Coastal Banshkhali News- CBN

Coastal Banshkhali News- CBN Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Coastal Banshkhali News- CBN, Media/News Company, Banshkhali, Chittagong.

An online news platform based in Banshkhali, dedicated to publishing statement-based news, highlighting local issues, and ensuring accurate and responsible reporting.

১ মে বিশ্বব্যাপী পালিত আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস বা মে দিবস শ্রমজীবী মানুষের অধিকার, মর্যাদা ও ন্যায্যতার সংগ্রামের একটি ঐ...
30/04/2026

১ মে বিশ্বব্যাপী পালিত আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস বা মে দিবস শ্রমজীবী মানুষের অধিকার, মর্যাদা ও ন্যায্যতার সংগ্রামের একটি ঐতিহাসিক প্রতীক। এটি কেবল একটি আনুষ্ঠানিক দিবস নয়, বরং শ্রমিকদের দীর্ঘ আন্দোলন, ত্যাগ ও সংগ্রামের ফলাফল, যা আজকের আধুনিক শ্রমব্যবস্থার ভিত্তি গড়ে দিয়েছে।

মে দিবসের ইতিহাসের সূচনা ঘটে ১৮৮৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো শহরে। সে সময় শিল্প বিপ্লবের প্রভাবে শ্রমিকদের উপর অমানবিক কাজের চাপ ছিল। দিনে ১২ থেকে ১৬ ঘণ্টা কাজ করা ছিল সাধারণ ঘটনা। এর প্রতিবাদে শ্রমিকরা ৮ ঘণ্টা কর্মদিবসের দাবিতে আন্দোলনে নামে। এই আন্দোলনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও মর্মান্তিক অধ্যায় হলো Haymarket Affair। ১৮৮৬ সালের ৪ মে শিকাগোর হে মার্কেট এলাকায় শ্রমিকদের এক সমাবেশে বোমা বিস্ফোরণ ঘটে এবং পরে পুলিশের গুলিতে বহু শ্রমিক নিহত হন। এই ঘটনা বিশ্বজুড়ে শ্রমিক আন্দোলনকে নতুন মাত্রা দেয় এবং শ্রমিক অধিকারের প্রশ্নকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরে।

পরবর্তীতে ১৮৮৯ সালে প্যারিসে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক শ্রমিক সম্মেলনে ১ মে দিনটিকে শ্রমিক দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এরপর থেকে ধীরে ধীরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মে দিবস পালিত হতে থাকে এবং এটি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি লাভ করে।

মে দিবসের মূল বার্তা হলো শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা। এর মধ্যে রয়েছে ৮ ঘণ্টা কর্মদিবস, ন্যায্য মজুরি, নিরাপদ কর্মপরিবেশ এবং সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা। এই দাবিগুলো শুধু শ্রমিকদের জন্য নয়, বরং একটি ন্যায়ভিত্তিক ও টেকসই সমাজ গঠনের জন্য অপরিহার্য।

বাংলাদেশেও মে দিবস অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে পালিত হয়। দিনটি সরকারি ছুটি হিসেবে স্বীকৃত। বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠন, ট্রেড ইউনিয়ন ও সামাজিক প্রতিষ্ঠান র‍্যালি, আলোচনা সভা ও নানা কর্মসূচির মাধ্যমে দিনটি পালন করে। দেশের তৈরি পোশাক শিল্পসহ বিভিন্ন খাতে শ্রমিকদের অবদান এই দিনে বিশেষভাবে স্মরণ করা হয়।

বর্তমান বিশ্বে শ্রমিকদের চ্যালেঞ্জ এখনো বিদ্যমান। বিশেষ করে অনানুষ্ঠানিক খাতে কর্মরত শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি, কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা এবং সামাজিক সুরক্ষা এখনো বড় সমস্যা। প্রযুক্তির অগ্রগতি ও বিশ্বায়নের ফলে শ্রমবাজারে নতুন নতুন পরিবর্তন আসছে, যা শ্রমিকদের জন্য একদিকে সুযোগ তৈরি করছে, অন্যদিকে অনিশ্চয়তাও বাড়াচ্ছে।

সবশেষে বলা যায়, মে দিবস শুধুমাত্র অতীতের সংগ্রাম স্মরণের দিন নয়, বরং বর্তমান ও ভবিষ্যতে শ্রমিকদের অধিকার রক্ষার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ। একটি উন্নত ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গড়তে শ্রমিকদের মর্যাদা ও অধিকার নিশ্চিত করার কোনো বিকল্প নেই।

১৯৯১ সালের ২৯ এপ্রিল বাংলাদেশের জন্য এক বিভীষিকাময় রাত হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে। এই দিনে সংঘটিত প্রলয়ংকারী ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ...
29/04/2026

১৯৯১ সালের ২৯ এপ্রিল বাংলাদেশের জন্য এক বিভীষিকাময় রাত হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে। এই দিনে সংঘটিত প্রলয়ংকারী ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস মুহূর্তেই দেশের উপকূলীয় অঞ্চলগুলোকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করে। বিশেষ করে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, ভোলা এবং পটুয়াখালীসহ বিস্তীর্ণ উপকূলীয় এলাকা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট একটি নিম্নচাপ ধীরে ধীরে গভীর নিম্নচাপে রূপ নেয় এবং পরে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়। ২৯ এপ্রিল রাতে এটি উপকূলে আঘাত হানে। ঝড়ের গতিবেগ ঘণ্টায় প্রায় ২৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছায়, যা একে বাংলাদেশের ইতিহাসের অন্যতম শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত করে। তবে এই দুর্যোগের সবচেয়ে ভয়াবহ দিক ছিল বিশাল জলোচ্ছ্বাস, যার উচ্চতা প্রায় ২০ ফুট বা তারও বেশি ছিল। এই জলোচ্ছ্বাস নিম্নাঞ্চলগুলোকে সম্পূর্ণভাবে প্লাবিত করে, হাজার হাজার গ্রাম পানির নিচে তলিয়ে যায় এবং অসংখ্য ঘরবাড়ি মুহূর্তেই বিলীন হয়ে যায়।

এই ঘূর্ণিঝড়ে প্রাণহানি ছিল ভয়াবহ। সরকারি হিসাবে প্রায় ১ লাখ ৩৮ হাজার মানুষ নিহত হয়, যদিও বেসরকারি হিসাবে এই সংখ্যা আরও বেশি বলে ধারণা করা হয়। প্রায় ১ কোটিরও বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং বিপুল সংখ্যক গবাদিপশু মারা যায়। কৃষি, মৎস্য ও অবকাঠামো খাতে ব্যাপক ক্ষতি হয়, যা দেশের অর্থনীতিতে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলে।

দুর্যোগের পরপরই উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম শুরু হয়। বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, জাতিসংঘসহ দেশি-বিদেশি বিভিন্ন সংস্থা ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় এগিয়ে আসে। খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি, চিকিৎসা সেবা এবং আশ্রয়ের ব্যবস্থা করা হয়। তবে যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় প্রাথমিক পর্যায়ে উদ্ধার কার্যক্রমে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ দেখা দেয়।

এই ভয়াবহ অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে বাংলাদেশ সরকার পরবর্তীতে উপকূলীয় এলাকায় অসংখ্য সাইক্লোন শেল্টার নির্মাণ, আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থা জোরদার এবং স্বেচ্ছাসেবক নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার উদ্যোগ নেয়। ফলে পরবর্তী সময়ে ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় দেশের সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায় এবং প্রাণহানি তুলনামূলকভাবে কমিয়ে আনা সম্ভব হয়।

প্রতিবছর ২৯ এপ্রিল এই মর্মান্তিক ঘটনার স্মরণে উপকূলীয় অঞ্চলে বিভিন্ন কর্মসূচি পালিত হয়। নিহতদের স্মরণে দোয়া, আলোচনা সভা এবং সচেতনতামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মকে এই ইতিহাস জানানো হয়।

১৯৯১ সালের এই ঘূর্ণিঝড় শুধু একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ নয়, এটি বাংলাদেশের জন্য এক গভীর শিক্ষা—যা আমাদের দুর্যোগ প্রস্তুতি, সচেতনতা এবং মানবিক সহমর্মিতার গুরুত্ব নতুন করে উপলব্ধি করিয়েছে।

দেশব্যাপী ২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের দাখিল পরীক্ষা আগামী ২১ এপ্রিল ২০২৬ (মঙ্গলবার) থেকে শু...
20/04/2026

দেশব্যাপী ২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের দাখিল পরীক্ষা আগামী ২১ এপ্রিল ২০২৬ (মঙ্গলবার) থেকে শুরু হচ্ছে। শিক্ষা বোর্ডের প্রকাশিত রুটিন অনুযায়ী, ওইদিন সকাল ১০টা থেকে একযোগে দেশের সব শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

পরীক্ষার প্রথম দিন এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য নির্ধারিত রয়েছে বাংলা ১ম পত্র। একই দিনে দাখিল (মাদ্রাসা বোর্ড) পরীক্ষার্থীদের কুরআন মাজিদ ও তাজবিদ বিষয়ে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

শিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, এবারের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার তত্ত্বীয় অংশ চলবে ২০ মে ২০২৬ পর্যন্ত। প্রতিদিন পরীক্ষা শুরু হবে সকাল ১০টায় এবং নির্ধারিত সময় অনুযায়ী শেষ হবে, সাধারণত তিন ঘণ্টাব্যাপী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

এবারের পরীক্ষায় দেশের সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর পাশাপাশি মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের শিক্ষার্থীরাও অংশগ্রহণ করবে। পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে ইতোমধ্যে কেন্দ্র প্রস্তুতি, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং প্রশাসনিক কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পরীক্ষার্থীদের নির্ধারিত সময়ের আগেই কেন্দ্রে উপস্থিত হওয়ার এবং সকল নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে।

20/04/2026

‘‘সংবাদমাধ্যম যখন সত্য প্রচারের দায়িত্ব ছেড়ে ক্ষমতার প্রচারক হয়ে ওঠে, তখন সমাজ ফ্যাসিবাদের দিকে পা বাড়ায়’’

Courtesy : BTV

খুদুকখালী এলাকার গর্ব এখন ক্ষুদে হাফেজ মুহাম্মদ রায়হান—পিতা: মুহাম্মদ জুনাইদ। হাফেজ মুহাম্মদ সোহেলের স্নেহময় তত্ত্বাবধ...
20/04/2026

খুদুকখালী এলাকার গর্ব এখন ক্ষুদে হাফেজ মুহাম্মদ রায়হান—পিতা: মুহাম্মদ জুনাইদ। হাফেজ মুহাম্মদ সোহেলের স্নেহময় তত্ত্বাবধানে, খুদুকখালীস্থ ওমর ফারুক আল ইসলামিয়া মাদ্রাসায় অধ্যয়নরত এই মেধাবী শিক্ষার্থী মাত্র ৪ মাস ১১ দিনের মধ্যেই সম্পূর্ণ পবিত্র কুরআন শরীফ হিফজ সম্পন্ন করে এক বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।
পরিবার ও মাদ্রাসা সূত্রে জানা যায়, শৈশব থেকেই রায়হানের হৃদয়ে কুরআনের প্রতি ছিল গভীর ভালোবাসা ও অদম্য আগ্রহ। তার নিয়মিত অধ্যবসায়, কঠোর পরিশ্রম এবং শিক্ষকদের আন্তরিক দিকনির্দেশনায় ধাপে ধাপে সে তার স্বপ্নপূরণে সক্ষম হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের বাইরেও অতিরিক্ত অনুশীলন, আত্মনিবেদন ও একাগ্রতার ফলেই এই অসাধারণ সাফল্য অর্জিত হয়েছে।
মাদ্রাসার সম্মানিত শিক্ষকমণ্ডলী জানান, সাধারণত পবিত্র কুরআনের হিফজ সম্পন্ন করতে দীর্ঘ সময় প্রয়োজন হয়। কিন্তু রায়হানের অসাধারণ স্মৃতিশক্তি, গভীর মনোযোগ এবং নিরলস পরিশ্রম তাকে অন্যদের থেকে অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে। তারা তার উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য আন্তরিক দোয়া কামনা করেন।
রায়হানের এই গৌরবময় অর্জনে তার পরিবার, শিক্ষকবৃন্দ এবং এলাকাবাসীর মাঝে নেমে এসেছে আনন্দের বন্যা। এই কৃতিত্ব শুধু তার ব্যক্তিগত সাফল্য নয়; এটি সমগ্র খুদুকখালী এলাকার জন্য এক গর্বের প্রতীক হয়ে উঠেছে।
এই ক্ষুদে হাফেজের অনন্য সাফল্য নিঃসন্দেহে দেশের তরুণ প্রজন্মের জন্য এক উজ্জ্বল অনুপ্রেরণার প্রদীপ হয়ে থাকবে।

19/04/2026

পেকুয়ায় জেলে কার্ড বিতরণ নিয়ে চেয়ারম্যান-মেম্বার উত্তেজনা!

বাঁশখালী উপজেলার ছনুয়া ইউনিয়নের তরুণ সমাজকে সংগঠিত ও ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে ছনুয়া ফ্রেন্ড সোসাইটি (CFS...
17/04/2026

বাঁশখালী উপজেলার ছনুয়া ইউনিয়নের তরুণ সমাজকে সংগঠিত ও ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে ছনুয়া ফ্রেন্ড সোসাইটি (CFS) তাদের নতুন ইউনিট “বারাকাহ ইউনিট” গঠন করেছে। এই ইউনিটে বিশেষভাবে ছনুয়া ইউনিয়নের মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যা একটি সময়োপযোগী ও প্রশংসনীয় উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

জানা গেছে, ২০০২ থেকে ২০০৮ সালের মধ্যে জন্মগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের নিয়ে এই ইউনিট গঠন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে একদিকে যেমন তরুণ মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের মধ্যে নেতৃত্বের গুণাবলি বিকাশ পাবে, অন্যদিকে সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রমে তাদের অংশগ্রহণও বাড়বে।

এর আগে সিএফএস মেডিক্যাল, বিশ্ববিদ্যালয় ও অনার্স লেভেলের কলেজ শিক্ষার্থীদের নিয়ে “সিএফএস স্পার্ক ইউনিট” গঠন করেছিল। সেই ধারাবাহিকতায় এবার মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের অন্তর্ভুক্ত করে “সিএফএস বারাকাহ ইউনিট” চালু করা হয়েছে, যা সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও বিস্তৃত ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করে তুলেছে।

সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, “সিএফএস বারাকাহ ইউনিট” শুধুমাত্র একটি সাংগঠনিক কাঠামো নয়, বরং এটি হবে নৈতিকতা, শৃঙ্খলা ও ইসলামী মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ একটি প্ল্যাটফর্ম। এখান থেকে ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব তৈরি করার পাশাপাশি সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, শিক্ষার্থীদের এভাবে বিভিন্ন স্তরে ভাগ করে সংগঠনের আওতায় এনে দক্ষতা উন্নয়ন ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত করা একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ, যা আগামী দিনে বৃহত্তর সমাজে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

উল্লেখ্য, ছনুয়া ইউনিয়নের এসএসসি ব্যাচ ২০১৯ এর শিক্ষার্থীদের নিয়ে প্রতিষ্ঠিত সিএফএস ইতোমধ্যে বিভিন্ন সামাজিক, শিক্ষামূলক ও মানবিক কার্যক্রমের মাধ্যমে ছনুয়া ইউনিয়নে একটি শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করেছে। “স্পার্ক ইউনিট” ও “বারাকাহ ইউনিট” গঠনের মাধ্যমে সেই কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বাঁশখালী উপজেলায় চলমান তীব্র লোডশেডিংয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। দিনে-রাতে বারবার বিদ্যুৎ বিভ্রাটে ব্যাহত হচ্...
17/04/2026

বাঁশখালী উপজেলায় চলমান তীব্র লোডশেডিংয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। দিনে-রাতে বারবার বিদ্যুৎ বিভ্রাটে ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা, ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে ব্যবসা-বাণিজ্য ও শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা।
দ্রুত এই সমস্যার সমাধান চেয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি দাবি জানিয়েছেন উপজেলাবাসী।

বাংলা নববর্ষ বা পহেলা বৈশাখ বাঙালির এমন এক উৎসব, যা জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে এক অনন্য অসাম্প্রদায়িক চেতনায় উদ্ভাসিত। এই...
14/04/2026

বাংলা নববর্ষ বা পহেলা বৈশাখ বাঙালির এমন এক উৎসব, যা জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে এক অনন্য অসাম্প্রদায়িক চেতনায় উদ্ভাসিত। এই উৎসবের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের মূলে রয়েছে হাজার বছরের এক সমৃদ্ধ সংস্কৃতি।

​ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও বাংলা সনের সূচনা:

বাংলা সনের প্রবর্তন নিয়ে ঐতিহাসিকদের মধ্যে নানা মত থাকলেও মুঘল সম্রাট আকবরের সময়কালকেই সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য ধরা হয়। মূলত কৃষিভিত্তিক এই দেশে খাজনা আদায়ের সুবিধার্থেই এই সনের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। তৎকালীন সময়ে হিজরি ক্যালেন্ডার অনুযায়ী খাজনা আদায় করা হতো, কিন্তু চন্দ্র মাস হওয়ার কারণে ফসলের রোপণ ও কাটার সময়ের সাথে তার মিল থাকত না। ফলে কৃষকদের কর দিতে সমস্যা হতো। এই জটিলতা নিরসনে সম্রাট আকবর তাঁর রাজকীয় জ্যোতির্বিজ্ঞানী ফতেহউল্লাহ সিরাজিকে নির্দেশ দেন একটি নতুন পঞ্জিকা তৈরি করতে। ১৫৮৪ খ্রিষ্টাব্দে সম্রাট আকবর সৌর ও চন্দ্র সনের সমন্বয় করে 'ফসলি সন' বা 'বঙ্গাব্দ' প্রবর্তন করেন, যা তাঁর সিংহাসন আরোহণের বছর অর্থাৎ ১৫৫৬ খ্রিষ্টাব্দ থেকে কার্যকর বলে ধরা হয়।

​আর্থ-সামাজিক ঐতিহ্য: হালখাতা

নববর্ষের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে ‘হালখাতা’র নাম। এক সময় এটিই ছিল এই উৎসবের মূল কেন্দ্রবিন্দু। ব্যবসায়ীরা বছরের শেষ দিনে পুরোনো সব দেনা-পাওনার হিসাব চুকিয়ে পহেলা বৈশাখে নতুন লাল কাপড়ের মলাট দেওয়া খাতা খোলেন। এই উপলক্ষে ক্রেতা ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মিষ্টিমুখ করানো হয়। এটি কেবল ব্যবসায়িক লেনদেনের খাতা নয়, বরং পারস্পরিক আস্থা ও সামাজিক সম্প্রীতির এক অনন্য বন্ধন। গ্রামীণ হাট-বাজার থেকে শুরু করে শহরের জুয়েলারি বা কাপড়ের দোকানগুলোতে আজও এই প্রথা পরম যত্নে পালন করা হয়।

​খাদ্যাভ্যাস ও লোকজ উৎসব

নববর্ষ উদযাপনে বাঙালির খাদ্যাভ্যাসেও আসে বিশেষ বৈচিত্র্য। পান্তা ভাত ও ইলিশ মাছ খাওয়া এখন এক জনপ্রিয় ঐতিহ্যে পরিণত হয়েছে। যদিও গ্রামবাংলায় পান্তা ছিল কৃষকের নিত্যদিনের খাবার, কিন্তু উৎসবে এটি সহজ ও শেকড়মুখী জীবনের প্রতীক হয়ে উঠেছে। এছাড়া দেশের আনাচে-কানাচে আয়োজন করা হয় বৈশাখী মেলার। যেখানে মাটির তৈরি পুতুল, নাগরদোলা, পুতুলনাচ, সার্কাস এবং বিভিন্ন দেশীয় খাবারের সমারোহ ঘটে। গ্রামীণ এই মেলাগুলোই মূলত বাংলার লোকজ সংস্কৃতির প্রাণ।

​আঞ্চলিক বৈচিত্র্য ও বৈসাবি

বাংলা নববর্ষ কেবল সমতলের মানুষের নয়, পাহাড়ের মানুষেরও প্রাণের উৎসব। পার্বত্য চট্টগ্রামের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীরা তাদের নিজস্ব ঢঙে এই সময়টি উদযাপন করে। ত্রিপুরাদের ‘বৈসু’, মারমাদের ‘সাংরাইন’ এবং চাকমাদের ‘বিজু’—এই তিন উৎসবের আদ্যক্ষর নিয়ে একে বলা হয় ‘বৈসাবি’। জল উৎসব বা একে অপরের গায়ে পানি ছিটিয়ে শুদ্ধ হওয়ার আনন্দ তাদের উদযাপনের এক প্রধান অনুষঙ্গ।

​পরিশেষে বলা যায়, বাংলা নববর্ষ কেবল ক্যালেন্ডারের পাতা পরিবর্তনের দিন নয়; এটি বাঙালির আত্মপরিচয় ও সাহসের দিন। অতীতের সমস্ত গ্লানি ও জীর্ণতা ধুয়ে মুছে নতুনের আহ্বানে জেগে ওঠার প্রেরণা জোগায় এই পহেলা বৈশাখ। এটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় আমরা এক অখণ্ড ও অসাম্প্রদায়িক সংস্কৃতির উত্তরাধিকারী।

জানা যায়, আড়াই শতাধিক যাত্রী নিয়ে অবৈধভাবে সাগরপথে মালয়েশিয়া যাওয়ার পথে বঙ্গোপসাগরে এই ঘটনা ঘটে। কয়েকজনকে জীবিত উদ্ধার ...
13/04/2026

জানা যায়, আড়াই শতাধিক যাত্রী নিয়ে অবৈধভাবে সাগরপথে মালয়েশিয়া যাওয়ার পথে বঙ্গোপসাগরে এই ঘটনা ঘটে।
কয়েকজনকে জীবিত উদ্ধার করা গেলেও বাকিদের বেঁচে থাকার সম্ভাবনা ক্ষীন।
যাত্রীদের বেশিরভাগ কক্সবাজার ও দক্ষিন চট্টগ্রামের বলে ধারণা করা হচ্ছে।

Address

Banshkhali
Chittagong
4391

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Coastal Banshkhali News- CBN posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share