All things activity

All things activity Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from All things activity, Digital creator, GEC MORE, Chittagong.

প্যালিনড্রোম (অর্থাৎ সামনে থেকে এবং পিছন থেকে সমান.উভয় দিক থেকে পড়লে একই!) (ক) বাংলায় প্যালিনড্রোম বাক্য :-  সিমার মাসি...
30/07/2025

প্যালিনড্রোম (অর্থাৎ সামনে থেকে এবং পিছন থেকে সমান.উভয় দিক থেকে পড়লে একই!)

(ক) বাংলায় প্যালিনড্রোম বাক্য :-
সিমার মাসি
বল খেলব
বই চাইব
ঘুরবে রঘু
নাম লেখালেম না
বিকল্প কবি
তুমি কি মিতু ?
মার কথা থাক রমা
কীর্তন মঞ্চ পরে পঞ্চম নর্তকী
কাক কাঁদে কাঁক কা
চেনা সে ছেলে বলেছে সে নাচে
তাল বনে নেব লতা
চার সের চা
ঠাকুরদাদার কুঠা
খা সমস্ত রুটি রুস্তম সখা
না না কেনা না।
না বললে লব না
ওর মা আজ আমারও
বিরহে রাধা নয়ন ধারা হেরবি
থাক রবি কবির কথা
মামাতো মামা
কাকা তো কাকা
রবীন দা দানবীর।

(খ) বাংলায় প্যালিনড্রোম নাম :-
নিধুরাম রাধুনি
সুবল লাল বসু
রমা কান্ত কামার
সদানন দাস
রায়মণি ময়রা
হারান রাহা
ইলু দলুই
সুবর্ণা বসু
সদাই দাস

(গ) বাংলায় প্যালিনড্রোম শব্দ :-
মরম, মলম, দরদ, জলজ, বনমানব, নবজীবন, সহিস, কালিকা, সরেস, তফাত, বাহবা, সন্ন্যাস, সন্ত্রাস, নরুন, তখত, কনক, নয়্ন, সরস, নিড়ানি, খামোখা, কালিকা, হুবহু, ইহাই, বলিব।

(ঘ) বাংলাভাষায় সব থেকে বড় প্যালিনড্রোম হল :-
চেনা সে ছেলে বলেছে সে নাচে !

(ঙ) আশ্চর্যের ব্যাপার এই যে খ্রীষ্টধর্ম অনুযায়ী পৃথিবীর প্রথম শব্দ ছিল প্যালিনড্রোম! জানেন কি কেউ কী সেই শব্দ ?
আদম প্রথম ইভকে introduce করেছিল এই বলে! !!
MADAM IN EDEN I'M ADAM !

সংগ্রহ : Provat kumar Biswas

সন্তানকে যে কোনো দুর্ঘটনা ও বিপদ থেকে রক্ষা করার ৩টি  আমল,জেনে রাখুন প্রতিটা বাবা,মা🙏সন্তানের জন্য প্রতিদিন মাত্র কয়েক ম...
23/07/2025

সন্তানকে যে কোনো দুর্ঘটনা ও বিপদ থেকে রক্ষা করার ৩টি আমল,জেনে রাখুন প্রতিটা বাবা,মা🙏

সন্তানের জন্য প্রতিদিন মাত্র কয়েক মিনিট সময় বের করে নিচের ৩টি কুরআনিক আমল করুন। ইনশাআল্লাহ, আপনার সন্তান থাকবেন আল্লাহর রক্ষণাবেক্ষণে।

---
★১. সূরা ফালাক ও সূরা নাস – ‘দুই রক্ষাকবচ’

রাসূল ﷺ নিজ হাতে হাসান ও হুসাইন রা.-কে এই দুই সূরা পড়ে ফুঁ দিয়ে হেফাজতের দোয়া করতেন।

➡️ নিয়ম:

সকালে ও সন্ধ্যায় ৩ বার করে সূরা ফালাক ও সূরা নাস পড়ে সন্তানের উপর ফুঁ দিন।

না থাকলে দূর থেকেও পড়ে তাঁর জন্য নিয়ত করুন।

★২. আয়াতুল কুরসি – ২৪ ঘণ্টার পাহারা

হাদীসে আছে, কেউ আয়াতুল কুরসি পড়লে আল্লাহ তার জন্য একজন ফিরিশতা পাহারায় নিযুক্ত করেন।

➡️ নিয়ম:

সন্তান ঘর থেকে বের হওয়ার আগে আয়াতুল কুরসি পড়ে মাথায় হাত রেখে ফুঁ দিন।

ঘুমানোর সময়ও এই আয়াত পড়ে দিন।

★৩. ৬ দিক থেকে হেফাজতের দোয়া

এই দোয়াটি সন্তানের চারপাশের অজানা সব বিপদ থেকে হেফাজতের জন্য অনেক উলামা নিয়মিত পড়ার পরামর্শ দেন।

📖 দোয়া:
اللَّهُمَّ احْفَظْهُ مِنْ بَيْنِ يَدَيْهِ، وَمِنْ خَلْفِهِ، وَعَنْ يَمِينِهِ، وَعَنْ شِمَالِهِ، وَمِنْ فَوْقِهِ، وَأَعُوذُ بِعَظَمَتِكَ أَنْ يُغْتَالَ مِنْ تَحْتِهِ
উচ্চারণ:
আল্লাহুম্মা ইহফাযহু মিম্বাইনি ইয়াদাইহি, ওয়া মিন খলফিহি, ওয়া আন ইয়ামিনিহি, ওয়া আন শিমালিহি, ওয়া মিন ফাওকিহি, ওয়া আ’উযু বি‘আজমাতিকা আন ইউঘতাালা মিন তাহতিহি।
অর্থ: হে আল্লাহ! আমার সন্তানকে সামনের, পেছনের, ডান, বাঁ, উপর ও নিচ থেকে সব বিপদ থেকে হেফাজত করুন।

➡️ নিয়ম:

সকালে বা রাতে সন্তানের জন্য এই দোয়াটি অন্তত একবার হলেও পড়ুন।

মহিলার বয়স মাত্র ২৯ বছর। সিজারিয়ান সেকশনের মাধ্যমে বাচ্চা জন্ম দেয়ার কয়েকদিন পর  গাইনী ডিপার্টমেন্টে চিকিৎসকের শরণাপন্...
19/07/2025

মহিলার বয়স মাত্র ২৯ বছর। সিজারিয়ান সেকশনের মাধ্যমে বাচ্চা জন্ম দেয়ার কয়েকদিন পর গাইনী ডিপার্টমেন্টে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন জ্বর নিয়ে এবং এর সাথে তখনই/পরবর্তীতে Diarrhoea দেখা দেয়। 😥😥

ঐ সময় জ্বরের কারণ হিসেবে underlying Infection চিন্তা করে পেশেন্ট কে হসপিটালে ভর্তির পরামর্শ দেয়া হয়। সেলাইয়ের জায়গার একটা অংশ কিছুটা আদ্র থাকায় সেখানে ইনফেকশন চিন্তা করা হয়। প্রথমে এম্পেরিয়াল এন্টিবায়োটিক শুরু করা হয় কিন্তু রোগীর তেমন উন্নতি নেই। বরং শরীরের গলার নিচে-বুকে-পিঠে বিভিন্ন জায়গায় Rash দেখা। গাইনোকলজিস্ট Antibiotic এর Drug Reaction চিন্তা করে Antibiotic বন্ধ করেন।

পরবর্তীতে আদ্র জায়গা থেকে Swab নিয়ে কালচারের জন্য পাঠানো হয় কিন্তু কালচারে কোন গ্রোথ ছিল না। পরবর্তীতে কয়েক দফায় এন্টাবায়োটিক পরিবর্তন করা হয়। এর পাশাপাশি ব্লাড কালচার করা হয় সেখানেও কোনো গ্রোথ পাওয়া যায় নি। এছাড়া জ্বরের কারণ খোঁজার জন্য টিবি সহ সম্ভাব্য অন্যান্য পরীক্ষাও করা হয় কিন্তু কোনো ক্লু পাওয়া যায়নি।

যেহেতু ডেঙ্গু সিজন চলছে ডেঙ্গু টেস্টও করা হয়েছিল ডেঙ্গু টেস্ট নেগেটিভ, Platelet count নরমাল।

এর মধ্যে মেডিসিন ডিপার্টমেন্টে কল দেয়া হয় মেডিসিনের সিনিয়র ডাক্তার এসেও কোনো ক্লোজ খুঁজে পাচ্ছেন না।
এন্টিবায়োটিক পরিবর্তন করা হল কিন্তু উন্নতি নেই।

এর মধ্যে রোগীর CBC পরীক্ষায় দেখা যায় যে wbc কাউন্ট দিন দিন কমে যাচ্ছে। জন্ডিস দেখা দিয়েছে, বিলিরুবিন বেশি। এলবুমিন ও কমে যাচ্ছে।

Procalcitonin level, HBsAg, Anti HCV সহ অনেক টেস্ট করা হয়েছিল সব নরমাল। এদিকে Albumin দিয়েও Albumin লেভেল নরমালে রাখা যাচ্ছে না বিভিন্ন ধরনের অ্যান্টিবায়োটিক ট্রাই করেও রোগীর কোন উন্নতি হচ্ছে না
কিন্তু কেন এমন হলো তার কোন ব্যাখ্যা ও দিতে পারছেন না ডাক্তাররা।

সবশেষে উনারা বলেন যে, Septicemia থেকে Multiorgan failure এর দিকে যাচ্ছে পেশেন্ট।

ঐ মুহূর্তে ডা. খাইরুল ভাইয়ার ডাক পড়ে। ভাইয়া ওয়ার্ডে গিয়ে পেশেন্ট কে দেখেন। একেবারে শুরু থেকে হিস্ট্রি নেন এবং প্রশ্ন করে পাওয়া একটা ক্লু থেকে ডায়াগনোসিস করেন। সেই মুহূর্তে ভাইয়া মোবাইলে থাকা পেশেন্টের Rash এর ছবি টা আমাকে দেখান।

পেশেন্টের হিস্ট্রি + Rash এর ছবি টা দেখে আমার মনে পড়ে যায় ১/২ বছর আগে বিশিষ্ট হেমাটোলজিস্ট Prof. Dr. Akhil Ranjon Biswas স্যারের শেয়ার করা দুটি কেইস হিস্ট্রি পড়েছিলাম Haematology Society of Bangladesh এর ওয়েবসাইটে। এবং এই পেশেন্টের Rash ও স্যারের শেয়ার করা পেশেন্টের Rash এর ছবির সাথে মিলে যাচ্ছে।

তখন ভাই কে জিজ্ঞেস করলাম, উনার ডায়াগনোসিস কি Blood Transfusion Associated GVHD(Graft Versus Host Disease)?

তখন ভাই জানালেন যে পেশেন্টের সিজারের সময় ব্লাড ডোনেট করে তার আপন ভাই। কেউ আসলে সেই হিস্ট্রি টা নেন নি। সবাই আসলে সিজার পরবর্তী জ্বরের কারণ হিসেবে Infective cause চিন্তা করছিলেন। তাই কোনো কনক্লুসনে আসতে পারছিলেন না কেইস টি নিয়ে। যেহেতু অনেক টেস্ট অলরেডি করা হয়ে গেছে এবং ভাইয়াও অতীতে এমন কেইস দেখেছেন তাই উনি আগ বাড়িয়ে ব্লাড ট্রান্সফিউসন হিস্ট্রি নিয়েছেন এবং ডায়াগনোসিস করতে পেরেছিলেন। আর বাইরে থেকে এলবুমিন দেয়া সত্ত্বেও পেশেন্টের এলবুমিন লেভেল কমে যাচ্ছিল তার কারণ হিসেবে ভাইয়া বললেন এক্ষেত্রে Protein loosing Enteropathy হয়।

কিন্তু GVHD এর মর্টালিটি রেইট যেহেতু অনেক বেশি, এই পেশেন্ট আসলে সার্ভাইভ করার সম্ভাবনা খুব কম ছিল। (আমি পূর্বে যে দুটো কেইস পড়েছিলাম সেই দুজনই মারা যান। একজনের ক্ষেত্রে ব্লাড ডোনার ছিলেন আপন ভাই, আরেকজনের ক্ষেত্রে আপন ছেলে।)

এই মহিলার শেষ CBC তে WBC count ছিল মাত্র ২৩০/মাইক্রো লিটার (!!!)। Neutrophil 08%, Lymphocyte 90%. ESR= 45.

পরবর্তীতে তাকে হেমোটলজি ওয়ার্ডে ট্রান্সফার করা হয়। ভাইয়া আমাকে নিয়ে যান হেমোটলজি ওয়ার্ডে ভর্তি এই পেশেন্ট দেখানোর জন্য এবং ঐ সময় অধ্যাপক ডা. আখিল রন্জন বিশ্বাস স্যারও ওয়ার্ডে রাউন্ড দিচ্ছিলেন। কিন্তু এই পেশেন্টের বেডে গিয়ে পেশেন্ট কে পাওয়া যায় নি। কারণ উনিও GVHD এর মত একটি Grievous condition এর নিকট হার মেনে মৃত্যুবরণ করেছেন।

আল্লাহ মেহেরবানী করে রোগী কে বেশেহত নসীব করুন।
ডা. খাইরুল ভাইয়া কে অসংখ্য ধন্যবাদ কেইস টি শেয়ার করার জন্য। এর আগে TA-GVHD এর সেইম আরেকটি কেইস ভাইয়া ডায়াগনোসিস করেন যেখানে Open Heart Surgery এর পর পেশেন্টের জ্বর এবং Rash দেখা দেয়। সার্জারীর সময় নিকটাত্মীয় থেকে রক্ত নেন ঐ পেশেন্ট এবং কয়েকদিনের মধ্যেই মরণঘাতী এই রোগে মৃত্যুবরণ করেন।

Take_Home_Message:
নিকটাত্মীয় থেকে রক্ত নেয়া থেকে বিরত থাকুন। নিকটাত্মীয়ের রক্ত মৃত্যুর কারণ হতে পারে। সাধারনত Blood Transfusion এর ২ দিন থেকে ৩০ দিন পর এই সমস্যা দেখা দিতে পারে। Immunocompromised গ্রহীতার ক্ষেত্রে রিস্ক সবচেয়ে বেশি থাকে, তবে দৃশ্যত সুস্থ গ্রহীতার ক্ষেত্রেও Rarely এমনটা ঘটে থাকে।

এর বিস্তারিত ব্যাখা দিতে গিলে অনেক বড় হয়ে যাবে লেখা। সংক্ষেপে বললে, নিকটাত্মীয়ের সাথে আপনার HLA matching থাকায় আপনার রক্তে থাকা T cell(প্রতিরক্ষা কোষ) ডোনারের রক্তে থাকা T cell কে নিজের/Self হিসেবে মনে করবে, তাই তাকে কিছু করবে না। কিন্তু ডোনারের T cell আপনার শরীরে প্রবেশের পর আপনার দেহ কোষগুলো কে Non self/Foreign হিসেবে মনে করবে এবং বিভিন্ন অঙ্গের কোষ গুলো ধ্বংস করতে শুরু করবে। যাতে মৃত্যুর সম্ভাবনা উন্নত বিশ্বেই ৯০% এর বেশি। তবে মাত্র ১% এরও কম কেইসে এটা ঘটে থাকে, অর্থাৎ খুব রেয়ার। কিন্তু হলে যেহেতু রক্ষা নেই, তাই নিকটাত্মীয়ের রক্ত এভয়েড করাই যুক্তিযুক্ত।

বোঝার সুবিধার্থে সাধারন ভাষায় বললে,
বাইরের রাষ্ট্রের কেউ বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করতে গেলে বিজিবি তাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। কিন্তু ধরুন বাংলাদেশ বিজিবির পোশাক পরে পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্রের সৈনিকরা এদেশে প্রবেশ করল এবং বাংলাদেশ বিজিবি ঐ সকল সৈনিক কে নিজেদের লোক মনে করে কিছুই করল না। এই সুযোগে ঐ সৈনিকরা এদেশে বংশবৃদ্ধি করলো এবং বাংলাদেশের সাধারন মানুষ দের মারতে থাকলো। ঠিক এটাই ঘটে TA-GVHD তে।
*বিজিবি= গ্রহীতার রক্তের T cell(প্রতিরক্ষা কোষ)
*সৈনিক= দাতার রক্তের T cell(প্রতিরক্ষা কোষ)

♦বিশেষ করে আপন ভাই/বোন, বাবা /মা, ছেলে/ মেয়ে, ভাতিজা/ভাতিজি, ভাগিনা/ভাগিনী থেকে রক্ত নেয়া থেকে বিরত থাকুন। আপন ভাতিজা থেকে রক্ত নিয়ে TA-GVHD হয়ে মারা গেছেন এমন কেইসও আছে।

এফসিপিএস মেডিসিনে গোল্ড মেডেল পাওয়া বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক Dr. Khairul Islam (MBBS,MCPS,FCPS) ভাই। ভাই শুধু ডিগ্রীধারী বিশেষজ্ঞই নন, ক্লিনিসিয়ান হিসেবেও খুবই ভালো। একাডেমিক ও মানবিক একজন মেডিসিন বিশেষজ্ঞ। ভাইয়ের সাথে দেখা হলে সবসময় বিভিন্ন কেইস নিয়ে অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন। কেইস নিয়ে কৌতুহল থাকায় শুনতে/জানতে ভালো লাগে এবং থিংকিং ক্যাপাবিলিটি বাড়ানোর চেষ্টা করি। সেদিন ভাইয়া একটা অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন।

বি: দ্র: ইংরেজিতে একটা কথা আছে,, Knowledge increases by Sharing, not by Saving! এই সিরিজের সবগুলো লিখাই একাডেমিক আলোচনার জন্য। প্রাসঙ্গিক কোনো তথ্য/অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে চাইলে করতে পারেন।
Dr. Fahim Uddin
Khulna Medical College
Session: 2012-2013

♣যদি ইমার্জেন্সি সিচুয়েশনে কোনো ডোনার খুঁজে না পাওয়া যায় তখন নিকটাত্মীয় থেকেও বাধ্য হয়ে ব্লাড নিতে হয়, তবে সেক্ষেত্রে ডোনারের ব্লাড Irradiation করে গ্রহীতার শরীরে দেওয়া হয়।
পড়াশেষে Done লিখুন এবং জনস্বার্থে শেয়ার করুন।
Source : Doctor's Family BD

আজ একটি গল্প বলব। মন খারাপ করা গল্প। রায়হান ও শাম্মী সদ্য বাবা-মা হয়েছে। ওদের একমাত্র ছেলে তুহিন মাত্র তিন মাস বয়সী। ...
13/07/2025

আজ একটি গল্প বলব। মন খারাপ করা গল্প।

রায়হান ও শাম্মী সদ্য বাবা-মা হয়েছে। ওদের একমাত্র ছেলে তুহিন মাত্র তিন মাস বয়সী। তুহিনকে ঘিরেই এখন তাদের সংসার, আনন্দ আর কষ্ট।

তুহিন খুব কাঁদে। কখনো কখনো একটানা আধা ঘণ্টা কাঁদে। শাম্মী মা হিসেবে যত্ন নিচ্ছে, কিন্তু রাত জেগে জেগে তার শরীর দুর্বল হয়ে গেছে। রায়হান অফিস শেষে বাসায় ফিরে যখন ঘুমোতে চায়, তখনই তুহিন কাঁদতে শুরু করে।

এক রাতে, রায়হান ভীষণ ক্লান্ত হয়ে ফিরেছে। সে মাথাব্যথায় কষ্ট পাচ্ছিল। হঠাৎ তুহিন জোরে কাঁদতে শুরু করল। শাম্মী তখন রান্নাঘরে। রায়হান বাচ্চাকে কোলে নিল, কিন্তু তুহিন থামছেই না।

হঠাৎ রায়হান রেগে গিয়ে বলে উঠল, “এই ছেলেটা আবার শুরু করল!”

কান্না থামাতে কোলের ছোট্ট তুহিনকে রায়হান জোরে জোরে একটু নাড়িয়ে দেয় যেন জোরে ঝাঁকিয়ে চুপ করাতে চায়।

তুহিন থেমে গেল।

কিন্তু এবার সে আর চোখ খুলছে না। নিঃশ্বাস ধীরে ধীরে বন্ধ হয়ে আসছে। রায়হান আর শাম্মী দৌড়ে তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেল। কিন্তু ডাক্তার জানালেন a suspected case of "Shaken Baby Syndrome"।

তুহিনের মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হয়েছে। চোখের রেটিনাতেও ক্ষতি হয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।

রায়হানের চোখ ছলছল করছিল, মুখে কোনো কথা নেই। সে বুঝতেই পারেনি, মাত্র কয়েক সেকেন্ডের রাগে সে তার সন্তানের জীবন বিপন্ন করে ফেলেছে!

আসুন, একটু ভেবে দেখি...

আমরা সবাই চাই আমাদের শিশুরা হাসিখুশি থাকুক, নিরাপদে বেড়ে উঠুক। কিন্তু আমরা কি জানি, অজান্তেই আমাদের সামান্য ভুলে ওদের জীবনে নেমে আসতে পারে এক ভয়াবহ বিপদ? হ্যাঁ, বলছি শেইকেন বেবি সিনড্রোম (Shaken Baby Syndrome - SBS) এর কথা।

শেইকেন বেবি সিনড্রোম আসলে কী?

এটি এমন একটি গুরুতর আঘাত যা শিশুদের, বিশেষ করে ২ বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে ঘটে যখন তাদের প্রচণ্ডভাবে ঝাঁকানো হয়। শিশুদের ঘাড়ের পেশি দুর্বল এবং মাথা শরীরের তুলনায় বড় হওয়ায়, এভাবে ঝাঁকালে মস্তিষ্কে গুরুতর ক্ষতি হতে পারে। এমনকি মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ, স্থায়ী পঙ্গুত্ব বা সবচেয়ে দুঃখজনকভাবে মৃত্যুও হতে পারে।

কেন এমন হয়?

অনেক সময় বাবা-মা বা যত্নকারীরা শিশুর একটানা কান্না থামাতে না পেরে হতাশ হয়ে পড়েন এবং রাগের মাথায় শিশুকে ঝাঁকিয়ে ফেলেন। কিন্তু মনে রাখবেন, কোনো শিশুর কান্না থামানোর জন্য তাকে ঝাঁকানো কোনো সমাধান নয়, বরং এটি একটি মারাত্মক ভুল।

আমরা কী করতে পারি?

ধৈর্য ধরুন: শিশু কাঁদলে আগে বোঝার চেষ্টা করুন কেন কাঁদছে। ক্ষুধা, ঘুম, অস্বস্তি কারণ অনেক কিছু হতে পারে।

যদি বাচ্চা কাঁদে, আপনি বিরক্ত, রাগান্বিত বা অসহায় বোধ করেন তবে বাচ্চাকে নিরাপদ জায়গায় রেখে কিছু সময় দূরে যান, পানি খান, শ্বাস প্রশ্বাস নিয়ন্ত্রণ করুন।

সাহায্য চান: যদি শিশুর কান্না আপনাকে খুব বেশি বিরক্ত করে বা আপনি নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারেন, তাহলে দ্রুত অন্য কোনো প্রাপ্তবয়স্কের সাহায্য নিন। শিশুকে কিছুক্ষণের জন্য অন্য কারো কাছে দিন।

নিরাপদ বিকল্প খুঁজুন: শিশুকে শান্ত করার জন্য দোলনা, নরম গান, বা হালকা হাতে ম্যাসাজ করার মতো নিরাপদ পদ্ধতি ব্যবহার করুন।

সচেতনতা বাড়ান: আপনার পরিচিতদের সাথে এই তথ্য শেয়ার করুন। কারণ আপনার একটি শেয়ার হয়তো একটি শিশুর জীবন বাঁচাতে পারে।

আমাদের একটুখানি ধৈর্য আর সচেতনতাই পারে আমাদের সোনামণিদের এমন ভয়াবহ বিপদ থেকে রক্ষা করতে। আসুন, আমরা সবাই মিলে আমাদের শিশুদের জন্য একটি নিরাপদ এবং সুন্দর ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করি।

কোনো অবস্থাতেই শিশুকে ঝাঁকাবেন না।

একটি মুহূর্তের ধৈর্য আপনার সন্তানের সারাজীবনের নিরাপত্তা দিতে পারে। আপনার শিশুকে ভালোবাসুন, ধৈর্য ধরুন। একজন সচেতন অভিভাবক হয়ে উঠুন। (সংগ্ৰহকৃত)।

🫐 গোলমরিচের ৩০টি জাদুকরী টিপস ! 😍👌🔥 টেস্ট বুস্টিং টিপসঃ১. গোলমরিচ সবসময় রান্নার শেষ দিকে দিন - তাহলে ঝাঁজালো স্বাদ অক্ষ...
13/07/2025

🫐 গোলমরিচের ৩০টি জাদুকরী টিপস ! 😍👌
🔥 টেস্ট বুস্টিং টিপসঃ
১. গোলমরিচ সবসময় রান্নার শেষ দিকে দিন - তাহলে ঝাঁজালো স্বাদ অক্ষুণ্ণ থাকবে।
২. গোটা গোলমরিচ বেটে নিন রান্নার ঠিক আগে। পাউডার করা মরিচ ২-৩ দিনেই স্বাদ হারায়।
৩. মাংসের মেরিনেটে গোলমরিচ দিয়ে ৩০ মিনিট রাখুন - মাংস অসাধারণ নরম হবে।
৪. চা বানানোর সময় এক চিমটি গোলমরিচ পাউডার দিন - ঠান্ডা-কাশিতে দারুণ কাজ করে।
৫. কাঁচা মরিচের সাথে গোলমরিচ মিশিয়ে ভর্তা বানান - স্বাদে হবে অন্যরকম।

🏠 স্টোরেজ হ্যাকসঃ
৬. গোটা গোলমরিচ এয়ারটাইট কন্টেইনারে রাখুন - ৩ বছর পর্যন্ত ভালো থাকবে।
৭. ফ্রিজে গোলমরিচ রাখবেন না - আর্দ্রতায় নষ্ট হয়ে যাবে।
৮. চালের মধ্যে গোটা গোলমরিচ রাখুন - পোকামাকড় আসবে না।
৯. গোলমরিচ পাউডার বেশি দিন রাখতে চাইলে ফ্রিজে রাখুন ছোট কন্টেইনারে।
১০. কাঁচের পাত্রে গোলমরিচ রাখুন - প্লাস্টিকে স্বাদ নষ্ট হয়।

👩‍⚕️ হেলথ বেনিফিট টিপসঃ
১১. খালি পেটে গরম পানিতে গোলমরিচ পাউডার খেলে ওজন কমে।
১২. দাঁতের ব্যথায় গোলমরিচ পাউডার আর লবণের পেস্ট লাগান।
১৩. বদহজমে গোলমরিচ আর আদার চা খান - তৎক্ষণাত আরাম পাবেন।
১৪. গলা ব্যথায় গরম দুধে গোলমরিচ মিশিয়ে খান রাতে।
১৫. সর্দি-কাশিতে মধু আর গোলমরিচের মিশ্রণ দিনে ৩ বার খান।

🍳 কুকিং হ্যাকসঃ
১৬. ডিম ভাজার সময় গোলমরিচ ছিটিয়ে দিন - প্রোটিন শোষণ বাড়ে।
১৭. ভাতের সাথে ২-৩টা গোটা গোলমরিচ দিয়ে রান্না করুন - হজমশক্তি বাড়বে।
১৮. মাছের তেলে গোটা গোলমরিচ ফোড়ন দিন - তেলের গন্ধ নষ্ট হবে না।
১৯. সবজি রান্নার শেষে গোলমরিচ গুঁড়া ছিটান - ভিটামিন সি বাড়ে।
২০. ঝোলে গোটা গোলমরিচ দিন শুরুতে, পাউডার দিন শেষে।

🎭 ইউনিক ট্রিকসঃ
২১. গোলমরিচ আর হিং একসাথে ভেজে নিন - পেটের গ্যাস কমে।
২২. আমের আচারে গোটা গোলমরিচ দিন - বছরখানেক নষ্ট হবে না।
২৩. চিনির সাথে গোলমরিচ মিশিয়ে রাখুন - পিঁপড়া আসবে না।
২৪. গোলমরিচের তেল বানিয়ে রাখুন - যেকোনো রান্নায় ব্যবহার করুন।
২৫. লেবুর রসে গোলমরিচ মিশিয়ে সালাদ ড্রেসিং বানান।

🛡️ প্রিজারভেশন টিপসঃ
২৬. আচার-চাটনিতে গোলমরিচ দিলে প্রাকৃতিক প্রিজারভেটিভ হিসেবে কাজ করে।
২৭. মসলার বয়ামে তুলসি পাতার সাথে গোটা গোলমরিচ রাখুন।
২৮. গোলমরিচ পানিতে ভিজিয়ে সেই পানি দিয়ে গাছে স্প্রে করুন - পোকা তাড়াবে।

🎯 প্রো টিপসঃ
২৯. কালো গোলমরিচ সবচেয়ে ঝাঁঝালো, সাদা গোলমরিচ সুগন্ধি, সবুজ গোলমরিচ মাইল্ড।
৩০. গোলমরিচ কেনার সময় দেখুন - ভারী, গোল এবং সামান্য কুঁচকানো হতে হবে।

💡 বোনাস টিপঃ
গোলমরিচ শুধু মসলা নয়, এটি একটি প্রাকৃতিক ওষুধ! রোজ অল্প করে খান, স্বাস্থ্য ভালো রাখুন।

গল্প-১বাবা গোসলে, মা রান্না ঘরে আর ছেলে টিভি দেখছিল। এমন সময় দরজায় ঘণ্টা বাজল। ছেলে দৌড়ে গিয়ে দরজা খুলে দেখল, পাশের বাসা...
10/07/2025

গল্প-১
বাবা গোসলে, মা রান্না ঘরে আর ছেলে টিভি দেখছিল। এমন সময় দরজায় ঘণ্টা বাজল। ছেলে দৌড়ে গিয়ে দরজা খুলে দেখল, পাশের বাসার করিম সাহেব দাঁড়িয়ে।
ছেলে কিছু বলার আগেই করিম সাহেব বললেন, ‘আমি তোমাকে ৫০০ টাকা দেব, যদি তুমি ১০ বার কান ধরে উঠবস কর।’
বুদ্ধিমান ছেলে অল্প কিছুক্ষণ চিন্তা করেই কান ধরে উঠবস শুরু করল, প্রতিবার উঠবসে ৫০ টাকা বলে কথা।
শেষ হতেই করিম সাহেব ৫০০ টাকার নোট ছেলের হাতে ধরিয়ে দিয়ে চলে গেলেন।
বাবা বাথরুম থেকে বের হয়ে জিজ্ঞেস করলেন, ‘কে ছিল দরজায়?’
‘পাশের বাসার করিম সাহেব’, উত্তর দিল ছেলে।
‘ও’, বললেন বাবা, ‘আমার ৫০০ টাকা কি দিয়ে গেছেন?’

শিক্ষণীয়বিষয়
আপনার ধারদেনার তথ্য শেয়ারহোল্ডারদের থেকে গোপন করবেন না। এতে অনেক অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা থেকে রক্ষা পাবেন।

গল্প-২
সেলসম্যান, অফিস ক্লার্ক ও ম্যানেজার দুপুরে খেতে যাচ্ছিলেন। পথে তাঁরা একটি পুরোনো প্রদীপ পেলেন।
তাঁরা ওটাতে ঘষা দিতেই দৈত্য বের হয়ে এল।
দৈত্য বলল, ‘আমি তোমাদের একটি করে ইচ্ছা পূরণ করব।’
‘আমি আগে! আমি আগে!’ বললেন অফিস ক্লার্ক, ‘আমি বাহামা সমুদ্রপারে যেতে চাই, যেখানে অন্য কোনো ভাবনা থাকবে না, কাজ থাকবে না।’
‘ফুঃ...!!’ তিনি চলে গেলেন।
‘এরপর আমি! এরপর আমি!’ বললেন সেলসম্যান, ‘আমি মায়ামি বিচে যেতে চাই, যেখানে শুধু আরাম করব।’
‘ফুঃ...!!’ তিনিও চলে গেলেন।
‘এখন তোমার পালা’, দৈত্য ম্যানেজারকে বলল।
ম্যানেজার বললেন, ‘আমি ওই দুজনকে আমার অফিসে দেখতে চাই।’

শিক্ষণীয়বিষয়
সব সময় বসকে আগে কথা বলতে দেবেন। তা না হলে নিজের কথার কোন মূল্য থাকবে না।

গল্প-৩
একটি ইগল গাছের ডালে বসে আরাম করছিল।
এমন সময় একটি ছোট খরগোশ ইগলটিকে দেখে জিজ্ঞেস করল, ‘আমিও কি তোমার মতো কিছু না করে এভাবে বসে আরাম করতে পারি?’
ইগল উত্তর দিল, ‘অবশ্যই, কেন পারবে না।’
তারপর খরগোশটি মাটিতে এক জায়গায় বসে আরাম করতে থাকল। হঠাত্ একটি শিয়াল এসে হাজির, আর লাফ দিয়ে খরগোশকে ধরে খেয়ে ফেলল।

শিক্ষণীয়বিষয়
যদি কোনো কাজ না করে বসে বসে আরাম করতে চান, তাহলে আপনাকে অনেক ওপরে থাকতে হবে।

গল্প-৪
একটি মুরগি ও একটি ষাঁড় আলাপ করছিল।
‘আমার খুব শখ ওই গাছের আগায় উঠব, কিন্তু আমার এত শক্তি নেই’, মুরগিটি আফসোস করল।
উত্তরে ষাঁড়টি বলল, ‘আচ্ছা, তুমি আমার গোবর খেয়ে দেখতে পার, এতে অনেক পুষ্টি আছে।’
কথামতো মুরগি পেট পুরে গোবর খেয়ে নিল এবং আসলেই দেখল সে বেশ শক্তি পাচ্ছে। চেষ্টা করে সে গাছের নিচের শাখায় উঠে পড়ল।
দ্বিতীয় দিন আবার খেল, সে তখন এর ওপরের শাখায় উঠে গেল।
অবশেষে চার দিন পর মুরগিটি গাছের আগায় উঠতে সক্ষম হলো।
কিন্তু খামারের মালিক যখন দেখলেন মুরগি গাছের আগায়, সঙ্গে সঙ্গে তিনি গুলি করে তাকে গাছ থেকে নামালেন।

শিক্ষণীয়বিষয়
ফাঁকা বুলি (বুল শিট) হয়তো আপনাকে অনেক ওপরে নিয়ে যেতে পারে, কিন্তু আপনি বেশিক্ষণ ওখানে টিকে থাকতে পারবেন না।

গল্প-৫
একটি পাখি শীতের জন্য দক্ষিণ দিকে যাচ্ছিল। কিন্তু এত ঠান্ডা ছিল যে পাখিটি শীতে জমে যাচ্ছিল এবং সে একটি বড় মাঠে এসে পড়ল।
যখন সে মাঠে পড়ে ছিল, একটি গরু তার অবস্থা দেখে তাকে গোবর দিয়ে ঢেকে দিল। কিছুক্ষণ পর পাখিটি বেশ উষ্ণ অনুভব করল। যখন গোবরের গরমে সে খুব ঝরঝরে হয়ে উঠল, আনন্দে গান গেয়ে উঠল।
এমন সময় একটি বিড়াল পাশ দিয়ে যাচ্ছিল, পাখির গান শুনে খুঁজতে লাগল কোথা থেকে শব্দ আসে। একটু পরই সে গোবরের কাছে আসে এবং সঙ্গে সঙ্গে গোবর খুঁড়ে পাখিটিকে বের করে তার আহার সারে।

শিক্ষণীয়বিষয়
১. যারা আপনার ওপর কাদা ছোড়ে, তারা সবাই-ই আপনার শত্রু নয়।
২. যারা আপনাকে পঙ্কিলতা থেকে বের করে আনে, তারা সবাই-ই আপনার বন্ধু নয়।
৩. এবং যখন আপনি গভীর পঙ্কিলতায় নিমজ্জিত, তখন মুখ বেশি না খোলাই শ্রেয়।
#সংগ্রহিত #রুপক_গল্প #শেয়ার

29/06/2025

চিন্তা ভাবনা ছোট যার, টাকা থাকলেও সে আর বড় হতে পারেনা।
পারিবারিক ভাবে পেয়ে আসা বিষয় গুলো আসলেই জীবনের সব ক্ষেত্রেই ছাপ রেখে যায়।

মানুষের লাইফ স্টাইল কেমন হবে, সেটা আমার মনে হয় তার পারিবারিক শিক্ষার উপরে নির্ভরশীল। ছোটবেলায় যে পরিবেশে মানুষ বড় হয়, সেটা তার ভেতরে পাকাপাকিভাবে একটা ছাপ রেখে যায়।

আমি এমন অনেক ফ্যামিলি দেখেছি, যাদের উপার্জন মাসে ২/৩ লক্ষ টাকা, কিন্ত থাকেন একেবারে ঘুপচি বাসায়। ভালো একটা বাসায় থাকা উনাদের কাছে অপচয়, ভালো একটা বাসায় থাকলে যে মন-মানসিকতা ভালো থাকে- এইটা উনারা মানবেন না।
(আবার ঋণের টাকায় ইন্ডিয়া-নেপাল ঘুরে ফুটানি করে তারপর কিস্তি টানতে টানতে নাজেহাল কত জনকেও দেখেছি)

আবার এমন অনেক ফ্যামিলি আছে, যারা নিজেদের খুব সীমিত উপার্জনের মাঝেও খুব সুন্দর করে গুছিয়ে বাঁচেন। তাদের ঘরদোর বলেন আর লাইফস্টাইল, সবকিছুই খুব টিপটপ। (উনাদের আমার খুব ভালো লাগে)

এক বিশাল বড় সরকারি চাকুরের স্ত্রীকে আমি দেখেছিলাম ডিমের মাঝে পানি মিশিয়ে ভাজতে। তাতে নাকি দুইটা ডিমেই সবার নাস্তা হয়ে যায়! জীবনে কোনদিন যাকাত- ফিতরা পর্যন্ত দেন না। কাপড় কাচার সাবান দুই ভাগ করে কেটে ইউজ করেন, বুয়ারা নাকি বেশি ডলে ফেলে!

আবার আমার গৃহকর্মী স্বপ্নাকেই দেখি প্রতিদিন নিজের মেয়েদের জন্য এক লিটার করে দুধ কিনে নিয়ে আসে। আমার বাসায় বসে জ্বাল করে, ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা করে নিয়ে যায়। ওর দুই মেয়ে ঠান্ডা দুধ খেতে পছন্দ করে। কোনদিন আবার আমার থেকে মোল্ড নিয়ে আইস্ক্রিম বসায়। নিজের বাসায় মুরগি কাটলে একসাথে কয়েকদিনের পা-গিলা জমিয়ে আমার কুকুরদের রান্নায় দিয়ে দেয়...

স্বপ্না ঢাকায় হয়তো গৃহকর্মী, কিন্তু নিজের গ্রামে সে ভালো পরিবারের কন্যা, সেইটা তার লাইফস্টাইলেই বোঝা যায়। ওরা কোন বস্তিতেও থাকে না। আরো দুইটা পরিবারের সাথে মিলে কলাবাগান ফার্স্ট লেনে ফ্ল্যাট বাসা ভাড়া করে থাকে ৩০ হাজার টাকা দিয়ে। ৩ ফ্যামিলির ৩ রুম! জিজ্ঞেস করলে হেসে বলে- "মেয়েটেয়ে মানুষ করতে গেলে ভালো জাইগায় থাকা লাগে আপা!"

লোকে ঠিকই বলে-
টাকা থাকলেই রুচি থাকে না।
টাকা থাকলেই সুখ থাকে না।
এবং, ব্যবহারে বংশের পরিচয়।

আমার নানী বলতেন- "ভালোমন্দ খাইতে আত্মা লাগে। অন্যের পাতে ভাত বাড়তে গুর্দা লাগে!"

ভদ্রমহিলা মনে হয় ঠিকই বলতেন!

✍️Rumana Boisakhi

29/06/2025

⚫রিজিক বৃদ্ধির আমলঃ

▪️আল্লাহর কাছে রিজিকে বারাকাহ্ চেয়ে দুআ করবেন।
"ইয়া আল্লাহ! আমাকে উত্তম রিজিক দাও। বেহিসাবি রিজিক দাও। ধারণাতীত উত্তম রিজিক দাও। এমন উত্তম রিজিক ,যা আমার দুনিয়া ও আখিরাতে কাজে আসবে। রিজিকের সাথে পরীক্ষা দিও না। বরং সবসময় আফিয়াতের সাথে উত্তম হালত দাও। দুনিয়ায়ও দাও,আখিরাতেও দাও। বরং আমার চাওয়ার চেয়ে উত্তম দাও। তোমার দেওয়া রিজিক তোমার সন্তুষ্টির পথে ব্যয় করার নসীব দাও।"

▪️অধিক পরিমাণে ইস্তেগফার করা। সারাদিন, সবসময় জবানে ইস্তেগফার রাখা। ইস্তেগফারকে নিজের জন্য আবশ্যক করে নেওয়া। বিশেষ করে শেষরাতে অর্থাৎ তাহাজ্জুদের সময় ইস্তেগফার জীবনের সবকিছুতে বারাকাহ্ আনে৷ দুআ কবুলের সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেয়।

▪️আত্মীয় স্বজনদের খোঁজ খবর নেওয়া, তাদের হক্ব আদায় করা।

▪️নিয়মিত অল্প হলেও সদকাহ্ করা। সদকাহ্ রিজিক বৃদ্ধি করে। বিপদাপদ দূর করে। সম্পদে বারাকাহ্ আনে।

▪️দুরুদ পাঠ করা। দুরুদ পাঠে হাজত পূর্ণ হয়। দুনিয়া ও আখিরাতের পেরেশানি দূর হয়। আল্লাহুম্মা সল্লি আলা মুহাম্মদ ﷺ।

▪️ নিজের যা আছে, তার জন্য আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করা। শুকরিয়া করলে আল্লাহ বাড়িয়ে দেন।

▪️সূরা কাসাসের ২৪ নং আয়াত পাঠ করা। দুআ কবুলের সময়গুলোতে,সিজদাহ্তে বা বিভিন্ন সময় এই দুআ পড়া। এই দুআর বরকতে আল্লাহ মুসা নবীকে কর্মসংস্থান,রিজিক,নেককার স্ত্রী দিয়েছিলেন।

▪️ নিজের জন্য দুআ করার পাশাপাশি অন্যের জন্যও দুআ করা। যেমন- ইয়া ওয়াহাব! আমার রিজিকের সমস্যা দূর করো৷ আমার জন্য তুমি যথেষ্ট হয়ে যাও। তোমার বান্দাদের মধ্যে যারা রিজিকের পেরেশানিতে আছে,তাদেরও বারাকাহ্ দাও।
অন্যের জন্য দুআ করলে ফেরেশতারা একই দুআ আপনার জন্য করবে।

▪️বিয়ে করা৷ অধিক পরিমাণে সন্তান নেওয়া। বিয়ে-সন্তানের মাধ্যমে রিজিকে অঢেল বারাকাহ্ আসে৷ রিজিক বৃদ্ধি পায়৷

▪️ রুকইয়াহ রিলেটেড সমস্যা থাকলে রিজিকে বাঁধা আসতে পারে। এই ক্ষেত্রে অভিজ্ঞ রাক্বির সাথে যোগাযোগ করে রুকইয়াহ করা।

▪️ ঘরে প্রতিদিন সূরা বাকারাহ তিলওয়াত করার চেষ্টা করা বা অডিও চালু করে রাখা৷ ঘরে সূরা বাকারাহ তিলওয়াত করা হলে শয়তান আবাস গড়তে পারে না। যে ঘরে শয়তানের আবাস নেই, সে ঘরে রহমত ও বরকত থাকবে।

▪️অপচয়,অপব্যয় থেকে বিরত থাকা। এমনকি একটা ভাতের দানাকেও কদর করা।

▪️সবকিছুর জন্য আল্লাহর উপর ভরসা করা। আল্লাহর উপর পরিপূর্ণ ভরসা করতে পারলে আল্লাহ ধারণাতীত রিজিক দিবেন।

এছাড়াও পুরুষ মানুষের উচিত রিজিকের জন্য হালাল উপায়ে চেষ্টা করা। তাই বলে হারাম ইনকাম করা যাবে না। ইনকাম হালাল না হলে কোনো আমল/দুআ আল্লাহর কাছে কবুল হবে না৷ সকালের সময়টাতে রিজিকের উদ্দেশ্যে বের হওয়া। চাকরির চেয়ে ব্যবসাকে প্রাধান্য দেওয়া। ব্যবসাতে আল্লাহ বারাকাহ্ দিয়েছেন।
বারাকাহ্ মানে অনেক টাকা না। বারাকাহ্ হলো আল্লাহ যা দিয়েছেন,তাতে কল্যাণ থাকা৷ বরকতময় রিজিকে অল্পতেই তুষ্ট থাকা যায়। আর বরকত নেই, এমন অঢেল রিজিকেও মন প্রশান্ত হয় না।

০১. কোনো বন্ধুত্বই চিরস্থায়ী নয়। জীবনের পথে অনেক ঘনিষ্ঠ বন্ধুও সময়ের সঙ্গে দূরে সরে যায়।(ব্যতিক্রম আছে খুব অল্প ক্ষেত্রে...
25/06/2025

০১. কোনো বন্ধুত্বই চিরস্থায়ী নয়। জীবনের পথে অনেক ঘনিষ্ঠ বন্ধুও সময়ের সঙ্গে দূরে সরে যায়।(ব্যতিক্রম আছে খুব অল্প ক্ষেত্রে)

০২. নিজের সঙ্গে সম্পর্কই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আর তাই তো আত্মসম্মান ও মানসিক শান্তি বিশ্বের সব সম্পর্কের চেয়ে মূল্যবান।

০৩. কেউ পরিশ্রম দেখে না, সবাই শুধু ফলাফল দেখে। সফল হলে প্রশংসা, ব্যর্থ হলে সমালোচনা। তাই নিজের জন্যই পরিশ্রম করে যান।

০৪. হৃদয়ভঙ্গ ও ব্যর্থতা জীবনেরই অংশ। সুতরাং এগুলো এড়ানো নয় বরং শেখার সুযোগ হিসেবে দেখাই শ্রেয়।

০৫. বাড়ির মতো শান্তির কোনো জায়গা নেই। দুনিয়ার যেখানেই যান, মানসিক শান্তির ঠিকানা একটাই—নিজের ঘর।

০৬. পরিবার ও অর্থই সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। মনে রাখবেন, বন্ধু - গ্ল্যামার বা সামাজিক মর্যাদা ক্ষণস্থায়ী, কিন্তু পরিবার ও অর্থ দীর্ঘমেয়াদে আপনাকে আগলে রাখবে।

০৭. বই-ই সত্যিকার বন্ধু। বই কখনোই প্রতারণা করে না, বরং জ্ঞানের আলো দিয়ে পথ দেখায়।

০৮. শারীরিক ব্যায়াম চাপ কমায়। তাই শুধু ফিটনেসের জন্য নয়, মানসিক প্রশান্তির জন্যও ব্যায়াম জরুরি।

০৯. অনুশোচনা ও কান্নায় সময় নষ্ট নয়। বরং যা হয়ে গেছে, তা আর ফিরে আসবে না। সামনে এগোনোর দিকেই নজর দিন।

১০. আজ যা চাইছেন, কাল হয়তো তার মূল্যই থাকবে না। মানুষের চাহিদা বদলায়। তাই আবেগের বশে সিদ্ধান্ত না নেওয়াই ভালো।

১১. আপনার সিদ্ধান্তই জীবন গড়ে দেয়, ভাগ্য নয়। ভাগ্য নির্ধারিত নয় বরং আপনার সিদ্ধান্তই আপনার ভবিষ্যৎ তৈরি করে দেবে।

১২. শৈশবই জীবনের সেরা সময়। ভাবনাহীন, নির্মল আনন্দের সেই দিনগুলো আর কখনোই ফিরে আসে না।

বিদেশ থেকে আসার সময় পণ্য আনার নতুন ব্যাগেজ নিয়ম-2025🟢 ব্যক্তিগত ব্যাগেজে এখন আরও বেশি সুবিধা, কম ট্যাক্স, সহজ নিয়ম।⸻🎁 ...
24/06/2025

বিদেশ থেকে আসার সময় পণ্য আনার নতুন ব্যাগেজ নিয়ম-2025

🟢 ব্যক্তিগত ব্যাগেজে এখন আরও বেশি সুবিধা, কম ট্যাক্স, সহজ নিয়ম।



🎁 মোবাইল ফোন

✅ নিজ ব্যবহারের জন্য ২টি মোবাইল
✅ + ট্যাক্স ছাড়া নতুন ১টি মোবাইল ফোন আনা যাবে



🪙 স্বর্ণালঙ্কার ও স্বর্ণের বার

✅ বছরে ১বার ১০০ গ্রাম স্বর্ণালঙ্কার ট্যাক্স ছাড়া আনার অনুমতি
✅ চাইলে ১১৭ গ্রাম ওজনের একটি স্বর্ণের বার আনতে পারবেন (প্রতি ভরিতে শুল্ক ৫,০০০ টাকা)



🛄 ব্যাগেজ রুল সুবিধা

🔹 ১২ বছর বা তার বেশি বয়সী যাত্রীরা:
➡️ ৬৫ কেজি পর্যন্ত ব্যাগেজ বিনা শুল্কে আনতে পারবেন

🔹 ১২ বছরের নিচে যাত্রীরা:
➡️ ৪০ কেজি পর্যন্ত ব্যাগেজ বিনা শুল্কে



✅ বিনা শুল্কে আনার অনুমতি (১৯ পণ্য):

📱 ২টি ব্যবহৃত + ১টি নতুন মোবাইল ফোন
📺 ২৯ ইঞ্চি পর্যন্ত টিভি
💻 ল্যাপটপ, ডেস্কটপ, প্রিন্টার, স্ক্যানার
📷 ভিডিও/ডিজিটাল ক্যামেরা
🍳 কিচেন অ্যাপ্লায়েন্স (রাইস কুকার, গ্যাস ওভেন, কফি মেকার ইত্যাদি)
🧵 সেলাই মেশিন, ফ্যান, খেলাধুলার সামগ্রী
💍 ১০০ গ্রাম পর্যন্ত সোনার গয়না
🔊 মিউজিক সিস্টেম
🧼 এক কার্টন সিগারেট
🪑 ৫ বর্গমিটার আয়তনের কার্পেট



💰 শুল্ক দিয়ে আনতে পারবেন (১১ পণ্য):

🏅 ১১৭ গ্রাম পর্যন্ত সোনার বার (প্রতি ভরিতে ট্যাক্স: ৫,০০০ টাকা)
📺 ৩০ ইঞ্চির বেশি টিভি, হোম থিয়েটার
❄️ ফ্রিজ, ডিপ ফ্রিজ, এসি
💡 ঝাড়বাতি, এইচডি ক্যামেরা, ডিশ অ্যান্টেনা
🧺 ওয়াশিং মেশিন, ডিশওয়াশার, ক্লথ ড্রায়ার
🥈 ২৩৪ গ্রাম রুপার বার



📌 উল্লেখ্য:
আগে যতবার খুশি, ততবার ১০০ গ্রাম স্বর্ণ আনতে পারতেন।
এখন থেকে শুধুমাত্র বছরে একবার, ১০০ গ্রাম স্বর্ণ শুল্ক ছাড়া আনার সুযোগ থাকবে।

তথ্যটি ভালো লাগলে জনস্বার্থে শেয়ার করতে পারেন।
তথ্য : প্রথমআলো

🍁কথার সৌন্দর্যই সাফল্যের চাবিকাঠিএকদিন এক রাজামশাই স্বপ্নে দেখলেন—তার মুখের সব দাঁত পড়ে গেছে। তিনি খুব চিন্তিত হয়ে এক ...
21/06/2025

🍁কথার সৌন্দর্যই সাফল্যের চাবিকাঠি

একদিন এক রাজামশাই স্বপ্নে দেখলেন—তার মুখের সব দাঁত পড়ে গেছে। তিনি খুব চিন্তিত হয়ে এক জ্যোতিষীকে ডেকে পাঠালেন এবং স্বপ্নের কথা বিস্তারিতভাবে বললেন।

প্রথম জ্যোতিষীটি স্বপ্নের ব্যাখ্যা করে বললেন,
"মহারাজ, এই স্বপ্নের অর্থ হলো আপনার চোখের সামনেই আপনার পরিবারের সকল প্রিয়জন মারা যাবে। আপনি একা বেঁচে থাকবেন।"

এ কথা শুনে রাজা ভীষণ রেগে গেলেন। এমন অশুভ কথা বলার জন্য তিনি সেই জ্যোতিষীকে মৃত্যুদণ্ড দিলেন।

পরে রাজামশাই আরেকজন জ্যোতিষীকে ডেকে পাঠালেন এবং একই স্বপ্নের কথা বললেন।

দ্বিতীয় জ্যোতিষীটি মনোযোগ দিয়ে স্বপ্ন শুনে মৃদু হেসে বললেন,
"মহারাজ, আপনার আয়ু আপনার পরিবারের সকল সদস্যের চেয়ে দীর্ঘ হবে। আপনি দীর্ঘদিন সুস্থভাবে রাজত্ব করবেন।"

রাজা খুব খুশি হলেন এবং আনন্দের সঙ্গে সেই জ্যোতিষীকে পুরস্কৃত করলেন।

দুই জ্যোতিষী একই অর্থ বললেও পার্থক্য ছিল কেবল ‘কথা বলার ধরনে’। একজন পেল মৃত্যুদণ্ড, আর অন্যজন পেল পুরস্কার।

তাই বলা যায়, কথা বলার ভঙ্গিই পারে আপনার ভাগ্য নির্ধারণ করতে।
মধুর ভাষণ মানুষের হৃদয় জয় করে, আর তির্যক ভাষা আনে বিপদ।
সুন্দরভাবে কথা বলা শুধু সৌজন্যের পরিচয় নয়—এটা এক বিশেষ গুণ।

#কথারসৌন্দর্য #ভদ্রভাষা #ভদ্রতা #কথারগুণ

Address

GEC MORE
Chittagong

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when All things activity posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share