12/08/2026
দোয়াটির উচ্চারণ ও অর্থ:
* উচ্চারণ: ইয়া হাইয়্যু, ইয়া কাইয়্যুমু, বিরাহমাতিকা আস্তাগীছ। আসলিহ লি শা'নী কুল্ল্যাহ, ওয়া লা তাকিলনী ইলা নাফসী তারফাতা ‘আইন।
* অর্থ: "হে চিরঞ্জীব! হে সমস্ত সৃষ্টির ধারক-রক্ষক! আমি আপনার রহমতের ওয়াসিলায় (উসিলায়) আপনার সাহায্য প্রার্থনা করছি। আপনি আমার সর্বাবস্থা সংস্কার (সঠিক) করে দিন এবং আমাকে চোখের এক পলকের জন্যও আমার নিজের ওপর ন্যস্ত করবেন না।"
দোয়াটির তাৎপর্য ও ফজিলত:
* রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর আমল: হযরত আনাস ইবনে মালেক (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সাঃ) যখনই কোনো চরম দুশ্চিন্তা, বিপদ বা কঠিন সমস্যার সম্মুখীন হতেন, তখন তিনি এই দোয়াটি পাঠ করতেন (জামে আত-তিরমিজী)।
* সকাল-সন্ধ্যাকালীন জিকির: এটি সকাল ও সন্ধ্যার মাসনুন জিকিরের অন্যতম একটি দোয়া। রাসূল (সাঃ) তাঁর কন্যা হযরত ফাতেমা (রাঃ)-কে প্রতিদিন সকাল ও সন্ধ্যায় এই দোয়াটি পাঠ করার বিশেষ নসীহত করেছিলেন (সুনান আন-নাসায়ী)।
* আল্লাহর ওপর সম্পূর্ণ নির্ভরতা: দোয়ার শেষ অংশে বলা হয়েছে—"আমাকে চোখের এক পলকের জন্যও আমার নিজের ওপর ছেড়ে দিয়েন না।" এর মাধ্যমে বান্দা আল্লাহর কাছে স্বীকার করে যে, নিজের বুদ্ধি বা শক্তির ওপর ভরসা না করে সম্পূর্ণভাবে আল্লাহর ওপর ভরসা করাই হলো প্রকৃত সফলতা।
যেকোনো কঠিন পরিস্থিতি, মানসিক অস্থিরতা বা দুশ্চিন্তার সময় বেশি বেশি এই দোয়াটি পাঠ করা অত্যন্ত কল্যাণকর।