25/04/2026
*১. জাতিসংঘে কথা বলা দেশদ্রোহিতা নয়, বরং সাংবিধানিক অধিকার।
UNPFII আদিবাসীদের ফোরাম। বাংলাদেশ UNDRIP-এ ভোট দিয়েছে। সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদে বাক-স্বাধীনতা আছে। *সমালোচনা ≠ রাষ্ট্রদ্রোহ।* ৭১ সালেও প্রবাসী সরকার বিদেশে লবিং করেছে।
*২. চুক্তি vs বাস্তবতা*
*১৯৯৭ চুক্তি ১৭(ক):* অস্থায়ী ক্যাম্প তুলে নিতে হবে। ২৭ বছরেও ৫০০+ ক্যাম্প আছে। *ভূমি কমিশন:* ২৩ বছরে ২২,০০০ আবেদনের মধ্যে নিষ্পত্তি মাত্র ১১টা। তাই “ভূমি বিরোধ মিটেনি” বলা তথ্য, অপপ্রচার না।
*৩. "সেটেলার" ও ৭১*
*সংবিধান ৬(২):* জনগণ বাঙালী। *২৩ক:* ক্ষুদ্র জাতিসত্তার সংস্কৃতি রক্ষা করতে হবে। ১৯৭৯-৮৪ সালে সরকারই ৪ লাখ বাঙালি পুনর্বাসনে নথিতে “সেটেলার” লিখেছে। এম এন লারমা গণপরিষদের সদস্য, মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক। তার দাবি ছিল স্বায়ত্তশাসন, বিচ্ছিন্নতা না।
*৪. উন্নয়ন ও জমি*
*সীমান্ত সড়ক দরকারি।* চোরাচালান ঠেকাবে, স্থানীয়রা লাভবান হবে। কিন্তু *ILO 169 ও চুক্তি* মতে জমি নিতে আদিবাসীদের সম্মতি লাগে। *১৯০০ বিধি* মতে জুমই মালিকানা। কাগজ নাই বলে “খাস” বললে বিরোধ হয়। ক্ষতিপূরণে দেরি হয়।
*৫. সহিংসতা ও পিসিজেএসএস*
*৮০-৯০ দশকের সব হত্যা নিন্দনীয়।* সেনা, বাঙালি, পাহাড়ি — সবাই মরছে। কিন্তু *সন্তু লারমা ১৯৯৭ সালে অস্ত্র জমা দিছে*। সরকারই তাকে আঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারম্যান বানাইছে। ৩০ বছর ষড়যন্ত্র করলে ব্যবস্থা নেয়নি কেন?
*৬. সমাধান ৪টা*
1. *চুক্তি বাস্তবায়ন:* ভূমি কমিশন চালু, অস্থায়ী ক্যাম্প পর্যায়ক্রমে তোলা।
2. *উন্নয়ন + অধিকার:* সম্মতি নিয়ে, সময়মতো ক্ষতিপূরণ দিয়ে রাস্তা করা।
3. *সংলাপ:* সব পক্ষ নিয়ে ট্রুথ কমিশন। সব হত্যার বিচার।
4. *ঘৃণা নয়:* “জুতাপেটা”, “দেশদ্রোহী” ট্যাগে শান্তি আসবে না।
*শেষ কথা:* সার্বভৌমত্বের জন্য সেনা লাগবে। *১৯৯৭ চুক্তিও সংসদে পাস রাষ্ট্রীয় ওয়াদা।* দুটোই মানতে হবে। আইন আর সংলাপ দিয়ে সমাধান সম্ভব, ঘৃণা দিয়ে নয়।
ধন্যবাদ🌹