Restart with Ridwan

Restart with Ridwan Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Restart with Ridwan, Digital creator, Chittagong.

বাকিদের সাথে আমার পার্থক্য এতটুকুই যে আমি মিথ্যা বলিনা! 😊

Assistant clinical psychologist | Ex-cadet | Public speaker | Fitness enthusiast | Life coach | Behaviour therapist

৫ ওয়াক্ত নামায কায়েম করার চেষ্টা করছি, আলহামদুলিল্লাহ!🌻

The School Bag ছোটবেলায় স্কুলে যাওয়ার জন্য মা ঘুম থেকে ডাকতেন।উঠতে চাইতাম না। একবার উঠে মা চলে গেলে আবার শুয়ে পড়তাম। আবা...
17/09/2026

The School Bag

ছোটবেলায় স্কুলে যাওয়ার জন্য মা ঘুম থেকে ডাকতেন।

উঠতে চাইতাম না। একবার উঠে মা চলে গেলে আবার শুয়ে পড়তাম। আবার মা আসতেন, তুলে দিতেন।

কখনো বিছানা ছেড়ে সোফায় গিয়ে শুয়ে পড়তাম। শেষ পর্যন্ত চিৎকার, ধমক আর অনেক ডাকাডাকির পর ঘুমঘুম চোখে টয়লেটে যেতাম—সেখানেও বসে আরেক দফা ঘুমিয়ে নিতাম।

তারপর fresh হওয়া, গোসল, ready হওয়া।

মা এক পাশে চুল আঁচড়ে দিতেন।

ততক্ষণে tiffin ready, bag গোছানো। নিজের হাতে সেই bag-টা আমার কাঁধে তুলে দিতেন।

মায়ের সেই ভালোবাসা, সেই যত্ন করে bag তুলে দেওয়ার মুহূর্তটা আজও আমার কাঁধে আছে।

তখন যেটা ছিল শুধু একটা school bag, একদিন যে সেটাই হয়ে যাবে জীবনের কঠিন বাস্তবতার প্রতীক—তা বুঝিনি।

কাঁধের সেই ভার যে সময়ের সঙ্গে বাড়তে থাকবে, সেটাও বুঝিনি।

ছোটবেলায় যে বাচ্চাটা হাজার ডাকেও উঠতে চাইত না, সে একদিন নিজেই উঠে কাঁধে bag নিয়ে বাস্তবতার রাস্তায় হাঁটবে—এটাও বুঝিনি।

পারলে হয়তো সত্যিই তখন আর উঠতাম না।😞

আজ শরীরটা ভারী। মনটাও ক্লান্ত।❤️‍🩹

আমাদের কত plan, কত preparation, কত স্বপ্ন। অথচ শেষ পর্যন্ত সবার গন্তব্য একটাই।

হয়তো দুনিয়া আনন্দের জায়গা নয়।

Qur’an আমাদের মনে করিয়ে দেয়—এই দুনিয়া স্থায়ী সুখের আবাস নয়; এটা পরীক্ষা, দায়িত্ব এবং সাময়িক অবস্থানের জায়গা।💌

কথাটা বুঝি।

কিন্তু মেনে নেওয়া কঠিন।

সত্যি বলতে আমি পারছিনা।

সবকিছু মেনে নিতে পারছি না। কিছু কষ্ট এখনো কষ্টই লাগে। কিছু বাস্তবতা এখনো মেনে নিতে ইচ্ছে করে না।

হয়তো radical acceptance মানে এমন নয় যে একদিন হঠাৎ সবকিছু মেনে নিয়ে শান্ত হয়ে যাব।

হয়তো কখনো acceptance মানে শুধু এটুকু বলা—

“হ্যাঁ, আমার কষ্ট হচ্ছে। আমি এখনো পারছি না। কিন্তু বাস্তবতাকে অস্বীকার করেও তো কোথাও যেতে পারছি না।”

তাই আজ সব উত্তর না থাকলেও, সব কষ্টের সঙ্গে মানিয়ে নিতে না পারলেও—চলতে হবে।

মা আর প্রতিদিন ঘুম থেকে তুলে দেন না।

এখন নিজেকেই উঠতে হয়। নিজের bag নিজেকেই কাঁধে নিতে হয়।

সবসময় শক্ত হয়ে নয়।

কখনো ভারী কাঁধে।
কখনো ক্লান্ত মনে।
কখনো চোখের পানি নিয়েই।

তবুও।

কারণ হয়তো জীবনের সব পথ পছন্দ করার জন্য নয়; কিছু পথ পার হওয়ার জন্য।

আর হয়তো এই “তবুও”-এর মধ্যেই আছে sabr☘️

17/09/2026

Intergenerational trauma! Let's hear from a psychologist.

11/09/2026

তুমি যখন উপরের box থেকে নিজের bag নামাচ্ছিলে, walkway-তে একটা অন্য bag/box তোমার চলার পথে ছিল।

তুমি সেটা কার bag জানতেই না, তাই প্রথমে পা দিয়ে সরিয়েছ।

পাশের passenger বললেন, “আপনি আমাকে বলতেই পারতেন, লাথি না দিয়ে—আমি সরিয়ে দিতাম।”

তুমি প্রথমে শান্তভাবেই বলেছ—“আমি তো জানি না এটা কার bag।”

এরপর উনি আবার বললেন—“অনেকক্ষণ যখন দেখছেন এটা এখানে আছে, তাহলে তো কারও bag হবে…” এবং “লাথি না দিয়ে বললে…” কথাটা আবার তুললেন।

এখানেই তোমার বিরক্তিটা সম্ভবত এসেছে।

প্রথম বক্তব্যটা উনার বলা reasonable ছিল।

Bag-টা যদি তাঁর হয়ে থাকে, “ভাই, bag-টা একটু সরাবেন?” বললেই ব্যাপারটা শেষ হয়ে যেত।

কিন্তু তোমার perspective থেকেও একটা গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার আছে:

তুমি জানতেই না bag-টা কার।

তাই “আপনি আমাকে বলতে পারতেন” কথাটার উত্তর হিসেবে তোমার “আমি তো জানি না এটা কার bag” বলা যথেষ্ট logical।

এরপর উনি যখন আবার একই বিষয়টা ব্যাখ্যা করতে থাকলেন, তখন তোমার—

“এটা তো এখানে থাকারই কথা না। এটা হাঁটার পথ, এখানে এভাবে box/bag থাকবে কেন?”

—এই কথাটা মূলত defensive counter-response।

এটা খুব aggressive statement না। তুমি গালি দাওনি, ব্যক্তিগত আক্রমণ করোনি, ঝগড়া বাড়াওনি। বরং তুমি মূল issue-টা ধরেছ:

“Problem শুধু আমি কীভাবে bag সরালাম সেটা না; problem হলো walkway-টাই blocked করে রাখা।”

আর একটা জিনিস interesting—তুমি বলছ, এখনো সেই box ওখানে আছে এবং সবাই সেটা ডিঙিয়ে যাচ্ছে, কিন্তু কেউ কিছু বলছে না।

এটা তোমার irritation-কে আরও reinforce করছে:

“যেটা সত্যিই ভুলভাবে রাখা হয়েছে, সেটার কথা কেউ বলছে না; কিন্তু আমি সরানোর পদ্ধতি নিয়ে আমাকে lecture দেওয়া হচ্ছে।”

এটা হলে বিরক্ত লাগা খুবই understandable।

তবে একটা ছোট caveat আছে: তুমি “লাথি” দিয়েছিলে কি না সেটা এখানে গুরুত্বপূর্ণ।

যদি সত্যিই জোরে লাথি মেরে সরিয়ে থাকো, passenger-এর আপত্তির একটা legitimate অংশ আছে।

কিন্তু যদি শুধু পা দিয়ে ঠেলে/সরিয়ে থাকো, তাহলে তাঁর interpretation কিছুটা exaggerated হতে পারে।

সব মিলিয়ে আমি ঘটনাটাকে “তুমি ভুল করেছ” বা “উনি পুরোপুরি unreasonable”—এভাবে দেখব না।

বরং এটা একটা ছোট interpersonal friction যেখানে দুজনেরই perspective কিছুটা valid, কিন্তু তোমার শেষ কথাটা মূলত পরিস্থিতি থামিয়ে দিয়েছে—

এ কারণেই উনি আর কথা বাড়াননি।

10/09/2026

Deepfake culture আমাদের একটা অদ্ভুত জায়গায় নিয়ে যাচ্ছে—যেখানে একটা ছবি সত্যিই ঘটেছিল, নাকি শুধু খুব বিশ্বাসযোগ্যভাবে বানানো, সেটা বোঝা ক্রমেই কঠিন হচ্ছে।

আজ 80s trend, কাল অন্য কিছু।

মজা করতে করতে আমরা কি authenticity-এর boundary-টাই ধীরে ধীরে মুছে দিচ্ছি না তো?

chatGPT trend: How do I would have looked in the 80'? | ৮০ 'র শতকে আমি দেখতে কেমন হতাম? (Part-2)

09/09/2026

chatGPT: What would I have looked in the 80s?

৮০ 'র দশকে আমি দেখতে কেমন হতাম? (Part-1)

04/09/2026

মাইন্ডফুলি খায়! নজর দিও না, শেয়ার দিও🙂😇

Peace🕊️

ভাজাপোড়া রান্না হচ্ছে। বেশ পরিমাণেই হচ্ছে। একদম গরম গরম। ফিলারটাও দেখতে সুস্বাদু লাগছে। আর মানুষ তো খাচ্ছেই—নইলে এত পরিম...
02/09/2026

ভাজাপোড়া রান্না হচ্ছে। বেশ পরিমাণেই হচ্ছে। একদম গরম গরম। ফিলারটাও দেখতে সুস্বাদু লাগছে।

আর মানুষ তো খাচ্ছেই—নইলে এত পরিমাণে রান্নাই বা কেন হবে?

তবে রান্নাটা হচ্ছে খোলা ড্রেনের ওপর। মানে ড্রেনের ওপর ঢাকনা দেওয়া, যেখানে ভেন্টিলেটরের মতো বড় বড় ছিদ্র আছে।

সুতরাং বাতাসের মাধ্যমে আশেপাশের নানা জীবাণু ও দূষিত কণা খাবারের আশেপাশে আসার সম্ভাবনাকে একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

গন্ধ বা smell molecule-এর কথাও না হয় বাদই দিলাম।

আর রান্নাটা হচ্ছে কোথায়? একটা পুরো দমে ব্যস্ত রাস্তার ঠিক পাশে। ধুলোবালি, গাড়ির ধোঁয়া, মানুষের চলাচল—সবকিছুর মাঝখানে।

যিনি খাবার বানাচ্ছেন, তাঁর personal hygiene নিয়ে নতুন করে কিছু না-ই বললাম।🙂

কিন্তু আমার প্রশ্নটা আসলে অন্য জায়গায়।🤨

এই খাবার খেয়ে কেউ অসুস্থ হয়ে পড়ে। কারও পেট খারাপ হয়। কারও হয়তো food poisoning।

আবার কেউ একই খাবার খেয়েও সেদিন দিব্যি সুস্থ থাকে। এমনকি এমন মানুষও আছে, যারা বছরের পর বছর এ ধরনের খাবার খেয়েছে কিন্তু দৃশ্যমান কোনো বড় সমস্যার মুখোমুখি হয়নি।

তাহলে প্রশ্ন হলো—কাকে অসুস্থ হতে দেওয়া হবে আর কাকে হবে না, এই selectionটা কীভাবে হয়?🤔

শুধু immune system বললে কি পুরো উত্তর পাওয়া যায়?

Psychology আমাদের একটি interesting বিষয় শেখায়—মানুষ পৃথিবীতে randomness বা uncertainty খুব সহজে গ্রহণ করতে পারে না।🤗

আমাদের মস্তিষ্ক স্বাভাবিকভাবেই pattern খোঁজে। তাই ভালো কিছু ঘটলে আমরা কারণ খুঁজি, খারাপ কিছু ঘটলেও কারণ খুঁজি।

আর যখন কোনো ঘটনার পেছনের সব কারণ আমাদের জানা থাকে না, তখন আমরা সেটাকে হয়তো luck, chance, fate কিংবা destiny বলে ব্যাখ্যা করি।

কিন্তু বাস্তবতা হলো—একটি outcome-এর পেছনে অসংখ্য variable কাজ করতে পারে।

একই খাবার হলেও কার শরীরে কতটা জীবাণু প্রবেশ করল, কার শরীরের বর্তমান অবস্থা কেমন, আগে কী exposure ছিল, শরীর কীভাবে react করল—সবকিছু এক নয়।

আমরা outcome দেখি, কিন্তু পুরো process দেখতে পাই না‼️

আর এখানেই ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গিটা আমার কাছে আরও গভীর মনে হয়।😌

ইসলাম আমাদের কারণ গ্রহণ করতে বলে। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকতে বলে। ক্ষতিকর জিনিস থেকে দূরে থাকতে বলে।

অসুস্থ হলে চিকিৎসা নিতে বলে। অর্থাৎ, সতর্কতা নেওয়া ঈমানের বিপরীত নয়; বরং দায়িত্বের অংশ।

কিন্তু একই সঙ্গে ইসলাম এটাও শেখায়—সব কারণ নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা মানুষের হাতে নেই।

তুমি স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে পারো, তবুও অসুস্থ হতে পারো।

আবার কেউ বছরের পর বছর অবহেলা করেও আপাতদৃষ্টিতে সুস্থ থাকতে পারে।

এখানে একটা গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য আছে:

কারণ কাজ করে—কিন্তু কারণের ফলাফল ঘটানোর পূর্ণ ক্ষমতা কারণের নিজের নেই।💥

আগুন পোড়ানোর মাধ্যম, কিন্তু আগুন নিজে স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নেয় না কাকে পোড়াবে। ওষুধ আরোগ্যের মাধ্যম, কিন্তু প্রতিটি ওষুধ প্রতিটি মানুষের শরীরে একই ফল দেবে—এমন নিশ্চয়তা নেই।

খাবারে জীবাণু থাকতে পারে, exposure হতে পারে, risk বাড়তে পারে—কিন্তু একই exposure সবার জন্য একই outcome তৈরি করবে না।

ইসলামের ভাষায়, আমরা হয়তো বলতে পারি—মানুষ চেষ্টা করে, কারণ গ্রহণ করে, ঝুঁকি কমায়; কিন্তু শেষ পর্যন্ত ফলাফলের ওপর মানুষের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নেই।

তাহলে কি সত্যিই “কেউ” সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন কে অসুস্থ হবে আর কে হবে না⁉️

বিশ্বাসের জায়গা থেকে একজন মুসলিমের উত্তর হতে পারে—হ্যাঁ, এই মহাবিশ্বের ঘটনাগুলো শেষ পর্যন্ত আল্লাহর জ্ঞান ও ইচ্ছার বাইরে নয়।

তবে এর অর্থ এই নয় যে, “যেহেতু আল্লাহ সিদ্ধান্ত নেন, তাই আমি ড্রেনের ওপর রান্না করা খাবার নিশ্চিন্তে খাব।”

বরং ব্যাপারটা উল্টো।

আমার দায়িত্ব হলো ঝুঁকি বুঝে সতর্ক হওয়া। আর আমার নিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকা ফলাফলকে মেনে নেওয়া।

Psychology হয়তো আমাকে শেখাবে uncertainty tolerate করতে। বুঝতে শেখাবে যে সব outcome predict করা সম্ভব নয়।

Islam আমাকে শেখাবে—uncertainty মানেই chaos নয়। আমি সবকিছু বুঝি না বলেই সবকিছু অর্থহীন হয়ে যায় না।

আমরা হয়তো জানি না কেন একই খাবার খেয়ে একজন অসুস্থ হলো আর আরেকজন হলো না।

আমরা risk factor ব্যাখ্যা করতে পারি, probability বুঝতে পারি, কিন্তু প্রতিটি individual outcome-এর সম্পূর্ণ গল্প সবসময় জানতে পারি না।

হয়তো এখানেই মানুষের সীমাবদ্ধতা।

আমরা কারণ দেখতে পাই, কিন্তু সব কারণ দেখি না।😪

আমরা probability হিসাব করতে পারি, কিন্তু নিশ্চিত ভবিষ্যৎ জানি না।

আমরা সতর্ক হতে পারি, কিন্তু সব ফলাফল নিয়ন্ত্রণ করতে পারি না।

আর সম্ভবত এই জায়গাটাতেই Psychology আর Islam একে অপরের বিপরীত নয়।🤝

একটি আমাকে শেখায়—মানুষের mind uncertainty-এর সঙ্গে কীভাবে deal করে।

আর অন্যটি আমাকে শেখায়—সব uncertainty-এর মাঝেও দায়িত্ব নিয়ে বাঁচতে, চেষ্টা করতে এবং শেষ পর্যন্ত নিজের সীমাবদ্ধতাকে স্বীকার করতে।

সুতরাং প্রশ্নটা হয়তো শুধু এতটুকু নয়—“কে অসুস্থ হবে আর কে হবে না?”

প্রশ্নটা আরও বড়: আমি কি সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করতে পারি❓

01/09/2026

Personal life-এর ক্ষেত্রেও অনেক সময় আমাদের আশেপাশের মানুষ—বন্ধু, পরিচিতজন—আমাদের কথা শোনে, পরামর্শ দেয়।

ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা share করাও স্বাভাবিক। তবে সমস্যা তৈরি হতে পারে তখন, যখন কোনো situation-এ এসে আগে share করা সেই sensitive topic-টাই আবার সামনে চলে আসে।

যিনি নিজের ব্যক্তিগত কথা share করেছিলেন, তার মনে হতে পারে তাকে উদ্দেশ্য করে খোঁটা দেওয়া হচ্ছে, indirectly কিছু বোঝানো হচ্ছে, কিংবা তার দুর্বল জায়গাটাকেই ব্যবহার করা হচ্ছে।

আবার সবসময় যে এটা শুধুই তার perception হবে, তাও না—কখনো কখনো মানুষ সত্যিই অন্যের ব্যক্তিগত তথ্য বা দুর্বলতাকে খোঁচা দেওয়ার জন্য ব্যবহার করতে পারে।

এখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো intent এবং impact—দুটোই।

বক্তার উদ্দেশ্য হয়তো খারাপ নাও হতে পারে, কিন্তু কথাটি যার সম্পর্কে বা যার অভিজ্ঞতার সঙ্গে মিলে যায়, তার ওপর সেটার impact কেমন হচ্ছে সেটাও বিবেচনা করা জরুরি।

বিশেষ করে যখন কেউ আমাদের কাছে vulnerability নিয়ে আসে, তখন সেই তথ্য আমাদের কাছে এক ধরনের trust-এর জায়গা থেকে আসে।

তাই পরে কোনো discussion, joke, example বা মতবিরোধের সময় সেই বিষয়গুলো ব্যবহার করার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকা প্রয়োজন।

কারণ মানুষ সবসময় কথার ভাষা নয়, context-ও মনে রাখে—“আমি যেটা বিশ্বাস করে বলেছিলাম, সেটা কি এখন আমার বিরুদ্ধেই ব্যবহার করা হচ্ছে?”

অন্যদিকে, যিনি শুনছেন তারও দায়িত্ব আছে সবকিছুকে automatically personal attack হিসেবে ধরে না নেওয়ার।

কখনো কোনো topic উঠে আসা কেবল coincidence বা সাধারণ আলোচনার অংশও হতে পারে।

তাই healthy সম্পর্কের জন্য সবচেয়ে ভালো জায়গা হলো—assumption না করে clarification করা।

সন্দেহ হলে বলা যেতে পারে, “তুমি কি কথাটা আমাকে উদ্দেশ্য করে বলেছ? কারণ আমার কাছে একটু সেভাবেই মনে হয়েছে।”

এতে ভুল বোঝাবুঝির জায়গাটা পরিষ্কার হওয়ার সুযোগ থাকে।

29/08/2026

অনলাইনে আমার প্রথম ভিডিও! এভাবে কোনো এক ভিডিও হাজার-হাজার মানুষ দেখবে!😌

27/08/2026

একবার এক female psychologist cm colleague আমাকে বলেছিলেন—“মেয়েরা ই মেয়েদের সমস্যা বেশি বোঝে!”

কথাটা শুনে সেদিন Psychology-এর ওপরই প্রায় ভরসা হারিয়ে ফেলেছিলাম! 😂

Jokes apart, generally speaking, একজন নারী হয়তো আরেকজন নারীর কিছু অভিজ্ঞতার সঙ্গে বেশি easily relate বা connect করতে পারেন।

একইভাবে, একজন পুরুষও হয়তো আরেকজন পুরুষের কিছু অভিজ্ঞতার সঙ্গে বেশি relate করতে পারেন।

কিন্তু relate করতে পারা আর “বেশি বোঝা”—দুটো এক জিনিস নয়।

সময় যত যাচ্ছে, Psychology এবং mental health service-এর প্রয়োজনও তত বাড়ছে।

তাই আগে আমাদের পরিষ্কারভাবে বোঝা দরকার—

Psychological service আসলে কী এবং একজন psychologist-এর কাজ কী।

একজন psychologist-এর কাজ হলো client যে সমস্যা, distress বা difficulty-এর মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন, সেটাকে বুঝতে সাহায্য করা—

কেন সমস্যাটা হচ্ছে, এর origin বা maintaining factors কী, বর্তমানে তার mental health status কেমন, এবং কীভাবে সমস্যাটাকে manage করা যায় বা সেখান থেকে বেরিয়ে আসা সম্ভব।

এখানে psychologist-এর সঙ্গে client-এর কোনো personal relationship তৈরি করার বিষয় নেই যে,

“আমি তাকে মানুষ হিসেবে যত বেশি বুঝব, তত ভালো psychologist হব।”

বরং প্রয়োজন হলো client-এর experience, behaviour, emotion, thought pattern এবং psychological difficulties-কে যথাযথভাবে understand করা।

অবশ্যই cultural sensitivity, individual differences এবং personal preferences-কে সম্মান করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

একজন client সে পুরুষ হোক বা নারী যদি female psychologist-এর সঙ্গে বেশি comfortable feel করেন, সেটা অবশ্যই consideration-এর মধ্যে রাখা উচিত।

একইভাবে কেউ male psychologist prefer করলেও সেটাকে respect করা যায়।

কিন্তু যদি আমাদের ধারণা এমন পর্যায়ে চলে যায় যে—

“আমার female psychologist-ই লাগবে, male psychologist-এর সঙ্গে আমি session-এই বসব না”

অথবা উল্টোটা—তাহলে একটা প্রশ্ন করা যেতেই পারে:

আমরা কি gender preference-এর জায়গাটাকে প্রয়োজনের চেয়ে বেশি rigid করে ফেলছি?

Address

Chittagong
4000

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Restart with Ridwan posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share