠার ২ নং হাশিয়ায় উল্লেখ রয়েছে।’আবু দাউদ শরীফের ৪৬১ পৃষ্ঠার ৪ নং হাশিয়ার ।
২০৭। কেউ যদি নিজের ইচ্ছা তাফসীর করে তা শুদ্ধ হলেও ভূল হবে ঃ মিশকাত শরীফ ৩৪/৩৫ু পৃঃ হযরত আনাস (রাঃ), আবু দাউদ শরীফের ৫১৪ পৃষ্ঠায় হযরত ইমরান ইবনে জুনদুব (রাঃ) হতে বর্ণিত হয়েছে।
২০৮। নবীজিকে দেখার ফজিলতঃ মিশকাত শরীফ ৫৫৪পৃঃ মুসলিমশরীফ ১ম-২৬৪পৃঃহযরত আবু হূরায়রা (রা) তিরমিজি শরীফ ২য়ঃ ২২৬পৃঃ
২০৯। হাসান (রাঃ) ও হোসাইন (রাঃ) এর ভালবাসাঃ মুসলিমশরীফ -২য়-২৮৩পৃঃ- ইবনে আবু হুরায়রা (রাঃ)২য়ঃ ২৮৩পৃঃ
২১০। নবীজি সবকিছু জানেনঃ- মুসলিমশরীফ ২য়-২৬৩পৃঃ আনাস (রাঃ) মুসলিমশরীফ ২য়-৩৬পৃঃ- ইবনে ওমর (রাঃ) (মিশকাত শরীফ৫০৬ বুখারী শরীফ ২য় খন্ড ৯৭৭ পৃঃ ও বুখারী শরীফ ১০৮৩ পৃঃ, বাবে বেদাউল খালক বুখারী শরীফ ৪৫৩ পৃঃ ওমর (রাঃ),
২১১। আলস্নাহ তায়ালা নবীজির জন্য সমগ্র জগৎকে সংকোচিত করেছেনঃ- মুসলিমশরীফ ২য়-৩৯০পৃঃ ছাওবান (রাঃ) (মিশকাত শরীফ পৃঃ৫১২পৃঃ)।
২১২। বদর যুদ্ধের সূচনার কাহিনী ঃ ‘আবু দাউদ শরীফ’ ২য় খন্ডের ৩৬১ পৃষ্ঠা হতে হযরত আলী (রাঃ) ‘মেশকাত’ শরীফের ৩৩৮ পৃষ্ঠায়।
২১৩। কদমবুচি ও হাতে চুম্মুনদেওয়া জায়েজঃ আবু দাউদ শরীফের ৭০৯ পৃষ্ঠায় ইবনে যিরায়া (রাঃ) ও আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রাঃ) হতে বর্ণিত হয়েছে এবং মেশকাত শরীফের ১৭ পৃষ্ঠায় সাফওয়ান আসসাল (রাঃ) হতে, ৪০২ পৃষ্ঠায় বারা (রাঃ) হতে বর্ণিত হয়েছে। বুখারী শরীফ -১ম খন্ড ১৪৪পৃঃ হযরত সোহাইব (রাঃ), বুখারী শরীফ ২য় খন্ড ৮৮৬পৃঃ এর হাশিয়ায় ইবনে বাত্তাল (রাঃ) থেকে বর্ণিত বুখারী শরীফ -১ম খন্ড ৩পৃঃ ইমাম মুসলিম (মুকাদ্দামায়ে বুখারী )।
২১৪। নবীজী যখন মদীনায় গেলেন ‘হাবশিরা’ আনন্দ উৎসব পালন করেছিলেন ঃ
‘আবু দাউদ শরীফ’ থেকে নকল করে হযরত আনাস (রাঃ) ‘মেশকাত’ শরীফের ৫৪৭ পৃষ্ঠায় ।
২১৫। নবীজির একটা চুল মোবারকের বরকতে রোগীরা ভাল হয়ে যেত তার প্রমাণ ঃ-মিশকাত শরীফ-৩৯১ বুখারী ও
১৭৫.কবরকে সামনে রেখে এবং ক্বেবলা কে পিছনে রেখে দোয়া করার বিধানঃ-২য়ঃ ৯৩৯পঃ হযরত আনাস (রাঃ) আবু দাউদ শরীফ-৪৬১পৃঃ ৪নং হাশিয়া মিশকাত শরীফ ১৫৪পঃ ২নং হাশিয়া
২১৬। নবীজীর হাত মোবারকের স্পর্শে উম্মে মাবাদের ছাগলের বাট থেকে দুধের পোয়ারাঃ (বুখারী ও মুসলিম শরীফ) হিযাম ইবনে হিশাম (রাঃ) মিশকাত শরীফ ৫৬০পৃঃ ও ৫৪৪পৃঃ সারহু সুন্নাহ, কিতাবুল ওয়াফা, আল ইসতিয়াব।
২১৭। কুরআনুল কারীম ও নবীজীর আহলে বাইয়াতকে আকড়ে ধরলে কখনো পথভ্রষ্ঠ হবেনাঃ- হযরত যায়েদ ইবনে আরকাম (রাঃ) মিশকাত শরীফ ৫৪৮পৃঃ (বুখারী ও মুসলিম শরীফ) ও ৫৬৮পৃঃ (মুসলিম শরীফ) মিশকাত শরীফ ৫৬৯পৃঃ হযরত যাবের (রাঃ) (তিরমিযি শরীফ)
২১৮। নবীজীর কদমমোবারকের অনকরণে হাশরে মানষেদের কে সমবেত করবেন আল্লাহতায়ালা ঃ মিশকাত শরীফ ৫১৫পৃঃ জুবাইর ইবনে মুতয়িম (রাঃ) (বুখারী ও মুসলিম শরীফ)
২১৯। নবীজী বলেন আমার উম্মতেরা শিরিক করবেনা, তবে দুনিয়া পেয়ে আখেরাতকে ভূলে যাবে, এটা আমি ভয় করি ঃ মিশকাত শরীফ ৫৪৬/৪৭পৃঃ ,(বুখারী ও মুসলিম শরীফ)।
২২০। বিবাহ অনষ্টানের মধ্যে দপ বাজানো জায়েজ রয়েছে ঃ হযরত আয়েশা (রা.), মিশকাত শরীফ ১৭২পৃঃ ,বুখারী ও মুসলিম শরীফ) ও হযরত বুরাইদা (রা.), মিশকাত শরীফ ৫৫৮পৃঃ তিরমিযি শরীফ)
২২১। নবীজী কে না মানা বিয়াদবী ও কুফুর আনাস (রাঃ) “মিশকাত শরীফ ৫৩৩পৃঃ ,বুখারী ও মুসলিম শরীফ
২২২। নবীজীর আম্মাজানের মাযার যিয়ারত করতে এসে নিজে কেদেছেন এবং সাহাবীদেরকে কাদিয়েছেন ঃ ‘আবু দাউদ শরীফ হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) ———————————————————– ।
২২৩। অনেক লোকজন নিয়ে যিকির আযকার করার দলিলঃ মিশকাত শরীফ-৯৮পৃঃ ‘আবু দাউদ শরীফ, হযরত আনাস (রাঃ)।
২২৪। আসমান ও জমিনের ধন ভান্ডার নবীজিকে আল্লাহ দিয়েছেনঃ- মুসলিমশরীফ ২য়-২৫০পৃঃ উকবা (রাঃ) ও মুসলিমশরীফ ২য়-২৪৪পৃঃ হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) মিশকাত শরীফ-৫১২পৃঃ বুখারী শরীফ-২য় খন্ড ১০৭৯পৃঃ হযরত আবু হুরাইরা (রাঃ), বুখারী শরীফ-২য় খন্ড ৫৫৮ ও বুখারী শরীফ- ৯৭৫ পৃঃ ওকবাহ (রাঃ), বুখারী শরীফ- ২য় খন্ড ১০৪২পৃঃ হযরত আবু হুরাইরা (রাঃ), বুখারী শরীফ-২য় খন্ড ৫৭৩পৃঃ ওকবাহ বিন আবু মোয়াআত (রাঃ)।
২২৫। নবীজির হাত মোবারকের উছিলায় কাষ্ঠ জীবিতঃ তিরমিযি শরীফ -২য়-২০৩পৃঃ- (উস্তুনে হাসানা) (মিশকাত শরীফ ৫৩২পৃঃ হযরত আলী (রাঃ) হযরত আনাস (রাঃ) ১ম ৬৭পৃঃ- ইবনে ওমর (রাঃ)-
২২৬। হযরত আবু বকর (রাঃ) ও হযরত ওমর (রাঃ)- এর সরদার হবেন জান্নাতে ঃ ‘তিরমীযি শরীফ’ ২য়-২০৭পৃঃ- হযরত আলী (রাঃ)-৫৫৬পৃঃ।
২২৭। ইবনে যিয়াদের নাকের ভিতর সাপ অদৃশ্য হয়ে যায়ঃ তিরমিযি শরীফ -২য়-২১৯পৃঃ- হযরত উমাইর (রাঃ)
২২৮। আলস্নাহ তোমাকে ও তোমার মাকে মাপ করেদিয়েছেনঃ ইলমে গাইবঃ তিরমিযি শরীফ ২য়-২১৯পৃঃ- হযরত উবাদাতা ইবনে উনাইর(মিশকাত শরীফ৫৭০প তিরমিযি শরীফ ২য়-২২২পৃঃ- হুযাইফা (রাঃ)-
২২৯। কবরকে সামনে রেখে এবং ক্বেবলা কে পিছনে রেখে দোয়া করার বিধানঃ-২য়ঃ ৯৩৯পঃ হযরত আনাস (রাঃ) আবু দাউদ শরীফ-৪৬১পৃঃ ৪নং হাশিয়া মিশকাত শরীফ ১৫৪ পৃঃ ২নং হাশিয়া।
২৩০। নবীজির উম্মতেরা জান্নাতে সকালের নাস্তা করবে মাছের কলিজা দিয়ে ঃ- মিশকাত শরীফ ৫৩০পৃঃ।
২৩১। নবীজিকে কিছু বললে আল্লাহ সহ্য করতে পারেননা (আবূ লাহাবের কাহিনী)ঃ- মিশকাত শরীফ ৫২২পৃঃ ইবনে আব্বাস (রাঃ)
২৩২। নবীজির চাচা আব্বাস (রা.) কে ওসিলা করলে বৃষ্টি হত ঃ- মিশকাত শরীফ-১৩২ হযরত আনাস (রাঃ) ৩৩৭পৃঃ হযরত উকবাতা ইবনে আমের (রাঃ) ৫১২-৫১৪পৃঃ হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) ৫৪৫পৃঃ হযরত জুছ (রাঃ)।
২৩৩। নবীজি চিটি লিখতেন ঃ মিশকাত শরীফ ৩৫৪-৩৫৫পৃঃ- বুখারী শরীফ ১ম খন্ড-৩৭১ পৃ: হযরত বারা(রা.) বাবো ছুল হে ।
২৩৪। নবীজি আবূ হুরায়রাকে যা দিলেন ঃ- মিশকাত শরীফ ৫৩৫পৃঃ বুখারী শরীফ ২য়১০৯৩: হযরত আবু হুরায়রা (রা.)।
২৩৫। মদীনায় কষ্ঠ করলে নবীজি সুপারিশ করবেনঃ ঃ তিরমিযি শরীফ.), ২য়-২০২পৃঃ- ইবনে ওমর (রাঃ) তিরমিযি শরীফ ২য়-২৩১পৃঃ- ইবনে ওমর (রাঃ) মিশকাত শরীফ ২৪১পৃঃ।
২৩৬। গরীবরা ধনীদের আগে বেহেস্তে যাবে ঃতিরমিযি শরীফ ঃ-১ম-৬১পৃঃ-হযরত আবু সাঈদ খুদুরী (রাঃ) হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) ও জাবির ইবনে আবদুল্লাহ (রাঃ)২য়-৫৮পৃঃ- হযরত আনাস (রাঃ)- মিশকাত শরীফ ৪৪৬পৃঃ।
২৩৭। আল্লাহতায়ালা ও তাঁর রাসূলকে বাড়ীতে রেখে এসেছিঃ ঃ তিরমিযি শরীফ, ২য়-২০৮ ইবনে ওমর (রাঃ) মিশকাত শরীফ ৫৫৫/৫৫৬পৃঃ।
২৩৮। সমসত্দ নবীগন নিষ্পাপ : মিশকাত শরীফ ২৭ পৃঃ আনাস রাঃ । মিশকাত শরীফ ৩২১ পৃঃ মিশকাত শরীফ ১০৮ পৃঃ বুখারী শরীফ -১ম খন্ড ৭পৃঃ হযরত আয়েশা (রাঃ) : বুখারী শরীফ -১ম খন্ড ৭পৃঃ হযরত আয়েশা (রাঃ) বুখারী শরীফ:–২য় খন্ড ৭১৭পৃঃ
।
২৩৯। নবীজী মদীনা শরীফ থেকে সব কিছু দেখেন: বুখারী শরীফ:–১ম খন্ড ১৮পৃঃ হযরত আনাস (রাঃ) বুখারী শরীফ:-, ১ম খন্ড ১৫৯পৃঃ, ১ম খন্ড ১৫২পৃঃ, ১ম খন্ড ৪২পৃঃ, বুখারী শরীফ:- ২য় খন্ড ৭৭৯পৃঃ হযরত আবু হুরাইরা (রাঃ), বুখারী শরীফ:- ২য় খন্ড ৯৭৩পৃঃ হযরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাঃ), , ২য় খন্ড ৭৪২পৃঃ আবু উবাইদা (রাঃ) , ২য় খন্ড ৭১৭পৃঃ আমর ইবনুল আস (রাঃ)।
২৪০। বিনা প্রয়োজনে মাথা মুন্ডানো খারেজীদের আলামত: বুখারী শরীফ:–১ম খন্ড কিতাবুত তাওহীদ হযরত আবু সাইদ খুদুরী (রাঃ), কিতাবুল মাগাজীমিশকাত শরীফ ৪৮পৃঃ হযরত আলী (রাঃ), বুখারী শরীফ:- কিতাবুল আদব হযরত আবু সাইদ (রাঃ) ।
২৪১। হুদায়বিয়ার সন্ধিতে নবীজি নিজহাতে লিখেছেন ঃ-বারা ইবনে আজিব (রা.), মিশকাত শরীফ-৩৫০/৩৫৫পৃ:বুখারী ও মুসলিম শরীফ।।
২৪২। ।নবীজী দুষ্ট জিন কে মসজিদে নববীর খুটির সাথে বেধে রেখে ছিলেন ঃ মিশকাত শরীফ ৯০/৯১পৃঃ হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) (বুখারী ও মুসলিম শরীফ)।
২৪৩। হযরত আবু বকর রাঃ ইমামতি করেছেন :- বুখারী শরীফ ১ম খন্ড কিতাবুস সুলহে ৯৪পৃঃ ও বুখারী শরীফ ১ম খন্ড ১৬৫পৃঃ।
২৪৪। হযরত খোজাইমা দুই জন স্বাক্ষীর সমান নবীজিকে বিশ্বাস করার কারনে :- বুখারী শরীফ কিতাবুত তাফসির২য় ৭০৫পৃঃ ৩নং হাশিয়া যায়েদ (রাঃ)।
২৪৫। নবীজি যা ইচ্ছা তা দিতে পারেন :বুখারী শরীফ ২য় খন্ড ৯৭৭পৃঃ ও বুখারী শরীফ ২য় খন্ড ১০৮৩পৃঃ হযরত আনাস (রাঃ), বুখারী শরীফ ১ম খন্ড ১৭৭পৃঃ, বুখারী শরীফ ২য় খন্ড ৯৪১পৃঃ হযরত আনাস (রাঃ) বুখারী শরীফ ১ম খন্ড ৫৪৮পৃঃ।
২৪৬। নবীজির কথার অবাধ্য হওয়ায় মাটি কবুল করেনি :- মিশকাত শরীফ ৫৩৫/৩৬ পৃঃ হযরত আনাস (রাঃ) (বুখারী শরীফ )।
২৪৭। নবীজির প্রতি হযরত আলী (রাঃ) এর ভালবাসা:- বুখারী শরীফ ১ম খন্ড ৪৫২ পৃঃ বারাহ ইবনে আযেব (রাঃ)।
২৪৮। নবীজী মানুষের মুক্তিদাতা ঃ মিশকাত শরীফ ১৩৬ পৃঃ হযরত আনাস (রাঃ) (বুখারী ও মুসলিম)।
২৪৯। অসুস্থতার কারনে ইন্তেকাল করলে শহীদ হিসেবে তার কবরে রিযিক দেওয়া হয় ঃমিশকাত শরীফ ১৩৮ পৃঃ হযরত আব্দুলস্নাহ ইবনে আমর (রাঃ) (ইবনে মাজাহ, বায়হাকী শরীফ)।
২৫০। নবীজী এক সাহাবীর জানাযার নামাজ পড়ার কারনে কবর আলোকিত করে দিলেন আল্লাহ তায়ালা ঃ মেশকাত শরীফ ১৪৫ পৃঃ হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) (বুখারী ও মুসলিম শরীফ)।
২৫১। নবী প্রেমের বাস্তব প্রতিচ্ছবি সিদ্দিকী-ই-আকবর ঃ মিশকাত শরীফ ৫৬০ পৃঃ (রাওয়াহু বাযীন)তাফসীরে কবির২১ম ৪১পৃঃ ।
২৫২। মুমিনগনও তাঁর সন্তানেরা বেহেস্তী ঃ মিশকাত শরীফ ২৩ পৃঃ আলী (রাঃ) (মুসনাদে আহমদ)।
২৫৩। নবীজী যা শুনেন মানুষ তা শুনে না ঃ মিশকাত শরীফ ২৪ পৃঃ যায়েদ ইবনে সাবিত (রাঃ) (মুসলিম শরীফ)।
২৫৪। নবীজিকে এক মহিলা গালি দেওয়ায় এক সাহাবী তাকে গলা টিপে মেরে ফেলায় নবীজি ঐ সাহাবীর রক্ত মূল্য ৰমা করে দিলেন ঃ মিশকাত শরীফ ৩০৮ পৃঃ উসামা ইবনে শারিক (রাঃ) (আবূ দাউদ শরীফ)।
২৫৫। সে জাতি কখনো সফলতা অর্জন করতে পারবেনা যে জাতি পরিচালনার দায়িত্বে মহিলা ঃ- মিশকাত শরীফ ৩২২ পৃঃ হযরত আবূ বাকরা (রাঃ) (বুখারী শরীফ)।
২৫৬। কোন ব্যক্তি শুধু মাত্র আমল দিয়ে জান্নাতে যেতে পারবেনা ঃ- মিশকাত শরীফ ২০৭ পৃঃ হযরত আবূ হুরায়রা (রাঃ) (বুখারী ও মুসলিম শরীফ)।
২৫৭। আলস্নাহর অবাধ্য ব্যতীত কাউকে জাহান্নামের আগুনে শাসত্দি দিবেননা ঃ- মিশকাত শরীফ ২০৮ পৃঃ হযরত আব্দুলস্নাহ ইবনে ওমর (রাঃ) (ইবনে মাজাহ শরীফ)।
২৫৮। নবীজির হাজত সারার জন্য গাছকে ডাকদিলে গাছ চলে আসত ঃ- মিশকাত শরীফ ৫৩৩ পৃঃ হযরত জাবের (রাঃ) (মুসলিম শরীফ)।
২৫৯। মুতার যুদ্ধের শহীদদের কথা নবীজি আগেই বলে দিয়েছেন ঃ- মিশকাত শরীফ ৫৩৩ পৃঃ হযরত আনাস (রাঃ) (বুখারী শরীফ ১ম খন্ড ১৭৩ও, বুখারী শরীফ ৫২৩ ও বুখারী শরীফ ২য় খন্ড ৬৭৮ পৃ:)।
২৬০। কোন কোন সময় বদকার লোকের দ্বারা ইসলামকে শক্তিশালী করেন ঃ- মিশকাত শরীফ ৫৩৪ পৃ: হযরত আবূ হুরায়রা (রা:), (বুখারী শরীফ)।
২৬১। নবীজি বললেন ইয়াহুদীদের কবরে আযাব দেওয়া হয় ঃ- মিশকাত শরীফ ৫৩৬ পৃঃ হযরত আবূ আইয়ূব (রাঃ) (বুখারী ও মুসলিম শরীফ)।
২৬২। নবীজির দোয়ায় মদীনায় একমাস বৃষ্টি হল ঃ- মিশকাত শরীফ ৫৩৬ পৃঃ হযরত আনাস (রাঃ) (বুখারী ও মুসলিম শরীফ)।
২৬৩। নবীজির আইন না মানলে তার জন্য ধ্বংস অনিবার্য ঃ- মিশকাত শরীফ ৫৩৬ পৃঃ হযরত সালমা ইবনে আকওয়া (রাঃ) (মুসলিম শরীফ)।
২৬৪। নবীজির উসিলায় খেজুরে বরকত ঃ- মিশকাত শরীফ ৫৩৬/ ৫৩৭ পৃঃ হযরত জাবের (রাঃ) মিশকাত শরীফ ৫৪২ (বুখারী শরীফ ১ম খন্ড ৩৯০ পৃ:)।
২৬৫। নবীজি বলে দিলেন মহিলার বাগানে ১০ ওয়াসাক খেজুর হবে ঃ- মিশকাত শরীফ ৫৩৯ পৃঃ হযরত আবূ হুমাইুদস সায়েদী (রাঃ) (বুখারী ও মুসলিম শরীফ)।
২৬৬। পাদরী বুহায়রা ২৪ বছর ধরে মুসাফির খানা বানিয়ে নবীজির জন্য অপেৰা করেন অবশেষে পেয়ে যান ঃ- মিশকাত শরীফ ৫৪০ পৃঃ হযরত আবূ মূসা (রাঃ) (তিরমিজি শরীফ)।
২৬৭। নবীজির কাছে এসে উট বিচার দিয়েছিল ঃ- মিশকাত শরীফ ৫৪০ পৃঃ হযরত (রাঃ) (শরহে সুন্নাহ্)।
২৬৮। উহুদ যুদ্ধে ৮ বছর পর নবীজি শহীদদের জানাযার নামাজ পড়েছিলেন ঃ- মিশকাত শরীফ ৫৪৬/৫৪৭ পৃঃ হযরত উবাই ইবনে আমের (রাঃ) (বুখারী, মুসলিম শরীফ)।
২৬৯। নবীজিকে দুনিয়াতে কি্বয়ামত পর্যনত্দ থাকার এখতেয়ার দেওয়া হয়েছিল ঃ- মিশকাত শরীফ ৫৪৭/৪৮ পৃঃ হযরত উবাই ইবনে আমের (রাঃ) (বুখারী ২য় খন্ড ৬৩৮ পৃ: ও মুসলিম শরীফ)।
২৭০। খেজুরের খোসা নবীজি সম্পর্কে সাৰ্য দিলে বেদুঈন মুসলান হয়ে যায় ঃ- মিশকাত শরীফ ৫৪১ পৃঃ হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) (তিরমিযি শরীফ)।
২৭১। রান্না গোসত্দ নবীজিকে বলল- “আমার সাথে বিষ মিশ্রিত”:- মিশকাত শরীফ ৫৪১/৫৪২ পৃঃ হযরত জাবের (রাঃ) (আবূ দাউদ ও দারেমী শরীফ) বুখারী শরীফ ২য় খন্ড ৬১০ পৃ:, মিশকাত শরীফ ৫৪২ পৃ: ইবনে আব্বাস রা: মুসনাদে আহমাদ।
২৭২। নবীজি যায়েদ ইবনে আরকামকে বললেন- আমার ওফাতের পর তোমার দৃষ্টি শক্তি হারিয়ে ফেলবে ঃ- মিশকাত শরীফ ৫৪৩ পৃঃ হযরত উনাইসা বিনতে যায়েদ ইবনে আরকাম (রাঃ) (বায়হাকী শরীফ)।
২৭৩। নবীজির নামে মিথ্যা বলাই পেট ফাটা অবস্থাই মারা গেল ঃ মিশকাত শরীফ ৫৪৩পৃঃ হযরত উসামা ইবনে যায়েদ (রাঃ) (বায়হাকী শরীফ)।
২৭৪। ইমাম হুসাইন রা: শাহাদাতের আলোচনা জন্মের আগে হয়েছিল ঃ- মিশকাত শরীফ ৫৭২ পৃঃ হযরত উম্মুল ফজল (রাঃ) (বায়হাকী ও মুসনাদে আহমদ শরীফ)।
২৭৫। শহীদ হারেছার মাকে নবীজি বলে দিলেন তোমার ছেলে জান্নাতে রয়েছে ঃ- মিশকাত শরীফ ৩৩০/৩৩১ পৃঃ হযরত আনাস (রাঃ) (বুখারী শরীফ ২য় খন্ড ৯৭২ পৃ:)।
২৭৬। ইমাম হুসাইন শহীদ হওয়ার সময় নবীজি কারবালায় হাজির ছিলেন ঃ- মিশকাত শরীফ ৫৭২ পৃঃ হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) (বায়হাকী ও মুসনাদে আহমদ শরীফ)।
২৭৭। আমার আহলে বায়ত নূহ নবীর কিসতির মত ঃ- মিশকাত শরীফ ৫৭৩ পৃঃ হযরত আবূ যর গিফারী (রাঃ) (তিরমিজি শরীফ)।
২৭৮। আবনে যিয়াদ হুসাইন রা: এর নাক মোবারকে ছড়ি দিয়ে টুকা দিয়েছিল ঃ- মিশকাত শরীফ ৫৭২ পৃঃ হযরত আনাস (রাঃ) (তিরমিজি শরীফ)।
২৭৯। মি’রাজের রাত্রিতে নবীজির আগে আগে হযরত বেলাল রা: মিশকাত শরীফ ১১৭ পৃঃ হযরত বুরায়দা (রাঃ) (তিরমিজি শরীফ)।
২৮০। লাঠিতে ভর দিয়ে খুৎবা দেওয়া সুন্নত ঃ- মিশকাত শরীফ ১২৬ পৃঃ হযরত বারা ইবনে আজেব (রাঃ) (আবূ দাউদ শরীফ)(মিশকাত শরীফ ১২৬ পৃ: হযরত আতা রা: ইমাম শাফেঈ রা:।
২৮১। হাজরে আসওয়াদ মানুষের গুনাহকে কেড়ে মাসুম করে দেয় ঃ- মিশকাত শরীফ ২২৭ পৃঃ হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) (তিরমিজি ও মুসনাদে আহমদ শরীফ)।
২৮২। ঐ সব নারী জাহান্নামী যারা কাপড় পরেও উলঙ্গ থাকে ঃ- মিশকাত শরীফ ৩০৫/৩০৬ পৃঃ হযরত আবূ হুরাইরা (রাঃ) (মুসলিম শরীফ), মিশকাত শরীফ-৩০৬ পৃ: হযরত আবূ যর রা:,(তিরমিজি শরীফ)।
২৮৩। দিন-তারিখ ঠিক করে ঃ ‘আবুদাউদশরীফ’ ১ম খন্ডের ১৫৭ পৃষ্ঠায় হযরত আউস ইবনে আউস (রাঃ) হতে, ৩৪৩ পৃষ্ঠায় হযরত সাফ (রাঃ) হতে বর্ণিত হয়েছে বুখারী শরীফ:-:-১য় খন্ড ১৬৯ পৃঃ হযরত আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রাঃ), ১ম খন্ড ১৬১ পৃঃ বুখারী শরীফ:–১ম খন্ড ২০ পৃঃ হযরত আবু হুরাইরা (রাঃ), বুখারী শরীফ:- ২য় খন্ড ৯৭২ পৃঃ আনাস (রাঃ), ২য় খন্ড ৬৮৪ পৃঃ হযরত আবু হুরাইরা (রাঃ), কিতাবুল যাকাত বুখারী শরীফ:-১৯৭পৃঃ, বুখারী শরীফ:-১ম খন্ড ৩২৯ পৃঃ আবু সাঈদ খুদুরী (রাঃ)।
২৮৪।নবীজী উপর একবার দুরূদ পড়িলে আলত্দাহ তায়ালা দুরূদ পড়া ব্যক্তির ৭০ টি রহমত নাযিল করেনঃ মিশকাত শরীফ ৮৭পৃঃ ঃ হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রাঃ),(মুসনাদে আহমদ)
২৮৫।নবীজী দুষ্ট জিন কে মসজিদে নববীর খুটির সাথে বেধে রেখে ছিলেন ঃ মিশকাত শরীফ ৯০/৯১পৃঃ হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) (বুখারী ও মুসলিম শরীফ)।
২৮৬।কবরের উপরে ফুল ছিটানো জায়েজ : মিশকাত শরীফ ৪২পৃঃ হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) (বুখারী ও মুসলিম শরীফ)। বুখারী শরীফ:১ম খন্ড ৩৪/৩৫ পৃঃবুখারী শরীফ:১ম খন্ড ১৮২ পৃঃ হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাঃ) কিতাবুল জানায়িয।
২৮৭।কবরের নিচে শাস্তি হলে নবীজীর খচচর বলতে পারে দেখতে পারে ঃ মিশকাত শরীফ ২৫পৃঃ হযরত যায়েদ ইবনে সাবিত রাঃ (মুসলিম শরীফ)।
২৮৮। নবীজী বললেন এক সাহাবী কে ছাগলের রান দিতে , ছাগলের রান নাই বললে ,নবীজী বললেন তুমি যদি দিতে কিয়ামত পর্যন্ত দিতে পারতে,তার পর ও শেষ হত না ঃ মিশকাত শরীফ ৪১পৃঃ হযরত আবু রাফে (রাঃ ) ,(মুসনাদে আহমদ)
২৮৯। নবীজী বললেন রুয়াইফ ইবনে সাবিত দীর্ঘ জীবন লাভ করবে ঃ মিশকাত শরীফ ৪৩পৃঃ হযরত রুয়াইফ ইবনে সাবিত (আবু দাউদ শরীফ )
২৯০।হাজরে আসওয়াদ কে যারা চুমু দিয়েছে তাদের কে সুপারিশ করবে ঃ মিশকাত শরীফ ২২৭পৃঃ হযরত ইবনে আব্বাস( রাঃ )(তিরমিজি , ইননে মাজাহ , দারেমী শরীফ)
২৯১। হযরত জাবের রাঃ দুই ছেলে ইনতেকালের পর আবার জীবিত হল ঃও বকরী জীবিত হল ঃবায়হাকী শরীফ ২য় ২২৪পৃঃ হযরত জাবের রাঃ শাওয়াহেদুন নবুয়ত ঃ১০৮পৃঃ
২৯২।আল্লাহর ওলীগন যা চান আল্লাহ তা কবুল করেনঃ-হারিছাতা ইবনে ওয়াহাব (রা) মিশকাত শরীফ ৪৩৩পৃঃ বুখারী ও মুসলিম শরীফ) হযরত আনাস (রাঃ) মিশকাত শরীফ ৫৭৯পৃঃ তিরমিযি শরীফ) হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) মিশকাত শরীফ৪৪৬পৃ মুসলিম শরীফ)
২৯৩। আল্লাহ তায়ালা ১৮হাজার মাখলুক সৃষ্টি করেছেনঃ মিশকাত শরীফ৪৭১পৃঃজাবির (রাঃ) (বায়হাকী শরীফ)।
২৯৪। ওয়ারাকা ইবনে নওফেল জান্নাতী ঃ মিশকাত শরীফ ৩৯৬পৃঃ আয়েশা (রাঃ) (তিরমিজি , আহমদ শরীফ )
২৯৫। হযরত হারেসা রাঃ এর মাকে নবীজী বলে দিলেন তোমার ছেলে জান্নাতে রয়েছে ঃ মিশকাত শরীফ ৩৩০/৩৩১পৃঃ আনাস রাঃ , আবু দাউদ শরীফ ৩৫৮ পৃঃ) বুখারী শরীফ:-২য় ৬৭৮ পৃঃ ও ২খন্ড ৫৬৭ পৃঃ।
২৯৬। উট নবীজীর কদমে এসে সিজদা করলঃ মিশকাত শরীফ ২৮৩ পৃঃ আয়েশা (রাঃ)(মিশকাত শরীফ ২৩২ পৃঃ আবু দা্উদ শরীফ) (আহমদ শরীফ )।
২৯৭। যাকে আল্লাহ তায়ালা ৪টি বস্তু দান করেছেন তাকে দুনিয়া ও আখেরাতে কল্যান করা হয়েছেঃ মিশকাত শরীফ ২৮৩ পৃঃ ইবনে আব্বাস রাঃ (বায়হাকী শরীফ।
২৯৮। নবীজী শরীয়তের প্রবর্তকও গরীবের বন্ধু ঃ মিশকাত শরীফ ২৮৫পৃঃআবু সালামাহ (রাঃ) (তিরমিজি , আহমদ শরীফ ইননে মাজাহ ) ঃবুখারী শরীফ:১ম খন্ড ৩৫৪ পৃঃ হযরত আবদুল্লাহ বাবুল হজ্জ্ব (তিরমীযি) মিশকাতশরীফ২২০, মিশকাত শরীফ ২২১, মিশকাত শরীফ ২২৫পৃঃ- হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ)।
২৯৯। ইসলাম কাদের মাধ্যমে অপমানিত হবেঃ মিশকাত শরীফ ৩৭পৃঃ- হযরত হোদাইর রাঃ (দারেমী শরীফ)
৩০০। নবী বিদ্বেষী ব্যক্তি থেকে জ্ঙান অর্জন করা উচিত নয় ঃ মিশকাত শরীফ ৩৭ পৃঃ হযরত মুহাম্মদ ইবনে সিরীন (রাঃ) (মুসলিম শরীফ)।
৩০১। নবীজীর অজুর ব্যবহৃত পানি দিয়ে