Nazim Bin Azam

Nazim Bin Azam Social Media Marketer | Digital Marketer

30/10/2024

JAHANGIRNAGAR
MUSLIM
UNIVERSITY

গা'জার সূর্যোদয়!
17/10/2024

গা'জার সূর্যোদয়!

আপনি যদি ৭৫ বছরের হায়াত পান, তাহলে সাকুল্যে আপনি বেঁচে থাকবেন— ৩৬০০ টি সপ্তাহ।আবারও পড়ুন— ৩৬০০ টি সপ্তাহ মাত্র!!এখন ভাবু...
03/10/2024

আপনি যদি ৭৫ বছরের হায়াত পান, তাহলে সাকুল্যে আপনি বেঁচে থাকবেন— ৩৬০০ টি সপ্তাহ।

আবারও পড়ুন— ৩৬০০ টি সপ্তাহ মাত্র!!

এখন ভাবুন তো, আমাদের প্রতিটা সপ্তাহ কতো অবলীলায়, অবহেলা আর অযত্নে কেটে যায়।

একটা সপ্তাহ পার হয় মানে, ৩৬০০ সপ্তাহ থেকে একটা সপ্তাহ বিয়োগ হয়।

আপনার বয়স যদি এখন ৩০ বছর হয়, আর যদি ধরে নিই যে আপনি ৭৫ বছরের হায়াত পাবেন, তাহলে দুনিয়ায় আপনি আর বেঁচে থাকবেন কেবল ২১৬০ সপ্তাহ।

গত জুমুয়াহ পড়েছি মনে হয় দুই দিনও পার হয়নি৷ অথচ আরেকটা জুমুয়াহ দরোজায় এসে উপস্থিত৷ কতো দ্রুত ফুরোচ্ছে হায়াতের দিন। এটাও কিয়ামতের আলামত, যে—শেষ সময়ে সময়গুলো দ্রুত ফুরোবে। চোখের পলকে।

গত এক সপ্তাহে আমাদের আমলের পাল্লায়, কাজের পাল্লায়, শেখার পাল্লায়, আমাদের রবের সাথে আর মানুষের সাথে সম্পর্ক উন্নয়নের পাল্লায় কী কী যোগ হলো, নাকি আগেও যা ছিল তাতেই স্থির হয়ে আছি আমরা, চলুন ভাবতে বসি।

©আরিফ আজাদ

02/10/2024

যে কাঁদে কাঁদুক
তবু লিখি ফুটনোট
ফুল তুই তে-ল-আবি-বে
বোমা হয়ে ফোট।

~কবি ইমতিয়াজ মাহমুদ

21/09/2024

অনেকে মাটি না কেটেও ক্লান্ত। কাপড় না ধুয়েও ক্ষুধার্ত। ছায়াতে বসে থেকেও তৃষ্ণার্ত।
যে কথায় কারো উপকার হয় না, সে কথা না বলাই ভালো।
যদি কারো জীবন সহজ করতে না পারেন, না পারলেন। কঠিন করতে যাবেন না। সাহায্য করতে না পারলে, চুপ থাকুন।

20/09/2024

"উপজাতি সন্ত্রাসী-জঙ্গি কতৃক রাঙ্গামাটি বনরূপা মসজিদে কেন আক্রমণ করা হয়ছে?

20/09/2024

বনরুপা জামে মসজিদ কার কি ক্ষতি করেছে?
মসজিদে কেন আঘাত করা হলো?

আপনি পারছেন তো নিজেকে ঠিক রাখতে?
19/09/2024

আপনি পারছেন তো নিজেকে ঠিক রাখতে?

সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম!
16/09/2024

সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম!

15/09/2024

লিখেছেন জনাব Mustafa Azhari সাহেব,

মাজার নিয়ে চলমান বিতর্ক, বাস্তবতা ও আমার পর্যালোচনা

আমার দৃষ্টিতে দেশে ৫ ধরণের মাজার আছে,

১. হক্কানী অলিদের মাজার
২. রাজনৈতিক নেতাদের মাজার
৩. কাল্পনিক/স্বপ্নে প্রাপ্ত মাজার (যেখানে কারো কোন কবরই নেই)
৪. বিশেষ উদ্দেশ্যে নির্মিত মাজার। মৃত ব্যক্তি কোন অলি বুজুর্গ কিছুই ছিলেন না। কিংবা জীবদ্দশায় ধর্মীয় অনুশাসনও সেভাবে পালন করতেন না, কিন্তু তার সন্তান/আত্মীয়/ভক্তরা সমাজে বিশেষ মর্যাদা লাভের আশায়, নিজেকে মাজারের খাদেম পরিচয়ে ভক্ত অনুরক্ত বাড়ানো সহ নিজের সকল অনৈতিক কাজকে জায়েজ বানানোর বিশেষ উদ্দেশ্য নিয়ে তৈরিকৃত মাজার।
৫. পরিচয় সনাক্ত করা যায়নি এমন ব্যক্তির মাজার। এই মাজার আবার তিন ধরনের:

এক. যুগ যুগ ধরে মানুষ সেখানে কবর দেখে আসতেছে, এলাকাবাসী এর ব্যখ্যা জানার জন্য কোন আলেম বা পীরের কাছে গেলে তিনি সেই কবর দেখে হয়ত স্বীকৃতি দিয়েছে যে এটা কোন অলির কবর হতে পারে, তিনি উনার পক্ষ থেকে একটা নামকরনও করে দিয়েছেন (এটি উনার কাশফের মাধ্যমে প্রাপ্তও হয়ে থাকতে পারে) এরপর থেকে সেই নামেই সেই মাজার প্রসিদ্ধি লাভ করেছে।

দুই. মজ্জুব ব্যক্তির মাজার। (মজ্জুব ব্যক্তির কথা হাদিসে আছে, সত্যিকারের মজ্জুব অলি যেমন আছে ঠিক তেমনি মজ্জুবের বেশধারী ভন্ডও আছে) উনার পরিচয় অজানা, ছেলে মেয়ে বা বংশধর নেই, উনার ইন্তেকালের পর ভক্তরা মাজার বানিয়েছে।

তিন. ধর্ম পরিচয়হীন ব্যক্তির মাজার। যাদের জীবদ্দশায় উনি কোন ধর্মের ছিলেন এটা কেউ জানতে পারেনি, উনি নিজেও সেটি ক্লিয়ার করে যাননি। কেউ বলে উনি মানবধর্মে বিশ্বাসী, কেউ বলে মুসলিম, কেউ বলে হিন্দু।

এবার আসি আমরা মাজার বলতে কি বুঝি? কোন মুসলমান মারা গেলে তাকে শরীয়ত সম্মতভাবে মাটির নিচে দাফন করা হলে সেটিকে বলা হয় কবর। যখন সেই কবরটি কোন প্রসিদ্ধ অলি-বূজুর্গের হয়ে থাকে তখন সম্মানার্থে আমরা সেটিকে বলি মাজার। মাজার শব্দের অর্থ যিয়ারতের স্থান। যেহেতু অলিদের মাজার অন্যান্য কবরের তুলনায় অত্যাধিক যিয়ারত হয় সে দৃষ্টিকোন থেকেও সেটিকে মাজার বলা হয়।

কোন হক্কানি অলির মাজার সেটি কাচা হোক কিংবা পাকা হোক সেটিকেই মাজার বুঝানো হয়। মাজার যিয়ারত সর্বসম্মতিক্রমে সুন্নাত। এখানে মাজার বলতে শুধুমাত্র হক্কানী অলিদের মাজার উদ্দেশ্য। কিন্তু এর বাহিরে অন্য যতসব নামধারী মাজার আছে তাদের কোন কর্মকান্ড আমরা সমর্থন করি না। এমনকি কোন হক্কানী অলির মাজারেও যদি শরীয়ত বিবর্জিত কোন কাজ হয় সেটিও গ্রহনযোগ্য হবে না।

যারা মাজার বিরোধী তারা সব মাজারকেই এক চোখে দেখে, তাদের ভাষায় মাজারে যারা যিয়ারত করতে যায় তারাও সবাই মাজারপূজারী। অপরদিকে হক্বানী অলিদের মাজার ব্যতিত বাকী যতসব মাজার নির্মানকারী গোষ্ঠী বা ব্যক্তি আছে তারাও নিজেদের বানানো মাজারকে হক্কানী অলিদের মাজারের মতই সত্যিকার মাজার দাবী করে থাকে।

সে জন্য আমি সকলের প্রতি অনুরোধ করে বলব মাজার বললেই যেমন ঢালাওভাবে ভন্ড বলা যাবে না ঠিক তেমনি মাজার বললেই চোখ বন্ধ করে হক্বের সার্টিফিকেটও দেওয়া যাবে না। ইনসাফের ভিত্তীতে সাদাকে সাদা কালোকে কালো বলতে কোন লজ্জা নেই।

হালালকে হালাল বলা, হারামকে হারাম বলা, ন্যায়কে ন্যায় বলা অন্যায়কে অন্যায় বলা একজন মুসলমানের ঈমানি দায়িত্ব। যে জেনে শুনে অন্যায়কে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করে সে আর অন্যায়কারীর মধ্যে কোন প্রার্থক্য নেই। কিন্তু অন্যায়ের প্রতিবাদের কিছু পর্যায় আছে, যেমন ব্যংকে সুদের লেনদেন হয়,কিছু আবাসিক হোটেলে অনৈতিক কাজ হয়, অনেক ক্লাবে মদ পান করা হয় সেজন্য যেমন ব্যাংক হোটেল কিংবা ক্লাব আমি ভাংগতে পারবো না ঠিক তেমনি মাজারের অনৈসলামিক কাজ হলেও সেটি আইন ও বিচার ব্যবস্থার মাধ্যম ব্যবস্থাগ্রহন না করে আইন আমি নিজের হাতে তুলে নিতে পারবো না।

তবে এটাও মনে রাখতে হবে ব্যাংক, হোটেল, ক্লাব এগুলো ধর্মীয় স্থাপনা নয়। সেহেতু সে সকল স্থানে মানুষ হারামকে হারাম জেনেই করে। কিন্তু মাজার যেহেতু ধর্মীয় বিষয়, সেজন্য সেখানে ধর্মের নামে অধর্মের কাজ হলে সেটি বন্ধে আলেম সমাজেরও বিশেষ ভূমিকা প্রত্যেকে আশা করে। তাই আইন যেমন নিজে হাতে তুলে না নিতে আলেমগন জনগনকে সচেতন করা উচিত ঠিক তেমনি ইসলামের নামে সকল প্রকার অনৈসলামিক কার্যকলাপ থেকে সকলকে বিরত থেকে সুন্নাত পদ্ধতিতে মাজার যিয়ারত ও সত্যিকার অলি বুজূর্গদের সম্মান করার বিষয়েও মানুষকে সচেতন করা উচিত।

08/09/2024

তাওয়াক্কালতু আ'লাল্লাহ্...

08/09/2024

লিখেছেন আল্লামা Abul Kashem Fazlul Hoque হুজুর

দৃষ্টি আকর্ষণ,
বে-শরা কাজ মাজারে হোক আর বাজারে হোক— তা সর্বাবস্থায় পরিত্যাজ্য। বহু মাজার আছে যেখানে বে-শরা কোন কর্মকান্ড নেই। শুধু শরীয়ত সম্মত জেয়ারত হয়ে থাকে। আমি ঐ সকল মাজারের কর্তৃপক্ষকে এজন্য ধন্যবাদ জানাই। আর দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য যে, হক্কানী পীর অলিদের কিছু কিছু দরবার আছে যেখানে জাহেলরা শরীয়ত বিরোধী কর্মকান্ডের সিলসিলা জারি করেছে! অথচ এই অলি আউলিয়াগণই শরীয়ত প্রতিষ্ঠা করার জন্য জীবন উৎসর্গ করে গেছেন। বরং বলা চলে আমাদেরকে ইসলাম উপহার দিয়েছেন। তাই তাঁদের মাজারে কোন ধরনের বে-শরা কর্মকান্ড চলতে দেয়া যায় না। এগুলো বন্ধ করা জরুরী। এর কোন বিকল্প নেই। যত দ্রুত করা যায় ততই ভালো। এ কাজগুলো মাজার কর্তৃপক্ষকেই করতে হবে। এটাই সম্মানের। এটা করতে হবে কারোর হামলা মামলার ভয়ে নয়— বরং আল্লাহর ওয়াস্তে। মাজার কর্তৃপক্ষ নিজেরা না করলে কিংবা বিলম্ব করলে ২য়/৩য় কেউ এহেন সংস্কার কাজে হস্তক্ষেপ করলে তা কিছুটা হলেও ঝুঁকিপূর্ণ। শরীয়ত বিরোধী কর্মকাণ্ডগুলো চিহ্নিত ও বন্ধ করতে প্রয়োজনে হক্কানী আলেমদের পরামর্শ নেয়া যেতে পারে।
আর স্বপ্নে পাওয়া মাজারের মতো সকল ভুয়া ও ভন্ডদের মাজার একেবারে বন্ধ করে দিতে হবে। এই বন্ধ করার প্রাথমিক দায়িত্বটাও তাদেরই যারা ভূয়া মাজার সাজিয়ে বসেছে। অন্যথায় ৩য় কেউ তা করতে আসবে। কারণ এসব ভূয়া মাজারের কারণে ইসলাম প্রচারকারী হক্কানী অলিদের মাজারের প্রতি মানুষের অশ্রদ্ধা তৈরি হয়। হক্কানী অলিদের মাজার গুলো শরীয়ত সম্মত জিয়ারত সংশ্লিষ্ট কাজের জন্য উন্মুক্ত থাকুক। মনে রাখতে হবে, কোন ভূয়া মাজার কিংবা কোন বে-শরা কাজের পক্ষে কোন আলেম, এমনকি কোন সাধারণ মুসলমানও বলতে পারেনা, দাঁড়াতে পারে না।

Address

Rangamati
Chittagong

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nazim Bin Azam posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Nazim Bin Azam:

Share

Category