The Darul Kamal

The Darul Kamal Darul Kamal is a platform dedicated to spreading the beauty of Islam through inspiring content and creative graphic design.

Our mission is to combine faith with aesthetics, presenting Islamic teachings in a visually appealing and thought-provoking manner.

12/08/2026

জীবনে অনেক চাওয়া দাফন করতে হয়! কখনো চুপ করে চেপে যেতে হয় অনেক গ্লানি! হাসি মুখে কত কষ্ট গিলে ফেলতে হয়!! ভাল লাগার মানুষটার আর্থিক অবস্থা নিজের চেয়ে ভাল বলে তাকে ভালবাসি বলা হয়না কখনো অপমানিত হওয়ার ভয়,রিজেক্ট হওয়ার ভয়ে! আবার ভালবাসা প্রকাশ করতে না পারার যে হৃদয়ের অস্থিরতা!! ভালবাসার মানুষটা অন্যের হয়ে যায় তাও অন্ধের মতো না দেখার ভান করতে হয়!! এসব মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলেরা বুঝবে,যেখানে সবকিছুর উপরে পরিবারের সম্মান, সেই সম্মান রক্ষায় অনেক কিছু ত্যাগ দিতে হয়! তারপর! তারপর আরকি কিছুই অবশিষ্ট থাকেনা!!
শেষ রাতের ভাবনা!

11/08/2026

।।।।।প্রণয়িনীর অপেক্ষায়।।।।।

টিউশনির টাকা থেকে কতেক টাকা জমিয়ে রাখলুম,
তোমাকে গোলাপ কিনে দেবো বলে।
রাস্তায় কোনো নারীর পানে কখনোই তাকাইনি,
আমার দৃষ্টিশক্তির পুরোটা দিয়েই তোমায় দেখবো বলে।
গোলাপি কিংবা লাল রঙের পাঞ্জাবি কখনো পরিনি,
তোমার শাড়ির সাথে মিল রেখে পরবো বলে।
আলমারির অর্ধেকটা জায়গা এখনও খালি রেখে দিয়েছি,
তোমার গহনা, পোশাক কিংবা প্রসাধনী রাখার জন্যি।
ভালোবাসা দিবসটাকেও হ্যালাফেল্যায় কাটিয়ে দিলাম,
একদিন তোমাকে নিয়ে তীব্র ভালোবাসায় আলিঙ্গন করবো বলে।
তুমি এসে পূর্ণ করো ভালোবাসার সকল আবদার।

18/07/2026

সাধারণত ছেলেরা সে-ক্সু-য়ালি এডাল্ট হয় ১৫/১৭ এর মধ্যেই বা তার আগেই।মেয়েরা ১৫ এর আগেই।

সেখানে আমরা মেয়েদের বিয়ের বয়স নির্ধারণ করেছি ১৮ বছর ও ছেলেদের ২১ বছর। কিন্তু সিস্টেম করে দিয়েছি আবার অন্য রকম। ছেলেদের চাকরির বয়স সীমা ৩২ বছর। গ্রাজুয়েশান শেষ করতে করতে বয়স হয়ে যায় ২৬/২৭ বছর।

গড় আয়ু যদি ৬৫ হয়- তাহলে ৩২ বছর বয়স পযর্ন্ত সে অন্যের টাকায় চলবে। এর পর স্বাবলম্বী হয়ে মানে জব পেয়ে বিয়ে করবে ৩২ এর পর।

যে ছেলেটা সে-ক্সু-য়ালি এডাল্ট হইলো ১৭ তে। সে বিয়ে করলো আরো ১৫ বছর পর।
এই ১৫ বছর সে কি করবে?

পাড়ায় যাবে না? প্রেমিকাকে নিয়ে লিটনের ফ্লাটে যাবে না? পার্কের চিপায় প্রেমিকার শরীরে হাত দিবে না?
দাঁতে দাঁত চেপে নিজেকে পাথর বানিয়ে রাখবে?
কতটুকু পসিবল? লজিক্যালি কতটুকু পসিবল? বোথ ফর বয়েজ অ্যান্ড গার্লস?

এই দেশে ম-দ বিক্রি নি-ষি-দ্ধ না। কিন্তু ম-দ সহ ধরা পড়লে পুলিশ কে চা পানি খাওয়াইতে হয়!
একটা ছেলে ১৭ বছর অপেক্ষা করবে ১৭ বছরের আগের ক্ষুধা মিটানোর জন্য। যেহেতু আমরা জীব পাথর না। আমাদের ফিজিক্যাল চাহিদা আছে। তাই বলে ১৭ বছর অপেক্ষা করবে একটা ছেলে/মেয়ে ?

আপনি বা কেউ কি বিলিভ করেন যে কেউ অপেক্ষা করে?
অপেক্ষা করে না দেখেই এই দেশে রেস্টুরেন্টে প্রাইভেট জোন লাগে। মিরপুর মাজার রোডে ছোট ছোট খুপরি ঘর ওয়ালা রেস্টুরেন্ট লাগে। পার্কে ছাতা ওয়ালা প্রাইভেসি লাগে। সবই এই সমাজ জানে। একসেপ্ট করে। এক্সেপ্ট না করলে এসব বন্ধ হয়ে যেত। এসবই আমরা মেনে নিচ্ছি। শুধু ছেলে স্টাব্লিশড না হওয়া পযর্ন্ত বিয়ে মেনে নিতে পারতেছি না।

আপনি যদি এই দেশের সুপার সাকসেসফুল কোন বিজনেস ম্যান এর জিবনী পড়েন, দেখবেন তারা সাকসেসফুল হয়েছে অনেক পরে। অন্তত ৪০/৪৫/৫০ বছর বয়সে। আপনি কি তত দিন অপেক্ষা করবেন?মেয়ে তাদের সাথে বিয়ে দেয়ার জন্য ?

আমাদের পিতামাতাগণ সব কিছু ইসলাম অনুয়ায়ী করেন। খালি এই একটা বিষয়ে উনারা ইসলাম মানেন না। সেটা হইলো বিয়ে। পাত্র ভালো জব করে না দেখে উনারা বিয়ে দেন না। সমাজ বলে আগে প্রতিষ্ঠিত হওতার পর বিয়ে কর!

কোরআন বলে আগে বিয়ে করো,গরীব হলে প্রতিষ্ঠিত করার দায়িত্ব আল্লাহ্‌র!🌸 ❤️
অথচ ইসলাম বলেছে সাবালক হইলেই বিয়ে দিয়ে দাও।

"বউ কে খাওয়াবি কি? "
এটা হচ্ছে আমাদের দেশের বিয়ের সব চেয়ে বড় বাঁধা।
বউ কি হাতি? নাকি ঘোড়া? তার তো ১০ কেজি বিচুলি লাগে না ডেইলি। তাইনা?

বিসিএস দিয়ে ৩৫ বছর বয়সে নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে তার পর বিয়ে করতে হবে ।
নিজের পায়ে ঠিক-ঠাক দাঁড়াতে দাঁড়াতে সঠিক জিনিসটি দাঁড়ানোর সময় পেরিয়ে যায়.....
এখন ভাবুন, ইসলাম ধর্মে বিয়েকে অর্ধেক দ্বীন কেন বলা হয় !

তারপরও পরিবার এবং সবার ব্যক্তিগত মতা মত থাকতেই পারে 😊আপনিও স্বাধীন মনে আপনার মতামত কমেন্ট করুন।
মাহমুদা খাতুন।
১৭/৭/২৬

07/07/2026

আমি একজন ছেলে। বয়স ২৭। আমি মাসে ২০ হাজার টাকা ইনকাম করি। বউ পাগল হয়ে বসে থাকে আমার সঙ্গ পাওয়ার জন্য।

সারা দিনে ৩২ বার খবর নেয়, সহিহ সালামতে আছি কি না? জুতা কিনে দিতে চাইলে বলে যে, এখন না পরে কিনে দিয়েন, এই টাকা টা অন্য কাজে লাগান।

আর বলবে কখনো প্রতিষ্ঠিত হলে আমারে ভুলে যাইয়েন না। সব সময় আগের থেকে বেশি ভালোবাসবেন। সোনা কলিজা ছাড়া কথা বললে একটু রাগ করে, একবার ডাকলেই সেই রাগ্য ভেংগে যায়।

প্রতিদিন এশার পর এক ঘন্টা একটা আমল করে দোয়া করে যেন, আল্লাহ যেনো আমাদের সমস্যাগুলো সমাধান করে দেয়। আমিও তাকে ফুল পর্দার মধ্যে রাখার চেষ্টা করি।

কিছুদিন আগে হাত মৌজা ছিড়ে গেছে। অধমের একটা বাইক আছে, বাইক দিয়ে যাচ্ছিলাম হঠাৎ কসমেটিকস এর দোকান দেখে বাইক দাড়া করাতে বললো। ভাবলাম ফেসওয়াস কিনবে, তার ফেসওয়াশ ছাড়া আর কোনো কসমেটিকক্স ও তার লাগে না। বললাম কি লাগবে? তার বড় হাত ব্যাগ টা থেকে অনেক খুজে একটা ১০০ টাকার নোট দিয়ে বললো এক জোড়া হাত মৌজা নিয়া আসেন, ৫০ টাকা নিবে। আমি বললাম টাকা লাগবে না এনে দিচ্ছি। বললো যে, আমার কাছে ১০০ টাকা আছে, এটা শেষ হলে আপনার থেকে খরচ কইরেন।

কিন্তু এই মেয়েটার ই নাকি বিয়ের আগে যা লাগতো তা ঐদিন ই কিনে দেওয়া লাগতো। তার পরিবার ও বড়লোক, তাই তাকে কিনেও দিতো। কিন্তু এখন সেই বলে, এই পরিবর্তন আপনার জন্য। কারন আমি আপনাকে ভালোবাসি।

মাঝে মধ্যে আমি দূরে থাকি, তখন সে ফোন করে বলবে, আপনার সাথে কথা বললে আমার পেট ভরে। খাবার খাওয়া লাগে না। আবার খাবার খেলেও পেট, মন কিছুই ভরে না যদি আমার সাথে কথা না হয়।

যদি কোনোদিন ব্যস্ততায় সারাদিন কথা বলতে না পারি, সন্ধ্যায় মেসেজ দিয়ে বলবে আজকে সারাদিন এ ঐ টাইমে তিন মিনিট কথা বলছেন। এখন একটু ফোন দেন। একটু কথা বলার জন্য এমন করি, আপনি বুঝেন না?

আমি আমার মাকে প্রচন্ড ভালোবাসি, সেও আমার মাকে প্রচন্ড ভালোবাসে। আমার মাও তাকে অনেক যত্নে রাখে, শাশুড়ী হয়েও বউ এর জন্য দোয়া করে।

মাঝে মধ্যে আমি আমার মার সাথে এবং বউ এর সাথেও একটু রাইগা কথা বলি। তখন সে বলবে, আমার সাথে রাগ দেখান সমস্যা নাই, কিন্তু আম্মার সাথে(তার শাশুড়ি- আমার মা), চেইত্তা কথা কইবেন না।

মাঝে মধ্যে বলি অভাবের সংসার তোমারে কিছু দিতে পারি না, বিদেশ গেলে কেমন হয়? তখন বলবে থাক আমার আপনারে ছাড়া আর কিছুই লাগবে না, বিদেশ যাওয়া লাগবে না। বিয়ের আগে কতো বিদেশি বিয়ের জন্য আসছে,বিয়ে করি নাই।

প্রতিদিন নিয়ম করে ভালোবাসি বলতে হয়, তাইলে সে খুশি হয়। রাগ দেখানো লাগে না, একটু সোনা-কলিজা ছাড়া কথা বললেই বুঝে যায় রেগে আছি। তখন কতো অনুরোধ, কতো আদর সেই রাগ ভাংগানোর জন্য।

আমি ঢাকায় থাকি, হোটেলে খাই। সব সময় জিজ্ঞাসা করে দুপুরে খাইছি কি না, রাতে খাইছি কিনা? সব সময় পকেটে টাকা থাকে না তাই খাওয়া হয় না। ঐদিন বলছি খাই নাই। আহারে বউ এর কি কান্না। খান নাই কেনো, টাকা নাই দেখে?

সেও বায়না ধরে বসে যে, সে খাবে না। কান্না করতে করতে বলে যে, আমার জামাই না খাইয়া রইছে আর আমি মাছ দিয়া ভাত খাবো? না আমি খাবো না। পরে বললাম যে, আমি ভাত খাইছি তোমারে মিথ্যা বলছি, তুমি ও খাও। অনেক বুঝানোর পর খাইলো।

এক সাপ্তাহ হয় তার থেকে দূরে আসছি,আমাকে ফোন দিয়ে বলবে মনে হয় এক মাস হয়ে গেছে আপনারে দেখি না। আপনার কি মন চায় না বাড়িতে আসতে?

আবার বলে আল্লাহর কাছে দোয়া করি, আমার আগে যেনো আপনি মারা না যান। তাহলে আমার বাচতে খুব কষ্ট হবে। হয়তো আমিও বাচবো না আপনারে ছাড়া।

আমি ভাবি যদি অনেক টাকা ইনকাম করি, তখন বউ এর সব অপূর্ণতা পূরণ করবো ইন শা আল্লাহ।

আর অনেকের কতো টাকা, আবার কতো সমস্যা। দোয়া করি আল্লাহ সবার সহায় হউক।দুনিয়া এবং দুনিয়ায় যা কিছু আছে তার চেয়েও দামি ফজরের দুই রাকাত সুন্নত। তারপরেই সব থেকে দামি একজন নেককার স্ত্রী। যা আল্লাহ আমাকে দিয়েছেন,আলহামদুলিল্লাহ। সবাই মা শা আল্লাহ বলবেন।
💙
(রাজিব ভাইয়া নাম প্রকাশ করবেন না অনুরোধ রইলো. )...
#রাজিব্বা.

মানুষকে প্রয়োজনের বেশি জানতে নেই। একটা মানুষকে পুরোপুরি জেনে যাওয়াটা অবহেলা বয়ে আনে।কথা ফুরিয়ে যায়, অজুহাত বাড়ে।— ওয়াহেদ...
07/06/2026

মানুষকে প্রয়োজনের বেশি জানতে নেই। একটা মানুষকে পুরোপুরি জেনে যাওয়াটা অবহেলা বয়ে আনে।
কথা ফুরিয়ে যায়, অজুহাত বাড়ে।

— ওয়াহেদুজ্জামান আহমেদ

31/03/2026

বিয়ে করার আগে যেসব বিষয় সম্পর্কে জানতে হবে—
বিয়েতে প্রচলিত সকল ভুলসমূহ—

❑ বিয়ের পূর্বের ভুলসমূহ—
❑ বিয়ের সময়ের ভুলসমূহ—
❑ বর পক্ষের ভুলসমূহ—
❑ কন্যা পক্ষের ভুলসমূহ—
❑ বিয়ের কিছু কুপ্রথা—

বিবাহ-শাদী মানব জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।
যা মহান আল্লাহ তা‘আলা তাঁর বান্দাদেরকে বিশেষ নে‘আমত হিসাবে দান করেছেন।

বাহ্যিক দৃষ্টিতে বিবাহ-শাদী দুনিয়াবী কাজ বা মুবাহ মনে হলেও যথা নিয়মে সুন্নাত তরীকায় যদি তা সম্পাদন করা হয়, তাহলে সেটা বরকতপূর্ণ ইবাদত ও অনেকে সওয়াবের কাজ হয়। এর মাধ্যমে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যকার দাম্পত্য জীবন সুখময় হয়। কিন্তু বর্তমান সমাজে বিবাহ-শাদী সুন্নত তরীকায় তো হয়ই না। উপরন্তু এটা বিভিন্ন ধরনের কুপ্রথা এবং বড় বড় অনেক গুনাহের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ফলে পারিবারিক জীবনে অশান্তির ঝড় বয়ে চলছে। এজন্য নিম্নে বিবাহ-শাদী সম্পর্কিত কিছু ভুল এবং কুপ্রথা তুলে ধারা হলো। যাতে এগুলো থেকে বাঁচা হয়।

📌 বিবাহের পূর্বের ভুলসমূহ:
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞
১. বিবাহ শাদী যেহেতু ইবাদত, সুতরাং এখানে দীনদারীকে প্রাধান্য দিতে হবে। দুনিয়াদারগণ সৌন্দর্য, মাল, দৌলত ও খান্দানকে প্রাধান্য দিয়ে থাকে। এটা রাসূলের সুন্নাতের বিপরীত হওয়ায় শান্তি বয়ে আনে না।

২. কোন কোন জায়গায় অভিভাবক এবং সাক্ষী ছাড়া শুধু বর কনের পরস্পরের সন্তুষ্টিতেই বিবাহের প্রচলন আছে। অথচ এভাবে বিবাহ বিশুদ্ধ হয় না। বরং এটি যিনা-ব্যভিচার বলে গণ্য হবে।

৩. কেউ কেউ ধারণা করে যে ‘মাসিক’ চলাকালীন সময় বিবাহ শুদ্ধ হয় না। অথচ এ অবস্থায়ও বিবাহ শুদ্ধ হয়ে যায়। অবশ্য এ অবস্থায় সহবাস জায়েজ নেই।

৪. কেউ কেউ ধারণা করে যে মুরীদনীর সাথে পীর সাহেবের বিবাহ জায়িয নেই। অথচ রাসূল (ﷺ) এর স্ত্রীগণ সকলেই তাঁর মুরীদনী ছিলেন।

৫. অনেকে অনেক বয়স হওয়ার পরও বিবাহ করে না কিংবা প্রথম স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার পর বা সে মৃত্যু বরণ করার পর আর ২য় বিবাহ করে না। অথচ শারীরিক বিবেচনায় তার বিবাহ করা জরুরী ছিল। এ অবস্থায় থাকা মানে যিনা-ব্যভিচারে জড়িত হওয়ার রাস্তা খুলে দেয়া।

৬. অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় (উদাহরণ স্বরূপ) ৬০ বছরের বয়স্ক লোক অল্প বয়সী যুবতী মেয়েকে বিবাহ করে বসে। ফলে ঐ মেয়ে নিশ্চিত জুলুমের শিকার হয়।[তবে স্ত্রীর হক্ব আদায়ে সক্ষম হলে নব্বই বছর বয়সে বিয়ে করাও জুলুম না।]

৭. অনেকে স্ত্রীর খেদমতে অক্ষম হওয়া সত্ত্বেও দুর্বলতা লুকিয়ে লোক দেখানোর জন্য বিয়ে করে স্ত্রীর জীবনকে ধ্বংস করে দেয়। এটা মারাত্মক গুনাহের কাজ।

৮. কোন কোন আধুনিক শিক্ষিত লোক আধুনিক শিক্ষা তথা ডাক্তারি প্রফেসারি ইত্যাদি ডিগ্রি দেখে মেয়ে বিয়ে করে। তাদের ভাবা উচিৎ বিয়ের দ্বারা উদ্দেশ্য কী?
যদি তার স্ত্রীর দ্বারা টাকা কামানো উদ্দেশ্য হয়, তাহলে এটা তো বড় লজ্জাজনক কথা যে, পুরুষ হয়ে মহিলাদের কামাইয়ের আশায় বসে থাকবে। মনে রাখতে হবে, এ ধরণের পরিবারে শান্তি আসে না।

৯. কেউ কেউ পালক পুত্রের তালাক দেয়া স্ত্রী বিবাহ করাকে না জায়েজ মনে করে। এটা জাহিলী যুগের বদ-রসম।

১০. কেউ কেউ বিধবা মহিলাদের বিবাহ করাকে অপছন্দ করে। অথচ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের অধিকাংশ স্ত্রী বিধবা ছিলেন।(বুখারী, হাদিস নং ৫০৭৭)

📌 বিবাহের সময়ের বর পক্ষের ভুলসমূহ:
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞
১. বিবাহ শাদী যেহেতু ইবাদত, সুতরাং বিবাহকে কেন্দ্র করে কোন প্রকার গুনাহ না হয়, সে দিকে খেয়াল রাখতে হবে। তাহলে খায়ের বরকত লাভ হবে। যদি বিবাহকে গুনাহ মুক্ত করা না যায়, তাহলে সেখানে অশান্তি হওয়া নিশ্চিত।

২. প্রথাগতভাবে অনেক লোকের বর যাত্রী হিসেবে যাওয়া।
৩. দাওয়াতকৃত সংখ্যার অধিক লোক নিয়ে যাওয়া।

৪. লোক দেখানোর উদ্দেশ্যে কন্যার জন্য যৌতুক পাঠানো এবং এটাকে জরুরী মনে করা।

৫. গায়রে মাহরাম পুরুষ দ্বারা মেয়ের ইজন বা অনুমতি আনা।
৬. বেগানা পুরুষদের কন্যার মুখ দেখা এবং দেখানো।
৭. নাচ-গান, বাজনা ইত্যাদি করা।
৮. সালামী গ্রহণ করা।

৯. মোহরানা সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত পূর্বেই না করা, বরং করাকে দোষ মনে করা। অতঃপর বিবাহের সময় তর্ক-বিতর্ক করা।

১০. লোক দেখানোর জন্য বা গর্বের সাথে ওলীমা করা।
১১. মোহরানার বিষয়ে গুরুত্ব না দেয়া এবং মোহরানা আদায়ে গাফলতী করা।

১২. ইচ্ছাকৃত এমন কর্মকাণ্ড করা যে কারণে কোন পক্ষের অদূরদর্শিতা প্রমাণিত হয় অথবা তাদের অস্থিরতার কারণ হয়। আর নিজেদের সুনাম প্রকাশ পায়।

১৩. বিবাহ অনুষ্ঠানের কারণে ফরয ওয়াজিবসহ শরী‘আতের বিধানের ব্যাপারে উদাসীনতা এবং অনীহা প্রকাশ করা।

📌 কন্যা পক্ষের ভুলসমূহ:
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞
১. বর যাত্রার চাহিদা।
২. ছেলের জন্য উপঢৌকন/যৌতুক প্রকাশ্যে পাঠানো, পাঠানোকে পছন্দ করা এবং জরুরী মনে করা।
৩. আত্মীয়-স্বজন মহল্লাবাসীদের জন্য প্রথাগত দাওয়াত এবং খাওয়া-দাওয়ার ব্যবস্থা করা।
৪. বিবাহের সরঞ্জাম, অলংকারাদী প্রকাশ্যে দেখা এবং অন্যদেরকে দেখানো।
৫. বিবাহের পর রসম হিসাবে জামাতাকে শরবত পান করানো।
৬. বেগানা মহিলারা জামাতার সামনে আসা।
৭. সালামী গ্রহণ করা। এটাকে জরুরী মনে করা এবং নেয়া দেয়া।
৮. যাতে মহল্লায় খুব প্রসিদ্ধ হয় সে জন্যে ইচ্ছাকৃত কোন কিছু করা।
৯. ফরয-ওয়াজিব ইত্যাদি বিষয়ে উদাসীন হওয়া। এছাড়াও বিবাহ উপলক্ষে অনেক বেপর্দা, যুবক যুবতীদের অবাধ মেলা-মেশা, অপব্যয়, ছবি এবং ভিডিও ইত্যাদি করা হয়, যাতে বিবাহের সকল খায়ের বরকত নষ্ট হয়ে যায়।

📌 বিবাহের কিছু কুপ্রথা:
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞
১. মেয়ের ইযিন আনার জন্য ছেলেপক্ষ স্বাক্ষী পাঠিয়ে থাকে, শরী‘আতের দৃষ্টিতে এর কোন প্রয়োজন নেই।

২. বিবাহের সময় অনেকে বর-কনের দ্বারা তিনবার করে ইজাব কবূল পাঠ করিয়ে থাকে এবং পরে তাদের দ্বারা আমীন বলানো হয়। শরী‘আতে এর কোন ভিত্তি নেই।

৩. ইজাব কবূলের মাধ্যমে আকদ সম্পাদন হওয়ার পর মজলিসে উপস্থিত সকলকে লক্ষ্য করে সামনে দাঁড়িয়ে হাত উঠিয়ে বর যে সালাম করে থাকে তারও কোন ভিত্তি নেই।

৪. ঝগড়া-ফাসাদের আশংকা থাকা সত্ত্বেও খেজুর ছিটানোকে জরুরী মনে করা হয়। অথচ এ সম্পর্কিত হাদীসকে মুহাদ্দিসীনে কেরাম যঈফ বলেছেন।

📌 বিবাহ শাদীর আরো কতিপয় কুসংস্কার:
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞
১. অনেক জায়গায় বিবাহ রওয়ানা হওয়ার আগে এলাকার প্রসিদ্ধ মাযার যিয়ারত করে তারপর রওয়ানা হয়। শরী‘আতে এর কোন ভিত্তি নেই।

২. বরের নিকট কনে পক্ষের লোকেরা হাত ধোয়ানোর টাকা, পান পাত্রের পানের সাথে টাকা দিয়ে তার থেকে কয়েকগুণ বেশী টাকা জোর যবরদস্তী করে আদায় করে থাকে। এটা না জায়িয।

৩. অনেক জায়গায় গেট সাজিয়ে সেখানে বরকে আটকে দেয়া হয় এবং টাকা না দেয়া পর্যন্ত ভেতরে প্রবেশ করতে দেয়া হয় না। এটাও একটা গর্হিত কাজ।

৪. খাওয়া দাওয়া শেষে কনে পক্ষের লোকেরা বরের হাত ধোয়ায়। পরে হাত ধোয়ানো বাবদ টাকা দাবী করে। অনেক জায়গায় এ নিয়ে অপ্রীতিকর ঘটনাও ঘটতে দেখা যায়। এটা একেবারেই অনুচিত। মূলতঃ এসব হিন্দুয়ানী প্রথা। দীর্ঘ দিন যাবত হিন্দুদের সাথে বসবাস করার কারণে আমাদের মধ্যে এই কুসংস্কারগুলি অনুপ্রবেশ করেছে।

৫. বিবাহ পড়ানোর আগে বা পরে যৌতুকের বিভিন্ন জিনিস-পত্র প্রকাশ্য মজলিসে সকলের সামনে উন্মুক্ত করে দেয়া হয়। এটাও অন্যায় ও নির্লজ্জতার কাজ।

৬. বিবাহের পরে নারী-পুরুষ সকলের সামনে কনের পিতা বা মাতা জামাই-মেয়ের হাত একসাথে করে তাদেরকে দু‘আ দেয়। কনের পিতা জামাইকে বলে “আমার মেয়েকে তোমার হাতে সঁপে দিলাম, তুমি এক দেখে শুনে রেখ” এর কোন ভিত্তি শরী‘আতে নেই।

৭. বিবাহ করে আনার পর শ্বশুর বাড়ীতে নববধূকে বিভিন্ন কায়দায় বরণ করা হয়। কোথাও ধান, দুবলা ঘাস, দুধের স্বর ইত্যাদি দিয়ে বরণ করা হয় এবং নববধূর চেহারা সকলকে দেখানো হয়; এসবই হিন্দুয়ানী প্রথা। কোন মুসলমানের জন্য এসব করা জায়িয নেই।

৮. অনেক জায়গায় মেয়ের বিয়ের আগের দিন আর কোথাও মেয়ে শ্বশুর বাড়ী যাওয়ার পরের দিন মেয়ের বাড়ী থেকে ছেলের বাড়ীতে মাছ-মিষ্টি ইত্যাদি পাঠানো হয়ে থাকে। কোথাও এটাকে চৌথি বলা হয়। এটাও বিজাতীয় নাজায়িয প্রথা।

৯. বর বা কনেকে কোলে করে গাড়ী বা পালকী থেকে নামিয়ে ঘরে তোলাও চরম অভদ্রতা বৈই কিছু নয়।

১০. ঈদের সময় বা অন্য কোন মৌসুমে মেয়ের শ্বশুর বাড়িতে চাল, আটা, ময়দা, পিঠা ইত্যাদি পাঠানো এবং এ প্রচলনকে জরুরী মনে করার প্রথা অনেক জায়গায় চালু আছে। আবার অনেক জায়গায় আনুষ্ঠানিকভাবে জামাইকে এবং তার ভাই-বোনদেরকে কাপড়-চোপড় দেয়ার প্রথা আছে। এমনকি এটাকে এতটাই জরুরী মনে করা হয় যে, ঋণ করে হলেও তা দিতে হয়। এটা শরী‘আতের সীমালঙ্ঘন ছাড়া আর কিছু নয়।

১১. আজকাল বিবাহ অনুষ্ঠানে বেগানা মহিলাদের সাজ-সজ্জা করে নিজেকে বিকশিত করে একত্রিত হতে দেখা যায় এবং যুবক যুবতীদের অবাধ মেলা-মেশা করতেও দেখা যায়।
এধরনের বেপর্দা আর বেহায়াপনার কারণে উক্ত মজলিসে উপস্থিত নারী পুরুষ সকলেই গুনাহগার হবে।

১২. বিবাহ উপলক্ষে গান-বাজনা, ভিডিও, ভিসিআর ইত্যাদি মহামারী আকার ধারণ করেছে।
আর কোন কোন এলাকায় তো যুবতী তরুণী মেয়েরা একত্রিত হয়ে নাচ গানও করে থাকে। শরী‘আতের দৃষ্টিতে এসব হারাম ও নাজায়িয।

১৩. আজকাল বিবাহ অনুষ্ঠান মানেই গুনাহের ছড়াছড়ি। এমন এমন গুনাহ সেখানে সংঘটিত হয় যা ভাষায় বর্ণনা করা যায় না। তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে ছবি তোলা ও ভিডিও করা। শরী‘আতের দৃষ্টিতে কোন প্রাণীর ছবি তোলা চাই ক্যামেরার মাধ্যমে হোক কিংবা ভিডিও এর মাধ্যমে হোক বা অংকন করা হোক সবই হারাম।

১৪. বিবাহের পরে মেয়েকে উঠিয়ে দেয়ার আগ মুহূর্তে মেয়ের বাড়ীতে পাড়া-প্রতিবেশী মেয়েরা একত্রিত হয়, আর বরকে অন্দর মহলে এনে সকলে মিলে হৈ হুল্লা করে তার মুখ দর্শন করে। মেয়েরা হাসি মজাক করে বিভিন্ন উপায়ে নতুন দুলাকে বোকা বানানোর চেষ্টা করে। আর নির্লজ্জ হাসি তামাশায় মেতে উঠে। এধরনের বেপর্দেগী শরী‘আতের দৃষ্টিতে সম্পূর্ণ হারাম।

১৫. অনেক জায়গায় প্রথা চালু আছে যে, নববধূকে বর নিজে বা তার ভগ্নীপতি অথবা তার ছোট ভাই পালকী বা গাড়ী থেকে নামিয়ে কোলে করে ঘরে নেয়।
তারপর উপস্থিত মহল্লাবাসীর সামনে নববধূর মুখ খুলে দেখানো হয়। এ সকল কাজ হারাম এবং নাজায়েয।

28/03/2026

সূরা নূর (সূরা আন-নূর) কুরআনের ২৪ নম্বর সূরা, এবং বিয়ে না হওয়া বা দেরিতে হওয়ার সমস্যার সাথে এর সম্পর্ক প্রধানত আয়াত ৩২ (২৪:৩২) থেকে আসে। এই আয়াতটি খুব জনপ্রিয় হয়েছে বিয়ের সমস্যার "সমাধান" হিসেবে।

✅ আয়াত ৩২-এর আরবি, উচ্চারণ ও বাংলা অর্থ

▪️আরবি:
وَأَنكِحُوا الْأَيَامَىٰ مِنكُمْ وَالصَّالِحِينَ مِنْ عِبَادِكُمْ وَإِمَائِكُمْ ۚ إِن يَكُونُوا فُقَرَاءَ يُغْنِهِمُ اللَّهُ مِن فَضْلِهِ ۗ وَاللَّهُ وَاسِعٌ عَلِيمٌ
উচ্চারণ:
ওয়া আনকিহুল আয়ামা মিনকুম ওয়াস সালিহীনা মিন ইবাদিকুম ওয়া ইমায়িকুম। ইয়াকুনূ ফুকারাআ ইউগনিহিমুল্লাহু মিন ফাদলিহী। ওয়াল্লাহু ওয়াসিউন আলীম।

▪️বাংলা অর্থ (সহজ ভাষায়):
"তোমাদের মধ্যে যারা অবিবাহিত (বিবাহহীন) তাদের বিয়ে সম্পন্ন করো, আর তোমাদের সৎ দাস-দাসীদের মধ্যে যারা যোগ্য তাদেরও। তারা যদি গরিব হয়, তাহলে আল্লাহ নিজ অনুগ্রহে তাদের অভাবমুক্ত করে দেবেন। আল্লাহ প্রাচুর্যময়, সর্বজ্ঞ।"

✅ এই আয়াত কীভাবে বিয়ের সমস্যার সমাধান দেয়?

➡️ আল্লাহ এখানে সরাসরি নির্দেশ দিচ্ছেন:

▪️অভিভাবক, পরিবার ও সমাজের দায়িত্বশীলদের উচিত অবিবাহিত ছেলে-মেয়েদের (যারা যোগ্য) বিয়ে দেওয়া।

▪️সবচেয়ে বড় বাধা যা মানুষ ভাবে — "আর্থিক অভাব/গরিব বলে বিয়ে করা যাবে না" — আল্লাহ স্পষ্ট করে বলছেন: গরিব হলেও বিয়ে করো। বিয়ের পর আল্লাহ নিজে রিজিক বাড়িয়ে দেবেন, অভাব দূর করবেন।

▪️এটা আল্লাহর ওপর ভরসা (তাওয়াক্কুল) রাখার বড় শিক্ষা। অনেকে দেখেছেন, বিয়ের পর রিজিকের দরজা খুলে যায়।

✅ সূরা নূর থেকে বিয়ের সমস্যায় আরও যা শিক্ষা পাওয়া যায়

▪️আয়াত ৩০-৩১: পুরুষ-নারী উভয়কে চোখ নত রাখতে ও লজ্জাস্থান হেফাজত করতে বলা হয়েছে। অবিবাহিত অবস্থায় হারাম সম্পর্ক/চিন্তার ঝুঁকি বেশি, তাই বিয়ে করে পবিত্র থাকার উৎসাহ দেওয়া হয়েছে।

▪️আয়াত ৩৩: যাদের বিয়ের সামর্থ্য নেই, তারা যেন সংযম অবলম্বন করে (রোজা রাখা, নফস নিয়ন্ত্রণ) যতক্ষণ না আল্লাহ রিজিক দেন।

▪️আয়াত ৩: অভ্যস্ত ব্যভিচারী/ব্যভিচারিণীকে মুমিনদের বিয়ে করা হারাম — অর্থাৎ চরিত্রের পবিত্রতা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

✅ বিয়ের জন্য সূরা নূরের আমল/দোয়া (জনপ্রিয় প্রচলিত পদ্ধতি)

➡️ অনেকে এই আয়াতকে ওজিফা/আমল হিসেবে করে:

▪️প্রতিদিন সূরা নূর পড়া (বিশেষ করে আয়াত ৩২)।

▪️আয়াত ৩২ নিয়মিত তিলাওয়াত করা (কখনো আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে পড়া বলা হয় — এটা সুন্নাহ নয়, তবে দোয়ার নিয়তে করা যায়)।

▪️নামাজের পর দোয়া করা: "ইয়া আল্লাহ, আয়াত ৩২-এর হক দিয়ে আমার বিয়ের ব্যবস্থা করে দাও, রিজিকের দরজা খুলে দাও।"

▪️ইস্তিখারা নামাজ পড়া + দোয়া করা।

✅ গুরুত্বপূর্ণ কথা:

▪️এগুলো দোয়া ও আশা হিসেবে ভালো, কিন্তু মূল সমাধান হলো আয়াতের শিক্ষা মানা — উদ্যোগ নেওয়া (বিয়ের চেষ্টা করা, প্রস্তাব দেওয়া/নেওয়া), গুনাহ ছাড়া, চরিত্র ঠিক রাখা, আল্লাহর ওপর ভরসা রাখা। শুধু পড়লেই হবে না, আমল করতে হবে।

▪️আল্লাহ যেন সবার বিয়ে সহজ করে দেন, উত্তম জীবনসঙ্গী দান করেন এবং রিজিক প্রশস্ত করেন। আমীন।

25/03/2026
25/03/2026

Address

Chittagong
4000

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when The Darul Kamal posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share